ইনসাইড বাংলাদেশ

কুমিল্লায় জোড়া খুন মামলার ২ আসামি 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত

প্রকাশ: ০৮:৫৯ এএম, ৩০ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail কুমিল্লায় জোড়া খুন মামলার ২ আসামি 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের (কুসিক) কাউন্সিলরসহ জোড়া খুনের ঘটনায় দায়ের করা মামলার দুই আসামি জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) ও থানা পুলিশের সঙ্গে 'বন্ধুকযুদ্ধে' নিহত হয়েছেন।
 
নিহতরা হলেন- মামলার তিন নম্বর আসামি নগরীর সুজানগর এলাকার বাসিন্দা রফিক মিয়ার ছেলে মো.সাব্বির হোসেন (২৮) ও মামলার পাঁচ নম্বর আসামি সংরাইশ এলাকার কাকন মিয়ার ছেলে সাজন (৩২)। নিহতদের মরদেহ বর্তমানে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে।

গতকাল সোমবার (২৯ নভেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বিষয়টি জানিয়েছেন কুমিল্লা জেলা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সত্যজিৎ বড়ুয়া।

সত্যজিৎ বড়ুয়া বলেন, সোমবার রাত সোয়া ১২টায় খবর পাই আলোচিত এই জোড়া খুনের  মামলার এজহারনামীয় আসামিসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা সংরাইশ ও নবগ্রাম এলাকায় অবস্থান করছে। খবর পেয়ে কোতয়ালি মডেল থানা এবং ডিবি পুলিশের একাধিক টিম আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে। রাত প্রায় ১টার দিকে সদর উপজেলার গোমতী নদীর বেড়িবাঁধের সংরাইশ বালুমহল সংলগ্ন এলাকায় ডিবি ও থানা পুলিশের টিম পৌঁছালে আসামিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি করতে থাকে।

এ সময় উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা নিজেদের জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে পাল্টা গুলি বর্ষণ করে। গোলাগুলির একপর্যায়ে কয়েকজন দুষ্কৃতিকারী পালিয়ে যায়। গুলিবর্ষণ শেষে ঘটনাস্থলে ওই দুইজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরবর্তীতে তাদেরকে চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিক্যল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

ঘটনাস্থলে সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে পুলিশের তিনজন সদস্য আহত হয়। আহত পুলিশ সদস্যদের উন্নত চিকিৎসার জন্য পুলিশ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

সত্যজিৎ বড়ুয়া বলেন, ঘটনাস্থল থেকে সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত একটি ৭.৬৫ পিস্তল, একটি পাইপ গান, পিস্তলের অব্যবহৃত গুলি, গুলির খোসা এবং কার্তুজের খোসা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত ২২ নভেম্বর বিকেল ৪টার দিকে নগরীর পাথরিয়াপাড়া থ্রি স্টার এন্টারপ্রাইজে কাউন্সিলর কার্যালয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন কুসিক ১৭নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ মোহাম্মদ সোহেল (৫০) ও আওয়ামী লীগ কর্মী হরিপদ সাহাকে (৫৫)। কাউন্সিলর সোহেল কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য ও ওই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। নিহত হরিপদ সাহা নগরীর ১৭নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য এবং সাহাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। এছাড়া এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ আরো পাঁচজন কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জোড়া খুনের ঘটনায় গত ২৩ নভেম্বর রাতে কাউন্সিলর সোহেলের ছোট ভাই সৈয়দ মো. রুমন বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

মাদারীপুরে এসপি-ডিসি অফিস ভাঙচুর

প্রকাশ: ০৮:২৬ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

মাদারীপুরে কোটা বাতিলের দাবিতে আন্দোলনকারী, পুলিশ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সাথে দফায় দফায় ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ও ছাত্রলীগের ধাওয়া খেয়ে শকুনী লেকের পানিতে পড়ে  দীপ্ত দে নামে নামে এক আন্দোলনকারী কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস নিহতের লাশ উদ্ধার করেছে। পুলিশ লাশ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ উভয়পক্ষের আহত হয়েছেন অন্তত ৫০ জন। আন্দোলনকারীরা পুলিশের একটি গাড়ির সামনের কাচ ভেঙে ফেলেছে। ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়েছে ছয় জনকে।

এদিকে, মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগ অফিস ভাঙচুর করেছে কোটা আন্দোলনকারীরা। এছাড়াও মাদারীপর শহরের লঞ্চঘাট পুলিশ ফাঁড়িতে অগ্নি সংযোগ এবং এসপি অফিস, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ও ভাঙচুর করেছে আন্দোলনকারীরা। প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক সূত্র এ খবর নিশ্চিত করেছে।


মাদারীপুর   এসপি   ডিসি   অফিস   ভাঙচুর  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

যেভাবে কোটা সংস্কার নিয়ে সংকটের সমাধান হতে পারে

প্রকাশ: ০৮:১০ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

কোটা সংস্কার নিয়ে উত্তপ্ত গোটা দেশ। অচল হয়ে পড়েছে রাজধানী ঢাকাসহ সারা বাংলাদেশ। এরকম পরিস্থিতিতে সরকার বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছে। একটি গণতান্ত্রিক সরকারের এ রকম সংকটে যা করা উচিত তাই করেছে সরকার। আইনমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে কোটা সংস্কার নিয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসার প্রস্তাব দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আজকে যদি তারা চায় তাহলে আজকে আলোচনায় বসবে। পাশাপাশি তিনি সুনির্দিষ্ট কিছু সুপারিশ করেছেন। 

তবে সবচেয়ে বড় কথা হল আইনমন্ত্রী সরকারের পক্ষ থেকে বলেছেন যে সরকার ও কোটা সংস্কার চায়। আর এই প্রেক্ষিতেই প্রশ্ন উঠেছে, বর্তমান সংকট থেকে মুক্তির পথ কি, কিভাবে এই অচলাবস্থা থেকে উত্তীর্ণ হওয়া যাবে এবং কিভাবে সংকট কাটবে? 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সংকটের সুনির্দিষ্ট কিছু সমাধান রয়েছে এবং খুব সহজেই সংকটের সমাধান হতে পারে। এই সংকটের সমাধানের জন্য কয়েকটি ধাপ রয়েছে। প্রথম ধাপ হল সরকার এবং কোটা সংস্কার পন্থী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা। প্রথম ধাপে সরকারকে কোটা সংস্কার পন্থী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। এই আলোচনায় উভয়পক্ষকেই আগ্রহী থাকতে হবে। দুই পক্ষের মধ্যে যারা মতলববাজ আছে তাদেরকে বাদ দিতে হবে। বিশেষ করে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এখন জুটে গেছে ছাত্রশিবির এবং ছাত্রদল, যাদের অন্য কোনও উদ্দেশ্য আছে। তাদেরকে বাদ দিয়ে আলোচনার টেবিলে শুধুমাত্র কোটা সংস্কারের ইস্যুটিকে প্রাধান্য দিতে হবে এবং এই নিয়ে আলোচনা করে একটি সমাধান আলোচনা করতে হবে।

দ্বিতীয়ত, আপিল বিভাগে দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আপিল বিভাগ আগামী ৭ আগস্ট কোটা সংস্কার নিয়ে শুনানির দিন ধার্য করেছেন। আজ আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, অ্যাটর্নি জেনারেলকে বলা হবে যে, শুনানি এগিয়ে আনার জন্য। ইতোমধ্যে আজকে দুইজন শিক্ষার্থী আপিল বিভাগে লিভ টু আপিলে পক্ষভুক্ত হয়েছেন। ফলে এই আপিলের সূত্র ধরেই আপিল বিভাগ আগামী রোববার থেকে এই বিষয়টি নিয়ে শুনানি করতে পারে এবং এই শুনানি দ্রুত নিষ্পত্তির ফলে সংকটের সমাধানের পথ উন্মুক্ত হতে পারে। 

তৃতীয়ত, কমিশন গঠন। আপিল বিভাগের রায়ের প্রেক্ষিতে আপিল বিভাগ যেভাবে দিকনির্দেশনা দেয় তার প্রেক্ষিতে সরকার সকল পক্ষকে নিয়ে একটি কোটা সংস্কারের কমিশন গঠন করতে পারে, যে কমিশনে শিক্ষার্থী প্রতিনিধিবৃন্দ, শিক্ষক প্রতিনিধিবৃন্দ এবং পাবলিক সার্ভিস কমিশনকে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। এই কমিশন দ্রুত সময়ের মধ্যে বর্তমান কোটা ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাস করে একটি পূর্ণাঙ্গ এবং আধুনিক বাস্তবতা পূর্ণ গোটা ব্যবস্থাপনা চালু করতে পারে। আর এটি যদি চালু করা যায় তাহলে এই সংকটের সমাধান হবে। 

তবে এই সংকটের ক্ষেত্রে সবচেয়ে স্পর্শকাতর যে বিষয়টি এখন সকলের সামনে রয়েছে, তা হল এটি এখন আর কোটা সংস্কার আন্দোলনে নেই। এটির মধ্যে এক ধরনের রাজনৈতিক অভিলাষ ঢুকে গেছে। প্রধানমন্ত্রী গতকাল জাতির উদ্দেশ্য ভাষণে ও উচ্চাভিলাষীদের অভিসন্ধির কথা বলেছেন। এখন কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদেরকে এই বাস্তবতা অনুধাবন করতে হবে এবং যারা এটির ভেতর অন্য মতলবে ঢুকে পড়েছে, যারা বিভিন্ন স্থানে গাড়ি ভাঙচুর করছে, অগ্নি সন্ত্রাস করছে এবং সহিংসতা করছে তাদেরকে আন্দোলন থেকে বিচ্যুত করতে হবে। শিক্ষার্থীদের যে আন্দোলন সে আন্দোলনকে তাদের স্থির থাকতে হবে এবং সেই আন্দোলনে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করতে হবে। আর এখানে সরকারেরও একগুয়েমি বা অনড় অবস্থানের কোন সুযোগ নেই। সরকারকে ছাড় দিতে হবে। কোটা সংস্কার নিয়ে আপাতত শিক্ষার্থীরা যেভাবে চায় সেভাবে সংস্কারের পথে এগোতে হবে। তাহলেই বর্তমান অচলাবস্থার অবসান ঘটতে পারে।

কোটা আন্দোলন   সংকট   আপিল বিভাগ   শুনানি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

বিটিভির মূল ভবনে ভয়াবহ আগুন, সম্প্রচার বন্ধ

প্রকাশ: ০৭:৫৮ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

রাজধানীর রামপুরায় বিটিভি ভবনে আন্দোলনকারীদের দেওয়া আগুন ছড়িয়ে পড়ায় রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) সম্প্রচার বন্ধ হয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিটিভিতে কর্মরত একাধিক সাংবাদিক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তারা জানান, বিটিভির মূল ভবনের নিচতলায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে মূল স্ক্রিনে তারা কালো দাগ দেখতে পান। পরবর্তীতে বাধ্য হয়েই সম্প্রচার বন্ধ করে দিতে হয়েছ।

অবশ্য এর আগে বিটিভির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য সহযোগিতা কামনা করে পোস্ট দেওয়া হয়। এতে বলা হয়েছে, ‘বিটিভিতে ভয়াবহ আগুন। দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত সহযোগিতা কামনা করছি। ভেতরে আটকা পড়েছেন অনেকে।’


বাংলাদেশ   টেলিভিশন   সম্প্রচার   বন্ধ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

কোটা আন্দোলনে নিহতের ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন: তথ্য অধিদপ্তর

প্রকাশ: ০৭:৪৭ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

কোটাবিরোধী আন্দোলনে সব মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের নেতৃত্ব বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৬ জুলাই দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত ঘটনায় ছয় জন নিহত হওয়া এবং সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত সহিংসতা, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ঘটনা তদন্তের জন্য এক সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে। বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামান এই কমিশনের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। কমিশন আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সরকারের নিকট তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে।  বিজ্ঞপ্তি।।




কোটা আন্দোলন   নিহত   তথ্য অধিদপ্তর  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

রণক্ষেত্র রংপুর, আ. লীগ ছাত্রলীগের অফিস ভাঙচুর

প্রকাশ: ০৭:৩৪ পিএম, ১৮ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

রংপুরের বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর চালিয়েছেন কোটা বিরোধী আন্দোলনকারীরা। এসময় ট্রাফিক সিগন্যাল বাতি, সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর করেন আন্দোলনকারীরা।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে শহরের জাহাজ কোম্পানির মোড়, শাপলা চত্বর, বেরোবি সংলগ্ন পার্ক মোড়, তাহহাট থানা মোড়সহ বিভিন্ন স্থানে এ ঘটনাগুলো ঘটে।

এছাড়াও এদিন পৌনে ৬টার দিকে জাহাজ কোম্পানি মোড়ের পাশে বাটার গলিতে জেলা ছাত্রলীগের কার্যালয় এবং জেলা মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ভাঙচুর আসবাবপত্রে আগুন দেওয়া হয়।

সময় সাংবাদিকদের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন আন্দোলনকারীদের। এতে আহত হয়েছেন তিন সাংবাদিক। 

এর আগে সকাল থেকে দফায় দফায় নগরীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে রংপুর জিলা স্কুল মোড়ে জড়ো হতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। পরে সেখান থেকে দুপুর ১ টায় বিশাল মিছিল বের করেন আন্দোলনকারীরা। হয়। মিছিলে সংহতি জানিয়ে অভিভাবক সরকারবিরোধী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

এরপর নগরীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে বোরোবি সংলগ্ন পার্ক মোড় হয়ে মডার্ন মোড়ে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে অবস্থান নেন। সেখান থেকে তাজহাট থানা ঘেরাও করতে গেলে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। সময় আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পুলিশ।

এদিকে সন্ধ্যা ৬টায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতাকর্মীরা বিশাল মিছিল বের করেন। নগরীর সিটি পার্ক মার্কেট থেকে মিছিলটি শুরু হয়। মিছিল থেকে কোটাবিরোধী আন্দোলন নিহত শিক্ষার্থীদের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন নেতাকর্মীরা। 


আন্দোলন   রণক্ষেত্র   ভাঙচুর   অগ্নি সংযোগ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন