ইনসাইড বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্র: আওয়ামী লীগে অসন্তুষ্ট, বিএনপিকে সন্দেহ

প্রকাশ: ১০:০০ পিএম, ০৩ অক্টোবর, ২০২২


Thumbnail যুক্তরাষ্ট্র: আওয়ামী লীগে অসন্তুষ্ট, বিএনপিকে সন্দেহ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে এখন প্রকাশ্য অবস্থান নিয়েছে। বিশেষ করে আগামী নির্বাচন যেন অংশগ্রহণমূলক হয়, সে ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান সোজাসাপ্টা। শুধুমাত্র আগামী নির্বাচন নয়, বাংলাদেশের মানবাধিকার, আইনের শাসন এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ইত্যাদি বিষয় নিয়েও সুশীল সমাজের শেখানো বুলি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন আওড়াচ্ছে। বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত প্রতিনিয়ত যে সমস্ত কথাবার্তাগুলো বলছেন তা আমাদের বাংলাদেশের সুশীল সমাজের কথারই অনুরণন। বাংলাদেশের প্রধান দুটি রাজনৈতিক দলের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান কি? কূটনীতিকদের সঙ্গে খোঁজখবর নিয়ে দেখা যায় যে, আওয়ামী লীগ সরকারের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নেতিবাচক এবং বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের অপছন্দ এবং অস্বস্তি এখন আর লুকোচুরির বিষয় নয়। বরং যুক্তরাষ্ট্র এসব বিষয়গুলোকে প্রকাশ্য করছে। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যাপারে এখনও আস্থাশীল। যুক্তরাষ্ট্র মনে করে যে, শেখ হাসিনা দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে তিনি একটি বিস্ময়কর সাফল্য অর্জন করেছেন। কিন্তু শেখ হাসিনার ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব দেখালেও আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন ব্যাপারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যথেষ্ট সমালোচনা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র যেমন মনে করে যে, বর্তমানে আওয়ামী লীগ সরকার স্বাধীন মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করছে, এক্ষেত্রে তারা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গটি আনে। আওয়ামী লীগ সরকারের ১৩ বছরের শাসনামলে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়েছে বলেও যুক্তরাষ্ট্র মনে করে, এটি তাদের রিপোর্টে তা উল্লেখ করেছে। এজন্য তারা র‍্যাবের সংস্কার দাবি করে। যুক্তরাষ্ট্র মনে করে, বাংলাদেশে গুম এবং বিরোধীদলের নিপীড়নের ঘটনা গুলো অত্যন্ত ব্যাপকতা পেয়েছে এবং এটি বন্ধ হওয়া উচিত। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের দুর্নীতি নিয়েও উদ্বিগ্ন এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতি হচ্ছে এটিও তারা মনে করে। এই সমস্ত বিষয় গুলো সরকারের কিছু কিছু মহল করছে বলেও যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন আলাপ-আলোচনায় প্রকাশ্যে বলছে। এ কারণেই আওয়ামী লীগের ওপর তারা অসন্তুষ্ট এবং তারা মনে করে যে, সুশাসন এবং জবাবদিহিতা ছাড়া এটি সম্ভব হবে না। যুক্তরাষ্ট্র এটিও মনে করে যে, নির্বাচনে যদি জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন না ঘটে তাহলে সরকার এ ধরনের কাজ গুলো করতে পারে। এজন্যই যুক্তরাষ্ট্র মনে করে যে, সত্যিকারের জন প্রতিফলন ভোটের মাধ্যমে হওয়া উচিত।

অন্যদিকে আওয়ামী লীগের ব্যাপারে অসন্তুষ্ট থাকলেও বিএনপির প্রতি যে যুক্তরাষ্ট্র সন্তুষ্ট এমন নয়। বরং বিএনপিকে তারা আরও বেশি গুরুতর এবং সন্দেহজনক একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে মনে করে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস বলেছেন, বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতি তাদের পক্ষপাত নাই। এই কথার মধ্য দিয়ে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, বিএনপির আন্দোলনকে সমর্থন করা বা বিএনপির দাবিকে সমর্থন করার মত কোনো অভিপ্রায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাই। বিএনপির একাধিক বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত আপত্তি রয়েছে এবং গুরুতর সন্দেহ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে-

১. তারেক জিয়ার নেতৃত্ব: যুক্তরাষ্ট্রের সবসময় মনে করে যে, তারেক জিয়া একজন দুর্বৃত্ত, অর্থ পাচারকারী। ওয়ান-ইলেভেনের সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত তারেক জিয়ার সম্পর্কে গোপন বার্তা পাঠিয়েছিলেন এবং সেই বার্তার প্রেক্ষিতেই তারেক জিয়া এখনও যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় আছেন। তারেক জিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা দেওয়া হয় না।

২. জঙ্গিবাদ এবং সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যোগাযোগ: যুক্তরাষ্ট্র মনে করে যে, বিএনপির সঙ্গে সন্ত্রাসবাদী এবং জঙ্গিদের যোগসূত্র রয়েছে এবং এই সম্পর্কটা অনেক গভীরে প্রোথিত।

৩. বিএনপির সাম্প্রদায়িক অবস্থান: যুক্তরাষ্ট্র মনে করে বিএনপি একটি সাম্প্রদায়িক রাজনীতি দল এবং সাম্প্রদায়িক চিন্তা-চেতনাকে লালন করে।

আর এ সমস্ত কারণে বিএনপি যদি আবার বাংলাদেশে ক্ষমতায় আসে তাহলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি আফগানিস্তানের মতো হবে কিনা, এ নিয়েও যুক্তরাষ্ট্রের সংশয় রয়েছে। কাজেই আওয়ামী লীগ-বিএনপি দুটি প্রধান দলের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি নেতিবাচক মনোভাব থাকার কারণে যুক্তরাষ্ট্র এখন সুশীলদের দিকে বেশি ঝুঁকে পড়েছে বলেই কূটনীতিক বিশ্লেষকেরা মনে করেন।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সংসদ অধিবেশনে লতিফ সিদ্দিকীর ওয়াক আউট

প্রকাশ: ০৯:০৯ পিএম, ০৪ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বক্তব্যের সময় কম দেওয়ায় অধিবেশন থেকে ১০ মিনিটের জন্য ওয়াক আউট করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী।

সোমবার (৪ মার্চ) রাতে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনার জন্য লতিফ সিদ্দিকীকে ১০ মিনিট সময় দেওয়া হয়।

তিনি ১০ মিনিট সময় কম বলে ওয়াক আউট করেন। এ সময় ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
ডেপুটি স্পিকার বক্তব্য দেওয়ার জন্য লতিফ সিদ্দিকীর নাম ঘোষণা করেন এবং ১০ মিনিট সময় দেন।

এ সময় লতিফ সিদ্দিকী দাঁড়িয়ে বলেন, আমি একজন প্রবীণ সংসদ সদস্য। আমার জন্য ১০ মিনিট সময় কম। তাই আমি সংসদের কার্যক্রম থেকে নিজেকে ১০ মিনিট বিরতি ঘোষণা করছি। এ কথা বলে তিনি অধিবেশন কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান।

সংসদ অধিবেশন   লতিফ সিদ্দিকী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সারাজীবন মন্ত্রী থাকার গোপন রহস্য

প্রকাশ: ০৯:০০ পিএম, ০৪ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করেছে আওয়ামী লীগ। টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করলেও আওয়ামী লীগ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এবার পঞ্চমবারের মত সরকার গঠন করেছে। এই পাঁচ বারের সরকার গঠনে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মন্ত্রিসভা গঠনের ক্ষেত্রে পরিবর্তনের নীতি গ্রহণ করে চলেছেন। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ব্যক্তিকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। অনেক সময় অনেককে বাদ দিয়েছেন। এটি তার নিজস্ব হিসাব নিকাশ এবং কোন বিবেচনায় কাকে তিনি কখন মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করছেন বা কাকে তিনি মন্ত্রিসভা থেকে বাদ দিচ্ছেন সেটি নিয়ে রীতিমতো গবেষণা হতে পারে।

তবে এই মন্ত্রিসভা গঠন এবং রদবদলে প্রধানমন্ত্রীর অপত্য স্নেহ ও সহানুভূতি দেখা যাচ্ছে বেশ কয়েকজনের প্রতি, যারা একাধিকবার মন্ত্রী থেকেছেন। আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট নেতারাও মন্ত্রী থাকছেন সীমিত সময়ের জন্য। যেমন ১৯৯৬ সালে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত আমির হোসেন আমু এবং তোফায়েল আহমেদ ২০০৮ এর মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি, ২০১৮ এর মন্ত্রিসভাতে তাদের জায়গা দেওয়া হয়নি, আর এবার মন্ত্রিসভা গঠনের ক্ষেত্রে তাদের নাম-গন্ধ পর্যন্ত ছিল না।

আবার আওয়ামী লীগেরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতারা আছেন, যারা একবার বা দুবার মন্ত্রী হয়েছেন, মাঝে তাদেরকে একবার বিরতি দেওয়া হয়েছিল। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. রাজ্জাক ২০০৮ সালে মন্ত্রী হয়েছিলেন, ২০১৪ সালে তিনি মন্ত্রী হননি, ২০১৮ সালে মন্ত্রী হয়েছেন। এবার তিনি মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়েছেন। এমনকি শেখ হাসিনার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে সাথী হিসেবে পরিচিত বেগম মতিয়া চৌধুরী মন্ত্রিসভায় ১৯৯৬ সালে ছিলেন, ২০০৮ এবং ২০১৪ সালেও ছিলেন। এরপর তিনি গত দুই মেয়াদে আর মন্ত্রিসভার সদস্য নন। কিন্তু এর মধ্যে কিছু ভাগ্যবান ব্যক্তি রয়েছেন যারা মোটামুটি সারাজীবনের জন্য মন্ত্রিত্বের স্বাদ পেতে চলেছেন। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচিত হলেন ইয়াফেস ওসমান। 

২০০৮ সালের নির্বাচনের পর ২০০৯ সালে গঠিত মন্ত্রিসভায় ইয়াফেস ওসমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। তখন সেটি ছিল একটি বড় চমক। কারণ কোনো দিন রাজপথে আন্দোলন করেননি, আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন না। একজন স্থপতি এবং শওকত ওসমানের পুত্র হিসেবে তিনি পরিচিত ছিলেন। এই পরিচয় নিয়ে তিনি প্রতিমন্ত্রী হয়েছিলেন। তখন সকলে তাতে চমকিত হলেও খুব বেশি হতবাক হননি। কারণ ওই মন্ত্রিসভাটি ছিল শেখ হাসিনার চমকের মন্ত্রিসভা। অনেক আনকোরা নতুন ব্যক্তিকে তিনি মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন চমক হিসেবে। কিন্তু ২০১৪ সালের মন্ত্রিসভায় ইয়াফেস ওসমানের পদোন্নতি ঘটে। তিনি পূর্ণমন্ত্রী হিসাবে একই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। এসময় সকলেই একটু নড়েচড়ে বসেন। ইয়াফেস ওসমানের সাফল্যের গোপন রহস্য কি তা বোঝার চেষ্টা করেন। এ সময় ছড়াকার হিসেবেও ইয়াফেস ওসমানের বিকাশ ঘটে এবং মন্ত্রিসভার বৈঠকে বা বিভিন্ন স্থানে তার ছড়ার গল্প আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। আর ২০১৮ সালের মন্ত্রিসভাতে তিনি একই মন্ত্রণালয় থেকে নতুন রেকর্ড স্পর্শ করেন। এবারের মন্ত্রিসভাতেও তিনি রয়েছেন।

মন্ত্রিসভায় নতুন করে যোগদানের পর সকলেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বললেও ইয়াফেস ওসমান নীরব নিথর। তাকে সাধারণত পাওয়া যায় না। মাঝেমধ্যে গণমাধ্যমের সাথে হঠাৎ করে রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্প নিয়ে উপস্থিত হলেও তিনি প্রশ্ন শুনলেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। অথচ যে দেশের প্রধানমন্ত্রী গণভবনে সাংবাদিকদের ডেকে প্রশ্ন করার ফ্রি লাইসেন্স দেন, সেদেশের একজন মন্ত্রী সাংবাদিকদেরকে প্রশ্ন করার শিক্ষা দেন এবং সাংবাদিকদের এড়িয়ে যান। তারপরও তিনি মন্ত্রী হওয়ার এক অনন্য রেকর্ড স্থাপন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া বাংলাদেশে মন্ত্রিসভায় কোনো ব্যক্তি এতদিন মন্ত্রী থাকেননি। তার গোপন রহস্য নিয়ে রীতিমতো গবেষণা হতে পারে।

এছাড়াও মন্ত্রিসভায় তৃতীয়বারের মতো আছেন ডা. দীপু মনি। প্রথমবার ২০০৯ সালে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হয়েছিলেন, দ্বিতীয় দফায় তিনি শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন, এবার তিনি সমাজকল্যাণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পর শিক্ষামন্ত্রী হওয়াটা ছিল যৌক্তিক। তবে শিক্ষামন্ত্রী থেকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়া এক ধরনের পদাবনতি বলেই মনে করা হয়। তারপরও দীপু মনি মন্ত্রী হয়েছেন।

টানা তিনবার মন্ত্রী থেকে হ্যাটট্রিক করেছেন জুনাইদ আহমেদ পলক এবং নসরুল হামিদ। দুজনেই প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বাংলাদেশে কোন প্রতিমন্ত্রী টানা তিন মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছে কি না, সেটি নিয়ে গবেষণা হতে পারে এবং এই গবেষণার উত্তর হল বাংলাদেশে জুনাইদ আহমেদ পলক এবং নসরুল হামিদ নতুন রেকর্ড স্থাপন করেছেন। কেন তারা স্বপদে বারবার থাকছেন সেটি একটি গবেষণার বিষয়।

তবে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই তাদের মন্ত্রী থাকার গোপন রহস্য জানতে চান। কারণ আওয়ামী লীগের অনেক ত্যাগী পরীক্ষিত নেতা কোনোদিন মন্ত্রী হননি বা একবার প্রতিমন্ত্রী-মন্ত্রী হয়েই কক্ষচ্যুত হয়েছেন। তাদের গোপন টিপস যদি আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতারা জানতেন তবে তাদের ভাগ্যের চাকা ঘুরত।

মন্ত্রিসভা   ইয়াফেস ওসমান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ভয়াবহ রূপ নিয়েছে চট্টগ্রামের সুগার মিলের আগুন

প্রকাশ: ০৮:১৯ পিএম, ০৪ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

চার ঘণ্টায়ও নিয়ন্ত্রণে আসেনি চট্টগ্রামের কর্ণফুলীর সুগার মিলে (চিনির কারখানা) লাগা আগুন। এটি আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে।

আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১৮টি ইউনিট কাজ কারছে। আগুন নেভাতে যোগ দিয়েছে নৌ-বাহিনীও।

সোমবার (৪ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে ওই মিলে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত আগুন জ্বলছিল। আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দিয়েছে নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী ও কোস্ট গার্ড।

ফায়ার সার্ভিসের আগ্রাবাদ কন্ট্রোল রুম সূত্র জানায়, বিকেল ৪টার দিকে কর্ণফুলী থানাধীন ইছানগর এলাকার চিনি মিলটির গোডাউনে আগুন লাগে। খবর পেয়ে কর্ণফুলী ও আনোয়ারা ফায়ার স্টেশন আগুন নেভাতে কাজ করছে।

চট্টগ্রাম   সুগার মিল   আগুন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

দুর্নীতির ইস্যুকে রাজনীতিকরণ করছেন ড. ইউনূস

প্রকাশ: ০৮:০০ পিএম, ০৪ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

সরকারের বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিক ঐক্য এবং রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার জন্য এখন প্রকাশ্যে তৎপরতা শুরু করেছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। নিজেকে মামলার হাত থেকে বাঁচাতে এবং দুর্নীতির অভিযোগ থেকে রক্ষা পেতে তিনি যে সমস্ত পদক্ষেপগুলো নিচ্ছেন তার মধ্যে একটি হল বাংলাদেশে গণতন্ত্র নেই এবং রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করার আহ্বান জানাচ্ছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। 

সাম্প্রতিক সময়ে ড. ইউনূসকে অত্যন্ত সরব দেখা যাচ্ছে। তিনি বাংলাদেশে মানবজমিন পত্রিকায় একটি সাক্ষাত্কার দিয়েছেন। এর আগে তিনি ডয়চে ভেলে-তে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন। এই সমস্ত প্রত্যেকটি সাক্ষাতকারে তিনি গণতন্ত্রের জন্য, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ঐক্যের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। 

গতকাল ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে গ্রামীণ টেলিকমের ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিং মামলার জামিন আবেদনের শুনানি হয়েছে এবং ঢাকার একটি আদালতে তিনি হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন এবং তাকে আদালত জামিন দেন। এই জামিন পাওয়ার পর তিনি রাজনৈতিক বক্তব্য রেখেছেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, এটি একটি ঐতিহাসিক ঘটনা হয়ে থাকবে। এই ঘটনা শুধু দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, সারা দুনিয়ার মানুষ খেয়াল করছে। এই বিচার কি হয়? আমরা যা দেখছি তা সবিস্তারে দেখছেন। 

উল্লেখ্য, ড. মুহাম্মদ ইউনূসই প্রথম নোবেলজয়ী নন, যিনি দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত। এর আগে বহু নোবেলজয়ী দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন এবং নানা রকম অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে কারাভোগ করেছেন। একজন নোবেলজয়ী হলেই তিনি বিচারের ঊর্ধ্বে উঠে যান না। ড. ইউনূসও বিচারের ঊর্ধ্বে উঠে যাননি। কিন্তু সমস্যা হল ড. ইউনূস তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ গুলোকে খণ্ডাতে অন্য রকম কৌশল গ্রহণ করেছেন। তিনি দেশ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি বিভ্রান্তির বলয় সৃষ্টি করার চেষ্টা করছেন। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে সেই অভিযোগ গুলো আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বা ইউনূস নিজেও স্বীকার করছেন না। বরং তিনি বলেছেন যে, তার ছোটখাটো ভুল থাকতে পারে। 

ড. ইউনূসের প্রধান বক্তব্য হল তিনি যেগুলো করেছেন সেগুলো ইচ্ছাকৃত কোন ভুল ত্রুটি নয়। তিনি এটিও বলতে চাচ্ছেন যে, সরকার আক্রোশবশত হয়েই তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দিচ্ছে। এটি তাকে হয়রানি করার সামিল। তবে সাধারণ আইনজ্ঞরা এবং বিচারে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে দেখা যায় যে, ড. ইউনূসের মামলাগুলো প্রত্যেকটি গ্রহণযোগ্য মামলা এবং এর পেছনে কোন রাজনৈতিক অভিপ্রায় বা দুরভিসন্ধি খুঁজে পাওয়া দুষ্কর ব্যাপার। কারণ ড. ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে থাকার সময় রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবহার করে যে ভাবে একের পর এক প্রতিষ্ঠান করেছেন এবং সেই প্রতিষ্ঠানগুলোকে এখন তিনি ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠান হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন, এর চেয়ে বড় গর্হিত অপরাধ আর কিছু হতে পারে না। 

গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে গ্রামীণ কল্যাণ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং গ্রামীণ কল্যাণের মাধ্যমে গ্রামীণ টেলিকম সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে উঠেছিল। সেই সমস্ত প্রতিষ্ঠান গুলোর মালিক এখন ড. ইউনূস কিভাবে হল সেই সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলো কিভাবে সামাজিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হল এই প্রশ্নের উত্তর ড. ইউনূসের কাছে নেই। ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে সেই অভিযোগ গুলো সুষ্ঠু তদন্ত হবে এবং আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হবে। কিন্তু আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তির আগে ড. ইউনূস কিভাবে দাবি করছেন যে তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো হয়রানিমূলক ভিত্তিহীন এবং তিনি হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এটি একটি সুচতুর রাজনৈতিক চাল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। 

বিশ্লেষকদের মতে ড. ইউনূস তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ধামা চাপা দেওয়ার জন্য ত্রিমুখী কৌশল নিয়েছেন। প্রথমত, তিনি আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। প্রভাবশালী মহল যেন তার ভাষায় নিপীড়ণ হচ্ছে এটা দেখে সরকারের ওপর রুষ্ট হয় সেই চেষ্টা করছেন ইউনূস প্রাণান্ত ভাবে। এ কারণে তিনি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে বেছে নিয়েছে। প্রতিদিন তিনি গণমাধ্যমে পয়সা খরচ করে সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন।

দ্বিতীয়ত, ইউনূস বাংলাদেশের রাজনীতিতেও একটা উস্কানি দিচ্ছেন। রাজনৈতিক দলগুলো যেন তার পাশে দাঁড়ায় এজন্য তিনি গণতন্ত্র. ভোটাধিকার ইত্যাদি বিষয়গুলো এনে বিরোধী দলগুলোর মন জয় করার চেষ্টা করছেন।

তৃতীয়ত, তিনি সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন। তিনি যে একজন দুর্নীতিবাজ, অর্থ আত্মসাত বাজ এটি ধামা চাপা দেওয়ার জন্য তিনি এক ধরনের মায়াবি নাটক করছেন। এখন দেখা যাক এই কৌশলের লড়াইয়ে কে জয়ী হয়। ড. ইউনূস না বাংলাদেশ?

দুর্নীতি   রাজনীতি   ড. মুহাম্মদ ইউনূস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

রমজানে ২৫টি স্থানে সুলভ মূল্যে পাওয়া যাবে মাংস, দুধ ও ডিম

প্রকাশ: ০৭:৩২ পিএম, ০৪ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

রমজানে প্রাণিজ পণ্যের নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহ করে নিম্ন আয়ের মানুষকে স্বস্তি দেওয়ার লক্ষ্যে ঢাকা শহরের ২৫টি স্থানে ড্রেসড ব্রয়লার, গরু ও খাসির মাংস, দুধ ও ডিম সাশ্রয়ী মূল্যে বিপণন করা উদ্যোগ নিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

সোমবার (৪ মার্চ) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর ফলে এসব পণ্যের বাজারদর সহনীয় পর্যায়ে রাখা সম্ভব হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যে সব স্থানে সাশ্রয়ী মূল্যে পাওয়া যাবে মাংস, দুধ ও ডিম

সচিবালয় সংলগ্ন আব্দুল গণি রোড, খামারবাড়ি, মিরপুর ৬০ ফুট রাস্তা, আজিমপুর মাতৃসদন, পুরান ঢাকার নয়াবাজার, গাবতলী, হাজারীবাগ, আরামবাগ (মতিঝিল), মোহাম্মদপুরের জাপান গার্ডেন সিটি, মিরপুরের কালশী, যাত্রাবাড়ী, নতুন বাজার,  খিলগাঁও রেলগেইট, নাখালপাড়ার লুকাস মোড়, সেগুনবাগিচা কাঁচাবাজার, মোহাম্মদপুরের বসিলা, উত্তরার দিয়াবাড়ি, বনানীর কড়াইল বস্তি, কামরাঙ্গীরচর, রামপুরা, মিরপুর-১০, কল্যাণপুর (ঝিলপাড়া), তেজগাঁও, পুরান ঢাকা (বঙ্গবাজার), কাকরাইলে এ কার্যক্রম চালু থাকবে। 

রমজান   মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন