ইনসাইড ইকোনমি

প্রথমবারের মত আট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হবে ‘জাতীয় চা পুরস্কার’: বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৪:১৬ পিএম, ২২ মে, ২০২৩


Thumbnail বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, ‘দেশের চা শিল্পের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ চা বোর্ডের যৌথ উদ্যোগে প্রথমবারের মত ‘জাতীয় চা পুরস্কার’ প্রদান করা হবে। আট ক্যাটাগরিতে সাতটি প্রতিষ্ঠান এবং একটি ব্যক্তি পর্যায়ে এই পুরস্কার প্রদান করা হবে।’ 

চা শিল্পের অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান ও অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে জাতীয় চা পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী। 

সোমবার (২২ মে) মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘জাতীয় চা দিবস-২০২৩’ উদযাপন উপলক্ষে ১ম ‘জাতীয় চা পুরস্কার’ প্রদানের লক্ষে যাচাই-বাছাই কমিটির সভায় তিনি এসব কথা জানান।

যে আটটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কার প্রদান করা হবে সেগুলো হচ্ছে:- ১. একর প্রতি সর্বোচ্চ উৎপাদনকারী চা বাগান, ২. সর্বোচ্চ গুণগত মানসম্পন্ন চা উৎপাদনকারী বাগান, ৩. শ্রেষ্ঠ চা রপ্তানিকারক, ৪. শ্রেষ্ঠ ক্ষুদ্রায়তন চা উৎপাদনকারী, ৫. শ্রমিক কল্যাণের ভিত্তিতে শ্রেষ্ঠ চা বাগান, ৬. বৈচিত্রময় চা পণ্য বাজারজাতকরণের ভিত্তিতে শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি, ৭. দৃষ্টিনন্দন ও মানসম্পন্ন চা মোড়কের ভিত্তিতে শ্রেষ্ঠ চা প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি, ৮. শ্রেষ্ঠ চা পাতা চয়নকারী (ব্যক্তি/শ্রমিক)।

সভাপতির বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৪ জুন ১৯৫৭ সালে বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রথম বাঙালি চেয়ারম্যানের পদ অলংকৃত করেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে দেশের চা শিল্পে অসামান্য অবদান রাখেন। চা শিল্পে জাতির পিতার অবদানকে অবিস্মরণীয় করে রাখতে প্রতি বছর ৪ জুন জাতীয় চা দিবস পালন করা হয়।’ 

তিনি বলেন, দেশের চা শিল্পের অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ চা বোর্ড এবং এর অংশীজন হিসেবে চা বাগান মালিক, চা উৎপাদনকারী এবং প্যাকেজিং বিপণন কোম্পানিসহ চা শিল্পে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান/সংগঠন তাদের স্ব স্ব কর্মকান্ডের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে ব্যাপক অবদান রাখছেন। এসব প্রতিষ্ঠান/সংগঠন ও ব্যক্তির অবদানকে স্বীকৃতি দিতেই জাতীয় চা পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।

টিপু মুনশি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের নানাবিধ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ফলে চা শিল্প আজ টেকসই ও মজবুত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে। গুণগতমানের চা উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তি উদ্ভাবনে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা কার্যক্রম জোরদারের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

চায়ের বহুমুখী ব্যবহার বৃদ্ধি, বিপণন প্রক্রিয়ায় আধুনিকায়ন এবং সর্বোপরি অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি চায়ের নতুন বাজার সৃষ্টির প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, বাংলাদেশ চা বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশনা প্রদান করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে চা বাগান মালিক, শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সাথে নিয়ে এবছর জাতীয় চা দিবসের অনুষ্ঠান উদযাপন করার বিষয়ে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ঐ অনুষ্ঠানে ‘জাতীয় চা পুরস্কার’ বিজয়ীদের হাতে বাণিজ্যমন্ত্রী পুরস্কার তুলে দিবেন।

অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ, বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. আশরাফুল ইসলাম এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা বিভাগ অথবা সংস্থার প্রতিনিধিগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।


বাণিজ্যমন্ত্রী   টিপু মুনশি   জাতীয় চা পুরস্কার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

যুক্তরাষ্ট্রে বেড়েছে বাংলাদেশিদের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার

প্রকাশ: ১২:৩২ পিএম, ১৬ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

যুক্তরাষ্ট্রে গত মে মাসে বেড়েছে বাংলাদেশিদের ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার। দেশটিতে বাংলাদেশিদের ক্রেডিট কার্ডে খরচ বেড়েছে ১০ কোটি টাকার বেশি।

দেশে-বিদেশে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য পাওয়া গেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগ দেশের ক্রেডিট কার্ড ইস্যুকারী ৪৪টি ব্যাংক ১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের তথ্য নিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে। প্রতিবেদনটিতে দেশের অভ্যন্তরে বিদেশে বাংলাদেশি নাগরিকদের এবং দেশের ভেতরে বিদেশি নাগরিকদের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের তথ্য তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রে এপ্রিল মাসে বাংলাদেশি ক্রেডিট কার্ডধারীরা খরচ করেন ৬৬ কোটি টাকা। এক মাসের ব্যবধানে মে মাসে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৭৬ কোটি টাকায়।

তবে, মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশিদের ক্রেডিট কার্ডে খরচ বাড়লেও সার্বিকভাবে দেশের বাইরে কার্ড ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। মে মাসে সব মিলিয়ে দেশের বাইরে বাংলাদেশিরা ক্রেডিট কার্ডে খরচ করেছেন ৪৫৬ কোটি টাকা, যা এপ্রিলে ছিল ৫০৭ কোটি টাকা।

মূলত প্রতিবেশী ভারত থেকে শুরু করে সৌদি আরব, থাইল্যান্ড সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) খরচ কমে যাওয়ায় সার্বিকভাবে মে মাসে বিদেশে বাংলাদেশি ক্রেডিট কার্ডে খরচ কমেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মে মাসে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশি ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে সৌদি আরব ভারতে। সৌদি আরবে এপ্রিলের চেয়ে মে মাসে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার কমেছে ২৪ কোটি টাকা বা ৬৫ শতাংশ। ওই মাসে সৌদি আরবে বাংলাদেশিরা ক্রেডিট কার্ডে খরচ করেছিলেন ৩৭ কোটি টাকা, যা মে মাসে কমে ১৩ কোটি টাকায় নেমে আসে। একই সময়ে ভারতে বাংলাদেশি ক্রেডিট কার্ডে খরচ কমেছে ২২ কোটি টাকা বা সাড়ে ২২ শতাংশ। এপ্রিলে ভারতে যেখানে বাংলাদেশিরা ক্রেডিট কার্ডে খরচ করেছিলেন ৯৮ কোটি টাকা, সেখানে মে মাসে তা কমে হয় ৭৬ কোটি টাকা।

এছাড়া থাইল্যান্ডে এপ্রিলের তুলনায় মে মাসে কোটি টাকা, সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) কোটি টাকা মালয়েশিয়ায় দুই কোটি টাকা কম খরচ করেন দেশের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারীরা।

এনিয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এপ্রিলের তুলনায় মে মাসে কিছু দেশে বাংলাদেশিরা কম ভ্রমণ করেছেন। কারণে সেসব দেশে ক্রেডিট কার্ডে খরচ কমেছে।

বিদেশের পাশাপাশি ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার কমেছে দেশের অভ্যন্তরেও। গত এপ্রিলে দেশের অভ্যন্তরে ক্রেডিট কার্ডে দেশের নাগরিকরা খরচ করেন ২ হাজার ৭৮৩ কোটি টাকা আর মে মাসে এ খরচ ৪১ কোটি টাকা কমে দাড়িয়েছে ২ হাজার ৭৪২ কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের অভ্যন্তরে মোটাদাগে ১১টি খাতে ক্রেডিট কার্ড বেশি ব্যবহৃত হয়। এসব খাতের মধ্যে রয়েছে ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, খুচরা কেনাকাটা, বিভিন্ন পরিষেবার

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এপ্রিলে দেশে ঈদুল ফিতর কে সামনে রেখে উৎসবকেন্দ্রিক পোশাক-আশাক কেনাকাটায় ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেশি হয়েছিল। ফলে মে মাসে আর জন্য বাড়তি খরচ হয়নি। সে জন্য খাতে খরচ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কমেছে।


ক্রেডিট কার্ড   যুক্তরাষ্ট   ব্যবহার   বাংলাদেশি   বৃদ্ধি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

১৩ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৯৮ কোটি ডলার

প্রকাশ: ০৯:৫১ পিএম, ১৪ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ের প্রথম ১৩ দিনে দেশে ৯৭ কোটি ৮৬ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্র‌তি ডলার ১১৮ টাকা ধ‌রে) ১১ হাজার ৫৪৮ কোটি টাকা। ফলে প্রতিদিন গড়ে এসেছে ৭ কোটি ৫২ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

রোববার (১৪ জুলাই) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, চলতি জুলাই মাসের প্রথম ১৩ দিনে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৩ কোটি ৬৭ লাখ ডলার, বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে ৫ কোটি ৪ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৭৮ কোটি ৯০ লাখ ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৫ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার।

তবে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা বিডিবিএল, বিশেষায়িত খাতের রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক বা রাকাব ও বেসরকারি খাতের কমিউনিটি ব্যাংক, সিটিজেন্স ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক ও আইসিবি ইসলামী ব্যাংকে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি।

হালনাগাদ প্রতিবেদনে আরও জানায় সদ্য বিদায়ী অর্থবছরের জুন মাসে দেশে ২৫৪ কোটি ১৬ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এর আগে গত মে মাসে দেশে এসেছিল ২২৫ কোটি ৩৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর এপ্রিল, মার্চ, ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারিতে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল যথাক্রমে ২০৪ কোটি ৩০ লাখ ৬০ হাজার, ১৯৯ কোটি ৬৮ লাখ ৫০ হাজার, ২১৬ কোটি ৬০ লাখ ও ২১০ কোটি ৯ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার।

দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড রেমিট্যান্স এসেছিল ২০২০-২১ অর্থবছরে দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ডলার।


রেমিট্যান্স   প্রবাসী   বাংলাদেশ ব্যাংক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

প্রকাশ: ০৮:৩৩ পিএম, ১৪ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বেড়েছে। সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম এক হাজার ১৯০ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ২০ হাজার ৮১ টাকা। 

রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়েছে। সোমবার (১৫ জুলাই) থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।

নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ২০ হাজার ৮১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ১৪ হাজার ৬২২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৯৮ হাজার ২৪৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৮১ হাজার ২২৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।


স্বর্ণ   আউন্স   ডলার   সোনা   বাজুস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান অনুষ্ঠান রোববার

প্রকাশ: ১২:৫৩ পিএম, ১৩ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

বৈদেশিক মুদ্রা আহরণ ও ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নে রপ্তানিকারকদের পরিশ্রম ও তাদের কর্মদক্ষতার স্বীকৃতি জানাতে জাতীয় রপ্তানি ট্রফি ২০২১-২২ সম্মাননা প্রদান করতে যাচ্ছে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো। এই স্বীকৃতি প্রদান করা হবে আগামীকাল রোববার।

শনিবার (১৩ জুলাই) সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের টিসিবি অডিটোরিয়ামে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু এ কথা জানান। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম উদ্দিন ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস-চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন।

সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২১-২২ অর্থবছরের জাতীয় রপ্তানি ট্রফি প্রদান অনুষ্ঠান ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত থেকে ট্রফি প্রদান করবেন।

আসসানুল ইসলাম টুটু বলেন, জাতীয় রপ্তানি ট্রফি নীতিমালা-২০১৩ অনুসরণে প্রাথমিক ও চূড়ান্ত বাছাই কমিটির মাধ্যমে মোট ৩২টি খাতের রপ্তানিকারকদের মধ্য হতে ২০২১-২০২২ অর্থবছরের রপ্তানি আয়, আয়গত প্রবৃদ্ধি, নতুন পণ্যের সংযোজন, নতুন বাজারে প্রবেশ, কমপ্লায়েন্স প্রতিপালন ইত্যাদি মূল্যায়ন করে ট্রফি বিজয়ী প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা হয়েছে।

প্রতিটি খাতের জন্য কৃতি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানকে স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ ট্রফি প্রদান করা হয়ে থাকে। এছাড়া সব খাতের মধ্যে হতে সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় অর্জনকারী প্রতিষ্ঠানকে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফি’ শিরোনামে ১টি বিশেষ ট্রফিসহ (স্বর্ণ) মোট ২৯টি স্বর্ণ, ২৭টি রৌপ্য এবং ২১টি ব্রোঞ্জ ট্রফি প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা বিশ্বাস করি দেশের কৃতি ব্যবসায়ীরা সরকারি পর্যায়ের এ স্বীকৃতির মাধ্যমে আরও উজ্জীবিত হবেন এবং অধিক পণ্য ও সেবা রপ্তানিতে নিজেদেরকে নিয়োজিত করবেন। রপ্তানি বহুমুখীকরণের জন্য উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদন, পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিতকরণ, বহুমুখী পণ্যের উদ্ভাবন ও অব্যবহৃত বাজাররে বাজারজাতকরণ এখন সময়ের দাবি। এক্ষেত্রে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো নতুন নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ, নতুন বাজার অন্বেষণ ও বাজার গবেষণা ইত্যাদি কার্যক্রম গ্রহণ করেছে।

আগামীকালের ট্রফি প্রদান অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত থাকবেন-বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি টিপু মুনশি, এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম উদ্দিন, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস-চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে ট্রফি বিজয়ীদের মধ্য হতে ২ জনের (১ জন নারী ও ১ জন পুরুষ) ট্রফি লাভের অনুভূতি ব্যক্ত করার সুযোগ থাকছে। 


জাতীয়   রপ্তানি   ট্রফি   প্রদান   অনুষ্ঠান   রোববার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি ফিরছে না কিছুতেই

প্রকাশ: ১০:৪০ এএম, ১২ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজারে স্বস্তি ফিরছে না কিছুতেই। একটি পণ্যের দাম কমলে, অন্যটির বাড়ে কয়েক গুণ। কাঁচাবাজারে এমনটাই অভিযোগ ভোক্তাদের। সপ্তাহ ব্যবধানে বেড়ে গেছে মাছ, মাংস ও শাক-সবজিসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম।

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে আজ শুক্রবার (১২ জুলাই) সকাল থেকেই ঝুম বৃষ্টির কারণে বাজারগুলোতে তেমন ক্রেতা নেই। তার পরও সবজির চড়া দাম হাঁকছেন বিক্রেতারা।

ব্যবসায়ীরা জানান, বৃষ্টি, বন্যা ও ছাত্রদের আন্দোলনের (বাংলা ব্লকেড) কারণে বাড়ছে সবজির দাম।  

বাজারে মানভেদে প্রতি কেজি বেগুন ৮০-১২০ টাকা, করলা ৮০-১০০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৬০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, ঝিঙ্গা ৬০ টাকা, ধন্দুল ৮০ টাকা, শসা ৭০-৮০ টাকা ও লতি ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া, প্রতি কেজি পেঁপে ৬০ টাকা, কচুরমুখী ৮০-১০০ টাকা, গাজর ৬০-৭০ টাকা, টমেটো ১২০-১৪০ টাকা, কাঁকরোল ৬০-৮০ টাকা ও পটোল বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকায়।

কমেনি কাঁচা মরিচেরও ঝাঁজও। খুচরা পর্যায়ে কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ২০০-২৪০ টাকায়। আর দাম বেড়ে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকায়। তবে সামান্য দাম কমে রসুন ২২০ টাকা ও আদা বিক্রি হচ্ছে ২৬০-৩০০ টাকায়।

এছাড়া, প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকায়; প্রতি পিস লাউয়ের জন্য গুনতে হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা। আর বাজারে লালশাকের আঁটি ১৫ টাকা, পাটশাক ১৫ টাকা, পুঁইশাক ৩০ টাকা, লাউশাক ৩০-৪০ টাকা, কলমিশাক ১৫ টাকা ও পালংশাক ১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতারা বলছেন, নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে সবজিসহ প্রায় সব নিত্যপণ্যের দাম। এখনই লাগাম না টানলে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে বাজার।

এদিকে, গত সপ্তাহে মুরগির দাম কিছুটা কমলেও চলতি সপ্তাহে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে দাম। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০-১৯০ টাকা, দেশি মুরগি ৭০০-৭৩০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৬০-২৮০ টাকা ও লাল লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকায়। আর প্রতি কেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৮০-৩২০ টাকায়। এছাড়া প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়।

বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৮০-৮০০ টাকায়। এছাড়া প্রতি কেজি খাসির মাংস এক হাজার ৫০ টাকা থেকে এক হাজার ২০০ টাকা ও ছাগলের মাংস বিক্রি হচ্ছে এক হাজার টাকায়।

এদিকে, স্বস্তি নেই মাছের বাজারেও। প্রায় সব ধরনের মাছেরদাম কেজিতে বেড়ে গেছে ২০-৫০ টাকা। মাছ ব্যবসায়ীরাও দাম বাড়ার পেছনে বৃষ্টিকেই দায়ী করে বলছেন, মাছের সরবরাহ কমেছে বাজারে, তাই বাড়তি দাম।

বিক্রেতারা বলছেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছে। বাজারে নিয়মিত অভিযান চালালে অসাধুদের দৌরাত্ম্য কমবে।


লাগামহীন   নিত্যপণ্য   বাজার   স্বস্তি   ফিরছে   কিছুতেই  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন