ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

রাশিয়ার তেল ভারত ঘুরে যাচ্ছে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রে

প্রকাশ: ০৯:২৬ পিএম, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

রাশিয়ার নাখোদকা বন্দরের কাছে জ্বালানি তেলবাহী ট্যাংকার এগিয়ে চলেছে গন্তব্যের উদ্দেশে। ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়া থেকে ভারতের জ্বালানি তেল কেনা রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে

যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বে পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল কেনার উপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালানোর জেরে। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা দিলেও যুক্তরাষ্ট্রের কাছেই রাশিয়ার তেল যাচ্ছে। তবে সরাসরি রাশিয়া থেকে তেল কিনছে না দেশটি। রাশিয়া থেকে কেনা অপরিশোধিত তেল শোধন করে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করছে ভারত। এই তেল আনা হচ্ছে ‘ছায়া ট্যাংকার’ বহর ব্যবহার করে।

২৪ ফেব্রুয়ারি দুই বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে ইউক্রেন যুদ্ধের। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রাশিয়ার তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা দেশের একটি হয়ে উঠেছে ভারত। জানা গেছে, শুধু গত বছরই রাশিয়ার কাছ থেকে রেকর্ড সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৭০০ কোটি মার্কিন ডলার সমমূল্যের অপরিশোধিত তেল কিনেছে ভারত। এরপর দেশে এনে পরিশোধন করার পর ১০০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের তেল যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করেছে নয়াদিল্লি।

ফিনল্যান্ডভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর রিসার্স অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ারের (সিআরইএ) তথ্য বলছে, যুদ্ধের আগে রাশিয়া থেকে ভারত যে পরিমাণ তেল কিনত, যুদ্ধ শুরুর পর দেশটি থেকে ভারতের তেল কেনা ১৩ গুণ বেড়েছে।
সিআরইএর বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, গত এক বছরে রাশিয়ার তেল পরিশোধন করে করে ভারত যে জ্বালানি পণ্য তৈরি করেছে, তার বড় ক্রেতা ছিল যুক্তরাষ্ট্র। ২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ভারত থেকে ১৩০ কোটি ডলারের জ্বালানি পণ্য আমদানি করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর পশ্চিমা দেশগুলোর যে জোট রাশিয়ার তেলের সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছিল, সেসব দেশেরও রাশিয়ার তেল থেকে তৈরি জ্বালানি পণ্য আমদানি বেড়েছে। সিআরইএর হিসাবে, ২০২৩ সালে জোটে থাকা অন্য দেশগুলোও ৯১০ কোটি ডলার মূল্যের এসব জ্বালানি পণ্য আমদানি করেছে। আগের বছরের চেয়ে যা ছিল ৪৪ শতাংশ বেশি।

রাশিয়ার তেল কেনার উপর পশ্চিমারা যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে তার আওয়তায় পড়ে না ভারত। তবে জাহাজ চলাচলের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নিষেধাজ্ঞার আওতায় না থাকলেও ভারত রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল আমদানির ক্ষেত্রে তথাকথিত ছায়া ট্যাংকার বহর ব্যবহার করেছে। কার কাছে তেল–বাণিজ্য হচ্ছে ও কীভাবে তেল পাঠানো হচ্ছে, সেটা গোপন রাখতে এই ছায়া ট্যাংকার বহর তৈরি করেছে রাশিয়া।

চলতি মাসের শুরুতে গ্রিসের গিথিও বন্দরে রাশিয়ার ছায়া ট্যাংকার বহরের দুটি ট্যাংকার দেখা গেছে। এর মধ্যে একটি ট্যাংকার ছিল অনেক বড় ও অন্যটি তুলনামূলক ছোট। তেলবাহী ট্যাংকার দুটি গ্রিসের বন্দরে নোঙর করা ছিল। তবে মজার বিষয় হচ্ছে, এসব ট্যাংকারে থাকা তেল অন্য ট্যাংকারে স্থানান্তরের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছিল গ্রিসের ওই বন্দরকে।

জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণ করে এমন একটি প্রতিষ্ঠান পোল স্টার গ্লোবাল। তাদের দেওয়া তথ্য বলছে, গ্রিসের বন্দরে নোঙর করে রাখা ওই দুটি ট্যাংকার এক সপ্তাহ আগে রাশিয়া থেকে তেল নিয়ে রওনা করে। ট্যাংকার দুটির মধ্যে একটি ভারতীয় একটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন। এই ট্যাংকারের নামে এর আগে নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের অভিযোগ ছিল। অন্য ট্যাংকারটিও যুক্তরাষ্ট্রের পৃথক একটি নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিল।

পোল স্টার গ্লোবালের ডেভিড তান্নেনবাউম সিএনএনকে বলেন, মাঝেমধ্যে আইনসিদ্ধ উপায়েই তেল এক ট্যাংকার থেকে অন্য ট্যাংকারে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর লক্ষ্যে এ ক্ষেত্রে অবৈধ একটি কৌশল অবলম্বন করা হয়। কারণ, এটা একধরনের খেলা। এ খেলা হয় যাতে এসব তেল কোথা থেকে এসেছে আর কারাই–বা কিনেছে, এ নিয়ে কর্তৃপক্ষ একটা ধন্দের মধ্যে পড়ে যায়।

বিশ্লেষকরা বলছে, প্রতি সপ্তাহে গ্রিসের বন্দরে এমন ডজন ডজন ট্যাংকারে তেল স্থানান্তরের ঘটনা ঘটছে। গ্রিসের বন্দরে ট্যাংকার বদল হওয়ার পর সেই তেলবাহী ট্যাংকার সুয়েজ খাল হয়ে এশিয়ার দেশগুলোর বাজারে প্রবেশ করে।

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে রাশিয়ার তেল রপ্তানিতে সাহায্য করছে সন্দেহভাজন এমন ট্যাংকার ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এ মাসের শুরুতে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় নতুন করে কিছু নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, রাশিয়ার কথিত এই ‘ছায়া বহর’ অচল করার লক্ষ্যে নতুন করে এ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে আরও কিছু পশ্চিমা দেশ একজোট হয়ে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে রাশিয়ার তেলের সর্বোচ্চ মূল্যসীমা বেঁধে দেয়। জোটের ঘোষণা অনুযায়ী প্রতি ব্যারেল ৬০ মার্কিন ডলারের বেশি দামে রাশিয়ার তেল কেনা যাবে না। এর চেয়ে বেশি দামে রাশিয়া যাতে তেল বিক্রি করতে না পারে, তা নিশ্চিতে ভূমিকা রাখার জন্য জোটভুক্ত দেশগুলো তাদের দেশীয় কোম্পানি ও বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দেয়।

বেলজিয়ামভিত্তিক প্রতিষ্ঠান কেপলারের অপরিশোধিত তেলবিষয়ক গবেষণা শাখার প্রধান ভিক্টোরা কাতোনা সিএনএনকে বলেন, রাশিয়ার তেলের মূল্যসীমা বেঁধে দেওয়ার কারণেই মূলত ছায়া বহর তৈরির প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছিল। সরবরাহব্যবস্থা দীর্ঘ করতে এক ট্যাংকার থেকে আরেক ট্যাংকারে তেল স্থানান্তরও করা হচ্ছে। কারণ, এটা করলে রাশিয়ার প্রতি ব্যারেল তেলের প্রকৃত মূল্য কত সেটি নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে ওঠে।

তবে ভারত ও রাশিয়া কিছু কিছু ক্ষেত্রে তেল–বাণিজ্য করেছে সরাসরি ও প্রকাশ্যে। উইন্ডওয়ার্ড নামে একটি প্রতিষ্ঠানের দেওয়া তথ্য বলছে, গত বছর তেল নিয়ে সরাসরি রাশিয়া থেকে ভারতে গেছে ৫৮৮টি ট্যাংকার। এদিকে পোল স্টার গ্লোবালের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর রাশিয়া থেকে তেল নিয়ে গ্রিসের উপকূলে ট্যাংকার বদল করার দুই শতাধিক ঘটনা শনাক্ত করেছে তারা। প্রতিষ্ঠানটির বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এসব ট্যাংকারের গন্তব্য ছিল ভারত। এদিকে উইন্ডওয়ার্ড জানাচ্ছে, গত বছর ছায়া বহর ব্যবহার করে ১ হাজার ৮০০ ট্যাংকারে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করেছে রাশিয়া।

এতে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সরকারের আয় বেড়েছে। ২০২৩ সালের সর্বশেষ রেকর্ড সর্বোচ্চ ৩২ হাজার কোটি মার্কিন ডলার রাজস্ব আয় করেছিল রাশিয়া।


রাশিয়া   ভারত   যুক্তরাষ্ট্র  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

পাকিস্তানে তাপমাত্রা ছাড়িয়েছে ৫২ ডিগ্রি

প্রকাশ: ১২:৩৫ পিএম, ২৮ মে, ২০২৪


Thumbnail

উপমহাদেশের একপ্রান্তে চলছে ঘূর্ণিঝড়-ভারী বর্ষণের তাণ্ডব আর অন্যপ্রান্তে ভয়াবহ তাপপ্রবাহ। গরমে গলে যাবার মত অবস্থা পাকিস্তানে। আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার পাকিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ সিন্ধের ঐতিহাসিক শহর মোহেঞ্জোদারোর তাপমাত্রা ছিল ৫২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।  

সিন্ধু নদীর তীরবর্তী প্রাচীন সিন্ধু সভ্যতায় গড়ে উঠেছিল এই মোহেঞ্জোদারো শহর। শহরটি এই উপমহাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন জনপদগুলোর মধ্যে একটি।

বর্তমানে মোহেঞ্জোদারো সিন্ধ প্রদেশের একটি ছোট শহর আর এই শহরের আবহাওয়া প্যাটার্ন হলো- গ্রীষ্মকালে ব্যাপক গরম, শীতকালে মৃদু শীত এবং নিম্ন বৃষ্টিপাত, অর্থাৎ প্রায় মরু আবহাওয়া। তবে ছোটো শহর হলেও এখনও মার্কেট, বেকারি, চায়ের দোকান, মেশিন-ইলেকট্রনিক্স মেরামতসহ বিভিন্ন দোকানে রীতিমতো সরগরম থাকে মোহেঞ্জোদারো।

পাকিস্তানের আবহাওয়া দপ্তরের শীর্ষ নির্বাহী সরদার সরফরাজ রয়টার্সকে জানিয়েছেন,মোহেঞ্জোদারোতে যে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে, তা এখন পর্যন্ত এই মৌসুমের সর্বোচ্চ দৈনিক তাপমাত্রার রেকর্ড।  

দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের জলবায়ু বিষয়ক উপদেষ্টা রুবিনা খুরশীদ আলম রয়টার্সকে বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও উষ্ণতাবৃদ্ধির কারণে যেসব দেশ নিয়মিত বিভিন্ন আবহাওয়াগত দুর্যোগের শিকার হচ্ছে, সেসব দেশের তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে পাকিস্তান।


পাকিস্তান   তাপমাত্রা  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

পবিত্র হজে এবছর খুতবা পাঠ করবেন শায়খ মুআইকিলি

প্রকাশ: ১১:৫৬ এএম, ২৮ মে, ২০২৪


Thumbnail

২০২৪ সালের পবিত্র হজের খুতবা প্রদান করবেন মসজিদ আল হারামের ইমাম ও খতিব ড. শায়খ মাহের বিন হামাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-মুআইকিলি।

সোমবার (২৭ মে) রাজকীয় অনুমোদনের পর ধর্ম বিষয়ক প্রেসিডেন্সি এই নিয়োগের ঘোষণা দেয়। আগামী ৯ জিলহজ হজের দিন তিনি মসজিদে নামিরায় এক আজান ও দুই ইকামতে জোহর ও আসর সালাতে ইমামতি করে হজের খুতবা পেশ করবেন।

ড. মাহের ১৯৬৯ সালে জানুয়ারি মাসে মদিনায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি উম্মুল কোরা ও কিং সাউদ বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর শিক্ষা অর্জন করেন। ড. মাহের মদিনার টিচার্স ট্রেনিং কলেজ থেকে গণিতে স্নাতক এবং মক্কা আল মোকাররমায় শিক্ষক হিসেবে কাজ করতে যান। এরপর তিনি মক্কার প্রিন্স আব্দুল মজিদ স্কুলে ছাত্র গাইড নিযুক্ত হন।

ড. মাহের ২০০৪ সালে উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বলের আইনশাস্ত্রে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন এবং ব্যাখ্যায় ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি উম্মুল আল-কুরা ইউনিভার্সিটির কলেজ অফ জুডিশিয়াল স্টাডিজ অ্যান্ড রেগুলেশনের জুডিশিয়াল স্টাডিজ বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কাজ করেন এবং গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজ এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ভাইস ডিনের পদে অধিষ্ঠিত।

ড. মাহের মক্কা আল-মুকাররমায় আল-আওয়ালি জেলার আল-সাদি মসজিদের খুতবার নেতৃত্ব দেন। তিনি ১৪২৬ হিজরি এবং ১৪২৭ হিজরিতে পবিত্র রমজান মাসে নবীর মসজিদে নামাজের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। ১৪২৮ হিজরিতে রমজান মাসে পবিত্র মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে তারাবিহ এবং তাহাজ্জুদের নামাজের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। সেই বছর থেকে এখন পর্যন্ত তিনি গ্র্যান্ড মসজিদের সরকারী ইমাম হিসাবে নিযুক্ত আছেন।


পবিত্র হজ   খুতবা পাঠ   শায়খ মুআইকিলি  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

মিসরীয় সেনাদের সঙ্গে ইসরায়েলি বাহিনীর গোলাগুলি

প্রকাশ: ১০:৫৭ এএম, ২৮ মে, ২০২৪


Thumbnail

ফিলিস্তিনের রাফা সীমান্তে মিসর ও ইসরায়েলের সেনাদের মধ্যে গোলাগুলি হয়েছে। এতে এক মিসরীয় সেনানিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। তবে এই ঘটনায় কোনো ইসরায়েলি সেনা হতাহত হয়নি। 

সোমবার(২৭ মে) দক্ষিণ গাজার রাফা সীমান্ত ক্রসিং এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি ইসরায়েলি সামরিক সূত্রের বরাতে সংবাদমাধ্যম ওয়াইনেট বলেছে, গাজা-মিসর সীমান্তে ভয়াবহ গোলাগুলির জন্য মিসরকে দায়ী করছে ইসরায়েল। ইসরায়লি গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, রাফা সীমান্ত ক্রসিংয়ে ইসরায়েলি সেনাদের দিকে লক্ষ্য প্রথমে গুলি করে মিসরীয় সেনারা। এরপর পাল্টা গুলি চালিয়ে জবাব দেয় ইসরায়েলি সেনারা। এতে একজন মিসরীয় সেনা নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। 

গাজা সীমান্তে গোলাগুলির বিষয়টি ইতিমধ্যে নিশ্চিত করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। তারা বলছে, এই ঘটনার পর তারা মিসরের সঙ্গে যোগাযোগ করছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলেছে, কয়েক ঘণ্টা আগে মিসরীয় সীমান্তে একটি গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার ওপর তদন্ত চলছে। মিসরীয় পক্ষের সঙ্গে আলাপও অব্যাহত রয়েছে। এদিকে, ইসরায়েলের পর রাফা সীমান্তে গোলাগুলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মিসরও। এই ঘটনায় তাদের এক সেনা নিহত হয়েছে বলেও জানিয়েছে কায়রো।


মিসরীয় সেনা   ইসরায়েলি বাহিনী   গোলাগুলি   ফিলিস্তিন  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

রাফায় ভয়াবহ হামলাকে 'দুর্ঘটনা' বললেন নেতানিয়াহু!

প্রকাশ: ১১:০০ এএম, ২৮ মে, ২০২৪


Thumbnail

ফিলিস্তিনের রাফায় আশ্রয়শিবিরে ইসরায়েলি বাহিনীর ভয়াবহ হামলাকে 'মর্মান্তিক দুর্ঘটনা' বলে উল্লেখ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি এ ঘটনার তদন্ত করা হবে বলেও জানান। খবর এএফপির। 

রোববার (২৬ মে)গাজা উপত্যকার রাফায় 'নিরাপদ অঞ্চল' হিসেবে ঘোষিত একটি শরণার্থীশিবিরে বিমান হামলা চালায় ইসরাইলি সেনাবাহিনী। তাঁবু দিয়ে গড়ে তোলা ওই শরণার্থীশিবিরে দখলদার সেনাদের হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৪৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত ও প্রায় আড়াইশ জন আহত হয়েছেন। 

রাফায় এ হামলার ঘটনায় বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠেছে। এটিকে হত্যাযজ্ঞ আখ্যা দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইপ এরদোয়ান। ইসরাইলকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে  'সামর্থ্যের মধ্যে সবকিছু' করার অঙ্গীকার করেছেন তিনি। হামলার ঘটনায় ক্ষোভ জানিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। রাফায় ফিলিস্তিনিদের জন্য কোনো নিরাপদ জায়গা নেই উল্লেখ করে অবিলম্বে সেখানে ইসরাইলি অভিযান বন্ধের আহ্বান জানান তিনি। 

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান জোসেপ বোরেল বলেছেন, 'রাফায় অভিযান বন্ধে ইসরাইলকে অবশ্যই আইসিজের আদেশ মেনে চলতে হবে।'

রাফার শরণার্থীশিবিরে হামলায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে দায়সারা জবাব দিয়েছেন নেতানিয়াহু। সোমবার (২৭ মে) ইসরাইলি পার্লামেন্টে দেয়া ভাষণে তিনি এ হামলাকে 'মর্মান্তিক দুর্ঘটনা' বলে উল্লেখ করেন। এর তদন্ত করা হবে বলেও জানান তিনি।

নেতানিয়াহু আরও বলেন, 'গাজায় বেসামরিক লোকজনের সুরক্ষার জন্য সম্ভাব্য প্রত্যেকটি বিষয়ে সতর্ক থাকা ইসরাইলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবেন জানিয়ে তিনি বলেন, 'লক্ষ্য পূরণের আগে এই যুদ্ধ বন্ধের কোনো ইচ্ছা তার নেই।'


রাফা   হামলা   বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু   ফিলিস্তিন  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

লেবাননে হাসপাতালের বাইরে ইসরায়েলি হামলা, আহত ১০

প্রকাশ: ১০:৪১ এএম, ২৮ মে, ২০২৪


Thumbnail

দক্ষিণ লেবাননের একটি হাসপাতালের বাইরে ইসরায়েলি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নিহত হয়েছে একজন এবং আহত হয়েছে আরও ১০ জন।

লেবানিজ সরকারি গণমাধ্যম এবং হাসপাতাল প্রশাসনের বরাত দিয়ে এএফপি এক প্রতিবেদনে তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে সোমবার (২৭ মে) এ হামলার ঘটনা ঘটে।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) বলেছে, ‘শত্রুদের একটি ড্রোন বিনতে জবেইল শহরের সালাহ ঘান্দুর হাসপাতালের কাছে একটি মোটরসাইকেলকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এতে একজন নিহত এবং অন্যরা আহত হয়েছে।’  

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ঘটনায় আহত ১০ জনের মধ্যে ৪ জনের অবস্থা গুরুতর।

প্রসঙ্গত, হাসপাতলটি পরিচালানা করে লেবাননের শক্তিশালী হিজবুল্লাহ গ্রুপের সঙ্গে সম্পৃক্ত ইসলামিক হেলথ কমিটি।


হামলা   ইসরাইল   লেবানন   হাসপাতাল  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন