ইনসাইড গ্রাউন্ড

রেকর্ড দশমবারের মতো আইপিএল ফাইনালে ধোনির চেন্নাই

প্রকাশ: ০৮:২০ এএম, ২৪ মে, ২০২৩


Thumbnail

গুজরাট বনাম চেন্নাইয়ের লড়াই ছাপিয়ে গুরু-শিষ্যের দ্বৈরথ মঞ্চায়িত হলো এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে। যেখানে গুরু মহেন্দ্র সিং ধোনির অভিজ্ঞতার কাছে হেরে গেল হার্দিক পান্ডিয়ার তারুণ্য। চলতি আসরের প্রথম কোয়ালিফায়ারে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন গুজরাটকে ১৫ রানে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছে গেল ধোনি বাহিনী। এ নিয়ে রেকর্ড দশমবারের মতো ফাইনালে চারবারের চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই।

ব্যাট হাতে ঝড় ওঠে কদাচিৎ। তবে ধোনি খেলেন মাথা দিয়ে।  তার বুদ্ধিদীপ্ত অধিনায়কত্বই ব্যবধান গড়ে দেয় ম্যাচে। যার প্রমাণ আরেকবার দেখা গেল আজ। ম্যাচ তখনো ঝুলছিল দুদিকেই। ১২ বলে জয়ের জন্য গুজরাটের প্রয়োজন ৩৫। খুব একটা কঠিন সমীকরণ ছিল না। ব্যাট হাতে তখন থিতু হয়ে গেছেন রশিদ খান। ১৯তম ওভারের প্রথম বলটিতে দেশপান্ডেকে বাউন্ডারি ছাড়া করে ঝড় তোলার বার্তাই দিচ্ছিলেন রশিদ। 

বোলিংয়ের পাশাপাশি ব্যাট হাতে ঝলক দেখানো আফগান এই তারকা আশা দেখাচ্ছিলেন গুজরাটকে। উইকেটের পেছনে দাঁড়ানো ম্যাজিকম্যান ধোনি কিছু একটা ভাবলেন। অফসাইডে ফিল্ডার বাড়ালেন। দ্রুত ডেভন কনওয়েকে সরিয়ে নিলেন ডিপ পয়েন্টে। ব্যস! তৃতীয় বলটি সেখানেই মারলেন রশিদ। জায়গা থেকে একটুও নড়তে হলো না কনওয়েকে। সাজঘরে ফিরলেন রশিদ। মূলত সেখানেই শেষ প্রদীপ নিভে যায় গুজরাটের। 

মঙ্গলবার চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে প্রথম কোয়ালিফায়ারে টস জিতে গুজরাট টাইটান্সের অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭২ রান করে চেন্নাই।

এ দিন শুরুটা ভালো করেন চেন্নাইয়ের দুই ওপেনার ঋতুরাজ গায়কওয়াড় ও ডেভন কনওয়ে। ওপেনিং জুটি থেকে আসে ৮৭ রান। ১০.৩ ওভারে মোহিত শর্মার বলে মিলারের হাতে ক্যাচ তুলে দেন ঋতুরাজ। ৪৪ বলে ৭টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৬০ রান করেন তিনি। ওয়ান ডাউনে নেমে ১ রান করেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে শিবম দুবেকে। তাকে সরাসরি বোল্ড করেছেন নূর আহমেদ।

দলীয় ৯০ রানে ২ উইকেট হারানোর পরে ২০ বলে ৩১ রানের জুটি গড়েন ডেভন কনওয়ে ও অজিঙ্কা রাহানে। ১০ বলে ১৭ রান করে বিদায় নেন অজিঙ্কা। স্কোরবোর্ডে ৪ রান যুক্ত হতেই সাজঘরে ফেরেন কনওয়ে। তাতে রানের গতি কমে আসে। এরপরে ১৬ বলে ২২ রান করেন রবীন্দ্র জাদেজা এবং ৪ বলে ৯ রান করেন মঈন আলী। 

টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে খেলতে ১৭৩ রানের লক্ষ্য ছিল গুজরাটের। তবে রান তাড়া করতে নেমে স্বস্তিতে ছিল না হার্দিকরা। ঋদ্ধিমান সাহা এবং শুভমান গিলের উদ্বোধনী জুটি ভালো শুরু পেলেও খেই হারিয়ে ফেলেন। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান শুভমান এদিন আউট হয়ে যান ব্যক্তিগত ৪২ রানেই। দলের বিপদে তিন নম্বরে নেমেছিলেন হার্দিক। কিন্তু বেশিক্ষণ টানতে পারলেন না।

গুজরাটকে যারা ম্যাচের পর ম্যাচ জিতিয়েছেন, সেই ডেভিড মিলার, রাহুল টেওয়াটিয়াও চূড়ান্ত ব্যর্থ। একমাত্র রশিদ খান একটু হলেও চেষ্টা করেছিলেন। ১৯তম ওভারের তৃতীয় বলে আউট হওয়ায় আগে তার ব্যাট থেকে এসেছে ১৬ বলে ৩০ রান। শেষ পর্যন্ত সবকটি উইকেট হারিয়ে গুজরাটের ইনিংস থামে  ১৫৭ রানে। ১৫ রানের জয়ে ফাইনালে উঠে গেছে চেন্নাই। আগামী রোববার ফাইনালে তারা মুখোমুখি হবে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে জেতা দলের বিপক্ষে।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

সুপার এইটে বাংলাদেশের সম্ভাবনা!

প্রকাশ: ০৯:১৬ এএম, ২০ জুন, ২০২৪


Thumbnail

টি-২০ বিশ্বকাপের এবারের আসরের গ্রুপ পর্ব ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে। কাগজে কলমে সুপার এইট নিশ্চিত করেছে ৮ দল। যেখানে শেষ দল হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ। গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে নেপালকে ২১ রানে হারিয়ে ১৭ বছর পর দ্বিতীয় রাউন্ডে পা রেখেছে শান্ত-হৃদয়রা।

গ্রুপ পর্বের খেলায় চার ম্যাচে ৩ জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে কোয়ার্টারে উঠেছে টাইগাররা। যেখানে দুর্দান্ত বোলিংয়ে তানজিম হাসান সাকিব-মোস্তাফিজুর রহমানরা আছেন সর্বোচ্চ উইকেটশিকারীর তালিকায় সেরা দশে।

এবারের বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে ভালো না করলেও বল এবং ফিল্ডিংয়ে গ্রুপ পর্বে দুর্দান্ত ছিল টাইগাররা। যার জন্য গ্রুপ পর্বে ক্যাচে সেরা দল হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন টাইগাররাই। 

তবে বাংলাদেশের সামনে এখন মিশন সুপার এইট। যেখানে টাইগারদের যাত্রা মোটেও সহজ হবে না বলেই ধারণা করছেন অনেকে। 

সুপার এইটের আট দলকে ভাগ করা হয়েছে দুই গ্রুপে। এক নম্বর গ্রুপে রয়েছে বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও আফগানিস্তান। আর দুই নম্বর গ্রুপে আছে যুক্তরাষ্ট্র, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

সুপার এইট পর্বে বাংলাদেশ দল ম্যাচ খেলবে দুই ভেন্যুতে। অ্যান্টিগার স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের বিপক্ষে খেলার পর বাংলাদেশ যাবে সেন্ট ভিনসেন্টে।

সুপার এইটে এমন শক্তিশালী দল পাওয়ায় ভক্তকূলের জিজ্ঞাসা ব্যর্থ ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে আর কতদূর যাবে টাইগাররা। গ্রুপ পর্বের প্রতিটি ম্যাচেই ব্যর্থ ছিল বাংলাদেশের টপ অর্ডার। গ্রুপ পর্বের ম্যাচ শেষে এখন পর্যন্ত কোনো টাইগার ব্যাটার ১০০ রান করতে পারেননি। সর্বোচ্চ রান তাওহিদ হৃদয়ের তাও সেটি ৯৫ রান। এই রান করতে তিনি ১২৫ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করেছেন। 

তবে এবারের আসরে আশাজাগানিয়া দিক হলো টাইগার বোলারদের জ্বলে ওঠা। শীর্ষ উইকেট শিকারিতে বাজিমাত করেছেন টাইগার পেসাররা। শীর্ষ পাঁচে জায়গা করে নিয়েছেন তানজিম হাসান সাকিব। তিনি ৪ ম্যাচে ৪.৮০ ইকোনমিতে তুলে নিয়েছেন ৯টি উইকেট।

এছাড়াও শীর্ষ দশে জায়গা পেয়েছেন বাঁহাতি টাইগার পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। তিনি ৪ ম্যাচে ৩.৩৭ ইকোনমিতে তুলে নিয়েছেন ৭ উইকেট। তবে ৭ উইকেট পাওয়ার ক্ষেত্রে আরও রয়েছেন টাইগার লেগ স্পিনার রিশাদ হোসাইন, ৪ ম্যাচে তার ইকোনমি ৬.৮০ এবং টাইগার পেসার তাসকিন আহমেদ। ৪ ম্যাচে তার ইকোনমি ৬.৪৩। 

প্রতিটি ম্যাচেই দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বোলাররা। তাই প্রশ্ন এমন ভঙ্গুর ব্যাটিং লাইন আপ নিয়ে জায়ান্ট দলগুলোর বিপক্ষে কতদূর যাবে বাংলাদেশ? এমন প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে জাতীয় দলের উইকেটরক্ষক ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। 

গত সোমবার মুশফিক বলেন, যতদূর দেখলাম বাংলাদেশ ভালো খেলছে। সেমিফাইনাল পর্যন্ত যেন অন্তত যেতে পারি। আমাদের সেই সামর্থ্য আছে। আমি এই আশা করি এবং দলের জন্য দোয়া করি।

টি-টোয়েন্টি থেকে অবসরে গেলেও মুশফিক টেস্ট-ওয়ানডে মাতিয়ে যাচ্ছেন। জাতীয় দলের পরবর্তী খেলা নিয়ে মুশফিক জানান,  বিশ্বকাপের পর পাকিস্তানের সঙ্গে টেস্ট সিরিজ আছে। ইনশাআল্লাহ সেজন্য প্রস্তুত হচ্ছি।


সুপার এইট   বাংলাদেশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

টি-২০ বিশ্বকাপ: যুক্তরাষ্ট্রকে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা

প্রকাশ: ১২:৩৫ এএম, ২০ জুন, ২০২৪


Thumbnail

নবম টি-২০ বিশ্বকাপে সুপার এইটে নিজেদের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নেমেছিল যুক্তরাষ্ট্র। যেখানে প্রোটিয়াদের দেওয়া লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে লড়াই করে হেরেছে আমেরিকা। এই জয়ে সেমিফাইনালের পথে একধাপ এগিয়ে থাকলো এইডেন মার্করামের দল।

অ্যান্টিগুয়ার স্যার ভিভ রিচার্ডস স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ২০ ওভারে চার উইকেটে ১৯৪ রান সংগ্রহ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৭৬ রানে থেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রোটিয়াদের জয় ১৮ রানে।

লক্ষ্য তাড়ায় উড়ন্ত শুরু পায় যুক্তরাষ্ট্র। দলটির হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন স্টিভেন টেইলর আন্দ্রেস গাউস। ইনিংসের শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে তারা দুজন।

ইনিংসের চতুর্থ ওভারে জুটি ভাঙেন রাবাদা। এতে ২৪ রানেই সাজঘরে ফেরেন টেইলর। তার বিদায়ের পর নিয়মিত বিরতিতে তিন উইকেট হারায় যুক্তরাষ্ট্র।

দ্রুতই টপ অর্ডার ব্যাটারদের হারিয়ে বিপাকে পড়ে আমেরিকানরা। তবে সেই ধাক্কা সামলে দলীয় রানের চাকা সচল রাখেন আন্দ্রেস গাউস। সেই সঙ্গে ব্যক্তিগত ফিফটিও তুলে নিয়েছেন তিনি। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন হারমীত সিং।

জুটির ব্যাট থেকে আসে ৯১ রান। তাদের দুজনের ব্যাটে জয়ের পথে ছিল আমেরিকা। তবে হারমীতকে ফিরিয়ে ম্যাচ প্রোটিয়াদের দখলে নেন রাবাদা।

শেষ পর্যন্ত ব্যাট হাতে লড়াই করে ৮০ রানে অপরাজিত ছিলেন গাউস। তার ব্যাটে স্রেফ হারের ব্যবধান কমিয়েছে আমেরিকা। 

দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন কাগিসো রাবাদা। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন কেশব মহারাজ, আনরিখ নরকিয়া তাবরাইজ শামসি।

এর আগে টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাটিংয়ে পাঠান যুক্তরাষ্ট্র অধিনায়ক অ্যারন জোন্স। দলটির হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন রেজা হেনড্রিকস কুইন্টন ডি কক। তবে ভয়ংকর হয়ে ওঠার আগেই জুটিতে আঘাত করেছেন সৌরভ।

ইনিংসের তৃতীয় ওভারে অ্যান্ডারসনের ক্যাচ বানিয়ে রেজাকে সাজঘরের পথ দেখান সৌরভ। তৃতীয় উইকেটে এইডেন মার্করামের সঙ্গে ১১০ রানের জুটি গড়েন ডি কক। সেই সঙ্গে ব্যক্তিগত অর্ধশতকও তুলে নেন বাঁহাতি এই ব্যাটার।

ভয়ংকর হয়ে ওঠা জুটি ভাঙেন হারমীত সিং। ইনিংসের ১৩তম ওভারে ডি কককে শায়ানের ক্যাচ বানান তিনি। আউট হওয়ার আগে ৪০ বলে ৭৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন প্রোটিয়া ওপেনার।

পরে বাইশ গজে এসেই উইকেট বিলিয়ে দেন ডেভিড মিলার। তার উইকেটও নেন হারমীত। ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালিয়েও ফিফটির আক্ষেপ নিয়ে সাজঘরে ফেরেন মার্করাম। নেত্রাভালকারের বলে আউট হওয়ার আগে ৪৬ রান করেন এই ব্যাটার।

শেষের দিকে ত্রিস্টান স্টাবস হেনরিখ ক্লাসেনের ৫৩ রানের জুটিতে প্রোটিয়াদের ইনিংস থামে ১৯৪ রানে। ব্যাট হাতে ক্লাসেন ৩৬ স্টাবস ২০ রানে অপরাজিত ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন সৌরভ নেত্রাভালকার হারমীত সিং।


টি-২০ বিশ্বকাপ   সুপার এইট   দক্ষিণ আফ্রিকা   যুক্তরাষ্ট্র  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

গুন্দোগানের গুন্ডামিতে উড়ে গেল হাঙ্গেরি

প্রকাশ: ১২:১৬ এএম, ২০ জুন, ২০২৪


Thumbnail

ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে গুন্দোগানের করা গোল এবং এসিস্টে হাঙ্গেরিকে হেসে খেলে ২-০ গোলে হারিয়েছে জার্মানি। 

বুধবার (১৯ জুন) জার্মানি স্টুটগার্ট এরেনায় ‘গ্রুপ এ’ এর নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয় জার্মানি ও হাঙ্গেরি। জার্মানির হয়ে অপর গোলটি করেন জামাল মুসিয়ালা। 

এদিন ম্যাচের পুরো সময় জুড়েই জার্মানদের একক আধিপত্য দেখা গেলেও সমান টক্কর দিয়েছে হাঙ্গেরিও। ম্যাচের শুরু থেকেই নাগালসম্যান শিষ্যদের গোলের জন্য মরিয়া দেখা দেখা যায়। ম্যাচের ১০ মিনিটের সময় জার্মান মিডফিল্ডার কাই হাভার্টজের শট রুখে দেয় হাঙ্গেরির গোলরক্ষক। এরপরই যেন হাঙ্গেরির বিখ্যাত বুদা দূর্গের মতো শক্তিশালী হয়ে ওঠে হাঙ্গেরি রক্ষণভাগ। কিন্তু এ দূর্গে ফাটল ধরতে সময় বেশি লাগেনি। ম্যাচের ২১ তম মিনিটে গুন্ডোগানের দেয়া পাস থেকে বল জালে জরান মুসিয়ালা। 

এর ঠিক তিন মিনিট পরই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় হাঙ্গেরি। ডি-বক্সের বাইরে থেকে সোবোসজলাই এর ফ্রি-কিকটি রুখে দেন জার্মান দেয়াল ম্যানুয়েল নয়্যার। ম্যাচের ২৮ তম মিনিটে আরো একবার সুযোগ আসে হাঙ্গেরিয়ানদের। এবার সোবোসজলাই এর সামনে দেয়াল হয়ে দাড়ায় জার্মান ডিফেন্ডার থাহ। তার করা দুর্দান্ত এক ব্লকে শেষ পর্যন্ত বল জালে জড়ায় নি। 

প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে হাঙ্গেরি সমতাসূচক একটি গোল করলেও তা অফসাইডে বাতিল করে রেফারি। 

দ্বিতীয়ধার্ধেও ধারাবাহিকতা বজায় রাখে নাগালসম্যান শিষ্যরা। একের পর এক আক্রমণে দিশেহারা করে তোলে হাঙ্গেরির রক্ষণভাগকে। এরপর ম্যাচের ৬৬ তম মিনিটে মেক্সিমিলান এর করা ক্রস থেকে গোল করে দলকে ২-০ এর লিড এনে দেয় জার্মান অধিনায়ক গুন্দোগান। তাছাড়া পুরো ম্যাচ জুড়ে তার পারফর্মমেন্সও ছিলো নজর কাড়া। 

ম্যাচের বাকি সময়েও ব্যবধান আরও বড় করার চেষ্টায় মরিয়া হয়ে ওঠে জার্মানরা। ৭২ ও ৭৪ মিনিটে দুইটি বড় সুযোগও তৈরি করে তারা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বল জালে জড়াতে পারেনি। 

অবশ্য ২ গোল ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েও দমে যায়নি হাঙ্গেরি। ম্যাচের শেষ দিকে জার্মান ডিফেন্ডার কিমিচ গোল লাইন থেকে একটি বল ক্লিয়ার না করলে হয়তো ম্যাচের শান্তনা মূলক গোলটি পেতে পারতো তারা। 

উল্লেখ্য, এই ম্যাচ জয়ের মধ্য দিয়ে ‘গ্রুপ এ’-তে টানা দুই জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে আছে জার্মানি। অন্যদিকে জার্মানির সমান সংখ্যক ম্যাচ খেলে জয়হীনভাবে পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছে হাঙ্গেরি। 


ইউরো   জার্মনি   হাঙ্গেরি   মুসিয়ালা   গুন্দোগান   নাগালসম্যান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

মুসিয়ালার মুন্সিয়ানায় বিরতিতে জার্মানরা

প্রকাশ: ১১:১৪ পিএম, ১৯ জুন, ২০২৪


Thumbnail

ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের ‘গ্রুপ এ’ এর নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথমার্ধ শেষে হাঙ্গেরির বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে বিরতিতে গিয়েছে জার্মানরা। জার্মানদের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন মুসিয়ালা। 

জার্মানির স্টুটগার্ট এরেনায় স্বাগতিকদের মুখোমুখি হয়েছে হাঙ্গেরি। প্রথমার্ধের পুরো সময় জুড়েই জার্মানদের একক আধিপত্য দেখা গেলেও সমান টক্কর দিয়েছে হাঙ্গেরিও। 

ম্যাচের শুরু থেকেই নাগালসম্যান শিষ্যদের গোলের জন্য মরিয়া দেখা দেখা যায়। ম্যাচের ১০ মিনিটের সময় জার্মান মিডফিল্ডার কাই হাভার্টজের শট রুখে দেয় হাঙ্গেরির গোলরক্ষক। এরপরই যেন হাঙ্গেরির বিখ্যাত বুদা দূর্গের মতো শক্তিশালী হয়ে ওঠে হাঙ্গেরি রক্ষণভাগ। কিন্তু এ দূর্গে ফাটল ধরতে সময় বেশি লাগেনি। ম্যাচের ২১ তম মিনিটে গুন্ডোগানের দেয়া পাস থেকে বল জালে জরান মুসিয়ালা। 

এর ঠিক তিন মিনিট পরই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায় হাঙ্গেরি। ডি-বক্সের বাইরে থেকে সোবোসজলাই এর ফ্রি-কিকটি রুখে দেন জার্মান দেয়াল ম্যানুয়েল নয়্যার। ম্যাচের ২৮ তম মিনিটে আরো একবার সুযোগ আসে হাঙ্গেরিয়ানদের। এবার সোবোসজলাই এর সামনে দেয়াল হয়ে দাড়ায় জার্মান ডিফেন্ডার থাহ। তার করা দুর্দান্ত এক ব্লকে শেষ পর্যন্ত বল জালে জড়ায় নি। 

প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে হাঙ্গেরি সমতাসূচক একটি গোল করলেও তা অফসাইডে বাতিল করে রেফারি। 


ইউরো   জার্মনি   হাঙ্গেরি   মুসিয়ালা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড গ্রাউন্ড

যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে বড় সংগ্রহ দক্ষিণ আফ্রিকার

প্রকাশ: ১০:৩৬ পিএম, ১৯ জুন, ২০২৪


Thumbnail

নবম টি-২০ বিশ্বকাপে সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে লড়ছে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র। যেখানে আমেরিকান বোলারদের তুলোধুনো করে রান পাহাড়ে চড়েছে প্রোটিয়ারা।

অ্যান্টিগুয়ার স্যার ভিভ রিচার্ডস স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ২০ ওভারে চার উইকেটে ১৯৪ রান সংগ্রহ করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৪ রানের ইনিংস উপহার দিয়েছেন কুইন্টন ডি কক।

বুধবার টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাটিংয়ে পাঠান যুক্তরাষ্ট্র অধিনায়ক অ্যারন জোন্স। দলটির হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন রেজা হেনড্রিকস ও কুইন্টন ডি কক। তবে ভয়ংকর হয়ে ওঠার আগেই এ জুটিতে আঘাত করেছেন সৌরভ।

ইনিংসের তৃতীয় ওভারে অ্যান্ডারসনের ক্যাচ বানিয়ে রেজাকে সাজঘরের পথ দেখান সৌরভ। এরপর ক্রিজে আসেন এইডেন মার্করাম। তার সঙ্গে ১১০ রানের জুটি গড়েন ডি কক। সেই সঙ্গে ব্যক্তিগত অর্ধশতকও তুলে নেন বাঁহাতি এই ব্যাটার।

ভয়ংকর হয়ে ওঠা এ জুটি ভাঙেন হারমীত সিং। ইনিংসের ১৩তম ওভারে ডি কককে শায়ানের ক্যাচ বানান তিনি। আউট হওয়ার আগে ৪০ বলে ৭৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন এ প্রোটিয়া ওপেনার।

পরে বাইশ গজে এসেই উইকেট বিলিয়ে দেন ডেভিড মিলার। তার উইকেটও নেন হারমীত। ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালিয়েও ফিফটির আক্ষেপ নিয়ে সাজঘরে ফেরেন মার্করাম। নেত্রাভালকারের বলে আউট হওয়ার আগে ৪৬ রান করেন এই ব্যাটার।

শেষের দিকে ত্রিস্টান স্টাবস ও হেনরিখ ক্লাসেনের ৫৩ রানের জুটিতে প্রোটিয়াদের ইনিংস থামে ১৯৪ রানে। ব্যাট হাতে ক্লাসেন ৩৬ ও স্টাবস ২০ রানে অপরাজিত ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন সৌরভ নেত্রাভালকার ও হারমীত সিং।

যুক্তরাষ্ট্র   দক্ষিণ আফ্রিকা   টি-২০ বিশ্বকাপ   সুপার এইট  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন