ইনসাইড হেলথ

দেশে ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৮০০ ছাড়াল

প্রকাশ: ০৯:২৩ পিএম, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩


Thumbnail দেশে ডেঙ্গুতে মৃত্যু ৮০০ ছাড়াল।

দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে ৮০৪ জনের মৃত্যু হলো। আর চলতি সেপ্টেম্বর মাসে এখন পর্যন্ত এডিস মশাবাহিত এ রোগে মৃত্যু হলো ২১১ জনের।

শনিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল শুক্রবার সকাল আটটা থেকে আজ শনিবার সকাল আটটা পর্যন্ত) ডেঙ্গুতে ঢাকায় পাঁচজন ও ঢাকার বাইরে নয়জন মারা গেছেন। এ সময় ডেঙ্গু নিয়ে ২ হাজার ৫৯৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৮৮১ জন এবং ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোয় ১ হাজার ৭১৭ নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

চলতি বছর ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫৬২ জন। তাঁদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ৭২ হাজার ৩৮৪ ও ঢাকার বাইরে ৯২ হাজার ১৭৮ জন রয়েছেন।

এর আগে দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড হয়েছিল গত বছর—২৮১ জন। এ ছাড়া ডেঙ্গুতে ২০১৯ সালে মৃত্যু হয়েছিল ১৭৯ জনের। ২০২০ সালে ৭ জন এবং ২০২১ সালে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয় ১০৫ জনের।


ডেঙ্গু   মৃত্যু   বাংলাদেশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

দৈনিক পুষ্টি চাহিদা অনুযায়ী কতটুকু খাবার প্রয়োজন?

প্রকাশ: ০৮:০৭ এএম, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

একজন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির পুষ্টি চাহিদা তার দৈনিক পরিশ্রম ও দেহের ওজনের উপর নির্ভর করে। খাবার পুষ্টিকর করার জন্য মোট ক্যালরির ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ বিভিন্ন প্রকার কার্বোহাইড্রেট থেকে, ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ স্নেহ পদার্থ থেকে এবং ১৫ থেকে ২০ শতাংশ প্রোটিন থেকে গ্রহণ করা উচিত।

প্রতিদিন সুষম ও বৈচিত্র্যপূর্ণ খাদ্য গ্রহণ করতে হবে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে নিরাপদ পানি পান করতে হবে। পুষ্টি চাহিদা অনুযায়ী কোন কোন খাবার কতটুকু গ্রহণ করতে হবে তা নিচে খাদ্য পিরামিডের মাধ্যমে উল্লেখ করা হলো-

একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের দৈনিক ২৭০ থেকে ৪৫০ গ্রাম চাল, আটা, ভুট্টা গ্রহণ করা উচিত। এর সাথে ৩০০ থেকে ৬০০ গ্রাম শাকসবজি এবং ১৫০ থেকে ৩৫০ গ্রাম মাছ, মাংস, ডিম খেতে হবে।

এ ছাড়া সুস্থ থাকার জন্য একজন মানুষকে প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪৫ মিলি তেল ও চর্বি এবং ৩০ থেকে ৬০ গ্রাম ডাল জাতীয় খাদ্য খেতে হবে।

মানুষের দৈহিক ও মানসিক বিকাশের জন্য কেবল ভাত-মাছ হলেই যথেষ্ট নয়। এর সাথে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের খাদ্য তালিকায় দুধ ও দুধ জাতীয় খাবার দৈনিক ১৫০ থেকে ৪৫০ মিলি, ফলমূল ১০০ থেকে ২০০ গ্রাম এবং চিনি ১৫ থেকে ২৫ গ্রাম থাকতে হবে।

প্লেট পদ্ধতিতে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির দুপুরের পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের অনুপাত (ওজনের ভিত্তিতে):  

এ পদ্ধতে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির দুপুরের খাবারের সাথে ৪০০ গ্রাম ভাত (৫৩%), ২০০ গ্রাম মিশ্রিত সবজি (১৫%), ৫০ গ্রাম মাছ, মাংস, ডিম (৬%), ১০০ গ্রাম শাক (১৫%), ২০ গ্রাম ডাল (৪%) এবং ৫০ গ্রাম মৌসুমী ফল (৭%) থাকতে হবে।


পুষ্টি   চাহিদা   খাবার  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

ত্বকের সঠিক পরিচর্যা

প্রকাশ: ০৮:০৯ এএম, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

ত্বক ভালো রাখতে দুটো জিনিসের সাথে কোনো আপোষ নয়। প্রথমত উন্নত মানের ত্বক উপযোগী প্রসাধনী ব্যবহার করতে হবে আর দ্বিতীয়ত নিয়মিত ব্যবহার করা।

সকালে ও সন্ধ্যায় ত্বক পরিচর্যার রুটিন যদিও একই। তারপরেও সেখানে সামান্য কিছু পার্থক্য রয়েছে।

সারারাতে ত্বকে হারিয়ে যাওয়া আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনতে এবং ত্বককে সারাদিন বাইরের প্রতিকূলতা থেকে সুরক্ষিত রাখতে হলে সকালে ত্বকের যত্ন নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

সকালে যেসব উপকরণ ব্যবহার করা উচিত

যদিও প্রত্যেকের ত্বকের ধরন আলাদা এবং সেই অনুযায়ী রূপচর্চার প্রসাধনী ব্যবহার করতে হয়। তবে কয়েকটি বিষয় সকলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

যুক্তরাষ্ট্রের ‘সিলভার মিরর ফেইশল বার’য়ের সৌন্দর্যবিশেষজ্ঞ এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা র্যাচেল গ্যালো বলেন, “তিন চারটি প্রসাধনী দিয়ে ত্বক পরিচর্যা শুরু করতে হবে এবং তা নিয়মিত ব্যবহার করা উচিত। প্রসাধনী কাজ করছে না, সেটা বলার আগে সপ্তাহে কমপক্ষে দুবার প্রসাধনীগুলো ব্যবহার করতে হবে।”

“সকালে ত্বকে সাধারণ পরিচর্যা যেমন- ত্বক পরিষ্কার রাখা, ভিটামিন সি সিরাম, ময়শ্চারাইজার এবং সানস্ক্রিন ইত্যাদি ব্যবহার করতে হয়”- রিয়েলসিম্পল ডটকম’য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে পরামর্শ দেন গ্যালো।
এছাড়াও আর্দ্রতা রক্ষাকারী উপাদান সমৃদ্ধ টোনার, সেরাম, ও ট্রিটমেন্ট ইত্যাদি ব্যবহার করা যায়।

সকালের ত্বক পরিচর্যার ধাপ সমূহ

কী প্রসাধনী ব্যবহার করতে হবে সেটা জানা এক বিষয়। আর কীভাবে ব্যবহার করতে হয় সেটা আরেক বিষয়।

ধাপ ১: মুখ ধোয়া

সকালে উঠে প্রথমে মুখ ভালো মতো ধুয়ে নিতে হবে। যদিও এ নিয়ে বিতর্ক আছে। কেউ মনে করেন সকালে ঘুম থেকে উঠে ভালোমতো মুখ ধোয়া জরুরি। আবার অনেকে মনে করেন কেবল পরিষ্কার পানি মুখে ঝাপটা দেওয়াই ত্বকের জন্য যথেষ্ট।
গ্যালো বলেন, “তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীদের সকালে এবং সন্ধ্যায় মুখ ধুতে হবে। এতে ত্বকের পিএইচ’য়ের ভারসাম্য বজায় থাকে। তবে ত্বক যদি শুষ্ক অথবা পানিশূন্য হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে কেবল সন্ধ্যায় মুখ পরিষ্কার করতে হবে, এতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে।”

ধাপ ২: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ব্যবহার

সারাদিনে ফ্রি রেডিকেল ত্বকে নানাভাবে ক্ষতি করে যেমন- বয়সের ছাপ, বলিরেখা, ত্বক ঝুলে যাওয়া, হাইপার পিগমেন্টেইশন ইত্যাদি।
বোর্ড নিবন্ধিত মার্কিন ত্বক বিশেষজ্ঞ শারি স্পার্লিং বলেন, “দিনে ব্যবহার উপযোগী সেরাম, যাতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেমন- ভিটামিন সি, গ্রিন টি অথবা রেসভেরাট্রল ইত্যাদি সকালে ত্বকের পরিচর্যায় ব্যবহার করা যায়।”

ধাপ ৩: ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার

সকালে ত্বকের যত্নে পরবর্তী ধাপ হল মশ্চারাইজার ব্যবহার। এটা ত্বকের হারিয়ে যাওয়া আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনে এবং বিকাল পর্যন্ত ত্বক আর্দ্র রাখতে সহায়তা করে।
গ্যালো বলেন, “সকালে ব্যবহারের ক্ষেত্রে হালকা মশ্চারাইজার ব্যবহার করা ভালো। এটা মেইকাপের প্রাথমিক ভিত্তি হিসেবেও কাজ করে।”

ধাপ ৪: সবশেষে সানস্ক্রিন ব্যবহার

সানস্ক্রিন ব্যবহার করে শুকানোর জন্য দুয়েক মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। সানস্ক্রিনের সাথে কোনো আপোষ নয়।
ডা. স্পার্লিং বলেন, “ত্বক পরিচর্যার শেষ ধাপ হল সানব্লক এবং তা সারা বছর ধরে। বাইরে যাওয়ার ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে এসপিএফ ৩০ বা তার বেশি মাত্রার সানব্লক ব্যবহার করতে হবে। এতে ত্বক সানব্লক শোষণের জন্য যথেষ্ট সময় পায় এবং সঠিক সুরক্ষা দিতে পারে।”

প্রয়োজনে বাড়তি কিছু যোগ করা

ত্বক ভালো রাখতে সকালের স্বাভাবিক ত্বক পরিচর্যার পাশাপাশি ত্বকের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী উপাদান যোগ করা যেতে পারে। যেমন- যাদের ত্বক শুষ্ক তারা আর্দ্রতা রক্ষাকারী টোনার, সেরামের আগে ব্যবহার করতে পারেন। যাদের ত্বক ব্রণ প্রবণ তারা ব্রণের ট্রিটমেন্ট এই সময় ব্যবহার করতে পারেন।
ত্বক তৈলাক্ত হলে ম্যাটিফাইং টোনার বা প্রাইমার ইত্যাদি ব্যবহার করে ত্বকে চিটচিটেভাব কমানো যায়। আই ক্রিম খুব ভালো উপাদান। এটা চোখের ফোলাভাব, কালো দাগ দূর করতে এবং চোখ উজ্জ্বল দেখাতে সাহায্য করে।
এই বিষয়ে নিউ ইয়র্ক’য়ের ‘নেইনস্টেইন প্লাস্টিক সার্জারি’র ডা. তারা আদাশেভ বলেন, “আমার রোগীদের বিভিন্ন রকম প্রসাধনী ব্যবহারের ক্ষেত্রে শোষিত হওয়ার জন্য যথেষ্ট সময় দেওয়ার পরামর্শ দেই। এক্ষেত্রে কম ঘনত্ব থেকে বেশি ঘনত্বের দিকে প্রসাধনী ধারাবাহিকভাবে ব্যবহার করতে হবে।”

সকালের ত্বক পরিচর্যার অভ্যাস গড়তে হলে

নিয়মিত পরিচর্যার ফলে ত্বক হয়ে ওঠে সুন্দর। আর এই অভ্যাস গড়তে হলে যা করা লাগবে তাহল-

নিজেকে যত্ন করার অভ্যাস রপ্ত করা

ডা. স্পার্লিং বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি দিনের শুরুতেই ত্বকের যত্ন করার বিষয়টা বেশ আরামদায়ক। ত্বক পরিচর্যা যেমন- নিজের যত্নের একটি অংশ একইভাবে তা মন ভালো রাখতে এবং সারা দিনের জন্য খুব ভালো কিছু অনুভূতির জোগান দিতে ভূমিকা রাখে।”


ত্বক   পরিচর্যা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

মৌসুম পরিবর্তনে বাড়ে অসুস্থতা, জরুরি সতর্কতা

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

ষড়ঋতুর দেশে বছরজুড়েই বদলাতে থাকে পরিবেশ, আবহাওয়া। কখনো তপ্ত রোদ, কখনো কুয়াশা, কখনো বৃষ্টি-বরষা। মৌসুমের পালা বদলে পরিবর্তন হয় শারিরীক-মানসিক পরিস্থিতি। তবে, প্রতিটি ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ে শারিরীক অসুস্থতা। পরিবর্তনের সঙ্গে যারা মানিয়ে নিতে সক্ষম তাদের থেকে দুর্বলদের অসুবিধা বেশি হয়। আর তািই বিশেষজ্ঞগণ বলছেন, ঋতু পরিবর্তনের কারণে কমবেশি সবাই ভাইরাল জ্বর, সর্দি, কাশিতে ভোগেন। আসলে ভাইরাল ইনফেকশন খুব দ্রুত ছড়ায়। কোভিডও কিন্তু ভাইরাল ইনফেকশন, এ কারণে দ্রুত করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছিল সবার মধ্যে।

তবে বর্তমানে কোভিড নিয়ন্ত্রণে থাকলেও প্রভাব বিস্তার করছে অন্যান্য ভাইরাস। তাই সচেতন হওয়া ছাড়া কোনো উপায়। এক্ষেত্রে ভাইরাসগুলো দ্রুত নিজের প্রভাব বিস্তার করে ছোট-বড় সবাইকে সমস্যায় ফেলছে। ভাইরাল ইনফেকশন বিভিন্ন ধরনের হয়। যার মধ্যে অন্যতম হলো ইনফ্লুয়েঞ্জাসহ অ্যাডিনোভাইরাস। চলুন জেনে নেওয়া যাক এর লক্ষণসমূহ-

১. জ্বর

২. সর্দি

৩. কাশি

৪. মাথাব্যথা

৫. শরীরে ব্যথা

৬. বমি

৭. ডায়রিয়া

৭. ক্লান্তি ইত্যাদি।


ভাইরাল ইনফেকশন প্রতিরোধে যা করা জরুরি-

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভাইরাল ইনফেকশন থেকে বাঁচতে হলে হাত ধুতে নিয়মিত। কারণ হাতের থেকে মুখ হয়ে বেশিরভাগ ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে। তাই হাত ধুয়ে নেওয়া ছাড়া উপায় নেই। সময় পেলেই ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন। ছোটদেরও এই শিক্ষা দিন। তবেই রোগ থেকে মুক্তি পাবেন সহজে।

পরিবারে কারও ভাইরাল ইনফেকশন হোক বা না হোক ব্রাশ, তোয়ালে ইত্যাদি একেজনেরটা অন্যজন ব্যবহার করবেন না। হয়তো শরীরে ভাইরাস থাকার পরও কোনো লক্ষণ আপনার দেখা দেয়নি। আপনি অ্যাসিম্পটোমেটিক। তাই সতর্ক থাকুন।

হাঁচি, কাশির সময় মুখ থেকে বেরিয়ে আসে তরল বিন্দু। এই তরল বিন্দুর নাম হলো ড্রপলেট। জানলে অবাক হবেন, এই ড্রপলেটে কিন্তু অসংখ্য ভাইরাস থাকে। তাই চেষ্টা করুন হাঁচি-কাশির সময় নাকে-মুখে হাত দিয়ে রাখার। সম্ভব হলে নিয়মিত মাস্ক পরুন।

এ সময় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন সি যুক্ত খাবার বেশি করে খেতে হবে। বিশেষ করে লেবু খান। পাশাপাশি প্রতিদিন ব্যায়াম করুন। ৩০ মিনিট ব্যায়াম করলেও ইমিউনিটি বাড়ে।

ছোট থেকে বড় সবারই উচিত এখন ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের টিকা নেওয়া। এই টিকা নিলে ভাইরাল ইনফেকশন গুরুতর দিকে যায় না। এ সময় পরিবারে কারও হাঁচি, কাশি, জ্বর হলে তাঁকে আলাদা রাখার চেষ্টা করুন। পাশাপাশি দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।


ষড়ঋতু   বছর   বদলা   আবহাওয়া  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

‘হাসপাতালগুলোতে মঙ্গলবার থেকে অভিযান’

প্রকাশ: ০১:২৬ পিএম, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

আগামী মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে হাসপাতালে অভিযান শুরু হবে। একই সঙ্গে হাসপাতাল এবং চিকিৎসকের গাফিলতিতে কোনো শিশুর মৃত্যু হলে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। হাসপাতালগুলোর ব্যবস্থাপনা তদারকি করতে অভিযান শুরু করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে স্বাস্থ্যখাত সংক্রান্ত সাম্প্রতিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি নিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গাফিলতির কারণে কোনো শিশুর মৃত্যু হলে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। যিনি দোষী হবেন সঙ্গে সঙ্গে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন।

ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, সঠিক ব্যবস্থাপনায় হাসপাতালগুলো পরিচালিত হচ্ছে কিনা, এ বিষয়ে মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) থেকেই অভিযান শুরু করা হবে।


হাসপাতাল   অভিযান   চিকিৎসক   গাফিলতি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড হেলথ

আবারও সংক্রমণ বাড়ছে করোনা, বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা

প্রকাশ: ১০:৫৩ এএম, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

আবারও সংক্রমণ বাড়াচ্ছে কভিড-১৯ ভাইরাস। ভাইরাসটি দুর্বল হয়ে আলোচনার বাইরে চলে গেলেও নতুন বছরের শুরুতেই দেশে বাড়তে শুরু করছে করোনা রোগী। সাথে মৃত্যুও বাড়ছে ক্রমাগতভাবে।

চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি থেকে টানা ৩৫ দিন ৫ শতাংশের ওপরে রয়েছে শনাক্তের হার। ২৪ ঘণ্টায়, অর্থাৎ বুধবার সকাল থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত দেশে ৭১৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৭৩ জনের দেহে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের ১০.১৮ শতাংশ। এ সময়ে মারা গেছেন একজন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রটোকল অনুযায়ী টানা তিন থেকে চার সপ্তাহ করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে ধরে নেওয়া হয়। এর ওপরে উঠলেই সংক্রমণ রোধে সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি বয়স্ক ও দীর্ঘমেয়াদি রোগে ভোগা ব্যক্তিদের দ্রুত টিকা নেওয়া উচিত।

গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) উপদেষ্টা ও সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, ‘করোনা এখনো মহামারি পর্যায়ে যায়নি। তবে সংক্রমণ বেড়ে গেছে, মৃত্যু বেড়ে গেছে। আমাদের এখানে বর্ষায় ও গরমে এটা বাড়ে। তাই সামনে আরও বাড়ার আশঙ্কা আছে। তখন মৃত্যুও বাড়বে।

তবে করোনা মোকাবিলা আমাদের কাছে নতুন কিছু নয়। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই, তবে অবশ্যই    উদ্বিঘ্ন হতে হবে। হেলাফেলা করলে বিপদ আসতে সময় লাগবে না। স্বাস্থ্যবিধিগুলো আমাদের দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করা উচিত।

বয়স্ক ও দীর্ঘমেয়াদি রোগে ভোগা ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের চতুর্থ ডোজ টিকা দিয়ে ফেলতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের দেওয়া দৈন্দিন করোনা সংক্রমণ বিষয়ক তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে- ১০ জানুয়ারি থেকে দৈনিক শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে থাকছে। মাঝে ১৩ ও ১৮ জানুয়ারি ২ দিন ৫ শতাংশের নিচে নামলেও আর কখনো এর নিচে নামেনি। ফেব্রুয়ারির অধিকাংশ দিন শনাক্তের হার ৬ থেকে ৯ শতাংশের মধ্যে থাকছে।

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন পাঁচজন। ফেব্রুয়ারির ২২ দিনেই পাঁচজনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

এরই মধ্যে দেশে ভাইরাসটির অমিক্রন ধরনের উপধরন জেএন.১ আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। শনাক্ত হওয়া রোগীদের কেউই বিদেশ ভ্রমণ করেননি। এমন পরিস্থিতিতে সবাইকে মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। বয়স্ক ও দীর্ঘমেয়াদি রোগে ভোগা উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের চতুর্থ ডোজ টিকা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ৩ জানুয়ারি কভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি জানায়, বিশ্বের বেশ কিছু দেশ কভিড-১৯ সংক্রমণ আর এই ভ্যারিয়েন্ট বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণ করেছে। সে পরিপ্রেক্ষিতে জনসাধরণকে মাস্ক পরাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দেয় কমিটি। বিদেশফেরত যাত্রীদের স্ক্রিনিং করা এবং উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের চতুর্থ ডোজ টিকা দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়।

কমিটির পরামর্শ আমলে নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামান্ত লাল সেন জানান, দেশে হঠাৎ করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীসহ সাধারণ মানুষকে করোনা টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী দুই বছর আড়াই কোটি মানুষকে চতুর্থ ডোজ টিকা দেওয়া হবে। চলতি বছর পাবে ১ কোটি ২৫ লাখ মানুষ।

এদিকে শ্রেণিভুক্ত করে কড়া নজরে রেখেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনার এই উপধরনকে ‘ভ্যারিয়েন্ট অব ইন্টারেস্ট’ হিসেবে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন ধরন জেএন.১-এর লক্ষণ আগের ধরনগুলোর মতোই। যেমন- জ্বর, সর্দি, কাশি, গলাব্যথা, মাথাব্যথা, স্বাদ বা গন্ধ হারানো, ক্লান্তি ইত্যাদি।

এ ছাড়া গুরুতর লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে শ্বাসকষ্ট, বুকব্যথা, ডায়রিয়া ও বিভ্রান্ত বোধ।


কভিড-১৯ ভাইরাস   বিশেষজ্ঞ সতর্কবার্তা   করোনা ভাইরাস  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন