ইনসাইড ইকোনমি

ভারত থেকে আলু আসছে দাম পড়ছে প্রতিকেজি ২৬-২৭টাকা

প্রকাশ: ০২:২২ পিএম, ০৩ নভেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

দেশের বাজারে আলুর দাম স্বাভাবিক রাখতে ভারত থেকে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আলু আমদানি শুরু হয়েছে। প্রথম দিনে ভারতীয় ৭ ট্রাকে ১৮০ টন আলু আমদানি হয়েছে। ভারত থেকে প্রতি কেজি আলু ১৩ থেকে ১৫ রুপি (১৭ থেকে ২০ টাকা) দরে ক্রয় করা হচ্ছে। এর সঙ্গে পরিবহণ খরচ ও কেজি প্রতি শুল্ক রয়েছে সাড়ে তিন টাকার ওপরে। তাতে আমাদের আলু আমদানিতে খরচ পড়ছে ২৬ থেকে ২৭ টাকার মতো।

ফলে কমতে শুরু করেছে দেশি এবং ভারতীয় আলুর দাম। বর্তমানে ভারত থেকে আমদানিকৃত সাদা স্টিক আলু ৩৪ টাকা এবং লাল স্টিক আলু ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। 

অন্যদিকে দেশি আলুর দামও কমেছে। হিলি বাজারে কেজিপ্রতি ৫ থেকে ৬ টাকা কমেছে। বর্তমানে বড় জাতের আলু ৫ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকা এবং ছোট জাতের আলু ৬ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা দরে। ভারত থেকে আলু আমদানি অব্যাহত থাকলে দাম আরো কমবে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। দাম কমাতে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে। 

শুক্রবার সকালে হিলি বাজার ঘুরে এসব তথ্য পাওয়া যায়। 

হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ কেন্দ্রের উপসহকারী কর্মকর্তা ইউসুফ আলী বলেন, আলু আমদানির অনুমতি চেয়ে হিলি স্থলবন্দরের বেশ কয়েকজন আমদানিকারক আবেদন করেছিলেন। এ পর্যন্ত হিলি স্থলবন্দরের ৩০ আমদানিকারক ২৫ হাজার টন আলু আমদানির অনুমতি পেয়েছেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে আলু আমদানি শুরু হয়েছে। আইপি দেখে মান যাচাই করে সার্টিফিকেট প্রদানের মাধ্যমে আলু ছাড়া হবে।

হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর রশিদ হারুন বলেন, সম্প্রতি আলুর বাজার ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠলে সরকার গত ৩০ অক্টোবর আমদানির অনুমতি দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ভারত থেকে আলু আমদানি শুরু হয়েছে। বর্তমানে দুই ধরনের আলু আমদানি হয়েছে, একটি লাল স্ট্রিক আলু এবং সাদা স্ট্রিক আলু। এসব আলু ১০০ থেকে ১৫০ ডলারে এলসি করে আমদানি করা হচ্ছে।

 


ভারত   আলু   আমদানী   দাম   কমবে  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

মিয়ানমারের সংঘাতে টেকনাফে আমদানি বাণিজ্যে ভাটা

প্রকাশ: ১১:০০ এএম, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

মিয়ানমারের জান্তা সরকারের রক্ষী বাহিনী এবং বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সশস্ত্র সংঘাতের কারণে টেকনাফ স্থলবন্দরের বাণিজ্যে ভাটা পড়েছে। চলমান সংঘর্ষের কারণে আমদানিও কমেছে। কয়েক মাস যাবৎ বন্ধ রপ্তানি।

অন্যদিকে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ ও সেন্ট মার্টিনের সীমান্তের ওপার থেকে রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাত পর্যন্ত গুলির শব্দ শোনা গেছে। গণমাধ্যমের প্রতিবেদনসূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

টেকনাফ স্থলবন্দর সূত্র জানায়, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বিভিন্ন বন্দর থেকে প্রতি মাসে টেকনাফ স্থলবন্দরে তিন শতাধিক কার্গো ট্রলারে করে বিভিন্ন ধরনের পণ্য আসত। তবে চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ১৭ দিনে এসেছে মাত্র ৫০টি কার্গো ট্রলার।

বন্দর সূত্র গণমাধ্যমকে জানায়, মিয়ানমার থেকে কাঠ, সুপারি, হিমায়িত মাছ, আদা, হলুদ, মরিচ, পেঁয়াজ, শুঁটকি, ছোলা, ডাল, চাল, আচার, নারকেল আমদানি করা হয়। আর টেকনাফ থেকে প্লাস্টিক সামগ্রী, তৈরি পোশাক, চিপস, অ্যালুমিনিয়াম সামগ্রী, আলু, প্রসাধনী ও বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী রপ্তানি হয়।

টেকনাফ স্থলবন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড ল্যান্ড পোর্ট লিমিটেডের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ব্যবস্থাপক মেজর (অব.) সৈয়দ আনসার মোহাম্মদ কাউসার গণমাধ্যমকে বলেন, মিয়ানমারের সাম্প্রতিককালের পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে। ডিসেম্বর থেকে গতকাল পর্যন্ত এই স্থলবন্দর দিয়ে মিয়ানমারে কিছুই রপ্তানি হয়নি।

টেকনাফ স্থলবন্দরের শুল্ক কর্মকর্তা এ এস এম মোশাররফ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজস্ব আদায় কমে গেছে। গত অক্টোবরে ৬৬ কোটি টাকা, নভেম্বরে ৪৮ কোটি টাকা, ডিসেম্বরে ৬ কোটি টাকা, জানুয়ারিতে ২৬ কোটি টাকা ও ফেব্রুয়ারির ১৫ তারিখ পর্যন্ত ২৮ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে।

এদিকে টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ ও সেন্ট মার্টিন ইউনিয়নের সীমান্তের ওপার থেকে শনিবার রাত থেকে গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত থেমে থেমে গুলির শব্দ শোনা গেছে। গতকাল সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত শাহপরীর দ্বীপে অবস্থান করে মিনিট পাঁচেক পরপর গুলির শব্দ শোনা গেছে। গতকাল শাহপরীর দ্বীপ জেটিঘাট থেকে সেন্ট মার্টিনে সব ধরনের নৌচলাচল বন্ধ ছিল।

প্রসঙ্গত যে, বাংলাদেশ-মিয়ানমারের সীমান্তে চোরাচালান নিরুৎসাহিত করতে ১৯৯৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর টেকনাফ স্থলবন্দর চালু হয়। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মংডু, আকিয়াব বন্দরসহ বিভিন্ন নদীবন্দরের সঙ্গে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চলে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত টেকনাফ স্থলবন্দরের।



মিয়ানমার   সীমান্ত   গুলি   জান্তা   আমদানি   রপ্তানি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

১৬ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১১৪ কোটি মার্কিন ডলার

প্রকাশ: ০৮:২৯ পিএম, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

চলতি মাসের প্রথম ১৬ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ১১৪ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১২ হাজার ৬৫০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১১০ টাকা ধরে)। দৈনিক গড়ে পৌঁছেছে ৭ কোটি ১৯ লাখ ডলার। তবে এসময়ে দেশে কার্যরত ১২টি ব্যাংকে কোনো প্রবাসী আয় আসেনি। এর মধ্যে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকও রয়েছে। অর্থাৎ এগুলোতে ১ ডলারও পৌঁছেনি।

রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা গেছে। 

এতে বলা হয়, আলোচ্য সময়ে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ১৩ কোটি ৮৪ লাখ ৪০ হাজার ডলার এবং বিশেষায়িত ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৫ কোটি ২৫ লাখ ২০ হাজার ডলার। এছাড়া বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ৯৫ কোটি ৬৫ লাখ ৩০ হাজার ডলার এবং বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে পৌঁছেছে ২৪ লাখ ৯০ হাজার ডলার।

তবে এসময়ে ১২টি ব্যাংকে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি। এর মধ্যে ১টি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংক, ১টি বিশেষায়িত ব্যাংক, ৬টি বেসরকারি ব্যাংক এবং ৪টি বিদেশি ব্যাংক রয়েছে।

আলোচিত সময়ে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল), বিশেষায়িত খাতের রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) এবং বেসরকারি খাতের কমিউনিটি ব্যাংক, সিটিজেন্স ব্যাংক, আইসিবি ব্যাংক, মেঘনা ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক ও সীমান্ত ব্যাংকে কোনো প্রবাসী আয় আসেনি। তাছাড়া বিদেশি খাতের হাবিব ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া এবং উরি ব্যাংকেও কোনো অর্থ আসেনি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, ১০- ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ৫১ কোটি ৮২ লাখ ১০ হাজার ডলার, ৩-৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ৫৬ কোটি ৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার, ১- ২ ফেব্রুয়ারি ৭ কোটি ১১ লাখ ৪০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। বিদায়ী জানুয়ারিতে দেশে প্রবাসী আয় এসেছিল ২১০ কোটি ৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার। বিগত ৭ মাসের মধ্যে যা ছিল সর্বোচ্চ।

রেমিট্যান্স   ডলার   বাংলাদেশ ব্যাংক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

যে কারণে পদত্যাগ করলেন এনআরবি ব্যাংকের এমডি

প্রকাশ: ০৯:৩১ পিএম, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

পদত্যাগ করেছেন এনআরবি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মামুন মাহমুদ শাহ। চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় দুই সপ্তাহ আগে তিনি পদত্যাগ করেন। 

এনআরবি ব্যাংক সূত্র জানা গেছে, কয়েকজন পরিচালকের চাপে ব্যাংকটিতে গত কয়েক মাসে বেশ কিছু ঋণ অনুমোদন হয়, যা নিয়মিতভাবে আদায় হচ্ছে না। সম্প্রতি আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়, যার বেশির ভাগই বেনামি ঋণ। এই বেনামি ঋণের জের ধরেই এমডি পদ ছেড়ে দেন।

বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কিছু না বললেও মাহমুদ শাহ বলেন, ব্যাংকটিতে কাজের পরিবেশ না থাকায় মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পদত্যাগ করেছি। 

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৩ সালে প্রবাসীদের উদ্যোগে গঠিত যে তিনটি ব্যাংককে দেশে ব্যাংকিং কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে অনুমোদন দেয়, তার মধ্যে একটি এনআরবি ব্যাংক। তিন ব্যাংকের মধ্যে এনআরবি ব্যাংকটিই প্রকৃত প্রবাসী ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে গঠিত হয়। অন্য দুটির সঙ্গে স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও যুক্ত ছিলেন।

২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি এনআরবি ব্যাংকে ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগ দেন মামুন মাহমুদ শাহ। তার মেয়াদ শেষ ছিল ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তবে গত ২১ জানুয়ারি ব্যাংকটির চেয়ারম্যানের কাছে দেওয়া পদত্যাগপত্রে এমডি উল্লেখ করেন, ব্যক্তিগত কারণে তিনি এনআরবি ব্যাংকে মেয়াদ থাকা পর্যন্ত চাকরি করতে পারছেন না।

এনআরবি ব্যাংক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

১০০ জনের বেশি অতিথি আপ্যায়নে জনপ্রতি ৫০ টাকা করের প্রস্তাব

প্রকাশ: ০৫:০৫ পিএম, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

হোটেল বা কমিউনিটি সেন্টারে বিয়ে ও জন্মদিনের মতো সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজনে জনপ্রতি ৫০ টাকা কর আদায়ের প্রস্তাব দিয়েছে ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি)। 

রাজস্ব আদায় বাড়ানোর লক্ষ্যে এনবিআরের কাছে এই প্রস্তাব দিয়েছে ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি)। 

আইসিএমএবি প্রতিনিধিদলের সদস্য ও সংস্থার সাবেক সভাপতি আবদুর রহমান খান বলেছেন, "ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য ব্যতীত অন্য যেকোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে যেমন বিয়ে, ব্রাইডাল শাওয়ার, জন্মদিন বা বিবাহ বার্ষিকীতে ১০০ জনের বেশি অতিথি দাওয়াত করলে এবং তার জন্য হোটেল, রেস্তোরাঁ বা কমিউনিটি সেন্টার বুকিং করলে অতিথি প্রতি ৫০ টাকা অগ্রিম কর আরোপের বিধান চালু করা যেতে পারে।"

এ বিষয়ে আইসিএমএবি প্রতিনিধিদলের সদস্য সাঈদ আবদুর রহমান বলেন, দেশের অনেক মানুষ করের আওতায় না থাকলেও অনেক অর্থ খরচ করেন। মূলত তাদের করের আওতায় আনতে আমদের এই প্রস্তাব। দেশের কর–জিডিপির অনুপাত কম। সেটা বাড়াতে হলে এমন লোকজনকে কিছুটা হলেও করের আওতায় আনতে হবে।


আইসিএমএবি   এনবিআর   কর  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড ইকোনমি

ফেব্রুয়ারির প্রথম ৯ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ৬৩ কোটি ডলার

প্রকাশ: ০৯:২৫ এএম, ১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

মহান ভাষার মাস ফেব্রুয়ারির প্রথম নয় দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ৬৩ কোটি ১৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার।বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ছয় হাজার ৯১৮ কোটি টাকা। (প্রতি ডলার ১০৯ দশমিক ৫০ পয়সা হিসাবে)।

রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে এ জানানো হয়।

এ সময়ে গড়ে প্রতিদিন দেশে এসেছে সাত কোটি এক লাখ ৯৬ হাজার ৬৬৬ ডলার। আগের বছর একই সময়ে গড়ে দিনে প্রবাসী আয় আসে পাঁচ কোটি ৫৭ লাখ ৩১ হাজার ৪২৮ ডলার।  

আর আগের মাস জানুয়ারিতে গড়ে প্রতিদিন প্রবাসী আয় আসে সাত কোটি ৩১ হাজার ৬৬৬ ডলার। ডিসেম্বর মাসেও এমনই ছিল।  

আগের বছরের সেপ্টেম্বরে ৪৪ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন প্রবাসী আয় আসে। এরপর সরকার প্রণোদনা বাড়ানোর পাশাপাশি নির্ধারিত দামের অতিরিক্ত দামে প্রবাসী আয় না কেনার নির্দেশনা তুলে নেয়। এরপর থেকে বাড়তে থাকে প্রবাসী আয়।

ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রেমিট্যান্স কেনায় ঘোষিত দর ১০৯ টাকা ৫০ পয়সা হলেও ১২২ থেকে ১২৫ টাকা দরে পর্যন্ত কেনা যাচ্ছে, এ কারণে রেমিট্যান্স বেড়েছে।


ফেব্রুয়ারি   মাস   রেমিট্যান্স   বাংলাদেশি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন