লিট ইনসাইড

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২২ পাচ্ছেন ১৫ জন

প্রকাশ: ০৫:১৮ পিএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২২ পাচ্ছেন ১৫ জন

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার কমিটি ২০২২’র সদস্যদের সম্মতিক্রমে এবং বাংলা একাডেমি নির্বাহী পরিষদের অনুমোদনক্রমে ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২২’ ঘোষণা করা হয়েছে। এ বছর ১৫ জনকে পুরস্কার দেওয়া হবে।

২৫ জানুয়ারি বাংলা একাডেমি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বাংলা একাডেমি আয়োজিত অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার বিজয়ীদের হাতে তুলে দেবেন।

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২২ প্রাপ্তরা হলেন, কবিতায় ফারুক মাহমুদ ও তারিক সুজাত, কথাসাহিত্যে তাপস মজুমদার ও পারভেজ হোসেন, প্রবন্ধ বা গবেষণায় মাসুদুজ্জামান, অনুবাদে আলম খোরশেদ, নাটকে মিলন কান্তি দে ও ফরিদ আহমদ দুলাল, শিশুসাহিত্যে ধ্রুব এষ, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণায় মুহাম্মদ শামসুল হক, বঙ্গবন্ধুবিষয়ক গবেষণায় সুভাষ সিংহ রায়, বিজ্ঞান বা কল্পবিজ্ঞান বা পরিবেশ বিজ্ঞানে মোকারম হোসেন, আত্মজীবনী বা স্মৃতিকথা বা ভ্রমণকাহিনিতে ইকতিয়ার চৌধুরী, ফোকলোরে আবদুল খালেক ও মুহম্মদ আবদুল জলিল।


বাংলা একাডেমি   সাহিত্য পুরস্কার ২০২২   বইমেলা  


মন্তব্য করুন


লিট ইনসাইড

কবি নির্মলেন্দু গুণের ৮০তম জন্মদিন আজ

প্রকাশ: ০৪:০৯ পিএম, ২১ জুন, ২০২৪


Thumbnail

বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কবি নির্মলেন্দু গুণের ৮০তম জন্মদিন আজ। ১৯৪৫ সালের এই দিনে নেত্রকোনার কাশবন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।

নির্মলেন্দু গুণের মা বীণাপাণি ও বাবা সুখেন্দু প্রকাশ গুণ। বারহাট্টার করোনেশন কৃষ্ণপ্রসাদ ইনস্টিটিউট থেকে ১৯৬২ সালে প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন নির্মলেন্দু গুণ। এর আগেই নেত্রকোনা থেকে প্রকাশিত ‘উত্তর আকাশ’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয় তার প্রথম কবিতা ‘নতুন কাণ্ডারী’। 

১৯৬৪ সালে আনন্দ মোহন কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে আইএসসিও পাস করেন তিনি। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসি বিভাগে ভর্তির জন্য মনোনীত হলেও ঢাকায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হওয়ায় তিনি গ্রামে চলে যান। পরে ফিরে এসে দেখেন, তার নাম তালিকা থেকে লাল কালি দিয়ে কেটে দেওয়া হয়েছে। ১৯৬৯ সালে তিনি প্রাইভেটে বিএ পাস করলেও সার্টিফিকেট তোলেননি। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, শ্রেণিসংগ্রাম, প্রেম-বিরহ, জীবন-প্রকৃতি আর স্বপ্ন দেখার তীব্র ঘোর তার কবিতার প্রাণশক্তি।

কবিতার পাশাপাশি বিভিন্ন সময় গল্প, আত্মজৈবনিক গ্রন্থ ও ভ্রমণসাহিত্যও রচনা করেছেন নির্মলেন্দু গুণ। প্রথম কবিতার বই ‘প্রেমাংশুর রক্ত চাই’ লিখেই কাব্যজগতে নিজের আসন স্থায়ী করে নেন তিনি। এ গ্রন্থের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে লেখা ‘হুলিয়া’ কবিতাটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। পরবর্তী সময়ে এর ওপর ভিত্তি করে তানভীর মোকাম্মেল একটি পরীক্ষামূলক চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন। এ ছাড়া তার ‘স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো’ কবিতাটি বাংলাদেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যপুস্তকে পাঠ্য।

সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য নির্মলেন্দু গুণ ১৯৮২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, ২০১১ সালে একুশে পদক, ২০১৬ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার ও ব্র্যাক ব্যাংক-সমকাল সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন।


নির্মলেন্দু গুণ   জন্মদিন  


মন্তব্য করুন


লিট ইনসাইড

কবি সুফিয়া কামালের জন্মবার্ষিকী আজ

প্রকাশ: ১১:১৪ এএম, ২০ জুন, ২০২৪


Thumbnail

দেশে নারী জাগরণের অন্যতম পথিকৃৎ মহীয়সী নারী কবি সুফিয়া কামালের ১১৩তম জন্মবার্ষিকী আজ বৃহস্পতিবার (২০ জুন)জননী সাহসিকাহিসেবে খ্যাত এই কবি ১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালের শায়েস্তাবাদে জন্মগ্রহণ করেন।

সুফিয়া কামাল আজীবন মুক্তবুদ্ধির চর্চার পাশাপাশি সাম্প্রদায়িকতা মৌলবাদের বিপক্ষে সংগ্রাম করে গেছেন। সাহিত্য চর্চার পাশাপাশি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি ১৯৯৯ সালের ২০ নভেম্বর ঢাকায় মারা যান।

কবির জন্মদিন উপলক্ষ্যে তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তারা নারী জাগরণের অন্যতম পথিকৃৎ কবি সুফিয়া কামালের জন্মবার্ষিকীতে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

বাংলার প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে সুফিয়া কামালের ছিল আপসহীন এবং দৃপ্ত পদচারণা। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর সুফিয়া কামাল পরিবারসহ কলকাতা থেকে ঢাকায় চলে আসেন। ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং এই আন্দোলনে নারীদের উদ্বুদ্ধ করেন। তিনি ১৯৫৬ সালে শিশু সংগঠন কচিকাঁচার মেলা প্রতিষ্ঠা করেন।

পাকিস্তান সরকার ১৯৬১ সালে রবীন্দ্র সংগীত নিষিদ্ধ করলে তার প্রতিবাদে সংগঠিত আন্দোলনে তিনি জড়িত ছিলেন এবং তিনি ছায়ানটের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তার ধানমন্ডির বাসভবন থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা দেন। স্বাধীন বাংলাদেশে নারী জাগরণ নারীদের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামেও তিনি উজ্জ্বল ভূমিকা পালন করেন।

সাঁঝের মায়া, মন জীবন, শান্তি প্রার্থনা, উদাত্ত পৃথিবী ইত্যাদি তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। এছাড়া সোভিয়েতের দিনগুলো এবং একাত্তরের ডায়েরি তার অন্যতম ভ্রমণ স্মৃতিগ্রন্থ। সুফিয়া কামাল দেশ-বিদেশের ৫০টিরও বেশি পুরস্কার লাভ করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, একুশে পদক, স্বাধীনতা দিবস পদক, বেগম রোকেয়া পদক, সোভিয়েত লেনিন পদক জাতীয় কবিতা পরিষদ পুরস্কার।


কবি   সুফিয়া   কামাল  


মন্তব্য করুন


লিট ইনসাইড

হাসপাতালে ভর্তি সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

প্রকাশ: ০৮:৪৭ এএম, ১৮ জুন, ২০২৪


Thumbnail

পেসমেকার বদলের জন্য দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়। পরিবারিক সূত্রের খবর, দুই দিন আগে ভর্তি হন তিনি। জানা গেছে, তার অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে। বর্তমানে ভালো আছেন তিনি।

চিকিৎসার নিয়ম অনুসারে নির্দিষ্ট সময় অন্তর পেসমেকার বদলাতে হয়। পেসমেকারের কারণে বর্ষীয়ান এই লেখকের যাতে অন্যকোনো শারীরিক সমস্যা তৈরি না হয়, তাই তড়িঘড়ি তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। নির্দিষ্ট দিনে তার অস্ত্রোপচার হয়।

তবে চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়েছে, বর্তমানে ৮৮ বছরের সাহিত্যিকের অবস্থা স্থিতিশীল। কয়েক দিনের মধ্যেই বাড়ি ফিরবেন তিনি।


হাসপাতাল   সাহিত্যিক   শীর্ষেন্দু   মুখোপাধ্যায়  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন