কালার ইনসাইড

এবার সেলিব্রেটি ক্রিকেট লিগ নিয়ে কড়া সমালোচনা করলেন দীঘি

প্রকাশ: ০৯:২৬ এএম, ০২ অক্টোবর, ২০২৩


Thumbnail

দেশের তারকাদের নিয়ে আয়োজিত সিসিএলের মারামারির ঘটনা এখন ‘টক অব দ্য টাউন’-এ পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে সমালোচনা যেমন হচ্ছে, তেমনি হাস্যরসেও মজেছে নেটিজেনদের বড় একটা অংশ।

রোববার (০১ অক্টোবর) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমার মুক্তি উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানে সিসিএল নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন দীঘি।

দীঘি বলেন, ‘সিসিএল- এ সিনেমার আর্টিস্ট কয়জন আছে, আমাদের বড় পর্দার আর্টিস্ট কয়জন ছিলো? সেলিব্রেটি ক্রিকেট লিগ হওয়া উচিত ছিলো সেলিব্রেটিদের নিয়েই। আমি যাকে দেখবো, তাকেই যেন চিনতে পারি! এখানে যদি ডিওপি, এডিটর, এডি- এরা যদি ঢুকে পড়ে তাহলে তাদের খেলা কেনই বা দেখবে মানুষ?’

সিসিএলে বড়পর্দার অভিনয়শিল্পীদের সংখ্যা কম ছিল উল্লেখ করে এই চিত্রনায়িকা বলেন, ‘সিসিএলে দেখেছি ছোট পর্দার অনেক মানুষ। ছোট পর্দার মানুষ থাকা কোনো খারাপ না, তারাও সেলিব্রেটি। কিন্তু বড় পর্দা থেকে মানুষ না নেয়াটা খারাপ। বড় পর্দার মানুষ টিমে থাকলে তাকে বসিয়ে রেখে অন্যান্য মানুষকে খেলানোটা খারাপ।’

দীঘি আরও বলেন, “সামনে এরকম টুর্নামেন্ট হলে আয়োজকদের আরও বেশি দায়িত্বশীল হওয়া উচিত। পুলিশ প্রটেকশান রাখা উচিত এবং সেলিব্রেটি ক্রিকেট লিগ বলতে আমরা যেটা বুঝি, সামনে টুর্নামেন্ট হলে আমি সেখানে আরো বেশি সেলিব্রেটি মুখ দেখতে চাই। কারণ আমার বাবা প্রথমদিন খেলা দেখতে গিয়ে বলেছে, এটা কোনোভাবেই সেলিব্রেটি ক্রিকেট লীগ হতে পারে না।’’

উল্লেখ্য, শুক্রবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে মারামারির ঘটনার জেরে সেলিব্রেটি ক্রিকেট লিগ (সিসিএল) সাময়িক স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ।

 

 

 

 


সেলিব্রেটি ক্রিকেট লিগ   সিসিএল   দীঘি   সমালোচনা  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

ইন্ডিয়ান আইডল ১৪-এর চ্যাম্পিয়ন বৈভব

প্রকাশ: ০৩:৫০ পিএম, ০৪ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

ভারতের জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ইন্ডিয়ান আইডল। রবিবার (৩ মার্চ) ছিল এর ১৪ নম্বর সিজনের ফাইনাল। এবারের ট্রফি উঠেছে কানপুরের বৈভবের হাতে। খবর : ইন্ডিয়া টুডে

টপ সিক্স দিয়ে শুরু হওয়া ফাইনাল অনুষ্ঠানের দিনে নাম ছিল ফরিদাবাদের আদ্য মিশ্র, কলকাতার অনন্যা পাল ও শুভদীপ দাস চৌধুরী, বেঙ্গালুরুর অঞ্জনা পদ্মনাভন, কানপুরের বৈভব গুপ্তা, রাজস্থানের পীযুশ পানওয়ার-এর। সবাইকে পেছনে ফেলে শেষ হাসি হাসেন বৈভব গুপ্তা।

পুরস্কার হাতে নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বৈভব বলেন, ‘এই শোয়ে প্রথম যেদিন আসি। সেদিন থেকেই আমি স্বপ্ন দেখতে থাকি সেরা হবা। সেই স্বপ্ন পূরণের চেষ্টায় আমি কোনো কমতি রাখিনি। আমার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। আজ মা বেঁচে থাকলে অনেক খুশি হতেন। এই প্ল্যাটফর্ম থেকেই সংগীতে আমি অনেক দূর যেতে চাই।’

এবারের ইন্ডিয়ান আইডল ১৪-এর সিজনে বিচারকের আসনে ছিলেন শ্রেয়া ঘোষাল, বিশাল দাদলানি ও কুমার শানু।


ইন্ডিয়ান আইডল ১৪-   শ্রেয়া ঘোষাল   বিশাল দাদলানি   কুমার শানু  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

বিচ্ছেদ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে কি বললেন জয়া?

প্রকাশ: ১২:৩৬ পিএম, ০৪ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। জানান, অভিনয়ে আসা থেকে অভিনয়কে ভালোবাসা, নাটক ছেড়ে বড় পর্দায় নিজের নাম লেখানো এবংকি চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ বিচ্ছেদের প্রসঙ্গ।

ভারতীয় গণমাধ্যম ফিল্মফেয়ারের সাক্ষাৎকারে জয়া বলেন, “বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির বর্তমান সময়ের একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। গত বছর তিনি “কড়ক সিং” ওয়েব ফিল্ম দিয়ে বলিউডে নাম লিখিয়েছেন। তিনি নারী চরিত্রটিকে অনন্য এক মর্যাদায় নিয়ে গিয়েছেন। তার অভিনয়দক্ষতা হিন্দি সিনেমার দর্শকদের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।”

ফিল্মফেয়ারের সাক্ষাৎকারে প্রতিবেদনে আরও লেখা হয়, জয়া সেরা অভিনেত্রী হিসেবে ফিল্মফেয়ার, ক্রিটিকস অ্যাওয়ার্ডসহ একাধিক বিদেশি পুরস্কার যেমন ঝুলিতে ভরেছেন, তেমনি ছয়বার বাংলাদেশের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছেন।”

এর আগেও বলিউডে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছিলেন কি?

এমন প্রশ্নের উত্তরে জয়া জানান, বেশ কিছু কাজের সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ‘কড়ক সিং’ দিয়ে শুরু করা তার কাছে উপযুক্ত সময় মনে হয়েছে। ছোট হলেও চরিত্রটির নানা স্তর তাকে সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করেছে।

অভিনয় শুরুর দিকে জয়ার তেমন কোনও পরিকল্পনা ছিল না। তবে সৃষ্টিশীল মাধ্যমে কাজ করার অদম্য ইচ্ছা ছিল।

অভিনেত্রী আরও জানান, তিনি পড়াশোনায় খুবই ভালো ছিলেন। পাশাপাশি গান ও ছবি আঁকায় আলাদা মনোযোগ ছিল। আবার শৈশব থেকে অভিনয়ও তাকে টানত। কিন্তু তার পরিবারের কারও সঙ্গে মিডিয়ার কোনও যোগসূত্র ছিল না। অভিনয়ের স্কুলেও তার পড়া হয়নি। নিজের মতো করেই একটু একটু করে অভিনয়ের পথে পা বাড়ান। যদিও তার মুক্তিযোদ্ধা বাবা এ এস মাসুদ চাইতেন, মেয়ে ফরেন সার্ভিসে যোগদান করুক। কিন্তু সেদিকে জয়ার আগ্রহ ছিল না।

ফিল্মফেয়ারের এই সাক্ষাৎকারে জায়ার ক্যারিয়ার নিয়ে নানা প্রসঙ্গে উঠে আসে। পরবর্তী সময়ে তার বিবাহবিচ্ছেদ এবং পরে কাজের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া প্রসঙ্গও উঠে আসে।

এ সময় জয়া আহসান বলেন, ‘উত্থান-পতন প্রত্যেক মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটা যুদ্ধের মতো। সেই সময়ে আমার মানসিক ধারণাটাই পরিবর্তন হয়ে গেল। আমি পুরোপুরিভাবে কাজের দিকে দৃষ্টি ঘোরাই। সাধারণত সেই সময়ে মেয়েরা অনেক কিছু থেকেই বিচ্যুত হয়ে পড়ে। এমনকি ফোকাস থেকেও সরে যায়। কিন্তু আমার কাজ আমাকে সান্ত্বনা দিয়েছে। যে কারণে আমি কাজকেই ভালোবেসেছি। আমি কখনওই কাজ থেকে দূরে সরিনি। আমি আমার এই যাত্রাকে ভালোবাসি। এর মধ্য দিয়েই মানুষ আমার প্রশংসা করেন, আমি কাজকেই সম্মান করি’।


জয়া আহসান   বিচ্ছেদ  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

অনন্ত আম্বানির ঘড়ি দেখে মুগ্ধ জাকারবার্গের স্ত্রী

প্রকাশ: ১০:১৭ এএম, ০৪ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

জামনগরে তিন দিন ধরে চলেছে অনন্ত আম্বানি এবং রাধিকা মার্চেন্টের প্রাক বিবাহ অনুষ্ঠান। আগামী জুলাই মাসে তাঁদের বিয়ে। তার আগেই গমগম করল জামনগরের আবহ। এই অনুষ্ঠানে দেশে বিদেশের একাধিক তারকা, শিল্পীরা এসেছেন। সেই অনুষ্ঠানেই যোগ দিয়েছিলেন মেটার সিইও মার্ক জাকারবার্গ এবং তাঁর স্ত্রী প্রিসসিলা চ্যান।

সম্প্রতি একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে অনন্ত আম্বানির সঙ্গে কথা বলছেন ফেসবুকের  মার্ক জাকারবার্গ এবং তার স্ত্রী। তখনই তাদের নজর যায় অনন্তের হাতে। তিনি একটি ১৪ কোটি টাকার রিচার্ড মিলির ঘড়ি পরেছিলেন। সেটা দেখেই মুগ্ধ হয়ে যান মার্ক এবং চ্যান।

চ্যান অনন্তকে বলেন, 'ঘড়িটা তো দুর্দান্ত। দারুণ দেখতে।' সেটা শুনে মার্ক সম্মতি জানিয়ে বলেন, 'হ্যা, আমি ওকে আগেই বলেছি।' এরপর তিনি জানান, 'আমি কখনো ঘড়ি কিনতে চাইনি। কিন্তু এটা দেখে মনে হচ্ছে ঘড়ি বেশ দারুণ একটা ব্যাপার। আমারও এটা চাই।'


অনন্ত আম্বানি   ঘড়ি   মার্ক জাকারবার্গ   প্রিসসিলা চ্যান  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

চলন্ত ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিয়েছিলেন অঙ্কিতা! নেপথ্যে কারণ কি?

প্রকাশ: ০৮:৫১ এএম, ০৪ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

ভারতের আলোচিত অভিনেত্রী অঙ্কিতা লোখান্ডে। প্রায়ই বিভিন্ন কারণে আলোচনায় থাকেন তিনি।  বহু দিন ধরেই অঙ্কিতা কাজ করছেন টেলিভিশনে। ‘পবিত্র রিশতা’ সিরিয়ালে অভিনয় করার পরেই প্রচারের আলোয় আসেন তিনি। তাছাড়া জনপ্রিয় অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের প্রেমিকা হিসেবেও এক সময়ে পরিচিতি ছিল তার।

সম্প্রতি অঙ্কিতাকে নিয়ে বেশি চর্চা হচ্ছে অন্য কারণে। সৌজন্যে অবশ্যই ‘বিগ বস ১৭’। বিগ বস-এর ঘরে প্রতিযোগী হিসেবে প্রবেশ করার পর থেকেই চর্চায় উঠে আসেন অঙ্কিতা। বিগ বস-এর ঘরে স্বামী ভিকি জৈনের সঙ্গে যে আচরণ করেছিলেন অঙ্কিতা, তার জন্য তাকে নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। তবে নিন্দুকেরা অবশ্য বলেছিলেন, সবটাই নাকি প্রচার পাওয়ার জন্যই করছেন অঙ্কিতা।

কিন্তু অঙ্কিতা তার পারফরম্যান্সে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি সমালোচনাকে ভয় পান না। সমালোচনায় ভয় না পেলেও সম্প্রতি অঙ্কিতা তার জীবনের এক ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, “আমি ট্রেনকে খুব ভয় পাই। একবার লোকাল ট্রেন থেকে পড়ে গিয়েছিলাম।“

অঙ্কিতা জানান, চার্চগেট রেলওয়ে স্টেশনে তিনি একটি দ্রুতগামী ট্রেনে উঠে পড়েন, কিন্তু  তার বন্ধুরা একটি লোকাল ট্রেনে। ওই সময় বন্ধুরা তাকে দ্রুতগামীর ওই ট্রেন থেকে নামতে বলে। আর সঙ্গে সঙ্গে তিনি ঝাঁপ দেন ট্রেন থেকে।

তিনি বলেন, “আমি যখন ট্রেন থেকে লাফ দিয়েছি, আমি গড়িয়ে পড়লাম। সেই যাত্রায় আমি কোনওরকমে বেঁচে গিয়েছিলাম।”

অঙ্কিতা আরও বলেন, “এটাই ছিল আমার শেষ ট্রেন যাত্রা। যাই হোক, ছোটবেলা থেকেই ট্রেনকে ভয় পেতাম।”

অঙ্কিতা লোখান্ডে, যিনি মূলত ইন্দোরের বাসিন্দা, মুম্বাইতে বিশ বছরেরও বেশি সময় কাটিয়েছেন। তিনি এখন তার স্বামী ভিকি জৈনের সাথে শহরে থাকেন। 


অঙ্কিতা লোখান্ডে   ভারতের অভিনেত্রী  


মন্তব্য করুন


কালার ইনসাইড

এক এসএমএসকে কেন্দ্র করেই বিচ্ছেদের পথে হেঁটেছেন মাহি

প্রকাশ: ১২:৫৩ পিএম, ০৩ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

গত মাসের ১৬ তারিখে ফেসবুক ভিডিও বার্তায় বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়ে বর্তমানে স্বামী রকিব সরকারের সঙ্গে সংসার করছেন না বলে জানান ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। সেই সাথে একই ছাদের নিচে থাকছেন না তারা। তবে সংসার ভাঙনের কারণ এখনো ঘোলাটে। বিচ্ছেদ হলেও তার প্রাক্তন স্বামীর প্রতি পূর্ণ সম্মান রয়েছে বলে জানান মাহি।

মাহিয়া মাহি জানান, মাথায় পিস্তল ধরলেও রকিবকে নিয়ে কখনো বাজে মন্তব্য করবেন না তিনি।

অন্যদিকে রাকিবও বলেছেন, প্রাক্তন হলেও মাহির সম্মান তার কাছে বড়। নিজের স্ত্রীকে কখনো ছোট করে কিছু বলতে পারবেন না তিনি।

পরষ্পরের প্রতি এমন নেতিবাচক বক্তব্যের পরে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কেন এ সম্পর্কের ভাঙন ? তবে বহু দিন চুপ থাকআর পর মুখ খোলেন রাকিব সরকার।

রকিব সরকার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গত বছরের জুন মাস একসঙ্গে থাকছিনা। আমি ও মাহি উত্তরার বাসায় আলাদা থাকতাম’।

কেনো বাসায় আলাদা থাকতেন এমন প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রীর স্বামী বলেন, ‘আমার মোবাইলে আসা আমারই পরিবারেরই একজনের একটি ‘এসএমএস’কে কেন্দ্র করে মাহির মন খারাপ হয়। এরপর সে আমার বাসা থেকে তার মায়ের বাসায় চলে যায়।

তিনি আরও বলেন, মাহি বাসা ছেড়ে চলে যাওয়ার পর তাকে অনেকবার ফিরিয়ে আনার ব্যর্থ চেষ্টা করে করেছি। একপর্যায়ে আমি নিজেই মাহির সাথে তার মায়ের বাসায় উঠি। দুই পরিবারের সদস্যরা মিলেও মাহিকে বোঝাতে সক্ষম হইনি। আমাদের সম্পর্ক নিয়ে বিভ্রান্তিতে ভুগছে মাহি। এভাবেই একের পর এক দিন আমরা আলাদা থেকেছি। তবে শেষ পর্যন্ত বোঝাতে ব্যর্থ হয়ে বিচ্ছেদের পথে।

বিচ্ছেদ প্রসঙ্গে রকিব বলেন, মাহির পক্ষ থেকে যে সিদ্ধান্ত এসেছে, তা এখন ৯৯ ভাগই বিচ্ছেদের পথে। এক ভাগ নিয়েও আমি আশাবাদী। চেষ্টা করে যাচ্ছি সংসারটা টিকিয়ে রাখতে। কারণ পরিবারের অমতে গিয়ে এই বিয়েটা করা। শত বাঁধা অতিক্রম করে ভালোবেসে বিয়ে করেছি।

গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ফেসবুকে এক ভিডিওবার্তায় স্বামী রকিব সরকারের সঙ্গে বিয়েবিচ্ছেদের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদের ব্যাপারে তখন কিছুই জানাননি তিনি। কিন্তু এরপর থেকে ফেসবুকে বিভিন্ন সময় একাকিত্ব ও আস্থাহীনতার বিষয় নিয়ে ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট করেছেন তিনি।

প্রসঙ্গত, মাহি ২০২১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর গাজীপুরের ব্যবসায়ী রকিব সরকারের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। প্রথম বিয়ের পর এটিও ছিল চিত্রনায়িকা মাহির ভালোবেসে দ্বিতীয় বিবাহ। এই দম্পতি ২০২৩ সালের ২৮ মার্চ একটি পুত্র সন্তান জন্ম দেন।

এর আগে ২০১৬ সালে সিলেটের ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুকে ভালোবেসে বিয়ে করেন মাহি। ৫ বছর সংসার করার পর ২০২১ সালের ২২ মে বিবাহিত সম্পর্কের অবসান ঘটিয়ে বিচ্ছেদের  ঘোষণা দেন তিনি। তার আগে অবশ্য রকিবের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর বিষয়টি আলোচনায় আসে।

এদিকে মাহিও রকিবের দ্বিতীয় স্ত্রী। রকিবের প্রথম সংসারে দুই সন্তান আছে, তাদের নাম সোয়াইব ও সাইয়ারা।


এসএমএস   বিচ্ছেদ   মাহিয়া মাহি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন