ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

পাকিস্তান রাষ্ট্রই একটি সার্কাস

প্রকাশ: ১০:০০ পিএম, ০৯ এপ্রিল, ২০২২


Thumbnail পাকিস্তান রাষ্ট্রই একটি সার্কাস

পাকিস্তান রাষ্ট্রে ক্ষমতার মিউজিক্যাল চেয়ার চলছে। ইমরান খান কিছুতেই চেয়ার ছাড়তে রাজি নন। অন্যদিকে সুপ্রিমকোর্ট এবং বিরোধী দল মিলে তাকে টেনে-হিঁচড়ে নামাতে চায়। আর এই টেনে-হিঁচড়ে নামানোর জন্য পার্লামেন্টের অধিবেশনেও আজকে যেন আরেক ধরনের খেলা চলছে। পার্লামেন্ট অধিবেশনকে দীর্ঘায়িত করা, অনাস্থা প্রস্তাব আনতে বিলম্ব করা ইত্যাদি নানা রকম শিশুতোষ কাণ্ডকারখানা ঘটানো হচ্ছে। এটা পাকিস্তানের পক্ষেই সম্ভব। পাকিস্তান একদিকে ব্যর্থ রাষ্ট্র, অন্যদিকে অর্থনীতিতে ধুঁকতে থাকা। শ্রীলংকার পর যে রাষ্ট্রটি দেউলিয়া হবে সেটি পাকিস্তান, এমন ভবিষ্যৎবাণী করছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু সেই রাষ্ট্রের অর্থনীতির অবস্থা যতই নাজুক হোক না কেন, রাষ্ট্রটি যতই ব্যর্থ হোক না কেন, ক্ষমতার সেখানকার রাজনীতিবিদরা যেন কিছুতেই ছাড়তে চান না। আর এইরকম একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে বিদেশিদের হস্তক্ষেপ যে হবেই এবং সেই হস্তক্ষেপের মধ্যদিয়ে সেখানকার সরকারের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে, এমনটি যেন পাকিস্তানের নিয়তি। পাকিস্তান জন্মের পর থেকে এই রাষ্ট্রটি প্রতারণা, প্রবঞ্চনা এবং মিথ্যাচারের উপরে দাঁড়িয়ে আছে। এই সমস্ত কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে একটি গোষ্ঠী সেখানে ক্ষমতাবান হয়েছে, জনগণকে সবসময় ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে, জনগণের ইচ্ছা-অনিচ্ছা পাকিস্তান রাষ্ট্রে মূল্যহীন। বারবার পাকিস্তান সেটি প্রমাণ করেছে। সাম্প্রতিক ঘটনা তার একটি উদাহরণ।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়েছিল। কিন্তু অনাস্থা প্রস্তাব মোকাবেলা করতে তিনি রাজি হননি। একজন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতেই পারে, এটি একটি গণতান্ত্রিক রীতি। অনাস্থা প্রস্তাব আসলে তিনি সেটি মোকাবেলা করবেন এবং অনাস্থা প্রস্তাব যদি পার্লামেন্টে গৃহীত হয় তাহলে তিনি সরে যাবেন, নতুন প্রধানমন্ত্রী হবে। এটি একটি গণতান্ত্রিক রীতি। কিন্তু গণতন্ত্রের ধারেকাছেও পাকিস্তান হাঁটে না, এই সাম্প্রতিক ঘটনা তার প্রমাণ। ইমরান খান যেন পাকিস্তানকে এক ক্রিকেট মাঠ বানালেন। তিনি হয়ে গেলেন একজন ক্রিকেট প্লেয়ার। রাজনীতি আর খেলা এক জিনিস নয়। একজন প্রধানমন্ত্রী, তিনি জনগণকে জিম্মি করে ক্ষমতার মসনদ দখল করে রাখতে পারেন এটি ভাবাও একটি ভয়ঙ্কর চিন্তা। কিন্তু সেই ভয়ঙ্কর চিন্তাই করছেন পাকিস্তানের বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ইমরান খান এখন পাকিস্তানকে এমন এক জায়গায় নিয়ে গেছেন যেখানে এই রাষ্ট্রের সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলি বিতর্কে জড়িয়ে পড়ছে। ইমরান খান অনাস্থা ঠেকাতে রাষ্ট্রপতির কাছে পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার আবেদন জানান। আর অন্যদিকে তার তল্পিবাহক ডেপুটি স্পিকার ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব নাকচ করে দিয়ে পার্লামেন্ট মুলতবি করেন। এরপর সুপ্রিম কোর্ট পুরো ব্যাপারের মধ্যে হস্তক্ষেপ করে এবং সুপ্রিম কোর্ট আবার পার্লামেন্ট বসিয়ে অনাস্থা প্রস্তাব আলোচনা করার নির্দেশ দেন। সুপ্রিম কোর্টের এই ভূমিকা কতটুকু সাংবিধানিক বা কতটুকু রাজনৈতিক সে বিতর্ক এখন পাকিস্তানে বড় ধরনের হতেই পারে।

প্রকাশ্যেই বলা হচ্ছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে নিয়ে খেলছে এবং পাকিস্তানের সরকার বদলে দেওয়ার ব্যাপারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা রয়েছে। আবার অন্যদিকে কেউ কেউ বলছে সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সেনাবাহিনী কার পক্ষে এটি নিয়েও নানা রকম জল্পনা কল্পনা করছে। অর্থাৎ পাকিস্তানের গণতন্ত্র মানে হলো সেনাবাহিনী, বিচার বিভাগ আর কতিপয় দুর্নীতিবাজ, দুর্বৃত্ত রাজনীতিবিদদের এক খেলা, যে খেলায় একজন খেলোয়াড় হচ্ছেন ইমরান খান। তিনি খেলোয়াড়ের ভাষায় কথা বলছেন। কিন্তু এই খেলায় জনগণ কি কেবল দর্শক? অথচ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণই সিদ্ধান্তের মালিক এবং সব সিদ্ধান্তের অধিকার জনগণেরই। সেই জনগণের অধিকারকে বঞ্চিত করে পাকিস্তানের ক্ষমতাবানরা যে সর্বনাশের খেলা খেলছেন, তাতে পাকিস্তান আরো অতল গহ্বরে চলে যাবে। ব্যর্থ রাষ্ট্র থেকে পাকিস্তান একটি দেউলিয়া রাষ্ট্রে পথযাত্রা করছে এই সময়ের মধ্যেই।

পাকিস্তান   ইমরান খান  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ব্রিটেনে শিশুপুত্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় নাম 'মোহাম্মদ'

প্রকাশ: ১০:৩২ এএম, ১৯ মে, ২০২৪


Thumbnail

মুসলিম বিশ্বের পাশাপাশি এখন ব্রিটেনেও  সবচেয়ে জনপ্রিয় নামের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে মোহাম্মদ। মোহাম্মদ নামটি যেন মনে প্রশান্তি নিয়ে আসে।

শনিবার (১৮ মে) সরকারি তথ্য ঘেঁটে এমন সংবাদ প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, দেশটির নতুন রাজা চার্লসের নাম মাঝখানে ছেলে শিশুদের জনপ্রিয় ১০০ নামের তালিকায় স্থান করে নিয়েছিল। কিন্তু এখন, আর আগের অবস্থানে নেই এই নামটি। ব্রিটেনে ইউরোপীয় স্টাইলের নামের পাশাপাশি ধর্মীয় নাম রাখার প্রবণতাও বাড়ছে। 

ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে শিশুদের সবচেয়ে জনপ্রিয় নামের তালিকায় এখনো শীর্ষে রয়েছে অলিভিয়া ও নোয়া। এ ছাড়া ফ্রেঞ্চ নাম ওটিলিয়ে ও এলোডিয়ে, গ্রিক অফেলিয়া ও আইরিশ মেইভের মতো নাম মেয়ে শিশুদের ক্ষেত্রে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। ২০২২ সালে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে জনপ্রিয় নামের তালিকা ঘেঁটে এমন চমকপ্রদ তথ্য পাওয়া গেছে।

২০২৩ সালের মে মাসে নতুন রাজার অভিষেক হওয়ার পর চার্লস নামটির জনপ্রিয়তা বেশ বেড়ে যায়। তবে তা ছিল সাময়িক। ইংল্যান্ডে এবং ওয়েলসে মেয়ে শিশুদের পছন্দনীয় ১০টি নাম হচ্ছে- অলিভিয়া, আমেলিয়া, ইসলা, আভা, লিলি, আইভি, ফ্রেইয়া, ফ্লোরেন্স, ইসাবেলা ও মিয়া। আর ছেলে শিশুদের শীর্ষ ১০ নাম হচ্ছে- নোয়া, মুহাম্মদ, জর্জ, অলিভার, লিও, আর্থার, অস্কার, থিওডোর, থিও ও ফ্রেডি।


ব্রিটেন   শিশুপুত্র   মোহাম্মদ  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

মঙ্গল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত

প্রকাশ: ১০:১৯ এএম, ১৯ মে, ২০২৪


Thumbnail

চন্দ্রাভিযানে ইতিহাস গড়ার পর এবার মঙ্গল যাত্রায় মন দিয়েছে ভারতের মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। মঙ্গল যাত্রার জন্য তৈরি হচ্ছে ইসরো। আর এতেই লাল গ্রহে অবতরণকারী তৃতীয় দেশ হতে যাচ্ছে ভারত।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, মঙ্গলযানের প্রথম অভিযান আগে থেকেই ঠিক করা হয়েছিল। তবে দ্বিতীয় অভিযান অনেকটাই আলাদা হবে। ভারতের মহাকাশ গবেষণাকারী সংস্থা ইসরো এবার অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নেবে। সম্প্রতি ন্যাশনাল টেকনোলজি ডে- দিন এই বিষয়ে একটি প্রোজেক্ট প্রেজেন্টেশন করে ইসরো। সেখানেই প্রকাশ পেয়েছে পরিকল্পনাটি।

জানা গেছে, মঙ্গলযানের জন্য স্কাই ক্রেন, সুপারসনিক প্যারাসুট, হেলিকপ্টার রোভারের ব্যবস্থা করবে ইসরো। এর আগে মঙ্গলে অবতরণ করতে এই পদ্ধতি বা প্রযুক্তির অবলম্বন করেছিল আমেরিকা চীন। এবার আমেরিকা চীনের মতোই প্রযুক্তি ব্যবহার করবে ভারত।


মঙ্গল যাত্রা   ভারত   ইসরো  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

লোকসভা ভোটে যে কারণে প্রার্থী হননি প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

প্রকাশ: ১০:০০ এএম, ১৯ মে, ২০২৪


Thumbnail

এবারের লোকসভা ভোটে প্রার্থী হননি প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। তবে দাদা রাহুল গান্ধী লড়ছেন নির্বাচনে। গণমাধ্যমকে তিনি নিজেই জানিয়েছেন, দলের হয়ে প্রচার চালানোর জন্যই তিনি প্রার্থী হননি। প্রিয়াঙ্কা এবং রাহুল গান্ধী দুজনেই ভোটে প্রার্থী হলে সেটা বিজেপির জন্য সুবিধাজনক হয়ে যেতো বলে মনে করেন তিনি।

প্রিয়াঙ্কা জানান, নির্বাচন উপলক্ষ্যে গত ১৫ দিন ধরে রায়বেরিলিতে প্রচারণা চালাচ্ছেন তিনি। গান্ধী পরিবারের সঙ্গে রায়বেরিলির সম্পর্ক অনেক দিনের। তাই এখানকার জনগণ আশা করে, আমরা এখানে আসব। তাদের সঙ্গে দেখা করব। ভালোমন্দের খবর নেবো। আমরা এখানে রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে জিততে পারি না।

গান্ধী পরিবারের ঘাঁটি উত্তর প্রদেশের রায়বেরিলি থেকে ভোটে লড়ছেন রাহুল। এর আগে আসনে প্রার্থী হতেন তার মা, সোনিয়া গান্ধী। চলতি বছরের শুরুতে সোনিয়া রাজ্যসভায় চলে যান। মায়ের ছেড়ে আসা আসনেই লড়ছেন রাহুল।

প্রিয়াঙ্কা বলেন, দুই ভাইবোন ভোটে লড়লে, দুজনকেই নিজেদের কেন্দ্রে অন্তত ১৫ দিন থাকতে হত। তাই আমরা ঠিক করি, একজন পুরো দেশে প্রচার চালাবে। সেটা দলের জন্য খুব ইতিবাচক হবে। দলীয় স্তরে আলোচনা করেই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

ভবিষ্যতে ভোটে লড়বেন কী না জানতে চাইলে কৌশলে তা এড়িয়ে যান প্রিয়াঙ্কা। তিনি বলেন, আমি কখনই সংসদীয় রাজনীতি করা কিংবা ভোটে লড়ার কথা ভাবিনি। দল আমাকে যা দায়িত্ব দেবে, সেটাই নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করবো। যদি মানুষ চায় তাহলে আমি অবশ্যই ভোটে লড়ব।


লোকসভা   ভোট   প্রিয়াঙ্কা গান্ধী  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

আফগানিস্তানে বন্দুকধারীর গুলিতে ৩ পর্যটকসহ নিহত ৬

প্রকাশ: ০৯:২১ এএম, ১৯ মে, ২০২৪


Thumbnail

আফগানিস্তানের মধ্যাঞ্চলীয় বামিয়ান প্রদেশে বন্দুকধারীদের গুলিতে স্পেনের ৩জন পর্যটক ও ৩ জন আফগান নাগরিক নিহত হয়েছে। তালেবান সরকার এই তথ্য জানিয়েছে। 

তিন আফগান ও তিন স্প্যানিশ পর্যটকের মরদেহ রাজধানী কাবুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আফগান সরকার।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার কাবুল থেকে ১৮০ কিলোমিটার দূরে পাহাড়ি শহর বামিয়ানের একটি বাজারের ভেতর দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আবদুল মতিন কানি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, নিহত ও আহতদের মধ্যে নারীও রয়েছেন। মৃতদেহগুলো কাবুলে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং ফরেনসিক বিভাগে রাখা হয়েছে। আহতরাও কাবুলে রয়েছেন। 

আহত আটজনের মধ্যে চারজন বিদেশি। একজন বয়স্ক বিদেশি নারীর অবস্থা গুরুতর। বামিয়ানের হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহতরা নরওয়ে, অস্ট্রেলিয়া, লিথুয়ানিয়া এবং স্পেনের বাসিন্দা।

আবদুল মতিন কানি জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে একজন তালেবান সদস্যও রয়েছেন। কোনো অস্ত্রধারী গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করেনি। 

সাতজন সন্দেহভাজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং তাদের মধ্যে একজন আহত অবস্থায় রয়েছেন বলে জানিয়েছেন কানি। 


আফগানিস্তান   গুলি   পর্যটক   নিহত  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

গাজার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে হামলা, নিহত অন্তত ১৭

প্রকাশ: ০৮:৪৪ এএম, ১৯ মে, ২০২৪


Thumbnail

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এ ঘটনায় কমপক্ষে ১৭ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে।

এছাড়া উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েল বিমান হামলা চালানোর পর অন্তত ২৮ জন নিহত হয়েছেন। রোববার (১৯ মে) এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, নুসেইরাতের একটি বাড়িতে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১৭ জন নিহত এবং আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে নিখোঁজ রয়েছেন আরও অনেকে।

আল জাজিরা আরও জানিয়েছে, উত্তর গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ২৮ ফিলিস্তিনি নিহত এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে অনেক নারী ও শিশু রয়েছে।

এদিকে শনিবার গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৬৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আল জাজিরা বলছে, ইসরায়েলি বাহিনী গাজা উপত্যকা জুড়ে আক্রমণ আরও জোরদার করেছে এবং শনিবার কমপক্ষে ৬৪ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে আমাদের সংবাদদাতারা জানিয়েছেন।

এর মধ্যে উত্তর গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতালের কাছে একটি আবাসিক ভবনে হামলায় ২৮ জন নিহত এবং আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। এছাড়া উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের একটি আশ্রয়কেন্দ্রের গেটে জড়ো হওয়া ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলার ঘটনায় ১২ জন নিহত এবং আরও ২৫ জন আহত হয়েছেন।

জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের পশ্চিমে ফালুজাহতে পানির জন্য লাইনে দাঁড়ানো একদল লোকের ওপর ইসরায়েল আর্টিলারি হামলা চালালে আটজন নিহত এবং ১০ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া মধ্য গাজার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন।

দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস শহরের একটি বাড়িতে হামলায় চারজন নিহত হয়েছেন। খান ইউনিসের পূর্বে অবস্থিত আবাসান আল-কাবিরা শহরের আল-ফারহিন এলাকায় হামলায় অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন।

এছাড়া দক্ষিণ গাজার রাফা শহরের একটি বাড়িতে হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন। উত্তর-পশ্চিম রাফাতে একটি গাড়িতে পৃথক হামলায় শনিবার আরও একজন নিহত হয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি এই আক্রমণের ফলে গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত ৩৫ হাজার ৩৮৬ জন নিহত এবং আরও প্রায় ৮০ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন।


গাজা   শরণার্থী   শিবির   হামলা   নিহত  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন