ইনসাইড বাংলাদেশ

‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বর্তমান সরকারই নির্বাচনকালীন সরকারের দায়িত্ব পালন করবে’

প্রকাশ: ০৫:১০ পিএম, ০৮ জুন, ২০২৩


Thumbnail

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেছেন, ‘চলতি সরকারই আগামী নির্বাচনকালীন সরকারের দায়িত্ব পালন করবে এবং প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।’ 

বৃহস্পতিবার (৮ জুন) দুপুরে রাজধানীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সিনেট ভবন মিলনায়তনে ৮ জুন বিশ্ব সমুদ্র দিবস উপলক্ষে ঢাবি সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগ  আয়োজিত সেমিনারে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি তো আন্তর্জাতিকভাবে কারো সমর্থন পায়নি। তাই এখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাদ দিয়ে 'নিরপেক্ষ' সরকারের কথা বলছে। তারা যে সমস্ত দেশের হাতে-পায়ে ধরে, সে সকল দেশে যেভাবে চলতি সরকার নির্বাচনকালীন সরকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে, আমাদের দেশেও ঠিক তাই হবে।’ 

সম্প্রতি বিদ্যুৎ সরবরাহে সময়ে সময়ে ছেদ নিয়ে বিএনপির সমালোচনার জবাবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘মির্জা ফখরুল সাহেবরা বড় গলায় কথা বলেন, অথচ তারা মানুষকে বিদ্যুৎ দিতে পারে নাই, বিদ্যুৎ কেন্দ্র জ্বালিয়ে দিয়েছে। মানুষকে বিদ্যুৎ দেবে বলে ছেলে-ভোলানো চকলেট আর মোয়ার মতো শুধু বিদ্যুতের খাম্বা লাগিয়েছে। আমরা মানুষকে বিদ্যুৎ দিয়েছি, মানুষের অভ্যাস পরিবর্তন হয়েছে, দেশ পরিবর্তন হয়েছে, শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে। বিদ্যুতের ব্যবহার এখন বহুমাত্রিক।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিলো তখন ৩ হাজার ৬ শত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হতো। এখন যে কোনো সময় ১৮ থেকে ২০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের সক্ষমতা সরকারের আছে। এবং বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিলো তখন দেশে ৪০ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় ছিলো। এখন দেশের শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে।’

‘আসলে বিদ্যুৎ সুবিধা দিয়ে মানুষের অভ্যাসের পরিবর্তন হয়ে গেছে' উল্লেখ করে মন্ত্রী হাছান বলেন, 'মানুষ এখন গ্রামেও এসি চালায়, মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডায় এখন এসি চলে, প্রতিদিন হাজার হাজার ইজি বাইক এবং ১৭ কোটি মানুষের দেশে সাড়ে ১৫ কোটি মোবাইল চার্জ করতে বিদ্যুৎ লাগে, এমন কি গ্রামেও রাইস কুকারে ভাত রান্না করে। অর্থাৎ বিদ্যুতের বহুমাত্রিক ব্যবহারে গত ১৪ বছরে মানুষের অভ্যাস পরিবর্তন হয়ে গেছে। মানুষকে এতো বিদ্যুৎ সুবিধা দিয়ে নিশ্চয়ই ভুল করা হয়নি, সবার খানিক ধৈর্য্যের প্রয়োজন। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, এখন বিশ্বমন্দা ও যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই অসুবিধাটা সাময়িক, ১৫-২০ দিনের মধ্যে দূর হবে।’ 

এর আগে ব্লু ইকোনমি'র সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচন (Revealing the Potentials of Blue Economy) শীর্ষক সেমিনারে সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের খন্ডকালীন শিক্ষক পরিবেশবিদ তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা ভারত ও মায়ানমারের সাথে সমঝোতাপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে প্রায় দেশের সমআয়তনের সমুদ্রসীমা অধিকার করেছি। এই সমুদ্রসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার করতে পারলে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হার আরো ২ থেকে ৩ শতাংশ বাড়বে। 

সেমিনারে সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. কে এম আজম চৌধুরী উপস্থাপিত মূল প্রবন্ধের ওপর আলোচনায় অংশ নেন বিশেষ অতিথি শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মো. কাউসার আহাম্মদ, জার্মান সহযোগিতা সংস্থা জিআইজেড'র প্রিন্সিপাল এডভাইজার ড. স্টেফান আলফ্রেড গ্রোয়েনেওল্ড (Stefan Alfred Groenewold) এবং ঢাবি'র আর্থ এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো: জিল্লুর রহমান। 

ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অভ ন্যাচার (আইইউসিএন) কান্ট্রি ডিরেক্টর মো: রকিবুল আমিন সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যপক জোবায়ের আলম।

আন্তর্জাতিকভাবে 'প্লানেট ওশান : টাইডস আর চেঞ্জিং (পরিবর্তিত তরঙ্গে গ্রহের মহাসমুদ্র)' প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ওশান গভারন্যান্স (আইসিওজি), জিআইজেড, ন্যাশনাল ওশানোগ্রাফিক এন্ড মেরিটাইম ইনস্টিটিউট (নোয়ামি) ও জিআইজেড  এর সহযোগিতায় দিবসটি উপলক্ষে সেমিনারের পাশাপাশি সকালে সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের র‍্যালিটি কার্জন হল প্রদক্ষিণ করে।

তথ্যমন্ত্রী   ড. হাছান মাহমুদ   নির্বাচনকালীন সরকার   শেখ হাসিনা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

‘নিজেকে রাজাকার বলে স্লোগান দেওয়া রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল’

প্রকাশ: ০৫:২৭ পিএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

‘তুমি কে আমি কে, রাজাকার, রাজাকার’-স্লোগান দেওয়া মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রতি গভীর অসম্মান প্রদর্শন। এ ধরনের স্লোগানধারীদের অবিলম্বে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’।

সোমবার (১৫ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদুজ্জামান শাহীন এ কথা বলেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‌‘নিজেকে রাজাকার, রাজাকার স্লোগান দেয়া-মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা রাজাকার হিসেবে কাজ করেছে তাদের পক্ষে দাঁড়ানো এবং মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশের শামিল। এই ধরনের কার্যকলাপ রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল, কারণ এটি জাতির সংহতি এবং মূল্যবোধের ওপর আঘাত হানে।’

তারা বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান ও আইন অনুযায়ী, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি এবং রাজাকারদের সমর্থনকারী কার্যকলাপ আইনত অপরাধ হিসেবে বিবেচিত। এজন্য সরকার এবং আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলির উচিত এই ধরনের কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং জাতীয় সংহতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া।

নেত্রবৃন্দ বলেন, ‘আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি বেশ কিছুদিন যাবত কোটাবিরোধী আন্দোলনের নামে ৭১’ এর পরাজিত শক্তির প্রেতাত্মা গোষ্ঠী মহান মুক্তিযুদ্ধ, ৩০ লাখ শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদেরকে পরিবারকে নানা ভাবে অপমান অপদস্থ করছে। বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নজরে এলে তিনিও এ বিষয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন।’

কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জায়গায় থেকে রাতের আঁধারে পরিত্যক্ত ও প্রত্যাখ্যাত রাজনৈতিক গোষ্ঠীর ছত্রচ্ছায়ায় কতিপয় বিভ্রান্ত শিক্ষার্থীদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শবিরোধী বালখিল্য কর্মকাণ্ড এবং রাজাকার রাজাকার স্লোগান আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে। এরা সময়ে-অসময়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করে জাতিকে বিভক্ত করছে, ঐতিহাসিক ভাবে মীমাংসিত বিষয়কে অমিমাংসিত করার চেষ্টা করছে। এখানে আমরা দেশের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র দেখতে পাচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন নেতৃবৃন্দ। 

মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা অবিলম্বে রাজাকারের তালিকা প্রণয়ন করে এদের পরবর্তী প্রজন্মকে সরকারি-বেসরকারি সকল চাকরিতে নিষিদ্ধ করার দাবি জানান।’

আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান   রাজাকার   কোটা আন্দোলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

নতুনবাজার ছেড়েছে শিক্ষার্থীরা, যানচলাচল স্বাভাবিক

প্রকাশ: ০৫:০১ পিএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে রাজধানীর নতুন বাজার এলাকায় রাস্তা অবরোধ করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা। এতে নতুন বাজার থেকে রামপুরাগামী রাস্তায় যান চলা চলাচল বন্ধ হয়ে যায় ঐ রাস্তায়।

তবে বিকেল ৪টার দিকে রাস্তা ছেড়ে চলে যান শিক্ষার্থীরা। এতে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা বিকেল সাড়ে ৪টার পর থেকে রাস্তা ছেড়ে চলে যায়। এরপর নতুন বাজার থেকে রামপুরাগামী রাস্তায় আবারো যান চলাচল শুরু হয়েছে।

এর আগে বিকেলে ৪টা থেকে নতুন বাজার থেকে কুড়িল বিশ্বরোডগামী রাস্তায় যান চলাচল শুরু হয়। দীর্ঘক্ষণ ধরে আটকে থাকা যানবাহন ধীরে ধীরে কুড়িল বিশ্বরোডগামী রাস্তার দিকে এগোচ্ছে। 


কোটা আন্দোলন   বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়   সড়ক অবরোধ   যানচলাচল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ক্যাম্পাসের পরিবেশ নষ্ট করতে চাইলে প্রতিহত করবে ইবি ছাত্রলীগ


Thumbnail

ক্যাম্পাসে রাজাকার বিরোধী বিক্ষোভ মিছিল ছাত্র সমাবেশ করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রলীগ। কেউ ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করতে চাইলে তাদের প্রতিহত করা হবে বলে ঘোষণা দেন ছাত্রলীগ নেতারা।

সোমবার (১৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টায় দলীয় টেন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে নেতাকর্মীরা। মিছিলটি নিয়ে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে বিভিন্ন সড়ক কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে শিক্ষার্থীরা।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে দলীয় টেন্টে এসে সমবেত হয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। পরে সেখানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাত সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জয়ের নেতৃত্বে তিন শতাধিক নেতাকর্মী সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জয় বলেন, দেশের পবিত্র মাটিতে গতকাল রাতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মুষ্টিমেয় কিছু শিক্ষার্থী নিজেদেরকে রাজাকার দাবি করে স্লোগান দিয়েছে। এতে পুরো ছাত্র সমাজ ব্যথিত হয়েছে। আজ থেকে এই পবিত্র বাংলায় কেউ রাজাকার রাজাকার স্লোগান দিলে তাদেরকে যোগ্য জবাব দেওয়া হবে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাটিতে কেউ যদি আর একবার তুমি কে? আমি কে? রাজাকার, রাজাকার স্লোগান দেয় তাহলে তাদেরকে সমূলে উৎপাটন করা হবে। 

শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাত বলেন, যারা সামনে থেকে ধরণের স্লোগান দিবে তাদেরকে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যারা নিজেদেরকে রাজাকার দাবি করে তারা স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি। তারা ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করতে চাই। আগামীতে কেউ ধরনের ধৃষ্টতা দেখালে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে ছাত্রলীগ তা প্রতিহত করবে।

এদিকে সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উক্তি ঘিরে রোববার রাতে ক্যাম্পাসে তুমি কে? আমি কে? রাজাকার, রাজাকার স্লোগানে বিক্ষোভ মিছিল করে শিক্ষার্থীরা। এরই প্রতিবাদে শাখা ছাত্রলীগ বিক্ষোভ মিছিল ছাত্র সমাবেশ করেছে।


কোটা আন্দোলন   ইবি   ছাত্রলীগ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

অবৈধ অনুপ্রবেশের সময় বিজিবির হাতে আটক ১

প্রকাশ: ০৪:৩২ পিএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

যশোরের বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে মনির হোসেন (২৮) নামে এক বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বিজিবির সদস্যরা।

 

সোমবার (১৫ জুলাই) সকালে যশোরে শার্শা গোগা সীমান্ত এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটক মনির হোসেন শার্শার গোগা গ্রামের নুর হোসেনের ছেলে।

 

খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে: কর্নেল মোহাম্মাদ খুরশিদ আনোয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

তিনি জানান, বিনা পাসপোর্টে ভারতে কাজের উদ্দেশ্যে প্রবেশকালে কর্তব্যরত বিজিবি টহল সদস্যরা তাকে আটক করে।

আটক মনির হোসেনের বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশ আইনে মামলা দিয়ে শার্শা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


অবৈধ অনুপ্রবেশ   বিজিবি   আটক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ঢাবিতে আন্দোলনকারী-ছাত্রলীগ সংঘর্ষে রণক্ষেত্র ক্যাম্পাস, আহত অনেকে

প্রকাশ: ০৩:৩৯ পিএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল পাড়ায় আন্দোলনকারী-ছাত্রলীগের মুখোমুখি সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে ক্যাম্পাস। এসময় আহত হয় অনেকে। 

সোমবার (১৫ জুলাই) বিকেল ৩টা থেকে মুখোমুখি অবস্থান নেয় আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এসময় দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে।

ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ফলে মুহূর্তেই রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে ঐ এলাকা। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর ৩টার দিকে বিজয় একাত্তর হলের সামনে মাইকিং করতে শুরুর করলে হল শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ধাওয়া দেন। এরপর কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরাও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের পাল্টা ধাওয়া দেন।

এক পর্যায়ে ধাওয়া খেয়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিজয় একাত্তর হলে অবস্থান নেন। পরে তারা হলের তালা লাগিয়ে ভেতর থেকে ইট ছুড়তে থাকেন। শিক্ষার্থীরাও হলের দেয়ালের ওপর দিয়ে পাল্টা ইট ছুড়তে থাকেন। অন্যদিকে ছাত্রলীগের আরেকটি দলকে হেলমেট পরে একাত্তর গেটের কাছাকাছি অবস্থান করতে দেখা গেছে।

এদিকে আন্দোলনকারী ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ শেষ হওয়ার আধাঘণ্টা পর ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। তবে সংঘর্ষ চলাকালে ছাত্রলীগ ও আন্দোলনকারী ছাড়া ক্যাম্পাসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো কার্যকর উপস্থিতি চোখে পড়েনি।

এর আগে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, ‘আন্দোলনের রিমোট কন্ট্রোল এখন শিক্ষার্থীদের হাতে নেই, এটি অন্য কেউ নিয়ন্ত্রণ করছে।’ 

এছাড়াও যারা নিজেদের রাজাকার বলে স্লোগান দিচ্ছে তাদের শেষ দেখে নেয়ারও হুশিয়ারি দেন তিনি। 


কোটা আন্দোলন   ঢাবি   ছাত্রলীগ   আন্দোলনকারী  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন