ইনসাইড বাংলাদেশ

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রকাশ: ০৯:৪০ পিএম, ২১ নভেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন তিন বাহিনীর প্রধানগণ।

মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সাথে সাক্ষাৎ করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এসএম শফিউদ্দিন আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আবদুল হান্নান।

পরে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন জানান, ‌‘সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতিকে  তাদের নিজ নিজ বাহিনীর বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।’

দিবসটি উপলক্ষে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা তাদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের জন্য সম্মান বয়ে এনেছে। 

রাষ্ট্রপতি আশা করেন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আগামীতেও দেশের উন্নয়নে আরও অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

রাষ্ট্রপতি   মো. সাহাবুদ্দিন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

কোটা সংস্কার: সমঝোতার পথ কি বন্ধ হয়ে গেল?

প্রকাশ: ১০:০০ পিএম, ১৭ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে সরকার এবং আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অনড় অবস্থান লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আজ সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন। সেই ভাষণে তিনি শিক্ষার্থীদের আদালতের রায় পর্যন্ত ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সাথে তিনি ১৬ জুলাই যারা নাশকতা তাণ্ডব করেছে, সেই সমস্ত ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন। 

সরকারের অবস্থানের তেমন কোনও পরিবর্তন হয়নি। কোটা সংস্কার নিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে সমঝোতা বা আলাপ আলোচনার কোনও বার্তাও দেননি প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর এই ভাষণের পরপরই কোটা সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থীরা আগামীকাল সারাদেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। যদিও এই কর্মসূচির অবয়ব এবং প্রকৃতি এখন পর্যন্ত ব্যাখ্যা করা হয়নি। তবে বোঝাই যাচ্ছে যে সরকার এবং শিক্ষার্থীরা অনড় অবস্থান গ্রহণ করেছে। কিন্তু সুধীজন মনে করছেন যে এখনও কোটা সংস্কার নিয়ে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা থেকে উত্তরণ সম্ভব। সরকার এবং কোটা সংস্কারের সঙ্গে জড়িত শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি উন্নতি করা সম্ভব বলে অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন। আর এজন্য সরকারকে রাজনৈতিক উদ্যোগ নিতে হবে। 

আওয়ামী লীগের ভেতর অনেক নেতা আছেন যারা এ ধরনের সংকট মোকাবিলায় সিদ্ধহস্ত। অতীতে তারা দায়িত্বশীলতার সাথে বিভিন্ন কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করছে। শিক্ষা আন্দোলনের ক্ষেত্রেও অতীতে দেখা গেছে, আওয়ামী লীগের অনেক নেতারা শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেছেন, আলাপ আলোচনা করেছেন এবং একটি সমঝোতার পথে এসেছেন। এবারও আওয়ামী লীগ তেমন একটি উদ্যোগ নিতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পরও সেই সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়নি বলেই মনে করেন বিভিন্ন মহল। তারা মনে করছেন যে, আলাপ আলোচনার মাধ্যমে বর্তমান পরিস্থিতির উত্তরণ ঘটানো সম্ভব। কারণ এই পরিস্থিতি আস্তে আস্তে খারাপের দিকে যাচ্ছে। 

গতকালকের ঘটনার পর আজ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রিত হবে। বিশেষ করে ক্যাম্পাসগুলো বন্ধ করে দেওয়ার ফলে এবং শিক্ষার্থীদের হল ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়ার পর আজকে বড় ধরনের সংঘাত ঘটবে না বলে আশা করা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। বরং আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশের সঙ্গে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। একটি ইতিবাচক দিক হল যে ছাত্রলীগকে আজ দেখা যায়নি। এর ফলে সরকারের সঙ্গে কোটা সংস্কার আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের আলোচনার পথ উন্মুক্ত হয়েছে। কোটা সংস্কার আন্দোলনে যারা শিক্ষার্থী আছে তারাও আলোচনাকে নাকচ করে দেবে এমনটা ভাবার কোনও কারণ নেই। বরং এই মুহূর্তে যদি সরকার আলোচনার প্রস্তাব দেয় এবং সেটি যদি তারা নাকচ করে দেয় তাহলে জনমত তাদের বিপক্ষে চলে যাবে। কিন্তু এই মুহূর্তে যে ঘটনাপ্রবাহগুলো ঘটছে তার নেপথ্যে যারাই জড়িত থাকুক না কেন সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতি জনগণের একটা সহানুভুতি তৈরি হচ্ছে। আর এ কারণেই সরকারের দ্রুত রাজনৈতিক কৌশল গ্রহণ করা উচিত বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। 

আওয়ামী লীগের অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতা আছেন যারা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন এবং তাদের সাথে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের একটি পথ বের করতে পারেন। অত্যন্ত আলাপ আলোচনার মাধ্যমে যে সহিংস পরিস্থিতি সারা দেশ জুড়ে শুরু হয়েছে তা বন্ধ হতে পারে। সকলকে ধৈয্যের পরিচয় দিতে হবে এবং অনড় অবস্থান থেকে সরে আসতে হবে। নাহলে এই সংঘাত সামনের দিনগুলোতে খারাপ পরিণতির দিকে নিয়ে যেতে পারে বলেও মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।


কোটা সংস্কার   সমঝোতা   আওয়ামী লীগ   কমপ্লিট শাটডাউন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ঢাবি উপাচার্যের বাসভবনে জরুরি বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশ: ০৯:৫৬ পিএম, ১৭ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

কোটা আন্দোলন নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্যের বাসভবনে বৈঠক করছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী।

বুধবার (১৭ জুলাই) রাতে এ বৈঠক শুরু হয়।

এর আগে এদিন দুপুরে সরকারের নির্দেশনা মেনে সিন্ডিকেট সভা করে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ও শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার ঘোষণা দেয় ঢাবি প্রশাসন।

এদিকে সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পরপর নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলা এবং নিহতদের বিচার, সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিত ও এক দফা দাবিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা করা হয়েছে।

কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামীকাল হাসপাতাল ও জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এছাড়া রাস্তায় অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া কোনো যানবাহন চলবে না বলেও জানানো হয়।

উল্লেখ্য, দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের তুমুল আন্দোলনের মুখে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সরকারি চাকরিতে নারী কোটা ১০ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ এবং জেলা কোটা ১০ শতাংশ বাতিল করে পরিপত্র জারি করে সরকার। সেখানে বলা হয়েছিল, ৯ম থেকে ১৩তম গ্রেডের পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে হবে। ওইসব গ্রেডের পদে সরাসরি নিয়োগে বিদ্যমান কোটা বাতিল করা হলো।

এ পরিপত্র চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি অহিদুল ইসলামসহ সাত শিক্ষার্থী। এর প্রেক্ষিতে গত ৫ জুন ২০১৮ সালের জারিকৃত পরিপত্রটিকে অবৈধ বলে ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। এরপর থেকেই সারা দেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ফুঁসে ওঠেন। কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে নানা স্থানে বিক্ষোভ করেন কোটাবিরোধীরা। ঢাবি ছাড়াও বিক্ষোভ হয় জাবি, জবি, রাবি, সাত কলেজসহ দেশের স্বনামধন্য বিভিন্ন কলেজে।

কোটা আন্দোলন   কমপ্লিট শাটডাউন   শিক্ষামন্ত্রী   ঢাবি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

জবিতে ‌‘ছাত্রলীগ প্রবেশ নিষিদ্ধ’ ঘোষণা

প্রকাশ: ০৯:৪৫ পিএম, ১৭ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাসে (জবি) ‘ছাত্রলীগ প্রবেশ নিষিদ্ধ’ ঘোষণা করেছে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা। 

বুধবার (১৭ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা এ সংক্রান্ত নোটিশ লিখে প্রধান ফটকসহ ক্যাম্পাসের সব ভবনে ঝুলিয়ে দেন। একইসঙ্গে, ‘ফাঁসির মঞ্চে ঝুলছে কে? গণতন্ত্র’, ‘পনেরোর হায়না’ লেখা পোস্টারও সেখানে দেখা গেছে।

এসময় নোটিশটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কয়টি ফটক ও ভবনসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন দেয়ালে দেয়ালে ঝুলিয়ে দিয়েছে কোটা আন্দোলনকারীরা।

এর আগে, বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধসহ ৬ দফা দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়   জবি   ছাত্রলীগ   কোটা আন্দোলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

আবার এক দফা আন্দোলন: নেপথ্যে কারা?

প্রকাশ: ০৮:৩০ পিএম, ১৭ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

কোটা আন্দোলনের ওপর ভর করে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করছে বিএনপি-জামায়াতসহ বিরোধী দলগুলো। গত বছরের শেষ দিকে তারা এক দফা আন্দোলন শুরু করেছিল, সেই আন্দোলন নতুন করে শুরু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বিএনপি-জামায়াত সহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো। তারা শুধু কোটা আন্দোলনকে সমর্থন দিচ্ছে না। তারা সরকার পতনের আন্দোলনকে এর সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। আর এই আন্দোলনে মৌন সম্মতি দিচ্ছে গত বছর যে সমস্ত পশ্চিমা দেশগুলো অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের আওয়াজ তুলেছিল তারা।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশে কোটা আন্দোলন নিয়ে রীতিমতো তাণ্ডব শুরু হয়েছে। গতকাল সারাদেশে কোটা আন্দোলন নিয়ে এক ধরণের বিস্ফোরণ ঘটে। আর এই বিস্ফোরণের জেরে ছয় জন মারা যায়। সরকারের কাছে সুস্পষ্ট তথ্য প্রমাণ আছে যে, এই কোটা আন্দোলনের সঙ্গে বিএনপি এবং জামায়াত যুক্ত হয়েছে। যার ফলে কোটা আন্দোলনকারীদের আন্দোলনটি এখন কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্যে নেই। এটি একটি রাজনৈতিক আন্দোলনে পরিণত হয়েছে।

একাধিক সূত্র বলছে যে, বিএনপি এবং জামায়াত পরিকল্পিত ভাবে কোটা আন্দোলনকে বিকশিত হতে দিয়েছে যেন এটি রাজনৈতিক আন্দোলনের রূপ নেয় এবং সেই লক্ষ্যে ধীরে ধীরে তারা সংগঠিত হয়েছে। এখন সারাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে। আর এখান থেকে সুযোগ নিতে চায় বিএনপি। আর সেকারণেই গতকাল বিএনপির নেতাদেরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারা যেন কোটা আন্দোলনের সঙ্গে সরাসরি ভাবে যুক্ত হয়। 

ছাত্রদল গতকালই সংবাদ সম্মেলন করে কোটা আন্দোলনের সঙ্গে নিজের একাত্মতা ঘোষণা করেছে। আজ তারা গায়েবানা জানাজা করার চেষ্টা করেছিল। অন্যদিকে ছাত্রশিবির পর এখন পর্যন্ত প্রকাশ্য হচ্ছে না। কিন্তু কোটা আন্দোলনের আসল কলকাঠি তাদের হাতেই- এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া গেছে। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে যে, ছাত্রদল এবং ছাত্র শিবিরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন কোনভাবে কোটা আন্দোলন এখানেই শেষ না হয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ করার প্রেক্ষাপটে এবং শিক্ষার্থীদের হল ছাড়ার নির্দেশনা দেওয়ার ফলে এখন একটা নতুন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এই নতুন পরিস্থিতিতেও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। আজ ছাত্রদল, ছাত্র শিবির ছাড়াও বিএনপি এবং অন্যান্য নির্বাচন বিরোধী সংগঠনগুলোকে মাঠে দেখা গেছে। আগামীকাল তারা আরও সংঘবদ্ধভাবে মাঠে নামবে বলে জানা গেছে। 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শুরু থেকেই কোটা আন্দোলনের ব্যাপারে রহস্যময় ভূমিকা পালন করছে। সোমবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে দুইজনের মৃত্যুর খবর বলা হয়েছিল৷ অথচ সেই সময় পর্যন্ত কোটা সংস্কার আন্দোলনে কোনও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। স্পষ্টতই এই আন্দোলনের পিছনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক ধরনের প্রচ্ছন্ন সমর্থন রয়েছে। তাছাড়া সুশীল সমাজের একটি অংশ এই আন্দোলনকে উস্কানি দিচ্ছে। অর্থাৎ গত বছরের শেষদিকে যারা যারা নির্বাচন বানচাল করে সরকার পতনের নীল নকশার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল তারাই এখন নতুন করে একট্টা হচ্ছে এবং আবার নতুন করে এক দফা আন্দোলন শুরু করার পাঁয়তারা করছে।

উল্লেখ্য যে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিরোধী দলগুলো নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে এক দফা আন্দোলন শুরু করেছিল। সেই এক দফার সঙ্গে পশ্চিমা দেশগুলোর সমর্থন এবং সহানুভূতি দৃশ্যমান হয়েছিল। একই সাথে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা এই আন্দোলনকে ইন্ধন যুগাচ্ছিল। এবার প্রেক্ষাপট বদলে গেছে। এবার মূল বিষয় শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার এবং এই আন্দোলন সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষিতে তার ওপর করে বিএনপি-জামায়াত এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলো নতুন করে সংগঠিত হওয়ার চেষ্ট করছে। সামনের দিনগুলোতে কেটা সংস্কার আন্দোলনের নামে সারাদেশে সরকার পতনের আন্দোলন নতুন করে দৃশ্যমান হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ রকম বাস্তবতায় সরকার কিভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করবে সেটি দেখার বিষয়। 

কোটা আন্দোলন   বিএনপি   জামায়াত   শিবির   সহিংস   রাজনৈতিক আন্দোলন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বৃহস্পতিবার সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’

প্রকাশ: ০৮:০৭ পিএম, ১৭ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

কোটা সংস্কার আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলা এবং নিহতদের বিচার, সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাস নিশ্চিত ও এক দফা দাবিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা করা হয়েছে।

বুধবার (১৮ জুলাই) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ এ ঘোষণা দিয়েছেন।

কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামীকাল হাসপাতাল ও জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান ছাড়া সব বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এছাড়া রাস্তায় অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া কোনো যানবাহন চলবে না বলেও জানানো হয়।

এদিকে আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় চলমান পরিস্থিতি নিয়ে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে সংঘর্ষে সারা দেশে যেসব প্রাণহানি ঘটেছে প্রতিটি ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্ত হবে। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের আদালতের চূড়ান্ত রায় দেয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার অনুরোধ জানান।

সরকার প্রধান বলেন, কিছু মহল কোটা আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়েছে। এর ফলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে, তা খুবই বেদনাদায়ক ও দুঃখজনক।

তিনি আরও বলেন, একটি আন্দোলন ঘিরে অহেতুক কতগুলো মূল্যবান জীবন ঝরে গেল। আপনজন হারানোর বেদনা যে কত কষ্ট, তা আমার চেয়ে আর কেউ বেশি জানে না।

উল্লেখ্য, চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) বেশ সহিংস রূপ নেয়। এদিন ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষে ৬ জন মারা যান। আহত হন কয়েকশ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী।

এ অবস্থায় মঙ্গলবারই সারা দেশের স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ বুধবার বন্ধ ঘোষণা করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সব সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হল ও ক্যাম্পাস ত্যাগ না করার ঘোষণা দিয়েছেন। হলগুলোর ভেতরে অবস্থান করছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। বেশিরভাগ হল থেকে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বের করে দেওয়া হয়েছে।

সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজধানী ঢাকাসহ ৬ জেলায় মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

কোটা আন্দোলন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন