ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

পার্থ ও অনুব্রত কারো ফোনে সাড়া দেননি মমতা

প্রকাশ: ০৯:৩৭ এএম, ১৩ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail পার্থ ও অনুব্রত কারো ফোনে সাড়া দেননি মমতা

পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অনুব্রত মণ্ডল। শীর্ষ দুই নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতির আভিযোগে বেশ বিব্রতকর অবস্থায় তৃণমূল কংগ্রেস। গত ২২ জুলাই (শুক্রবার) গভীর রাতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে তল্লাশির পরে তাকে গ্রেপ্তার করে ইডি। সেই সময় ইডির কর্মকর্তারা বলেছিলেন, তিনি যে কাউকে ফোন করতে পারেন। পার্থ চট্টোপাধ্যায় একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।

বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী পরে জানা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ফোন ধরেননি। বৃহস্পতিবার বোলপুরের নিচু পট্টির বাড়ি থেকে অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই। সিবিআই-এর জালে পড়ার বিষয়টি আঁচ করতে পেরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করেছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই ফোন ধরেননি। 

পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে যেমন মমতার অবস্থার পরিষ্কার ছিল, অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে এখনও অবস্থান স্পষ্ট করতে পারেনি তৃণমূল কংগ্রেস। তবে পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অনুব্রত মণ্ডলকে যে আলাদা করছেন না, তা বুঝিয়ে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  

মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী অনুব্রত মন্ডলকে বৃহস্পতিবার গরু পাচার মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অনুব্রতর শক্তিশালী ঘাঁটি বীরভূম থেকে তুলে নেওয়ার আগে তৃণমূলের এই নেতাকে বাড়িতে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিবিআইয়ের কর্মকর্তারা। এ পরিস্থিতির মধ্যেই  আবার বাড়তি সঙ্কট যোগ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের আরেক প্রভাবশালী নেতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে তিনি দল ছাড়ার কথা জানিয়েছেন। 

সবমিলিয়ে সর্বভারতীয় রাজনীতিতে কিছুটা ধাক্কা খেয়েছে মমতার তৃণমূল। 


পার্থ চট্টোপাধ্যায়   অনুব্রত   মমতা ব্যানার্জী  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ভয়াবহ দাবানলে পুড়ছে টেক্সাস

প্রকাশ: ০৮:৫৩ পিএম, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

ইতিহাসের দ্বিতীয় বৃহত্তম দাবানলে পুড়ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য টেক্সাস। গরম আবহাওয়া ও জোরালো শুষ্ক বাতাসের কারণে দ্রুতই এটি ছড়িয়ে পড়েছে প্রায় ১০ লাখ একর এলাকায়। তাছাড়া এই দাবানল টেক্সাসের সীমানা পেরিয়ে পাশের অঙ্গরাজ্য ওকলাহোমাতেও ছড়িয়ে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি।

২৬ ফেব্রুয়ারি বিকেল থেকে টেক্সাসের হাচিনসন কাউন্টি শুরু হয় এই দাবানল। পরে এর আগুন দ্রুতই আশেপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এরই মধ্যে ৮ লাখ ৫০ হাজার একর জমিতে ছড়িয়ে পড়েছে এই দাবানল এবং এটির তীব্রতা ক্রমেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।

টেক্সাসের হাচিনসন কাউন্টির এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দাবানলের কারণে জয়েস ব্ল্যাঙ্কেনশিপ নামে ৮৩ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার প্রাণহানিও ঘটেছে। তাছাড়া এর কারণে অভাবনীয় ক্ষতির আশঙ্কা করছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশ কয়েকদিন সময় লেগে যাবে বলে জানিয়েছে তারা।

টেক্সাস ফরেস্ট্রি সার্ভিস জানিয়েছে, দাবানলে হাচিনসন কাউন্টির শতাধিক বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে প্যান্ডেলহাম শহরের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কারখানা। বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার বাসিন্দা।

এদিকে, ৬০টি কাউন্টিতে দুর্যোগ ঘোষণা করেছেন টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট। তিনি বলেন, উচ্চ তাপমাত্রা ও শুষ্ক বাতাস দাবানলের ভয়াবহতা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। এজন্য স্ফুলিঙ্গ সৃষ্টি করতে পারে এমন কাজ থেকে টেক্সাসবাসীদের বিরত থাকতে হবে। নিজেকে ও প্রিয়জনদের নিরাপদে রাখতে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।

এদিকে, দাবানল টেক্সাসের সীমানা পেরিয়ে ওকলাহোমা অঙ্গরাজ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে। কলাহোমা ফরেস্ট্রি সার্ভিসেস জানিয়েছে, এরইমধ্যে এই অঙ্গরাজ্যের অন্তত ৩০ হাজার একর এলাকা ও ১৩টি বাড়ি পুড়ে গেছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে গভীর আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

এর আগে, ২০০৬ সালে টেক্সাসে সর্বকালের সবচেয়ে বড় দাবানলের ঘটনা ঘটেছিল। স্ট অ্যামারিলো কমপ্লেক্স নামে পরিচিত ওই দাবানলে ৯ লাখ ৭ হাজারেরও বেশি একর জায়গা পুড়ে গিয়েছিল। তার আগে ১৯৮৮ সালে ভয়াবহ দাবানলে টেক্সাসের ৩ লাখ ৬৬ হাজার একর এলাকা পুড়ি গিয়েছিল।


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র   টেক্সাস   দাবানল  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

সমালোচনার মুখে মরিয়াম নওয়াজ

প্রকাশ: ০৮:৪২ পিএম, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের সদ্য নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী মারিয়াম নওয়াজ প্রদেশটির নিরাপত্তা বিষয়ক কার্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে এক নারী পুলিশ কর্মকর্তার মাথার ওড়না ঠিক করে দেয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এরপরই শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা।

পাকিস্তানের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের মেয়ে মারিয়ম নওয়াজ পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন নির্বাচিত হয়ে তিনি পাকিস্তানের সাত দশকের মধ্যে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। তবে ইতিহাস গড়লেও এরইমধ্যে সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ডনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ভিডিওতে দেখা গেছে,পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ পুলিশের এক কর্মকর্তার মাথা থেকে ওড়না সরে যাওয়ায় তা নিজের হাতে ঠিক করে দেন। আর এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। প্রদেশের নিরাপত্তাবিষয়ক কার্যালয় পরিদর্শনে যান। সেখানে এক নারী কর্মকর্তা কম্পিউটারে কাজ করছিলেন। আর পাশে দাঁড়িয়ে দেখছিলেন নওয়াজ। একপর্যায়ে পুলিশ কর্মকর্তার মাথা থেকে ওড়না সরে গেলে নিজ হাতে তিনি সেটি তুলে ঠিক করে দেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর জনসংযোগ বিভাগ এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন। ক্যাপশনে কর্মকর্তারা বিষয়টিকে ‘সহানুভূতি ও বোঝাপড়ার মুহূর্ত’ উল্লেখ করলেও এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বিষয়টি দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে এবং নেটিজেনরা এ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানান।

নেটিজেনদের একটি অংশ বিষয়টি নিয়ে মরিয়মকে বাহবা দিয়েছেন। অন্যদিকে আরেকটি অংশ সমালোচনা করেছেন। তাদের দাবি, পুলিশ কর্মকর্তার ব্যক্তিগত বিষয়ে তিনি হস্তক্ষেপ করেছেন। তিনি তাকে অস্বস্তিতে পড়েন।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে জরিপ চালিয়েছেন তারা। এতে ৩৩ শতাংশ কাজটি ঠিক বলে মতো দিয়েছেন। অন্যরা বিষয়টির সমালোচনা করেছেন। তাদের দাবি, মিরয়ম কাজটি ঠিক করেননি। তিনি বাস্তব আলোচনার চেয়ে ব্যক্তির পোশাককে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।

কেউ কেউ বলেছেন, মরিয়ম ধর্মীয় উগ্রবাদিতা ও গোঁড়ামি থেকে এটি করেছেন তিনি। এতে করে আরও অনেকে নারীদের ওপর এমনভাবে নিজেদের ধর্মীয় গোঁড়ামি প্রয়োগে উৎসাহিত হবেন। আরেকজন বলেন, মরিয়মের কিছু করার দরকার ছিল না। ওড়না যেমন ছিল তেমন থাকুক। এটি ঠিক করে দেওয়া মুখ্যমন্ত্রীর কাজ নয়।

বুধবার মরিয়মের দল পিএমএলএনের নেতা আজমা বোখারি এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, পুলিশ কর্মকর্তার কাজের সময় মাথার ওড়না পড়ে গিয়েছিল। মরিয়ম তাৎক্ষণিক মা বোনের মতো মমতার সাথে সেটি ঠিক করে দিয়েছেন। মনে হচ্ছে সন্তানতুল্য একজনের সঙ্গে তিনি এমনটি করছেন।


পাকিস্তান   মরিয়াম নওয়াজ   মুখ্যমন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ইউরোপে আশ্রয় আবেদনে বাংলাদেশিদের নজিরবিহীন রেকর্ড

প্রকাশ: ০৬:১৪ পিএম, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

ইউরোপে আশ্রয় আবেদনে নতুন রেকর্ড গড়েছেন বাংলাদেশিরা। গেল বছর ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যেতে আবেদন করেন ১১ লাখ ৪০ হাজারের বেশি মানুষ, যার মধ্যে বাংলাদেশির সংখ্যা ৪০ হাজারের বেশি। বেশিরভাগই যেতে চান ইতালি ও ফ্রান্সে।

শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এজেন্সি ফর এসাইলাম (ইইউএএ) প্রকাশিত এক পরিসংখ্যানে নতুন এই তথ্য উঠে এসেছে।

উন্নত জীবন, অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা আর নিরাপত্তার আশায় প্রতি বছরই ইউরোপে যান অসংখ্য মানুষ। অবৈধ পথে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমানোর চেষ্টা করেন অনেকে। কেউবা আবার নানা কারণ দেখিয়ে করেন আশ্রয়ের আবেদন। ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এজেন্সি ফর এসাইলাম প্রকাশিত নতুন এক পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক এক তথ্য।
 
মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ইইউ’র শরণার্থী বিষয়ক সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নে আশ্রয় চেয়ে আবেদন করেছেন রেকর্ড সংখ্যক মানুষ। আন্তর্জাতিক সুরক্ষা চেয়ে আবেদনকারীর সংখ্যা ১১ লাখ ৪০ হাজারের বেশি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। 
 
এই পরিসংখ্যানে ইউরোপের দোরগোড়ায় জেঁকে বসা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে ইইউ’র ওপর তৈরি হওয়া ক্রমবর্ধমান চাপ ও জাতীয়তাবাদী রাজনীতির হুমকিও প্রতিফলিত হয়েছে। 

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২৩ সালে ইউরোপে আশ্রয় চেয়ে করা আবেদনের সংখ্যা এর আগের বছরের তুলনায় প্রায় ১৮ শতাংশ বেশি। যা ২০১৫-১৬ সালে বিশ্বজুড়ে তৈরি হওয়া শরণার্থী সংকটের পর সর্বোচ্চ। সে বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১৩ লাখ মানুষ ইউরোপে আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন।
 
ইইউএএ’র তথ্য বলছে, গেল বছর ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে আশ্রয় প্রার্থীদের পছন্দের শীর্ষে ছিল জার্মানি। আর আশ্রয়ের আবেদনে সবার শীর্ষে আছেন সিরীয় নাগরিকরা। এরপরই এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত আরেক দেশ আফগানিস্তান।
 
এর আগে, গেল মাসে ইইউ’র সীমান্ত সুরক্ষা বিষয়ক সংস্থা ফ্রন্টেক্সের এক পরিসংখ্যানে বলা হয়, ২০১৬ সালের পর বর্তমানে ইউরোপে অবৈধ সীমান্ত ক্রসিংয়ের সংখ্যাও আশঙ্কাজন হারে বেড়েছে।

ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন   ইউরোপ   বাংলাদেশ  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

চিকিৎসার উদ্দেশ্যে গাঁজার অনুমতি দেবে থাইল্যান্ড

প্রকাশ: ০৫:১০ পিএম, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

চলতি বছরের শেষ দিকে বিনোদনমূলক কাজে গাজার ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে থাইল্যান্ড। তবে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে এটি ব্যবহারের অনুমতি দেবে দেশটি। 

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী চোলনান শ্রীকাউ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান। 

থাইল্যান্ড দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় প্রথম চিকিৎসায় গাজা ব্যবহারের অনুমতি দেয়। ২০১৮ সালে দেশটি প্রথম এ অনুমোদন দেয়। এরপর ২০২২ সালে বিনোদনমূলক ব্যবহারের জন্যও গাজার বৈধতা দেয় দেশটি। এর এক বছরের থাইল্যান্ডে গাজার জন্য ১২০ কোটি ডলারের শিল্প গড়ে ওঠে। তৈরি হয় গাজার হাজারও দোকান।

দেশটিতে গাজার ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের জন্য নতুন আইনের খসড়া তৈরি করেছে সরকার। ধারণা করা হচ্ছে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ এটি কার্যকর হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, সংসদে পাস করার আগে বিলটি খসড়া অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।

বিনোদনমূলক ক্ষেত্রে গাজার ব্যবহার নিয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে আইন না থাকলে অপব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে। এর নেতিবাচক প্রভাব শিশুদের ওপরও পড়তে পারে। দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবে তারা অন্যান্য নেশাদ্রব্যের দিকেও ঝুঁকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

থাইল্যান্ডে গত বছরের মে মাসে সাধারণ নির্বাচনের আগে সরকার গাঁজা ব্যবহারে সংসদে সমন্বিত আইন প্রণয়নের চেষ্টা করেছিল। তবে ওই সময়ের সরকার আইন প্রণয়নে ব্যর্থ হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, অবৈধভাবে পরিচালিত গাঁজার দোকানগুলোকে ব্যবস্যা চালানোর অনুমতি দেওয়া হবে না। বাড়িতে গাঁজা উৎপাদনও নিরুৎসাহিত করা হবে। দেশটিতে নিবন্ধিত গাঁজার দোকান ২০ হাজারে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, নতুন আইনে গাঁজাকে নিয়ন্ত্রিত উদ্ভিদ হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হবে। ফলে এটি চাষাবাদের জন্য অনুমতির প্রয়োজন হবে। আমরা চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য শিল্পের জন্য গাঁজা চাষ সমর্থন করব।

খসড়া আইনে গাঁজার বিনোদনমূলক ব্যবহারের জন্য ৬০ হাজার বাথ জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। এ ছাড়া গাঁজা বিক্রি ও বিজ্ঞাপন-বিপণনে জড়িতদের এক লাখ বাথ জরিমানা বা এক বছরের কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের কথা বলা হয়েছে।


থাইল্যান্ড   নিষিদ্ধ   গাজা  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

শপথ নিলেন পাকিস্তানের সংসদ সদস্যরা

প্রকাশ: ০৪:৩৭ পিএম, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

নির্বাচনের তিন সপ্তাহ পর শপথ নিলেন পাকিস্তানের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। বৃহস্পতিবার এক ঘণ্টা বিলম্বে দেশটির ১৬তম জাতীয় পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশন শুরু হয়। এরপর নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ পাঠ করান বিদায়ী স্পিকার রাজা পারভেজ আশরাফ।

বৃহস্পতিবার দেশটির সংসদের নিম্নকক্ষে কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সমর্থিত সদস্যদের ব্যাপক হট্টগোল আর বিক্ষোভের মাঝে এই শপথ অনুষ্ঠিত হয়।

দেশটির ধর্ম-ভিত্তিক রাজনৈতিক দল সুন্নি ইত্তেহাদ কাউন্সিলের সাথে জোট করে সংসদে বিরোধী দলের সদস্য হিসেবে যোগ দিয়েছেন পিটিআই-সমর্থিত বিজয়ী প্রার্থীরা। গত ৮ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে অনুষ্ঠিত জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি ও জালিয়াতির অভিযোগ করেছে পিটিআই ও অন্যান্য কয়েকটি রাজনৈতিক দল। ওই নির্বাচনে কোনও দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি।

ইমরান খান সমর্থিত প্রার্থীরাই দেশটির সংসদের বেশিরভাগ আসনে জয় পেয়েছেন। কিন্তু তারপরও দেশটির অন্য দুই রাজনৈতিক দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) ও পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) জোট সরকার গঠনে ঐকমত্যে পৌঁছেছে।

বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে গিয়ে এসআইসির সদস্যদের তুমুল হট্টগোলের মাঝে পড়েন দেশটির সম্ভাব্য নতুন প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। তিনি সংসদ কক্ষে প্রবেশ করার সাথে সাথে এসআইসির সদস্যরা ‌‌‌‘‘পাকিস্তানকে রক্ষা করবে কে? ইমরান খান, ইমরান খান’’ বলে স্লোগান দেন।

এসআইসির এক সদস্য সংসদ কক্ষে স্পিকারের সামনে রাখা রেজিস্ট্রারে সই করতে যান। এ সময় ‘‘ইমরান খানকে মুক্তি দিন’’ লেখা একটি পোস্টার ধরেছিলেন তিনি।

ইমরান খানের দলের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী ও এসআইসির সদস্য ওমর আইয়ুব সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, একাধিক মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে এক দশকেরও বেশি সময়ের সাজার মুখোমুখি হওয়া সাবেক ক্রিকেট তারকা ইমরান খানের মুক্তি চাইবে এসআইসি।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ বলছে, দেশটিতে আগামী ৪ মার্চ প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে খাইবার-পাখতুনখোয়ার প্রাদেশিক পরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশনের পর কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাঝে বৃহস্পতিবার জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।


পাকিস্তান   সংসদ সদস্য   নির্বাচন   শপথ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন