লিভিং ইনসাইড

একাধিক বার ঘুম ভাঙলে ক্ষতি বেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮:১১ এএম, ০৯ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

ঘুম মানুষের জীবনে অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। প্রাত্যহিক জীবনে একটি মানুষের কমপক্ষে সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানোর প্রয়োজন। এর কম বা বেশি যেকোনো একটি থেকেই হতে পারে বিভিন্ন ধরণের শারীরিক সমস্যা।

বিশেষ করে কম ঘুমে আমরা অনেকেই জানি বিভিন্ন ধরণের শারীরিক সমস্যা হতে পারে। রক্তচাপ বৃদ্ধি, স্নায়ুর সমস্যা তো আছেই, তার সঙ্গে অবসাদের সমস্যাও বাড়তে পারে কম ঘুমালে।

তবে সম্প্রতি আমেরিকার জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘স্কুল অব মেডিসিন’ বিভাগের গবেষকরা পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে দেখিয়েছেন, পাতলা ঘুম বা ঘুমের সময় বার বার ভেঙে গেলে তা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সেই ক্ষতির পরিমাণ কম ঘুমের চেয়েও বেশি।

গবেষকরা ৫০ জন স্বেচ্ছাসেবীর মধ্যে এ পরিক্ষাটি চালান। তাদের দু’টি দলে বিভক্ত করা হয়। প্রথম দলের সদস্যদের জোর করে দীর্ঘক্ষণ জাগিয়ে রাখা হয়। কিন্তু একবার ঘুমিয়ে পড়লে, তাদের আর বিরক্ত করা হয় না। দ্বিতীয় দলের সদস্যদের তাড়াতাড়ি ঘুমোতে যেতে দেওয়া হলেও বার বার ঘুম ভাঙানো হয় তাদের।

দুই থেকে তিনদিন এমন পরিক্ষা চালিয়ে অবাক করা চিত্র দেখা যায়। বেরিয়ে আসে নতুন ফল। আর সেই ফল নথিবদ্ধ করা হয় গবেষণাপত্রে। আন্তর্জাতিক ‘স্লিপ’ জার্নালে প্রকাশিত হয় গবেষণাপত্রটি। সেখানে বলা হয়েছে, ‘যাঁদের ঘুম বার বার ভেঙেছে, তাদের ইতিবাচক মানসিকতার পরিমাণ কমেছে। এমনকি, যারা প্রয়োজনের চেয়েও কম ঘুমিয়েছেন, তাদের ক্ষতির পরিমাণও তুলনায় কম।’

ফলে শুধু ইতিবাচক মানসিকতা কমে যাওয়াই নয়, তার সঙ্গে বেড়েছে হৃদযন্ত্রের গতি। বেড়েছে হৃদরোগের আশঙ্কাও।


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

বর-কনের বয়সের ব্যবধান কত হওয়া উচিত?

প্রকাশ: ০২:২৮ পিএম, ২৮ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

বয়সের ব্যবধান সব দম্পতির জন্য আলাদাভাবে কাজ করে। কারো জন্য ২ বছরের ব্যবধান ভালো কাজ করে, কারো ক্ষেত্রে হয়তো দশ বছরের ব্যবধান। অনেকে আছে যারা নিজের থেকে বেশ বয়স্ক সঙ্গী পেতে চায়। নিজের চাওয়ার মতো সঙ্গী খুঁজে পাওয়াটাই সবচেয়ে বেশি কার্যকরী। তবে বেশিরভাগ সফল বিয়ের ক্ষেত্রে বর-কনের মধ্যে একটি নিখুঁত বয়সের ব্যবধান থাকে যা পছন্দের সঙ্গে সামঞ্জস্যের ভারসাম্য বজায় রাখে। কিছু ক্ষেত্রে বয়সের ব্যবধানই হয়ে উঠতে পারে সুন্দর দাম্পত্যের বড় বাধা। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

৭ বছর

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বয়সের ব্যবধান সাত বছরের মতো হলে সেটি তুলনামূলক বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। সেক্ষেত্রে দম্পতিদের মধ্যে সংঘর্ষ, ভুল বোঝাবুঝি এবং তর্ক কম হয়। বিয়ের ক্ষেত্রে দুইজনের একজনকে সব সময় পরিণত হতে হবে; তারা বিয়েকে ভেঙে পড়া থেকে রক্ষা করবে। এই বয়সের ব্যবধান অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি আদর্শ, কারণ এটি দম্পতিকে স্থিতিশীলতা অর্জন করতে এবং একে অপরকে ঘনিষ্ঠ দৃষ্টিকোণ থেকে বুঝতে সাহায্য করে।

১০ বছর

এমন অনেক বিয়ে আছে যেখানে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পর্যাপ্ত ভালোবাসা এবং বোঝাপড়া থাকলে বয়সের ব্যবধান দশ বছর হলেও সমস্যা হয় না। যখন দুজন মানুষের জীবনের লক্ষ্য, আকাঙ্ক্ষা এবং দৃষ্টিভঙ্গি মিলে যায়, তখন দশ বছরের ব্যবধান হুমকিস্বরূপ নাও হতে পারে। তবে সাধারণ দম্পতির জন্য এটি কিছুটা বাড়াবাড়ি হতে পারে। কখনো কখনো কম বয়সী জন বেশি বয়সী জনের পরিপক্কতার স্তরে দাঁড়াতে পারে না এবং এটি অনেক সমস্যা তৈরি করতে পারে।

২০ বছর

এটি দম্পতির জন্য বয়সের ব্যবধান হিসেবে সেরা নয়। যদিও অনেক বিখ্যাত দম্পতি আছে যাদের বয়সের ব্যবধান ২০ বছরের বেশি। এটি আসলে পার্থক্য হিসেবে খুব বেশি। এক্ষেত্রে লক্ষ্য, আকাঙ্ক্ষা এবং মতামতের ব্যাপক পরিবর্তন হবেই। সব থেকে বড় সমস্যা হতে পারে সন্তান ধারণের প্রয়োজনীয়তা; স্ত্রী বয়স্ক হলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সন্তান ধারণ করতে চাইবে কম বয়সী হলে ততটা আগ্রহী নাও হতে পারে। এক্ষেত্রে চিন্তার স্তরের পার্থক্য সবচেয়ে অন্যতম বড় সমস্যা হতে পারে।

বয়সের ব্যবধান কি সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ?

হ্যাঁ, বয়সের ব্যবধান সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ। বয়সের ব্যবধান অনেক বেশি হলে মতামতের মধ্যে বিশাল পার্থক্য থাকবে, কারণ বর্তমান বিশ্ব প্রতিটি মুহূর্তে পরিবর্তিত হচ্ছে। সেক্ষেত্রে বিয়ে স্বল্পস্থায়ী এবং বিভিন্ন সমস্যা ডেকে আনতে পারে। সাধারণভাবে, বয়সের ব্যবধান যত বেশি হয়, দম্পতিরা তত বেশি সমস্যার মুখোমুখি হয়।


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

অ্যালকোহলে বাড়ে যেসব মারাত্মক রোগের ঝুঁকি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮:০৭ এএম, ২৪ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

মাদক-অ্যালকোহল শরীরের জন্য ক্ষতিকারক জেনেও অনেকেই নিয়মিত সেবন করে যাচ্ছেন। এখনকার শহুরে জীবনে পার্টিগুলোতে খাবার খাওয়ার পর অ্যালকোহল গ্রহণ অনেকটা ফ্যাশনে পরিণত হয়েছে। অভিজাত পরিবারে মদ্যপান স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। 

অ্যালকোহল সেবনে কেউ সাময়িকভাবে কিছুটা আরাম অনুভব করতে পারে; কিন্তু বেশি অ্যালকোহল সেবনে রক্তের ট্রাইগ্লিসারাইড লেভেল বৃদ্ধি পেতে পারে, যার ফলে রক্তনালীতে রক্ত জমাট বেঁধে হার্টঅ্যাটাক এবং স্ট্রোক হতে পারে।  রক্তের ট্রাইগ্লিসারাইড লেভেল বেশি পরিমাণে বৃদ্ধি পেলে প্যানক্রিয়াস বা অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ হতে পারে। নিয়মিত এলকোহল নিলে ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। 

আমাদের শরীর এলকোহল পানীয়কে এসিটাইলডিহাইডে রূপান্তরিত করে। এসিটাইল ডিহাইড একটি কারসিনোজেন অর্থাৎ ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান।  অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবনে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দেয়। ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। যারা নিয়মিত মদ্যপান বা অ্যালকোহল সেবন করে থাকেন, তাদের যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, এইচআইভি বা এইডস, যৌনবাহিত রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি। কারণ অতিরিক্ত মদ্যপানকারীরা ঝুঁকিপূর্ণ যৌন আচরণে নিজেদের সম্পৃক্ত করে থাকে। ফলে তারা অস্বাভাবিক আচরণ করে থাকে। 

দীর্ঘমেয়াদে অ্যালকোহল সেবনের ফলে মস্তিস্ক, যকৃত ও হার্টের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সিরোসিস, অ্যালকোহলিক হেপাটাইটিস, ফাইব্রোসিস, উচ্চ রক্তচাপ, কার্ডিওমায়োপ্যাথি, এরিথমিয়া, স্ট্রোক, প্যানক্রিয়েটাইটিসের মতো প্রাণঘাতি রোগ দেখা দিতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে অ্যালকোহল সেবনের ফলে মুখ, গলা, ব্রেস্ট এবং লিভারের ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে।  বেশি পরিমাণে অ্যালকোহল সেবনে ডিমেনসিয়া হতে পারে। বিয়ার, ওয়াইন, এলকোহল যেকোনো রূপে সেবন করলে বেশি প্রস্রাব করতে হয়। এলকোহল মুখকে শুষ্ক করে এবং ডিহাইড্রেশন করে থাকে। এ অবস্থায় ব্যাকটেরিয়া মুখের দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে থাকে। 

অ্যালকোহল সেবনে বছরে ২.৮ মিলিয়ন মানুষ মারা যায়। গবেষকরা বলেন, অ্যালকোহল সেবনের কোনো নিরাপদ মাত্রা নেই। সামান্য অ্যালকোহল সেবনেও অনেক ক্ষতি হতে পারে। তাই এটি মনে করার কোনো কারণ নেই যে অল্প একটু খেলে কোনো সমস্যা হবে না। অ্যালকোহল সেবনকালে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করা ঠিক নয়। বিশেষ করে এনএসএআইডি গোত্রভুক্ত ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করলে মারাত্মক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হবে।


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

অনলাইন কেনা-কাটায় প্রতারণা, বাঁচবেন কীভাবে?

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮:০০ এএম, ২৩ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে নিত্য নতুন অনেক অনলাইন প্রতিষ্ঠানেরই জন্ম হয়েছে। এদের মধ্যে কোনটি ভুয়া বুঝবেন কীভাবে? অনলাইন কেনাকাটায় আবার একটু অসতর্ক হলেই প্রতারণার ভয়। তাই নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকুন, স্বাচ্ছন্দ্যে কেনাকাটা করুন। চলুন জেনে নিই, কী বলছেন অনলাইন মার্কেটিং এবং প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।

আসল ওয়েবসাইট চিনতে হবে

প্রতারক চক্র প্রযুক্তির জ্ঞান কাজে লাগিয়ে অনেক সময় প্রতিষ্ঠানের আসল ওয়েবসাইটের ডিজাইন হালকা পরিবর্তন করে ক্রেতাদের ধোকায় ফেলে দেয়। আবার অনেক সময় ওয়েবসাইটের নামের অক্ষর পরিবর্তন করা হয়, যা ক্রেতারা খেয়াল করেন না। এই বিষয়টি একটু খেয়াল রাখতে হবে। 

এ রকম প্রতারণা থেকে রক্ষা পেতে সত্যিকারের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেছেন কিনা সেটা বোঝার জন্য দুটো বিষয়ের উপর খেয়াল রাখতে হবে। এর মধ্যে আসল ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেসের শুরুতে অবশ্যই https থাকবে এবং ওয়েবসাইটটির একটি পূর্ণ ডোমেইন নেইম থাকবে, অর্থাৎ (WWW.) এর পরে কোন একটি নাম এবং শেষে ডটকম (.COM) থাকবে।

ঠিকানা ও রিভিউ

অনলাইন থেকে পণ্য কেনার সময় ওয়েসবসাইটির ঠিকানা কোথায় তা দেখে নিতে হবে এবং ফোন নাম্বার আছে কিনা তাও দেখতে হবে, প্রয়োজনে ফোন দিয়ে সত্যতা যাচাই করে নিতে হবে। এছাড়া দেখে নিতে হবে পণ্যটির সঠিক রিভিউ। অনেক সময় প্রতারক চক্র ভুয়া রিভিউ দিয়ে ক্রেতাদের প্রতারিত করে থাকে। রিভিউ’র পাশাপাশি দেখতে হবে ক্রেতাদের মন্তব্যগুলো।

শুধু বাংলাদেশ নয় বিশ্বব্যাপি প্রতারণার একটি বড় হাতিয়ার হলো চটকদার বিজ্ঞাপন ও অতিরিক্ত মূল্য ছাড়। এ দুটির ফলেই ক্রেতারা যাচাই-বাছাই না করে পণ্য কিনে প্রতারিত হয়ে থাকেন। আর এমন অফার খুবই সীমিত সময়ের মধ্যে দেওয়া হয়ে থাকে, যাতে ক্রেতারা প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়ে পড়েন। তাই এসব ক্ষেত্রে হুটহাট অর্ডার করার আগে অবশ্যই সতর্ক হওয়া উচিত।

পেইজের বয়স

অনলাইনে পণ্য কেনাকাটা করার ক্ষেত্রে ফেসবুক একটি জনপ্রিয় মাধ্যম। কিন্তু সচেতনতার অভাবে এই ফেসবুক থেকেই প্রতারণার ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটে থাকে। এ জন্য দেখতে হবে ফেসবুক পেইজটি কবে তৈরি করা হয়েছে। পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে এর আগে তারা কোনো লাইভ প্রোগ্রাম করেছে কিনা। ফেসবুক পেইজে ক্রেতাদের কমেন্টের রিপ্লাই দেওয়া হয়েছে কিনা। এছাড়া পেইজটিতে যে সব পোস্ট বুস্ট করা হয়েছে, সেগুলোর তুলনায় অন্য পোস্টগুলোতে যদি লাইক-কমেন্ট অস্বাভাবিক কম থাকে তাহলে সতর্ক হতে হবে। দেখতে হবে ঠিকানা এবং রিভিউ অপশন আছে কি-না।

পণ্য যাচাই-বাছাই

কোনা পণ্য অর্ডার করার আগে সেটির বিবরণ বিস্তারিত আছে কি-না সেটি দেখে নিতে হবে। এছাড়া পণ্যের মাপ, ওজন ইত্যাদির তথ্য জেনে নিতে হবে। প্রয়োজনে চ্যাটিংয়ে গিয়ে আরও প্রশ্ন করুন। সন্দেহ হলে বিজ্ঞাপনের ছবি ছাড়াও পণ্যটির আসল ছবি চাইতে পারেন। সবশেষে প্রতিষ্ঠানটির রিটার্ন এবং রিফান্ড পলিসি আছে কি-না, থাকলে সেটা কেমন এবং গ্রাহকবান্ধব কি-না, সেটাও যাচাই করুন।

অগ্রিম পেমেন্ট

অনলাইন কেনা-কাটায় প্রতারণার একটি বড় হাতিয়ার, গ্রাহকদের কাছ থেকে অগ্রিম অর্থ নেওয়া। কোনো প্রতিষ্ঠিত অনলাইন না হলে বা প্রতিষ্ঠানটির সম্পর্কে সঠিক তথ্য না পেলে অগ্রিম পেমেন্ট না করাই ভালো।

এছাড়া অনলাইনে বা ফেসবুকে লোভনীয় অফারের কোনো পপআপ, ইমেইলে পাওয়া কোনো ফিশিং লিংকে ক্লিক করা কিংবা পাবলিক ওয়াইফাই ব্যবহার করে অনলাইনে কেনাকাটা করা থেকে বিরত থাকাই ভালো।


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

স্যানিটাইজার সম্পর্কে প্রচলিত ভুল ধারণা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৮:৪২ এএম, ১৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

করোনার সময়ে স্যানিটাইজারের জনপ্রিয়তা বাড়তে শুরু করেছে। বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে প্রতিটি মাধ্যমে স্যানিটাইজারের আবেদন বাড়তে শুরু করেছে। কিন্তু স্যানিটাইজারই স্বাস্থ্য সচেতনতার একমাত্র মাধ্যম নয়। স্যানিটাইজার সম্পর্কে আমাদের কিছু ভুল ধারণা রয়ে গেছে। সেগুলো নিয়েই আজ আমাদের আলোচনা:

স্যানিটাইজার হাত পরিষ্কার করায় না

স্যানিটাইজার হয়তো ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলে কিন্তু হাত পরিষ্কার করেনা৷ তাই হাত ধুয়ে স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন। 

সাবানের চেয়ে ভালো স্যানিটাইজার নয়

স্যানিটাইজার কখনই সাবানের প্রতিপূরক না। বরং সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার পর হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হয়৷ হ্যান্ড স্যানিটাইজার কখনই আপনার হাত পরিষ্কার করবে না। ধুলো বালি, ময়লার থেকে নিস্তার আপনি কখনই পাবেন না সাবান বাদে অন্যকিছু ব্যবহার করলে। 

সব হ্যান্ড স্যানিটাইজারের মান এক নয়

সব হ্যান্ড স্যানিটাইজারেই যে একইরকম উপাদান ব্যবহৃত হবে তা কিন্তু না। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো জানায় হ্যান্ড স্যানিটাইজারে অন্তত ৬০ শতাংশ এলকোহল থাকা উচিত। কিন্তু এর মাত্রার হেরফের তো আছেই। তাই হ্যান্ড স্যানিটাইজারকে পুরোপুরি বিশ্বাস করার মতো যুক্তি তেমন নেই। 

হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিপদ ডেকে আনতে পারে

বাজারের ভালো ভালো হ্যান্ড স্যানিটাইজারগুলোতে এলকোহলের মাত্রা বেশি থাকে। অর্থাৎ এই পণ্যগুলো থেকে সহজেই আগুন লেগে যেতে পারে। তাই যথেষ্ট সাবধান থাকতে হবে ব্যবহারের সময়। 

বাজে রাসায়নিক উপাদান থাকতে পারে

আগেই বলা হয়েছে, হ্যান্ড স্যানিটাইজারে এলকোহলের মাত্রা সমান না। আবার হ্যান্ড স্যানিটাইজারে কিছু বাজে উপাদানও থাকতে পারে। এসকল বাজে উপাদান ত্বকের ক্ষতি করে৷ তাই কেনার আগে উপাদানগুলো দেখে নিশ্চিত হয়ে কিনুন। 

সর্দি কাশির জীবাণু মারতে পারেনা

কাশি কিংবা হাচি দেয়ার সময় হাতে হাচি বা কাশি পড়লে প্রচুর জীবাণু চলে আসে। তখন হ্যান্ড স্যানিটাইজার খুব কাজে আসার কথা না। সর্দি কিংবা ফ্লু এর ভাইরাস মিউকাসে আবৃত থাকে। তাই এলকোহল থাকলেও রক্ষা পায়। তাই চেষ্টা করবেন সাবান দিয়ে হাত ধোঁয়ার কাশি কিংবা হাঁচির পর। 

হয়তো ভুলভাবে ব্যবহার করছেন

হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারের আগে হাত ভালোমতো ধুয়ে নিতে হয়। হাতের বালি, ময়লা পরিষ্কার না করে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা বোকামো৷ 

ঘরেই বানানো যায়

করোনার সময়ে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সংকট এবং দামের উর্ধ্বগতি সত্যিই চিন্তার উদ্বেগ ঘটিয়েছিলো। পরিস্থিতি এখন একটু স্বাভাবিক৷ তবে হ্যান্ড স্যানিটাইজার যে ঘরেই বানানো যায় তা অনেকেই জানেন না। পদ্ধতিটাও খুব বেশি কঠিন না।


মন্তব্য করুন


লিভিং ইনসাইড

শুরু হচ্ছে শীত, সুস্থ থাকবেন যেভাবে

প্রকাশ: ১২:০০ এএম, ১৮ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

নভেম্বর শেষ হয়ে ডিসেম্বর মাস আসি আসি করছে। শীতের আমেজ বাতাসে। মৃদু উষ্ণ পানিতে স্নান, উষ্ণ কম্বল, কফির স্বাদের কারণে অনেকের পছন্দ শীতকাল। কিন্তু শীতকালে সাধারণ সর্দি-কাশি থেকে শুরু করে অন্যান্য স্বাস্থ্য-সমস্যার বিষয়টিও মাথায় রাখা দরকার। এ সময় জ্বর, অ্যাজমা, গা-ব্যথা, অসাড় ভাবসহ নানা ধরনের সংক্রমণ দেখা দেয়। এ ধরনের সমস্যায় চিকিৎসার নানা উপায় আছে। এগুলো যদি সহজে এড়িয়ে যাওয়া যায়, তবে কিসের অপেক্ষা?

কথায় আছে, চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম। শীতের এ মৌসুমে কিছু খাবার খেলে ও কিছু পরামর্শ মেনে চললে সহজেই রোগব্যাধি এড়াতে পারবেন।

ভিটামিনযুক্ত খাবার খান: যেসব খাবারে ভিটামিন সি ও জিংক বেশি আছে, তা এ সময় বেশি করে খান। লেবুজাতীয় ফল ও রসুন বেশি করে খান। এতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে এবং রোগের বিরুদ্ধে শরীরকে লড়াই করতে শক্তি জোগাবে।
 
কিছুটা ঘাম ঝরান: শীতের সময় বছরের অন্যান্য সময়ের তুলনায় মানুষের একটু বেশি খাওয়ার প্রবণতা দেখা যায়। এ সময় শরীরের ওজন ঠিক রাখা তাই বেশি দরকার। শরীর ফিট রাখলে রোগব্যাধি দূরে থাকবে। শরীরে বিপাকপ্রক্রিয়া উন্নত হবে এবং রক্তপ্রবাহ বাড়বে। শরীরকে উষ্ণ ও কর্মক্ষম রাখতে শীতের সময় নিয়মিত ব্যায়াম করে ঘাম ঝরানো উচিত।

ফল ও সবজি: শীতকালে প্রচুর সবজি বাজারে পাওয়া যায়। পুষ্টিকর খাবার সব সময়ই শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এ সময় তাই বেশি করে শাকসবজি খেতে হবে। এতে শরীর যথেষ্ট পুষ্টি পাবে এবং রোগব্যাধি কমবে।

হাত ধোয়ার অভ্যাস: ঘরে-বাইরে যেখানেই থাকুন না কেন, শীতের সময় নিয়মিত হাত ধুয়ে তারপর কিছু খাবেন। এ সময় বাতাসে নানা রকম রোগজীবাণু থাকতে পারে। গণটয়লেট ও সংক্রমণের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন। এ ছাড়া শীতের সময় বেশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার চেষ্টা করুন।
 
শরীরকে আর্দ্র রাখুন: শীতের সময় অনেকেই পানি খেতে চান না। কিন্তু এ সময় শরীর আর্দ্র রাখতে প্রচুর পানি পান করা উচিত। শীতের সময় শরীর শুষ্ক হয়ে যায়। এ কারণে শরীরে চুলকানি, খসখসে ত্বকের মতো সমস্যা হয়। শীতের এই শুষ্কতা দূর করতে শুধু বাইরে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলেই হবে না, ভেতর থেকে শরীরকে আর্দ্র করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। প্রচুর পানি পান করার পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার, প্রচুর ফল ও শাকসবজি খেলে শরীর আর্দ্র থাকে।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন