প্রেস ইনসাইড

বাংলাদেশে সংবাদপত্রগুলোর অর্জন অনেক বড়: সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০১:৪৫ পিএম, ৩০ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম বলেছেন, অর্জন বড় হয় যখন সীমাবদ্ধতা বেশি থাকে। সে বিচারে বাংলাদেশে সংবাদপত্রগুলোর অর্জন অনেক বড়। তারপরেও এ দেশের সংবাদপত্রগুলো সত্য প্রকাশে কতটা বস্তুনিষ্ঠ তা নিয়ে প্রশ্ন আছে।

আজ শনিবার (৩০ অক্টোবর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে `৫০ বছরের বাংলাদেশ: গণমাধ্যমের অর্জন ও আগামীর চ্যালেঞ্জ` শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশের মুদ্রিত সংবাদপত্রগুলোর সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদ এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই অধ্যাপকের ভাষ্য, কোনো ব্যক্তি কিংবা গোষ্ঠী স্বার্থ সংরক্ষণের দায়িত্ব সংবাদপত্রের নয়। মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি দেশের সংবাদপত্রগুলোকে জনস্বার্থ, ন্যায়বিচার, সুশিক্ষা, পরিবেশ, নারী সুরক্ষা ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার মতো বিষয়গুলোতে সচেতনতা তৈরির কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

এ ছাড়া সংবাদপত্রগুলোর মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাংবাদিকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রেস কাউন্সিলকে সক্রিয় করে তোলার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, দেশের স্বার্থে মত প্রকাশের জন্য একজন সাংবাদিককে আদালতে যেতে হবে, সেটা কখনও কাম্য নয়। এর সমাধান হতে পারে প্রেস কাউন্সিলকে সক্রিয় করা। এটা এমনভাবে তৈরি করতে হবে যাতে এর ওপর সবার আস্থা থাকে। যারা অন্য কিছুতে প্রভাবিত হবেন না।

সংবাদপত্র, অনলাইন সংবাদপত্র ও টেলিভিশনের তুলনামূলক অবস্থান নিয়ে অধ্যাপক মনজুরুল ইসলাম বলেন, সংবাদপত্র ও অনলাইনের মধ্যে বিরোধ থাকার কথা না। আমাদের দেশের সংবাদপত্রের সম্ভাবনা এখনও শেষ হয়ে যায়নি। সংবাদপত্র টেলিভিশনের সঙ্গেও টিকে থাকছে। তরুণদের ভেতর সংবাদপত্রকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উৎসাহ তৈরি হচ্ছে।

সাংবাদিকতায় দলীয় রাজনীতির প্রভাবের বিষয়ে মনজুরুল ইসলাম বলেন , সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্যের অভাব দেখতে পাচ্ছি। অনেকটা রাজনৈতিক দলের মতোই বিভাজন। যে কারণে দাবি আদায়সহ সাংবাদিকদের স্বার্থ রক্ষার বিষয়গুলো অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভব হচ্ছে না। অনেক পত্রিকা বিকল্প প্রতিনিধির ভূমিকা নিয়ে নিচ্ছে।

অধ্যাপক মনজুরুল ইসলামের কামনা করে বলেন, সাংবাদিকতা কখনো যেন হলুদ রঙ ধারণ না করে। বিদ্বেষ যেন প্রকাশিত না হয়।

সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের বক্তব্যের পর সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অনারারি অধ্যাপক সাখাওয়াত আলী খান বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে কোনো বিভাজন থাকা উচিত না। সাংবাদিকতা করতে এসে কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থ দেখা যাবে না।

অধ্যাপক সাখাওয়াত আরো বলেন, টিকে থাকারও একটা সংগ্রাম আছে। এটা একটা চ্যালেঞ্জ। সবাই মিলে সত্যিকারের গণতন্ত্র তৈরি করতে হবে। তাহলেই সংবাদপত্র টিকে থাকবে।

সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন ইংরেজি দৈনিক দ্য নিউ এজ এর সম্পাদক নুরুল কবীর, ভোরের কাগজ এর সম্পাদক শ্যামল দত্ত ও সমকালের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি। সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, ঢাকা ট্রিবিউনের সম্পাদক জাফর সোবহান, দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করছেন সম্পাদক পরিষদের সভাপতি ও দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম। সঞ্চালনা করছে সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ। সভার শুরুতে সম্পাদক পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি গোলাম সারওয়ারসহ প্রয়াত অন্য সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ১ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।



মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

চাটমোহর উপজেলা প্রেসক্লাবের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা

প্রকাশ: ০৫:২৯ পিএম, ০৩ জুন, ২০২৪


Thumbnail

পাবনার চাটমোহর প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন আগামী ২৯ জুন (শনিবার) অনুষ্ঠিত হবে। লক্ষ্যে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার (০২ জুন) বিকেলে প্রেসক্লাব চত্বরে এক অনুষ্ঠানে তফসিল ঘোষণা করেন চাটমোহর প্রেসক্লাব নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার এম জিন্নাহ।

সময় প্রেসক্লাব নির্বাচন কমিশনের সদস্য বিপ্লব আচার্য্য, জাহাঙ্গীর আলম মধু, জ্যৈষ্ঠ সাংবাদিক আব্দুল মান্নান পলাশ, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রকিবুর রহমান টুকুন, হেলালুর রহমান জুয়েল, সাবেক সহ-সভাপতি ইশারত আলীসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ জুন, খসড়া ভোটার তালিকা আপত্তি গ্রহণ নিরসন জুন, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ জুন, মনোনয়নপত্র উত্তোলন জমা জুন থেকে ১১ জুন, মনোনয়নপত্র বাছাই ১২ জুন, মনোনয়নপত্র আপত্তি নিরসন ১৪ জুন, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ১৯ জুন, চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ২১ জুন এবং নির্বাচন ২৯ জুন।

নির্বাচনে ৯টি পদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। পদগুলো হলো সভাপতি, সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সহ-সাধারণ সম্পাদক, অর্থ সম্পাদক, দপ্তর সম্পাদক, প্রচার সম্পাদক, সাহিত্য প্রকাশনা সম্পাদক এবং কার্যকরী সদস্য।

উল্লেখ্য, ১৯৯০ সালে চাটমোহর প্রেসক্লাবের যাত্রা শুরু হয়।


প্রেসক্লাব   নির্বাচন   তফসিল   কমিটি  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি ঘোষণা

প্রকাশ: ০৬:০৩ পিএম, ০২ জুন, ২০২৪


Thumbnail

গোপালগঞ্জ এর মুকসুদপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সাংবাদিক সংগঠন মুকসুদপুর প্রেস ক্লাবের ২০২৪-২০২৬ মেয়াদের নতুন কার্যকরি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

শনিবার (১ জুন) রাতে মুকসুদপুর প্রেসক্লাব ভবনে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে ক্লাবের উপস্থিত সদস্যদের কণ্ঠভোটে এই নতুন কমিটি গঠন করা হয়।কমিটিতে দৈনিক নবরাজ প্রতিনিধি হুজ্জাত হোসেন লিটুকে সভাপতি এবং মুকসুদপুর সংবাদ সম্পাদক হায়দার হোসেনকে সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। 

২১সদস্য বিশিষ্ট এই কার্যকরি কমিটিতে দৈনিক যায়যায়দিনের মোহাম্মদ ছিরু মিয়া, দৈনিক আমার সংবাদ এর সরদার মজিবুর রহমান সহ-সভাপতি এবং দৈনিক ভোরের কাগজ এর কাজী ওহিদুল ইসলাম এবং দৈনিক নবরাজ এর হাদীউজ্জামান হাদী এবং দৈনিক বাঙ্গালীর কণ্ঠ এর শরীফুল রোমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এছাড়া দৈনিক ঢাকা প্রতিদিন এর হাফিজুর রহমান লেবু সাংগঠনিক সম্পাদক, দৈনিক আমাদের সময় এর দেলোয়ার হোসেন দপ্তর সম্পাদক, দৈনিক ভোরের পাতা’র হুসাইন কবির প্রচার সম্পাদক, দৈনিক মাতৃভুমি’র লুৎফর রহমান মোল্যা অর্থ সম্পাদক, সিএনএন বাংলা টিভি’র  সামচুল আরেফিন মুক্তা তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক, মুকসুদপুর সংবাদের কামরুজ্জামান কামাল ক্রীড়া সম্পাদক, দৈনিক গণজাগরন রবিউল খন্দকার ধর্ম সম্পাদক নির্বাচিত হন।

এছাড়াও নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন সময় এর তৌহিদুল হক বকুল, বাংলার নয়ন এর মহিউদ্দীন আহম্মেদ মুক্ত, বঙ্গটিভি সাব্বির মিয়া, দৈনিক জনকণ্ঠ এর মেহের মামুন, দৈনিক কালেরকণ্ঠ এর পরেশ বিশ্বাস এবং মধুমতি কণ্ঠ এর আবুবক্কর মিয়া নির্বাচিত হয়েছেন।

এর আগে সন্ধ্যায় মুকসুদপুর প্রথম অধিবেশনে বার্ষিক সাধারণ সভায় মোহাম্মদ ছিরু মিয়ার সভাপতিত্বে ওই সভায় পুরোনো কমিটি বিলুপ্ত করে দেওয়া হয়।

২য় অধিবেশনে প্রবীণ সদস্য তৌহিদুল হক বকুলের সভাপতিত্বে উম্মুক্ত এবং প্রকাশ্য কণ্ঠভোটে আগামী ২ বছরের জন্য কার্যকরি কমিটি গঠন করা হয়।


প্রেসক্লাব   নতুন কমিটি  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

পাঁচশ কোটি এবং পাঁচ শর্তে প্রথম আলো বিক্রিতে রাজি মিডিয়া স্টার

প্রকাশ: ০২:০০ পিএম, ৩১ মে, ২০২৪


Thumbnail

প্রথম আলো বিক্রির প্রক্রিয়া মাঝখানে থেমে যাওয়ার পর আবার নতুন করে শুরু হয়েছে। বুধবার এবং বৃহস্পতিবার গুলশানের একটি বাসায় প্রথম আলো বিক্রির ব্যাপারে আলাদা আলাদা দুটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে বাংলা ইনসাইডারের কাছে নিশ্চিত তথ্য আছে। এই বৈঠকে মিডিয়া স্টারের সিংহ মালিকের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

গত বুধবারের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্কয়ার গ্রুপের ঊর্ধ্বতন কয়েকজন কর্মকর্তা এবং একজন পরিচালক। তারা প্রথম আলো বিক্রির প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করেন। একই ধরনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় একই বাড়িতে বৃহস্পতিবার। ওই বৈঠকে এস আলম গ্রুপের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা এবং একজন পরিচালক উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর একজন প্রভাবশালী উপদেষ্টার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন একজন ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। প্রথম আলোর মালিক প্রতিষ্ঠান মিডিয়া স্টারের পক্ষ থেকে তিন জন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন এবং এই বৈঠকগুলোতে মিডিয়া স্টারের সিংহভাগ মালিকানায় থাকা সিমিন রহমান টেলিফোনে কথা বলেন বলে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন: প্রথম আলো বিক্রি: দর কষাকষিতে চারটি শিল্প গ্রুপ

গত বুধবারের বৈঠকে স্কয়ার গ্রুপের কাছে প্রথম আলো বিক্রির আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পেশ করা হয়। এই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, প্রথম আলোর বর্তমান বাজার মূল্য পাঁচশ কোটি টাকার বেশি। তারা প্রথম আলোর ৭৩ শতাংশ শেয়ার বিক্রির জন্য পাঁচশ কোটি টাকা মূল্য নির্ধারণ করেছেন।

এ ছাড়াও যে প্রতিষ্ঠান বা যিনি প্রথম আলো কিনবেন তার জন্য পাঁচটি শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে-

প্রথমত, প্রথম আলোর মিডিয়া স্টারের সিংহভাগ শেয়ার যিনি কিনবেন তিনি প্রথম আলোর সম্পাদকীয় নীতি পরিবর্তন করবেন না বা করা যাবে না।

দ্বিতীয়ত, সম্পাদক বা অন্য কোন সংবাদকর্মীকে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অযৌক্তিক কারণে চাকরিচ্যুত করা যাবে না।

তৃতীয়ত, প্রথম আলো সামাজিক দায়বদ্ধ কর্মসূচি, যেমন- দুর্গতদের পাশে দাঁড়ানো, কম্বল বিতরণ- যে সমস্ত কার্যক্রমগুলো প্রথম আলো ট্রাস্ট এর মাধ্যমে সংঘটিত হচ্ছে সেগুলোকে অব্যাহত রাখতে হবে।

চতুর্থত, প্রথমা, বন্ধুসভা, কিশোর আলোর মত প্রথম আলোর অন্যান্য উদ্যোগগুলোকে বন্ধ করা যাবে না। সেগুলোকে অব্যাহত রাখতে হবে।

পঞ্চমত, সম্পাদক ও প্রকাশকের শেয়ার বিক্রি হবে না। প্রথম আলোতে সম্পাদক ও প্রকাশক মতিউর রহমানের একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ শেয়ার আছে। এছাড়া বাকি শেয়ারগুলো ট্রান্সকম গ্রুপের মালিকদের। লতিফুর রহমানের মৃত্যুর পর মিডিয়া স্টারে সিমিন রহমান ছাড়াও তার মা শাহনাজ রহমান  এবং বোন শাযরেহ হকের শেয়ার রয়েছে।

আরও পড়ুন: ট্রান্সকমের বিরোধ: বিক্রি হচ্ছে প্রথম আলো?

এই শেয়ারগুলোর মধ্যে সিমিন রহমান, তার ছোট বোন শাযরেহ হক এবং মা শাহনাজ রহমানের শেয়ারগুলো বিক্রি হবে বলে জানা গেছে এবং সেই বিক্রি প্রক্রিয়ার মধ্যে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের সাথে প্রাথমিক আলাপ-আলোচনা হয়েছিল। প্রথমে প্রথম আলো কেনার জন্য ৭ থেকে ১০টি প্রতিষ্ঠান আগ্রহী হলেও এখন দুটি প্রতিষ্ঠানের সাথে চূড়ান্ত আলাপ-আলোচনা চলছে।

উল্লেখ্য যে, লতিফুর রহমানের মৃত্যুর পর ট্রান্সকম গ্রুপের মালিকানা নিয়ে বিরোধ আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। ট্রান্সকমের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা জামিনে রয়েছেন। গত পরশুদিন তাদের রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছিল।কিন্তু আদালত রিমান্ডের আবেদন নামঞ্জুর করেছেন। আর এই পারিবারিক বিরোধের কারণেই প্রথম আলো বিক্রি হবে বলে একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে যে, স্কয়ার এবং এস আলম গ্রুপ- দুইজনকেই প্রথম আলোর শর্তগুলো দেওয়া হয়েছে। এখন তারা নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করে এ নিয়ে আবারও বৈঠক করবে বলে জানা গেছে।


প্রথম আলো   এস আলম গ্রুপ   স্কয়ার গ্রুপ  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

প্রতিদিনের বাংলাদেশে বেনজীর আহমেদের সংবাদ 'ব্ল্যাকআউট'

প্রকাশ: ০৯:০৭ পিএম, ২৯ মে, ২০২৪


Thumbnail

গত এক সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশের সংবাদপত্র গুলোতে সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদের দুর্নীতির বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সংবাদ প্রকাশিত হলেও একটি সংবাদপত্র বিষয়টি নিয়ে মৌনব্রত অবলম্বন করছে। সেই সংবাদপত্রটির নাম হল ‘দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ।’ 

এই সংবাদপত্রটি গত ২৩ মে থেকে আজ ২৯ মে পর্যন্ত বেনজীর আহমেদের ঘটনা নিয়ে একটি সংবাদও প্রকাশ করেনি। বেনজীর আহমেদ সম্পর্কিত সমস্ত সংবাদ পত্রিতাটিতে ব্ল্যাকআউট করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৩ মে বেনজীরের সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দেওয়া হলে পরের দিন ২৪ মে দেশের প্রথম সারির পত্রিকা প্রথম আলো, কালবেলা, বাংলাদেশ প্রতিদিন সহ সব পত্রিকাই ‘সাবেক আইজিপি বেনজীরের সম্পদ জব্দের আদেশ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করলেও প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকায় বেনজীরের কোন সংবাদ পাওয়া যায়নি।

প্রতিদিনের বাংলাদেশ এর গত শুক্রবার (২৪ মে) থেকে আজ বুধবার (২৯ মে) পর্যন্ত প্রতিটি সংস্করণ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২৪ মে পত্রিকার প্রধান শিরোনাম করেছিল ‘সন্দেহে এক সাবেক এমপি’। যেখানে প্রথম আলো ‘বেনজীরের সম্পদ জব্দ করার আদেশ’ শিরোনামে প্রধান সংবাদ প্রকাশ করেছিল। অন্যান্য সংবাদপত্র গুলোও বেনজীরের সম্পদ জব্দের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

এরপর গতকাল মঙ্গলবার (২৮ মে) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে বেনজীরকে তলব করে চিঠি দিলে আজকেও দেশের সকল সংবাদপত্র বিভিন্ন শিরোনামে বেনজীরকে দুদকের তলব- এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করলেও প্রতিদিনের বাংলাদেশ এই বিষয়টি নিয়ে কোন সংবাদই প্রকাশ করেনি। এভাবে গত শুক্রবার (২৪ মে) থেকে শুরু করে আজ বুধবার (২৯ মে) পর্যন্ত সংবাদপত্রটির প্রতিটি সংস্করণ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এ সময় সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদের দুর্নীতি নিয়ে কোন সংবাদই পত্রিকাটি প্রকাশ করেনি।

আজ বুধবার (২৯ মে) পত্রিকাটি প্রধান শিরোনাম করেছে ‘প্রকট হচ্ছে ক্ষতের গভীরতা’। গতাকল মঙ্গলবার (২৮ মে) প্রধান শিরোনাম করেছিল ‘বিধ্বস্ত উপকূলে মানুষের হাহাকার; এর আগের দিন রোববার (২৬ মে) ‘অহেতুক ব্যয়বহুল প্রকল্প আর নয়’। এভাবে পত্রিকাটির প্রতিটি সংস্করণ ধরে ধরে খোঁজ করে দেখা গেছে যে, প্রধান শিরোনাম তো দূরের কথা, কোন পৃষ্টাতেও বেনজীর আহমেদের কোন সংবাদই পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য যে, রংধনু গ্রুপ ‘দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ’ পত্রিকার কর্ণধার। এর সম্পাদক হলেন মুস্তাফিজ শফি এবং প্রকাশক হলেন কাউসার আহমেদ অপু। 

প্রতিদিনের বাংলাদেশ   বেনজীর আহমেদ  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

বাংলাদেশ ব্যাংককে কঠোর হুঁশিয়ারি সাংবাদিকদের

প্রকাশ: ০৭:০৮ পিএম, ১৫ মে, ২০২৪


Thumbnail

বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশে আরোপিত কড়াকড়ি প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে সম্পাদক ও সাংবাদিক নেতারা। তা না হলে আগামীতে বড় ধরনের আন্দোলনের হুমকি দেন সাংবাদিক নেতারা।

বুধবার (১৫ মে) রাজধানীর পুরানা পল্টন অর্থনৈতিক সাংবাদিকদের সংগঠন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ)  সাংবা‌দিক নেতারা এসব কথা বলেন। 

‘সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকারে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিষেধাজ্ঞা আরোপ বিষয়ে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দকে অবহিতকরণ’ বিষয়ক এক সভার আয়োজন করা হয়। ইআরএফ সভাপতি রেফায়েত উল্লাহ মীরধার সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সম্পাদক আবুল কাশেম। ইআরএফ সভাপতি ব‌লেন, গত দেড় মা‌সের বে‌শি সময় ধ‌রে বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশাধিকারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হ‌য়ে‌ছে। ইতোম‌ধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স‌ঙ্গে একাধিকবার যোগা‌যোগ করা হ‌য়ে‌ছে। কিন্তু কো‌নো সুরাহা হয়‌নি। এমন প‌রি‌স্থি‌তি‌তে তথ্য সংগ্রহে বাধা ও অবাধ প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা তু‌লে নি‌তে কী কর‌তে পা‌রি এ বিষয় পরামর্শ ও মতামত নি‌তে এ আয়োজন করা হ‌য়ে‌ছে। রাজ‌নৈ‌তিক মতাদ‌র্শের ঊর্ধ্বে থে‌কে সাংবা‌দিক‌দের স্বার্থে সবাইকে পরামর্শ দেওয়ার আহ্বান জানান ইআরএফ সভাপতি।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন- জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, ইআরএফের প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়ক ও ইং‌রে‌জি দৈ‌নিক দ্য ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ, ইআরএফের সা‌বেক সভাপ‌তি ম‌নোয়ার হো‌সেন, বেসরকারি বার্তা সংস্থা ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশের (ইউএনবি) উপদেষ্টা সম্পাদক ফরিদ হোসেন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন- ডিইউজের (একাংশ) সভা‌প‌তি সো‌হেল হায়দায় চৌধুরী, সাজ্জাদ আলম খান তপু, ডিইউজের অপর অংশের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি সৈয়দ শুকুর আলী শুভ, সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন ম‌হি, ইআরএফের সি‌নিয়র সদস্য সো‌হেল মঞ্জুর, ইআরএফের সা‌বেক সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান, এস এম রাশিদুল ইসলাম প্রমুখ।

বাংলাদেশ ব্যাংক   সাংবাদিক  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন