ক্লাব ইনসাইড

অবরোধ সমর্থনে 'জাবি'র মূল ফটকসহ ৬ গেটে তালা দিল ছাত্রদল

প্রকাশ: ০২:৪৩ পিএম, ০১ নভেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

বিএনপির ডাকা তিন দিনের অবরোধ কর্মসূচির অংশ হিসেবে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) প্রধান ফটকসহ ৬টি গেটে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। আজ বুধবার (১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ফটকগুলোতে তালা দেয়ার এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় ফটকগুলোতে ‘সর্বাত্মক অবরোধ’ লেখা সংবলিত একটি প্লেকার্ড ঝুলিয়ে দেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে সকাল ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যদের উপস্থিতিতে তালা ভেঙে ফেলেন নিরাপত্তাকর্মীরা।

তালা দেওয়া ফটকগুলো হল, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক (ডেইরি গেইট), জয় বাংলা গেইট (প্রান্তিক গেইট), মীর মশাররফ হোসেন হল সংলগ্ন গেইট, বিশমাইল গেইট, আমবাগান সংলগ্ন গেইট ও ইসলামনগর সংলগ্ন গেইট।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী মোটরসাইকেল যোগে এসে ফটকগুলোতে তালা লাগিয়ে দেন। এ সময় তালার সঙ্গে ‘সবার্ত্মক অবরোধ’ লেখা সংবলিত প্ল্যাকার্ডও ঝুলিয়ে দেন তারা। বিষয়টি জানতে পেরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মওদুদ আহমেদ প্রধান ফটকে উপস্থিত হন। তিনি দায়িত্বরত গার্ডদের তালা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন। পরে সবগুলো গেইটের তালা ভেঙে ফেলা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে দায়িত্বরত আনসার সদস্য ও নিরাপত্তা প্রহরীরা জানান, ‘সকাল সাড়ে ৭টার দিকে দুজন মোটরসাইকেল আরোহী এসে হঠাৎ করে গেইট বন্ধ করে তালা লাগিয়ে দেয়। আমরা তালা লাগাতে নিষেধ করলেও তারা শোনেননি। পরে কন্ট্রোল রুমে জানালে আমাদের তালা ভেঙে ফেলতে বলেন। ফলে আধা ঘণ্টার মধ্যেই তালা খুলে দেই।’

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তালা লাগানোর সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হল শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইকবাল হোসেন, ছাত্রদল নেতা জোবায়ের আল মাহমুদ, নাইমুল হাসান কৌশিক, রেজাউল আমিন, সাহানুর রহমান, এম আর মুরাদ, রাজন মিয়া, নিশাত আব্দুল্লাহ, মুত্তাশিন ফুয়াদ, রাজু ও আল আমিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কেন্দ্রঘোষিত তিন দিনের অবরোধ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ক্যাম্পাসের ফটকগুলোতে তালা লাগানো হয়েছে জানিয়ে ছাত্রদল নেতা নাইমুল হাসান কৌশিক বলেন, সরকার যত বেশি বাধা দেবে, হামলা-মামলা করবে, সরকারের পতন তত ভয়ংকর হবে। পতন না হওয়া পর্যন্ত এই সরকারকে রাজপথেই মোকাবিলা করব।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি আরও বলেন, ক্যাম্পাসে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা বন্ধ করে শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখুন। পাশাপাশি দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে বিগত দিনের অন্যায়ের জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে দেশের মানুষের যৌক্তিক আন্দোলনে পাশে থেকে কৃতকর্মের কিছুটা প্রায়শ্চিত্ত করুন। অন্যথায় রাজপথে আপনাদের সমুচিত জবাব দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মওদুদ আহমেদ বলেন, ব্যক্তিগত কাজে বের হয়েছিলাম। ক্যাম্পাস থেকে বের হতে গিয়ে দেখি গেইটগুলোতে তালা দেওয়া এবং ছাত্রদলের ব্যানার ঝুলছে। তবে কারা তালা লাগিয়েছে- তা আমার চোখে পড়েনি। পরে দ্রুত সময়ের মধ্যে তালা ভেঙে ফেলতে বলেছি।


জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়   ছাত্রলীগ   ছাত্রদল  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

জাবি ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি-সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা, প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল

প্রকাশ: ০৮:৩০ এএম, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে কলা ও মানবিকী অনুষদের দেয়ালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি মুছে ধর্ষণ ও স্বৈরাচার বিরোধী গ্রাফিতি আঁকার ঘটনায় ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি অমর্ত্য রায় জন এবং সাধারণ সম্পাদক ঋদ্ধ অনিন্দ্য গাঙ্গুলীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় আইনে মামলা দায়ের করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। মামলা দায়েরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে প্রগতিশীল শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এক অফিস আদেশের প্রেক্ষিতে বিকেল ৫ টায় এ মামলা করা হয় বলে জানা যায়। মামলার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া হিসেবে রাত ১২ টায় বটতলা থেকে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীর বিক্ষোভ-মিছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা, প্রশাসনিক ভবন, মুরাদ চত্ত্বর, ট্রান্সপোর্ট চত্ত্বর হয়ে উপাচার্যের বাসভবনের সম্মুখে অবস্থান নেয়। সমাবেশ শেষে আগামীকাল বিকেল ৩ টায় ট্রান্সপোর্ট চত্ত্বর থেকে এক বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা দেয়া হয়।

এসময় শিক্ষার্থীরা, ‘বহিষ্কার-মামলা-হুলিয়া, নিতে হবে তুলিয়া’, ‘মামলাবাজি যেখানে, লড়াই হবে সেখানে’, ‘অমর্ত্যর বিরুদ্ধে মামলা কেনো, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘ঋদ্ধর বিরুদ্ধে মামলা কেনো, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘জবাব তোমায় দিতেই হবে, নইলে গদি ছাড়তে হবে’, ‘হয়রানিমূলক মামলা তুলে নাও নিতে হবে’, ‘অবিলম্বে মিথ্যা মামলা, তুলে নাও নিতে হবে’, ‘অবিলম্বে বহিষ্কার, তুলে নাও নিতে হবে’, ‘মামলাভিসির বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘একই বৃন্তে দুটি ফুল, ফারজানা আর নুরুল’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।

মিছিল শেষে নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী নূর-এ-তামিম স্রোতের সঞ্চালনায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন গণকৃষ্টির কর্মী ফাইজা মেহজাবিন প্রিয়ন্তী। তিনি বলেন, এই ক্যাম্পাসে কত অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে, অহরহ যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটে তার কোনো বিচার হয় না। গনরুম নির্যাতনের এর বিরুদ্ধে তারা কোনো ব্যবস্থা নিতে পারে না।

তাদের যত জোর শুভবুদ্ধির বিরুদ্ধে। প্রশাসনের এই হঠকারী সিদ্ধান্তের প্রতিফলন দেখা যায় অমর্ত্য রায় জন ও ঋদ্ধ অনিন্দ্য গাঙ্গুলীর বিরুদ্ধে করা মামলার মধ্যে। প্রশাসনের প্রতি ধিক্কার জানিয়ে বলতে হয় আপনারা আমাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে ফেলেছেন। আপনারা আমাদের আরো হার্ড লাইনে যেতে বাধ্য করে ফেলেছেন।

মামলা তুলে নেয়া না হলে খেসারত দিতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়কে মন্তব্য করে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট জাবি শাখার কর্মী সজীব আহমেদ জেনিচ বলেন, ছাত্রলীগের অছাত্র এনাম অনশন করেছে তাকে ডাবের পানি খাইয়ে অনশন ভাঙিয়েছেন ভিসি। এরপরে করে দেয়া হয়েছে প্রহসন মূলক মামলা। এটাই প্রমাণ করে এই প্রশাসন কাদের পক্ষে। আমি এই ভিসিকে বলে দিতে চাই, আপনি অযোগ্য।

প্রশাসনের স্বেচ্ছাচারিতার সর্বশেষ বহিঃপ্রকাশ এই মামলা মন্তব্য করে ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সহ-সভাপতি আশফার রহমান নবীন বলেন, ক্যাম্পাসে গ্রাফিতি অঙ্কনকে কেন্দ্র করে জল ঘোলা করে সেই ঘোলা জলে মাছ ধরার পাঁয়তারা করছে। এই প্রশাসন ডিসিপ্লিনারি বোর্ড কে পাশ কাটিয়ে বহিষ্কারাদেশ ও মামলা করে দিয়েছে। আমরা সবাই জানি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে যে অরাজকতা চলছে, যে অনিয়ম চলছে এর প্রভাব আমরা বর্তমান শিক্ষার্থীরা হারে হারে টের পাচ্ছি। আমরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছি মাস্টারপ্ল্যান। বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশিজনদের এই প্রাণের দাবিকে আমলেই নিচ্ছে না এই স্বেচ্ছাচারী প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয়ে মত প্রকাশের স্বাধীনতার গলা টিপে ধরেছে এই প্রশাসন।’

তিনি আরো বলেন, অমর্ত্য রায় জন ও ঋদ্ধ অনিন্দ্য গাঙ্গুলীর বিরুদ্ধে সালামি চাওয়া ছিনতাই চাঁদাবাজির কোনো অভিযোগ নেই। তাদেরকে সালামি দিয়ে বশ করা যায় না। প্রশাসন সে জন্যেই অমর্ত্য-ঋদ্ধর বিরুদ্ধে মামলা করে দিয়েছে। এই বহিষ্কারাদেশের পিছনে যেসব শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের যে অংশ মদদ দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলমান থাকবে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়   ছাত্র ইউনিয়ন  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় জিডি

প্রকাশ: ০৪:০৬ পিএম, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দপ্তরে বাকবিতণ্ডার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি ডেপুটি রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ জাকির হোসেন সাত জন শিক্ষকের নামে সাধারণ ডায়েরি করেছে। এছাড়া আরো ১৫ থেকে ২০ অজ্ঞাতনামাকে অভিযুক্ত করেছেন।

 বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেন মোহাম্মদ জাকির হোসেন। 

সাধারণ ডায়েরিতে বলা হয়, দাপ্তরিক কাজে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি পূর্ব অনুমতিক্রমে উপাচার্য কক্ষে গেলে ভিতরে অবস্থান করা শিক্ষকেরা অফিসারদের এখানে কেন এসেছো বলে অশ্লীল গালাগালি ও মারমুখী ভঙ্গীতে শারীরিকভাবে নাজেহাল করে এবং ধাক্কা দিয়ে জোর করে উপাচার্য মহোদয়ের কক্ষ থেকে বের করে দেয়ার চেষ্টা করে। তখন আমি বলি স্যার আমরা দাপ্তরিক কাজে ভিসি স্যারের কাছে এসেছি।

আপনারা আমাদের সাথে এমন আচরণ কেন করছেন, 'আমরা কি মানুষ নই?' পরবর্তীতে ভিতরে থাকা শিক্ষকবৃন্দ আমাদের দিকে তেড়ে এসে টানা হেচড়া করে উপাচার্য স্যারের কক্ষ থেকে আমাকে এবং আমার সাথে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক মোঃ দেলোয়ার হোসেন স্যারকে বের করে দেয়ার চেষ্টা করে। ভিসি স্যারের সাথে আমরা কথা বলতে চাইলে উপস্থিত শিক্ষকবৃন্দ আমাদের সাথে আরও বেশি খারাপ আচরণ করেন। 

সাধারণ ডায়েরিতে আরো উল্লেখ করা হয়, উপাচার্য মহোদয়ের কক্ষে বিকট শব্দ ও হট্টগোল শুনে অন্যান্য অফিসারগণ ভিসি স্যারের রুমের সামনে আসেন। আমাদের সহকর্মীগণ আসলে সম্মানিত শিক্ষকবন্দ তাদের সাথেও খারাপ আচরণ করেন। পরবর্তীতে আমি ও আমার সিনিয়র অফিসারগণসহ প্রক্টরিয়াল বডি ও মাননীয় উপাচার্য মহোদয়ের সহযোগীতায় কোন রকমে আত্মরক্ষা করে বের হয়ে আসি।

তখন ভিতরে থাকা সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ আমাদেরকে চাকরি কিভাবে করি, বাহিরে বের হলে দেখে নিবে বলে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। বর্তমানে আমি ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত অফিসারগণ আমাদের চাকরি ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। এমতাবস্থায় ভবিষ্যতে বিবাদীগণ কর্তৃক আমাদের চাকরি ও ব্যক্তিগত ক্ষতির আশংকা করছি। অন্যান্য অফিসার ও আমাদের প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ আলোচনা করিয়া থানায় আসিয়া সাধারণ ডায়েরী দায়ের করিতে সামান্য বিলম্ব হইল।

সাধারণ ডায়েরিতে মোট সাত জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এছাড়া আরো পনেরো থেকে বিশ জনকে অজ্ঞাতনামা হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

জিডিতে উল্লেখিত নামগুলো হলো- বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নূর মোহাম্মদ রাজু,  ফার্মেসি বিভাগের প্রভাষক মোঃ কামরুল হাসান, অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ মোকাদ্দেস-উল-ইসলাম, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ আবু তাহের, মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মেহেদী হাসান, ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের প্রভাষক আলীমুল রাজী।

জিডির বিষয়ে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ‘একটা অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে৷ আমরা তদন্ত করছি।'


কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়   শিক্ষক   জিডি  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

শিক্ষাসামগ্রী উপহার পেয়ে স্কুল শিক্ষার্থীদের চোখে-মুখে খুশির ঝিলিক

প্রকাশ: ০৮:১৮ এএম, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ ও বিভিন্ন শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ করেছে রোটার‍্যাক্ট ক্লাব অব ইসলামিক ইউনিভার্সিটি। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে এই উদ্যোগ নিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ক্যাম্পাস পার্শ্ববর্তী  শেখাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এসময় শিক্ষার্থীদেরকে স্কুল ব্যাগের পাশাপাশি শিক্ষাসামগ্রী ও চকোলেট প্রদান করা হয়। শেখাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আনন্দনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অন্তত ৩০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে এসব বিতরণ করা হয়। উপহার সামগ্রী পেয়ে তাদের চোখে-মুখে খুশির ঝিলিক ফুটে উঠেছে খুশির ঝিলিক।

এর আগে ক্লাবের সদস্যরা শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের মাঝে শিক্ষা ও জ্ঞানার্জনের প্রয়োজনিয়তা নিয়ে আলোচনা করেন।

ক্লাবের সভাপতি রোটা. মুনজুরুল ইসলাম নাহিদের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি রোটা. দিদারুল ইসলাম রাসেলের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন শেখপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আসাদুজ্জামান ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সহায়ক সংগঠন কাম ফর রোড চাইল্ড (সি আর সি)-এর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি শহীদ কাওসার।

এসময় ক্লাবের সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস রোটা. মোস্তাফিজুর রহমান, এসিস্ট্যান্ট সার্জেন্ট অ্যাট আর্মস রোটা. আসহিফুর রহমান, আইসিটি সেক্রেটারি রোটা. জনি সরকার রিয়াজ, ক্লাবের সদস্য রিয়াজুল ইসলাম ও ফজলে রাব্বি উপস্থিত ছিলেন।

সংগঠনটির সভাপতি রোটা. মুনজুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, 'শিশুদেরকে শিক্ষার্জনে আগ্রহী করতে ও নিয়মিত স্কুলে আসতে উদ্বুদ্ধ করতেই আমাদের এই আয়োজন। ব্যাগ পেয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে যে উচ্ছ্বাস দেখেছি এটি অমূল্য। ক্লাবের সদস্যদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও স্কুল কর্তৃপক্ষের আন্তরিকতার জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।'


রোটার‍্যাক্ট ক্লাব অব ইসলামিক ইউনিভার্সিটি   শিক্ষাসামগ্রী  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

জবিতে হিযবুত তাহরীরের পোস্টার বিতরণের সময় ঢাবি শিক্ষার্থী আটক

প্রকাশ: ১২:১৮ পিএম, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীরের লিফলেট বিতরন ও শিক্ষকদের কক্ষে চিঠি বিতরণের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে আটক করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আটককৃত ওই শিক্ষার্থীর নাম অনিক খন্দকার (২৪)। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা পানি ও পরিবেশ বিভাগের ২০১৮ -১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। 

 

বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারী) সকাল ৯ টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগে লিফলেট বিতরনের সময় তাকে সন্দেহজনক আটক করেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো: মিরাজ হোসেন। 

 

এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও দুই জন শিক্ষার্থী প্রচারনার কাজে অংশগ্রহণ করলেও তারা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তারা হলে ফার্মেসী বিভাগের ২০১৯-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সিফাত ও মুসাইব।

 

আটক হওয়া ঢাবি শিক্ষার্থীর কাছে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি, ও নাশকতা করার লক্ষ্যে লিফলেট, পোস্টার ও কিছু শিক্ষকের নাম সংবলিত চিঠি পাওয়া যায়। এসব লিফলেট ও পোস্টারে দেশের আইনশৃঙ্খলাকে বিনষ্ট ও দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার কর্মপরিকল্পনা উল্লেখ করা হয়।  

 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমাদের শান্তিপূর্ণ ক্যাম্পাসে অশান্তি সৃষ্টি করার লক্ষ্যেই দেশের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করার পরিকল্পনা গ্রহন করে। কিন্তু শিক্ষক শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের সতর্ক অবস্থান থাকার কারনে তাদের সে পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়। ঢাবির আটককৃত শিক্ষার্থীকে আমরা ইতোমধ্যে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছি। এখন আইন অনুযায়ী পুলিশ তাদের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। 


জবি   হিযবুত তাহরীর   ঢাবি শিক্ষার্থী  


মন্তব্য করুন


ক্লাব ইনসাইড

বঙ্গবন্ধুর গ্রাফিতি মুছার অভিযোগে ২ নেতার বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান

প্রকাশ: ১১:৩৭ এএম, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি মুছে শেখ হাসিনার ব্যঙ্গচিত্র অঙ্কনের ঘটনায় ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের দুই নেতাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১ বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় আইনে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বহিষ্কৃত নেতারা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৭ ব্যাচের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অমর্ত্য রায় জন ও ঋদ্ধ অনিন্দ্য গাঙ্গুলি। অমর্ত্য ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সভাপতি ও ঋদ্ধ সাধারণ সম্পাদক।

গতকাল মঙ্গলবার (২০ফেব্রুয়ারি) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নূরুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় ছাত্র ইউনিয়নের এই দুই নেতাকে বহিস্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিন্ডিকেট সচিব আবু হাসান।

এ ব্যাপারে তিনি বলেন, সম্প্রতি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে পূর্বে থেকে আঁকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি মুছে ফেলার ঘটনায় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অমর্ত্য রায় ও ঋদ্ধ অনিন্দ্য গাঙ্গুলিকে এক বছর করে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষে রাষ্ট্রীয় আইনে মামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ৭ ফেব্রুয়ারি রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানবিকী অনুষদ ভবনের দেয়ালে পূর্বে আঁকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি মুছে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ধর্ষণকাণ্ডের প্রতিবাদে একটি গ্রাফিতি অঙ্কন করেছে বলে দাবি করেছেন ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা।

তাদের অঙ্কিত 'ধর্ষণ ও স্বৈরাচার থেকে আজাদী’ শীর্ষক গ্রাফিতিতে একটি নারীর অবয়ব, ছয়টি মাথার খুলিসহ একটি পতাকা আঁকা হয়। নারীর অবয়বের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং পূর্বের প্রতিকৃতি মুছে ফেলার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অবমাননা করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন অনশনরত ছাত্রলীগ নেতা এনামুল হক এনাম।

ব্যঙ্গচিত্র অঙ্কনের পেছনে জড়িতদের শাস্তির দাবিতে তিনি প্রায় ৮৩ ঘন্টা একটানা অনশন করেন। এক পর্যায়ে উপাচার্য এসে এ ঘটনার যথাযথ তদন্ত শেষে সিন্ডিকেট সভায় শাস্তি প্রদানের আশ্বাস দিলে অনশন ভাঙেন ছাত্রলীগের এই নেতা। এছাড়া এই ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি এবং আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের দুই সংগঠন। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ঘটনার তদন্তে একটি কমিটি গঠন করে। কমিটির সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।


শাস্তি ঘোষণার পর সন্তুষ্টি প্রকাশ করে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ছাত্রলীগ নেতা এনামুল হক এনাম বলেন, আমি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এ ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি প্রদান করায় ধন্যবাদ জানাই। এই রায়ের মাধ্যমে ছাত্রলীগের প্রতিটি নেতাকর্মী খুশি। এটা হওয়া উচিত ছিলো। জাতির পিতাকে অবমাননা করলে পৃথিবীর যেই প্রান্তেই হোক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ তার প্রতিবাদ করবে। আজকে আমরা সত্যিই আনন্দিত।

এদিকে ডিসিপ্লিনারি বোর্ড বসানো ছাড়া তড়িঘড়ি করে বহিস্কারের সিদ্ধান্তে আমাদের শিক্ষাজীবনের যে ক্ষতি করেছে তার দায় বিশ্ববিদ্যালয়কে নিতে হবে মন্তব্য করে ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সভাপতি অমর্ত্য রায় জন বলেন, প্রথমত বলতে চাই এই গ্রাফিতি ব্যঙ্গচিত্র নয়, ধর্ষণবিরোধী গ্রাফিতি। দ্বিতীয়ত এই বহিষ্কার কোনো নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতির মধ্যে দিয়ে ঘটে নি। কারণ প্রথমত শোকজ দেয়ার কথা, দ্বিতীয়ত তদন্ত কমিটির কার্যদিবস শেষ হওয়ার আগেই সিন্ডিকেটে পাঠানো হয়। একটা পুরনো ক্ষয়ে যাওয়া বঙ্গবন্ধুর এনোনিমাস দেয়ালচিত্র মুছে যদি এরকম বহিষ্কারের শিকার হতে হয় তার মানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মধ্যেও স্বৈরাচারের প্রতিফলন ঘটেছে।

কোনো শো-কজ বা ডিসিপ্লিনারি বোর্ডের মিটিং ছাড়া এই বহিষ্কারাদেশ অবৈধ তাই আমরা এই আদেশকে প্রত্যাখ্যান করছি মন্তব্য করে ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সাধারণ সম্পাদক ঋদ্ধ অনিন্দ্য গাঙ্গুলি বলেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত অন্যায্য, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ষড়যন্ত্রমূলক। এটি কোনো ব্যাঙ্গচিত্র নয়, এটি একটি ধর্ষণবিরোধী গ্রাফিতি। যে দেয়ালটি ব্যবহার করা হয়েছে সেটি সমকালীন আন্দোলন-সংগ্রামে বিভিন্ন সময়কালে গ্রাফিতির জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কোনো শো-কজ বা ডিসিপ্লিনারি বোর্ডের মিটিং ছাড়া এই বহিষ্কারাদেশ অবৈধ, তাই আমরা এই আদেশকে প্রত্যাখ্যান করছি।

গ্রাফিতি আঁকার দায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি রাজনৈতিক সংগঠনের দুই নেতাকে বহিস্কার অত্যন্ত নিন্দনীয় একটি ঘটনা উল্লেখ করে অর্থনীতি ৪৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী প্রাপ্তি তাপসী দে বলেন, দুজন ছাত্রনেতাকে গ্রাফিতি আকার দায়ে বহিষ্কারাদেশ প্রদান করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে বলা হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীদের মামলা করা হবে। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় অহরহ চাঁদাবাজির ঘটনা শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা, ছাত্রলীগের নেতারা ঘটাচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে কোন ধরনের সিদ্ধান্ত সিন্ডিকেট নেয় না। এই বিচারের একটি নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া থাকলেও খুব তাড়াহুড়ো করে তা করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় ধর্ষণবিরোধী আন্দোলন থেকে আমাদের সকলকে ডাইভার্ট করতেই প্রশাসন এই অন্যায্য ও ষড়যন্ত্রমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।


জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালইয়   ছাত্র ইউনিয়ন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন