ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

সারা বিশ্বে নতুন করে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে 'ওমিক্রন'

প্রকাশ: ১২:০৬ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail ওমিক্রন: যেসব দেশ সতর্ক অবস্থানে

সম্প্রতি শনাক্ত হওয়া করোনাভাইরাসের নতুন ধরন 'ওমিক্রন' নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ইতিমধ্যে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। এছাড়া ভ্রমণে কড়াকড়িও আরোপ করেছে কিছু দেশ। এখন পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকা, যুক্তরাজ্য, বসতোয়ানা, ইসরায়েল ও হংকংয়ে করোনার নতুন ধরনটি শনাক্ত হয়েছে। বেলজিয়ামেও একজনের শরীরে 'ওমিক্রন'-এর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি দেশের ওপর ফ্লাইট চলাচলে জরুরিভিত্তিতে নিষেধাজ্ঞা এনেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো। একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও যুক্তরাজ্যও। এদিকে, যেসব দেশ তাড়াহুড়া করে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, তাদের বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

ইউরোপিয়ান কমিশন প্রধান আরসালা ফর ডার লেয়েন বলেছেন, দ্রুততার সঙ্গে এবং একত্রিতভাবে পুরো ইউরোপের সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি। ইউরোপিয়ান কমিশনের মুখপাত্র এরিক মেমার জানিয়েছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান জরুরি এক বৈঠক শেষে নিষেধাজ্ঞা জারির সিদ্ধান্তে পৌঁছান। বেলজিয়ামে করোনার নতুন ধরনে আক্রান্ত এক রোগী শনাক্ত হওয়ার প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেন তারা।

 

জাপানের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শনিবার থেকে আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চল থেকে জাপানে আসা অধিকাংশ দেশের নাগরিকদের ১০ দিন কোয়ারেন্টিন করতে হবে এবং এই সময়ের মধ্যে তাদের মোট ৪ বার করোনা পরীক্ষা করাতে হবে। এ ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকা, বতসোয়ানা ও হংকং থেকে আসা ভ্রমণকারীদের আরো কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা করবে ভারত, এমন খবর প্রকাশ করেছে দেশটির স্থানীয় গণমাধ্যম। এর পাশাপাশি ইরানও দক্ষিণ আফ্রিকা অঞ্চলের ছয়টি দেশ থেকে আসা ভ্রমণকারীদের তাদের দেশে প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবর অনুযায়ী, ওই অঞ্চল থেকে আসা ইরানি নাগরিকরা দুইবার পরীক্ষার পর নেগেটিভ ফল আসলে দেশে প্রবেশ করতে পারবে।

এদিকে আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি দেশের ওপর ফ্লাইট চলাচলে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ কিছু দেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টিকে অন্যায় হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাস্থ্যমন্ত্রী জো ফাহলা। তিনি বলেন, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞাসহ নানা ধরনের কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে কিছু দেশ যেমন প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিত বিধির সম্পূর্ণ বিপরীত।

সম্প্রতি এক গবেষণা শেষে করোনাভাইরাসে নতুন এই ধরন শনাক্ত করার কথা জানান দক্ষিণ আফ্রিকার বিজ্ঞানীরা। তারা বলছেন, ভাইরাসের নতুন ধরনটির বিস্তৃতি ঘটলে দেশটিতে করোনার চতুর্থ ঢেউ দেখা দিতে পারে। তাদের আশঙ্কা, খুব দ্রুত ধরনটি বিশ্বজুড়েও ছড়িয়ে পড়তে পারে। করোনাভাইরাসের নতুন এই ধরনকে উদ্বেগজনক হিসেবে আখ্যায়িত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থাটি বলছে, ওমিক্রনকে এখন পর্যন্ত পাওয়া করোনার ভয়াবহ ধরনগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে ধরা হচ্ছে।



মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রায় ৬ কোটি টাকা অর্থ পাচারে ৫ বাংলাদেশি অভিযুক্ত

প্রকাশ: ১১:৪০ এএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

দক্ষিণ আফ্রিকায় অর্থ পাচারে ৫ বাংলাদেশির নাম উঠে এসেছে। তাদের সবাইকে একসাথে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দেশটির আদালত। শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) সানডে ওয়াল্ডের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুই বাংলাদেশি নাগরিককে জালিয়াতির মামলায় আদালতে হাজির করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ১১ মিলিয়ন র‌্যান্ড বা প্রায় ৬ কোটি টাকা জালিয়াতির অভিযোগ করা হয়েছে। আদালতে হাজির করার পর আদালত তাদের ২০ হাজার র‌্যান্ডর বিনিময়ে জামিন দিয়েছেন। এ নিয়ে অর্থ জালিয়াতির মামলায় সম্পৃক্তদের সংখ্যা পাঁচজনে পৌঁছেছে।

অভিযুক্ত দুই বাংলাদেশি হলেন রিপন ইউনুস এবং আশরাফ গুলামমাহাদ প্যাটেল। বৃহস্পতিবার তাদের কিম্বার্লি বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অপরাধ আদালতে হাজির করা হয়। এর আগে আরও তিন বাংলাদেশিকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল।

নর্দার্ন কেপ হকসের মুখপাত্র কর্নেল তেবোগো থিবে জানান, বুধবার তাদের দুজনকে অর্থপাচারের অভিযোগে হকস বাহিনী আটক করেছিল। এ দুই ব্যক্তি গত ১ থেকে ৩ মার্চের মধ্যে নিজেদের দোকানের মাধ্যমে অর্থ জালিয়াতি করেছিলেন।

এ দুই বাংলাদেশি ছাড়াও অভিযুক্ত বাকি তিনজন হলেন আমিনুল ইসলাম, উল্লাহ ফোজি এবং আকতার আতিকা। তাদের তিনজনকে মার্চে কিম্বারলি বিমানবন্দর থেকে মার্চে আটক করা হয়েছিল। তারা জোহানেসবার্গ থেকে দুবাই হয়ে ঢাকা ফেরার চেষ্টা করছিলেন। তারা তখনও জামিন পাননি।

থিবে জানান, আদালত ইউনুস ও প্যাটেলের মামলা আগামী ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মুলতবি করেছেন। এ সময়ে তাদের পাঁচজনকে একসাথে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


দক্ষিণ আফ্রিকা   অর্থ পাচার   আটক   আদালত   বিশ্ব সংবাদ  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ভূমিকম্পের পর জাপান-ফিলিপাইনের দিকে ধেয়ে আসছে সুনামি

প্রকাশ: ১০:২৮ এএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলের মিন্দানাওতে শনিবার (২ ডিসেম্বর) ৭ দশমিক ৫ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। শক্তিশালী এ ভূমিকম্পের পর এবার ফিলিপাইন ও জাপানের সমুদ্রে সুনামির সৃষ্টি হয়েছে। ভূকম্পনের প্রভাবেই সমুদ্রে এই সুনামির উৎপত্তি হয়। এটি ফিলিপাইন ও জাপানের উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে বলে জানা গেছে।

বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সুনামির কারণে ৩ ফুট উঁচু ঢেউ উপকূলে আছড়ে পড়ার আশঙ্কা থেকে জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলের বাসিন্দাদের জরুরিভিত্তিতে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অপরদিকে ফিলিপাইনের ভূকম্পবিদ্যা সংস্থা ফিভোলকস জানিয়েছে, ফিলিপাইনে মধ্যরাতে সুনামির ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে এবং এটি কয়েক ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রে সুনামি সতর্কতা ব্যবস্থা জানিয়েছে, ফিলিপাইনের কিছু উপকূলে জোয়ার থেকে ৩ মিটার (প্রায় ১০ ফুট) উঁচু সুনামি দেখা যেতে পারে।


ভূমিকম্প   জাপান-ফিলিপাইন   ধেয়ে আসছে সুনামি  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

স্থায়ী যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টায় দোহায় ম্যাক্রোঁ

প্রকাশ: ০৯:৫০ এএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, ফিলিস্তিনিদের জীবনের বিনিময়ে ইসরায়েলের নিরাপত্তা নয়। তিনি বলেন, ইসরায়েল যদি ফিলিস্তিনি নাগরিকদের হত্যা অব্যাহত রাখে তবে তারা এ ধরনের কোনো নিরাপত্তা ভোগ করতে পারবে না।

কাতার সফরে যাওয়ার আগে দুবাইয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ম্যাক্রোঁ বলেন, ফিলিস্তিনিদের জীবনের বিনিময়ে ইসরায়েলের নিরাপত্তা অর্জন করা হলে এ অঞ্চলে ইসরায়েলের কোনো স্থায়ী নিরাপত্তা থাকবে না।

ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে একটি নতুন যুদ্ধবিরতি এবং সম্ভাব্য স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার প্রচেষ্টায় সহায়তা করার জন্য ম্যাক্রোঁ বর্তমানে দোহায় রয়েছেন।


ইসরায়েল   গাজা  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

প্যারিসের আইফেল টাওয়ারের কাছে হামলা, হতাহত ৩

প্রকাশ: ০৮:৪৯ এএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

ফ্রান্সের সেন্ট্রাল প্যারিসের একটি রাস্তায় ছুরিকাঘাতে একজন নিহত এবং হাতুড়ির হামলায় অপর দুইজন আহত হয়েছেন। ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেরাল্ড দারমানিন বলেছেন, একজন হামলাকারী আইফেল টাওয়ারের কাছে অবস্থিত কোয়াই ডি গ্রেনেলের আশেপাশে পর্যটকদের লক্ষ্যবস্তু করে এই হামলা করে।

রোববার (৩ ডিসেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, এক পর্যটক দম্পতির কাছে গিয়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তি একজন জার্মান নাগরিককে ছুরিকাঘাত করেন। তখন ওই ব্যক্তিকে পুলিশ তাড়া করলে গ্রেপ্তারের আগেই সে হাতুড়ি দিয়ে অন্য দুইজনকে আঘাত করে।

সেন্ট্রাল প্যারিসের ওই হামলার ঘটনার পর নিরাপত্তাবাহিনী ২৬ বছরের এক ফরাসি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে। ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, সন্দেহভাজন ঐ ব্যক্তিকে ২০১৬ সালে আলাদা হামলার পরিকল্পনা করার জন্য ৪ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। হামলাকারী ফরাসি নিরাপত্তা বাহিনীর নজরদারি তালিকায় ছিল।

দারমানিন জানান, অভিযুক্ত হামলাকারী ‘আল্লাহু আকবর বলে চিৎকার করেছিল এবং পরে পুলিশকে বলেছে, ‘আফগানিস্তান ও ফিলিস্তিনে অনেক মুসলমান মারা যাচ্ছে বলে তিনি বিপর্যস্ত হয়েছেন। লোকটি মানসিক রোগে ভুগছিল বলেও জানিয়েছেন তিনি।

প্যারিসের কেন্দ্রবিন্দুতে এমন ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাস্থলের নিকটবর্তী বির-হাকেইম মেট্রো স্টেশনে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। লোকজনকে ওই স্টেশন এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সন্ত্রাসবিরোধী প্রসিকিউটর অফিসকে এ ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। 



মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

হামলা বন্ধ না হলে বন্দী বিনিময় নিয়ে আর আলোচনা নয়: হামাস

প্রকাশ: ০৮:৩৭ এএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২৩


Thumbnail

যুদ্ধবিরতির পর গত শুক্রবার থেকেই ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় তীব্র হামলা চালানো শুর করে দিয়েছে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী। এ হামলার পরই হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর উপ-প্রধান সালেহ আল-আরুরি আল জাজিরাকে বলেছেন, গাজায় হামলা যতদিন অব্যাহত থাকবে ততদিন ইসরায়েলের সাথে বন্দী বিনিময় নিয়ে আর কোনো আলোচনা হবে না।

তিনি বলেন, যুদ্ধবিরতি নিয়ে এখন কোনো আলোচনা হবে না। আগ্রাসন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং একটি বিস্তৃত ও সুনির্দিষ্ট যুদ্ধবিরতি না হওয়া পর্যন্ত কোনো বন্দী বিনিময় হবে না।

তিনি বলেন, দখলদাররা জোর দিয়ে বলছে যে এখনও নারী ও শিশুদের আটক রাখা হয়েছে। কিন্তু আমরা বলেছি যে আমরা তাদের সবাইকে হস্তান্তর করেছি। গাজার অবশিষ্ট বন্দীরা সৈন্য এবং বেসামরিক পুরুষ যারা দখলদার সেনাবাহিনীতে কাজ করেছেন।

তিনি বলেন, ইহুদিবাদী বন্দীদের মুক্তি দেওয়া হবে না যতক্ষণ না আমাদের সমস্ত বন্দীদের মুক্তি দেওয়া হয় এবং যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হয়। স্থল যুদ্ধ, বিমান বা অন্যান্য যে কোনো ইসরায়েলি সামরিক পরিস্থিতির জন্য প্রতিরোধ প্রস্তুত রয়েছে।


ইসরায়েল   ফিলিস্তিন   গাজা   হামাস  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন