ইনসাইড বাংলাদেশ

রাজধানীতে যানজট: প্রতিদিন ১৪০ কোটি টাকা ক্ষতি

প্রকাশ: ০৯:০৪ পিএম, ০২ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

রাজধানী ঢাকার যানজটের কারণে দেশের সামগ্রিক জিডিপি প্রায় ২.৯ শতাংশ হ্রাস পায় এবং প্রতিদিন ট্রাফিক জ্যামের কারণে নষ্ট হয়ে যাওয়া কর্মঘণ্টায় আর্থিক মূল্য প্রায় ১৪০ কোটি টাকা।

মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘পুরোনো ঢাকার ব্যবসা-বাণিজ্যে যানজটের প্রভাব ও উত্তরণের উপায় চিহ্নিতকরণ’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় সংগঠনটির সভাপতি আশরাফ আহমেদ এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মুনিবুর রহমান এবং ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী নীলিমা আখতার মতবিনিময় সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা চেম্বার সভাপতি আশরাফ আহমেদ বলেন, দেশের জিডিপিতে পুরোনো ঢাকার অবদান প্রায় ২০ শতাংশ হলে, অপর্যাপ্ত অবকাঠামো, যানজট ও অপ্রতুল পরিষেবার জন্য এ এলাকার ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনায় নানাবিধ চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

সড়কের খোড়াখুড়ি, অবৈধ ফুটপাত দখল, অপরিকল্পিত গাড়ি পার্কিং, অপ্রতুল সড়ক অবকাঠামো ও অকার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার কারণে বিশেষ করে পুরোনো ঢাকায় সৃষ্ট যানজট পরিস্থিতি ব্যবসা পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এ সমস্যা থেকে উত্তরণে স্মার্ট ট্রাফিক সিস্টেম চালুকরণ, নদীপথের ব্যবহার বাড়ানো এবং পুরোনো ঢাকার প্রধান সরু ও ব্যস্ত সড়কে একমুখী ট্রাফিক ব্যবস্থা চালুকরণের প্রস্তাব করেন ডিসিসিআই সভাপতি।

মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ইতোমধ্যে নানাবিধ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কর বৃদ্ধি ছাড়াই সুশাসন নিশ্চিত করার মাধ্যমে ২০২৩ সালে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ১০৩১ কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করেছিল, ২০২০ সালে যার পরিমাণ ছিল ৫১২ কোটি টাকা। 

তিনি বলেন, নগরের জলাবদ্ধতার বিষয়টিকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে এবং সম্প্রতি বেশকিছু খাল দখলমুক্ত করা হয়েছে। যার মাধ্যমে সামনের দিনগুলোতে এ সমস্যা কিছুটা হলেও লাঘব হবে।

মেয়র জানান, বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত কেরানীগঞ্জে নতুন বাণিজ্যিক নগরী গড়ে তোলা হবে। সেই সঙ্গে চকবাজার ও মতিঝিলকে পুনরুজ্জীবিতকরণে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। 

তিনি আরো বলেন, রাজধানীতে যানজট নিরসন ও ট্রাফিক আইন অমান্যকারীদের শনাক্তকরণে ৬৪টি ইন্টারসেকশনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (আইওটি) প্রযুক্তি স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ৮টি স্থানকে হলুদ ও সবুজ জোন হিসেবে চিহ্নিত করেছে, যেখানে হকাররা তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য চালাতে পারবে। তবে সিটি কর্পোরেশনের চিহ্নিত লাল জোনে কেউ দোকান বসাতে পারবে না।


যানজট   মেয়র তাপস   ডিসিসিআই   ডিএমপি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

আমরা যেকোনো মূল্যে অপরাধীদের দমন করব: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৩:৩৯ পিএম, ৩০ মে, ২০২৪


Thumbnail

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, দস্যুদের যারা এ পেশা ত্যাগ করবেন না তারা কী দুঃসংবাদ লিখে নিয়ে যাবেন সেটা মহান আল্লাহ জানেন। কাউকে ক্ষমা করা হবে না। সন্ত্রাস নির্মূল করতে গিয়ে র‍্যাবের ৩৩ জন সদস্য জীবন দিয়েছেন। হাজার হাজার র‌্যাব সদস্য আহত হয়েছেন। অনেকের অঙ্গহানিও হয়েছে। তাই আমরা যেকোনো মূল্যে অপরাধীদের দমন করব। তারা যেন অপরাধ করার চিন্তাও না করে সে কাজ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী করছে। জলদস্যুতা আপনাদের জীবনে কখনও শান্তি ফিরিয়ে আনবে না। বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন সমস্ত উপকূলীয় অঞ্চলকে আমরা জলদস্যু-ডাকাত মুক্ত করব।

বৃহস্পতিবার (৩০ মে) দুপুরে চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা র‌্যাব-৭ এর সদর দপ্তরে জলদস্যুদের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে অস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করেন চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার উপকূলীয় এলাকার ১২ বাহিনীর ৫০ জলদস্যু। এর মধ্যে একজন নারীও রয়েছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সুন্দরবনে জলদস্যুদের ভালো অবস্থা দেখে আজ তারা উদ্বুদ্ধ। সাংবাদিকদের সহযোগিতায় এ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাদের ধন্যবাদ জানাই। উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষদের সিকিউরিটির জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করে যাচ্ছে। ওইসব এলাকায় জলদস্যুরা কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। আজ এখানে একজন নারী জলদস্যুও আমাদের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন।

তিনি বলেন, স্থানীয় প্রভাবশালী লোকেরাও তাদের বাধ্য করেন এসব কাজে জড়াতে। জনগণের কাছে র‍্যাব একটি আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক। সুন্দরবনে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন রক্ষায় ২০১২ সালে র‍্যাবকে টাস্ক ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। র‍্যাবের দুঃসাহসিক অভিযানে সুন্দরবন জলদস্যু মুক্ত হয়। দস্যুরা যাতে আর সে কাজে ফিরতে না পারে তাদের আর্থিক অনুদান দেওয়া হচ্ছে। আজ তারা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে। কেউ ব্যবসা করছে বা অন্য কাজ করছে। পাবনায় ৬০০ ও সিরাজগঞ্জে ৩০০ এর অধিক চরমপন্থি গ্রুপের নেতাকর্মী আত্মসমর্পণ করেছে। তাদেরও সরকার সহযোগিতা করেছে। তবে যাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের ও খুনের মামলা আছে তাদের কোনোভাবে সহযোগিতা করা হবে না। অন্য মামলাগুলো থেকে তাদের অব্যাহতি দেওয়ার জন্য কাজ করা হবে।


অপরাধী   স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

লক্ষ্মীপুরের প্রত্যন্ত অঞ্চরে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে বশিকপুর স্কুল এন্ড কলেজ


Thumbnail

প্রত্যন্ত অঞ্চলে নানা সীমাবদ্ধতার মাঝেও শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে লক্ষ্মীপুরের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ বশিকপুর স্কুল এন্ড কলেজ। আধুনিক ও সময়োপযোগী শিক্ষায় শিক্ষিত মানবসম্পদ তৈরি করে চলেছে এ প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিবছর জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনসহ নানা পর্যায়ে সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে এ প্রতিষ্ঠানের সুনাম চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে।

 

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার বশিকপুর ইউনিয়নের বশিকপুর বাজার এলাকায় ১৯৭১ সালে স্থাপিত হয় এই বিদ্যালয়টি।

 

দেশ স্বাধীনের পরপরই বশিকপুরের দানবীর, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত হাজী আবুল কালাম এর হাত ধরেই প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়। শুরুতে জমি, ভবন ও শিক্ষক সংকট থাকলেও কালের পরিক্রমায় এলাকার শিক্ষানুরাগী ও উদার মনমানসিকতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের সাথে নিয়ে তিনি গড়ে তোলেন বশিকপুর উচ্চ বিদ্যালয়।

 

ক্রমে বাড়তে থাকে শিক্ষার্থী সংখ্যা, দূর-দূরান্ত থেকে এসে ভর্তি হতে থাকে ছাত্র-ছাত্রীরা। স্বল্প বেতনেও পাঠদান করাতে পিছু হটেনি শিক্ষকরা, পিছিয়ে ছিলো না প্রতিষ্ঠানে অল্প বেতনে কর্মরত কর্মচারীরাও। এসএসসি পাশের পর উচ্চ শিক্ষার জন্য এ প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগণের চাহিদার প্রেক্ষিতে সময়ের তালে তালে নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে প্রতিষ্ঠানটিতে সংযোজিত হয় কলেজ শাখা। তাই বশিকপুর উচ্চ বিদ্যালয় এর পরিবর্তিত নাম হয় বশিকপুর স্কুল এন্ড কলেজ।

 

বর্তমানে আশপাশে অনেক প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হলেও বশিকপুর স্কুল এন্ড কলেজ আজো দাঁড়িয়ে আছে স্বগৌরবে। বশিকপুরের সবচেয়ে পুরোনো ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এটি। এখানকার সব অভিভাবকের স্বপ্ন থাকে এ প্রতিষ্ঠানে সন্তানকে ভর্তির বিষয়ে। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় শতভাগ পাশসহ এখানকার শিক্ষার্থীরা কর্মমুখী শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছেন।

 

এদিকে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা হাজী আবুল কালামের মৃত্যুর পর অনেকটাই অভিভাবক শূণ্য হয়ে পড়ে বশিকপুর স্কুল এন্ড কলেজ। দীর্ঘ সময় এ প্রতিষ্ঠানে এড্ হক কমিটি, ম্যানেজিং কমিটির নানা দ্বন্ধে কলেজ শাখা এমপিওভুক্ত নিয়ে টানাপোড়েন ছিলো। তবুও পাঠদানে কোন ধরনের ব্যতয় যাতে না ঘটে সেজন্য স্কুল শাখার শিক্ষকদের সাথে নিয়ে প্রতিষ্ঠানের বর্তমান প্রধান শিক্ষক আবদুল বাসেতসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষক অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

 

বর্তমানে ৬০০ শিক্ষার্থীর জন্য স্কুল শাখায় ১৪ জন ও কলেজ শাখায় ৯ জন শিক্ষক পাঠদান দিচ্ছেন। ২০২৪ সালে এসএসসি পরীক্ষায় চারজন এ প্লাসসহ শতকরা ৮৮ দশমিক ০৬ পাশ করেন।

 

প্রতিষ্ঠানটির কয়েকজন সাবেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানান, কমিটি নিয়ে বিপাকে পড়তে হয় বেশিরভাগ সময়ই। এতে করে শিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষকরা চালিয়ে গেলেও পিছিয়ে পড়তে হয় উন্নয়ন কার্যক্রম। তবে বর্তমানে জেলা শিক্ষা অফিসের সরাসরি তত্ত্বাবধানে প্রতিষ্ঠানটি দেখভালো করায় খুশি সাবেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। 

বশিকপুর স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) আবদুল বাসেত জানান, শিক্ষকদের আন্তরিকতা ও অভিভাবকদের সচেতনতার কারণেই শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন করতে পারছে। জবাবদিহিতা ও সচেতনতা বাড়াতে অভিভাবক সমাবেশের পাশাপাশি জ্ঞান অর্জনের জন্য শিক্ষা সফর, ক্রীড়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এসবের সিংহভাগই সাবেক শিক্ষার্থীদের আর্থিক অনুদানে আয়োজন করা হয় বলে জানালেন এই অধ্যক্ষ।


প্রত্যন্ত অঞ্চল   শিক্ষা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

উপজেলা নির্বাচন: নওগাঁর দুই উপজেলায় নির্বাচিত যারা

প্রকাশ: ০৩:১৩ পিএম, ৩০ মে, ২০২৪


Thumbnail

নওগাঁর দুটি উপজেলা পরিষদের ৩য় ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৯ মে) রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলায় সকাল ৮ থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই এ ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়।

বুধবার (২৯ মে) রাতে ভোট গণনা শেষৈ বেসরকারিভাবে ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। ফলাফলে দেখা যায় রাণীনগরে বিজয়ী হয় রাহিদ সরদার এবং আত্রাই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হন এবাদুর রহমান।

প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে রাণীনগর উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য রাহিদ সরদার। তিনি কাপ পিরিচ প্রতীকে ২৩ হাজার ৪৬৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আসাদুজ্জামান কৈ মাছ প্রতীকে পেয়েছেন ১৪হাজার ৫৪৮ ভোট।

আর মহিলা ভাইস চেয়ারম্যন পদে রুমা বেগম পদ্ম ফুল প্রতীকে পেয়েছেন ৩২ হাজার ১৩৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মর্জিনা বেগম প্রজাপতি প্রতীকে ১৩ হাজার ২০ ভোট পেয়েছে। এবং পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যন পদে প্রদ্যুৎ কুমার প্রামানিক চশমা প্রতীকে পেয়েছে ১৬ হাজার ৪১৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জারজিস হাসান টিউবওয়েল প্রতীকে ১২ হাজার ৪৮ ভোট পেয়েছে।

অপরদিকে আত্রাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান এবাদুর রহমান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি কৈ মাছ প্রতীকে ২১ হাজার ৪৭৬ ভোট পেয়ে চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আজিজুর রহমান পলাশ জোড়া ফুল প্রতীকে পেয়েছেন ১৩হাজার ৪৭৮ ভোট।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফেরদৌসী চৌধুরী কলস প্রতীকে ৩৬ হাজার ৫২৯ ভোটে পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মিতু বানু ফুটবল প্রতীকে ২৯ হাজার ৯১১ভোট পেয়েছে। এবং পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজুল শেখ চশমা প্রতীকে ৩৩ হাজার ২৩৩ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো: আফসার তালা প্রতীকে ৩২ হাজার ৮১ ভোট পেয়েছে।

তাদেরকে বেসরকারিভাবে তাদের বিজয়ী ফলাফল ঘোষণা করেন রাণীনগর আত্রাই উপজেলা সহকারী রিটার্নিং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে তাবাসসুম সঞ্চিতা বিশ্বাস।

উল্লেখ্য, রাণীনগর উপজেলায় ভোট পড়েছে ৪১ দশমিক ৬১ শতাংশ এবং আত্রাই উপজেলায় ৪২ দশমিক ৭৯ শতাংশ।


উপজেলা নির্বাচন   বিজয়ী প্রার্থী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

উপকূলীয় অঞ্চলে দুর্যোগ সহনীয় ঘর করে দেয়া হবে: শেখ হাসিনা

প্রকাশ: ০২:২৩ পিএম, ৩০ মে, ২০২৪


Thumbnail

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ঘূর্ণিঝড়  রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা-বাঁধ মেরামত শুরু হয়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলে দুর্যোগ সহনীয় ঘর করে দেয়া হবে। আওয়ামী লীগ সরকার এসেছে বলেই এই উপকূলীয় অঞ্চলে শান্তি এসেছে। অনেকেই ক্ষমতায় ছিল কিন্তু কেউ তা পারেনি। এই অঞ্চলের বাংলাদেশের কেউ ভূমিহীন থাকবে না। 

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ মে) পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর শহরে সরকারি মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস ডিগ্রি কলেজ মাঠে ত্রাণ বিতরণের পরে এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্র আছে বলেই দেশে উন্নয়ন হচ্ছে। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। এই অঞ্চলের (উপকূলের) মানুষ প্রতিনিয়ত প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে জীবনযুদ্ধে লিপ্ত হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসবেই, সেটাকে মোকাবিলা করে মানুষের জীবনমান রক্ষা করাই আমাদের লক্ষ্য এবং সেটাই আমরা করে যাচ্ছি।

শেখ হাসিনা বলেছেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, বাঁধ দ্রুত মেরামতে আওয়ামী লীগ সরকার কাজ করছে। ইতোমধ্যে যে সমস্ত রাস্তাঘাট ভেঙে গেছে, সেগুলো মেরামত করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যে বাঁধগুলো ভেঙে গেছে, সেগুলোও মেরামতের কাজ ইতোমধ্যে আমরা শুরু করে দিয়েছি। যাতে বর্ষার আগেই আমরা বাঁধগুলো নির্মাণ করে জলোচ্ছ্বাস বা পানির হাত থেকে মানুষকে বাঁচাতে পারি।

এবারের ঝড়-জলোচ্ছ্বাস খুবই অস্বাভাবিক হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি সাইক্লোন শেল্টার করেছি, সেখানে মানুষ আশ্রয় পেয়েছে। যারা গৃহহীন, তাদের দুর্যোগ সহনীয় ঘর করে দিয়েছি। যে কারণে মানুষ অন্তত আশ্রয়ের জায়গা পেয়েছে। পশুপাখি আশ্রয়ের ব্যবস্থা পেয়েছে।’

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ২ হাজার লোকদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তার সফরসঙ্গী হিসেবে সঙ্গে ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মহিববুর রহমানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।


উপকূলীয় অঞ্চল   দুর্যোগ   শেখ হাসিনা  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ৫০ জলদস্যুর আত্মসমর্পণ

প্রকাশ: ০১:৪৮ পিএম, ৩০ মে, ২০২৪


Thumbnail

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন চট্টগ্রাম কক্সবাজার জেলার উপকূলীয় এলাকার ১২ বাহিনীর ৫০ জলদস্যু। এর মধ্যে একজন নারীও রয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ মে) চট্টগ্রাম র‌্যাব আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দস্যুরা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে অস্ত্র গোলাবারুদ জমা দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেন।

র‌্যাব জানায়, সংস্থাটির চট্টগ্রাম ইউনিটের উদ্যোগে এর আগে ২০১৮ এবং ২০২০ সালে চট্টগ্রাম কক্সবাজারের উপকূলীয় অঞ্চলের ৭৭ জন জলদস্যু আত্মসমর্পণ করেছিল। এটি অন্যান্য জলদস্যুদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। একপর্যায়ে চট্টগ্রামে বাঁশখালী এবং কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া, মহেশখালী কুতুবদিয়া অঞ্চলের জলদস্যুরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আশার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম র‌্যাব তাদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়।

২০১৮ সালের গত নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ঘোষণা করেন। এতে অত্র অঞ্চলের জলভাগে দস্যুতার ঘটনা কমে গেছে।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী   জলদস্যু   আত্মসমর্পণ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন