ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ইউক্রেনে ভয়াবহ পারমাণবিক বিপর্যয়ের ব্যাপারে এরদোয়ানে সতর্কতা

প্রকাশ: ০৮:২২ এএম, ১৯ অগাস্ট, ২০২২


Thumbnail ইউক্রেনে ভয়াবহ পারমাণবিক বিপর্যয়ের ব্যাপারে এরদোয়ানে সতর্কতা

চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান চালাচ্ছে রাশিয়া। এরপর প্রথমবারের মতো দেশটি সফরে গেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। সেখানে গিয়ে ব্ক্তব্য দেওয়ার সময় ইউক্রেনে ভয়াবহ পারমাণবিক বিপর্যয়ের ব্যাপারে সতর্ক করলেন তিনি।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক শেষে জাতিসংঘ মহাসচিবের মতো এ বিষয়ে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করলেন তিনি। 

ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলে ইউরোপের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক স্থাপনার নিয়ন্ত্রণ এখন রাশিয়ার হাতে। ওই পারমাণবিক স্থাপনা ঘিরে উভয়পক্ষের সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। এ নিয়ে বিভিন্ন দেশের নেতারা সতর্ক করেছেন। এবার সতর্ক করলেন ইউক্রেন সফররত এরদোয়ান ও জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। 

ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় শহর লেভিভে বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেন এরদোয়ান ও আন্তোনিও গুতেরেস। বৈঠক শেষে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমরা উদ্বিগ্ন। আমরা আরেকটি চেরনোবিল চাই না। আমরা এর একটা সমাধানের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা আমাদের ইউক্রেনীয় বন্ধুদের পাশে আছি।”

বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, ইউক্রেনের ওই পারমাণবিক স্থাপনা ঘিরে বর্তমান যে পরিস্থিতি সেটা নিয়ে তিনি খুবই উদ্বিগ্ন। 

স্থাপনাটি বেসমারকিকরণ করতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের অবশ্যই এভাবে বলতে হবে, জাপোরিঝিয়ার যেকোনও ক্ষতিই হবে আত্মঘাতী।”

ইউক্রেন   পারমাণবিক বিপর্যয়   এরদোয়ান   সতর্কতা  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

পুতিন-কিমের দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর

প্রকাশ: ০৯:৫১ এএম, ২০ জুন, ২০২৪


Thumbnail

উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উনের সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বুধবার (১৯ জুন) পুতিনের পিয়ংইয়ং সফরকালে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে বহিঃশত্রুর দ্বারা আক্রান্ত হলে এক দেশ অন্য দেশের পাশে থাকার অঙ্গীকারের কথা বলা হয়েছে।

দুই দিনের সফরে গতকাল মঙ্গলবার স্থানীয় সময় দিবাগত রাত তিনটার দিকে পিয়ংইয়ং বিমানবন্দরে পৌঁছান পুতিন। বুধবার পুতিন ও কিম জং-উনের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়। সেখানে এই চুক্তিতে সই করেন দুই নেতা।

বৈঠক শেষে পুতিন বলেন, দুই দেশের মধ্যে সার্বিক অংশীদারত্ব চুক্তি সই হয়েছে। এতে আগ্রাসনের শিকার হলে পারস্পরিক সহযোগিতার কথা বলা হয়েছে। উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক কারিগরি সহযোগিতা গড়ে তোলার বিষয়টিও নাকচ করেননি তিনি।

এ সময় ইউক্রেনকে দূরপাল্লার অস্ত্র ও এফ-১৬ যুদ্ধবিমান সরবরাহ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও দেশটির নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর অন্য সদস্যদের দেওয়া সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রসঙ্গও টানেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট।

এ সময় কিম জং-উন বলেন, তাঁর দেশ কিংবা রাশিয়া কোনো ধরনের ‘ঘটনা বা যুদ্ধের’ মুখে পড়লে কোনো দ্বিধা ছাড়াই এর জবাব দেবে উত্তর কোরিয়া। অবশ্য ‘ঘটনা’ বলতে কী বোঝাতে চেয়েছেন, তা স্পষ্ট করেননি কিম।

উত্তর কোরীয় নেতা আরও বলেন, উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক ‘জোটগত নতুন উচ্চতায়’ উন্নীত হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে সই হওয়া চুক্তিকে ‘সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও আত্মরক্ষামূলক’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

চুক্তিতে প্রকৃত অর্থে কী লেখা রয়েছে তা প্রকাশ করা হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, এতে উত্তর-পূর্ব এশীয় অঞ্চলের দেশ উত্তর কোরিয়ার কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষায় নাটকীয় পরিবর্তন থাকতে পারে। উত্তর কোরিয়াকে প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতি যদি রাশিয়া দিয়ে থাকে তাহলে কোরীয় উপদ্বীপের উত্তেজনা নতুন মাত্রা পাবে। কারণ দক্ষিণ কোরিয়াকে সমর্থন দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র।

এদিকে, উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার মধ্যে সামরিক সহযোগিতা নিয়ে নতুন চুক্তির বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই মস্কোর প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। এ অবস্থায় ‘নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম না করতে’ রাশিয়াকে সতর্ক করেছেন দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা চ্যাং হো-জিন।

একসময় মস্কোয় দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করা চ্যাং বলেন, ‘ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ হলে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে ভবিষ্যতে নিজেদের জন্য কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা দেবে, তা রাশিয়াকে বিবেচনায় নিতে হবে।’

উল্লেখ্য, সামরিক সহায়তার জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ধরনা দিয়েছিল ইউক্রেন। কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়া তাতে সম্মত হয়নি। তাই এখন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা পাঠানোর বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়া নিজেদের অবস্থান পরিবর্তনের কথা চিন্তা করবে কি না।


প্রতিরক্ষা চুক্তি   স্বাক্ষর   পুতিন   কিম  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

দিল্লিতে তাপপ্রবাহে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২০

প্রকাশ: ০৮:৫৪ এএম, ২০ জুন, ২০২৪


Thumbnail

ভারতের দিল্লিতে তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠছে। তীব্র গরমে ইতোমধ্যে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ জনে। পরিস্থিতি নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার আগে তাই সতর্ক হলো দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জে পি নাড্ডা বুধবার (১৯ জুন)  সরকারি হাসপাতালগুলোতে বিশেষ নির্দেশিকা পাঠিয়েছেন।

গরমে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের প্রতি বাড়তি গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে। আপাতত হিট স্ট্রোকের রোগীদেরই অগ্রাধিকার দিতে বলেছে সরকার। ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধু দিল্লি নয়, উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অংশে তীব্র গরম অনুভূত হচ্ছে।

দাবদাহের জ্বালায় অসুস্থ হয়ে পড়ছে মানুষ। দিল্লির একাধিক হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে বেশ কয়েকজন রোগীকে। হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছে তারা। রাজধানী শহরের তিনটি বড় হাসপাতালে এই মৌসুমে গরমের কারণে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ২০ জনের।

কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, যেসব সরকারি হাসপাতাল কেন্দ্রীয় সরকারের অধীন, সেখানে বিশেষ তাপপ্রবাহ ইউনিট চালু করতে হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিজে পরিস্থিতির তত্ত্বাবধান করছেন। হিট স্ট্রোকের রোগীরা আপাতত সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে। তেমনটাই নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

দিল্লির বিপর্যয় মোকাবেলা কর্তৃপক্ষও এ বিষয়ে আলাদা গাইডলাইন প্রকাশ করেছে।

হিট স্ট্রোক ও গরমসংক্রান্ত অন্যান্য অসুস্থতার হাত থেকে বাঁচতে সাধারণ মানুষের কী কী করণীয়, তা-ও জানানো হয়েছে ওই গাইডলাইনে।

গণমাধ্যমটির তথ্য অনুসারে, গত ২৭ মে থেকে গরমসংক্রান্ত বিভিন্ন অসুস্থতা নিয়ে দিল্লির রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে ভর্তি ৪৫ জন রোগী। সেখানে মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। তাদের মধ্যে সাতজনই মারা গেছে গত দুই দিনের মধ্যে। এ ছাড়া দিল্লির সফদরজং হাসপাতালেও গরমে অসুস্থতায় সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। শুধু বুধবারই মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের। লোকনায়ক হাসপাতালে গরমের কারণে দুই রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

কয়েক সপ্তাহ ধরে দিল্লিতে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি থাকছে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকছে, যা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি। গরমে দিল্লিতে পানির কষ্টও দেখা দিয়েছে।

রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্ট অজয় শুক্লা জানান, হিট স্ট্রোকে মৃত্যুর হার অনেক বেশি, ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রোগীকে অনেক দেরিতে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। যে কারণে তাদের বাঁচানো সম্ভব হচ্ছে না। হিট স্ট্রোক নিয়ে সচেতনতার অভাবও রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। মানুষ অধিকাংশ ক্ষেত্রে বুঝে উঠতে পারছে না, তিনি হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত। উপসর্গগুলোকে অন্য কোনো রোগের উপসর্গ বলে ভুল করছে। রোগী সংজ্ঞা হারানোর পর তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, ততক্ষণে সময় পেরিয়ে যাচ্ছে।

কয়েক সপ্তাহ ধরে দিল্লিতে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি থাকছে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকছে, যা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি। আপাতত স্বস্তির খবর শোনাতে পারেনি আবহাওয়া ভবন। গরমে দিল্লিতে পানির কষ্টও দেখা দিয়েছে।


দিল্লি   তাপপ্রবাহ   মৃত্যু  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ভিয়েতনামের উদ্দেশে উত্তর কোরিয়া ছেড়েছেন পুতিন

প্রকাশ: ০৮:১৯ এএম, ২০ জুন, ২০২৪


Thumbnail

ভিয়েতনামের উদ্দেশে উত্তর কোরিয়া ছেড়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন । সেখানে তিনি দুই দিন থাকবেন। পুতিনকে বিমানবন্দর পর্যন্ত এগিয়ে দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং–উন।

এদিকে পুতিনের সফর উপলক্ষে ভিয়েতনামের ‘নিহান দ্যান’ নামের একটি সংবাদপত্রে তাঁর লেখা একটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে তিনি ইউক্রেন সংকটে ভিয়েতনাম ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান নেওয়ায় দেশটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

প্রবন্ধে পুতিন লেখেন, ‘ইউক্রেন সংকটে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান গ্রহণ করার আমরা আমাদের ভিয়েতনামের বন্ধুদের প্রতি কৃতজ্ঞ। এ সংকট শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানে বাস্তবসম্মত উপায় বের করার বিষয়ে তাঁরা আগ্রহ প্রকাশ করায় তাঁদের ধন্যবাদ। আমাদের দুই দেশের বিদ্যমান সম্পর্কের ভিত্তিতেই এসব কিছু হচ্ছে।’

ভিয়েতনামে এটা পুতিনের পঞ্চম সফর। সফরে তাঁর সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের একটি রুশ প্রতিনিধিদল রয়েছে। তারা ভিয়েতনামের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবে।

বৈঠকে তারা উভয় দেশের আঞ্চলিক বিষয় নিয়ে কথা বলবে। বিশেষ করে শান্তি, সহযোগিতাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হবে।

এর আগে স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার প্রথম প্রহরে দুই দিনের সফরে উত্তর কোরিয়ার যান পুতিন। উত্তর কোরিয়া সফরে পুতিন কৌশলগত প্রতিরক্ষাসহ কিছু চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং–উনের সঙ্গে তিনি একান্ত বৈঠক ও দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় অংশ নেন।


ভিয়েতনাম   উত্তর কোরিয়া   পুতিন   রাশিয়া  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

দিল্লিতে তীব্র গরম, হিটস্ট্রোকে ৫ জনের মৃত্যু

প্রকাশ: ০৯:০৩ পিএম, ১৯ জুন, ২০২৪


Thumbnail

তীব্র গরম ভারতে। শুধু গরম বললে ভুল বলা হবে, গোটা উত্তর ভারত যেন উনুনে বসানো তপ্ত কড়াই! তীব্র গরমে গত দুই দিনে ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। তাছাড়া কমপক্ষে ১২ জন দিল্লির রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন। সেই সঙ্গে দিল্লির অন্যান্য হাসপাতালেও হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হচ্ছেন অনেকে।

ভারতের রাষ্ট্র-পরিচালিত হাসপাতালের মেডিকেল সুপারিনটেনডেন্ট ডা. অজয় ​​শুক্লা বলেছেন, সোমবার ও মঙ্গলবার হিটস্ট্রোক করার পরে ২২ জনকে ভর্তি করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে পাঁচজন রোগী মারা গেছেন ও ১২-১৩ জন রোগী ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রয়েছেন।

ডা. শুক্লা বলেন, হিটস্ট্রোক সম্পর্কে ব্যাপক সচেতনতা ছড়ানো দরকার। হাসপাতালে ছুটে যাওয়ার পরিবর্তে, তাৎক্ষণিক কীভাবে হিটস্ট্রোক করা কোনো ব্যক্তির শরীর ঠাণ্ডা করানো যায়, তা শেখাতে হবে। রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় পানি ও বরফ ব্যবহার করতে হবে। এ ছাড়া রোগীকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে আনা হলেও বাঁচানো যেতে পারে।

প্রায় এক মাস ধরে অবিরাম তাপপ্রবাহে ভুগছেন দিল্লির বাসিন্দারা। শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে দাঁড়িয়েছে, যা স্বাভাবিকের ‍তুলনায় কয়েক ডিগ্রি বেশি। অন্যদিকে, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। এমন পরিস্থিতিতে গভীর নলকূপের পানিও দিনভর গরম থাকছে। এমনকি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রক (এসি) ব্যবহার করেও ঘর শীতল করা যাচ্ছে না।

আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় উত্তর ভারতের বেশির ভাগ অংশে তাপপ্রবাহের অবস্থা একই রকম থাকতে পারে। এই সময়ের পরে তাপমাত্রা হ্রাস পেতে পারে।

‘এর আগে দিনের তাপমাত্রা বাড়লেও রাতে কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যেত; কিন্তু আজকাল নির্মাণকাজ বাড়তে থাকা ও সবুজ এলাকা হ্রাস পাওয়ায় সেই স্বস্তিটুকুও মিলছে না। এমনকি, এসিও বিস্ফোরিত হচ্ছে। মনে রাখতে হবে, উঁচু ভবন নির্মাণও বায়ুর চলাচলে প্রভাব ফেলে। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের উচিত, কংক্রিটের ব্যবহার হ্রাস করা।’ 

দিল্লি   তীব্র গরম   হিটস্ট্রোক  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

জমকালো আয়োজন পুতিনকে স্বাগত জানালেন কিম

প্রকাশ: ০৬:২০ পিএম, ১৯ জুন, ২০২৪


Thumbnail

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন স্থানীয় সময় বুধবার ভোরে উত্তর কোরিয়ায় গিয়ে পৌঁছেছেন। অনুমান করা হচ্ছে সেখানে তিনি পিয়ংইয়ং ‘এর সঙ্গে মস্কোর বিস্তৃত সহযোগিতার রূপরেখা সম্বলিত একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন।

এদিকে জমকালো আয়োজনে পুতিনকে স্বাগত জানিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং–উন। দুই দেশের পতাকা, লাল গোলাপ, বেলুন এবং পুতিন ও কিমের বিশাল বিশাল ছবি দিয়ে পুরো রাজধানী সাজিয়ে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় সময় আজ সকালে কিম ইল সাং স্কয়ারে পুতিনকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। রাশিয়ার সংবাদ মাধ্যমে এ অনুষ্ঠানের ভিডিও সম্প্রচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।

রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা আরআইএ পুতিনের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ‘রাশিয়া নীতিতে আপনার ধারাবাহিক ও অটল সমর্থনের আমরা উচ্চ প্রশংসা করছি, যার মধ্যে ইউক্রেন নীতিও রয়েছে।’

মস্কো মার্কিন ও দেশটির মিত্রদের আধিপত্য ও সাম্রাজ্যবাদী নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছে বলেও জানান পুতিন।

জবাবে কিম বলেন, উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার সম্পর্ক ‘সমৃদ্ধির নতুন উচ্চতায়’ প্রবেশ করেছে।

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম আরও বলেন, ‘বর্তমানে বিশ্ব পরিস্থিতি অনেক জটিল হয়ে গেছে ও দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এমতাবস্থায় আমরা রাশিয়া ও রাশিয়ার নেতৃত্বের সঙ্গে কৌশলগত যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করতে আগ্রহী। উত্তর কোরিয়া রুশ সরকার, দেশটির সশস্ত্র বাহিনী এবং ওই সব লোকজন, যারা সার্বভৌমত্বের রক্ষায়, নিরাপত্তার স্বার্থে ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার জন্য ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান পরিচালনা করছেন, তাদের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ও একাত্মতা প্রকাশ করছে।’

সর্বশেষ ২৪ বছর আগে ২০০০ সালের জুলাই মাসে উত্তর কোরিয়া সফর করেন পুতিন। গত বছরের সেপ্টেম্বর রাশিয়া সফরে গিয়ে তাকে আবার পিয়ংইয়ং সফরের দাওয়াত দেন উত্তরের নেতা কিম। সেই নিমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে আজ উত্তরের মাটিতে পা রাখলেন পুতিন। 

কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা বলছে, পুতিনের সঙ্গে সফরে দেশটির বিভিন্ন বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের একটি প্রতিনিধিদল রয়েছে। এসব ব্যক্তির মধ্যে রয়েছেন রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রেই বেলোসভ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ ও পুতিনের জ্বালানিবিষয়ক প্রধান উপপ্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক।

সফরে রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে একটি অংশীদারি চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলে জানিয়েছেন পুতিনের পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ। তিনি বলেন, চুক্তিটি দেশ দুটির মধ্যে সহযোগিতা আরও বাড়াবে। গত কয়েক বছরে আন্তর্জাতিক রাজনীতি, অর্থনীতি ও নিরাপত্তাসহ  বিভিন্ন ইস্যুতে দেশ দুটির মধ্যে যা হয়েছে, সেগুলো বিবেচনায় রেখেই এই চুক্তি সই করা হবে। তবে এ চুক্তি সরাসরি কোনো দেশকে লক্ষ্য করে করা হচ্ছে না।

তবে পুতিনের উত্তর কোরিয়া সফরকে ভালোভাবে দেখছে না পশ্চিমারা, বিশেষ করে দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র। তাদের শঙ্কা, পুতিনের সফরের ফলে মস্কো ও পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বাড়বে, যা জাতিসংঘের প্রস্তাবের লঙ্ঘন।


রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট   ভ্লাদিমির পুতিন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন