টেক ইনসাইড

বাংলাদেশকে ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদনের হাব তৈরিতে কাজ করছি: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

প্রকাশ: ০৫:১৬ পিএম, ২৪ মে, ২০২৩


Thumbnail ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ‘ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদনের হাব এবং রপ্তানিকারক দেশে রূপান্তরে আমরা কাজ করছি। ইতোমধ‌্যেই  বাংলাদেশে উৎপাদিত মোবাইল শতকরা ৯৫ ভাগ দেশীয় চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বিপুল পরিমান কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। ডিজিটাল ডিভাইস  আমাদানিকারক থেকে রপ্তানিকারক দেশে রূপান্তর করা সরকারের ডিজিটাইজেশনের স্বপ্নের অন্যতম একটি লক্ষ্য ছিল।’

বুধবার (২৪ মে) মন্ত্রী তার দপ্তর থেকে নারায়নগঞ্জের মেঘনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোনমিক জোনে ডিজিটাল প্লাটফর্মে সংযুক্ত থেকে ট্রান্সশান হোল্ডিংসের মোবাইল ফোন উৎপাদন কারখানা আই স্মার্ট ইউ ফ‌্যাক্টরী উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোবাইল হ‌্যান্ডসেট উৎপাদন শিল্পে বাংলাদেশের বিস্ময়কর অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে উল্লেখ করে বলেন, ‘উৎপাদন প্রক্রিয়ায় ছোট খাটো কিছু সংকট বিদ‌্যমান থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ‌্যমে  মোবাইল ফোন রপ্তানির একটি বড় বাজার হিসেবে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।’ 

ডিজিটাল ডিভাইসে বাংলা ভাষার উদ্ভাবক জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেন, ‘বাংলাদেশে উৎপাদিত ডিজিটাল যন্ত্রের গুণগতমান নিশ্চিত করার পাশাপাশি গবেষণা ও উন্নয়নের প্রতি মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানসমূহকে গুরুত্ব দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৫ সালের ৬ আগস্ট ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদন ও রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠায় যে স্বপ্ন জাতিকে দেখিয়েছিলেন-  ২০১৭ সালে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এর নিরন্তর সহযোগিতায় তা আজ পুরণ করতে আমরা সক্ষম হয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘সরকারের প্রযুক্তি বান্ধব নীতির ফলে দেশে বিশ্ব মানের ১৫টি মোবাইল কোম্পানি মোবাইল ফোন কারখানা স্থাপন করেছে এবং আরও  বেশ কয়েকটি কারখানা স্থাপন পাইপ লাইনে আছে।’

স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরে ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশের এই অগ্রদূত বলেন, ‘ঔপনিবেশিক শাসনে পিষ্ট হয়ে আমরা কৃষি যুগ থেকে বেরোতে পারিনি। এর ফলে অতীতের দুটি শিল্প বিপ্লব মিস করে, প্রযুক্তিতে ৩২৪ বছরের পশ্চাদপদতা অতিক্রম করে ১৯৬৯ সালে শুরু হওয়া তৃতীয় শিল্প বিপ্লবে অংশ গ্রহণের প্রস্তুতি বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে শুরু করেছিলাম। এরই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ সালে আইটিইউ এবং ইউপিইউ এর সদস‌্যপদ অর্জন এবং ১৯৭৫ সালের ১৪ জুন বেতবুনিয়ায় ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ‌্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশের বীজ বপন করেন। প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত সময়ে বঙ্গবন্ধুর রোপন করা বীজটিকে চারা গাছে রূপান্তর করেন। গত ২০০৯ সাল থেকে গত চৌদ্দ বছরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে তা আজ বিরাট মহিরূহে রূপান্তরিত হয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘দেশে মোবাইল ফোনের অভিযাত্রা ১৯৮৯ সালে সীমিত আকারে শুরু হলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সালে টু’জি, ২০১৩ সালে থ্রি’জি, ২০১৮ সালে ফোর’জি এবং ২০২১ সালে ফাইভ’জি প্রযুক্তি যুগে বাংলাদেশকে অন্তর্ভূক্ত করার মাধ্যমে ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা করেন।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে ইকোনমি জোন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম‌্যান শেখ ইউসুফ হারুন, বিটিআরসি‘র ভাইস চেয়ারম‌্যান  প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন আহমেদ, মেঘনা  গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম‌্যান মোস্তফা কামাল, ট্রানশন হোল্ডিংসের চেয়ারম‌্যান জর্জ জু এবং বাংলাদেশে চীনের দূতাবাসের ইকোনমি ও কমার্শিয়াল কাউন্সিলর সং ইয়াং। 

বক্তারা ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচির প্রশংসা করেন। তারা মোবাইল ডিভাইস শিল্পের বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রত‌্যাশা করেন।


বাংলাদেশ   ডিজিটাল ডিভাইস   উৎপাদন   হাব   টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

লোকেশন হিস্ট্রি মুছে ফেলবে গুগল

প্রকাশ: ১২:৩১ পিএম, ০৯ জুন, ২০২৪


Thumbnail

বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে অজানতেই অনেকের ব্যক্তিগত তথ্য জমা হয়ে যাচ্ছে গুগলে। যার মধ্যে রয়েছে গুগল লোকেশনও। যদিও সার্চ ইঞ্জিন সংস্থাটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য যতটা সম্ভব মুছে ফেলা হবে। সেই কথা রাখতে চলেছে সুন্দর পিচাইয়ের তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা। এবার ব্যবহারকারীদের লোকেশন হিস্ট্রি স্থায়ীভাবে ডিলিট করবে গুগল।

গুগল জানিয়েছে, গত ডিসেম্বর পর্যন্ত সমস্ত পুরনো লোকেশন হিস্ট্রি তারা রেখে দেবে। কিন্তু এর পরই সব মুছে দেয়া হবে চিরতরে। তার আগে ব্যবহারকারীরা চাইলে অবশ্যই সেই সব তথ্যের ব্যাক আপ রাখতে পারবেন।

যে কারণে গুগলের এমন সিদ্ধান্ত

সার্চ ইঞ্জিন সংস্থাটির পক্ষ থেকে কোনো নির্দিষ্ট কারণ জানানো না হলেও বলা হয়েছে, ব্যবহারকারীদের লোকেশন সংক্রান্ত তথ্য তাদের ব্যক্তিগত। তা সুরক্ষিত গোপনীয় ব্যবহারকারীদের নিয়ন্ত্রণাধীন রাখতেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ গুগল। সেই সঙ্গে দাবি করা হয়, ‘মনে রাখবেন, গুগল ম্যাপ আপনাদের তথ্য কাউকে কখনওই বিক্রি করেনি। এমনকী বিজ্ঞাপনদাতাদেরও নয়।


লোকেশন   গুগল  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

বৈতনিক ছুটির দাবিতে ধর্মঘটে গেলেন স্যামসাং কর্মীরা

প্রকাশ: ০৭:৩৬ পিএম, ০৭ জুন, ২০২৪


Thumbnail

বৈতনিক ছুটির দাবিতে ধর্মঘটে গিয়েছেন স্মার্টফোন ইলেকট্রনিক্স পণ্যের আন্তর্জাতিক জায়ান্ট স্যামসাংয়ের কর্মীরা। দক্ষিণ কোরিয়াভিত্তিক এই কোম্পানিটির ইতিহাসে এই প্রথম কর্মী ধর্মঘটের ঘটনা ঘটল।

শুক্রবার (৬ জুন) থেকে ধর্মঘট শুরু করেছেন স্যামসাংয়ের কর্মীরা। কোম্পানির শ্রমিক ইউনিয়ন ন্যাশনাল স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট সোন -মোক এএফপিকে বলেন, ‘বৈতনিক ছুটির দাবিতে আমরা ধর্মঘট শুরু করেছি এবং কোম্পানি কর্তৃপক্ষ আমাদের দাবি মেনে নেওয়ার আগ পর্যন্ত এই ধর্মঘট চলবে।কোম্পানির অনেক কর্মী ধর্মঘটে যোগ দিয়েছেন বলেও দাবি করেছেন সোন- মোক।

এদিকে এএফপি জানিয়েছে, শুক্রবার সকালে স্যামসাং ইলেক্ট্রনিক্সের কার্যালয়ে ধর্মঘটের সমর্থনে মিছিল করেছেন মাত্র  ১০ জন কর্মী। শ্রমিক ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট সোন -মোক জানিয়েছেন, আপাতত এক দিনের ধর্মঘট পালন করছেন তারা। কোম্পানি যদি দাবি না মানে, সেক্ষেত্রে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবে ইউনিয়ন।

স্যামসাং কর্তৃপক্ষের একটি সূত্র  এএফপিকে প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমরা ইউনিয়ন নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করছি। কর্মীদের দাবি অবশ্যই কোম্পানি পর্যালোচনা করবে। তবে এই ধর্মঘটে কিন্তু খুব বেশিসংখ্যক কর্মী নেই।


স্যামসাং   কর্মী  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

হোয়াটসঅ্যাপের ৭১ লাখ অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার কারণ কি?

প্রকাশ: ০১:৫৪ পিএম, ০৫ জুন, ২০২৪


Thumbnail

বর্তমানে দ্রুত যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে সারাবিশ্বেই ক্রমাগত বাড়ছে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা। আর তাই মেটার মালিকানাধীন এই প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহারের অভিজ্ঞতা ভালো করতে একের পর এক ফিচার নিয়ে আসছে। তবে সেই সাথে নিয়ম ভঙ্গ করলে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতেও সময় নেয় না প্ল্যাটফর্মটি। 

ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার জন্যই এমন ব্যবস্থা হোয়াটসঅ্যাপের। এবার ভারতে ৭১ লাখ অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিল হোয়াটসঅ্যাপ।

হোয়াটসঅ্যাপ জানায়, ১ এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে ৭১ লাখ ৮২ হাজার অ্যাকাউন্টের উপর  তারা  নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। যার মধ্যে ১৩ লাখ ২ হাজার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়েছে ব্যবহারকারীদের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ আসার আগেই। আপত্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে এই আশঙ্কায় আগেভাগেই এই অ্যাকাউন্ট গুলো বন্ধ করা হয়েছে। 

প্রতিষ্ঠানটির দাবি, তথ্যপ্রযুক্তি আইন মেনে এই প্ল্যাটফর্মের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড এবং ইউজারদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি আরো জানায়, এপ্রিল মাস জুড়ে বিভিন্ন ইস্যুতে সাড়ে ১০ হাজারেরও বেশি অভিযোগ পেয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ। 

উল্লেখ্য, ভারতে এখন হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫০০ মিলিয়নের বেশি। তাই এই অ্যাপ ব্যবহার করে প্রতারণার জালও বিস্তৃত হচ্ছে। এর ফলে প্রতি মাসে দফায় দফায় অ্যাকাউন্ট বন্ধ করছে হোয়াটসঅ্যাপ।


হোয়াটসঅ্যাপ  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল জোড়া লাগছে ৭ জুন

প্রকাশ: ১২:৫৯ পিএম, ০৩ জুন, ২০২৪


Thumbnail

আগামী জুন চূড়ান্তভাবে জোড়া লাগবে কুয়াকাটায় অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল সিমিইউ- এর সিঙ্গাপুর প্রান্তের ব্যান্ডউইথ। এরপর থেকে আবারো সিমিইউ- থেকে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা সরবরাহ শুরু হবে।

সোমবার ( জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যান্ডউইডথ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মির্জা কামাল আহমেদ।

তিনি বলেন, সবশেষ আপডেট অনুযায়ী আগামী জুন (শুক্রবার) সিমিইউ- এর সিঙ্গাপুর প্রান্তের ছিঁড়ে যাওয়া ব্যান্ডউইথ জোড়া লাগবে। সাবমেরিন ক্যাবল কর্তৃপক্ষ এমন তথ্যই আমাদের জানিয়েছে। এটি জোড়া লাগলে এরপর থেকে আবারও নিরবচ্ছিন্ন ব্যান্ডউইডথ সেবা সরবরাহ শুরু হবে। একইসাথে ইন্টারনেটের যে সামান্য ধীরগতি রয়েছে সেটিও কেটে যাবে। তবে এখন তেমন সমস্যা নেই। কারণ কক্সবাজারে অবস্থিত ল্যান্ডিং স্টেশন থেকে সাবমেরিন ক্যাবল সিমিউই- এর মাধ্যমে ব্যান্ডউইডথ সেবা চলমান রয়েছে।

মূলত, চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল (শুক্রবার) দিবাগত রাত ১২টায় বিএসসিপিএলসির আওতাধীন দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল সিমিইউ- সিঙ্গাপুর থেকে পশ্চিম প্রান্তে ইন্দোনেশিয়ার জলসীমায় আকস্মিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে সিমিইউ- কনসোর্টিয়াম ইন্দোনেশিয়ায় সমুদ্রের তলদেশে ক্যাবল মেরামতের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়। কনসোর্টিয়ামের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী আগামী জুন ক্যাবলটির পুনঃসংযোগ কাজ সম্পন্ন হবে।


সাবমেরিন ক্যাবল  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

বাংলাদেশের নারীরা ইন্টারনেট ব্যবহারে পিছিয়ে

প্রকাশ: ০৮:১৬ পিএম, ১৮ মে, ২০২৪


Thumbnail

কয়েক দিন আগেই দেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। যেখানে দেখা গেছে ছেলেদের থেকে পাসের হারে মেয়েরা এগিয়ে। শুধু এখানেই না, দিন দিন বিভিন্ন সেক্টরে নারীরা দক্ষতার সঙ্গে এগিয়ে যাচ্ছেন।

তবে মুঠোফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারে পিছিয়ে রয়েছে নারীরা। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পিছিয়ে আমাদের দেশের নারীরা। মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈশ্বিক সংগঠন গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশনস অ্যাসোসিয়েশন (জিএসএমএ) চলতি মাসে ‘দ্য মোবাইল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট ২০২৪’ শীর্ষক এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনটি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোয় মুঠোফোনের মালিকানায় নারীরা পিছিয়ে আছেন। বিশেষ করে অস্বচ্ছল, পড়াশোনা না জানা, গ্রামাঞ্চলে বসবাস করা বা বিশেষভাবে সক্ষম নারীরা আরও বেশি পিছিয়ে আছেন।

সংস্থাটি প্রতিবেদন তৈরিতে ১২টি দেশের তথ্য প্রকাশ করেছে। দেশগুলো হলো- মিসর, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, সেনেগাল, নাইজেরিয়া, উগান্ডা, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো ও গুয়াতেমালা।

জরিপ থেকে নেওয়া তথ্য অনুযায়ী মুঠোফোনে ইন্টারনেট সেবা গ্রহণে নারী-পুরুষের ব্যবধান বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি, ৪০ শতাংশ। ভারতে এ ব্যবধান ৩০ শতাংশ, পাকিস্তানে ৩৮ শতাংশ ও ইন্দোনেশিয়ায় ৮ শতাংশ। যদিও বাংলাদেশে মুঠোফোনের মালিকানা ও ইন্টারনেট ব্যবহারে নারী-পুরুষের ব্যবধান সামান্য কমেছে।


বাংলাদেশ   নারী   ইন্টারনেট  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন