ইনসাইড পলিটিক্স

সিলেট বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, প্রকাশ্য বিভক্তি

প্রকাশ: ১০:৪৪ এএম, ০২ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

তিন মাস পেরিয়েছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের। এরই মধ্যে মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে সরকারবিরোধী আন্দোলনে পদবিধারী নেতাদের ভূমিকা নিয়ে সিলেট বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব। দেখা দিয়েছে প্রকাশ্য বিভক্তি।

অভিযোগ উঠেছে, আন্দোলনে অনুপস্থিত থাকা নেতারা অবমূল্যায়ন করছেন ত্যাগী ও জেলখাটা নেতা-কর্মীদের। এ ছাড়া জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরীর ‘বিভাগীয় সাংগঠনিক রিপোর্ট’ নিয়েও চলছে অসন্তোষ। অবশ্য রিপোর্টের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন তিনি।

সরকার পতনের ‘এক দফা’ আন্দোলনে জেলা ও মহানগর বিএনপির পদবিধারী অনেক নেতাই ছিলেন অনুপস্থিত। কেন্দ্রীয় পদবিধারী অনেক নেতারও দেখা মেলেনি মাঠের আন্দোলনে। পদহীন ও কম গুরুত্বপূর্ণ নেতারাই সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। আসামি হয়েছেন ডজন ডজন মামলার। অন্তত ২০০ নেতাকে যেতে হয় জেলে। ‘দুঃসময়ে’ ‘বড় নেতাদের’ পাশে না পাওয়ায় তৃণমূলে ক্ষোভের সঞ্চার হয়। সেই ক্ষোভ এখন প্রকাশ্যে।

দলীয় সূত্র জানায়, সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির ব্যানারে গত শুক্রবার দক্ষিণ সুরমার একটি কনভেনশন সেন্টারে ইফতারের আয়োজন করা হয়। সেখানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। জেলা ও মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ অনেক নেতা ছিলেন অনুপস্থিত। এ ছাড়া মাহফিলে গেলেও কেন্দ্রীয় পদবিধারী সিলেটের নেতারা মঞ্চে ওঠেননি। দর্শক সারিতে বসে ইফতারে অংশ নেন। কারা নির্যাতিত অনেক নেতাও ইফতার মাহফিলের দাওয়াত না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন। এ ইফতার মাহফিলের দুই দিনের মাথায় রবিবার ‘রাজপথের সক্রিয় ও কারা নির্যাতিত নেতা-কর্মীরা’ ব্যানারে নগরীর ইলেকট্রিক সাপ্লাই রোডে একটি কমিউনিটি সেন্টারে ইফতারের আয়োজন করা হয়। দলের একাধিক নেতার সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবেই এ আয়োজন করা হয়।

সিলেট মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, বিগত আন্দোলনে যেসব নেতা-কর্মী জীবনবাজি রেখে কর্মসূচি পালন করেছেন, যারা কারা নির্যাতিত হয়েছেন তাদের নিয়ে ইফতারের আয়োজন করা হয়েছে। এতে রাজপথের সাহসী সৈনিকদের মনোবল আরও সুদৃঢ় হবে বলে আমরা মনে করছি।

জেলা বিএনপির সদস্য ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আবদুল আহাদ খান জামাল বলেন, ‘জেলা ও মহানগর বিএনপির ইফতার মাহফিলে অনেক ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতাদের দাওয়াতই করা হয়নি। বর্তমান নেতৃত্বে দলের মধ্যে ঐক্যের পরিবর্তে বিভেদ সৃষ্টি হচ্ছে। তাই মেয়াদোত্তীর্ণ জেলা কমিটি ভেঙে কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জোরালো হচ্ছে।’

জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘রাজপথে সক্রিয় ও কারা নির্যাতিত নেতা-কর্মীরা’ ব্যানারে আয়োজিত ইফতারের সঙ্গে বিএনপির দলীয় কোনো সম্পর্ক নেই। এ নিয়ে নেতা-কর্মীদেরও বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই।’

এদিকে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বরাবর সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরীর লেখা পাঁচ পৃষ্ঠার একটি রিপোর্ট এখন নেতা-কর্মীদের হাতে হাতে। তবে ওই রিপোর্টের নিচে কাইয়ুম চৌধুরীর স্বাক্ষর নেই। কাইয়ুম চৌধুরীও রিপোর্টটি অস্বীকার করেছেন। তবে নেতা-কর্মীদের দাবি, রিপোর্টটি কাইয়ুম চৌধুরী ঢাকায় পাঠিয়েছেন। রিপোর্টটি ফাঁস হওয়ায় এখন তিনি অস্বীকার করছেন।

বিভাগীয় ওই রিপোর্টে আন্দোলন সংগ্রামে কেন্দ্রীয় ১৬ সিলেটি নেতার ভূমিকা তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আবদুল মুক্তাদির ছাড়া আর কারও ভূমিকা সন্তোষজনক ছিল না বলে উল্লেখ করা হয়। রিপোর্টে আন্দোলন সংগ্রামের সঠিক চিত্র উঠে আসেনি বলে দাবি করছেন নেতা-কর্মীরা।


বিএনপি   সিলেট   অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব   প্রকাশ্য বিভক্তি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

পাঁচ ইস্যুতে উজ্জীবিত বিএনপি

প্রকাশ: ০৮:০০ পিএম, ২৪ মে, ২০২৪


Thumbnail

হতাশাগ্রস্ত বিএনপি সাম্প্রতিক সময়ে আবার নতুন করে উজ্জীবিত হওয়ার চেষ্টা করছে। কিছু কিছু ইস্যু সরকারকে অস্বস্তিতে ফেলেছে। আর সরকার অস্বস্তিতে থাকলে বিএনপির নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত হন। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ইস্যুতে বিএনপি নেতাকর্মীদেরকে আবার নতুন করে সতেজ হতে দেখা যাচ্ছে। 

বিএনপির নেতারা অনেকেই মনে করছেন, সরকার যেভাবে সব ছক সাজিয়েছিল, সব ছকই এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। সবকিছু সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই। সময় শুধু অপেক্ষার। আর এ কারণে বিএনপি আবার নতুন করে আন্দোলনের জন্য প্রহর গুনছে। নতুন করে কর্মীদেরকে চাঙ্গা করার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। 

যে সব ইস্যুতে বিএনপি এখন উজ্জীবিত হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে;

১. অর্থনৈতিক সংকট: দেশের অর্থনৈতিক সংকট ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে বলে বিএনপির নেতাকর্মীরা মনে করেন। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকিং খাতে নাজুক অবস্থা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়া, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, মুদ্রাস্ফীতি বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি অর্থনৈতিক সংকট সরকারকে বড় ধরনের সমস্যায় ফেলছে বলেই বিএনপি নেতারা মনে করেন। ফলে মানুষ ক্ষুব্ধ হবে এবং সরকারের ব্যাপারে নেতিবাচক ধারণা গ্রহণ করবে, আন্দোলনে তারা বিএনপির প্রতি সমর্থন দেবে এমন প্রত্যাশা করছেন অনেক বিএনপির নেতারা।

২. মার্কিন মনোভাব: কদিন আগেও বিএনপি নেতারা মনে করেছিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন সরকারের মতো পক্ষে চলে যাচ্ছে। নির্বাচন নিয়ে যে ‘নাটক’ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র করেছিল, তাদের ভাষায় সেটি আওয়ামী লীগকে আরেকবার ক্ষমতায় আনার জন্য। বিএনপির কোন কোন নেতা এমন বলার চেষ্টা করেছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আসলে ভারতের পক্ষেই কাজ করেছিল আওয়ামী লীগ আবার ক্ষমতায় আনার জন্য। তবে ইদানীংকালে সরকারের কিছু বক্তব্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কিছু পদক্ষেপের ফলে বিএনপির মধ্যে আবার নতুন আশার প্রদীপ দেখা গেছে। বিএনপির নেতারা আজিজ আহমেদের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মার্কিন বিরোধী বক্তব্যের প্রেক্ষিতে মনে করছে নতুন করে মার্কিন চাপ আসছে এবং এই চাপ সরকারের জন্য সামাল দেওয়া কঠিন হতে পারে বলে তারা মনে করছেন। 

৩. উপজেলায় ভোটার উপস্থিতি কম থাকা: বিএনপির নেতারা মনে করছেন, উপজেলা নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি কম থাকাটা বিএনপির জন্য একটি নৈতিক বিজয়। বিএনপির একজন নেতা দাবি করেছেন, তারা জনগণকে ভোট বর্জনের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন এবং জনগণ ভোট বর্জন বর্জন করেছে। আর এই ভোট বর্জনের ফলে ভোটার উপস্থিতি কম ছিল। এটি বিএনপির একটি নৈতিক বিজয় বলে মনে করছে এবং এটি তাদেরকে ভবিষ্যতে আন্দোলনের প্রেরণা দিতে সহায়তা করবে বলে ধারণা করছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা।

৪. আওয়ামী লীগে বিশৃঙ্খল অবস্থা: জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং তারপরে উপজেলা নির্বাচন সবকিছু মিলিয়ে আওয়ামী লীগের ভেতর অভ্যন্তরীণ কোন্দল এবং বিশৃঙ্খলা চরম আকার ধারণ করেছে। এটি আওয়ামী লীগকে সাংগঠনিক ভাবে দুর্বল করে তুলবে বলে অনেকে মনে করছেন। আর এর ফলে সামনের দিনগুলোতে আওয়ামী লীগ বিএনপিকে মোকাবিলা করতে পারবে না বলেও অনেকের ধারণা। আর এ কারণেও বিএনপির নেতাকর্মীরা এখন নতুন করে উজ্জীবিত হচ্ছেন বলে জানা গেছে।

৫. ভারতের নির্বাচন: ভারতের নির্বাচনে যদি শেষ পর্যন্ত বিজেপির বিপর্যয় বা বিজেপি যদি কোণঠাসা হয় তাহলে আওয়ামী লীগ দুর্বল হয়ে যাবে এমনটি মনে করেন বিএনপির অনেক নেতাই। বিশেষ করে অরবিন্দ কেজরীওয়ালের বক্তব্যের পর বিএনপির মধ্যে এক ধরনের চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। 

আর এই পাঁচ ইস্যুতেই বিএনপিকে আবার নতুন করে উজ্জীবিত দেখা যাচ্ছে।

আন্দোলন   বিএনপি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

ক্ষোভ, অভিমান ঝেড়েই শান্তি পেলেন ১৪ দলের নেতারা

প্রকাশ: ০৫:০০ পিএম, ২৪ মে, ২০২৪


Thumbnail

দীর্ঘদিন পর ১৪ দলের নেতাদেরকে নিয়ে বসে ছিলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৪ দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে বৈঠকের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী একটি স্বাগত ভাষণ দেন। এই স্বাগত ভাষণে তিনি বাংলাদেশের সার্বিক পরিস্থিতি, অর্থনৈতিক সংকট, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক ইত্যাদি বিষয়ে তুলে ধরেন। এরপর ১৪ দলের নেতারা একে একে বক্তব্য রাখেন। 

১৪ দলের নেতাদের মুখে ছিল ক্ষোভের সুর, অবজ্ঞার আর্তনাদ এবং অবহেলার বেদনার কথা। মূলত ১৪ দলের নেতাদের এই দুঃখ, ক্ষোভ এবং হতাশার কথায় পরিপূর্ণ হয়ে গিয়েছিল এই বৈঠক। ১৪ দলের অন্যতম শরিক দল জাসদের নেতা হাসানুল হক ইনু বৈঠকে প্রশ্ন তুলেছেন ১৪ দল আদৌ থাকবে কি থাকবে না। সেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ১৪ দলকে গুরুত্বহীন করা হচ্ছে, নির্বাচনে ১৪ দলের শরিকদেরকে বঞ্চিত করা হয়েছে বলেও ইনু অভিযোগ করেন। 

প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেকের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন। হাসানুল হক ইনু ছাড়াও ১৪ দলের সভায় বক্তব্য রাখেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন। তিনি রাজশাহীর নির্বাচনে কীভাবে ফজলে হোসেন বাদশাকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে, সেই প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেন। ১৪ দলকে কীভাবে গুরুত্বহীন করে তোলা হয়েছে সে বিষয়ে তিনি ব্যাখ্যা দেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন যে, ১৪ যদি না থাকে তাহলে আনুষ্ঠানিক ভাবে সব কিছু বলে দেওয়া হোক। 

১৪ দলকে আদর্শিক জোট হিসেবে বর্ণনা করে মেনন এই ১৪ দলের গুরুত্ব এবং তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি মনে করেন, ১৪ দল যদি না থাকে তাহলে দলগুলোর কোন ক্ষতি হবে না। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ক্ষতি হবে। 

দিলীপ বড়ুয়াও ১৪ দলকে অবহেলা, অপাঙ্‌ক্তেয় করার বিষয়টি উত্থাপন করেন। তিনি জানান, ১৪ দলের নিয়মিত মিটিং হয় না, সরকারের নীতি নির্ধারণী সিদ্ধান্তে ১৪ দলের কোন ভূমিকা নেই। সরকারের মন্ত্রিসভা বা সরকারের কোথাও ১৪ দলকে রাখা হয়নি। ১৪ দল তাহলে কী করবে? ১৪ দলের নিয়মিত কর্মসূচিও পালন করা হয়না বলে তিনি অভিমান করেন। 

এছাড়াও ১৪ সালের আরেক নেতা নজিবুল বশর মাইজভান্ডারীও ১৪ দলকে নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা করেন। ১৪ দলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ১৪ দলের শরিকদের মধ্যে থেকে একটি সুর বেশি উচ্চারিত হয়েছে তা হল দু একজন আওয়ামী লীগের নেতা ১৪ দলকে নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করছেন। ১৪ দলকে অবজ্ঞা করছেন। এই বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আছে কি না তারা জানতে চান। 

১৪ দলকে সক্রিয় করা হবে কি না সে বিষয়েও তারা আওয়ামী লীগ সভাপতির মতামত জানতে চান। সার্বিক ভাবে এই বৈঠকটি ছিল ক্ষোভ ঝাড়ার বৈঠক। বৈঠকে কোন সমাধান এসেছে কি না জানতে চাওয়া হলে ১৪ দলের একজন শরিক নেতা বলেন, আমরা আমাদের দুঃখের কথা, ক্ষোভের কথা বলতে পেরেছি, এটাই শান্তি। তবে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশ্বস্ত করেছেন যে, ১৪ দলকে সচল করার বিষয়টি নিয়ে তিনি কাজ করবেন এবং ১৪ দল যেন বিভিন্ন ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় কাজ করতে পারে সে ব্যাপারেও তিনি নির্দেশনা দেবেন। এখন দেখার বিষয় এই বৈঠকের পর ১৪ দল কতটুকু সক্রিয় হয়, কতটুকু কার্যকর হয়।

১৪ দল   আওয়ামী লীগ   গণভবন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

নেতানিয়াহু মানবতার শত্রুতে পরিণত হয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ: ০২:৪৬ পিএম, ২৪ মে, ২০২৪


Thumbnail

ফিলিস্তিনে গণহত্যার জন্য নেতানিয়াহু মানবতার শত্রুতে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী . হাছান মাহমুদ। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আদালতে নেতানিয়াহুর গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় পূর্ণ সমর্থন রয়েছে বাংলাদেশের।

শুক্রবার (২৪ মে) সকালে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে সাপ্তাহিক গণবাংলা বাংলাদেশ স্বাধীনতা পরিষদের যৌথ উদ্যোগে বিশ্ব শান্তি-ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি শীর্ষক আলোচনাসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর অনেক দেশের পাশাপাশি যেখানে আমেরিকার মতো দেশও ফিলিস্তিনে হত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে সেখানে বিএনপি-জামায়াত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলে ফিলিস্তিনে গণহত্যার প্রতিবাদ না করে ইসরায়েলের দোসরে পরিণত হয়েছে।

মির্জা ফখরুল ইসলামকে উদ্দেশ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিনি সকালে এক কথা বলেন আর বিকেলে আরেক কথা বলেন। জামায়াত বলে আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠা করবে। কিন্তু তারা ফিলিস্তিনিদের পক্ষে একটি কথাও বলে না।

চরমোনাই পীরকে ইঙ্গিত করে হাছান মাহমুদ বলেন, পীর সাহেব মাঝে মাঝে বায়তুল মোকাররমের সামনে সমাবেশ করেন। কিন্তু ফিলিস্তিনিদের পক্ষে একটি মিছিলও করতে দেখলাম না।


নেতানিয়াহু   পররাষ্ট্রমন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

বিএনপি দিশেহারা পথিকের মতো বেসামাল বক্তব্য দিচ্ছে: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশ: ০২:১০ পিএম, ২৪ মে, ২০২৪


Thumbnail

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমরা জনগণের প্রতিনিধি। জনগণের ইচ্ছায় আমরা দেশ শাসন করছি। বিএনপি পথ হারিয়ে দিশেহারা পথিকের মতো বেসামাল বক্তব্য দিচ্ছে। নেতিবাচক রাজনীতির জন্য ক্রমান্বয়ে তাদের শক্তি কমে এসেছে।

শুক্রবার (২৪ মে) সকালে ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি কথা বলেন।

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন আপনাদের দল প্রকাশ্য দিবালোকে পুলিশকে হত্যা করেছে, সাংবাদিকদের ওপর আক্রমণ করেছে, প্রধান বিচারপতির বাড়িতে হামলা করেছে, পুলিশ হাসপাতালে হামলা করছে। এসব অপরাধের সাথে যারা জড়িত, তারা তো অপরাধী। তাদের বিএনপি হিসেবে আটক করা হয়নি, আটক করা হয়েছে খুন, আগুন সন্ত্রাস সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে।

পৃথিবীর ৬৪টি দেশে বর্তমানে নির্বাচন হচ্ছে জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, তার মধ্যে যুক্তরাজ্যও আছে। তাদের নির্বাচন জুলাইয়ের তারিখ। আফ্রিকার অনেক দেশে ইতোমধ্যে নির্বাচন হয়ে গেছে। অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশে ভোটার টার্নআউট আমি বলব সন্তোষজনক। বিএনপির ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিবিসি বলেছিল শতাংশ ভোট পড়েছে। এটা নির্বাচন কমিশন থেকে ২১ শতাংশ দেখিয়েছে। এবার তার ডাবল। এটা কে কোন দৃষ্টিকোণ থেকে বলবেন কম?

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, উপজেলা নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন থেকে সিইসি বলেছেন, ভোট পড়েছে ৩৬ শতাংশর বেশি। আর এবার দ্বিতীয় ধাপে পড়েছে ৩৭ শতাংশের বেশি। তা

মন্ত্রী বলেন, মানুষের শক্তি যখন কমে আসে তখন তার মুখে বিষ উগ্র হয়ে নেমে আসে। বিএনপির মুখের বিষ এতই উগ্র, ফেসবুকের যে অপপ্রচার, টিকটকে আমাদের যে নোংরাভাবে আক্রমণ করে, এটা কি সম্ভব কোনও গণতান্ত্রিক দেশে? প্রধানমন্ত্রীকে যেভাবে আক্রমণ করে! এসব করার পরেও বলে সরকার জুলুম করছে, নির্যাতন করছে। এমন কোনও বাজে কথা নেই, তাদের নেতারা প্রতিদিন উচ্চারণ করে না। সেটির জন্য তো কারও গলা টিপে ধরা হয়নি। কাজেই এসব অবান্তর বক্তব্যের কোনও মূল্য নেই।


দিশেহারা   পথিক   ওবায়দুল কাদের  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড পলিটিক্স

আজকের পর ১৪ দলে আর দূরত্ব থাকবে না: কাদের

প্রকাশ: ১২:১১ পিএম, ২৪ মে, ২০২৪


Thumbnail

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সাড়ে তিন ঘণ্টা ১৪ দলের বক্তব্য শুনেছেন। যার যা বলার সবাই বিস্তারিত বলেছেন। এতে ১৪ দলের যে দূরত্বের কথাটা বলা হয়, সেটি আর থাকবে না।

বৃহস্পতিবার (২৩ মে) রাতে গণভবনে ১৪ দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

১৪ দলের সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ১৪ দল নেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার প্রারম্ভিক বক্তব্যে সমসাময়িক বিষয় এবং অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির ব্যাপারে কথা বলেছেন। সবাই এসব ব্যাপারে ঐক্যমত হয়েছেন। ১৪ দলের সবাই গাইডলাইন চেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৪ দলকে নিজেদের দলগুলোকে আরও সংগঠিত করা এবং নিজেদের দলগুলোকে জনগণের কাছে আরও জনপ্রিয় করে তোলা.... এসব ব্যাপারে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। 

তিনি বলেন, ১৪ দলকে এই মুহূর্তে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও অসাম্প্রদায়িক মানবতাবোধকে এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ১৪ দলের নেতারা সমন্বিতভাবে আরও সুশৃঙ্খল ও সংগঠিত ঐক্য গড়ে তুলবেন, এই ব্যাপারে সবাই অঙ্গীকার করেছেন।

১৪ দল   আওয়ামী লীগ   ওবায়দুল কাদের  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন