ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

আমেরিকায় রেকর্ড হারে বেড়েছে ইসলামবিদ্বেষের ঘটনা

প্রকাশ: ১০:৫৩ পিএম, ০২ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৩৫ লাখ মুসলিম নাগরিক বসবাস করেন। মুসলিম হওয়ায় তাদের প্রায়ই বিভিন্ন হয়রানি ও বৈষম্যের শিকার হতে হয়। যুক্তরাষ্ট্রে ইসলামফোবিয়া (ইসলামবিদ্বেষ) ও মুসলমানদের ওপর হামলার ঘটনা টানা বৃদ্ধির পর ২০২২ সালে কিছুটা কমে।

তবে ২০২৩ সালে এই ধরনের ঘটনা আবার বেড়ে গেছে। শুধু বৃদ্ধি পেয়েছে তাই নয়, গত বছর এই ধরনের ঘটনা রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে।

যুক্তরাষ্ট্রে মুসলমানদের অধিকার নিয়ে কাজ করে এমন একটি সংগঠন হলো আমেরিকান ইসলামিক সম্পর্ক কাউন্সিল। মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) এই সংগঠনের এক প্রতিবেদনে এমন ভয়াবহ তথ্য উঠে আসে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

আমেরিকান ইসলামিক সম্পর্ক কাউন্সিলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ইসলামবিদ্বেষের মোট ৮ হাজার ৬১টি ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে, যা ২০২২ সালের তুলনায় ৫৬ শতাংশ বেশি। এমনকি সংগঠনটির ৩০ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি। এর মধ্যে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে প্রায় ৩ হাজার ৬০০টি ঘটনা ঘটেছে।

বিশ্বের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনও বলছে, গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ ঘিরে ইসলামোফোবিয়া (ইসলামবিদ্বেষ), ফিলিস্তিনিবিরোধী জনমত ও ইহুদিবিদ্বেষ বিশ্বজুড়ে ব্যাপক হারে বেড়েছে।

আমেরিকান ইসলামিক সম্পর্ক কাউন্সিল জানিয়েছে, ২০২২ সালে আমেরিকার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ইসলামবিদ্বেষের ঘটনা কমে। তবে ২০২৩ সালেই তা আবারও বাড়তে থাকে। গত বছরের প্রথম ৯ মাসের প্রতি মাসে গড়ে ৫০০ এর মতো এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। তবে শেষের তিন মাসে তা অনেক বেড়ে যায়। শেষের তিন মাসের প্রতি মাসে ১২০০টি করে এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামোফোবিয়ার এই বৃদ্ধির কারণ হলো ২০২৩ সালের অক্টোবরে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনে সংঘাত। ওই বছর অভিবাসন ও আশ্রয়, কর্মসংস্থান বৈষম্য, ঘৃণামূলক অপরাধ ও শিক্ষা বৈষম্য নিয়ে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ এসেছে।

গত ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে প্রবেশ করে নজিরবিহীন হামলা চালিয়ে ১২০০ ইসরায়েলিকে হত্যার পাশাপাশি প্রায় ২৫০ ইসরায়েলি ও বিদেশি নাগরিককে গাজায় বন্দি করে নিয়ে আসে হামাস। একই দিন হামাসকে নির্মূল এবং বন্দিদের মুক্তি নিশ্চিত করতে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী এই সংগঠনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে ইসরায়েল। ইসরায়েলের হামলায় ইতিমধ্যে ৩২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। তাদের অধিকাংশ নারী ও শিশু।


আমেরিকা   রেকর্ড   ইসলামবিদ্বেষ  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

পাপুয়া নিউ গিনিতে ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৭০

প্রকাশ: ০৪:০৬ পিএম, ২৬ মে, ২০২৪


Thumbnail

ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশ পাপুয়া নিউ গিনির একটি গ্রামে ভয়াবহ ভূমিধসের ঘটনায় ৬৭০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। ভূমিধসে প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া গ্রামটির অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। রোববার ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটিতে হতাহতের এই পরিসংখ্যান জানিয়েছেন জাতিসংঘের একজন কর্মকর্তা।

পাপুয়া নিউ গনির রাজধানী পোর্ট মোর্সবে-ভিত্তিক জাতিসংঘের অভিবাসনবিষয়ক সংস্থার মুখপাত্র সেরহান আকতোপার্ক বলেছেন, ভূমিধসে পাপুয়া নিউ গিনির একটি গ্রামের ১৫০টিরও বেশি বাড়িঘর মাটির নিচে চাপা পড়েছে। এতে ৬৭০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এক সময়ের ব্যস্ত ওই গ্রামের আরও এক হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন আকতোপার্ক। তিনি বলেছেন, ভূমিধসের শিকার গ্রামটির ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া গ্রামটির পানির সরবরাহ ব্যবস্থা প্রায় সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।


পাপুয়া নিউ গিনি   ভূমিধস   নিহত  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

নেতানিয়াহুর পদত্যাগ দাবিতে উত্তাল ইসরায়েল

প্রকাশ: ০৩:৩৩ পিএম, ২৬ মে, ২০২৪


Thumbnail

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিমিন নেতানিয়াহুর পদত্যাগ ও ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের হাতে আটক জিম্মিদের মুক্তির জন্য চুক্তির দাবিতে সরকারবিরোধী আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠেছে ইসরায়েল। এ সময় আগাম নির্বাচনের দাবিও জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। 

স্থানীয় সময় শনিবার(২৫ মে) রাতে রাজধানী তেল আবিবসহ ইসরায়েলের একাধিক স্থানে এই বিক্ষোভ হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ হয় তেল আবিবে। এতে ৮০ হাজারেরও বেশি মানুষ অংশ নেয় বলে জানা গেছে। সেখান থেকে বেশ কিছু বিক্ষোভকারীদের গ্রেফতার ইসরায়েলি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

তেল আবিব ছাড়াও জেরুজালেম, হাইফা, সিজারিয়া এবং রেহোভট-সহ বিভিন্ন স্থানে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

সম্প্রতি ফিলিস্তিনি হামাস যোদ্ধা কর্তৃক ইসরায়েলি নারী সেনাদের বন্দী করার একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ্যে আসে। এরপরই জিম্মিদের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভে আরও উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশটি।

বিক্ষোভকারীদের দাবি, নাহাল ওজে নারী সৈন্যদের ধরে নিয়ে যাওয়ার যে ভয়ঙ্কর ভিডিওগুলো প্রকাশ হয়েছে, সেগুলো ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের স্তরে স্তরে ব্যর্থতার প্রমাণ।

বিক্ষোভকারীরা বলেন, 'নেতানিয়াহু, আপনাকে সতর্ক করা হয়েছিল এবং আপনি উপেক্ষা করেছিলেন। শুধুমাত্র এই কারণে, আপনাকে অবশ্যই দায়িত্ব ওই ঘটনার (৭ অক্টোবর হামাসের অভিযান) নিতে হবে এবং অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। আপনি ক্ষমতায় থাকার যোগ্য নন।' 

উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, গত বছর প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে চারবার সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু তাতে কর্ণপাত করেননি তিনি। বিক্ষোভ থেকে আশঙ্কা করা হয়, ইসরায়েল সরকার যদি এখনই হামাসের সঙ্গে একটি চুক্তিতে না পৌঁছায়, তাহলে শেষ পর্যন্ত হয়তো ইসরায়েল জিম্মিদের ফিরিয়ে না এনেই যুদ্ধ শেষ করতে বাধ্য হবে। জেরুজালেমে নেতানিয়াহুর সরকারি বাসভবনের বাইরে প্যারিস স্কোয়ারে শত শত ইসরায়েলি জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন।


নেতানিয়াহু   পদত্যাগ   ইসরায়েল  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

আইসিজেতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মিসরের অবস্থান

প্রকাশ: ০৩:২৬ পিএম, ২৬ মে, ২০২৪


Thumbnail

আইসিজেতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মামলায় যোগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে মিসর।মিসরের এই পদক্ষেপ ইসরায়েলের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ক্যাম্প ডেভিড শান্তি চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসার আভাস বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

গাজায় নির্বিচার হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগ, প্রতিবাদ, বিক্ষোভ সত্ত্বেও মিসর সীমান্তসংলগ্ন রাফায় অভিযান চালাচ্ছে ইসরায়েল। যদিও গাজায় নিরাপদ আশ্রয় বলতে কিছুই আর অবশিষ্ট নেই এখন।

রাফায় ইসরায়েলের সর্বাত্মক অভিযান শুরুর সময়ে মিসরের এক ঘোষণা নেতানিয়াহুর জন্য আচমকা ধাক্কা হয়ে এসেছে। আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গাজায় গণহত্যা চালানোর যে মামলা দক্ষিণ আফ্রিকা করেছে, তাতে যোগ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে মিসর।

মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ১২ মে বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী গাজা উপত্যকায় বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের হত্যা করছে, বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করছে, আইসিজের অন্তবর্তী আদেশ অমান্য করছে। কারণে কায়রো আইসিজেতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে।

ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্য তথা উত্তর আফ্রিকার মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসংখ্যার যে দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছে, তার যোগসূত্র বলা হয়ে থাকে মিসরকে। ইসরায়েল-মিসরের মধ্যে হওয়া ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি যার মূল ভিত্তি। ১৯৭৯ সালে স্বাক্ষরিত ওই চুক্তির মাধ্যমে ইসরায়েল প্রথম কোনো আরব দেশের সঙ্গে কূটনীতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ পায়।

ইসরায়েলের পররাষ্ট্র দপ্তরের সাবেক পরিচালক অ্যালন লিয়েলের মতে, মিসরের এই সিদ্ধান্ত সত্যিই ইসরায়েলের জন্য বড় এক কূটনৈতিক ধাক্কা। ইসরায়েলকে এটা গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে। আলজাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের অবস্থানের মূল ভিত্তি মিসর। জর্ডান, বাহরাইন, মরক্কো, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ (ইউএই) যে দেশগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক এগিয়েছে, সেটা মিসরের গত ৪০ বছরের প্রচেষ্টার ফল।

এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) কৌঁসুলি করিম খান গাজায় সম্ভাব্য গণহত্যার জন্য ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেছেন, যার কঠোর সমালোচনা করছেন ইসরায়েলের নীতিনির্ধারকেরা।

আইসিজেতে মিসরের যোগ দেওয়ার ঘোষণার পর ইসরায়েলি কর্মকর্তারা বলছেনমিসরের সিদ্ধান্তে আইসিজেতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মামলায় আইনি প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে কোনো হেরফের হবে না। কিন্তু এই ঘোষণা যে ইসরায়েলমিসর সম্পর্কের অবনতি আভাস, তাতে সংশয় নেই।

১৯৬৭ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে সিনাই হাতছাড়া হয়েছিল মিসরের। ক্যাম্পডেভিড চুক্তির পর ইসরায়েলের কাছ থেকে সিনাই ফিরে পায় কায়রো। সিনাইয়ে নিজের কর্তৃত্ব বজায় রাখা পরোক্ষ সম্পদের মাধ্যমে সামরিক ব্যয় মিটিয়ে অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে চায় মিসর। তাই যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তি বজায় রেখে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় রাখতে চায়।

ইসরায়েল-মিসরের চুক্তিকেঠান্ডা শান্তি’ (কোল্ড পিস) বলা হলেও দুই দেশের মধ্যে শুধু কূটনতিক সম্পর্ক নয়বাণিজ্যিক সামরিক সহযোগিতার সম্পর্ক আছে।

ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তিপূণ সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য ওয়াশিংটনের কাছে প্রতি বছর শত কোটি ডলার সামরিক সহায়তা পায় কায়রো, যা ২০১৪ সালে থেকে ক্ষমতায় থাকা মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তা আল সিসির জন্য খুব প্রয়োজন। তাই তিনি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিপক্ষে ঠিক কতটা দৃঢ় অবস্থান নিতে পারেন সে প্রশ্ন থেকেই যায়।


আইসিজে   ইসরায়েল   মিসর  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

খারকিভে সুপারমার্কেটে রুশ হামলায় নিহত ১১

প্রকাশ: ০২:০২ পিএম, ২৬ মে, ২০২৪


Thumbnail

ইউক্রেনের খারকিভের একটি সুপারমার্কেটে রুশ বাহিনী দুটি গ্লাইড বোমা হামলায় ১১ জন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরো অনেকেই। হামলার পরই ওই মার্কেট থেকে বড় ধরনের অগ্নি কুণ্ডলি বের হতে দেখা যায়।

রোববার (২৬ মে) খারকিভের গভর্নর ওলেহ সাইনিহুবোভ জানিয়েছেন, হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১ জনে দাঁড়িয়েছে। এর আগে তিনি জানান, হামলায় ঘটনাস্থলেই ছয়জন প্রাণ হারিয়েছে এবং ৪০ জন আহত হয়েছে। এছাড়া ১৬ জন নিখোঁজ রয়েছে। 

সুপারমার্কেটের ভেতরে ২০০ জনের বেশি মানুষ ছিল। একই সঙ্গে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লদিমির জেলেনস্কি এ ঘটনাকে রাশিয়ার পাগলামি বলে আখ্যায়িত করেছেন।  

খারকিভের মেয়র ইহর তেরেখভ বলেন, রাশিয়ার হামলায় অনেকে নিখোঁজ রয়েছে। এ ধরনের হামলা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ছাড়া আর কিছুই নয়। 

এদিকে আত্মরক্ষার জন্য ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট পশ্চিমাদের কাছে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চেয়ে আসছেন। 

ইউক্রেনে হামলাটি এমন এক সময় হলো যখন ইতালিতে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনে এর অর্থমন্ত্রী রাশিয়ার দখল করা সম্পদের লভ্যাংশ থেকে কিয়েভকে সহযোগিতার প্রস্তাব দেন। 

মার্কিন প্রস্তাবে জি-৭ এর নেতারা পশ্চিমা ব্যাংকগুলোতে জব্দকৃত রাশিয়ার সম্পদ থেকে ইউক্রেনকে ৫ হাজার কোটি ডলার ঋণ দেওয়ার কথা ভাবছেন। বিষয়টি নিয়ে আগামী মাসে আরও বিস্তৃত পরিসের আলোচনার কথা রয়েছে। 


খারকিভ   সুপারমার্কেট   হামলা   নিহত  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

মধ্যরাতে চূড়ান্ত আঘাত হানছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল

প্রকাশ: ০২:০০ পিএম, ২৬ মে, ২০২৪


Thumbnail

ইতোমধ্যেই ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ঝড়টি রোববার (২৬ মে) মধ্যরাতে চূড়ান্ত আঘাত হানতে পারে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিববুর রহমান। সচিবালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটির সভা শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তথ্য জানান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজ মধ্যরাতে ঘূর্ণিঝড় রেমাল উপকূলের প্রায় সব জেলায় চূড়ান্ত আঘাত হানতে পারে। ঝড়টির কারণে ১০ থেকে ১২ ফুট জলোচ্ছ্বাস হতে পারে।

এদিকে দুর্যোগ মোকাবিলা এবং দুর্গত মানুষের পাশে থাকার জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ সব মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

মোংলা পায়রা সমুদ্র বন্দরে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অফিস। ছাড়াও চট্টগ্রাম কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরে নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। রোববার (২৬ মে) সকাল সোয়া ৯টার দিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া এক বিশেষ বুলেটিনে তথ্য জানানো হয়।

উপকূল থেকে প্রায় ২৯৫ কিলোমিটার দূরে রয়েছে ঘূর্ণিঝড়  রেমাল। যা আরও অগ্রসর ঘনীভূত হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। যার ফলে দেশের সমুদ্রবন্দর উপকূলীয় জেলাগুলোতে সতর্কসংকেত দেওয়া হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আজিজুর রহমান রোববার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সন্ধ্যার পর থেকে আঘাত হানবে ঘূর্ণিঝড়। এর কেন্দ্র রাত ১২টায় উপকূল অতিক্রম করবে, পেছনের অংশ পার হতে রাত ৩টা বেজে যাবে। স্থলে তিন থেকে পাঁচ ঘণ্টা তাণ্ডব চালাতে পারে।


মধ্যরাত   ঘূর্ণিঝড়   রেমাল  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন