ইনসাইড ইকোনমি

‘আইএমএফের ঋণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত না, বরং টার্নিং পয়েন্ট’

প্রকাশ: ১০:০০ পিএম, ০৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম।

অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ থেকে বাংলাদেশ যে ঋণ পাচ্ছে, তা সংকট মোকাবিলায় টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে বলে অর্থনীতিবদদের একটি সম্মেলনে মত প্রকাশ করা হয়েছে। এই ঋণ অনুমোদনের পর বিশ্বব্যাংক ও এডিবি থেকেও সহায়তা আসবে বলে ধারণা তাদের।

এতে অংশ নিয়ে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম বলেছেন, আইএমএফের ঋণ দেয়ায় অন্য দাতা সংস্থাগুলোও এখন এগিয়ে আসবে বলে তিনি মনে করেন। ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে আইএমএফ যে শর্তগুলো দিয়েছে, সেগুলোও দেশের জন্য ভালো হবে বলেই বিশ্বাস তার।

অর্থনৈতিক এই সংকট থেকে বের হয়ে আসতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ থেকে সরকার যে ঋণ নিচ্ছে, সেটি দেশের জন্য ইতিবাচক হবে বলেও মনে করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আইএমএফ আমাদের আর্থিক খাতে যেসব সংস্কার প্রস্তাব করেছে সেগুলো যৌক্তিক। তাদের (আইএমএফ) পরামর্শে আর্থিক খাতে ধারাবাহিক সংস্কার করা হচ্ছে। এসব প্রস্তাব আমরা ইতিবাচকভাবে নেওয়ায় এখন অন্যান্য দাতা সংস্থাও ইন্টারেস্ট দেখাচ্ছে।”

আইএমএফের ঋণের প্রথম কিস্তি জমা পড়ার দুই দিন পর শনিবার ঢাকায় মহাখালী ব্র্যাক সেন্টারে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সাউথ এশিয়া উইথ এ স্পেশিয়াল এম্ফেসিস অন ইকোনোমিক মডেলিংয়ের (সানেম) ষষ্ঠ বার্ষিক অর্থনীতিবিদ সম্মেলনের বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 

বৈশ্বিক সংকটে দেশের অর্থনীতিতে যে চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে তা মোকাবেলা ও উত্তরণের উপায় নিয়েই সানেমের এবারের সম্মেলনে আলোচনা করেন বক্তারা। সম্মেলনের প্রথম সেশনে সানেমের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক সেলিম রায়হান বলেন, “আইএমএফের ৪৭০ কোটি টাকা ঋণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত না, বরং টার্নিং পয়েন্ট। এই ঋণ পাওয়ার ফলে এখন অন্যান্য দাতা সংস্থা বাংলাদেশের ব্যাপারে আস্থা পাবে। তাদের কাছে স্বল্প সুদে ঋণ পাওয়া সহজ হবে।”

এদিকে গত কয়েক মাস ধরে অর্থনীতির যে চাপ, তার নেপথ্যে বৈশ্বিক পরিস্থিতির চেয়ে অভ্যন্তরীণ দায়ই বেশি দেখছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম। প্রতিমন্ত্রী বলেন, “অর্থনৈতিক সংকট যতটা না বৈশ্বিক সৃষ্টি, তার চেয়ে বেশি অভ্যন্তরীণ।”

সরকারের পক্ষ থেকে এই পরিস্থিতির জন্য রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতিতে দায়ী করা হলেও এই প্রথম অন্য একটি কারণ তুলে ধরলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম। তবে এই ‘অভ্যন্তরীণ সংকটের’ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা তার বক্তব্যে তিনি দেননি।

সম্মেলনে বিশ্বের অন্যান্য অনেক বেশের মতো গত একটি বছর ভীষণ কঠিন যাচ্ছে বাংলাদেশের জন্যও। বিশ্ববাজারে পণ্য ও জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি, ডলারের বিপরীতে টাকার মান পড়ে যাওয়ার কারণে মূল্যতে আরও বেশি প্রভাব, ডলার সংকট, রিজার্ভের ক্রমাগত পতন, প্রবাসী আয়ে ভাটা, ইত্যাদির কারণে গত এক যুগের মধ্যে অর্থনীতি নিয়ে সবচেয়ে বেশি উৎকণ্ঠার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

রাজনীতি ব্যবসায়ীদের হাতে চলে গেছে বলে যে সমালোচনা করা হয়, সেটিও তার বক্তব্যে তুলে ধরেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, “দেশের রাজনীতি রাজনীতিবিদদের হাতেই আছে, তবে সংসদে অনেক সদস্যই ব্যবসায়ী।”

গত ৩১ জানুয়ারি বাংলাদেশের জন্য ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন করে আইএমএফ। দুই দিন পরেই প্রথম কিস্তির ৪৭ কোটি ৬২ লাখ ডলার জমা পড়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে। এই ঋণ নিতে সংস্থাটির ৩০টি শর্ত মানতে হয়েছে বাংলাদেশকে। এর অন্যতম হলো বিদ্যুৎ ও জ্বালানিতে ভর্তুকি কমানো। তাই এক মাসের মধ্যে দুইবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানো, আবাসিক ও পরিবহন ছাড়া অন্য খাতের গ্যাসের দাম আড়াই গুণ করে দেয়ার পেছনে এই শর্তই দায়ী বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। 

তবে আইএমএফ মনে করে, ভর্তুকি কমিয়ে দাম বাড়ানোর পদক্ষেপ বাংলাদেশের জন্য সামনের সামগ্রিকভাবে ইতিবাচক হবে। এটি সামাজিক ও উন্নয়ন ব্যয়ের জন্য আরও অর্থায়নের সুযোগ তৈরি করবে। আইএমএফের অন্য শর্তের মধ্যে আছে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ কমানো। সরকারি ব্যাংকে খেলাপি ঋণ সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ এবং বেসরকারি ব্যাংকে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার ক্ষেত্রেও সরকার একমত পোষণ করেছে।

দেশের অর্থনীতি ঠিক করতে চারটি বিষয়ের উপর জোর দিতে বলেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক রেহমান সোবহান। তিনি বলেন, “সামষ্টিক অর্থনীতিতে যেসব আঘাত এসেছে সেগুলোর কোনটিতে প্রাধান্য দেওয়া উচিত, তা খোঁজে বের করতে হবে। এ বিষয়ে সরকার ও প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে কাজ করবে এবং আঞ্চলিক অর্থনৈতিক পরিমণ্ডলে এসব আঘাতের প্রভাব কেমন, তার উপর জোর দিতে হবে।”

প্রসঙ্গত, দুই দিনের এই সম্মেলনে দক্ষিণ এশিয়াসহ বিভিন্ন অঞ্চলের দেড়শ অর্থনীতিবিদ অংশ নিচ্ছেন। সম্মেলনে ২৩টি অধিবেশনে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ অর্থনীতি-গবেষকরা ৮০টি প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন।


রাজনীতি   রাজনীতিবিদ   সংসদ সদস্য   ব্যবসায়ী   সানেম   অর্থনীতিবিদ   বৈশ্বিক পরিস্থিতি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

রিজার্ভ আবার ১৯ বিলিয়ন ডলারের ঘরে নামল

প্রকাশ: ০৮:১২ পিএম, ১৪ জুন, ২০২৪


Thumbnail

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার নিট রিজার্ভ কমে আবার ১৯ বিলিয়ন ডলারের ঘরে নেমে এসেছে। বর্তমান রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার বা এক হাজার ৯২০ কোটি ৯৭ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার।

একই সময়ে বৈদেশিক মুদ্রায় গঠিত বিভিন্ন তহবিলসহ মোট রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৪ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার বা দুই হাজার ৪৫২ কোটি ১৬ লাখ মার্কিন ডলার।

বৃহস্পতিবার এ তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নে (আকু) মার্চ ও এপ্রিল মাসের দায় মেটানোর পর মে মাসের মাঝামাঝি বাংলাদেশ ব্যাংকে মোট রিজার্ভ কমে ২ হাজার ৩৭৭ কোটি ডলারে নেমে আসে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবপদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ নামে ১ হাজার ৮৩২ কোটি ডলার। কিন্তু ওই সময় প্রকৃত বা ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ ১৩ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি নেমে আসে।

আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) দেওয়া নিট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ হাজার ১১ কোটি মার্কিন ডলার। এ লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে আইএমএফ ১ হাজার ৪৭৫ কোটি ডলারে নামিয়েছে।

বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে রিজার্ভ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। কমপক্ষে তিন মাসের আমদানি ব্যয়ের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধারণ করতে হয়। সেখানে বাংলাদেশে প্রতি মাসে দেশের আমদানি দায় মেটাতে প্রয়োজন প্রায় ৫০০ কোটি ডলার। ব্যবহারযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রার হিসাব করলে বাংলাদেশের রিজার্ভ ইতোমধ্যে বিপদজনক সীমার মধ্যে পড়ে গেছে।

রিজার্ভ   বাংলাদেশ ব্যাংক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

ঈদের আগে সরকারি ছুটির ৩ দিন ব্যাংক খোলা থাকবে

প্রকাশ: ০৫:১৭ পিএম, ১৪ জুন, ২০২৪


Thumbnail

কোরবানি ঈদের আগের ১৪ ও ১৫ জুন সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) এবং ১৬ জুন (রোববার) সরকারি ছুটির দিন ঢাকা মহানগরী, চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের পোশাক শিল্প অধ্যুষিত এলাকায় সব ব্যাংক খোলা থাকবে। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এবং নাটোরের সিংড়া পৌরসভার তত্ত্বাবধানে ও ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত কোরবানির পশুর হাটগুলোতে অধিক সংখ্যক ব্যবসায়ীর সমাগম ঘটে এবং বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থের লেনদেন হয়ে থাকে। ফলে হাটগুলোতে আর্থিক লেনদেনের নিরাপত্তার বিষয়টি অতীব গুরুত্বপূর্ণ।

এ পরিস্থিতিতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরী এবং নাটোরের সিংড়া পৌরসভার পশুর হাটগুলোর নিকটবর্তী ব্যাংকের শাখা বা উপশাখাগুলোতে বিশেষ ব্যবস্থায় ১৪ জুন থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত রাত ১০টা পর্যন্ত স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম চলবে। 

ঈদ   সরকারি ছুটি   ব্যাংক   বাংলাদেশ ব্যাংক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

ঈদের আগে বেশি ডলার পাঠাচ্ছেন প্রবাসীরা

প্রকাশ: ০৩:২৩ পিএম, ১৪ জুন, ২০২৪


Thumbnail

দুই ঈদের আগে দেশে বেশি রেমিট্যান্স পাঠান প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এবারের কোরবানির ঈদের আগেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। চলতি মাসের প্রথম এক সপ্তাহে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ব্যাংক মাধ্যমে দেশে ৭২ কোটি ৬২ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। তবে দ্বিতীয় সপ্তাহ তথ্য এখনো প্রকাশ করেনি।

ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, ডলারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বেড়েছে। তবে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স বাড়াতে হলে অর্থ পাচার ও হুন্ডি রোধে বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত মে মাসে ২২৫ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় আসে, যা গত ৪৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। তার মানে, গত মাসে গড়ে প্রতিদিন প্রবাসী আয় আসে ৭ কোটি ২৫ লাখ ডলার। আর চলতি মাসের প্রথম এক সপ্তাহে দৈনিক গড়ে ১০ কোটি ৩৭ লাখ ডলার। তার মানে, দিনে গড়ে ৩ কোটি ১২ লাখ ডলার বেশি এসেছে।

তথ্য বলছে, চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রায় ৭৩ কোটি ডলারের প্রবাসী আয়ের মধ্যে ১৭ কোটি রাষ্ট্রায়ত্ত, ১ কোটি বিশেষায়িত ব্যাংক, ৫৪ কোটি বেসরকারি ব্যাংক এবং ২০ লাখ ডলার বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মধ্যে জনতা ব্যাংক সর্বোচ্চ ৬ কোটি ও অগ্রণী ব্যাংক দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫ কোটি ৭৫ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় দেশে এনেছে। অন্যদিকে বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে ইসলামী ব্যাংক সর্বোচ্চ ১৫ কোটি ৯১ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় দেশে এনেছে। এ ছাড়া ব্র্যাক ব্যাংক ৫ কোটি ২৯ লাখ ও ব্যাংক এশিয়া ৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার এনেছে।

গত ২০২২-২৩ অর্থবছর বাংলাদেশে ২ হাজার ১৬১ কোটি ডলারের প্রবাসী আয় দেশে আসে। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-জুন) প্রবাসী আয় এসেছে ২ হাজার ১৩৭ কোটি ডলারের।

দেশে মার্কিন ডলারের সংকটের কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বা মজুত কমেই চলেছে। সংকট মোকাবিলায় গত মাসে মার্কিন ডলারের আনুষ্ঠানিক দাম এক লাফে ৭ টাকা বাড়িয়ে ১১৭ টাকায় নির্ধারণ করে আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক।

ঈদ   ডলার   প্রবাসী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

স্বর্ণের দাম বাড়লো

প্রকাশ: ১০:১৩ পিএম, ১১ জুন, ২০২৪


Thumbnail

দেশের বাজারে বাড়ছে স্বর্ণের দাম। সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম এক হাজার ৭৩ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ১৬ হাজার ৯৫৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়েছে। বুধবার (১২ জুন) থেকে নতুন দাম কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ১৬ হাজার ৯৯৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ১১ হাজার ৬৩৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৯৫ হাজার ৬৯১ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭৯ হাজার ১১৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এতে আরও জানানো হয়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

এর আগে, গত ৮ জুন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১ লাখ ১৫ হাজার ৮৮২ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ১০ হাজার ৬১০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৯৪ হাজার ৮১৭ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭৮ হাজার ৩৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি   বাজুস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

ঈদে এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা রাখার নির্দেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের

প্রকাশ: ০৪:৩৪ পিএম, ১১ জুন, ২০২৪


Thumbnail

জিলহজ মাসের ১০ তারিখ, অর্থাৎ ১৭ জুন বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্যাপিত হবে। ঈদের ছুটির সময় গ্রাহকের নির্বিঘ্নে লেনদেন নিশ্চিত করতে ব্যাংকের এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা সরবরাহের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একই সঙ্গে পয়েন্ট অব সেল (পিওএস), -পেমেন্ট গেটওয়ে, মোবাইল ফিন্যানসিয়াল সার্ভিসসহ (এমএফএস) সব ডিজিটাল সেবায় নিরবচ্ছিন্ন লেনদেন নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট দেশের তফসিলি ব্যাংকগুলোকে এই নির্দেশনা দিয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, এটিএম বুথ, পয়েন্ট অব সেল (পিওএস), ইন্টারনেট ব্যাংকিং, -পেমেন্ট গেটওয়ে, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন লেনদেন নিশ্চিত করতে হবে। এসব লেনদেনে কোনোভাবেই গ্রাহক যেন হয়রানির শিকার না হয় সে বিষয়ে ব্যাংকগুলোকে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

সার্বক্ষণিক এটিএম সেবা চালু রাখা, বুথের কারিগরি ত্রুটি দ্রুততম সময়ে সমাধান করা এবং বুথে সার্বক্ষণিক পাহারাদারদের সতর্ক অবস্থানসহ অন্যান্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সার্বক্ষণিক পিওএস সেবা নিশ্চিত করা, জাল-জালিয়াতি রোধে মার্চেন্ট গ্রাহককে সচেতন করতেও ব্যাংকগুলোকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

ছাড়া, -পেমেন্ট গেটওয়ের ক্ষেত্রে কার্ডভিত্তিককার্ড নট প্রেজেন্টএবং অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে লেনদেনের ক্ষেত্রেটু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশনব্যবস্থা চালু রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বিকাশ, রকেট নগদের মতো মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রদানকারী সব ব্যাংক এবং তাদের সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে নিরবচ্ছিন্ন লেনদেন নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। ক্ষেত্রে যে কোনো অঙ্কের লেনদেনের তথ্য এসএমএস অ্যালার্ট সার্ভিসের মাধ্যমে গ্রাহককে জানাতে হবে।


অর্থ   লেনদেন   বুথ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন