ইনসাইড বাংলাদেশ

অবৈধ উপায়ে বিদেশি সিগারেট বিক্রি ঠেকাতে জেলা প্রশাসকদের সহায়তা চায় এনবিআর

প্রকাশ: ০৯:৫৫ পিএম, ২০ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

দেশে গত এক বছরে আমদানি হয়নি কোনো বিদেশি সিগারেট। অথচ মহানগর থেকে শুরু করে জেলা, উপজেলাসহ সারা দেশেই বিভিন্ন ধরনের বিদেশি সিগারেট বিক্রি হচ্ছে। দেশে এসব সিগারেট আসে চোরাই পথে। তার পরও আগের চেয়ে অনেক সহজলভ্য।

বিদেশি সিগারেট চোরাই পথে আসার কারণে এগুলোর বিক্রির বিপরীতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কোনোরকম রাজস্ব পায় না। সে জন্য দেশের বাজারে অবৈধ উপায়ে বিদেশি সিগারেট বিপণন বন্ধ করতে জেলা প্রশাসকদের সহায়তা চেয়েছে এনবিআর।

সম্প্রতি এ ব্যাপারে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি। চিঠিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে চোরাচালান প্রতিরোধের অংশ হিসেবে অবৈধভাবে আসা সিগারেট বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকদের আধা সরকারি পত্র পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছে এনবিআর।

এনবিআরের মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট বিভাগের প্রথম সচিব শাহীনুর কবীর পাভেল এই চিঠি দেন। চিঠিতে তিনি বলেন, ‘জেলা প্রশাসকদের উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধের বিষয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমের অনুমোদন আছে’।

এ বিষয়ে এনবিআরের ভ্যাট বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘সিগারেট এনবিআরের জন্য রাজস্ব আদায়ের একটি অন্যতম বড় খাত। অবৈধভাবে আসা বিদেশি সিগারেটের কারণে আমরা স্থানীয় বাজার থেকে কাঙ্ক্ষিত হারে শুল্ক-কর পাচ্ছি না।’ তবে এখন পর্যন্ত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কোনো উদ্যোগ নিয়েছে কি না, তা জানাতে পারেননি ওই কর্মকর্তা।

এনবিআরের সবচেয়ে বড় রাজস্ব আদায়ের খাত হচ্ছে সিগারেট। সংস্থাটির একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, এই খাত থেকে প্রতিবছর শুল্ক-কর মিলিয়ে ৩৫ হাজার কোটি টাকার মতো রাজস্ব আদায় হয়। পুরো সিগারেটের বাজারের আকার ৫০ হাজার কোটি টাকার বেশি।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান অক্সফোর্ড ইকোনমিকসের প্রতিবেদন অনুসারে, গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে অবৈধভাবে প্রায় সাড়ে তিন কোটি শলাকা বিদেশি সিগারেট দেশে এসেছে। এতে এনবিআরের প্রায় ৭৯০ কোটি টাকার সমপরিমাণ রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে।

এনবিআরের ওই চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, গত এক বছরে বিদেশ থেকে কোনো সিগারেট আমদানি হয়নি। তার পরও ঢাকা মহানগরসহ সব জেলা, উপজেলাসহ প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের বাজারেও ডানহিল, ট্রিপল ফাইভ, ইজি, মন্ড, অরিসসহ বিভিন্ন ধরনের বিদেশি সিগারেট পাওয়া যায়। এসব বিদেশি সিগারেট দেশের উচ্চ মূল্যস্তরের সিগারেটের চেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে। এতে রাজস্ব হারাচ্ছে এনবিআর।

তবে এনবিআর মনে করে, এভাবে অবৈধ পথে আনা সিগারেট বাজারে বিক্রি করলে তা চোরাচালান হিসেবে গণ্য হয় এবং আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ছাড়া ব্যান্ডরোলবিহীন কিংবা জাল ব্যান্ডরোল যুক্ত সিগারেট বা বিড়ি তৈরি, মজুত, সরবরাহ, বিক্রি দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই স্থানীয় পর্যায়ে সিগারেট খাত থেকে রাজস্ব সুরক্ষার জন্য এসব বিদেশি সিগারেটের বিপণন বন্ধে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে গঠিত চোরাচালান নিরোধ টাস্কফোর্সের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেছে এনবিআর।


এনবিআর   ডানহিল   ট্রিপল ফাইভ   ইজি   অরিস   মন্ড   সিগারেট  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বাংলাদেশের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলো ওমান

প্রকাশ: ১০:৩৭ পিএম, ১২ জুন, ২০২৪


Thumbnail

বাংলাদেশিদের জন্য কয়েক ক্যাটাগরির ভিসা নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে ওমান। দেশটির সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ।

বুধবার (১২ জুন) ঢাকার ওমান দূতাবাস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানি‌য়ে‌ছে।

এতে বলা হয়েছে, ওমান দূতাবাস ঢাকা নিশ্চিত করছে যে সম্প্রতি ওমানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে যে, গত বছর অক্টোবরে আরোপিত বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা নিষেধাজ্ঞা থেকে নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণিকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে যাদের মধ্যে রয়েছে: ফ্যামিলি ভিসা, জিসিজি বা উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিজিট ভিসা, ডাক্তার, প্রকৌশলী, নার্স, শিক্ষক, হিসাবরক্ষক, বিনিয়োগকারী এবং সকল ধরনের অফিসিয়াল ভিসা এবং উচ্চ-আয়ের আর্থিক ক্ষমতা সম্পন্ন পর্যটক।

এতে আরও বলা হয়েছে, ঢাকাস্থ ওমান দূতাবাস উল্লেখিত শ্রেণিভুক্ত আবেদনকারীদের কাছ থেকে ভিসা আবেদন গ্রহণ করবে ও ভিসা ইস্যুর ব্যাপারে রয়াল ওমান পুলিশের সাথে সমন্বয় করবে। আবেদনকৃত ভিসার পক্ষে আবেদনকারী তার যাবতীয় কাগজপত্র যথাযথ সত্যায়নপূর্বক যাচাই বাছাইয়ের জন্য দূতাবাসে জমা করতে হবে। ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে প্রত্যেক আবেদনকারীর সরবরাহকৃত তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের ওপর নির্ভর করে এক থেকে চার সপ্তাহ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভিসা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার সংক্রান্ত বিষয়ে দূতাবাস আশ্বস্থ করতে চায় যে এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকার ও ওমানী কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার প্রক্রিয়ার বিষয়টি ত্বরান্বিত করতে উভয় দেশের কর্তৃপক্ষ অনেক দূর এগিয়ে গেছে।

ওমান দূতাবাস জানায়, ভিসা নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি নিছক একটি অরাজনৈকিত সিদ্ধান্ত যা কৌশলগত কারণে ওমানে বিদেশি শ্রম বাজার সমীক্ষা ও পর্যালোচনার চলমান একটি নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ। বাংলাদেশ ও ওমান উভয় দেশের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার আর এ দুই দেশের বিচক্ষণ ও সুযোগ্য নেতৃত্বের হাত ধরে এ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্র দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে ও বহুমাত্রিক ধারায় সম্প্রসারিত হতে চলছে।

ভিসা নিষেধাজ্ঞা   ওমান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পল্টনে ফায়েনাজ টাওয়ারে আগুন

প্রকাশ: ০৭:১৬ পিএম, ১২ জুন, ২০২৪


Thumbnail

রাজধানীর পল্টনে ফায়েনাজ টাওয়ারের ১০ তলায় আগুন লেগেছে। বুধবার (১২ জুন) সন্ধ্যায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, আগুন লাগার খবরের পর সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশনের ৫টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।

বিস্তারিত আসছে...

পল্টন   আগুন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

প্রকাশ: ০৭:০৬ পিএম, ১২ জুন, ২০২৪


Thumbnail

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনো।

বুধবার (১২ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রীর দপ্তর কক্ষে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সেক্টরে দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা করা হয়। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের উন্নয়নে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বেসরকারি খাতের উন্নয়ন, কৃষি বিপণনে বৈচিত্রতা আনয়ন ও প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত ইস্যুতে একসঙ্গে কাজ করলে দুদেশই লাভবান হবে বলে এসময় আলোচনা করা হয়। 

দেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের উন্নয়নের স্বার্থে সমন্বয় ও ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন, ফিস স্টক এসেসমেন্টসহ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়েও এসময় আলোচনা করা হয়।

পরবর্তীতে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবের আলোকে দুদেশ একসঙ্গে কাজ করবে বলে সৌজন্য সাক্ষাতে মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী   জাপানের রাষ্ট্রদূত   সচিবালয়  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

তারেক রহমানকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৬:৪২ পিএম, ১২ জুন, ২০২৪


Thumbnail

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত তারেক রহমানসহ ১৫ আসামিকে গ্রেপ্তারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (১২ জুন) জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিনের লিখিত প্রশ্নোত্তরে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। এসময় সংসদে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় তারেক রহমান ওরফে তারেক জিয়াসহ সাজাপ্রাপ্ত ১৫ আসামি বর্তমানে পলাতক। বিদেশে পলাতক আসামি মাওলানা তাজউদ্দীন, মো. হারিছ চৌধুরী ও রাতুল আহম্মেদ বাবু ওরফে রাতুল বাবুর বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ জারি আছে।

তিনি বলেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের জনসভায় স্বাধীনতাবিরোধী বিএনপি-জামায়াত জোটের নেতৃত্বে পরিকল্পিতভাবে গ্রেনেড হামলা করা হয়। এ ঘটনায় দণ্ডবিধির ৩২৪/৩২৬/৩০৭/৩০২/৩৪ ধারা এবং বিস্ফোরক দ্রব্য আইন ১৯০৮-এর ৩/৪ ধারায় মতিঝিল থানায় মামলা হয়।

সংসদে সরকারপ্রধান বলেন, মামলাটির দীর্ঘ তদন্ত শেষে মোট ৫২ আসামির বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগপত্র দাখিল হয়। রায় ঘোষণার আগে অভিযোগপত্রের ৫২ আসামির মধ্যে তিনজনের অন্য মামলায় ফাঁসি কার্যকর হয়। ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর রায় ঘোষণা করেন। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা   তারেক রহমান  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

নৌযান চলাচল বন্ধ , সেন্ট মার্টিনে খাদ্যসংকট

প্রকাশ: ০৬:২৭ পিএম, ১২ জুন, ২০২৪


Thumbnail

বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে প্রায় ১০ হাজার মানুষের বসবাস। দ্বীপে যাওয়া-আসার একমাত্র পথ নাফ নদী, তবে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান সংঘাতে একের পর এক গুলিবর্ষণের ঘটনায় টানা ছয় থেকে সাত দিন ধরে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে বন্ধ রয়েছে নৌ চলাচল।

খাদ্য ও পণ্যবাহী বোট চলাচল বন্ধে দ্বীপে খাদ্য পৌঁছাতে না পারায় ও মজুদকৃত খাবার প্রায় শেষ হয়ে যাওয়ায় খাদ্য সংকটে ভুগছেন সেন্টমার্টিনের বাসিন্দারা।

কোনো কারণ ছাড়াই বাংলাদেশি নৌযান লক্ষ্য করে দফায় দফায় গুলি ছোড়ার ঘটনায় মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবাদপত্র পাঠাচ্ছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তাতে কাজ হচ্ছে না। সর্বশেষ গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রোগীবাহী একটি স্পিডবোট লক্ষ্য করে মিয়ানমার থেকে ১০-১২টি গুলি ছোড়া হয়। কয়েকটি গুলি স্পিডবোটে লাগলেও অল্পের জন্য যাত্রীরা প্রাণে রক্ষা পান।

এর আগে ৮ জুন দুপুরে টেকনাফ থেকে সেন্ট মার্টিনগামী পণ্যবাহী একটি ট্রলারে ৩০-৪০টি গুলিবর্ষণ করে মিয়ানমার সশস্ত্র গোষ্ঠী। তাতে কেউ হতাহত না হলেও ট্রলারটির বিভিন্ন স্থানে সাতটি গুলি লাগে।

সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মুজিবুর রহমান বলেন, রাখাইন রাজ্যের নাইক্ষ্যংদিয়া থেকে দফায় দফায় গুলিবর্ষণের ঘটনায় গত সাত দিন ধরে টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথে যাত্রীবাহী নৌযানের চলাচল বন্ধ রয়েছে। তাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীসহ হতদরিদ্রদের ভিজিডি ও ভিজিএফ চালও সেন্ট মার্টিনে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। ওপারের গুলিবর্ষণ বন্ধ না হলে দ্বীপের ১০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ বাড়বে। নৌ চলাচল স্বাভাবিক করতে নাফ নদীর বদরমোকাম এলাকায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ও বিজিবির টহল জোরদার করা জরুরি বলে মন্তব্য করেন ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান।

টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশি নৌযান লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিজিবির কাছে প্রতিবাদলিপি পাঠানো হয়। কিন্তু গোলাগুলি বন্ধ হচ্ছে না।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আদনান চৌধুরী বলেন, মিয়ানমারের দিক থেকে কারা গুলি ছুড়ছে, আরাকান আর্মি নাকি বিজিপি, তা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। সংকটের অবসান না হওয়া পর্যন্ত টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথে নৌ চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

নৌযান চলাচল   সেন্ট মার্টিন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন