ইনসাইড বাংলাদেশ

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রকাশ: ০৯:৪০ পিএম, ২১ নভেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন তিন বাহিনীর প্রধানগণ।

মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সাথে সাক্ষাৎ করেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এসএম শফিউদ্দিন আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আবদুল হান্নান।

পরে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন জানান, ‌‘সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতিকে  তাদের নিজ নিজ বাহিনীর বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।’

দিবসটি উপলক্ষে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা তাদের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের জন্য সম্মান বয়ে এনেছে। 

রাষ্ট্রপতি আশা করেন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আগামীতেও দেশের উন্নয়নে আরও অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

রাষ্ট্রপতি   মো. সাহাবুদ্দিন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

দুর্নীতির ইস্যুকে রাজনীতিকরণ করছেন ড. ইউনূস

প্রকাশ: ০৮:০০ পিএম, ০৪ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

সরকারের বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিক ঐক্য এবং রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার জন্য এখন প্রকাশ্যে তৎপরতা শুরু করেছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। নিজেকে মামলার হাত থেকে বাঁচাতে এবং দুর্নীতির অভিযোগ থেকে রক্ষা পেতে তিনি যে সমস্ত পদক্ষেপগুলো নিচ্ছেন তার মধ্যে একটি হল বাংলাদেশে গণতন্ত্র নেই এবং রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করার আহ্বান জানাচ্ছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। 

সাম্প্রতিক সময়ে ড. ইউনূসকে অত্যন্ত সরব দেখা যাচ্ছে। তিনি বাংলাদেশে মানবজমিন পত্রিকায় একটি সাক্ষাত্কার দিয়েছেন। এর আগে তিনি ডয়চে ভেলে-তে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন। এই সমস্ত প্রত্যেকটি সাক্ষাতকারে তিনি গণতন্ত্রের জন্য, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ঐক্যের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। 

গতকাল ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে গ্রামীণ টেলিকমের ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিং মামলার জামিন আবেদনের শুনানি হয়েছে এবং ঢাকার একটি আদালতে তিনি হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন এবং তাকে আদালত জামিন দেন। এই জামিন পাওয়ার পর তিনি রাজনৈতিক বক্তব্য রেখেছেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, এটি একটি ঐতিহাসিক ঘটনা হয়ে থাকবে। এই ঘটনা শুধু দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, সারা দুনিয়ার মানুষ খেয়াল করছে। এই বিচার কি হয়? আমরা যা দেখছি তা সবিস্তারে দেখছেন। 

উল্লেখ্য, ড. মুহাম্মদ ইউনূসই প্রথম নোবেলজয়ী নন, যিনি দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত। এর আগে বহু নোবেলজয়ী দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন এবং নানা রকম অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে কারাভোগ করেছেন। একজন নোবেলজয়ী হলেই তিনি বিচারের ঊর্ধ্বে উঠে যান না। ড. ইউনূসও বিচারের ঊর্ধ্বে উঠে যাননি। কিন্তু সমস্যা হল ড. ইউনূস তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ গুলোকে খণ্ডাতে অন্য রকম কৌশল গ্রহণ করেছেন। তিনি দেশ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি বিভ্রান্তির বলয় সৃষ্টি করার চেষ্টা করছেন। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে সেই অভিযোগ গুলো আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বা ইউনূস নিজেও স্বীকার করছেন না। বরং তিনি বলেছেন যে, তার ছোটখাটো ভুল থাকতে পারে। 

ড. ইউনূসের প্রধান বক্তব্য হল তিনি যেগুলো করেছেন সেগুলো ইচ্ছাকৃত কোন ভুল ত্রুটি নয়। তিনি এটিও বলতে চাচ্ছেন যে, সরকার আক্রোশবশত হয়েই তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দিচ্ছে। এটি তাকে হয়রানি করার সামিল। তবে সাধারণ আইনজ্ঞরা এবং বিচারে অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে দেখা যায় যে, ড. ইউনূসের মামলাগুলো প্রত্যেকটি গ্রহণযোগ্য মামলা এবং এর পেছনে কোন রাজনৈতিক অভিপ্রায় বা দুরভিসন্ধি খুঁজে পাওয়া দুষ্কর ব্যাপার। কারণ ড. ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে থাকার সময় রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবহার করে যে ভাবে একের পর এক প্রতিষ্ঠান করেছেন এবং সেই প্রতিষ্ঠানগুলোকে এখন তিনি ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠান হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন, এর চেয়ে বড় গর্হিত অপরাধ আর কিছু হতে পারে না। 

গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে গ্রামীণ কল্যাণ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং গ্রামীণ কল্যাণের মাধ্যমে গ্রামীণ টেলিকম সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে উঠেছিল। সেই সমস্ত প্রতিষ্ঠান গুলোর মালিক এখন ড. ইউনূস কিভাবে হল সেই সমস্ত প্রতিষ্ঠানগুলো কিভাবে সামাজিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হল এই প্রশ্নের উত্তর ড. ইউনূসের কাছে নেই। ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে সেই অভিযোগ গুলো সুষ্ঠু তদন্ত হবে এবং আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হবে। কিন্তু আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তির আগে ড. ইউনূস কিভাবে দাবি করছেন যে তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো হয়রানিমূলক ভিত্তিহীন এবং তিনি হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এটি একটি সুচতুর রাজনৈতিক চাল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। 

বিশ্লেষকদের মতে ড. ইউনূস তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ধামা চাপা দেওয়ার জন্য ত্রিমুখী কৌশল নিয়েছেন। প্রথমত, তিনি আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। প্রভাবশালী মহল যেন তার ভাষায় নিপীড়ণ হচ্ছে এটা দেখে সরকারের ওপর রুষ্ট হয় সেই চেষ্টা করছেন ইউনূস প্রাণান্ত ভাবে। এ কারণে তিনি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে বেছে নিয়েছে। প্রতিদিন তিনি গণমাধ্যমে পয়সা খরচ করে সাক্ষাৎকার দিচ্ছেন।

দ্বিতীয়ত, ইউনূস বাংলাদেশের রাজনীতিতেও একটা উস্কানি দিচ্ছেন। রাজনৈতিক দলগুলো যেন তার পাশে দাঁড়ায় এজন্য তিনি গণতন্ত্র. ভোটাধিকার ইত্যাদি বিষয়গুলো এনে বিরোধী দলগুলোর মন জয় করার চেষ্টা করছেন।

তৃতীয়ত, তিনি সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন। তিনি যে একজন দুর্নীতিবাজ, অর্থ আত্মসাত বাজ এটি ধামা চাপা দেওয়ার জন্য তিনি এক ধরনের মায়াবি নাটক করছেন। এখন দেখা যাক এই কৌশলের লড়াইয়ে কে জয়ী হয়। ড. ইউনূস না বাংলাদেশ?

দুর্নীতি   রাজনীতি   ড. মুহাম্মদ ইউনূস  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

রমজানে ২৫টি স্থানে সুলভ মূল্যে পাওয়া যাবে মাংস, দুধ ও ডিম

প্রকাশ: ০৭:৩২ পিএম, ০৪ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

রমজানে প্রাণিজ পণ্যের নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহ করে নিম্ন আয়ের মানুষকে স্বস্তি দেওয়ার লক্ষ্যে ঢাকা শহরের ২৫টি স্থানে ড্রেসড ব্রয়লার, গরু ও খাসির মাংস, দুধ ও ডিম সাশ্রয়ী মূল্যে বিপণন করা উদ্যোগ নিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

সোমবার (৪ মার্চ) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর ফলে এসব পণ্যের বাজারদর সহনীয় পর্যায়ে রাখা সম্ভব হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যে সব স্থানে সাশ্রয়ী মূল্যে পাওয়া যাবে মাংস, দুধ ও ডিম

সচিবালয় সংলগ্ন আব্দুল গণি রোড, খামারবাড়ি, মিরপুর ৬০ ফুট রাস্তা, আজিমপুর মাতৃসদন, পুরান ঢাকার নয়াবাজার, গাবতলী, হাজারীবাগ, আরামবাগ (মতিঝিল), মোহাম্মদপুরের জাপান গার্ডেন সিটি, মিরপুরের কালশী, যাত্রাবাড়ী, নতুন বাজার,  খিলগাঁও রেলগেইট, নাখালপাড়ার লুকাস মোড়, সেগুনবাগিচা কাঁচাবাজার, মোহাম্মদপুরের বসিলা, উত্তরার দিয়াবাড়ি, বনানীর কড়াইল বস্তি, কামরাঙ্গীরচর, রামপুরা, মিরপুর-১০, কল্যাণপুর (ঝিলপাড়া), তেজগাঁও, পুরান ঢাকা (বঙ্গবাজার), কাকরাইলে এ কার্যক্রম চালু থাকবে। 

রমজান   মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

নিঁখুত ভাবে জেলেদের তালিকা প্রস্তুত করতে হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশ: ০৬:১২ পিএম, ০৪ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

প্রকৃত জেলেদের খুঁজে বের করে সঠিকভাবে তালিকা প্রস্তুত এবং বিলুপ্ত ও পরিত্যক্ত জলাশয় সংস্কারপূর্বক মাছ চাষের আওতায় আনার ব্যবস্থা নেওয়ার আহবান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোঃ আব্দুর রহমান। 

সোমবার (০৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় অধিবেশনে ডিসিদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী এ আহবান জানান।  
ডিসিদের উদ্দেশ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, পুকুর, পচা, ডোবা, ছোট ছোট খাল, নদী যেগুলো বিলুপ্তির পথে, সেগুলো চিহ্নিত করে সংস্কারপূর্বক মাছ চাষের আওতায় আনার ব্যবস্থা নিতে হবে। শেখ হাসিনার বাংলাদেশে মাছে ভাতে সকলেই ভালোভাবে বেঁচে থাকবে, কেউ খাবারের অভাবে, পুষ্টির অভাবে মারা যাবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ইলিশ মাছ ধরা নিষিদ্ধকালীন সময়ে জেলেদেরকে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত ভিজিএফ কার্ডের মাধ্যমে সহযোগিতা করা হয়। এক্ষেত্রে তিনি প্রকৃত জেলে এবং যেসব জেলে ক্ষতিগ্রস্ত তাদের তালিকা যেন নিঁখুতভাবে প্রস্তুত করা হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখার জন্য ডিসিদের প্রতি আহবান জানান। তিনি কারেন্ট জালসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত অন্যান্য জাল যেগুলো দিয়ে অপ্রাপ্ত বয়সের মাছগুলোকেও ধরে ফেলা হয়, সেসব নিষিদ্ধ জাল ব্যবহারের বিষয়টি যেকোন উপায়ে প্রতিরোধ করার ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ডিসিদের প্রতি আহবান জানান।

তিনি বলেন, মাইকিংসহ অন্যান্য সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানোর পাশাপাশি আইনের যথাযথ প্রয়োগ করা হলে ইলিশসহ অন্যান্য মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। বর্তমান সরকার জাটকা রক্ষায় কেবল আইন প্রয়োগ করছে না বরং এই মাছ ধরা নিষিদ্ধ সময়ে জেলেদের জন্য ভিজিএফ খাদ্য সহায়তার পরিমাণ আগের চেয়ে অনেক বৃদ্ধি করেছে।

তিনি জানান, এবছর আগামী  ১১ মার্চ হতে ১৭ মার্চ পর্যন্ত “জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ, ২০২৪” উদ্‌যাপন করা হবে। যার উদ্বোধন অনুষ্ঠান আগামী ১১ মার্চ ইলিশ সমৃদ্ধ অন্যতম জেলা চাঁদপুর-এর সদর উপজেলার মোলহেড প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হবে । 

অধিবেশন শেষে সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আসন্ন রমজান মাসে রাজধানীর ২৫ থেকে ৩০টি স্থানে ট্রাকে করে কম দামে মাংস, দুধ ও ডিম বিক্রি করা হবে। আাগামী ১০ মার্চ এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হবে। ঈদের আগের দিন পর্যন্ত ট্রাকে করে এ কার্যক্রম চলবে জানিয়ে তিনি বলেন, ঢাকার বাইরে ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করার তাগিদ আছে। ব্যবসায়ীদের কাছে অনুরোধ, আপনারা মানুষকে কষ্ট দিয়ে অধিক মুনাফা লাভের চেষ্টা করবেন না। এই কার্যক্রম সারা দেশে চলবে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপাতত ঢাকায় ২৫ থেকে ৩০টি স্থানে এটা করা হবে। পর্যায়ক্রমে সামর্থ্য অনুসারে আরও বেশি জায়গায় প্রসারিত করার চেষ্টা করা হবে। 

ইলিশ সংরক্ষণ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, জাটকা ধরা থেকে মৎস্যজীবীদের নিবৃত্ত করতে হবে। এটা বন্ধ হলে ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধি হবে। মাছ উৎপাদন নিয়ে প্রাণিসম্পদে আমরা সন্তোষজনক অবস্থায় আছি। এটার প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নের লক্ষ্যে আমাদের আরও কিছু পরিকল্পনা আছে বলে এসময় তিনি মন্তব্য করেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী   মোঃ আব্দুর রহমান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজে ছাত্রকে গুলি করলেন শিক্ষক

প্রকাশ: ০৬:০৫ পিএম, ০৪ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজে শিক্ষার্থীকে গুলি করার অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এতে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। 

সোমবার (৪ মার্চ) বিকেল ৩টার দিকে সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের শ্রেণিকক্ষে এই ঘটনা ঘটে।

আহত তমাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেনসিক বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র বলে জানা গেছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম রায়হান শরিফ। তিনি মেডিসিন বিভাগের শিক্ষক।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, মেডিসিন বিভাগের শিক্ষক রায়হান শরিফ ভাইভা চলাকালীন কোনো কারণ ছাড়াই তমালের ডান পায়ে গুলি করেন। পরে তমালকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী জাহিন শাহরিয়ার বলেন, ‘ভাইভা চলাকালীন ৪৫ জন শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে শিক্ষক রায়হান শরিফ তমালের ডান পায়ে গুলি করেন। ওই শিক্ষকের শাস্তি দাবিতে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে।’

শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ আমিরুল হোসেন চৌধুরী বলেন, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার (এসপি) আরিফুর রহমান মণ্ডল বলেন, এ ঘটনায় কলেজে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে বিষয়টি পুরোপুরি না জেনে কিছু বলা যাচ্ছে না।

শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

চট্টগ্রামে এস আলম চিনি মিলে ভয়াবহ আগুন

প্রকাশ: ০৬:০২ পিএম, ০৪ মার্চ, ২০২৪


Thumbnail

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে এস আলম চিনি মিলের আগুন ভয়াবহ রুপ ধারণ করেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট।

সোমবার (৪ মার্চ) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে কর্ণফুলী থানাধীন ইছানগর এলাকার চিনি মিলটির গোডাউনে আগুন লাগে। আগুন লাগার খবর পেয়ে কর্ণফুলী, আনোয়ারা ফায়ার স্টেশন আগুন নির্বাপণে কাজ করছে।

চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তা কফিল উদ্দিন বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো যাবে।

চট্টগ্রাম   এস আলম চিনি মিল   আগুন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন