ইনসাইড বাংলাদেশ

১৬ হাজার পিচ ইয়াবাসহ আটক ৪

প্রকাশ: ০৪:১২ পিএম, ২১ নভেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

সিরাজগঞ্জে পৃথক মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ১৬ হাজার পিচ ইয়াবাসহ চার মাদক কারবারীকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)

 

মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর') দুপুরে এক প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এতথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জুলহাস উদ্দিন।

 

আাটককৃতরা হলেন, বগুড়ার শিবগঞ্জ থানার দাইমুল্যা গ্রামের মৃত শাহজাহান ফকিরের ছেলে মো. শাফায়েত ফকির (৩৫), রংপুরের মিঠাপুকুর থানার বাহাদুরপুর গ্রামের মৃত ইমদাদুলের ছেলে মো. জুয়েল মিয়া (৩০) এদের কাছ থেকে ৮ হাজার পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

 

অপর দিকে, বগুড়া শিবগঞ্জ থানার সিহালী গ্রামের মো. দিলবর ফকিরের ছেলে মো. বাছেদ ফকির অরফে আঃ বাছেদ (৩২), জয়পুরহাট জেলার কালাই থানার সমশিরা গ্রামের  সুজাউল ইসলামের ছেলে মো. মিজানুর রহমান (২৮) এদের কাছ থেকে ৮ হাজার পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

 

ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জুলহাস উদ্দিন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভোর রাতে বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিমপাড় গোলচত্বর এলাকায় চেকপোষ্টে ডিউটি করাকালে মো. শাফায়েত ফকির ও মো. জুয়েল মিয়াকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ৮ হাজার পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, আজ সকালে সদর উপজেলার সদানন্দপুর মিয়াবাড়ী মার্কেটের সামনে অভিযান চালিয়ে বাছেদ ফকির অরফে আঃ বাছেদ ও মো. মিজানুর রহমানকে আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ৮ হাজার পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। আটককৃত আসামীদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত আলামতসহ তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।'


সিরাজগঞ্জ   ইয়াবা   আটক  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

আওয়ামী লীগের ইতিহাস: বাংলাদেশের ইতিহাস

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ১৪ জুন, ২০২৪


Thumbnail

বাংলাদেশের অভ্যুদয়, বাংলাদেশের বিকাশ এবং আজকে বাংলাদেশের অবস্থান সবই হলো আওয়ামী লীগের অবদান। কাজেই আওয়ামী লীগের ইতিহাস আর বাংলাদেশের ইতিহাস শেষ পর্যন্ত এক মোহনায় মিলিত হয়েছে। আগামী ২৩ জুন আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং আগামী ২৩ জুন ‘প্লাটিনাম জয়ন্তী’ পালন করতে যাচ্ছে দেশের প্রাচীন ও বৃহত্তম রাজনৈতিক এই সংগঠনটি। এই উপলক্ষ্যে আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক দিন ক্ষণগুলো ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলা ইনসাইডার। আজ তুলে ধরা হলো সপ্তম পর্ব।

ইতিহাসের রূপরেখা:

১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি শাহাবুদ্দিনের নির্দলীয় অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে পঞ্চম জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে বিএনপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী জোটভুক্ত দলগুলো ৯৯টি আসন লাভ করে। বিএনপি পায় ১৪২টি আসন। তারপরও সরকার গঠনে বিএনপিকে জামাতের ১৮ সদস্যের সমর্থন নিতে হয়।

১৯৯১ সালের ৩১ জুলাই আবদুর রাজ্জাকের নেতৃত্বাধীন বাকশাল আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগে একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, ১৪ আগস্ট থেকে তা কার্যকর হয়। অন্যদিকে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে দলের অভ্যন্তরে আবার উপদলীয় কর্মকাণ্ড শুরু হয়। ১৯৯২ সালের ২১ জুন ড. কামাল হোসেন ৪৮ সদস্য বিশিষ্ট 'গণতান্ত্রিক ফোরাম' গঠন করেন। এই গণতান্ত্রিক ফোরামই ১৯৯৩ সালের ২৩ আগস্ট 'গণফোরাম' নামে রাজনৈতিক দল হিসেবে আবির্ভূত হয়।

১৯৯২ সালের ১৯, ২০ ও ২১ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগের তিন দিনব্যাপী কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। কাউন্সিলের দ্বিতীয় দিন, ২০ সেপ্টেম্বর নতুন অর্থনৈতিক নীতিমালার আলোকে দলের ঘোষণাপত্র ও গঠনতন্ত্রের সংশোধনী সর্বসম্মতিতে গৃহীত হয়। ২১ সেপ্টেম্বর শেখ হাসিনাকে সভাপতি ও জিল্লুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করে কাউন্সিল।

১৯৯২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি গোলাম আযম ও তার সহযোগীদের বিচারের লক্ষ্যে জাহানারা ইমামকে আহবায়ক করে গঠিত হয় জাতীয় সমন্বয় কমিটি। ১৫ ফেব্রুয়ারি আত্মপ্রকাশ করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি। ২৬ মার্চ, স্বাধীনতা দিবসে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে লক্ষ মানুষের সমাবেশে গণ-আদালতের এজলাস বসিয়ে যুদ্ধাপরাধের জন্য গোলাম আযমের ফাঁসির রায় ঘোষণা করা হয়। শেখ হাসিনা একে জনতার বিজয় বলে অভিহিত করেন। কবি সুফিয়া কামাল, জাহানারা ইমাম ও শেখ হাসিনা এক মঞ্চ থেকে গোলাম আযমের ফাঁসির রায় কার্যকর করার, দাবিতে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের আহ্বান জানান। সরকার জাহানারা ইমামসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। 

১৯৯৪ সালের ১ জানুয়ারি ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোহাম্মদ হানিফ মেয়র পদে জয়লাভ করেন। কিন্তু সরকার-দলীয় পরাজিত কমিশনার প্রার্থীর ব্রাশফায়ারে ঐদিন ঢাকার লালবাগে ৬ জন আওয়ামী লীগ কর্মী-সমর্থক নিহত হয়।

মিরপুর ও মাগুরা উপনির্বাচনে বিএনপির ভোট ডাকাতি ও কারচুপির পরিপ্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগ 'নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার'র অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবি উত্থাপন করে। বিরোধী দলগুলো এই দাবি সমর্থন জানায়। গড়ে ওঠে আন্দোলন।

১৯৯৪ সালের ২১ সেপ্টেম্বর শেখ হাসিনা উত্তরবঙ্গে গণ-সংযোগের জন্য ট্রেন অভিযাত্রা শুরু করেন। ২৩ সেপ্টেম্বর ঈশ্বরদী ও নাটোরে শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ, বোমাবাজি, হামলা ও সন্ত্রাসী তাণ্ডব চালায় বিএনপি ক্যাডাররা। ৬ ডিসেম্বর সংসদের বিরোধী দলগুলো পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেয়। ২৮ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ থেকে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, জামাত ও এনডিপি দলীয় সংসদ সদস্যগণ একযোগে পদত্যাগ করেন।

১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বিএনপি কর্তৃক একদলীয় ভোটারবিহীন নির্বাচন। তীব্র গণ-আন্দোলনের মুখে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে খালেদা সরকার পদত্যাগ করে। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর।

১৯৯৬ সালের ১২ জুন সপ্তম জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। আওয়ামী লীগ মোট ভোটের ৩৭.৫৩ শতাংশ ভোট ও ১৪৬টি আসন পায়। বিএনপি পায় ৩৩.৪০ শতাংশ ভোট ও ১১৬টি আসন। জাতীয় পার্টি পায় ১৫.৯৯ শতাংশ ভোট ও ৩২টি আসন এবং জামাত পায় ৮.৫৭ শতাংশ ভোট ও ৩টি আসন। বামফ্রন্ট কোনো আসন পায়নি, ভোট পায় ০.৪২ শতাংশ। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ জনগণের রায় নিয়ে দেশ পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহন করে। ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা দিবসে শেখ হাসিনা জাতীয় ঐক্যের সরকার গঠন করেন


আওয়ামী লীগ   বাংলাদেশ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

চলতি মাসেই দি‌ল্লি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১০:৩২ পিএম, ১৩ জুন, ২০২৪


Thumbnail

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথ অনুষ্ঠানে যোগদানের পর চলতি মাসেই দ্বিপক্ষীয় সফরে দিল্লি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী ২১ জুন এই সফরের কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে কূটনৈ‌তিক সূত্র। 

সূত্র জানিয়েছে, দ্বিপক্ষীয় সফরে আগামী ২১ জুন দিল্লি সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনা। তবে এবারের সফরটি হবে দুই দিনের। সফরকালে তিনি তৃতীয়বারের মতো ভার‌তের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হওয়া নরেন্দ্র মোদির স‌ঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক কর‌বেন।

এর আগে গত শনিবার (৮ জুন) নরেন্দ্র মোদির শপথ অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য ভারতে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এদিন পালাম বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে ভারতের বিদেশ মন্ত্রণালয়ের সচিব (সিপিভি ও ওআইএ) মুক্তেশ পরদেশী, বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা এবং ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. মুস্তাফিজুর রহমান স্বাগত জানান।

রোববার (৯ জুন) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি ভবনে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদানের পর নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি ভারতের রাষ্ট্রপতি কর্তৃক আয়োজিত রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে যোগ দেন।

দি‌ল্লি সফর   প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

এক-এগারোর কুশীলব হয়েও তিনি বড় আওয়ামী লীগার!

প্রকাশ: ১০:১৬ পিএম, ১৩ জুন, ২০২৪


Thumbnail

২০০৭ সালের ১৩ জুন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গুলশান থানায় ৩ কোটি টাকা চাঁদাবাজির মামলা করেছিলেন ইস্টকোস্ট গ্রুপ এবং তৎকালীন প্রাইম ব্যাংকের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী। এই মামলার কারণে ১৬ জুলাই শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। অথচ মামলাটি ছিলো সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন।এই মামলায় অন্য আসামীদের মধ্যে ছিলেন শেখ হাসিনার ফুপাতো ভাই আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম ও বোন শেখ রেহানা।

কিন্তু অবাক করার বিষয় যে আজ এতদিন অতিবাহিত হলেও বহাল তবিয়তে আছেন সেই ব্যবসায়ী আজম জে চৌধুরী। রবং এ সময় তার ব্যবসার পরিধি আরও বেড়েছে বলেই জানা যায়। আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গেও এখন তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা শোনা যায়। ব্যবসায়ী আজম জে চৌধুরী নিজেও এখন বড় আওয়ামী লীগার বনে গেছেন। তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যার শেখ হাসিনার মতো একজন সৎ রাজনীতিবিদের সুনাম ক্ষুণ্ন করেছেন তিনি কীভাবে আজ এত ক্ষমতাবান হলেন, তার ব্যবসারই বা এত স্ফীতি হলো কি করে? এক-এগারোর একজন কুশীলব হয়েও কীভাবে তিনি বড় আওয়ামী লীগার হলেন সেটি একটি রহস্যময় প্রশ্ন।  

এক-এগারো   আজম জে চৌধুরী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

দুর্দিনের নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করুন: সংসদে এমপি নাসিম

প্রকাশ: ০৯:৪১ পিএম, ১৩ জুন, ২০২৪


Thumbnail

আওয়ামী লীগের দুর্দিনে পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করার জন্য সকল সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক প্রটোকল অফিসার আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম।

বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের আলোচনায় অংশ নিয়ে এ আহ্বান জানান তিনি। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, আমরা যারা আজকে এই সংসদে আছি এখানে আমরা তিন শ্রেণির মানুষ আছি। যারা প্রথম থেকে রাজপথে আন্দোলন করে এসেছি এবং রাজপথের নেতাদের সন্তানেরা এবং আরেকটি গ্রুপ হলেন বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত যারা। যারা বিভিন্ন সময় আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে আওয়ামী লীগকে সমৃদ্ধ করেছেন। এই তিনি ভাগের সমস্ত সংসদ সদস্যদের প্রতি আমি আহ্বান জানাব আপনারা দুর্দিনের নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করুন। তাদেরকে হয়তো বাস্তবতার কারণে চালকের আসনে অধিষ্ঠিত করবেন না কিন্তু সন্মানের আসনে তাদেরকে অধিষ্ঠিত করুন।

এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তিনটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। তিনি বলেন, ৭৫ থেকে ৮১; ৭৫ থেকে ৮১; ৮১ থেকে ৯৬; ২০০১ থেকে ২০০৬ এবং ২০০৭-০৮ এই সময়ের আন্দোলন সংগ্রাম নিয়ে গবেষণা করার জন্য একটি কমিশন গঠনের প্রস্তাব করছি। এই সময় যারা আন্দোলন সংগ্রামে শহীদ হয়েছেন তাদেরকে অফিসিয়ালি শহীদের মর্যাদা দান করা হোক। 

দুর্দিনের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মাসে অন্তত দুইদিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের ব্যবস্থা করে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে নাসিম বলেন, এই সমস্ত নেতাকর্মীদের জীবনে আর চাওয়া পাওয়ার কিছু নেই। তারা শুধু শেষ বারের মতো সরাসরি প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে চায়, তার মুখ থেকে সরাসরি কথা শুনতে চায়। তাদের একজন শেখ হাসিনা আছেন এই আশায় তারা আছেন। 

সংসদে প্রধানমন্ত্রীর আন্দোলন সংগ্রামের জীবন তুলে ধরে এই সাংসদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে বসে খুনী তারেক রহমানের মত শুধু নির্দেশ দেননি, আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেননি, আন্দোলনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য রাজপথে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। যে কারণে ২১ বার প্রধানমন্ত্রীর ওপর হামলা করা হয়েছে।

ফেনী-১ আসন থেকে বেগম খালেদা জিয়া চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন উল্লেখ্য করে আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম বলেন, এই নির্বাচনী এলাকা থেকেই খালেদা জিয়া দুবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েও এলাকার উন্নয়নের দিকে দৃষ্টিপাত করেননি। খালেদা জিয়ার শাসনামলে ফেনী-১ নির্বাচনী এলাকা উন্নয়ন বঞ্চিত ছিলো বলেও দাবি করেন এই সংসদ সদস্য।

আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের যানজট নিরসনে সমন্বয় সভা

প্রকাশ: ০৮:৫৭ পিএম, ১৩ জুন, ২০২৪


Thumbnail

মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের ওপরের ঈদুল আজহায় যানজটকে সহনীয় পর্যায়ে আনার জন্য সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) যাত্রাবাড়ী জনপদ মোড়স্থ ফ্লাইওভার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওরিয়ন গ্রুপের অফিস কক্ষে ঢাকা-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ আওলাদ হোসেন এর সভাপতিত্বে ফ্লাইওভার ও পাশ্ববর্তী এলাকা সমূহের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় গতিশীলতা আনয়নের লক্ষ্যে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

এতে অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ মইনুল হাসান পিপিএম, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-মতিঝিল) হিসেবে কর্মরত, মোহাম্মদ আশরাফ ইমাম, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-ওয়ারী), অতিঃ-উপ পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক-ওয়ারী) সুলতানা ইশরাত জাহান, সহকারী পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক লালবাগ জোন) মোঃ গোলাম মোর্শেদ এবং  ফ্লাইওভার কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন। 

সভায় ফ্লাইওভার ও পাশ্ববর্তী এলাকা সমূহের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় আরো গতিশীলতা বাড়ানোর জন্য গুলিস্তান সহ অন্য ১০টি র‍্যাম্প এলাকায় বিশেষ ব্যবস্থা নেয়ার লক্ষ্যে সকলের সার্বিক সহযোগিতা ও ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠা অব্যাহত রাখবে মর্মে প্রতীতি ব্যক্ত করা হয়। ফ্লাইওভার কর্তৃপক্ষ সর্বমোট ০৭ টি টোল প্লাজায় টোলের গতি বাড়ানোর জন্য অধিকতর কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণসহ প্রতিটি র‍্যাম্প এলাকায়  আরো বেশি সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন করবেন মর্মে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

উল্লেখ্য, মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভার বাংলাদেশের প্রথম পিপিপি প্রজেক্টভুক্ত ফ্লাইওভার যা দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের যানবাহনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। অত্র ফ্লাইওভারে ১১টি র‍্যাম্প রয়েছে। তন্মধ্যে ৬টি স্থান থেকে যানবাহন উঠা এবং ৫টি স্থান থেকে নামার সুযোগ রয়েছে। এর সিংহভাগ ওয়ারী ট্রাফিক বিভাগের অন্তর্গত এবং মতিঝিল ট্রাফিক বিভাগে মাত্র ১ টি অথচ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ র‍্যাম্প ব্যস্ততম গুলিস্তানে অবস্থিত। 

মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার   ঢাকা-৪   ড. মোঃ আওলাদ হোসেন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন