কোর্ট ইনসাইড

তারেক রহমান পলাতক কি না, রায় ২৬ জুন

প্রকাশ: ০১:৫৩ পিএম, ১৯ জুন, ২০২২


Thumbnail তারেক রহমান পলাতক কি না, রায় ২৬ জুন

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাজা প্রাপ্ত হয়ে লন্ডনে অবস্থান করায় পলাতক কি না সে বিষয়ে আগামী ২৬ জুন রায় ঘোষণা করবেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তিনি আইনজীবী নিয়োগ করতে পারবেন কি না সে বিষয়েও হাইকোর্ট রায় দিবেন সেদিন।

রোববার (১৯ জুন) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের বেঞ্চ রায়ের জন্য এদিন ধার্য করেন।

আদালতে তারেক-জোবায়দার পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। দুদকের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খুরশিদ আলম খান। 

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান ও পুত্রবধু ডা. জোবায়দা রহমানের রিট মামলার রুল শুনানি শুরু হয়। রুল শুনানির এক পর্যায়ে তারেক রহমান আইনের দৃষ্টিতে পলাতক কি-না এ বিষয়ে প্রশ্ন ওঠে।
 
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর ঘোষিত আয়ের বাইরে ৪ কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৬১ টাকার মালিক হওয়া ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে রাজধানীর কাফরুল থানায় এ মামলা করা হয়।  

মামলায় তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান ও শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুকে আসামি করা হয়।

পরে একই বছরে তারেক রহমান ও তার স্ত্রী পৃথক রিট আবেদন করেন। রিটে জরুরি আইন ও এ মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করেন। হাইকোর্ট রুল জারি করে স্থগিতাদেশ দেন।   

এরপর রিট মামলাগুলো মঙ্গলবার কার্যতালিকায় আসে। এরপর রুল শুনানির জন্য দিন ঠিক করেন হাইকোর্ট।

এদিকে একই মামলার বৈধতা নিয়ে আরেকটি ফৌজদারি আবেদন করেছিলেন ডা. জোবায়দা। ওই সময় ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট।  

ওই রুলের শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে মামলা বাতিলে জারি করা রুল খারিজ করে দেন। একই সঙ্গে জোবায়দা রহমানকে আট সপ্তাহের মধ্যে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণেরও নির্দেশ দিয়েছিলেন।  

ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন জোবায়দা রহমান। যা গত ১৩ এপ্রিল খারিজ করেন আপিল বিভাগ।

তারেক রহমান  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

গার্ডার দুর্ঘটনা: ক্রেনচালকসহ ১০ আসামি রিমান্ডে

প্রকাশ: ০৪:৪২ পিএম, ১৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail গার্ডার দুর্ঘটনা: ক্রেনচালকসহ ১০ আসামি রিমান্ডে

রাজধানীর উত্তরায় বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের ফ্লাইওভারের গার্ডার চাপায় প্রাইভেটকারে থাকা শিশুসহ পাঁচজন নিহত হওয়ার ঘটনার মামলায় ক্রেনচালক মো. আল-আমিন হোসেন ওরফে হৃদয়সহ (২৫) দশজনের বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

শুক্রবার (১৯ আগস্ট) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আহমেদ শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার সুষ্ঠু-তদন্তের জন্য আল-আমিন, রাকিব ও জুলফিকারকে দশদিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইয়াসীন গাজী। শুনানি শেষে বিচারক তাদের তিনজনকে চারদিন করে মঞ্জুর করেছেন।

এছাড়াও বাকী আসামী রুবেল (২৮), মো. আফরোজ মিয়া (৫০), মো. ইফতেখার হোসেন (৩৯), আজহারুল ইসলাম মিঠু (৪৫), তোফাজ্জল হোসেন ওরফে তুষার (৪২), রুহুল আমিন মৃধা (৩৩) ও মো. মঞ্জুরুল ইসলামকে (২৯) বিচারক দুই দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 

এর আগে বুধবার (১৭ আগস্ট) রাতে ঢাকা, গাজীপুর, সিরাজগঞ্জ ও বাগেরহাট থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গত সোমবার (১৫ আগস্ট) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে উত্তরায় প্যারাডাইস টাওয়ারের সামনে বিআরটি প্রকল্পের ক্রেন থেকে গার্ডার ছিটকে পড়ে প্রাইভেটকারের পাঁচ যাত্রী নিহত হন। ওই গাড়িতে থাকা নবদম্পতি গুরুতর আহত হলেও প্রাণে বেঁচে যান। হতাহতরা ঢাকায় একটি বৌ-ভাতের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ফিরছিলেন।

নিহতরা হলেন— আইয়ুব আলী হোসেন রুবেল (৫৫), ফাহিমা আক্তার (৩৮), ঝরণা আক্তার (২৭), জান্নাতুল (৬) ও জাকারিয়া (৪)। এরই মধ্যে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আহত নবদম্পতি হৃদয় (২৬) ও রিয়ামনি (২১) উত্তরার ক্রিসেন্ট হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরেছেন।

ঘটনার রাতেই নিহত ফাহিমা আক্তার ও ঝরণা আক্তারের ভাই মো. আফরান মণ্ডল বাবু বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় এ মামলা করেন। মামলা নম্বর-৪২।

মামলায় অবহেলাজনিতভাবে ক্রেইন পরিচালনাকারী চালক, প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। এরই মধ্যে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২২ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

ঢাকা ওয়াসার এমডির ১৩ বছরের বেতন-ভাতার হিসাব চেয়েছেন হাইকোর্ট

প্রকাশ: ০৬:৫১ পিএম, ১৭ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ঢাকা ওয়াসার এমডির ১৩ বছরের বেতন-ভাতার হিসাব চেয়েছেন হাইকোর্ট

গত ১৩ বছর ধরে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তাকসিম এ খানকে কত টাকা বেতন, বোনাস এবং অন্যান্য সুবিধাদি দেওয়া হয়েছে, তার হিসাব চেয়েছেন হাইকোর্ট।

বুধবার (১৭ আগস্ট) কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) করা রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল সহ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অরবিন্দ কুমার রায়।

পরে জ্যোতির্ময় বড়ুয়া জানান, ঢাকা ওয়াসার এমডিকে অপসারণে নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং তাকে অপসারণের জন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

এছাড়া গত ১৩ বছরে কত টাকা বেতন, বোনাস এবং অন্যান্য সুবিধাদি দেওয়া হয়েছে, সেই হিসাব আগামী ৬০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান এই আইনজীবী।


ঢাকা ওয়াসা   বেতন-ভাতা   হাইকোর্ট  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

ঈশা খাঁ ঘাঁটিতে বোমা হামলায় ৫ জেএমবি সদস্যের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশ: ১২:০৩ পিএম, ১৭ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ঈশা খাঁ ঘাঁটিতে বোমা হামলায় ৫ জেএমবি সদস্যের মৃত্যুদণ্ড

চট্টগ্রামে নৌবাহিনীর ঈশা খাঁ ঘাঁটির ভেতরে মসজিদে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় ৫ জঙ্গিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।  

বুধবার (১৭ আগস্ট) চট্টগ্রামের সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবদুল হালিম এই আদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত জঙ্গিরা হলোঃ আবদুল মান্নান, রমজান আলী, বাবলু রহমান, আবদুল গাফফার ও এম সাখাওয়াত হোসেন।

ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি মনোরঞ্জন দাশ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর ঈশা খাঁ ঘাঁটির ভেতরে জুমার নামাজের সময় পতেঙ্গা মসজিদে মুসল্লিদের ওপর দুটি বোমা (গ্রেনেড) নিক্ষেপ করেন আবদুল মান্নান। এ সময় ভীতসন্ত্রস্ত মুসল্লিরা ছোটাছুটি শুরু করলে হামলাকারী মান্নান ভিড়ের সঙ্গে মিশে যান। কিন্তু তার বাঁ হাতের কবজিতে ইলেকট্রিক সুইচ দেখে মুসল্লিরা তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। তখন আবদুল মান্নান আত্মঘাতী বোমা বিস্ফোরণ ঘটানোর চেষ্টা করে সফল হননি।

পতেঙ্গা মসজিদে হামলার ১০ মিনিট পর ঈশা খাঁ ঘাঁটির আরেকটি মসজিদে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। ওই মসজিদে জুমার নামাজ শুরু হলে রমজান আলী মসজিদের মাঝ বরাবর দুটি বোমা (গ্রেনেড) নিক্ষেপ করে মুসল্লিদের সঙ্গে মিশে যান। পরে তাকেও ধরে ফেলা হয়। ওই দিন দুটি মসজিদে বোমা হামলায় নৌবাহিনীর কর্মকর্তাসহ ২৪ জন মুসল্লি আহত হন।

হামলার ৯ মাস পর ২০১৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর নৌবাহিনীর নেভাল প্রভোস্ট মার্শাল কমান্ডার এম আবু সাঈদ বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী ও বিস্ফোরক আইনে চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানায় মামলা করেন। ঘটনার ২২ মাস পর পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

গার্ডার দুর্ঘটনায় নিহতদের জন্য ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট

প্রকাশ: ০৯:৫৪ এএম, ১৭ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail গার্ডার দুর্ঘটনায় নিহতদের জন্য ক্ষতিপূরণ চেয়ে হাইকোর্টে রিট

উত্তরায় বিআরটি প্রকল্পের ফ্লাইওভারের গার্ডার চাপায় প্রাইভেটকারে থাকা শিশুসহ পাঁচজন নিহত হয়েছে। নিহত হওয়া প্রত্যেককে ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। 

পাশাপাশি রিটে গত পাঁচ বছরে ফ্লাইওভারের নির্মাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিআরটি কী ধরনের নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে তার একটি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৭ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জাকারিয়া খানের পক্ষে আইনজীবী শাহজাহান আকন্দ মাসুম এ রিট দায়ের করেন।

এর আগে গতকাল (১৬ আগস্ট) এই ঘটনায় আরেকটি রিট দায়ের করা হয়। ওই রিটে ঘটনার তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ও জনগণের চলাফেরায় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা চাওয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাগুফতা আহমেদ এ রিট দায়ের করেন।

স্বরাষ্ট্র সচিব, সড়ক ও জনপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

সোমবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর উত্তরায় বিআরটি প্রকল্পের ফ্লাইওভারের গার্ডার চাপায় প্রাইভেটকারে থাকা শিশুসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন দুইজন। 

নিহতরা হলেন- আইয়ুব আলী হোসেন রুবেল (৫৫), ফাহিমা আক্তার (৩৮), ঝর্না আক্তার (২৭), ঝর্না আক্তারের দুই শিশু সন্তান জান্নাত (৬) ও জাকারিয়া (৪)। মঙ্গলবার বিকেলে মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

গার্ডার দুর্ঘটনা   ক্ষতিপূরণ   হাইকোর্টে রিট  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

সংসদ এলাকায় স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন নির্মাণ বৈধ

প্রকাশ: ১২:০৮ পিএম, ১৬ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail সংসদ এলাকায় স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন নির্মাণ বৈধ: হাইকোর্ট

জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন নির্মাণকে বৈধ বলে রায় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

এ বিষয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বাতিল করে মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারপতির আপিল বিভাগের বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতে এদিন রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার তানজিব উল আলম। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ(এসকে) মোরশেদ।

এর আগে ২০০২ সালে সংসদ ভবন এলাকায় স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হলে ২০০৩ সালে নির্মাণকাজের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেক্টস।

রিট আবেদনে বলা হয়, লুই আই কানের মূলনকশা লঙ্ঘন করে সংসদ ভবন এলাকায় এসব আবাসিক ভবননির্মাণ করা হচ্ছে। পরবর্তীতে ২০০৪ সালের ২১ জুন হাইকোর্ট ওই রিট আবেদনের ওপর রায়ে বলেন, সংসদ ভবন এলাকায় স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন নির্মাণ কার্যক্রম অবৈধ। সেইসঙ্গে রায়ে সংসদ ভবন এলাকাকে জাতীয় ঐতিহ্য ঘোষণার নির্দেশ দেন।

তবে হাইকোর্টের ওই রায় স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করেন। আপিলে হাইকোর্টের রায় স্থগিত করা হয়। পরে রাষ্ট্রপক্ষ আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন (লিভ টু আপিল) করলে তা মঞ্জুর করেন আপিল বিভাগ। অবশ্য হাইকোর্টের রায় স্থগিত থাকা অবস্থায় স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন নির্মাণ শেষ হয়ে গেছে। অবশেষে হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি শেষে দেশের সর্বোচ্চ আদালত আজ হাইকোর্টের রায়টি (স্যাটাসাইড) বাতিল করে রায় দেন।

সংসদ এলাকা   স্পিকার   ডেপুটি স্পিকার   বাসভবন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন