কোর্ট ইনসাইড

অবসরের ৬ মাসের মধ্যে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের সুবিধা প্রদানের নির্দেশ

প্রকাশ: ০৭:১৩ পিএম, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীকে ৬ মাসের মধ্যে অবসর ভাতা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। .সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এই নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের দ্বৈত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এ রায় দেন।

হাইকোর্ট বলেছেন, এটা চিরন্তন সত্য যে শিক্ষকরা রিটায়ারমেন্ট বেনিফিট পেতে বছরের পর বছর ঘুরতে হয়। এই হয়রানি থেকে তারা কোনভাবেই পার পান না। একজন প্রাথমিকের শিক্ষক কত টাকা বেতন পান, সেটাও বিবেচনায় নিতে হবে। এজন্য তাদের অবসরভাতা ৬ মাসের মধ্যে দিতে হবে। এই অবসরভাতা পাওয়ার জন্য শিক্ষকরা বছরের পর বছর দ্বারে দ্বারে ঘুরতে পারেন না। যেখানে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শিক্ষকদের প্রতি সহানুভূতিশীল। প্রধানমন্ত্রীর মনোভাব ইতিবাচক দৃষ্টিতে নিয়েই শিক্ষকদের অবসর ভাতা কিভাবে দ্রুত দেওয়া যায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে মাথায় রাখতে হবে।

এদিকে পাঁচ লক্ষাধিক শিক্ষক ও কর্মচারীর বেতনের ১০ ভাগ কর্তনের বিপরীতে আর্থিক সুবিধা প্রদানের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, দশ ভাগ কর্তন করলে সে পরিমাণ সুবিধা শিক্ষকদের দিতে হবে। একেক সময় একেক ধরনের সিদ্ধান্ত কাম্য নয়।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তিনি জানান, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ‘শিক্ষক ও কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট প্রবিধানমালা, ১৯৯৯’ এর প্রবিধান-৬ এবং ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা প্রবিধানমালা, ২০০৫’ এর প্রবিধান-৮ অনুযায়ী শিক্ষকদের  মূল বেতনের ২ শতাংশ ও কর্মচারীদের ৪ শতাংশ কাটার বিধান ছিল। যার বিপরীতে শিক্ষকদের ট্রাস্টের তহবিল হতে শিক্ষক ও কর্মচারীদের কিছু আর্থিক সুবিধা প্রদান করা হতো। কিন্তু ২০১৭ সালের ১৯ এপ্রিল উল্লিখিত প্রবিধানমালাগুলোর শিক্ষক ও কর্মচারীদের মূল বেতনের ২ শতাংশ এবং ৪ শতাংশ কাটার বিধানগুলো সংশোধন করে ৪ শতাংশ এবং ৬ শতাংশ করে দুইটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী এই অতিরিক্ত অর্থ কাটার বিপরীতে শিক্ষক ও কর্মচারীদের কোনও বাড়তি আর্থিক সুবিধার বিধান করা হয়নি বলে জানান মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তিনি বলেন, পরবর্তী সময়ে ২০১৯ সালের ১৫ এপ্রিল মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারীদের ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসের বেতন হতে ৬ শতাংশ এবং ৪ শতাংশ টাকা অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টে জমা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা প্রদান করেন।

তিনি বলেন, অতিরিক্ত অর্থ কাটার বিপরীতে কোনও আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধি না করায় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫ লাখ শিক্ষক ও কর্মচারীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থেকে ক্ষুব্ধ হয়ে বিভিন্ন সময়ে অতিরিক্ত অর্থ কাটার আদেশ বাতিল করার জন্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে তারা বিভিন্ন সময়ে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন। তাতেও কর্তৃপক্ষ নীরব থাকলে শিক্ষক ও কর্মচারীরা ২০১৯ সালের ১৫ এপ্রিল মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনটি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করেন।

রিটের শুনানি নিয়ে ২০১৯ সালের ৮ ডিসেম্বর বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম এবং বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত তৎকালীন হাইকোর্ট বেঞ্চ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের জারি করা প্রজ্ঞাপনটি কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে বিবাদীদের প্রতি ৪ সপ্তাহের রুল জারি করেন।

পরবর্তীতে নতুন একটি প্রবিধানমালা জারি করে শিক্ষক ও কর্মচারীদের অবসরের ৬ মাসের মধ্যে কেটে নেওয়া ৬ শতাংশ এবং ৪ শতাংশ অর্থের বিপরীতে সুবিধা প্রদান করার নির্দেশনা চেয়ে সাপ্লিমেন্টারি রুলের জন্য আবেদন দাখিল করেন। শুনানির পর বিচারপতি জাফর আহমেদ এবং বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ বিবাদীদের প্রতি ৪ সপ্তাহের রুল জারি করেন।


হাইকোর্ট   অবসরদের ভাতা   এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

মোমবাতি জ্বালিয়ে চলছে আদালতের কার্যক্রম

প্রকাশ: ০৮:০৬ পিএম, ২৭ মে, ২০২৪


Thumbnail

ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মোমবাতি ও মোবাইল ফোনের আলো জ্বালিয়ে মামলার নথির কাজ চলছে।

সোমবার (২৭ মে) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেল এ ঘটনা দেখা গেছে।

এর আগে বিকেলে ঘূর্ণিঝড় রিমালের ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রধান গেটের সামনের সড়কে গাছ পড়ে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

আদালতে কর্মরতরা জানান, আধা ঘণ্টা আগে বিদ্যুৎ চলে গেছে। বিদ্যুৎ না থাকায় মোমবাতি জ্বালিয়ে কাজ করতে হচ্ছে।

আইনজীবী আব্দুস সালাম হিমেল বলেন, আমি মামলা তথ্য নিতে এসেছিলাম। কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল ফোনের আলোয় কজলিস্ট থেকে তথ্য নিলাম। আমার মনে হয়, বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা থাকা উচিত।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় রেমালের কেন্দ্রভাগ ঢাকা অতিক্রম শুরু করেছে। এর প্রভাবে রাজধানীতে ব্যাপক বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাচ্ছে।

ঘূর্ণিঝড় রেমাল  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

বেনজীরের আরও ১১৩ দলিল ও গুলশানের ৪টি ফ্ল্যাট ক্রোকের নির্দেশ

প্রকাশ: ০৬:২০ পিএম, ২৬ মে, ২০২৪


Thumbnail

সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদ তার স্ত্রীর ও তিন সন্তানের আরও ১১৯টি স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি এবং গুলশানের চারটি ফ্ল্যাট জব্দ (ক্রোক) করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আসসামছ জগলুল হোসেন দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে রোববার (২৬ মে) এ নির্দেশ দেন।

ক্রোকের নির্দেশ পাওয়া সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে ১১৯টি দলিল। যার মধ্যে ঢাকায় ৪টি ফ্ল্যাট। এর মধ্যে ২০৪২ স্কয়ার ফিট ২টি এবং ২০৫৩ স্কয়ার ফিট ২টি। ৪টি নিজ নামীয় কোম্পানি, ৪টি বিও অ্যাকাউন্ট। ১৫টি আংশিক মালিকানাধীন কোম্পানির শেয়ার।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী ও সন্তানদের নামে থাকা ৩৪৫ বিঘা (১১৪ একর) জমি জব্দ (ক্রোক) এবং বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকে তাদের নামে থাকা ৩৩টি ব্যাংক হিসাব (অ্যাকাউন্ট) অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার আদেশ দেওয়া হয়।

সম্পদ জব্দ এবং ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের বিষয়ে আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে আদালত বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী ও সন্তানদের সম্পদ জব্দের যে আদেশ গত বৃহস্পতিবার দেন, সেটি বাস্তবায়ন শুরু করেছে দুদক। সম্পদ জব্দ ও ব্যাংক হিসাবগুলো অবরুদ্ধের আদেশের অনুলিপি দুদকের হাতে এসেছে। পর্যায়ক্রমে আদালতের আদেশ সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার কার্যালয় ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।

বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আইজিপি ছিলেন। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার ও র‍্যাবের মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে র‍্যাব এবং র‍্যাবের সাবেক ও বর্তমান যে সাত কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা দেয়, তাঁদের মধ্যে বেনজীর আহমেদের নামও ছিল। তখন তিনি আইজিপির দায়িত্বে ছিলেন।


বেনজীর আহমেদ   দুদক  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

সামিয়ার বিরুদ্ধে ঢাবি কর্তৃপক্ষের আবেদন অকার্যকর: আপিল বিভাগ

প্রকাশ: ১২:১৯ পিএম, ২৬ মে, ২০২৪


Thumbnail

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষিকা সামিয়া রহমানের পদাবনতির সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করেছিল হাইকোর্ট। এ রায়ের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সিভিল পিটিশন অকার্যকর ঘোষণা করেছেন আপিল বিভাগ।

রোববার (২৬ মে) আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে চার বিচারপতির আদেশ দেন। আদালতে সামিয়া রহমানের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম।

পরে ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম বলেন, ২০২২ সালের আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষিকা সামিয়া রহমানকে পদাবনতির আদেশ অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। এই রায়ের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সিভিল পিটিশন দায়ের করে। কিন্তু এরই মধ্যে সামিয়া রহমান শিক্ষকতা থেকে অবসর নিয়েছেন। কারণে আপিল বিভাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আবেদন অকার্যকর ঘোষণা করেছেন। এর ফলে হাইকোর্টের রায় বহাল রয়েছে।

এর আগে ২০২২ সালের আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষিকা সামিয়া রহমানকে পদাবনতির আদেশ অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে তাকে সব সুযোগ-সুবিধা ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত।

বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে বৃহস্পতিবার ( আগস্ট) বিচারপতি জাফর আহমেদ বিচারপতি মো. আক্তারুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় দেন। তখন আদালতে সামিয়া রহমানের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।

২০২১ সালের সেপ্টেম্বর সাংবাদিকতা গণযোগাযোগ বিভাগের শিক্ষক সামিয়া রহমানকে পদাবনতি দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সামিয়া রহমানের গবেষণা জালিয়াতি সংক্রান্ত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট, গঠিত ট্রাইব্যুনালের নথিসহ সব কাগজপত্র আদালতে দাখিল করতে বলা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

থিসিস জালিয়াতির অভিযোগে শিক্ষককে সহযোগী অধ্যাপক থেকে এক ধাপ নামিয়ে সহকারী অধ্যাপক করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট। গত বছরের ৩১ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন সামিয়া রহমান।


সামিয়া   ঢাবি   আপিল বিভাগ  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

বাংলাদেশে ২ চীনা নাগরিককে ৩ দিনের রিমান্ডে

প্রকাশ: ০৭:৩৭ পিএম, ২৪ মে, ২০২৪


Thumbnail

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চার্জার লাইটের ভেতরে বিশেষ কায়দায় বহন করে আনা সোয়া পাঁচ কেজি ওজনের ৪৬টি স্বর্ণের বারসহ গ্রেপ্তার দুই চীনা নাগরিকের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। 

শুক্রবার (২৪ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতাউল্লাহর আদালত এ আদেশ দেন। রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন- লিউ ঝনজিলাং ও চেনজেং।

শুক্রবার (২৪ মে) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিমানবন্দর থানার উপ-পরিদর্শক জাকির হোসাইন আসামিদের আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আতাউল্লাহর আদালত রিমান্ডের এ আদেশ দেন। 

আদালতে বিমানবন্দর থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মোজাফফর আলী এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৩ মে) ফ্লাই দুবাই এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে ঢাকায় অবতরণ করেন লিউ ঝনজিলাং ও চেনজেংক। ফ্লাইটটি বিমানবন্দরের ৭ নম্বর বোর্ডিং ব্রিজে সংযুক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উড়োজাহাজে তল্লাশি চালান গোয়েন্দারা। এসময় ফ্লাইটের ১৪ এ এবং ১৩ এফ আসনে থাকা যাত্রী লিউ ঝনজিলাং ও চেনজেংকের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। তল্লাশি করে তাদের কাঁধ ব্যাগে তিনটি চার্জার লাইট পাওয়া যায়।

স্ক্যানিং মেশিনে লাইটগুলো পরীক্ষা করে তাতে বিশেষ কায়দায় স্বর্ণের বার লুকিয়ে রাখার বিষয়টি ধরা পড়ে। চার্জার লাইট তিনটি ভেঙে ৫ কেজি ৩৩৬ গ্রাম ওজনের ৪৬টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা এসব বারের বাজার মূল্য পাঁচ কোটি ১ লাখ ৫৮ হাজার টাকা।

চীনা নাগরিক   রিমান্ড  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

দেশে ঘরে বসে সাজা খাটার নতুন আইন হচ্ছে

প্রকাশ: ১১:৪৪ এএম, ২৪ মে, ২০২৪


Thumbnail

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তিথি সরকারকে গত ১৩ মে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনাল। প্রথমবার সাজা শিক্ষার্থী বিবেচনায় আদালত তাকে সংশোধনের সুযোগ দিতে কারাগারে না পাঠিয়ে প্রবেশন ব্যবস্থায় পরিবারের কাছে পাঠান। একজন সমাজসেবা অফিসারের তত্ত্বাবধানে তিথি এখন পরিবারের সঙ্গে আছেন।

তিথিকে তার বৃদ্ধ বাবার নিয়মিত দেখভাল সেবাযত্ন করা, শহর এলাকায় বসবাসের ক্ষেত্রে ট্রাফিক আইন মেনে চলাসহ আইনবহির্ভূতভাবে রাস্তা পার না হওয়া, সামাজিক নিয়মকানুন, প্রথা, রীতিনীতি প্রভৃতি মেনে চলা, পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কোনো কাজ না করা, মাদক গ্রহণ না করা, কোনো ধরনের স্মার্টফোন ব্যবহার না করা, জুয়া, তাস, ক্যাসিনো থেকে দূরে থাকাসহ বেশ কিছু শর্ত মানতে হচ্ছে। এক বছরের প্রবেশন শেষে প্রবেশন কর্মকর্তা যদি তিথির আচরণ সন্তোষজনক মর্মে প্রতিবেদন দেন, তবে তার কারাদণ্ড মওকুফ হবে। আর যদি তার আচরণ সন্তোষজনক নয় মর্মে প্রতিবেদন আসে, তবে প্রবেশন বাতিল আদালতের দেওয়া দণ্ড তাকে ভোগ করতে হবে।

শুধু তিথি সরকারই নয়, প্রতি মাসে শত শত আসামিকে আদালত কারাগারে না পাঠিয়ে এভাবে শর্তসাপেক্ষে প্রবেশনে পরিবারের কাছে পাঠাচ্ছেন। সমাজসেবা অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাস পর্যন্ত সারা দেশে প্রবেশনে রয়েছেন ১১ হাজার ১৩৮ আসামি শিশু অপরাধী। এসব আসামিকে দ্য প্রবেশন অব অফেন্ডার্স অর্ডিন্যান্স-১৯৬০-এর অধীনে প্রবেশনে পাঠানো হয়েছে।

কিন্তু ৬৪ বছরের পুরোনো এই আইনে রয়েছে নানা ত্রুটি। কারণে আইনটি রহিত করে সরকার নতুন আইন করার উদ্যোগ নিয়েছে।প্রবেশন (অপরাধী ব্যক্তি এবং দোষী সাব্যস্ত শিশুর সংশোধন পুনর্বাসন) আইন-২০২৩নামে নতুন আইনের খসড়া তৈরি করা হয়েছে। খসড়াটি গত ডিসেম্বরের শেষের দিকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। বর্তমানে আইনটির খসড়া চূড়ান্তকরণের কাজ চলছে। খসড়া আইনটি চূড়ান্ত হলে তা মন্ত্রিপরিষদে উত্থাপন করা হবে।


সাজা   আইন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন