ইনসাইড সাইন্স

বাংলাদেশের যারা আছেন ফেসবুকের গোপন নিষিদ্ধ তালিকায়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১০:১৪ এএম, ১৪ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

মোট পাঁচটি শ্রেণিতে চার হাজারের বেশি ব্যক্তি, সংগঠন ও গোষ্ঠীকে ঘৃণা, সহিংসতা ও সন্ত্রাসবাদ ছড়ানোর অভিযোগের ভিত্তিতে নিষিদ্ধ করা সংগঠন ও ব্যক্তিদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক।  

ফেসবুকের প্রকাশ করা এই তালিকার নাম বিপজ্জনক ব্যক্তি ও সংগঠন (ডেঞ্জারাস ইন্ডিভিজ্যুয়াল অ্যান্ড অর্গানাইজেশন-ডিআইও)। আর এই তালিকাটি প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দি ইন্টারসেপ্ট। যেখানে ঠায় পেয়েছে বাংলাদেশ-সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সংগঠন ও একজন ব্যক্তির নাম।

ফেসবুকের তালিকার পাঁচটি শ্রেণি হচ্ছে ঘৃণা, সশস্ত্র সামাজিক আন্দোলন, সহিংস অরাষ্ট্রীয় সংগঠন, অপরাধ ও সন্ত্রাসবাদ। এ তালিকায় বিভিন্ন ধর্ম ও মতাদর্শের উগ্রপন্থী হিসেবে পরিচিত সংগঠনের পাশাপাশি রয়েছে রাজনীতিক, আন্দোলনকর্মী, লেখক, বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ও বিদ্বেষমূলক সংগীতদলের সদস্যসহ অনেক ব্যক্তি।

বিশ্বের সব প্রধান উগ্রপন্থী সংগঠনসহ বহুসংখ্যক সংগঠনের নাম রয়েছে তালিকায়। এর মধ্যে রয়েছে আল-কায়েদার সেন্ট্রাল কমান্ড এবং এর আঞ্চলিক শাখাগুলো, ইসলামিক স্টেট, আল শাবাব, বোকো হারাম, আল নুসরা ফ্রন্টসহ অনেক সংগঠন। লস্কর-ই-তৈয়বা, জইশ-ই-মুহাম্মদসহ ভারত ও পাকিস্তান তথা দক্ষিণ এশিয়া কেন্দ্রিক বিভিন্ন সংগঠনের নামও রয়েছে। আছে ভারত, শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমারের শিখ ও বৌদ্ধ ধর্মীয় উগ্রবাদী সংগঠনের নাম। পাশ্চাত্যের শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদী সংগঠনের মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কু ক্লাক্স ক্লান (কেকেকে) এবং যুক্তরাজ্যের ইংলিশ ডিফেন্স লীগ ছাড়াও ইউরোপ-আমেরিকার বহু সংগঠন ও বাহিনীর নাম।

তালিকার সন্ত্রাস শ্রেণিতে রয়েছে আল মুরসালাত মিডিয়া। বলা হয়েছে, এটি বাংলাদেশ ও ভারত অঞ্চলে সক্রিয় ইসলামিক স্টেটের (আইএস) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। আছে হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী বাংলাদেশ ও জামা’আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের নাম। বলা হয়েছে, প্রথম সংগঠনটি আল-কায়েদার কেন্দ্রীয় কমান্ডের সঙ্গে যুক্ত।

তালিকায় আরো রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানভিত্তিক জেমাহ ইসলামিয়া ও আল-কায়েদা কেন্দ্রীয় কমান্ডের সঙ্গে যুক্ত সাহাম আল হিন্দ মিডিয়ার নাম। এটি আল-কায়েদার মিডিয়া উইং বলে তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে। তালিকায় ব্যক্তি হিসেবে জামা’আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের জনৈক তরিকুল ইসলামেরও নাম রয়েছে। আছে আনসার আল ইসলামের সঙ্গে যুক্ত বলে কথিত আব্দুল রউফ আবু জাহিদ মোহাম্মদ হামজা এবং হরকাতুল মুজাহিদীনের ফজলুর রহমান খলিলের নাম।

দি ইন্টারসেপ্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তালিকার একটি বড় অংশ মার্কিন সরকারবিরোধী ডানপন্থী মিলিশিয়া, যাদের প্রায় সবাই শ্বেতাঙ্গ। প্রতিবেশী দেশ ভারত, মিয়ানমার ও শ্রীলঙ্কার কয়েকটি ধর্মীয় ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের নামও এ তালিকায় স্থান পেয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে ফেসবুকের এই তালিকা প্রকাশের জন্য দাবি জানিয়ে এলেও কম্পানিটি বলে আসছিল, এতে করে তাদের কর্মীরা ঝুঁকিতে পড়বেন। তবে কম্পানিটির নিজেদেরই ওভারসাইট বোর্ড জনস্বার্থে তালিকাটি প্রকাশের সুপারিশ করেছিল।

ব্রেনান সেন্টার ফর জাস্টিসের স্বাধীনতা ও জাতীয় নিরাপত্তা কর্মসূচির সহপরিচালক ফাইজা প্যাটেল বলেন, ফেসবুক ব্যবহারকারীদের কঠিন এক অবস্থায় ফেলেছে। তারা বলছে যে বিপজ্জনক সংগঠন ও ব্যক্তি সম্পর্কে পোস্ট করা যাবে না, কিন্তু কোন সংগঠন বা ব্যক্তিকে ফেসবুক বিপজ্জনক মনে করে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে না।

ফেসবুকের বিপজ্জনক ব্যক্তি ও সংগঠন নীতি অনুসারে মাধ্যমটির কোনো ব্যবহারকারী এসব ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর পক্ষে কিংবা সমর্থন অথবা প্রশংসা করে কিছু লিখতে পারবে না।

ফেসবুকের সন্ত্রাস দমন ও বিপজ্জনক সংগঠন বিষয়ক নীতিবিষয়ক পরিচালক ব্রায়ান ফিশম্যান টুইটে বলেন, ‘কম্পানি এই তালিকা গোপন রাখে, কারণ এটি একটি বৈরিতাপূর্ণ ক্ষেত্র। আমরা সন্ত্রাসী, বিদ্বেষী গোষ্ঠী ও অপরাধী সংগঠনকে এ প্ল্যাটফর্মে চাই না।’

প্রতিবেদনে বলা হয়, ফেসবুকের কালো তালিকার ৫৩.৭ শতাংশ নাম সন্ত্রাসবাদ, ২৩.৩ শতাংশ সশস্ত্র সামাজিক আন্দোলন, ১৭ শতাংশ বিদ্বেষমূলক বক্তব্য ছড়ানো, ৪.৯ শতাংশ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড এবং ১ শতাংশ সহিংসতার সঙ্গে যুক্ত।

 



মন্তব্য করুন


ইনসাইড সাইন্স

পৃথিবীর কাছেই মহাকাশে ঘুরছে ‘চাঁদের টুকরো’

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১০:৪৮ পিএম, ১২ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

মায়েরা তাঁদের সন্তানকে আদর করে `চাঁদের টুকরো` বলে থাকেন। এই ধারণাটার সঙ্গে একটা মোলায়েম স্নিগ্ধ ব্যাপার জড়িত। তবে এই মুহূর্তে মহাকাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে এক চাঁদেরই টুকরো, যা হয়তো আক্ষরিক অর্থে তত মোলায়েম নয়, তবে যার মধ্যে রোমাঞ্চের কোনও খামতি নেই। এটি রয়েছে পৃথিবীর বেশ কাছাকাছিই। 

রাতের আকাশের এই `চাঁদের টুকরো` নিয়ে এখন রীতিমতো চর্চা চলছে। চর্চা চলছে মহাকাশবিজ্ঞানীদের মধ্যে। চর্চা সাধারণ মানুষের মধ্যেও। এক জ্যোতির্বিজ্ঞানী বলেছেন, ছোট আকার-আকৃতির এই খণ্ডটি খুব সম্ভব চাঁদেরই টুকরো, তবে এর সম্বন্ধে খুব বেশি কথা জানা যায়নি।

‘নেচার কমিউনিকেশনস’ পত্রিকায় এই সংক্রান্ত একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছে। ‘ইউনিভার্সিটি অফ অ্যারিজোনা’র দ্বারা পরিচালিত এই সংক্রান্ত গবেষক দলটি এই মহাজাগতিক টুকরোটি নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছেন। দক্ষিণ অ্যারিজোনায় মাউন্ট গ্রাহামে একটি টেলিস্কোপ বসিয়ে নিরীক্ষণের কাজটি করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, এই মহাজাগতিক বস্তুটিকে ২০১৬ সালে প্রথম দেখা গিয়েছিল। 

 



মন্তব্য করুন


ইনসাইড সাইন্স

শতাব্দীর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ ১৯ নভেম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৩:০৭ পিএম, ০৮ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

শতাব্দীর দীর্ঘ আংশিক চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে আগামী ১৯ নভেম্বর। এই গ্রহণ স্থায়ী হবে ৩ ঘণ্টা ২৮ মিনিট ২৩ সেকেন্ড। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, ২০০১ থেকে ২১০০ সালের মধ্যে এটিই সবচেয়ে দীর্ঘ চন্দ্রগ্রহণ হতে পারে।

সংস্থাটি বলেছে, উত্তর আমেরিকাতে এটি সবচেয়ে ভালোভাবে দেখা যাবে। এ ছাড়া দক্ষিণ আমেরিকা, এশিয়ার পূর্বাঞ্চল, প্রশান্তীয় অঞ্চল ও অস্ট্রেলিয়া থেকেও দেখা যাবে।

এদিকে টাইম অ্যান্ড ডেট ডটকমের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রায় সব অঞ্চল থেকে ১৯ নভেম্বর পিনামব্রাল চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। গ্রহণের এ পর্যায়ে পৃথিবীর প্রচ্ছায়ায় না থেকেউপচ্ছায়ায় থাকে চাঁদ। আর মূল গ্রহণের মতো অতটা চমকপ্রদও নয়। তবু ১৯ নভেম্বর বিকাল ৫টা ১৩ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৩ মিনিট পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে দেখা যাওয়ার কথা।

নাসা জানায়, ১৯ নভেম্বর ভোরে চাঁদ, সূর্য আর পৃথিবী কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে একই সরলরেখায় এসে পড়বে। এতে নিজস্ব আলো না থাকা চাঁদ পৃথিবীর ছায়ায় ঢেকে যাবে। চন্দ্রগ্রহণটি ওইদিন ভোর ৪টায় (ইস্টার্ন স্ট্যান্ডার্ড টাইম) সর্বোচ্চ পরিণতি পাবে।

সংস্থাটি আরও জানায়, বিভিন্ন টাইম জোনের কারণে আংশিক চন্দ্রগ্রহণটি ১৮ ও ১৯ নভেম্বর বিভিন্ন স্থানে আংশিক দেখা যেতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলীয় এলাকার মানুষরা রাত ২টা থেকে ভোর ৪টা মধ্যে সবচেয়ে ভালোভাবে দেখতে পাবেন।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড সাইন্স

ফেসবুকের চেহারা শনাক্তকারী অ্যাপ বন্ধ হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৯:৩৪ এএম, ০৩ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

করপোরেট নাম পরিবর্তনের এক সপ্তাহের মধ্যে আবারো নতুন চমক নিয়ে এসেছে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক। মঙ্গলবার এক ঘোষণায় টেক জায়ান্টটি জানিয়েছে তারা এবার চেহারা শনাক্তকারী বা ফেসিয়াল রিকগনিশন অ্যাপ বন্ধ করতে যাচ্ছে। অ্যাপটির সাহায্যে  ছবি ও ভিডিওর মাধ্যমে ফেসবুক  স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবহারকারীকে শনাক্ত করা হতো। এই প্রযুক্তি নিয়ে চলমান উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠার মধ্যে এই ঘোষণা দিল ফেসবুক।

ফেসবুকের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেরোম পেসেন্টি একটি ব্লগ পোস্টে লিখেছেন, চেহারা শনাক্তকরণ প্রক্রিয়ার ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য একটি সুস্পষ্ট নীতিমালার প্রক্রিয়া চলমান। তিনি আরো বলেন, আমরা বিশ্বাস করি চলমান অনিশ্চয়তার মধ্যে চেহারা শনাক্তকরণের ব্যবহার সীমিত করার এখনই উপযুক্ত সময়।

বিশ্বের সর্ববৃহৎ সামাজিক যোগাযোগ প্ল্যাটফর্মের চেহারা শনাক্তকারী অ্যাপ এমন সময় আলোচনায় আসল, যখন প্রযুক্তি শিল্প গত কয়েক বছরে প্রযুক্তি ব্যবহারের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছে।

সমালোচকেরা বলছেন, চেহারা শনাক্তকরণের এই প্রযুক্তি বিভিন্ন খুচরা বিক্রেতা, হাসপাতাল এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে নিরাপত্তার স্বার্থে জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। তারা প্রান্তিক গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে এবং অনুপ্রবেশকারীর ওপর সহজেই নজরদারি করতে পারে।

ফেসবুক ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা ও ব্যাপক অপব্যবহারের বিষয় নিয়ে বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং আইন প্রণেতাদের কঠোর সমালোচনার মধ্যে এই ঘোষণা এল। আগামী মাসের মধ্যে সারা বিশ্বে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছেন ফেসবুকের একজন মুখপাত্র।



মন্তব্য করুন


ইনসাইড সাইন্স

ফেসবুকের নাম বদলে ভাগ্য বদল আরেক মেটা’র

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৯:৫২ পিএম, ৩১ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গ তার প্রতিষ্ঠানের নাম বদলের ঘোষণা দেন গত বৃহস্পতিবার। ফেসবুক ইনকরপোরেটেড থেকে বদলে করেন মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনকরপোরেটেড। তবে এই খবরে দাম বেড়েছে স্বল্প পরিচিত এক কানাডীয় প্রতিষ্ঠানের। সেটির নামের শুরুতেও আছে মেটা।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ফেসবুকের নাম পরিবর্তন করে মেটা রাখা হলে কানাডার নোভা স্কশিয়ার হ্যালিফ্যাক্সের মেটা ম্যাটেরিয়ালস ইনকরপোরেটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়ে যায়। গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের নাজদাক স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেন শুরুর পরপরই বাড়ে ৬ শতাংশ। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তা ২৬ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়। ফেসবুকের শেয়ারদরও শুক্রবার ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছিল।

বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মেটা ম্যাটেরিয়ালসের শেয়ার এমনিতেই বেশ জনপ্রিয়। সাম্প্রতিক মাসগুলোয় হু হু করেই বেড়েছে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর। সর্বোচ্চ বেড়ে গত জুনে ২২ ডলারে পৌঁছেছিল।

ইলেকট্রনিকস, অ্যারোস্পেসসহ বেশ কয়েক ধরনের উৎপাদননির্ভর শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান নকশায় বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান মেটা ম্যাটেরিয়ালস। সেটির বাজারদরও একদম কম নয়, ১৩০ কোটি ডলার।

নামের ভুলে শেয়ারদর বৃদ্ধির ঘটনা অবশ্য এটিই প্রথম নয়। করোনাকালে ভিডিও কনফারেন্স সেবা জুমের কদর বাড়লে ভুল করে দাম বাড়ে জুম টেকনোলজিস নামের ভিন্ন এক প্রতিষ্ঠানের।

অবশ্য শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধির এই ঘটনা কি ভুলে, নাকি ইচ্ছাকৃত, তা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না এখনই। তবে মজা করতে ছাড়েননি মেটা ম্যাটেরিয়ালসের সিইও জর্জ পালিকারাস। টুইটারে লেখেন, ‘মেটা ম্যাটেরিয়ালসের পক্ষ থেকে আমি ফেসবুককে আন্তরিকভাবে মেটাভার্সে স্বাগত জানাই।’



মন্তব্য করুন


ইনসাইড সাইন্স

ফেসবুকের ‘মেটা’ ইসরায়েলে গিয়ে হলো ‘মৃত’

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৪:২৭ পিএম, ৩০ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

ফেসবুকের প্রাতিষ্ঠানিক নাম বদলে করা হয়েছে ‘মেটা’। প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গের এ ঘোষণা বেশ সাড়া ফেলেছে। হাসিঠাট্টার জন্ম দিয়েছে ঠিকই, তবে যেহেতু মূল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নাম অটুট থাকছে, তাই অনেকে সে পরিবর্তন মেনেও নিয়েছেন। তবে মানতে পারছেন না ইসরায়েলের হিব্রু ভাষাভাষীরা।

বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মৃতের হিব্রু প্রতিশব্দের উচ্চারণ অনেকটা ‘মেটা’র মতো। সুনির্দিষ্ট করে বললে, হিব্রু ভাষায় মৃত শব্দটির স্ত্রী রূপের উচ্চারণ এমন। টুইটারে অনেকে এরই মধ্যে তা জানিয়েছেন। সঙ্গে জুড়ে দিয়েছেন ফেসবুক ডেড হ্যাশট্যাগ (#FacebookDead)।

অবশ্য ব্র্যান্ড নাম পরিবর্তনের পর কেবল ফেসবুককে নিয়েই ঠাট্টা হয়নি, এ তালিকায় রয়েছে আরও প্রতিষ্ঠানের নাম।

নিজের আঙুল খেয়ে ফেলুন’

আশির দশকে চীনে ব্যবসা শুরু করে ফাস্টফুড বিক্রেতা কেএফসি। তাদের স্লোগান ‘ফিঙ্গার লিকিন গুড’ স্থানীয় লোকজন ভালোভাবে তা নেননি। মান্দারিন ভাষায় সেটির অর্থ দাঁড়ায় ‘নিজের আঙুল খেয়ে ফেলুন। তাতে অবশ্য প্রতিষ্ঠানটির খুব বেশি ক্ষতি হয়নি। এখন দেশটির বড় ফাস্টফুড চেইনগুলোর একটি কেএফসি।

বিষ্ঠা’

ব্রিটিশ বিলাসবহুল গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রোলস রয়েস তাদের ‘সিলভার মিস্ট’ গাড়ির নাম পরিবর্তন করেছিল, কারণ, জার্মান ভাষায় ‘মিস্ট’ অর্থ বিষ্ঠা। পরে গাড়িটির নাম রাখা হয় ‘সিলভার শ্যাডো’।

‘পতিতা’
২০১১ সালে নকিয়া যখন ‘লুমিয়া’ ব্র্যান্ডের ফোন বাজারে নিয়ে এল সেটি আশানুরূপ সাড়া ফেলতে পারেনি। স্প্যানিশে পতিতার সমার্থক লুমিয়া।



মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন