ইনসাইড ইকোনমি

দেশের উন্নয়নে জুয়েলারি খাতের বিকল্প নেই: সায়েম সোবহান আনভীর

প্রকাশ: ০৫:২১ পিএম, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

দেশের উন্নয়নে জুয়েলারি খাতের বিকল্প নেই উল্লেখ করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) প্রেসিডেন্ট সায়েম সোবহান আনভীর বলেছেন, আমার কাজ ছিল জুয়েলারি খাত গুছিয়ে আনার, সেটা করেছি। এখন এই শিল্পকে ধরে রেখে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ সারা দেশের ৪০ হাজার জুয়েলারি ব্যবসায়ীর।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে এই যে বড় বড় উন্নয়ন হচ্ছে, আরও উন্নয়ন পরিকল্পনা হচ্ছে, এগুলো একটা সময় আমার কাছে স্বপ্ন মনে হতো। কিন্তু আমার এখন অনেক সাহস হয়ে গেছে। আমি এখন বাংলাদেশে যে কোনো মেগা শিল্পকারখানা করার জন্য প্রস্তুত। কারণ আমার এই শক্তির যোগান দিচ্ছে সরকার। এই সরকার গত ১৪ বছরে দেশের উন্নয়নে মিরাকল ঘটিয়েছে, যা বিশ্ব প্রতিযোগিতায় অবিশ্বাস্য রোলমডেল। আমি আজকে বাংলাদেশি হিসেবে গর্ব বোধ করি।

বৃহস্পতিবার (১৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) অনুষ্ঠিত ‘বাজুস সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা-২০২২’-এ সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বাজুস প্রেসিডেন্ট সায়েম সোবহান আনভীর।

জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমি সব সময় ইতিবাচক চিন্তা করি। আমার অনুপ্রেরণা ইতিবাচকতা, উৎপাদনশীলতা ও অগ্রগতি। আর ভালো কাজে বাধা আসবে, এটাই স্বাভাবিক। ভালো কাজ করতে কষ্ট হবেই। এটার সুফল অনেক বড় এবং স্থায়ী। যে কোনো জিনিসই প্যারেন্ট থেকে শুরু ফ্ল্যাটলাইন থেকে শুরু। তো আমি মনে করি বাজুস আমি ফ্ল্যাটলাইন থেকে শুরু করেছি। আই উইল গো স্টেপ বাই স্টেপ নাও। একটা একটা করে ফ্লোর বানিয়ে যাবো। এটাই আমার অনুপ্রেরণা, এটাই আমার উৎসাহ, এটাই আমার চিন্তা, এটাই আমার ধারণা এবং আমি এটাই করব। এই কাজ করার জন্য যা যা করার দরকার, যে যে জায়গায় যাওয়া দরকার, আমি তাই করব। এই শিল্পকে শুধু বাংলাদেশ না, সারা দুনিয়াতেই নিয়ে যাবো আমি। সবার কাছে বলবো বাংলাদেশে আসুন।

বাজুস প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, আমি বাংলাদেশ, আপনি বাংলাদেশ। বিশ্ববাজারে আমরা আমাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি, এজন্য নিজেদের গর্ব বোধ করা উচিত। এখন সব জায়গায় কোনো কিছু কিনতে গেলে ‘মেড ইন চায়না’ দেখা যায়। এখন কিন্তু জায়গায় জায়গায় ‘মেড ইন বাংলাদেশও’ দেখা যায়। আর কিছু না হলেও বাংলাদেশি পোশাক পণ্য দেখা যায়। আমি চাই আগামী দিনে বাংলাদেশি জুয়েলারি খাতের নামও বিশ্বের বুকে থাকুক। এটা আমাদের সোনার বাংলাদেশ, সোনা দিয়েই গড়তে হবে। তামা দিয়ে হবে না। আমরা তামা-সিলভার না। আমরা সোনার বাংলাদেশ। আমার যে জুয়েলারি কারখানা হচ্ছে, সেখানে প্রায় ১২ হাজার ভরি উৎপাদন করবো। প্রাথমিকভাবে ৬ হাজার শ্রমিক কাজ করবে। আমি ৫ বছরের যে রোডম্যাপ করেছি, সেখানে প্রায় ৩০ হাজার ভরি পর্যন্ত গহনা তৈরি করবো। প্রায় ৩০ থেকে ৪০ হাজার লোক আমার কারখানায় কাজ করবেন। আমার মতো যদি আরও ১০টা উদ্যোক্তা আসেন, এই জুয়েলারি শিল্প বাংলাদেশকে উজ্জ্বল করবে। ধীরে ধীরে এই শিল্প অন্য শিল্পকে ছাড়িয়ে যাবে।

সায়েম সোবহান আনভীর বলেন, জাপানে কিন্তু কোনো কাঁচামাল নেই। আমরাও একই অবস্থানে। আমাদের কোনো কাঁচামাল নেই। তাহলে জাপান কী করছে। কাঁচামাল আমদানি করে রূপান্তরের পর উচ্চ মূল্যে তারা রপ্তানি করছে। এটাই ব্যবসার থিম। আমাদের একই থিম অনুসরণ করতে হবে।

তিনি বলেন, আমার খুব কষ্ট লাগে, যখন আমি দেখি আমাদের দেশের লোকজন বিদেশ থেকে গহনা কেনে। কিন্তু দেখুন বাংলাদেশের কারিগর বিশ্বসেরা। বাংলাদেশে একটা ভালো ডিজাইন ইনস্টিটিউট নেই। ইনস্টিটিউট নিয়ে আমার অনেক বড় স্বপ্ন আছে। আমাদের চারুকলা ইনস্টিটিউট আছে। আমার চিন্তায় আছে ডিজাইন স্টুডিও গড়ে তোলার। ভোকেশনাল সেন্টার নিয়েও ভাবছি। এগুলো যদি যুক্ত করে, সবকিছু যদি একটা ছাতার নিচে আনা যায়, তাহলে এই শিল্পে বিপ্লব ঘটবে।

বাজুস সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার মনোমুগ্ধকর বর্ণিল আয়োজনে সঙ্গীত পরিবেশন করেন দেশের প্রখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী ও বাজুস অ্যাম্বাসেডর মমতাজ বেগম। তিনি বাজুসের থিম সং ‘নারী হয় অন্যন্যা রূপের অংহকারে/ সেই রূপ অপরূপ সোনার অলঙ্কারে’ শীর্ষক গানসহ একে একে তার জনপ্রিয় গানগুলো পরিবেশন করেন। বাজুসের থিম সংটি লিখেছেন খ্যাতনামা গীতিকার কবির বকুল। সুর করেছেন ক্লোজআপ ওয়ান তারকা কিশোর দাস।

অনুষ্ঠানে রাজধানী ঢাকার সকল বাজুস সদস্যসহ সারা দেশের জেলা শাখা সমূহের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং উপজেলা শাখার সভাপতিসহ প্রায় দেড় হাজার জুয়েলারি ব্যবসায়ী অংশ নেন। অনুষ্ঠানটি একটি মিলনমেলায় পরিণত হয়।

এর আগে দুপুরে সারা দেশের জেলা শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকেরা বাজুস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার বাসভবনে আয়োজিত মতবিনিময় সভা অংশ নেন। ওই সভায় সাংগঠনিক দিক-নিদের্শনামূলক বক্তব্য দেন বাজুস প্রেসিডেন্ট সায়েম সোবহান আনভীর।

এছাড়াও আইসিসিবিতে বিকেলে জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে জাতীয় প্রতিনিধি সভা-২০২২ অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় সারা দেশের জুয়েলারি ব্যবসায়ী নেতাদের কাছে বিভিন্ন কর্ম-পরিকল্পনা ও সাংগঠনিক কর্ম-পরিধি তুলে ধরেন বাজুসের সাবেক সভাপতি ডা. দিলীপ কুমার রায় ও এনামুল হক খান দোলন, সহ-সভাপতি গুলজার আহমেদ, আনোয়ার হোসেন, এম এ হান্নান আজাদ, বাদল চন্দ্র রায়, ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন, সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়াল প্রমুখ।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

২৪ দিনে প্রবাসী আয় ১৭৯ কোটি ডলার

প্রকাশ: ০৯:২৮ পিএম, ২৬ মে, ২০২৪


Thumbnail

দেশে দীর্ঘদিন ধরে চলছে ডলার সংকট। অস্থিতিশীল অর্থনীতির মাঝে আলো দেখাচ্ছে দেশের প্রবাসী আয়। গত দুই মাস ধরে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ কিছুটা বেড়েছে। চলতি মাসের প্রথম ২৪ দিনে প্রবাসীরা ১৭৮ কোটি ৯৭ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। মূলত আসন্ন কোরবানিকে ঘিরে বাড়ছে রেমিট্যান্স প্রবাহ।

রোববার (২৬ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের মে মাসের প্রথম ২৪ দিনে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছে ১৫৮ কোটি ৪০ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৯ কোটি ১২ লাখ ৮০ হাজার ডলার, বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৮৫ লাখ ২০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৫৯ লাখ মার্কিন ডলার। 

দেশে কার্যরত ব্যাংকগুলোর মধ্যে প্রথম ১২৪ দিনে একক ব্যাংক হিসেবে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী আয় এসেছে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। আর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ট্রাস্ট ব্যাংক। এ সময়  ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৫২ কোটি ৬৭ লাখ ৩০ হাজার ডলার। ট্রাস্ট ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১২ কোটি পাঁচ লাখ ৯০ হাজার ডলার। জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১০ কোটি ৬৪ লাখ ২০ হাজার ডলার। এছাড়া প্রবাসী আয় সিটি ব্যাংকের মাধ্যমে ১০ কোটি ৪৩ লাখ ৭০ হাজার ডলার এবং ন্যাশনাল ব্যাংকের ৯ কোটি ৭৫ লাখ ৯০ হাজার ডলার এসেছে। 

চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২১১ কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার ডলার। ফেব্রুয়ারিতে আসে ২১৬ কো‌টি ৪৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার, মার্চে ১৯৯ কো‌টি ৭০ লাখ ৭০ হাজার ডলার এবং এপ্রিলে ২০৪ কোটি ৩০ লাখ ৬০ হাজার ডলার এসেছে।

প্রবাসী আয়   বাংলাদেশ ব্যাংক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

আসছে বাস্তবতার নিরিখে সংকোচনমুখী বাজেট

প্রকাশ: ১০:১৬ এএম, ২৩ মে, ২০২৪


Thumbnail

প্রতি বছরই দেখা যায়, প্রস্তাবিত বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা তার আগের বাজেটের সব লক্ষ্যমাত্রাকে ছাড়িয়ে যায়। ক্ষেত্রে প্রাক্কলিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সক্ষমতার অভাব জেনেও শুধু রাজনৈতিক বিবেচনাপ্রসূত বারবার এই উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নির্ধারণের পথে হাঁটত সরকার।

গত এক দশকের প্রস্তাবিত বাজেট পর্যালোচনায় এমন ধারাবাহিকতাই  পরিলক্ষিত হয়েছে। তবে এবার এই ধারার ব্যতিক্রম ঘটতে যাচ্ছে। আসন্ন বাজেটের বেশিরভাগ সূচকের লক্ষ্যেই প্রথমবারের মতো থাকছে না উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার ছাপ। বরং বৈশ্বিক অভ্যন্তরীণ বাস্তবতাকে গুরুত্ব দিয়ে আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার, ঘাটতি, জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার, মূল্যস্ফীতির হার, জাতীয় বিনিয়োগ, সঞ্চয়, সরকারি পরিচালন ব্যয় এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) প্রাক্কলনে বেশ সংযত লক্ষ্য নির্ধারণ করতে যাচ্ছে সরকার।

বিষয়ে বাজেট প্রণয়নে সংশ্লিষ্ট অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, আগামী বাজেটটি কোনোভাবেই উচ্চাভিলাষী হবে না। বরং এই বাজেট হবে বাস্তবতার নিরিখে অনেকটা সংকোচনমুখী। এর মানে হচ্ছে, বাজেটের আকার ছোট হবে। সেটি চলতি অর্থবছরের তুলনায় বড়জোর শতাংশ বাড়বে, যা আগে থেকে ১০ শতাংশ বা তারও বেশি হতো। শুধু বাজেটের আকারই নয়, বরং অর্থনীতির মানদণ্ড নির্ধারক বাজেটের সব সূচক নির্ধারণের ক্ষেত্রেই থাকবে সংযত পদক্ষেপ। যতটা সম্ভব চেষ্টা থাকবে শতভাগ বা তার অনেকটাই কাছাকাছি বাস্তবায়নযোগ্য বাজেট প্রণয়নের। সেভাবেই আমরা ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য বাজেট চূড়ান্ত করতে যাচ্ছি।

অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য সরকার প্রায় লাখ কোটি টাকার বাজেট দিতে যাচ্ছে। এই বাজেটে সরকারের যে পরিচালন উন্নয়ন ব্যয় রয়েছে, তার সর্বাগ্রে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনী ব্যয় বাড়িয়ে মানুষের সক্ষমতা উন্নয়ন, নগদ ভর্তুকি প্রণোদনা এবং ঋণ বাড়িয়ে মোট দেশজ উৎপাদনকে ত্বরান্বিতকরণ এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে।

জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: সরকারের মধ্যমেয়াদি সামষ্টিক অর্থনৈতিক কাঠামোতে (এমটিএমএফ) ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য জিডিপি প্রবৃদ্ধির হারের প্রাক্কলন ধরা হয়েছে দশমিক শতাংশ, যা অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় ধরা আছে দশমিক ৫১ শতাংশ। কিন্তু দেশে দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির জাঁতাকলে এবং আমদানি নিয়ন্ত্রণ সরকারি ব্যয়ে কৃচ্ছ্রসাধনের কর্মসূচি বাস্তবায়িত হতে থাকায় সামগ্রিকভাবে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) কমেছে। নতুন বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান কম হয়েছে। অন্যদিকে ঊর্ধ্বগতির মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের ব্যয় বেড়ে গেছে। এতে ভোগ কমে গেছে। এসবের প্রভাব পড়েছে জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে সরকার আসন্ন অর্থবছরের জন্য সংযত সতর্ক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার নির্ধারণ করতে যাচ্ছে। এতে নতুন লক্ষ্য ধরা হচ্ছে দশমিক ৭৫ শতাংশ।

মূল্যস্ফীতির হার: সরকারের মধ্যমেয়াদি সামষ্টিক অর্থনৈতিক কাঠামোর (এমটিএমএফ) লক্ষ্য অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ধরতে হতো দশমিক শতাংশ। কিন্তু সরকার বাস্তবতা বুঝে সেই লক্ষ্যমাত্রা থেকে অনেকটাই দূরে সরে আসছে। অর্থাৎ আগামী অর্থবছরের জন্য মূল্যস্ফীতির হার নির্ধারণ করতে যাচ্ছে দশমিক শতাংশ, যা প্রাক্কলিত এমটিএমএ এর লক্ষ্যমাত্রা থেকে শতাংশ বেশি।

বিনিয়োগ জিডিপি: ২০২২-২৩ অর্থবছর বিনিয়োগ জিডিপির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় জিডিপির ৩১ দশমিক শতাংশ। যদিও সেটির লক্ষ্য অর্জন না হওয়ায় সংশোধিত বাজেটে ফের লক্ষ্যমাত্রা নামিয়ে আনতে হয়েছে ২৭ দশমিক শতাংশে। তা সত্ত্বেও চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে অস্বাভাবিক বিনিয়োগ পরিকল্পনার ঢালি সাজিয়েছিলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী মুস্তফা কামাল। সেখানে তিনি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩৩ দশমিক শতাংশ বিনিয়োগ আনার প্রস্তাব করেছিলেন। কিন্তু এই প্রস্তাবও ধোপে টেকেনি। ফের সংশোধনের মাধ্যমে ২৮ দশমিক শতাংশে নামিয়ে আনতে হয়েছে। এই বাস্তবতায় আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনের বিনিয়োগ বা বিনিয়োগ জিডিপি মাত্র . শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হতে পারে। এটি সরকারের মধ্যমেয়াদি সামষ্টিক অর্থনৈতিক কাঠামোর (এমটিএমএফ) প্রাক্কলিত লক্ষ্যমাত্রা থেকে দশমিক ৫১ শতাংশ কম।

বাজেট ঘাটতি: আগামী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে ঘাটতির আকার জিডিপির শতাংশের নিচে রাখতে অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা বেশ সতর্ক সংযতভাবে হিসাবনিকাশ কষছেন। ২০২২-২৩ অর্থবছর যেখানে বাজেট ঘাটতি দশমিক শতাংশ ধরা হয়, সেটি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আরও কমিয়ে দশমিক শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়। আসন্ন অর্থবছর সরকার ঘাটতির আকারকে জিডিপির দশমিক ৬৭ শতাংশের মধ্যে রাখতে চায়। সেভাবেই নতুন বাজেট তৈরি করতে যাচ্ছে অর্থ বিভাগ।


সংকোচনমুখী   বাজেট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

সংবাদপত্র শিল্পকে জনগুরুত্বপূর্ণ শিল্প হিসেবে ঘোষণার দাবি

প্রকাশ: ১১:১৯ এএম, ২২ মে, ২০২৪


Thumbnail

সংবাদপত্র শিল্পকে জনগুরুত্বপূর্ণ শিল্প হিসেবে ঘোষণা এবং সংবাদপত্র, টেলিভিশন, অনলাইনসহ সব গণমাধ্যমের ওপর আরোপিত কর সহনীয় করার আহ্বান জানিয়েছে এফবিসিসিআইয়ের প্রেস মিডিয়া বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটি।

মঙ্গলবার (২১ মে ) মতিঝিলে অবস্থিত এফবিসিসিআই আইকনে সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম। এতে সভাপতিত্ব করেন কমিটির চেয়ারম্যান এবং এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক এম. শোয়েব চৌধুরী। ডিরেক্টর ইন-চার্জ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক মো. রাকিবুল আলম (দিপু)

এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, স্বাধিকার আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা অপরিসীম। আমাদের ব্যবসা, বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে দেশের গণমাধ্যম। আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রেস মিডিয়াকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। এজন্য সংবাদপত্র শিল্পের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি গণমাধ্যম কর্মীদের বেতন-ভাতাসহ অন্যান্য কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করতে গণমাধ্যম মালিকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক হাফেজ হাজী হারুন-অর-রশিদ, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক প্রেস সচিব একেএম শামীম চৌধুরী, এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের বোর্ড অব গভর্নেসের (পিডিবিএফ) সদস্য বোরহান উদ্দিন আহমেদ, দ্য ব্লেজার বিডি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী রাজিব ইউ. . চপল, এফবিসিসিআইয়ের ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স বিভাগের প্রধান জাফর ইকবাল এনডিসি, কমিটির কো-চেয়ারম্যান আক্কাস মাহমুদ, মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন জিটু, তাওহিদা সুলতানা, এজাজ মোহাম্মদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


সংবাদপত্র   শিল্প  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

মাথাপিছু আয় ৩৫ ডলার বেড়ে ২৭৮৪ ডলার

প্রকাশ: ১০:০৫ এএম, ২১ মে, ২০২৪


Thumbnail

চলতি অর্থবছর প্রায় শেষের দিকে। এর আগেই চলতি ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ধারণা করা হচ্ছে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃত্তি আগের অর্থবছরের তুলনায় কিছুটা বেড়ে ৫ দশমিক ৮২ শতাংশ হবে। আর দেশের মানুষের মাথাপিছু  আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৮৪ মার্কিন ডলার।

সোমবার (২০ মে) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জিডিপির সাময়িক হিসাব প্রকাশ করে এসব তথ্য জানিয়েছে

বিবিএস আরও জানায়, ২০২০-২১ অর্থবছরে হাজার ৫৯১ ২০২১-২২ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল হাজার ৭৯৩ ডলার।

প্রসঙ্গত, গত অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২ হাজার ৭৪৯ মার্কিন ডলার। যা এ বছর ৩৫ মার্কিন ডলার বেড়ে হয়েছে ২ হাজার ৭৮৪ ডলার। বর্তমান টাকার হিসেবে মাথাপিছু আয় ৩ লাখ ৬ হাজার ১৪৪ টাকা। 


মাথাপিছু আয়   বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো   জিডিপি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

আটকে থাকা রপ্তানি আয় দেশে ফেরাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগ

প্রকাশ: ০৯:৩৬ পিএম, ২০ মে, ২০২৪


Thumbnail

পণ্য রপ্তানি হলেও নির্ধারিত সময়ে যেসব রপ্তানি আয় দেশে আসেনি, আটক থাকা সেই অর্থ দ্রুত দেশে আনতে উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, যখন রপ্তানি আয় আসবে, তখনকার ডলারের দামেই মূল্য পাবেন রপ্তানিকারক।

সোমবার (২০ মে) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে যে কেউ পুরোনো আয় দেশে আনলেও এখনকার ১১৭ টাকা ৫০ পয়সা দামে রপ্তানি আয় পাবেন।

দুই বছর ধরে চলা ডলারের সংকটের মধ্যে রপ্তানি আয় সময়মতো দেশে আনতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে রপ্তানি আয় সময়মতো দেশে আসছে না। সময়মতো আয় দেশে না আনলে অর্থ পাচারের জন্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকলেও এমন উদ্যোগ দেখা যায় না।

রপ্তানি আয়   বাংলাদেশ ব্যাংক  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন