কোর্ট ইনসাইড

জামিন পেলেন হেলেনা জাহাঙ্গীর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০১:১১ পিএম, ২৪ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail

রাজধানী ঢাকার গুলশান থানার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী হেলেনা জাহাঙ্গীরকে জামিন দিয়েছেন ঢাকার সিএমএম আদালত। আজ বুধবার (২৪ নভেম্বর) এ জামিন আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ জামিন আদেশের ফলে তার মুক্তিতে এখন আর বাধা নেই। 

বিস্তারিত আসছে...



মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে দুই শিক্ষার্থীর লিভ টু আপিল

প্রকাশ: ০২:৪১ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেছেন দুই শিক্ষার্থী। আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) এই লিভ টু আপিল করা হয়।

আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক দুপুরে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘লিভ টু আপিল দায়ের করা হয়েছে। এতে হাইকোর্টের রায় বাতিল বা সংশোধন চাওয়া হয়েছে। শুনানির বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ শনিবার জানানো হবে।

আন্দোলনের মুখে ২০১৮ সালের কোটাপদ্ধতি বাতিল করে পরিপত্র জারি করে সরকার। সরকারের এই কোটা বাতিলের পরিপত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০২১ সালে রিট করেন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান অহিদুল ইসলামসহ সাতজন। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০২১ সালের ডিসেম্বর রুল দেন হাইকোর্ট। চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত জুন রুল অ্যাবসলিউট (যথাযথ) ঘোষণা করে রায় দেন হাইকোর্ট।

পরে হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন চেম্বার আদালত হয়ে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির জন্য ওঠে জুলাই। রিট আবেদনকারীপক্ষ সময় চেয়ে আরজি জানালে সেদিন আপিল বিভাগ শুনানি পিছিয়ে দেন।

পাশাপাশি রাষ্ট্রপক্ষকে নিয়মিত লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করতে বলা হয়। অবস্থায় কোটা পুনর্বহালসংক্রান্ত হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে গত জুলাই আবেদন করেন দুই শিক্ষার্থী।

দুই শিক্ষার্থী রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন শুনানির জন্য ১০ জুলাই আপিল বিভাগে ওঠে। শুনানি শেষে সরকারি চাকরিতে নিয়োগে কোটার বিষয়ে পক্ষগুলোকে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে আদেশ দেন আপিল বিভাগ। কিছু পর্যবেক্ষণ, নির্দেশনাসহ আদেশ দেয়া হয়। এই স্থিতাবস্থা চার সপ্তাহের জন্য উল্লেখ করে আপিল বিভাগ আগামী আগস্ট পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন।


হাইকোর্ট   রায়   বিরুদ্ধে   দুই   শিক্ষার্থী   লিভ   টু   আপিল  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শ্রাবণসহ সাতজন রিমান্ডে

প্রকাশ: ০৬:৪২ পিএম, ১৭ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে লাঠিসোঁটা ও বিস্ফোরকদ্রব্য উদ্ধারের ঘটনায় করা মামলায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণসহ বিএনপির সাত নেতাকর্মীর দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার (১৭ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. শান্ত ইসলাম মল্লিক শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী আব্দুস সালাম হিমেল এ তথ্য জানিয়েছেন।

রিমান্ডে যাওয়া অন্য আসামিরা হলেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নজরুল ইসলাম (৪৭), তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন (৩০), বিএনপি কর্মী শাহাদাত হোসেন (৩২), মো. টেনু (৩৮), মনির হোসেন (২৫) ও বরকত হাওলাদার (৩৭)।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে এই সাতজনকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। সেখান থেকে ককটেল, অস্ত্র, পেট্রোল লাঠিসোঁটা উদ্ধার করা হয়।

কোটা আন্দোলন ঘিরে সহিংসতায় রাজধানীসহ বিভিন্নস্থানে ছয়জন নিহত হওয়ার রাতেই বিএনপি কার্যালয়ের অভিযান চালানো হয়।

সেখান থেকে ১০০ ককটেল, ৫০০ লাঠি, ৭টি দেশি-বিদেশি অস্ত্র ও চার বোতল পেট্রোল উদ্ধার করেছে ডিবি পুলিশ। এসময় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শ্রাবণসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।



ছাত্রদল   কোটা আন্দোলন   বিএনপি   কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

রাজাকার ছাড়া ৭১ সালের সব নাগরিককে মুক্তিযোদ্ধা ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে রিট

প্রকাশ: ০৬:৪১ পিএম, ১৬ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

১৯৭১ সালে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ চলার সময় পাকিস্তানের পক্ষে সহায়তাকারী রাজাকার বাহিনী ব্যতীত বাংলাদেশের সব নাগরিককে মুক্তিযোদ্ধা ঘোষণা করে নতুনভাবে সবার নামসহ মুক্তিযোদ্ধা তালিকা প্রস্তুত করার নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ এ রিট দায়ের করেন।

মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করে এ রিট দায়ের করেন। রিটে বলা হয়, বর্তমানের মুক্তিযোদ্ধা তালিকা বাতিল করে ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের সকল নাগরিকদের মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে ঘোষণা করে নতুনভাবে সকলের নামসহ মুক্তিযোদ্ধা তালিকা করার নির্দেশনা দেওয়া হোক।

রিটকারী আইনজীবী বলেন, সংবিধানে বলা হয়েছে, 'আমাদের রাষ্ট্রের অন্যতম মূল লক্ষ্য হইবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এমন এক শোষণমুক্ত সমাজতান্ত্রিক সমাজের প্রতিষ্ঠা, যেখানে সকল নাগরিকের জন্য আইনের শাসন, মৌলিক মানবাধিকার এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা ও সুবিচার নিশ্চিত হইবে; আমরা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করিতেছি যে, আমরা যাহাতে স্বাধীন সত্তায় সমৃদ্ধি লাভ করিতে পারি এবং মানবজাতির প্রগতিশীল আশা-আকাঙ্ক্ষার সহিত সঙ্গতি রক্ষা করিতে আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে পূর্ণ ভূমিকা পালন করিতে পারি, সেজন্য বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তিস্বরূপ এই সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুণ্ন রাখা এবং ইহার রক্ষণ, সমর্থন ও নিরাপত্তাবিধান আমাদের পবিত্র কর্তব্য।’

এখানে ‘আমরা’ শব্দটি চার বার ব্যবহার করা হয়েছে। সুতরাং তখনকার সকল জনগণই মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন মর্মে ঘোষণা আবশ্যক এবং নির্দেশনা প্রয়োজন।


রিট   হাইকোর্ট   সুপ্রীম কোর্ট  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফি নির্ধারণে নীতিমালা করতে রিট

প্রকাশ: ০১:২৯ পিএম, ১৬ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাসিক টিউশন ফি নির্ধারণে নীতিমালার বিষয়য়ে রিট দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (১৫ জুলাই) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. মো. ইউনূস আলী আকন্দ। রিটে শিক্ষা সচিব, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।

এর আগে, গত ৮ জুলাই এ বিষয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। এ বিষয়ে কোনো সাড়া না পেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়, কোনো রকমের যৌক্তিক কারণ ছাড়াই বেসরকারি ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে শিক্ষা সেমিস্টার শুরু হওয়ার আগেই প্রতি সেমিস্টারের টিউশন ফি প্রায় লাখ টাকা নেওয়া হয়। এক্ষেত্রে কোনো শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফি জমা না দিতে পারলে তার ওপর প্রতিদিন ১০০ টাকা হিসাবে জরিমানা আরোপ করা হয়। এমনকি এ বিষয়টি কম্পিউটারে লিপিবদ্ধ করে রাখা হয়। বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ৫০ বা ১০০ শিক্ষার্থী ভর্তিতে প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে আট হাজার বা ১০ হাজার টাকা টিউশন ফি নেওয়ার জন্য সরকার ধার্য করে দেয়। কিন্তু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সরকার এ ধরনের কোনো ফি নির্ধারণ করে দেয়নি। এদিকে সরকার সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য টিউশন ফি নির্ধারণ করে দিয়েছে। কিন্তু অগ্রিম জরিমানা নেওয়ার কোনো নীতিমালা বা আইন নেই। এমনকি জরিমানা আদায়ের বিষয়টি  বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন এবং বিধিমালায়ও যেমন নেই ঠিক অনুরূপ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের আইনেও নেই।

নোটিশে আরও বলা হয়, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। এভাবে প্রতি সেমিস্টারে কোটি কোটি টাকা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করে, সংবিধানের প্রস্তাবনা এবং ৮ ও ১৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শিক্ষা খরচ ফ্রি, কিন্তু এখন সংবিধান লঙ্ঘন করে অযৌক্তিকভাবে ওইভাবে ফি আদায় হচ্ছে। এ বিষয়ে সরকারও নিষ্ক্রিয়।

এতে নোটিশ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের জরিমানার টাকা প্রত্যাহার করা এবং জরিমানা নেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে টিউশন ফি কমিয়ে আনার জন্য অনুরোধ করা হয়। এ বিষয়ে সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাসিক টিউশন ফি নির্ধারণ করার নীতিমালা করে দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ করা হয়। এর ব্যর্থতায় সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।


বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়   ফি   নীতিমালা   রিট  


মন্তব্য করুন


কোর্ট ইনসাইড

কোটা নিয়ে হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

প্রকাশ: ০৫:৪৩ পিএম, ১৪ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাসহ কোটা পদ্ধতি বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট।

রোববার (১৪ জুলাই) বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ ২৭ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেন।

রায়ে বলা হয়েছে, ২০১২ সালে করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের দেওয়া রায় ও আদেশ, ২০১৩ সালের লিভ টু আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের তা বহাল ও সংশোধিত আদেশ এবং ২০১১ সালের ১৬ জানুয়ারির অফিস আদেশের (মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও নাতি-নাতনির কোটা) আলোকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান/নাতি-নাতনিদের জন্য কোটা পুনর্বহাল করতে সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হলো। একইসঙ্গে জেলা, নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, উপজাতি-ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জন্য কোটাসহ, যদি অন্যান্য থাকে, কোটা বজায় রাখতে নির্দেশ দেওয়া হলো। এ বিষয়ে যত দ্রুত সম্ভব, আদেশ পাওয়ার তিন মাসের মধ্যে পরিপত্র জারি করতে নির্দেশ দেওয়া হলো।

রায়ে হাইকোর্ট বলেছেন, প্রয়োজনে উল্লিখিত শ্রেণির ক্ষেত্রে কোটা পরিবর্তন ও হার কমানো বা বাড়ানোর বিষয়ে এ রায় বিবাদীদের জন্য কোনো বাধা তৈরি করবে না। যেকোনো পাবলিক পরীক্ষায় কোটা পূরণ না হলে সাধারণ মেধাতালিকা থেকে শূন্য পদ পূরণ করায় সরকারের স্বাধীনতা রয়েছে।

রায় প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মো. সাইফুজ্জামান বলেন, বুধবার (১০ জুলাই) আপিল বিভাগ কোটার বিষয়ে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে আদেশ দিয়েছেন। আগামী ৭ আগস্ট শুনানির দিন রেখেছেন আপিল বিভাগ। ফলে আপাতত হাইকোর্টের রায় কার্যকর হবে না।

গত ৫ জুন সরকারি চাকরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির মুক্তিযোদ্ধা কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। এরপর ৯ জুন হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। ওইদিন এ আবেদন শুনানির জন্য আপিল বিভাগে পাঠিয়ে দেন চেম্বার আদালত।

সেদিন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেছিলেন, কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায় বহাল থাকবে নাকি বাতিল হবে- এ বিষয়ে আপিল বিভাগই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। 

২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সরকারি চাকরিতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে সরাসরি নিয়োগে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি তুলে দিয়ে পরিপত্র জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এর মধ্যে বুধবার (১০ জুলাই) প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পদ্ধতি বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের এ রায়ের ওপর চার সপ্তাহের স্থিতাবস্থা জারি করেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে এসময়ের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষ ও শিক্ষার্থীদের হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করতে বলেছেন আদালত। এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য ৭ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়েছে। 

এ আদেশের ফলে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে ২০১৮ সালে সরকারের জারি করা পরিপত্র বহাল থাকছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

সরকারি চাকরি   মুক্তিযোদ্ধা কোটা   হাইকোর্ট  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন