ইনসাইড বাংলাদেশ

পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীর মাথার চুল কেটে নির্যাতন

প্রকাশ: ০৭:২৬ পিএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

নওগাঁর মান্দায় পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীর মাথার চুল কেটে নির্যাতন ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগে আব্দুল কুদ্দুসকে (৩২) নামে এক স্বামীকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। বুধবার(৩০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের ছোটমুল্লুক আদর্শ গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে দুপুরে ওই গ্রামে এই নির্যাতনের ঘটনা ঘটে।  গ্রেফতার আব্দুল কুদ্দুস ওই গ্রামের মৃত বাবর আলী ভুট্টুর ছেলে।

স্থানীয় ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত প্রায় ১২ বছর আগে জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার রামগাঁ গ্রামের জহির উদ্দিনের মেয়ে নুরজাহান বেগমকে বিয়ে করেন আব্দুল কুদ্দুস। এরমধ্যে তাদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ের জন্ম হয়। অভাবী সংসারে জীবিকার তাগিদে আব্দুল কুদ্দুস ঢাকায় রিকশা চালাতেন। পরকীয়া সন্দেহে গত এক বছর থেকে তাদের সংসারে কলোহ শুরু হয়। এ নিয়ে গৃহবধূ নুরজাহান বেগমকে নির্যাতন করতেন স্বামী আব্দুল কুদ্দুস। গত ২৫ নভেম্বর তিনি বাড়ি আসেন। ওই দিন রাতেই স্বামী-স্ত্রী ঝগড়া হলে পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে বেদম মারধর করেন। পরের দিন রাতেও পরকীয়ার সন্দেহে দ্বিতীয় দফায় মারধর করে কাঁচি দিয়ে স্ত্রী মাথার চুল কেটে দেন আব্দুল কুদ্দুস।

ভুক্তভোগী গৃহবধূ নুরজাহান বেগম বলেন, গত ২৫ নভেম্বর স্বামী আব্দুল কুদ্দুস বাড়ি আসার পর ঝগড়া হলে মারধর করে। পরের দিন রাতে দ্বিতীয় দফায় আবারও মারধর করে কাঁচি দিয়ে মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, বুধবার সকালে আবারও মারধর করে গলায় ছুরি ঠেকিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এ সময় আমাকে বাঁচাতে ছোট মেয়ে বাবার পা জড়িয়ে ধরে কান্নাকাটি শুরু করে। এ সুযোগে বাড়ি থেকে পালিয়ে পাশের জয়বাংলা মোড়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য বিষ্ণুপদ সাহার দোকানঘরে আশ্রয় নিয়ে জীবন রক্ষা পায়।

অভিযুক্ত আব্দুল কুদ্দুস তার স্ত্রীকে নির্যাতন ও চুল কেটে দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বিষ্ণুপদ সাহা বলেন, স্ত্রীর পরকীয়া সন্দেহ গত এক বছর থেকে তাদের সংসারে অশান্তি শুরু হয়। আব্দুল কুদ্দুস ঢাকায় রিকশা চালাতো। কয়েক আগে বাড়ি এসে স্ত্রীকে নির্যাতন করে মাথার চুল কেটে দেয়। গতকালও নির্যাতন করে। অবশেষে পালিয়ে এসে আমার দোকান ঘরে ঢুকে রক্ষা পায়। এসময় গ্রাম পুলিশের সহায়তায় আব্দুল কুদ্দুসকে আটক করে ভুক্তভোগী গৃহবধূসহ তাকে ইউনিয়ন পরিষদে নেওয়া হয়। পরে পুলিশে সংবাদ দেওয়া হলে তাকে থানায় নেয়। তবে বর্তমানে গৃহবধূ তার স্বামীর বাড়িতেই আছে।

মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর-এ আলম সিদ্দিকী বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ নুরজাহান বেগম বাদী হয়ে বুধবার তার স্বামী আব্দুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন আইনে মামলা করেছেন। মামলার পর বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে

পরকীয়া  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ডিসিদের জবাবদিহিতার আওতায় আনবে কে?

প্রকাশ: ১১:০০ পিএম, ০২ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail ফাইল ছবি

আগামীকাল শুরু হচ্ছে জেলা প্রশাসক সম্মেলন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জেলা প্রশাসকদের সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন, তাদেরকে দিক নির্দেশনা দেবেন। নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর মাঠ প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্মকর্তাদেরকে এবারই প্রথম ঢাকায় নিয়ে আসা হচ্ছে। এই সম্মেলনের মাধ্যমে মাঠ প্রশাসনে আওয়ামী লীগ সরকারের অভিপ্রায় এবং লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য সুষ্পষ্ট পথ নির্দেশনা দেওয়া হবে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, জেলা প্রশাসক হিসেবে যারা আছেন উপসচিব পদমর্যাদার সেই কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে কে? 

গত কয়েক বছর ধরে জেলা প্রশাসকদের নিয়ে নানারকম অভিযোগ উঠছে। নারী কেলেঙ্কারি থেকে শুরু করে সাংবাদিক পেটানো, জনপ্রতিনিধিকে অপমান করা থেকে শুরু করে দুর্নীতি নানারকম অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে জেলা প্রশাসকরা শাস্তি পাচ্ছেন মোটেও কম। যাও বা শাস্তি দেওয়া হচ্ছে সেটি আবার পরবর্তীতে মওকুফ করে দেওয়া হচ্ছে। 

একজন জেলা প্রশাসক নারী কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়লেন, তার ভিডিও ভাইরাল হয়ে গেল তাকে তার কর্মস্থল থেকে সরিয়ে আনা হল, শাস্তি দেওয়া হল তার ইনক্রিমেন্ট স্থগিত করা এবং পদাবনতি। এটি একটি ফৌজদারি অপরাধ। কিন্তু এই ফৌজদারি অপরাধে তিনি সামান্য প্রশাসনিক শাস্তিতেই বেঁচে গেলেন। 

আরেকজন জেলা প্রশাসকের কাণ্ড আরও ভয়ঙ্কর। তিনি রীতিমতো মাফিয়া ডনদের মতো আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং ম্যাজিস্ট্রেটকে ব্যবহার করে এক সাংবাদিকের বাড়ি আক্রমণ করলেন। সাংবাদিককে পেটালেন। তারপর তাকে প্রত্যাহার করা হল বটে, তার পদাবনতি হল কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির করুণায় তিনি দণ্ড মওকুফ পেলেন। এখন তিনি বহাল তবিয়তে চাকরি করছেন। 

পরকীয়ার সাথে জড়িত আরেক জেলা প্রশাসককে তার কর্মস্থল তাকে ঢাকায় নিয়ে এসে শুধুমাত্র সতর্ক করা হল। 

বাংলাদেশের প্রশাসনের লোকজনের এখন জবাবদিহিতা নেই। তারা বিচারের ঊর্ধ্বে উঠে গেছেন। সরকার কিছুদিন আগে আইন করেছে যে, সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন মামলা করতে গেলে অনুমতি নিতে হবে। তাদের গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রেও আছে হাজার রকমের বাধা। ফলে অনেক জেলা প্রশাসক বা মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তারা হয়ে উঠেছেন অপ্রতিরোধ্য। তারা যেন কাউকেই মানছেন না। বিভিন্ন স্থানে জেলা প্রশাসকরা জনপ্রতিনিধিদেরকে পাত্তা দেন না এমন অভিযোগ রয়েছে। জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে জনপ্রতিনিধিদের দূরত্বের খবরও এখন নতুন কিছু নয়। 

নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। মাঠ প্রশাসনের আমলাদেরকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা এখন সরকারের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। না হলে এই সরকারের রাজনৈতিক চরিত্র থাকবে না বলে অনেকে মনে করেন। জেলা প্রশাসকের প্রধান দায়িত্ব হল প্রশাসনের মধ্যে একটা সমন্বয় সাধন করা, জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় করে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত করা। কিন্তু জেলা প্রশাসকরা এখন জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহিতার বাইরে। জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সচিবদেরকে। ফলে জেলা প্রশাসকরা প্রতিনিধিদেরকে কেয়ার করেন না। যে সমস্ত স্থানে জনপ্রতিনিধিরা ক্ষমতাবান বা তাদের প্রভাবপত্তি বেশি সেখানে তারা জনপ্রতিনিধিদেরকে কিছু তোয়াক্কা করেন বটে কিন্তু অন্যান্য স্থানে তারা যেন জনপ্রতিনিধিদের চেয়ে অনেক বেশি ক্ষমতাবান। আর এবারের জেলা প্রশাসক সন্মেলনে মাঠ প্রশাসনকে অবশ্যই জবাবদিহিতার আওতায় আনার একটি সুনির্দিষ্ট রূপকল্প তৈরি করতে হবে, সুনির্দিষ্ট রূপকল্প নির্দেশনা দিতে হবে। না হলে মাঠ প্রশাসন পরিণত হবে দানবে।



জেলা প্রশাসক সম্মেলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ডিসি সম্মেলন শুরু রোববার, মেলেনি তিন প্রশ্নের উত্তর

প্রকাশ: ১০:২৮ পিএম, ০২ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন শুরু হচ্ছে রোববার (৩ মার্চ)। সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার কার্যালয়ের শাপলা হলে সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন। এবারের সম্মেলনে ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনারদের কাছ থেকে ৩৫৬টি প্রস্তাব পেয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। 

শনিবার বিকেলে সচিবালয়ে 'জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৪' নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন। এতে সাংবাদিকের প্রশ্ন ছিল, ডিসি সম্মেলনের বাজেট কত? এবারের সম্মেলন কততম? ডেপুটি কমিশনারের (ডিসি) বাংলা 'জেলা প্রশাসক' হলো কীভাবে?

জেলা প্রশাসক শব্দটি অনেক আগে থেকে ব্যবহার হয়ে আসছে জানালেও এর উৎস সম্পর্কে বলতে পারেননি তিনি। সংবাদ সম্মেলনে তার পাশে উপস্থিত অন্য কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে জানেন কি না জিজ্ঞেস করলে তারাও নেতিবাচকভাবে মাথা নাড়েন।

এ প্রশ্নের উত্তরে এক পর্যায়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এটি যারা বাংলা করেছেন তাদের কাছে জেনে নিতে পারেন।

মাহবুব হোসেন বলেন, সম্মেলনের বাজেটের বিষয়ে এই মুহূর্তে জানাতে পারছি না। তবে সর্বনিম্ন খরচে আমরা সম্মেলন অনুষ্ঠান করি।

রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সম্মেলনটি প্রায় প্রতি বছর করা হয়। কিন্তু এবার কততম সম্মেলন হচ্ছে সে বিষয়ক প্রশ্নের উত্তরও জানাতে পারেননি মন্ত্রিপরিষদ সচিব।


ডিসি সম্মেলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পদোন্নতি পেয়ে বিসিএসের মর্যাদা পেলেন ৩৭ পরিদর্শক

প্রকাশ: ১০:১২ পিএম, ০২ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

বাংলাদেশ পুলিশের ৩৭ জন পুলিশ পরিদর্শককে (ইন্সপেক্টর) পদোন্নতি দিয়ে বিসিএস-পুলিশ ক্যাডার সমমর্যাদায় সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) করা হয়েছে। শনিবার (২ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে তাদের এই পদোন্নতি দেয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে পদোন্নতিপ্রাপ্তদের অবিলম্বে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব বরাবর যোগদানপত্র দিয়ে নতুন পদে যোগদানের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

পদোন্নতিপ্রাপ্তরা হলেন, মো. আনোয়ার হোসেন মিয়া- হাইওয়ে গাজীপুর, জাফর উদ্দিন আহম্মদ- ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, মো. দেলওয়ার হোসেন- কুমিল্লা, খোন্দকার হোসেন আহম্মদ-খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ, খুলনা, মো. নজরুল ইসলাম- রাজশাহী জেলা; মো. শাহজাহান আলী, স্পেশাল সিকিউরিটি এন্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়ন-২। 

মো. বাবুল উদ্দীন সরদার- পুলিশ সুপারের কার্যালয়, বরিশাল; এ কে এম কাউসার- পুলিশ সুপারের কার্যালয়, নোয়াখালী; মোহাম্মদ মিজানুর রহমান- বিশেষ শাখা, মো. ইসমাইল হোসেন- পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পাবনা; মো. জিয়া লতিফুল ইসলাম- পুলিশ সুপারের কার্যালয়, নাটোর; জিল্লুর রহমান চৌধুরী- বিশেষ শাখা।

কাজী জাহেদুল হাফিজ- রাজশাহী মহানগরী পুলিশ, রাজশাহী; মো. মতিয়ার রহমান- বিশেষ শাখা, মো. আব্দুল বাছেদ- অপরাধ তদন্ত বিভাগ, মো. মাহফুজুর রহমান- অপরাধ তদন্ত বিভাগ, মো. কামরুল হক- বিশেষ শাখা, মো. এনামুল হক- পুলিশ সুপারের কার্যালয়, নোয়াখালী; মো. কাউয়ুম শেখ- ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, মকবুল আহাম্মেদ- পুলিশ সুপারের কার্যালয়, হবিগঞ্জ। 

মো. জাকির হোসেন মোল্লা- ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ অধিদপ্তর, মো: রফিকুল ইসলাম খান- পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন, ঢাকা; মো: নবীর হোসেন- সিলেট মহানগরী পুলিশ, মো. তাবরেজুর রহমান সরদার- রংপুর, মো. নুরুল ইসলাম সিদ্দিক- ১৩ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, উত্তরা; মো. হাবিবুর রহমান- পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পটুয়াখালী; মো. ইমতিয়াজ আহম্মেদ- পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন, একেএম মেহেদী হাসান- স্পেশাল সিকিউরিটি এন্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়ন-২, মো. আনোয়ারুল হক ভূঁঞা- বিশেষ শাখা, ঢাকা; 

শেখ মোস্তাফিজুর রহমান- বিশেষ শাখা, ঢাকা; মো. মনজুর রহমান- পুলিশ সুপারের কার্যালয়, সিরাজগঞ্জ; মো. শাহ আলম- বিশেষ শাখা, ঢাকা; মো. জামাল উদ্দিন চৌধুরী- অপরাধ তদন্ত বিভাগ, ঢাকা; আ ম ফারুক- অপরাধ তদন্ত বিভাগ, ঢাকা; মো. আমিরুল ইসলাম- বিশেষ শাখা, ঢাকা; মুহাম্মদ জাকের হোসাইন- বিশেষ শাখা, ঢাকা; মো. সাইদুর রহমান- পুলিশ সুপারের কার্যালয়, কক্সবাজার। 

পদোন্নতি   পরিদর্শক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

এক মাসে বই বিক্রি হল ৬০ কোটি টাকার

প্রকাশ: ০৯:৫২ পিএম, ০২ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

এ বছর অমর একুশে বইমেলায় ৬০ কোটির বেশি টাকার বই বিক্রি হয়েছে। নতুন বই প্রকাশিত হয়েছে ৩ হাজার ৭৫১টি। গত বছর বই বিক্রি হয়েছিল ৪৭ কোটি টাকার বেশি। গত বছর নতুন বই এসেছিল ৩ হাজার ৭৩০টি৷

শনিবার (২ মার্চ) অমর একুশে বইমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলা একাডেমির উপ-পরিচালক শাহেদ মমতাজ৷

বইমেলায় বাংলা একাডেমিসহ সব প্রতিষ্ঠানের বই ২৫ শতাংশ কমিশনে বিক্রি হয়েছে বলেও জানান তিনি।
 
এবার ১ মার্চ পর্যন্ত স্টল মালিকদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য এবং আজকের সম্ভাব্য বিক্রি রশিদ যুক্ত করে কমপক্ষে ৬০ কোটি টাকার বই বিক্রি হয় বলে জানানো হয়।
  
২০২৩ সালে বাংলা একাডেমিই শুধুমাত্র ২৮দিনে ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকার বই বিক্রি করেছিল। এবার ১ মার্চ পর্যন্ত ৩০ দিনে প্রায় ১ কোটি ৩৬ লাখ টাকার বই বিক্রি হয়। আর সমগ্র মেলায় বই বিক্রি হয়েছে ৬০ কোটি টাকার। মেলার শেষ দিনের  শনিবার (২ মার্চ) হিসাব এখনো আসেনি।  
 
২০২২ সমগ্র মেলায় ৫২ কোটি টাকার বই বিক্রি হয়েছিল। ২০২৩ সালে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্টল মালিকদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য এবং ২৭ ফেব্রুয়ারি সম্ভাব্য বিক্রি যুক্ত করে কমপক্ষে ৪৭ কোটি টাকার বই বিক্রি হয়।

একুশে বইমেলা   বাংলা একাডেমি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

১৩০০ ভবন চিহ্নিত করেছিলাম, কিন্তু ভাঙা সম্ভব হয়নি: সাবেক গণপূর্তমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৮:০৭ পিএম, ০২ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে ঘটা ভয়াবহ আগুনের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে সাবেক গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, ঝুঁকিপূর্ণ ১ হাজার ৩০০ ভবন চিহ্নিত করেও সেগুলো ভাঙা সম্ভব হয়নি।

শনিবার (২ মার্চ) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, শেখ হাসিনার হাতে দায়মুক্তির সংস্কৃতি ধ্বংস হয়েছে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বড় বড় অপরাধীদের বিচার হয়েছে। তবে কিছু কিছু জায়গায় আরও কঠিন পদক্ষেপ নেয়া দরকার।
 
তিনি বলেন, কিছু কিছু জায়গায় কঠিন পদক্ষেপ নেয়া দরকার। বনানীর এফ আর টাওয়ারে আগুনের পর আমরা ৬২ জনের বিরুদ্ধে রিপোর্ট দিয়েছিলাম, দুর্ভাগ্য সর্বোচ্চ পর্যায়ের রিপোর্টের পরও সবার বিরুদ্ধে মামলা হয়নি। তারপর চার্জশিট দেয়ার সময় অনেকের নাম বাদ দেয়া হয়েছে। আজ পর্যন্ত সে মামলার অভিযোগ গঠন পর্যন্ত হয়নি।

সাবেক এ গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, এ-জাতীয় অপরাধে যারা জড়িত, প্রয়োজনে আইন পরিবর্তন করে স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে তাদের বিচার করা না হলে অন্যদের কাছে কোনো বার্তা যাবে না। আমরা সেই সময় ১৩০০ ভবন চিহ্নিত করেছিলাম গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে, কিন্তু সেগুলো ভাঙা সম্ভব হয়নি। এটাও এক প্রকারের দায়মুক্তি দেয়া।

সাবেক গণপূর্তমন্ত্রী   শ ম রেজাউল করিম   বেইলি রোড  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন