ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

বেলারুশে পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের ঘোষণা রাশিয়ার

প্রকাশ: ০৮:৫৫ এএম, ২৬ মার্চ, ২০২৩


Thumbnail

বেলারুশের সংগে নতুন চুক্তি করল রাশিয়া। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ঘোষণা দিয়েছেন তার দেশ বেলারুশে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র স্থাপন করবে। এতে পারমাণবিক অপ্রসারণ চুক্তিও লঙ্ঘন হবে না বলে জানান তিনি। খবর বিবিসি ও গার্ডিয়ানের।

শনিবার (২৫ মার্চ) রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এই ঘোষণা দেন।

ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে পশ্চিমাদের সঙ্গে উত্তেজনার পারদ যখন ওপরে, এছাড়া সম্প্রতি রাশিয়ার কয়েকজন কর্মকর্তার সম্ভাব্য পারমাণবিক হামলার বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার পরই এই ঘোষণা দিলেন পুতিন।

এদিকে কবে নাগাদ পারমাণবিক অস্ত্র বেলারুশে মোতায়েন করা হবে তা উল্লেখ করেননি পুতিন। তবে ১ জুলাইয়ের মধ্যে বেলারুশে পারমাণবিক অস্ত্রের স্টোরেজ সুবিধার নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে জানান তিনি।

পুতিন জানান, পারমাণবিক অস্ত্র উৎক্ষেপণের জন্য ব্যবহার হতে পারে এমন কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এরইমধ্যে বেলারুশে স্থানান্তর করা হয়েছে।

রাশিয়ার প্রতিবেশী ও মিত্রদেশ বেলারুশ। এছাড়া বেলারুশের সঙ্গে ইউক্রেনের বড় সীমান্ত রয়েছে। শুধু তাই নয়, ন্যাটোর সদস্যভুক্ত দেশ পোল্যান্ড, লিথুয়ানিয়া এবং লাটভিয়ার সীমান্ত রয়েছে বেলারুশের সঙ্গে।

শনিবার রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেন, বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো দীর্ঘদিন ধরে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের বিষয়টি উত্থাপন করে আসছিলেন।

পুতিন বলেন, এখানে (পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন) অস্বাভাবিক কিছু নয়। কারণ দশকের পর দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র এটা করে আসছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে তাদের মিত্রদেশগুলোতে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েন করছে।

রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, বেলারুশের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা হয়েছে। আমরা দুই দেশ একই কাজ করবো বলে সম্মত হয়েছি।

ট্যাকটিক্যাল বা কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্রের কোনো বৈশ্বিক সংজ্ঞা নেই। এটি মূলত ছোট পারমাণবিক ওয়ারহেড এবং ডেলিভারি সিস্টেম যা যুদ্ধক্ষেত্রে সীমিত হামলার জন্য ব্যবহার হয়।

এগুলোর বৈশিষ্ট্য পরিমাপ করা হয় সাইজ, তাদের পাল্লা এবং সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে এগুলোর সীমিত ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে। এগুলো সাধারণ বোমা থেকে কিছুটা বড়।


বেলারুশ   পারমাণবিক অস্ত্র   রাশিয়া  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ট্রাম্পকে গুলি করা এআর-১৫ রাইফেল কেন এত প্রাণঘাতী?

প্রকাশ: ১০:৪৫ এএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে গুলি করতে এআর–১৫ মডেলের আধা-স্বয়ংক্রিয় রাইফেল ব্যবহার করেছিলেন হামলাকারী টমাস ম্যাথিউ ক্রুকস। যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক জনপ্রিয় এই বন্দুক। এর আগেও দেশটিতে ভয়াবহ কিছু হামলায় এই বন্দুক ব্যবহার হতে দেখা গেছে।                        

স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের বাটলার এলাকায় এক নির্বাচনী সমাবেশে অংশ নিয়েছিলেন ট্রাম্প। সেখানে তার ওপর গুলি চালানো হয়। হামলায় ট্রাম্প গুরুতর আহত না হলেও নিহত হয়েছেন সমাবেশে অংশ নেওয়া এক ব্যক্তি। সন্দেহভাজন ওই হামলাকারীকেও হত্যা করা হয়েছে। তার পাশেই পড়ে ছিল হামলায় ব্যবহার করা একটি এআর–১৫ রাইফেল।

এআর-১৫ রাইফেল দিয়ে একটানা একাধিক গুলি ছোড়া যায়। একই ধরনের এম-১৬ রাইফেল ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় থেকে ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। মার্কিন সেনাসদস্যরা পুরো স্বয়ংক্রিয় রাইফেলও ব্যবহার করেন। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে সেগুলো কিনতে পারেন না বেসামরিক লোকজন।

এআর-১৫ রাইফেলের গুলির গতিও অনেক বেশি। সাধারণ পিস্তলের গুলির চেয়ে তিন গুণ গতিতে ছুটতে পারে এই রাইফেলের গুলি। অনেক দূর থেকেও বন্দুকটি দিয়ে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করা যায়। এর গুলিতে আক্রান্ত ব্যক্তি ত্বক ও শরীরের ভেতরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গে মারাত্মক আঘাত পেতে পারেন।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয় পিস্তলের গুলিতে। তবে দেশটিতে বড় কিছু বন্দুক হামলার ঘটনায় এআর-১৫ রাইফেলের ব্যবহার হয়েছে। ২০২২ সালের মে মাসে টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের একটি স্কুলে বন্দুকটি দিয়ে হামলা চালিয়ে ১৯ শিশু ও দুই শিক্ষককে হত্যা করেন এক তরুণ। একই অস্ত্র দিয়ে ২০১৭ সালের অক্টোবরে লাস ভেগাসে হামলা চালিয়ে ৬০ জনকে হত্যা করেন এক ব্যক্তি।

যুক্তরাষ্ট্রে এআর-১৫ কেনা বেশ সহজ। অঙ্গরাজ্যভেদে কোনো নাগরিক বন্দুকের দোকানে গিয়ে বৈধ পরিচয়পত্র দেখিয়ে রাইফেল বা শটগান কিনতে পারেন। তবে এর আগে তাকে একটি যাচাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। এই প্রক্রিয়ায় অস্ত্রের ক্রেতা আগে কোনো অপরাধ করেছেন কি না বা মানসিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়েছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হয়। তবে ব্যক্তিগত পর্যায়ে কেনাবেচার ক্ষেত্রে অনেক সময় এই যাচাই করা হয় না।


এআর-১৫   রাইফেল   গুলি   যুক্তরাষ্ট্র   মৃত্যু   ডোনাল্ড ট্রাম্প  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

চতুর্থবারের মতো নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি

প্রকাশ: ০৯:৪৯ এএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

মাওবাদী নেতা পুষ্পকমল দাহাল ওরফে প্রচণ্ড আস্থাভোটে হেরে যাওয়ার পর নেপালে নতুন সরকার গঠন করা হয়েছে। এ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন দেশটির তিনবারের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি। সোমবার নতুন মন্ত্রিসভার সঙ্গে শপথ নেবেন কে পি শর্মা।

রবিবার এক প্রতিবেদনে কাঠমান্ডু মোস্ট জানায়, নেপালের প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাউডেল কে পি শর্মাকে চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।

কে পি শর্মা‘চীনপন্থী’হিসেবে পরিচিত। তিনি কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল (ইউনিফায়েড মার্কসিস্ট লেনিনিস্ট)-এর প্রধান। শের বাহাদুর দেউবার নেতৃত্বাধীন নেপালী কংগ্রেসের সমর্থন নিয়ে তিনি ফের কাঠমান্ডুর ক্ষমতায় ফিরলেন।

৭২ বছর বয়সী কে পি শর্মা এর আগে ২০১৫ সালের ১১ অক্টোবর থেকে ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট পর্যন্ত, ২০১৮ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২১ সালের মে মাস ও ২০২১ সালের মে মাস থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত নেপালের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

গত শুক্রবার হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে আস্থা ভোটে হেরে যান পুষ্প কমল দাহাল। এরপরই দেশটির সংবিধানের ৭৬ (২) অনুচ্ছেদ অনুসারে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

নেপালী কংগ্রেসের ৮৮ জন, ইউএমএল-এর ৭৮ জনসহ ১৬৬ জন আইন প্রণেতার সমর্থনের পর প্রেসিডেন্ট পাউডেল কেপি শর্মাকে সংবিধানের ৭৬(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে নিয়োগ দেন।


নেপাল   প্রধানমন্ত্রী   কেপি শর্মা অলি  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ট্রাম্পের ওপর হামলা, ঐক্যের ডাক বাইডেনের

প্রকাশ: ০৮:৩৮ এএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর বন্দুক হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে ঐক্যের ডাক দিয়েছেন দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। 

রোববার (১৪ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ওয়াশিংটনের ওভাল অফিস থেকে জাতির উদ্দেশে দেন বাইডেন। সেখানে তিনি বলেন, আমেরিকায় রাজনৈতিক সহিংসতার পথ নেয়া কখনই উচিত হবে না। 

তিনি বলেন, মনে রাখবেন, আমরা একে ওপরের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করতে পারি কিন্তু আমরা একে অপরের শত্রু না। আমরা প্রতিবেশী, বন্ধু, সহকর্মী এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, আমরা সবাই আমেরিকান। 

তিনি বলেন, ‘আমেরিকায় আমরা ব্যালট বাক্স দিয়ে পার্থক্য গড়ি। বুলেট দিয়ে নয়। আমাদের দেশের পরিবর্তন করার ক্ষমতা সর্বদা জনগণের হাতে থাকা উচিত। হত্যাকারীদের হাতে নয়।’ 

এ সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট আমেরিকানদের শান্ত হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা এই সহিংসতাকে স্বাভাবিক ভাবতে পারি না। এ দেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতি খুব উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এখন শান্ত হওয়ার সময় এসেছে।’

এদিকে হত্যা চেষ্টা থেকে বেঁচে ফিরেই রিপাবলিকান দলের জাতীয় সম্মেলনে যোগ দিতে রোববার উইসকনসিনের শহর মিলওয়াকিতে  মিলওয়াকিতে পৌঁছেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ধারণা করা হচ্ছে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী হিসেবে এই সম্মেলনেই আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে মনোনীত করা হবে।

এরইমধ্যে সম্মেলনস্থলজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা নেয়া হয়েছে। অতিরিক্ত কয়েকহাজার সদস্য মোতায়েন থাকবে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। পেনসিলভানিয়ার মতো অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা ঘটবে না বলেই আশাবাদী তারা। 

অন্যদিকে, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্টের ওপর গুলি চালানো তরুণের নাম পরিচয় ও ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিনিয়িত নতুন তথ্য প্রকাশ করছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই। হামলাকারী থমাস ম্যাথিউয়ের গাড়িতে বিস্ফোরক দ্রব্য পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।


সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট   ডোনাল্ড ট্রাম্প   বন্দুক হামলা   জো বাইডেন  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

গুলির ঘটনার পর কি বেড়ে গেল ট্রাম্পের জয়ের সম্ভাবনা!

প্রকাশ: ০৮:২২ এএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

পেনসিলভানিয়ার এক নির্বাচনী জনসভায় সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর গুলি চালানো হয়। এই ঘটনা তার হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার সম্ভাবনাকে আরও উজ্জ্বল করেছে বিনিয়োগকারীরা। তারা ধারণা করছেন, আসন্ন নির্বাচনে ট্রাম্পের জয়ের বিষয়ে মানুষের আগ্রহ আরও বাড়বে। 

শনিবারের এই হামলায় ট্রাম্পের কানে গুলি লাগে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই হামলা হত্যার উদ্দেশ্যে চালানো হয়েছিল। রক্তাক্ত ট্রাম্প তখনও শূন্যে হাত উঁচু করেন এবং তার প্রচারণা শিবির জানায়, সাবেক প্রেসিডেন্ট সুস্থ আছেন।

এই ঘটনার পরপরই ডলারের মূল্য বেড়েছে এবং বাজার আরও চাঙা হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ইস্টস্প্রিং ইনভেস্টমেন্টসের পোর্টফোলিও ম্যানেজার রং রেন গোহ মনে করেন, বাজারে এই বৃদ্ধির ধারা আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে।

১৯৮১ সালে রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগানের ওপর গুলি চালানোর পর এবার ট্রাম্পের ওপর হামলা হলো। এই হামলার কারণে আসন্ন নির্বাচনে ট্রাম্প বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে যেতে পারেন। ভেন্টেজ পয়েন্ট অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা নিক ফেরেস বলেন, ‘তাকে হত্যার চেষ্টার পর জরিপে ট্রাম্প ২২ পয়েন্ট এগিয়ে গিয়েছেন। এই নির্বাচনে ভূমিধস জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।’

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতা ও যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিবিদরা ট্রাম্পের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। টেসলার প্রধান ইলন মাস্কের মতো ব্যবসায়ী নেতারাও ট্রাম্পের প্রতি তাদের সমর্থন প্রকাশ করেছেন।

অন্যদিকে, জো বাইডেনের প্রতি নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান আরও জোরালো হচ্ছে। দুই সপ্তাহ আগে এক নির্বাচনী বিতর্কে দুর্বল পারফরম্যান্সের পর বাইডেনের সমর্থকরা তার প্রতি আস্থা হারাচ্ছেন।

রয়টার্স ও ইপসসের জরিপে দেখা গেছে, এবারের নির্বাচনে অভিবাসন ও অর্থনীতি প্রধান ইস্যু। ভোটারদের একটি বড় অংশ মনে করছেন, অর্থনৈতিক ইস্যুতে ট্রাম্প তুলনামূলকভাবে ভালো প্রার্থী।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের অধীনে আরও কঠোর বাণিজ্য নীতি এবং শিথিল জলবায়ু পরিবর্তন নীতিমালা আশা করা যায়। বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন, করপোরেট ও ব্যক্তিগত কর কমানোর কারণে ট্রাম্পের অধীনে বাজেট ঘাটতি বাড়তে পারে।

ফেব্রুয়ারিতে ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলকে পুনরায় নিয়োগ দেবেন না। ট্রাম্পের নির্বাচনী সম্ভাবনার কারণে মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের সুদ বাড়ছে।

নিক ফেরেস বলেন, ‘ট্রাম্প সবসময়ই বাজারপন্থী। তবে রাজস্ব নীতি শিথিল হলে মূল্যস্ফীতি বাড়বে এবং সুদের হারও বাড়বে।’

শেয়ারের দামও বাড়ছে। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ এবং ডাউ জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ শেয়ার সূচক নতুন রেকর্ড করেছে। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ চলতি বছরে ১৮ শতাংশ বেড়েছে।

গোল্ডম্যান স্যাকসের বিশ্লেষকরা লিখেছেন, গত ২০ বছরের পাঁচটি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সিইওদের আস্থা, ভোক্তা মনোভাব এবং ছোট ব্যবসার আশাবাদ রিপাবলিকান জয়ের দিকে বেশি ঝুঁকেছে। কিছু কোম্পানির আয়ের সম্ভাবনা বাড়তে পারে, যদি ট্রাম্প নির্বাচনে জেতেন।

গুলির ঘটনার পরপরই হেজফান্ড ব্যবস্থাপক বিল অ্যাকম্যান এবং ইলন মাস্ক প্রকাশ্যে ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। তারা ট্রাম্পকে ‘শক্ত’ নেতা হিসেবে বর্ণনা করেছেন।


পেনসিলভানিয়া   নির্বাচনী   জনসভায   সাবেক প্রেসিডেন্ট   ডোনাল্ড ট্রাম্প  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত আরও ১৪১ ফিলিস্তিনি

প্রকাশ: ০৮:১৪ এএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

থেমে নেই ইসরাইলি গণহত্যা। গাজা উপত্যকা যেন মৃত্যুপুরী। দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর বর্বর এই হামলায় নিহত হয়েছেন আরও প্রায় দেড়শো ফিলিস্তিনি। এতে করে উপত্যকাটিতে নিহতের মোট সংখ্যা পৌঁছে গেছে প্রায় ৩৮ হাজার ৬০০ জনে।

এছাড়া গত বছরের অক্টোবর থেকে চলা এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৮৯ হাজার ফিলিস্তিনি। রোববার (১৪ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের চলমান হামলায় আরও ১৪১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে করে গত বছরের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮ হাজার ৫৮৪ জনে পৌঁছেছে বলে রোববার অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিরলস এই হামলায় আরও অন্তত ৮৮ হাজার ৮৮১ জন ব্যক্তিও আহত হয়েছেন।

মন্ত্রণালয় বলেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর করা তিনটি ‘গণহত্যায়’ ১৪১ জন নিহত এবং আরও ৪০০ জন আহত হয়েছেন। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে আছেন কারণ উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।

মূলত গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব সত্ত্বেও ইসরায়েল অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে তার নৃশংস আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

এছাড়া ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে প্রায় ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

মূলত ইসরায়েলি আক্রমণ গাজাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে। জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলের বর্বর আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আর খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে গাজার সকলেই এখন খাদ্য নিরাপত্তাহীন অবস্থার মধ্যে রয়েছেন।

এছাড়া অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। ইসরায়েল ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে।


গাজা   ফিলিস্তিনি   ইসরায়েল   নিহত   আহত   হামলা  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন