ক্লাব ইনসাইড

নীলক্ষেতে 'বিষপানে' সাত কলেজের শিক্ষার্থী অসুস্থ

প্রকাশ: ০৩:২৬ পিএম, ২৭ অগাস্ট, ২০২৩


Thumbnail

রাজধানীর নীলক্ষেত মোড় অবরোধ করে আন্দোলন করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা। এক দফা দাবিতে আন্দোলন করছেন তারা। রোববার (২৭ আগস্ট) এ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে সাতজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে জানা গেছে।
     
এ বিষয়ে শিক্ষার্থীরা বলছেন, ঢাবির প্রহসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে ওই সাতজন বিষপান করে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

জানা গেছে, পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আন্দোলনে যোগ দেন ৭ কলেজের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম (২৪) তকিবুর রহমান বাপ্পি (২৪) সোনিয়া আক্তার (২৩) মাহফুজ (২৪) ও রাজিব (২২)। রোববার দুপুরের দিকে তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে ঢামেকে নিয়ে আসা হয়।

এসব তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) বাচ্চু মিয়া। তিনি আরও জানান, অসুস্থ হয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে একজন ছাত্রী রয়েছেন।

চিকিৎসকরা বলেছেন, হাসপাতালে আসার শিক্ষার্থীদের কারও অবস্থা গুরুতর নয়।

এর আগে শনিবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত রাজধানীর সরকারি সাত কলেজের কয়েকটি শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা সিজিপিএ’র শর্ত শিথিল করে পরবর্তী বর্ষে প্রমোশন দেওয়ার এক দফা দাবিতে গণ-অনশন করার ঘোষণা দেন।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অনশনের লক্ষ্যে ২৭ আগস্ট (রোববার) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সকাল ১০টায় সবাই উপস্থিত হবেন। এরপর বেলা ১১টায় নীলক্ষেত অভিমুখে রওনা হবেন।

এতে আরও বলা হয়,  ‘গর্জে ওঠো হে ছাত্র সমাজ, গর্জে ওঠো। আগামী ২৭ আগস্ট, রোববার হচ্ছে আমাদের মরা-বাঁচার লড়াই। ঢাবির এই অনিয়ম ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। আমাদের দাবি মানতে হবে, নয়তো ৭ কলেজকে আলাদা করতে হবে। আমরা আমাদের ভাই-বোনদের জীবন বিপন্ন হতে দেব না। সবাই ২৭ তারিখের জন্য প্রস্তুত হোন। এই আন্দোলন বৃহত্তর থেকে বৃহত্তর আন্দোলনের রূপ নেবে।

অনেক অন্যায় সহ্য করেছি, অনেক আশ্বাস পেয়ে ফিরে এসেছি। আর না। হয় আমাদের দাবি মানবে, নয়তো আমাদের লাশ নিয়ে যাবে। এই আন্দোলনকে সফল করতে প্রয়োজন শুধু পুরো ৭ কলেজের সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। দাবি আমাদের একটাই, এক দফা এক দাবি। দীর্ঘ নয় মাস পর ফল প্রকাশের কারণে, সিজিপিএ শর্ত শিথিল করে মানোন্নয়নের মাধ্যমে পরবর্তী বর্ষে প্রমোশন দিতে হবে। ’

এর আগে গত বুধবার (২৩ আগস্ট) আন্দোলনের কথা থাকলেও শিক্ষকদের আশ্বাসে প্রাথমিকভাবে সেদিনের কর্মসূচি স্থগিত করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত কলেজের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

নীলক্ষেত   সাত কলেজ   আন্দোলন   শিক্ষার্থী   ঢাবি অধিভুক্ত  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

ইবিতে বৃক্ষ নিধনে ক্ষিপ্ত শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা

প্রকাশ: ১১:৩২ এএম, ০৪ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) তে একাধিক পুরোনো গাছ কেটে ‘বৈশাখী মঞ্চ’ তৈরির পরিকল্পনা করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ। এ লক্ষ্যে রবিবার (০৩ মার্চ) থেকে কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বৃক্ষ কাটা শুরু হয়। মঞ্চটি ঠিক দুই একাডেমিক ভবনের মাঝে হওয়ায় বিভিন্ন অনুষ্ঠান হলে শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা ব্যাহত হতে পারে।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনের অন্যত্র ফাঁকা জায়গা থাকা সত্ত্বেও বৃক্ষ কেটে এমন স্থানে মঞ্চ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ ভবন এবং ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ভবনের মাঝে ‘বৈশাখী মঞ্চ’ তৈরির পরিকল্পনা করছে কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে ওই মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। ফলে তিনটি পুরোনো গাছ কাটা হচ্ছে। দুই যুগ আগে নিজস্ব অর্থায়নে সেই গাছগুলোসহ প্রায় ১১০০ গাছ লাগিয়েছিলেন অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুঈদ রহমান। তিনিও বিষয়টি তাঁর জন্য বিব্রতকর বলে জানিয়েছেন।

এদিকে গাছ কাটার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, দুই একাডেমিক ভবনের মাঝে মঞ্চ হলে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের কারণে ক্লাস-পরীক্ষা চরমভাবে ব্যাহত হবে। কর্তৃপক্ষ চাইলে ভিন্ন কোনো জায়গায় এই মঞ্চ করতে পারতো।

এছাড়া মঞ্চ তৈরির জন্য পুরোনো গাছগুলো কাটার কোনো মানে হয় না। প্রশাসন এর আগেও উন্নয়নের নামে অনেক গাছ কর্তন করেছে। গাছ কাটলেও পরবর্তীতে আর নতুন করে পর্যাপ্ত গাছ লাগানো হয় না।

এদিকে গাছ না কাটার অনুরোধ জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ, প্রকৌশল অফিস ও প্রক্টরের কাছে লিখিত আবেদন দিয়েছেন ক্যাম্পাসের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অভয়ারণ্য’র সদস্যরা। সংগঠনটির সভাপতি ইশতিয়াক ফেরদৌস ইমন বলেন, ‘প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্ত আমাদের মর্মাহত করেছে। আমরা এ বিষয়ের তীব্র নিন্দা জানাই।’

পরিবেশবাদী সংগঠন ‘গ্রীণ ভয়েস’-এর সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ ইমন বলেন, ‘আমরা প্রক্টর অফিসে কথা বলেছি। আমাদের বলেছে মৃতপ্রায় গাছ কাটা হচ্ছে। কিন্তু আমরা গিয়ে দেখলাম সবগুলো গাছ জীবিত। গাছ কেটে মঞ্চ তৈরি করা কোনোভাবে সুখকর নয়। অনেকস্থানে ফাঁকা জায়গা আছে সেখানেও মঞ্চ তৈরি করা যায়।’

ইবি শাখা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি মামুন অর রশীদ বলেন, ‘একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো লেখাপড়ার সঠিক মান নির্ধারণের মাধ্যমে ও গবেষণার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদেরকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করা। কিন্তু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার চেয়ে নাটক বেশি হয়। এজন্য হয়তো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এতো এতো মঞ্চ তৈরি করছে। আমরা বৃক্ষ নিধন করে নাটকের এমন মঞ্চ চাই না। আমরা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ বৃক্ষ নিধনের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুঈদ রহমান বলেন, ‘২৪ বছর আগে নিজস্ব অর্থায়নে এই গাছগুলো লাগিয়েছিলাম। বিষয়টি শুনে আমার খুব কষ্ট লেগেছে। ব্যাপারটা আমার জন্য বিব্রতকরও। গাছ না কেটে ভিন্ন কোনো ফাঁকা স্থানে মঞ্চ করতে পারতো।’

ধর্মতত্ব অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সিদ্দিকুর রহমান আশ্রাফী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড আমি নিরুৎসাহিত করছি না। তবে ক্লাস-পরীক্ষার সময়ে এসব জায়গায় অনুষ্ঠান করা উচিত না। এছাড়া একাডেমিক ভবনগুলোকে ঘিরে না করে অন্য স্থানে করা উচিত।’

এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌলশী (ভারপ্রাপ্ত) কে এম শরীফ উদ্দীন বলেন, ‘ওই জায়গায় মঞ্চ করলে গাঠ কাটা ছাড়া উপায় ছিল না। গাছগুলো মরা। যেকোনো সময় ডাল ভেঙ্গে পড়তে পারতো। এছাড়া গাছ জীবিত থাকলেও মঞ্চ করলে শিকড়ের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘ডিন, শিক্ষক সমিতির সভাপতিসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সাথে কথা বলেই গাছ কাটা হয়েছে। কোনো কাজের প্রয়োজন হলে গাছ কাটাই লাগে।’

তিনি আরও জানান, প্রয়োজনে পরবর্তীতে সারি সারি গাছ লাগিয়ে দেওয়া হবে।


ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়   শিক্ষক   শিক্ষার্থীরা  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

রাবির ভর্তিযুদ্ধে বিজয়ীরা যেসব বিষয় শিক্ষা গ্রহণ করে

প্রকাশ: ১০:৫৩ এএম, ০৪ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

প্রতি বছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার পর বাংলাদেশের লাখ লাখ শিক্ষার্থী স্নাতক ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) তে। ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায় মাত্র কয়েক হাজার শিক্ষার্থী। তাই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষাকে অনেকেই ভর্তিযুদ্ধ বলেন। রাবিতে পড়ার স্বপ্ন দেখা অনেকেরই জানা নেই  বিশ্ববিদ্যালয় টি তে কি কি পড়ানো হয়।

তাদের জন্য জানা যাক বিস্তারিত..

কলা অনুষদ: এই অনুষদের অধীনে রয়েছে ১২টি বিভাগ। বিভাগগুলো হলো: দর্শন, ইতিহাস, ইংরেজি, বাংলা, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, আরবী, ইসলামিক স্টাডিজ, নাট্যকলা, সংগীত, ফারসি ও ভাষা সাহিত্য, সংস্কৃত, উর্দু।

আইন অনুষদ: এই অনুষদে আছে আইন বিভাগ এবং আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগ।

বিজ্ঞান অনুষদ: এ অনুষদের অধীনে রয়েছে ৯টি বিভাগ। বিভাগগুলো হলো: গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, পরিসংখ্যান, প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান, ফার্মেসি, পপুলেশন সায়েন্স অ্যান্ড হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট।

বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ: এ অনুষদে রয়েছে ৬ টি বিভাগ। বিভাগগুলো হলো: হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ, মার্কেটিং, ফাইন্যান্স, ব্যাংকিং ও ইনস্যুরেন্স, ট্যুরিজম এণ্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ।

সামজিক বিজ্ঞান অনুষদ: এই অনুষদের অধীনে রয়েছে ১০টি বিভাগ। বিভাগগুলো হলো: অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজকর্ম, সমাজবিজ্ঞান, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, ইনফরমেশন সায়েন্স অ্যান্ড লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট, লোক প্রশাসন, নৃবিজ্ঞান, ফোকলোর, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ।

জীববিজ্ঞান অনুষদ: এ অনুষদে রয়েছে মনোবিজ্ঞান, উদ্ভিদবিজ্ঞান, প্রাণিবিদ্যা, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি, চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান ও মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ।

কৃষি অনুষদ: এই অনুষদের রয়েছে এগ্রোনমি অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন ও ক্রপ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগ।

প্রকৌশল অনুষদ: এই অনুষদে রয়েছে ৫টি বিভাগ। বিভাগগুলো হলো: ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, ম্যারেরিয়ালস সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ।

 

চারুকলা অনুষদ: এ অনুষদে রয়েছে চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র; মৃৎশিল্প ও ভাস্কর্য; গ্রাফিক ডিজাইন, কারুশিল্প ও শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগ।

ভূ-বিজ্ঞান অনুষদ: এ অনুষদে আছে ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা এবং ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগ।

ফিসারীজ অনুষদভুক্ত বিভাগ একটাই অর্থাৎ ফিশারিজ বিভাগ। ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্সেস অনুষদভুক্ত বিভাগ হলো ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্সেস বিভাগ।

ইনস্টিটিউট: রাবিতে দুটি ইনস্টিটিউট রয়েছে। সেগুলো হলো: ইনস্টিটিউড অব বিজনেস এ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) এবং শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউড (আই.ই.আর)।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ১২টি অনুষদের অধীনে ৫৯টি বিভাগে আসন রয়েছে ৩৯০৪ টি এবং ২ টি ইনস্টিটিডট এর অধীনে আসন রয়েছে ৯০ টি। এছাড়াও বিশেষ কোটায় আসন রয়েছে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ৬১ টি, শারিরীক প্রতিবন্ধী ১২২ টি। মুক্তিযোদ্ধার পুত্র/কন্যা, নাতি/নাতনীর জন্য প্রতি বিভাগের আসন সংখ্যার ৫%, রাবিতে কর্মরত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীর পুত্র/কন্যার জন্য প্রতি বিভাগের আসন সংখ্যার ৪% এবং বিকেএসপি কোটায় শারিরীক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের নির্ধারিত আসন সংখ্যার ২০%।


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়   (রাবি)  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

রাবির ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষ্যে ১০ ট্রেনে যুক্ত হচ্ছে অতিরিক্ত বগি

প্রকাশ: ০৩:৩৬ পিএম, ০১ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) সম্মান (স্নাতক) শ্রেণির প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের আওতাধীন ১০টি ট্রেনে অতিরিক্ত ১৫টি কোচ যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের রাজশাহীতে আসা-যাওয়ার জন্য ছয়টি ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ। 

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের সহকারী চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট মো. আব্দুল আউয়ালের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাবির ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে যাত্রীচাপ মোকাবিলায় আগামী ৪ মার্চ থেকে রাজশাহী-খুলনা রুটে সাগরদাড়ি এক্সপ্রেস, ৫মার্চ রাজশাহী-গোবরা রুটে টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস এবং রাজশাহী-ঢাকা-রাজশাহী রুটে পদ্মা এক্সপ্রেস, ৬ মার্চ রাজশাহী-চিলাহাটি-রাজশাহী রুটে তিতুমীর এক্সপ্রেস এবং রাজশাহী-ঢাকা-রাজশাহী রুটে ধূমকেতু এক্সপ্রেস এবং ৭ মার্চ রাজশাহী-ঢাকা-রাজশাহী রুটে মধুমতি এক্সপ্রেসের অফ-ডে (ছুটি) প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এ ছাড়া বনলতা ট্রেনে একটি, পদ্মা, ধূমকেতু ও সিল্কসিটি ট্রেনে দুইটি, তিতুমীর ট্রেনে একটি, বরেন্দ্র ট্রেনে একটি কোচ, সাগরদাঁড়ি ও কপোতাক্ষ ট্রেনে দুইটি করে কোচ, ঢালারচর এক্সপ্রেস এবং বাংলাবান্ধা ট্রেনে একটি করে অতিরিক্ত কোচ যুক্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আগামী ৫ মার্চ ‘সি’ ইউনিট, ৬ মার্চ ‘এ’ ইউনিট এবং ৭ মার্চ ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

ত বছরের ন্যায় এ বছরও দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষার সুযোগ থাকছে। এবারের ভর্তি পরীক্ষায় গত বছরের মতো ৮০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্নের মান হবে ১০০ নম্বর। এক ঘণ্টার পরীক্ষায় প্রতিটি বহুনির্বাচনি প্রশ্নের মান হবে ১.২৫।

এবার রাবির ভর্তি পরীক্ষার জন্য চূড়ান্ত আবেদন জমা পড়েছে এক লাখ ৮৫ হাজার ৫০০টি। সেই হিসাবে আসনপ্রতি আবেদন পড়েছে প্রায় ৪৭টি। মোট আসন তিন হাজার ৯৮৪টি। এর মধ্যে ‘এ’ ইউনিটে এক হাজার ৮৭২টি আসন রয়েছে। এ ছাড়া ‘বি’ ইউনিটে ৫১৫ ও ‘সি’ ইউনিটে আসন রয়েছে এক হাজার ৫৯৭টি।


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়   ভর্তি পরীক্ষ  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডে জবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু

প্রকাশ: ০২:৪৯ পিএম, ০১ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

রাজধানীর বেইলি রোডের ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএ (ইভেনিং) প্রোগ্রামের ১৩ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী শিক্ষার্থী মো. নুরুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) অগ্নিসংযোগের ঘটনা পর আহত ও নিহতদের নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজে। 

এসময় ঢাকা মেডিকেলে দগ্ধ হওয়া এক মরদেহের পকেটে পাওয়া যায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট আইডি কার্ড। মো. নুরুল ইসলামের (সেশন-২০১৮) এই শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে এমবিএর সন্ধ্যাকালীন কোর্সে ম্যানাজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের। খোঁজ পেয়ে তার বন্ধুরা কাঁদতে কাঁদতে ছোটাছুটি করছিলেন, চেষ্টা করছিলেন রাতের মধ্যে মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পাঠাতে।

এ শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো: হুমায়ুন কবীর চৌধুরী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

এছাড়াও বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ব্যাপক সংখ্যক প্রাণহানির ঘটনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং ট্রেজারার গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।


বেইলি রোড   অগ্নিকাণ্ড   শিক্ষার্থীর মৃত্যু   জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে রাবিতে অনশন

প্রকাশ: ০১:৫৩ পিএম, ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

গাজায় ইজরায়েলি আগ্রাসন ও গণহত্যার প্রতিবাদে এবং ক্ষুধার্ত ও তৃষ্ণার্ত মানুষের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে অনশনে বসেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ফ্রেন্ডস অফ পেলেস্টাইন। বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জোহা চত্বরে তারা এই কর্মসূচি শুরু করেন শেষ হবে বিকেল ৪ টায়। 

 

অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দিন বলেন, ‘গাজায় যে গণহত্যা চলছে তার ফলে সেখানে খাবারের সংকট এবং চিকিৎসার অভাবে অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে। সেখানে যে দুর্বিক্ষ নেমে এসেছে তা আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।

 

আমরা চাই দ্রুত এই ইজরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ হোক এবং খাবের যে রেস্ট্রিকশন অর্থাৎ বাহির থেকে খাবার আসতে না দেওয়া তা যেন বন্ধ হয়। বাংলাদেশে থেকে আমাদের তেমন কিছুই করার নেই তবুও আমরা মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে ফিলিস্তিনের প্রতি সহানুভূতি ও ইজরায়েলের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করছি’।

 

আরবি বিভাগের অধ্যাপক ইফতেখাউর আলম মাসুদ বলেন, ‘সারা বিশ্বের মানবতাবাদী মানুষেরা ইজরায়েলি জায়ান্টবাদি নীতি প্রত্যাখ্যান করছে,তবুও ফিলিস্তিনে ইজরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ হচ্ছে না। প্রতি বছরই রোজা আসলে তাদের আক্রমণাত্বক ভঙ্গি বেড়ে যায়। আমরা এখান থেকে কিছুই করতে পারবোনা কিন্তু আমাদের হৃদয়ের তারনা থেকে মানবতা বিরোধী এই অপকর্মের বিরুদ্ধে অবস্থান করছি।

 

আন্তর্জাতিক কূট রাজনৈতিক কারণে কিছু রাষ্ট্র ইজরায়েলের পক্ষ নিলেও অধিকাংশ রাষ্ট্র ইজরায়েলের অপকর্মের নিন্দা জানাচ্ছে। ইজরায়েলের এই নিকৃষ্ট কর্মকান্ডকে সরাসরি সমর্থন করে এমন রাষ্ট্র কমই পাওয়া যাবে। যারা এই কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করে তা কোনো রাষ্ট্রই হতে পারেনা, যতই গণতন্ত্রের কথা বলুক না কেন প্রকৃতপক্ষে তারা মানবতা বিরুধী’।

 

অর্থনীতি বিভাগের ২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মনিমুল হক বলেন, জায়ান্টবাদি নীতির নামে ফিলিস্তিনে যে গণহত্যা চালানো হচ্ছে তা আমরা কখনোই সমর্থন করিনা। আমরা এই জায়ান্টবাদিদের বিরুদ্ধে, তাদের এই নিকৃষ্ট অপকর্মের বিরুদ্ধে। 

 

এছাড়াও প্রতিবাদে অনশনে উপস্থিত ছিলেন, প্রকৌশল (অবসরপ্রাপ্ত) সাঈদুর রহলাম চৌধুরী, অর্থনীতি বিভাগের ২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো:মোকাররম হোসাইন, অর্থনীতি বিভাগের ২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তৌফিকুল ইসলাম ও অর্থনীতি বিভাগের ২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী গোলাম শাহরিয়ার মেহেদি।


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়   ফ্রেন্ডস অফ পেলেস্টাইন   অনশন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন