কালার ইনসাইড

বুবলীর গন্তব্য কী?

প্রকাশ: ১০:০০ পিএম, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail বুবলীর গন্তব্য কী?

ঢাকাই সিনেমার মেগাস্টার শাকিব খান। তার হাত ধরেই নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন বুবলী। এ পর্যন্ত ১০টি সিনেমায় একসঙ্গে দেখা গেছে তাদের। সিনেমায় জুটি বাঁধা, সঙ্গে আরও কিছু কারণে শাকিব-বুবলীর সম্পর্কের গুঞ্জন শোনা যায়। যদিও তারা এটাকে কেবলই পেশাদার সম্পর্ক বলেই জানিয়েছেন।



গত বছর প্রবলভাবে একটি গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে শোবিজে। সেটা হলো, বুবলীর অন্তঃসত্ত্বা। ‘বীর’ সিনেমার গান প্রকাশ্যে আসতেই এই গুঞ্জন নিয়ে মাতামাতি শুরু হয়। এরপর কয়েক মাস বুবলীর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। একেবারে অন্তরালে ছিলেন তিনি। এরপর গেল বছরের জানুয়ারিতে প্রকাশ্যে এসে সেই গুঞ্জন অস্বীকার করেন বুবলী। জানান, এত দিন আমেরিকায় ছিলেন, ফিল্ম নিয়ে পড়াশোনা করেছেন নিউইয়র্ক ফিল্ম একাডেমিতে। পরবর্তীতে প্রকাশ্যে এলেও স্পষ্টভাবে কিছুই বলেননি।

বুবলীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জনের পর থেকে শাকিবের সঙ্গে তার দূরত্ব দৃশ্যমান। একসঙ্গে তাদেরকে সেভাবে দেখা যায়নি আর। মাঝে একটি সিনেমায় কাজ করলেও মেনে চলেছেন পেশাদারিত্ব। কিন্তু হুট করেই গতকাল মঙ্গলবার হুট করেই বছরখানেক আগেরকার অন্তঃসত্ত্বাকালীন ছবি পোস্ট করেন। যেখানে ক্যাপশনে লিখেন, ‘মি উয়িথ মাই লাইফ।’ এরপর অনেকগুলো ভালোবাসার ইমোজি। তার ওপরে হ্যাশট্যাগে লেখা ‘থ্রোব্যাক আমেরিকা।’ আর এরপর থেকেই শুরু হয়ে যায় নানা আলোচোনা। অনেকেই সেই গুঞ্জনের সত্যতা মেলেতে থাকেন। 

শোনা গিয়েছে মা হয়েছেন বুবলী লোকমুখে এমনটাও শোনা যায়। তার সন্তানের বাবা শাকিব খান। ২৫ হাজার মার্কিন ডলার দিয়ে বুবলীকে আমেরিকা পাঠিয়ে দিয়েছেন খান সাহেব। সে সময় শোনা গিয়েছে কন্যাসন্তানের মাও হয়েছেন বুবলী। আবার কেউ কেউ বলছেন, পুত্র সন্তানের মা হয়েছেন বুবলী। তবে বিষয়টি আজও পরিস্কার করেনি নায়িকা। বেবি বাম্পের ছবি পোষ্ট করার পর সাংবাদিকরা তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সব কিছু এড়িয়ে যান।  



তিনি বলেন, কিছু ব্যাপার তো আছেই। আমি একজন মুসলিম, তো এটুকুই বলব, আমাদের যা হয়েছে খুব শালীনভাবে হয়েছে। এ বিষয়ে অনুরোধ করব, কেউ যেন খারাপ কিছু না ছড়ান এবং আমি কয়েকটা দিন সময় চাইছি। বিষয়টি নিয়ে আপাতত খোলসা করে কিছু না বললেও পরে বিস্তারিত বলবেন বলে জানিয়ে বুবলী বলেন, 'কয়েকদিনের মধ্যেই আমি বিষয়টা ক্লিয়ার করে দেব। আর এটি আমার জন্য খুবই সেন্সেটিভ একটি বিষয়। আরও কিছুটা দিন সময় পেলে আমি এটা সবাইকে ডেকে সুন্দরভাবে বিস্তারিত বলতে পারব।

২০১৭ সালে বুবলী শাকিব খানের সাথে ফ্যামিলি টাইম ক্যাপশনে ছবি পোষ্ট করার পর অপু বিশ্বাস তাঁর ছেলে জয়কে নিয়ে প্রকাশ্যে এসে সংবাদ সম্মেলন করেন। কিন্তু এইবার শাকিব খান ছেলের জন্মদিনে তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পোষ্ট করায় অনেকটা ক্ষেপে গিয়েই বেবি বাম্পের ছবি পোষ্ট করেন বুবলী। কেননা গতকাল ছিলো কন্যা দিবস। অনেকেই মনে করছেন  দুই সন্তানের প্রতি সমান ভালোবাসা না জানানোর কারণেই বুবলীর এই প্রকাশ।



এদিকে গতকাল রাতে শাকিব খানের পুত্র আব্রাম খান জয় বাবা-মাকে এক সাথে নিয়ে কেক কেটেছেন। অপু বিশ্বাস সেই জন্মদিনের কিছু ছবি ফেসবুকে দিয়েছেন যেখানে দেখা গিয়েছে শাকিব খান জয়কে কেক খায়িয়ে দিচ্ছেন আর অপু বিশ্বাস অন্য ছবিতে তার ছেলে জয় সহ শশুড়-শাশুড়ির সাথে আছেন।

অনেকেই ছবি গুলো দেখে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। আবার অনেকেই ধারণা করছেন হয়তো ফের এক হচ্ছেন শাকিব-অপু। 

অপু বিশ্বাসের ছবি পোষ্ট করার পরে একদিন পার হতে চললেও বেশ চুপ আছেন বুবলী।বুবলীর গন্তব্য কী তাহলে?  তিনি কি সংবাদ সম্মেলন করবেন নাকি নিরবেই সয়ে কিছু মেনে নিয়ে নিজের মত কাজ চালিয়ে যাবেন। যেমনটি করেছিলেন নায়িকা অপু বিশ্বাসও। 













বুবলী   শাকিব   বাচ্চা   অপু বিশ্বাস  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

ইন্ডিয়ান আইডল ১৪-এর চ্যাম্পিয়ন বৈভব

প্রকাশ: ০৩:৫০ পিএম, ০৪ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

ভারতের জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ইন্ডিয়ান আইডল। রবিবার (৩ মার্চ) ছিল এর ১৪ নম্বর সিজনের ফাইনাল। এবারের ট্রফি উঠেছে কানপুরের বৈভবের হাতে। খবর : ইন্ডিয়া টুডে

টপ সিক্স দিয়ে শুরু হওয়া ফাইনাল অনুষ্ঠানের দিনে নাম ছিল ফরিদাবাদের আদ্য মিশ্র, কলকাতার অনন্যা পাল ও শুভদীপ দাস চৌধুরী, বেঙ্গালুরুর অঞ্জনা পদ্মনাভন, কানপুরের বৈভব গুপ্তা, রাজস্থানের পীযুশ পানওয়ার-এর। সবাইকে পেছনে ফেলে শেষ হাসি হাসেন বৈভব গুপ্তা।

পুরস্কার হাতে নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বৈভব বলেন, ‘এই শোয়ে প্রথম যেদিন আসি। সেদিন থেকেই আমি স্বপ্ন দেখতে থাকি সেরা হবা। সেই স্বপ্ন পূরণের চেষ্টায় আমি কোনো কমতি রাখিনি। আমার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। আজ মা বেঁচে থাকলে অনেক খুশি হতেন। এই প্ল্যাটফর্ম থেকেই সংগীতে আমি অনেক দূর যেতে চাই।’

এবারের ইন্ডিয়ান আইডল ১৪-এর সিজনে বিচারকের আসনে ছিলেন শ্রেয়া ঘোষাল, বিশাল দাদলানি ও কুমার শানু।


ইন্ডিয়ান আইডল ১৪-   শ্রেয়া ঘোষাল   বিশাল দাদলানি   কুমার শানু  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

বিচ্ছেদ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে কি বললেন জয়া?

প্রকাশ: ১২:৩৬ পিএম, ০৪ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। জানান, অভিনয়ে আসা থেকে অভিনয়কে ভালোবাসা, নাটক ছেড়ে বড় পর্দায় নিজের নাম লেখানো এবংকি চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ বিচ্ছেদের প্রসঙ্গ।

ভারতীয় গণমাধ্যম ফিল্মফেয়ারের সাক্ষাৎকারে জয়া বলেন, “বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির বর্তমান সময়ের একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। গত বছর তিনি “কড়ক সিং” ওয়েব ফিল্ম দিয়ে বলিউডে নাম লিখিয়েছেন। তিনি নারী চরিত্রটিকে অনন্য এক মর্যাদায় নিয়ে গিয়েছেন। তার অভিনয়দক্ষতা হিন্দি সিনেমার দর্শকদের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।”

ফিল্মফেয়ারের সাক্ষাৎকারে প্রতিবেদনে আরও লেখা হয়, জয়া সেরা অভিনেত্রী হিসেবে ফিল্মফেয়ার, ক্রিটিকস অ্যাওয়ার্ডসহ একাধিক বিদেশি পুরস্কার যেমন ঝুলিতে ভরেছেন, তেমনি ছয়বার বাংলাদেশের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছেন।”

এর আগেও বলিউডে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছিলেন কি?

এমন প্রশ্নের উত্তরে জয়া জানান, বেশ কিছু কাজের সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ‘কড়ক সিং’ দিয়ে শুরু করা তার কাছে উপযুক্ত সময় মনে হয়েছে। ছোট হলেও চরিত্রটির নানা স্তর তাকে সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করেছে।

অভিনয় শুরুর দিকে জয়ার তেমন কোনও পরিকল্পনা ছিল না। তবে সৃষ্টিশীল মাধ্যমে কাজ করার অদম্য ইচ্ছা ছিল।

অভিনেত্রী আরও জানান, তিনি পড়াশোনায় খুবই ভালো ছিলেন। পাশাপাশি গান ও ছবি আঁকায় আলাদা মনোযোগ ছিল। আবার শৈশব থেকে অভিনয়ও তাকে টানত। কিন্তু তার পরিবারের কারও সঙ্গে মিডিয়ার কোনও যোগসূত্র ছিল না। অভিনয়ের স্কুলেও তার পড়া হয়নি। নিজের মতো করেই একটু একটু করে অভিনয়ের পথে পা বাড়ান। যদিও তার মুক্তিযোদ্ধা বাবা এ এস মাসুদ চাইতেন, মেয়ে ফরেন সার্ভিসে যোগদান করুক। কিন্তু সেদিকে জয়ার আগ্রহ ছিল না।

ফিল্মফেয়ারের এই সাক্ষাৎকারে জায়ার ক্যারিয়ার নিয়ে নানা প্রসঙ্গে উঠে আসে। পরবর্তী সময়ে তার বিবাহবিচ্ছেদ এবং পরে কাজের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া প্রসঙ্গও উঠে আসে।

এ সময় জয়া আহসান বলেন, ‘উত্থান-পতন প্রত্যেক মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটা যুদ্ধের মতো। সেই সময়ে আমার মানসিক ধারণাটাই পরিবর্তন হয়ে গেল। আমি পুরোপুরিভাবে কাজের দিকে দৃষ্টি ঘোরাই। সাধারণত সেই সময়ে মেয়েরা অনেক কিছু থেকেই বিচ্যুত হয়ে পড়ে। এমনকি ফোকাস থেকেও সরে যায়। কিন্তু আমার কাজ আমাকে সান্ত্বনা দিয়েছে। যে কারণে আমি কাজকেই ভালোবেসেছি। আমি কখনওই কাজ থেকে দূরে সরিনি। আমি আমার এই যাত্রাকে ভালোবাসি। এর মধ্য দিয়েই মানুষ আমার প্রশংসা করেন, আমি কাজকেই সম্মান করি’।


জয়া আহসান   বিচ্ছেদ  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

অনন্ত আম্বানির ঘড়ি দেখে মুগ্ধ জাকারবার্গের স্ত্রী

প্রকাশ: ১০:১৭ এএম, ০৪ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

জামনগরে তিন দিন ধরে চলেছে অনন্ত আম্বানি এবং রাধিকা মার্চেন্টের প্রাক বিবাহ অনুষ্ঠান। আগামী জুলাই মাসে তাঁদের বিয়ে। তার আগেই গমগম করল জামনগরের আবহ। এই অনুষ্ঠানে দেশে বিদেশের একাধিক তারকা, শিল্পীরা এসেছেন। সেই অনুষ্ঠানেই যোগ দিয়েছিলেন মেটার সিইও মার্ক জাকারবার্গ এবং তাঁর স্ত্রী প্রিসসিলা চ্যান।

সম্প্রতি একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে অনন্ত আম্বানির সঙ্গে কথা বলছেন ফেসবুকের  মার্ক জাকারবার্গ এবং তার স্ত্রী। তখনই তাদের নজর যায় অনন্তের হাতে। তিনি একটি ১৪ কোটি টাকার রিচার্ড মিলির ঘড়ি পরেছিলেন। সেটা দেখেই মুগ্ধ হয়ে যান মার্ক এবং চ্যান।

চ্যান অনন্তকে বলেন, 'ঘড়িটা তো দুর্দান্ত। দারুণ দেখতে।' সেটা শুনে মার্ক সম্মতি জানিয়ে বলেন, 'হ্যা, আমি ওকে আগেই বলেছি।' এরপর তিনি জানান, 'আমি কখনো ঘড়ি কিনতে চাইনি। কিন্তু এটা দেখে মনে হচ্ছে ঘড়ি বেশ দারুণ একটা ব্যাপার। আমারও এটা চাই।'


অনন্ত আম্বানি   ঘড়ি   মার্ক জাকারবার্গ   প্রিসসিলা চ্যান  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

চলন্ত ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিয়েছিলেন অঙ্কিতা! নেপথ্যে কারণ কি?

প্রকাশ: ০৮:৫১ এএম, ০৪ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

ভারতের আলোচিত অভিনেত্রী অঙ্কিতা লোখান্ডে। প্রায়ই বিভিন্ন কারণে আলোচনায় থাকেন তিনি।  বহু দিন ধরেই অঙ্কিতা কাজ করছেন টেলিভিশনে। ‘পবিত্র রিশতা’ সিরিয়ালে অভিনয় করার পরেই প্রচারের আলোয় আসেন তিনি। তাছাড়া জনপ্রিয় অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের প্রেমিকা হিসেবেও এক সময়ে পরিচিতি ছিল তার।

সম্প্রতি অঙ্কিতাকে নিয়ে বেশি চর্চা হচ্ছে অন্য কারণে। সৌজন্যে অবশ্যই ‘বিগ বস ১৭’। বিগ বস-এর ঘরে প্রতিযোগী হিসেবে প্রবেশ করার পর থেকেই চর্চায় উঠে আসেন অঙ্কিতা। বিগ বস-এর ঘরে স্বামী ভিকি জৈনের সঙ্গে যে আচরণ করেছিলেন অঙ্কিতা, তার জন্য তাকে নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। তবে নিন্দুকেরা অবশ্য বলেছিলেন, সবটাই নাকি প্রচার পাওয়ার জন্যই করছেন অঙ্কিতা।

কিন্তু অঙ্কিতা তার পারফরম্যান্সে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি সমালোচনাকে ভয় পান না। সমালোচনায় ভয় না পেলেও সম্প্রতি অঙ্কিতা তার জীবনের এক ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, “আমি ট্রেনকে খুব ভয় পাই। একবার লোকাল ট্রেন থেকে পড়ে গিয়েছিলাম।“

অঙ্কিতা জানান, চার্চগেট রেলওয়ে স্টেশনে তিনি একটি দ্রুতগামী ট্রেনে উঠে পড়েন, কিন্তু  তার বন্ধুরা একটি লোকাল ট্রেনে। ওই সময় বন্ধুরা তাকে দ্রুতগামীর ওই ট্রেন থেকে নামতে বলে। আর সঙ্গে সঙ্গে তিনি ঝাঁপ দেন ট্রেন থেকে।

তিনি বলেন, “আমি যখন ট্রেন থেকে লাফ দিয়েছি, আমি গড়িয়ে পড়লাম। সেই যাত্রায় আমি কোনওরকমে বেঁচে গিয়েছিলাম।”

অঙ্কিতা আরও বলেন, “এটাই ছিল আমার শেষ ট্রেন যাত্রা। যাই হোক, ছোটবেলা থেকেই ট্রেনকে ভয় পেতাম।”

অঙ্কিতা লোখান্ডে, যিনি মূলত ইন্দোরের বাসিন্দা, মুম্বাইতে বিশ বছরেরও বেশি সময় কাটিয়েছেন। তিনি এখন তার স্বামী ভিকি জৈনের সাথে শহরে থাকেন। 


অঙ্কিতা লোখান্ডে   ভারতের অভিনেত্রী  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

এক এসএমএসকে কেন্দ্র করেই বিচ্ছেদের পথে হেঁটেছেন মাহি

প্রকাশ: ১২:৫৩ পিএম, ০৩ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

গত মাসের ১৬ তারিখে ফেসবুক ভিডিও বার্তায় বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়ে বর্তমানে স্বামী রকিব সরকারের সঙ্গে সংসার করছেন না বলে জানান ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। সেই সাথে একই ছাদের নিচে থাকছেন না তারা। তবে সংসার ভাঙনের কারণ এখনো ঘোলাটে। বিচ্ছেদ হলেও তার প্রাক্তন স্বামীর প্রতি পূর্ণ সম্মান রয়েছে বলে জানান মাহি।

মাহিয়া মাহি জানান, মাথায় পিস্তল ধরলেও রকিবকে নিয়ে কখনো বাজে মন্তব্য করবেন না তিনি।

অন্যদিকে রাকিবও বলেছেন, প্রাক্তন হলেও মাহির সম্মান তার কাছে বড়। নিজের স্ত্রীকে কখনো ছোট করে কিছু বলতে পারবেন না তিনি।

পরষ্পরের প্রতি এমন নেতিবাচক বক্তব্যের পরে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কেন এ সম্পর্কের ভাঙন ? তবে বহু দিন চুপ থাকআর পর মুখ খোলেন রাকিব সরকার।

রকিব সরকার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গত বছরের জুন মাস একসঙ্গে থাকছিনা। আমি ও মাহি উত্তরার বাসায় আলাদা থাকতাম’।

কেনো বাসায় আলাদা থাকতেন এমন প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রীর স্বামী বলেন, ‘আমার মোবাইলে আসা আমারই পরিবারেরই একজনের একটি ‘এসএমএস’কে কেন্দ্র করে মাহির মন খারাপ হয়। এরপর সে আমার বাসা থেকে তার মায়ের বাসায় চলে যায়।

তিনি আরও বলেন, মাহি বাসা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর তাকে অনেকবার ফিরিয়ে আনার ব্যর্থ চেষ্টা করে করেছি। একপর্যায়ে আমি নিজেই মাহির সাথে তার মায়ের বাসায় উঠি। দুই পরিবারের সদস্যরা মিলেও মাহিকে বোঝাতে সক্ষম হইনি। আমাদের সম্পর্ক নিয়ে বিভ্রান্তিতে ভুগছে মাহি। এভাবেই একের পর এক দিন আমরা আলাদা থেকেছি। তবে শেষ পর্যন্ত বোঝাতে ব্যর্থ হয়ে বিচ্ছেদের পথে।

বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে রকিব বলেন, মাহির পক্ষ থেকে যে সিদ্ধান্ত এসেছে, তা এখন ৯৯ ভাগই বিচ্ছেদের পথে। এক ভাগ নিয়েও আমি আশাবাদী। চেষ্টা করে যাচ্ছি সংসারটা টিকিয়ে রাখতে। কারণ পরিবারের অমতে গিয়ে এই বিয়েটা করা। শত বাঁধা অতিক্রম করে ভালোবেসে বিয়ে করেছি।

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ফেসবুকে এক ভিডিওবার্তায় স্বামী রকিব সরকারের সঙ্গে বিয়েবিচ্ছেদের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদের ব্যাপারে তখন কিছুই জানাননি তিনি। কিন্তু এরপর থেকে ফেসবুকে বিভিন্ন সময় একাকিত্ব ও আস্থাহীনতার বিষয় নিয়ে ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট করেছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, মাহি ২০২১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর গাজীপুরের ব্যবসায়ী রকিব সরকারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। প্রথম বিয়ের পর এটিও ছিল চিত্রনায়িকা মাহির ভালোবেসে দ্বিতীয় বিবাহ। এই দম্পতি ২০২৩ সালের ২৮ মার্চ একটি পুত্র সন্তান জন্ম দেন।

এর আগে ২০১৬ সালে সিলেটের ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুকে ভালোবেসে বিয়ে করেন মাহি। ৫ বছর সংসার করার পর ২০২১ সালের ২২ মে বিবাহিত সম্পর্কের অবসান ঘটিয়ে বিচ্ছেদের  ঘোষণা দেন তিনি। তার আগে অবশ্য রকিবের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর বিষয়টি আলোচনায় আসে।

এদিকে মাহিও রকিবের দ্বিতীয় স্ত্রী। রকিবের প্রথম সংসারে দুই সন্তান আছে, তাদের নাম সোয়াইব ও সাইয়ারা।


এসএমএস   বিচ্ছেদ   মাহিয়া মাহি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন