ইনসাইড বাংলাদেশ

অপরাধী শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণে র‌্যাবের সক্ষমতা বাড়ল: র‌্যাব এডিজি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৩:১৫ পিএম, ১৯ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

এলিট ফোর্স র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (এডিজি) কর্নেল কে এম আজাদ বলেছেন, যে দেশ প্রযুক্তিতে যত উন্নত, অপরাধ দমনে সেই দেশ তত এগিয়েছে। র‌্যাব সদর দফতর ও ব্যাটেলিয়নে যুক্ত ‘অত্যাধুনিক প্রযুক্তি’র মাধ্যমে যেকোনো ধরনের গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি অতীতের চেয়ে আরও সক্ষমতার সঙ্গে অপরাধী শনাক্ত ও গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং যেকোনো বিষয়ে র‌্যাব অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে র‌্যাব সদর দফতরে র‌্যাবের প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন এবং আভিযানিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের বিভিন্ন প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্তিকরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সোনার বাংলা এ সুখী দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ করে এ ডিজিটাল সেক্টরে অভূতপূর্ব উন্নতি করেছেন এবং এ অগ্রগতি এগিয়ে চলছে। র‌্যাব বাংলাদেশ সরকারের একটি বিশেষ বাহিনী। সৃষ্টির শুরু থেকে র‌্যাব প্রযুক্তি ব্যবহার করে অপরাধ দমন, জঙ্গি, চরমপন্থিদের মূল উৎপাটন এবং দুর্নীতিবিরোধী বিভিন্ন কার্যক্রম সফলতার সঙ্গে পালন করছে।

কর্নেল আজাদ বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে র‌্যাব উদ্ভাবিত ‘জেল ডাটাবেজ’, ‘ক্রিমিনাল ডাটাবেজ’...  ইত্যাদি আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সফলভাবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ অপরাধ দমন করেছে এবং অপরাধীকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে প্রযুক্তির প্লাটফর্ম হচ্ছে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার বা এনটিএমসি। বিশ্বে যত ধরনের উন্নত প্রযুক্তি বা যন্ত্রপাতি আছে তার সবই এখানে আছে। এ এনটিএমসি থেকে বিভিন্ন আভিযানিক এবং অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখন অতীতের চেয়ে অনেক সহজে অপরাধ দমন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হচ্ছে।

র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক বলেন, র‌্যাব সদর দফতর এনটিএমসি থেকে ডাটা হাবসহ অনেক সহযোগিতা পাচ্ছে। এ সহযোগিতা শুধু সদর দফতর না, এখন থেকে র‌্যাবের ১৫টি ব্যাটেলিয়ন এ সুবিধা পাবে। এছাড়া দুর্গম এলাকায় থাকা ক্যাম্পগুলোও ব্যাটেলিয়ন থেকে সুবিধা পাবে। র‌্যাব অতীতের চেয়ে আরও ভালোভাবে সক্ষমতার সঙ্গে অপরাধী শনাক্ত ও গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং যেকোনো বিষয়ে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।

 


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

নামার সময় ছাত্রীকে ধাক্কা দেয়ায় ৫০ রাইদা বাস আটক

প্রকাশ: ০৮:১২ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

রাজধানীর রামপুরায় রাইদা পরিবহনের বাস থেকে ইম্পিরিয়াল কলেজের এক ছাত্রীকে ধাক্কা দিয়ে নামানোর অভিযোগে ৫০টি রাইদা বাস আটকে রাখে শিক্ষার্থীরা।

এ ঘটনায় সোমবার দুপুরে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদে প্রায় দেড় ঘণ্টার মতো রাস্তায় রাইদা পরিবহন বন্ধ ছিল।

এ বিষয়ে বিকেলে রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, দুপুরের দিকে ইম্পিরিয়াল কলেজের এক ছাত্রী মুগদা এলাকা থেকে করোনার টিকা নিয়ে রাইদা পরিবহনের একটি বাসে করে বাসায় ফিরছিলেন। এ সময় মেরুল বাড্ডা ইউলুপের কাছে তাকে রাইদা পরিবহন থেকে ধাক্কা দিয়ে নামিয়ে দেয় বাসের হেলপার। এমন অভিযোগ পেয়ে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা রামপুরা টিভি সেন্টার এলাকায় আনুমানিক রাইদা পরিবহনের ৫০টি বাস থামিয়ে চাবি নিয়ে নেয় এবং প্রতিবাদ করতে থাকে।

তিনি আরও জানান, কিছুদিন আগে একই প্রতিষ্ঠান ছাত্রদের আন্দোলনে তাদের দাবি অনুযায়ী রাইদা পরিবহন হাফ ভাড়া নিয়ে থাকে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে। তবে আজকের ঘটনায় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন দাবি জানায়। তাদের দাবি-বাস স্টাফদের যাত্রীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার পরিহার করতে হবে। এছাড়া বাসে নারী ও প্রতিবন্ধীদের ৯টি আসন খালি রাখতে হবে এবং নিরাপদ সড়ক আইন মেনে চলতে হবে।

কলেজ কর্তৃপক্ষ, পুলিশ ও রাইদা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দেড় ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর পুনরায় রাইদা পরিবহন চলাচল শুরু করে। 


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

সড়কে মানুষ হত্যার ‘বন্দোবস্ত’ দ্রুত বন্ধ করার দাবি রবের

প্রকাশ: ০৭:৩৯ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

অপেশাদার 'চালক' ও 'ফিটনেসবিহীন' গাড়ি  দিয়ে সড়কে মানুষ হত্যার 'বন্দোবস্ত' দ্রুত বন্ধের লক্ষ্যে ছয় দফা দাবি জানিয়েছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব। সোমবার (২৯ নভেম্বর) বিকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ছয় দফা দাবি জানান তিনি।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, 'শুধুমাত্র লাইসেন্সবিহীন 'অপেশাদার চালক' ও 'ফিটনেসবিহীন গাড়ির' কারণে বছরে কয়েক হাজার মানুষ মৃত্যুমুখে পতিত হয়। রাস্তায় লাইসেন্সবিহীন চালকের যান চলাচল নিষিদ্ধ করতে পারলে হাজার হাজার মানুষের জীবন সুরক্ষা পেত এবং অগণিত ছাত্র ও পবিারের স্বপ্ন নিমিষেই ধুলিস্যাৎ হতো না। অদক্ষ, অপেশাদার ও লাইসেন্সবিহীন চালকের হাত থেকে জীবন সুরক্ষা প্রশ্নে গত ৫০ বছরেও রাষ্ট্র দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি।

খোদ রাজধানীতে লাইসেন্সবিহীন চালক সেজে গাড়ি চালাচ্ছে নিরাপত্তা প্রহরী, সুইচ ম্যান, মশক কর্মী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ১৬৫টি গাড়ির বিপরীতে চালক আছে মাত্র ৬২ জন। এতে প্রমাণ হয় রাষ্ট্রই মানুষ হত্যার বন্দোবস্ত করে রেখেছে। আধুনিক বিশ্বে এরূপ ঘটনা বিরল। 

শুধুমাত্র সদিচ্ছা থাকলেই সরকার প্রযুক্তি, পুলিশ এবং প্রশাসনের সহায়তায় অতি সহজেই লাইসেন্সবিহীন 'চালক' ও 'ফিটনেসবিহীন' পরিবহন বন্ধ করতে পারে। একটি মাত্র দুর্ঘটনায় অনেক পরিবারেরই স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের কোন দুর্ঘটনা না ঘটে সরকারকে কাল বিলম্ব না করে এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে। 

এ লক্ষ্যে রবের ছয় দফা হচ্ছে-

(১) লাইসেন্সবিহীন চালকদের গাড়ি চালানো অবিলম্বে নিষিদ্ধ করতে হবে;
(২) ফিটনেসবিহীন গাড়ি রাস্তায় নামানো বন্ধ করতে নিয়মিত পুলিশ চেকিং এর ব্যবস্থা করতে হবে। 
(৩) প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশে যথেষ্ট সংখ্যক ড্রাইভারের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে হবে; 
(৪) রাস্তায় গাড়ি চালকদের মধ্যে অনিয়ন্ত্রিত প্রতিযোগিতা চিরতরে বন্ধ করতে হবে;
(৫) যথেষ্ট সংখ্যক ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ করে যত্রতত্র ক্রসিং বন্ধ করতে হবে এবং
(৬) নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থাপনায় সরকারকে উদাসীনতা, নির্বিকারিত্ব ও অমনোযোগিতা পরিহার করতে হবে।

দুর্ঘটনায় মানুষের মৃত্যুর উৎসমুখ বন্ধ না করে প্রশ্রয় দিলে রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয়তাই শেষ হয়ে যায়। সড়কে চরম নৈরাজ্য ও মানুষ হত্যা বন্ধে দ্রুত ৬ দফা বাস্তবায়নের দাবি জানান আ স ম রব।

মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

পীরগঞ্জে ভোট কেন্দ্রে সংঘর্ষ, নিহত ৩

প্রকাশ: ০৩:৪৭ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার খনগাঁও ইউনিয়নের ঘিডোব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট গণনার পর কারচুপির অভিযোগ ও ফলাফল নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে ৩ তিনজন নিহত ও ৫ জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

রোববার (২৮ নভেম্বর) রাত ১০টার দিকে পীরগঞ্জ উপজেলার ৩নং খনগাঁও ডিঘোট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঠাকুরগাঁও পুলিশ সুপার (এসপি) জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সদস্যরা কোনোভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছিলেন না। তাদের ওপর হামলা করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি গুলি ছুড়তে বাধ্য হয়েছে। এতে ঘটনাস্থলেই একজন নিহত হয়েছেন।

নিহতরা হলেন- ঘিডোবপুর গ্রামের সাহাবলি আহম্মেদ (৩৫), মোজাহারুল ইসলাম (৪০) ও অবিনাশ চন্দ্রের ছেলে আদিত্য (২০)। ঘটনাস্থলেই একজন ও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

আহতরা হলেন- উপজেলার ঘিডোর গ্রামের অবিলাশের ছেলে অমিত রায়, জহুরুলের ছেলে সবুজ আলী, তমিউদ্দীনের ছেলে সুজা আহম্মেদ, আব্দুল বাকির স্ত্রী রহিমা বেগম ও খনগাঁও গ্রামের তৈয়বুর রহমানের ছেলে রাব্বানী। তারা ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিংসাধীন আছেন। ২ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

হোটেল-রেস্তোরাগুলোতে আসতে পারে বিধিনিষেধ

প্রকাশ: ০২:৪৩ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

আবারো নতুন করে শঙ্কার মাঝে পড়তে পারে দেশের হোটেল-রেস্তোরাঁগুলো। করোনাভাইরাসের দক্ষিণ আফ্রিকান বিপদজনক ধরণ ‘ওমিক্রনের’ আক্রমণে নতুন করে বিধিনিষেধ আরোপের শঙ্কা দেখা দিয়েছে এ মাধ্যমে। যদিও এখনো লকডাউনে খাবার বিক্রির জন্য সরকারের পক্ষ থেকে কোন নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয় নি।     

রোববার (২৮ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলামের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সংক্রান্ত পদক্ষেপ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে।   

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকা ও অন্যান্য দেশে করোনাভাইরাসের দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট (ধরন) ‘ওমিক্রন’-এর সংক্রমণ দেখা দেওয়ায় অধিকতর সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সব দেশকে এ সম্পর্কে সতর্ক করেছে। 

নতুন এই ভ্যারিয়েন্ট প্রতিরোধে হোটেল-রেস্তোরাঁতে বসে খাওয়ার ব্যবস্থা ধারণক্ষমতার অর্ধেক বা তার কম করতে হবে। একইসঙ্গে জনসমাবেশ, পর্যটন স্থান, বিনোদন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার, সিনেমা হল, থিয়েটার হল ও সামাজিক অনুষ্ঠানে (বিয়ে, বৌভাত, জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি) ধারণক্ষমতার অর্ধেক বা তার কমসংখ্যক লোক অংশ নিতে পারবেন।

এছাড়াও সব ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয়সহ অন্যান্য জনসমাগমে নিরুৎসাহিত করার পদক্ষেপ বাস্তবায়নে কঠোর হতে বলেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

রেস্টুরেন্ট মালিক সমিতির তথ্য বলছে, ঢাকা মহানগরে প্রায় আট হাজার রেস্তোরাঁ রয়েছে। যাতে সব মিলিয়ে প্রায় আড়াই লাখ শ্রমিক কাজ করেন।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ফরিদপুরে ১৫ ইউপির ১৪টিতেই নৌকার ভরাডুবি

প্রকাশ: ১২:১৫ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

ফরিদপুরের ভাঙ্গা ও চরভদ্রাসন উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে নৌকা প্রার্থীদের। দুটি উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ১৪টিতেই জয়লাভ করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। বিপরীতে মাত্র ১টিতে বিজয়ী হয়েছে নৌকা।

নৌকা প্রতীকের একমাত্র বিজয়ী প্রার্থী হলেন ভাঙ্গা উপজেলার কাউলিবেড়া ইউনিয়নের মো. রেজাউল হাসনাত দুদু।

স্বতন্ত্র বিজয়ীরা হলেন, ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের শাজাহান হাওলাদার মিয়া, আলগী ইউনিয়নে ম. ম সিদ্দিক, কালামৃধা ইউনিয়নে রেজাউল মাতুব্বর, ঘারুয়া ইউপিতে মুনসুর মুনসি, চান্দ্রা ইউপিতে খালেক মোল্যা, চুমুরদিতে রফিকুল ইসলাম সোহাগ, তুজারপুরে ওলিউর রহমান, নাসিরাবাদে আলমগীর খান, নুরুল্যাগঞ্জে সৈয়দ শাহাবুর, মানিকদহে শহিদুল্লাহ বাচ্চু ও হামেরদিতে খোকন মোল্যা।

এছাড়া চরভদ্রাসন উপজেলার সদর ইউপিতে আজাদ খান (স্বতন্ত্র), চরহরিরামপুর ইউপিতে জাহাঙ্গীর কবির (বিএনপি স্বতন্ত্র), গাজিরটেক ইউপিতে মো. ইয়াকুব আলী (বিএনপি স্বতন্ত্র)।


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন