ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

পুলিশ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ২

প্রকাশ: ০৩:২৯ পিএম, ২৯ অক্টোবর, ২০২৩


Thumbnail

পুলিশ কনস্টেবল মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম পারভেজকে হত্যার ঘটনায় দুইজন গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২৯ অক্টোবর) অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিষয়টি জানিয়েছেন ডিএমপির ডিসি (মিডিয়া) ফারুক হোসেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- শামীম রেজা ও ডেমরা থেকে মো. সুলতান।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে শামীম রেজাকে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি পলাশবাড়ী পৌর যুবদলের আহ্বায়ক।

এর আগে সরকার পতন ও নির্দলীয় তত্ত্বাধায়ক সরকারের দাবিতে রাজধানীতে শনিবার (২৮ অক্টোবর) বিএনপির মহাসমাবেশ কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে পুলিশের এক সদস্য নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। নিহত পুলিশ সদস্যের নাম মো. আমিরুল ইসলাম পারভেজ (৩২)। তিনি কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন।

এ ঘটনায় আজ রোববার (২৯ অক্টোবর) পল্টন থানায় একটি মামলা হয়েছে। পুলিশ বাদী হয়ে মামলাটি করেছে।

গতকাল বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষকালে ফকিরাপুলের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় আমিরুল মাথায় আঘাত পেয়ে রাস্তায় পড়ে যান। তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

গতকালের সংঘর্ষে আহত হয়েছেন পুলিশের ৪১ ও আনসারের ২৫ সদস্য এবং কমপক্ষে ২০ জন সাংবাদিক। অপর দিকে সংঘর্ষে হাজারের বেশি নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি বিএনপির।

পুলিশ হত্যা   বিএনপি   ২৮ অক্টোবর  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

রেলওয়ের পরীক্ষায় হাতেনাতে ধরা, কানের মধ্যে বিশেষ যন্ত্র

প্রকাশ: ০৬:৫৬ পিএম, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

বাংলাদেশ রেলওয়ের টিকিট কালেক্টর পদের নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে তিন পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় রাজধানীর ডেমরার সামসুল হক খান স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্র থেকে তাদের আটক করা হয়।

জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই) জানিয়েছে, তাদের ঢাকা উইং-এর দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ও থানা পুলিশ সমন্বয় করে ওই কেন্দ্রে অভিযান চালায়। এসময় তিন পরীক্ষার্থীকে ইলেকট্রনিক ডিভাইস (মাস্টারকার্ড ও ব্লুটুথ) সহ হাতেনাতে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, ভোলার চর ফ্যাশনের মো: সিরাজুল ইসলামের ছেলে মো: শাহজাদা (২৭), গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর আব্দুস সামাদের ছেলে মো: রুবেল এবং মাগুরার মোহাম্মাদপুরের মৃত রেজাউল করিমের ছেলে মো: শিহাব।

আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছেন, একটি চক্রের সঙ্গে তারা প্রত্যেকে ১৬ লক্ষ টাকার চুক্তি করে পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়।

এনএসআই জানিয়েছে, ইলেকট্রনিক ডিভাইস (মাস্টার কার্ড)-এর মাধ্যমে সিমকার্ড ব্যবহার করে ব্লুটুথ হেডফোনের মাধ্যমে অপর প্রান্ত থেকে উত্তরপত্রের সমাধান করে পরীক্ষার্থীকে পাঠানো হয়।

আটককৃতদের মধ্যে শিহাবের কানের ভেতর এখনও একটি ক্ষুদ্র ম্যাগনেটিক হেয়ারিং ডিভাইস রয়েছে, যা বের করতে বিশেষ যন্ত্রের প্রয়োজন।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

সন্দেহজনক লেনদেন বেড়েছে

প্রকাশ: ০৮:২৮ পিএম, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

এক বছরে দেশে সন্দেহজনক লেনদেন বেড়েছে প্রায় ৬৫ শতাংশ। যার সিংহভাগই হয়েছে ব্যাংক ব্যবস্থার মাধ্যমে। বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য উঠে আসে। যদিও পাচার হওয়া টাকা ফেরাতে সাফল্য নেই সংস্থাটির।

দেশ থেকে অর্থপাচারের আলোচনা জোরালো হয়েছে কয়েক বছর ধরে। যার বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনেও। এসব পাচারের মূল মাধ্যম হিসেবে দায়ি করা হয় আমদানি-রপ্তানি বা সার্বিক বাণিজ্যকে।

তবে এ প্রবণতা যে সময়ের সঙ্গে আরো বড় হচ্ছে, তা পরিষ্কারভাবে উঠে এলো বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের বার্ষিক প্রতিবেদনে। যেখানে বলা হয়, সবশেষ ২০২২-২৩ অর্থবছরে সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত হয়েছে ১৪ হাজার ১০৬টি। আগের অর্থবছরে যা ছিল ৮ হাজার ৫৭১টি। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে বেড়েছে প্রায় ৬৫ শতাংশ।

বিআইএফইউয়ের অতিরিক্ত পরিচালক কামাল হোসেন বলেন, আলোচ্য বছরে সন্দেহজনক লেনদেন বেড়েছে। গত বছরের চেয়ে যা প্রায় ৬৫ শতাংশ। তবে অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে- এ কথা বলা যাবে না। কিন্তু প্রতিবেদন প্রকাশকারী সংস্থাগুলোর সচেতনতা বেড়েছে।  

বিএফআইইউয়ের তথ্যমতে, শনাক্ত হওয়া ১৪ হাজার লেনদেনের মধ্যে কেবল ব্যাংকের মাধ্যমেই হয়েছে পৌনে ১৩ হাজারের ওপরে। অথচ আগের বছর তা ছিল মাত্র ৮ হাজার। কামাল হোসেন বলেন, ঋণ নিয়ে অনেকে বিদেশে পাচার করে। এ ধরনের বিষয় শনাক্তে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে নানা পরামর্শ দিয়েছি আমরা। ফলে সংখ্যাটা অনেক বেড়েছে।  

লেনদেন শনাক্তের পাশাপাশি পাচার হওয়ার অর্থ দেশে ফেরানোও অন্যতম দায়িত্ব সংস্থাটির। তবে প্রতিষ্ঠার পর থেকে সেই কাজে তেমন কোনো সাফল্য দেখাতে পারেনি বিএফআইইউ। যার কারণ হিসেবে অন্য দেশগুলোর আইনি জটিলতাকে দুষছেন ইউনিট প্রধান মাসুদ বিশ্বাস। 

তিনি বলেন, সিঙ্গাপুরে একটা অর্থ পাচার হয়েছিল, সেটা আমরা ফেরত আনতে পেরেছি। কিন্তু নানা জটিলতায় অন্যান্য দেশ থেকে তা আনা যাচ্ছে না। এখন মূলত প্রতিরোধের দিকে নজর দেয়া হচ্ছে। যেন পাচার না হয়। ওভার ইনভয়েসিং, আন্ডার ইনভয়েসিং, হুন্ডি, এমএফএসগুলো যদি বেশি মাত্রা অপব্যবহার না হয়, তাহলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানিলন্ডারিং কমে আসবে।

উল্লেখ্য, বছর ব্যবধানে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমেও সন্দেহজনক লেনদেন বেড়েছে দ্বিগুণ।

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট   বিএফআইইউ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

মেট্রোরেলে ঘুড়ি আটকে যাওয়ার ঘটনায় গ্রেপ্তার ২

প্রকাশ: ১০:১৭ পিএম, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

রাজধানীর কাজিপাড়া এলাকায় মেট্রোরেলের বৈদ্যুতিক তারে ঘুড়ি আটকে প্রায় এক ঘণ্টা যাত্রীসেবা বন্ধ ছিল। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করে পুলিশ। তাদের মধ্যে চারজনের বয়স কম হওয়ায় পরিবারের থেকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি দুইজন মো. আলামিন ও আতিকুর রহমানকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, মেট্রোরেল লাইনের আশপাশের এক কিলোমিটারের মধ্যে ঘুড়ি, ফানুস ও গ্যাস বেলুন কিংবা অনুরুপ বস্তু না ওড়ানোর অনুরোধ করা হয়েছিল ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) পক্ষ থেকে; কিন্তু অনুরোধ উপেক্ষা করে ঘুড়ি, ফানুস ইত্যাদি উড়ানোর কারণে মেট্রোরেলের বৈদ্যুতিক তারে এসব বস্তু লেগে ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। 

পরে সর্বশেষ গত বুধবার মিরপুরের কাজীপাড়া ও শেওড়াপাড়া এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে মেট্রোরেলের বৈদ্যুতিক তারে ঘুড়ি আটকে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে জনস্বার্থে বিশেষভাবে ডিএমপি কমিশনারকে অনুরোধ করে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। 

এরপর এ ঘটনায় বুধবার রাতে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করে ডিএমপির কাফরুল ও মিরপুর থানা পুলিশ। এদের মধ্যে চারজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় পরিবারের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুকুল আলম জানান, আটক আলামিন ও আতিকুর রহমানকে ডিএমপি অধ্যাদেশে গ্রেপ্তার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মেট্রোরেল  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

বারবার গৃহকর্মী নির্যাতনের কারণ জানতে চেয়েছে পুলিশ

প্রকাশ: ০৮:৫৪ এএম, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

গৃহকর্মী প্রীতি উরাংয়ের (১৫) নবম তলা থেকে পড়ে মৃত্যুর ঘটনায় কারাগারে থাকা ডেইলি স্টারের নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আশফাকুল হক ও তার স্ত্রী তানিয়া খন্দকারকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কাছ থেকে বারবার গৃহকর্মী নির্যাতনের কারণ জানতে চেয়েছে পুলিশ।

বিশেষত নবম তলায় গৃহকর্মী প্রীতি উরাংয়ের ঝুলে থাকার পর মৃত্যুর কারণ জিজ্ঞাসা করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা। শুধু তাই নয়, এ মৃত্যুর ছয় মাস আগে সাত বছর বয়সী ফেরদৌসী নামে আরেক গৃহকর্মী একইভাবে আট তলা থেকে পড়ে যাওয়ার রহস্য উদ্ঘাটন করতে চেয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার সৈয়দ আশফাকুল হক ও তানিয়া খন্দকারকে আটক করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করলে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।

তদন্তসূত্র জানান, ৮ ও ৯ ফেব্রুয়ারি কেরানীগঞ্জ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে সৈয়দ আশফাকুল হক ও তানিয়া খন্দকারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একই বাসায় বারবার কেন গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে এবং এর নেপথ্যে কী কারণ তা বের করার জন্যই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। মারা যাওয়া কিশোরী গৃহকর্মীকে কেন হাত বেঁধে বাসায় আটকে রাখা হয়েছিল তারও ব্যাখ্যা জানতে চাওয়া হয়েছে আশফাক ও তানিয়ার কাছে। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তির কারণে অবহেলাজনিত মৃত্যু ঘটানোর ধারা সংযুক্ত করা হয়েছে। তারা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করছেন। তদন্তে সরাসরি হত্যার প্রমাণ বা অন্য কিছু পাওয়া গেলে সে অনুযায়ী আইনি প্রক্রিয়া চালানো হবে। কারণ বারবার একই ধরনের ঘটনা ঘটার কথা নয়। বাসা থেকে কেউ ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছে কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টায় মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডের জেনেভা ক্যাম্প সংলগ্ন একটি ভবনের নবম তলা থেকে পড়ে মারা যায় গৃহকর্মী প্রীতি উরাং (১৫)। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পড়ে যাওয়ার আগে বেশ কিছুক্ষণ জানালার গ্রিল ধরে ঝুলে ছিল প্রীতি। এরপর ওই ভবন থেকে নিচে পড়ে যায়। মেয়েটা পড়ার পর অনেক লোক ভিড় করেছে। দ্রুত ভবনের নিরাপত্তাকর্মীদের বিষয়টি জানানো হলেও তারা প্রথমে দরজা খুলতে চাননি। যখন ওপর থেকে মেয়েটা পড়ে যায়, পাশের ভবনের নিরাপত্তাকর্মী আনাসসহ আরও কয়েকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

খবর পেয়ে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ মেয়েটির লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। এ সময় স্থানীয়রা ওই বাড়ির ফটকে জড়ো হয়ে মেয়েটিকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে পুলিশ আশফাক, তানিয়াসহ তাদের পরিবারের ছয়জনকে থানায় নিয়ে যায়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে দুজনকে রেখে বাকিদের ছেড়ে দেওয়া হয়। পরদিন মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা করেন প্রীতির বাবা লোকেশ উরাং।

আলোচিত এ ঘটনায় প্রীতির সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছেন মোহাম্মদপুর থানার এসআই সাদিয়া। সুরতহাল প্রতিবেদনে প্রীতির শরীরে নতুন ও পুরান কিছু দাগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তার প্রশ্ন- ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারের নির্বাহী সম্পাদক আশফাকুল হকের বাসার ভিতরে কী এমন ঘটনার অবতারণা হয় যে শিশু গৃহকর্মীরা নবম তলা থেকে পড়ে যায়? বাসায় কি তাদের শারীরিক, মানসিক কিংবা যৌন নির্যাতন করা হয়? নাকি শিশুদের ফেলে দেওয়া হচ্ছে?

প্রীতির বাবার অভিযোগ, অভাবের কারণে দুই বছর আগে মিন্টু নামে স্থানীয় এক ব্যক্তির মাধ্যমে সাংবাদিক আশফাকুল হকের বাসায় ছোট মেয়েকে গৃহকর্মীর কাজে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু আশফাকুল হকের পরিবার দুই বছরেও মেয়েকে তাদের সঙ্গে দেখা করতে দেয়নি। মাসে দু-এক বার গৃহকর্তার মোবাইলে যোগাযোগ করে কথা বলিয়ে দিতেন তারা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ছয় মাস আগে একই বাসা থেকে ফেরদৌসি পড়ে আহত হওয়ার ঘটনায় শিশুটির মা জোছনা বেগম মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা করেছিলেন। ওই মামলায়ও সৈয়দ আশফাকুল হক, তানিয়া খন্দকার ও আসমা আক্তার শিল্পী নামে এক নারীকে আসামি করা হয়েছিল। পরে মামলার আসামিরা বাদীর সঙ্গে আদালতে আপস করেছিলেন। তদন্ত কর্মকর্তা সেই আপসনামার ভিত্তিতে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।


গৃহকর্মী নির্যাতন   পুলিশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইনভেস্টিগেশন

মাতৃমৃত্যুর হার কমছে দেশে

প্রকাশ: ১০:৫০ এএম, ০৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

বাংলাদেশে কমছে মাতৃমৃত্যুর হার। বর্তমানে দেশে মাতৃমৃত্যুর হার ১৫৩। অর্থাৎ এক লাখ জীবিত সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে ১৫৩ জন মায়ের মৃত্যু হচ্ছে। 

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) গত সপ্তাহে ‘বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস ২০২২’ প্রকাশ করেছে। এতে সর্বশেষ মাতৃমৃত্যুর হার ও মাতৃমৃত্যুর কারণ তুলে ধরা হয়েছে। গর্ভাবস্থা, প্রসবকাল ও প্রসবের পর ৪২ দিনের মধ্যে মায়ের মৃত্যু হলে তা মাতৃমৃত্যু হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অবশ্য বাংলাদেশে মাতৃমৃত্যুর হার নিয়ে নতুন করে বিতর্কের সুযোগও করে দিয়েছে বিবিএস। সংস্থাটির ২০২১ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, দেশে মাতৃমৃত্যুর হার ১৬৮। এক বছর পর ২০২২ সালে তা হয়েছে ১৫৩। মাতৃস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এক বছরে মাতৃমৃত্যুর হারের বড় ধরনের তারতম্য দেখা যাচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় এত বেশি হারে মাতৃমৃত্যু কমতে দেখা যায়নি। 

কাছাকাছি সময়ে মাতৃমৃত্যুর হারের তথ্যের ভিন্নতাও দেখা যাচ্ছে। ২০২৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য পরিসংখ্যান’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, বাংলাদেশে মাতৃমৃত্যুর হার ১২৩। একই বছর জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদনেও বলা হয়েছিল, বাংলাদেশে মাতৃমৃত্যুর হার ১২৩। অর্থাৎ জাতিসংঘের দুটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান বলছে, বাংলাদেশে এক লাখ সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে ১২৩ জন মায়ের মৃত্যু হচ্ছে। এখানে জাতিসংঘ ও বিবিএসের তথ্যে পার্থক্য অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে। মাতৃস্বাস্থ্য ও মাতৃমৃত্যু নিয়ে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের (নিপোর্ট) মাতৃস্বাস্থ্য জরিপের প্রতিবেদন থেকে। সারা দেশের সব জেলার শহর ও গ্রামের তিন লাখের বেশি খানার ওপর জরিপ করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়। সর্বশেষ মাতৃস্বাস্থ্য জরিপ হয়েছিল ২০১৬ সালে। ওই জরিপে মাতৃমৃত্যুর হার ১৯৬ পাওয়া গিয়েছিল। 

মাতৃস্বাস্থ্য জরিপ ২০১০ ও ২০১৬ সালের প্রতিবেদন পাশাপাশি রাখলে দেখা যায়, মাতৃমৃত্যুর হার কমেনি, বরং বেড়েছিল। ২০১০ সালে মাতৃমৃত্যুর হার ছিল ১৯৪ এবং ২০১৬ সালে ছিল ১৯৬। অর্থাৎ মাতৃস্বাস্থ্যের অগ্রগতি দেখা যায়নি।

বিবিএসের সর্বশেষ প্রতিবেদনে মাতৃমৃত্যুর সাতটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে। এগুলো হলো প্রসবকালে জটিলতা, প্রসব-পরবর্তী রক্তক্ষরণ, গর্ভকালে রক্তক্ষরণ, জটিল গর্ভপাত, গর্ভধারণে জটিলতা, ধনুষ্টংকার ও বিলম্বিত প্রসবে মৃত্যু। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে মাতৃমৃত্যুর হার ৭০-এ নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। হাতে সময় আছে ছয় বছর।



বাংলাদেশ   মাতৃমৃত্যু  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন