ইনসাইড বাংলাদেশ

ওমিক্রন ঠেকাতে আজ আসতে পারে বিধি-নিষেধ

প্রকাশ: ১০:৩৯ এএম, ৩০ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail ওমিক্রন ঠেকাতে আজ আসতে পারে বিধি-নিষেধ

বিশ্বজুড়ে নতুন করে আতঙ্কের জন্ম দিয়েছে ওমিক্রন। করোনার এই নতুন ধরন নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশও। ওমিক্রন প্রতিরোধে আবারও বিধি-নিষেধ আসতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র। এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ, ভিড় কমানো, আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ফ্লাইট বন্ধ করা, বাধ্যতামূলক মাস্ক পরা, সীমান্ত এলাকাগুলোতে স্ক্রিনিং জোরদারসহ বেশ কিছু বিধি-নিষেধ জারি করা হতে পারে। 

আজ মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) এই প্রেক্ষাপটে ১৮টি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বৈঠকে বসছেন। সবার মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হবে। বৈঠকের পর আজ দুপুরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানাবেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এরই মধ্যে ইউরোপের অনেক দেশ আফ্রিকার সব দেশের সঙ্গেই ফ্লাইট বন্ধ করে দিয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশও একই সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সূত্র মতে, করোনার দক্ষিণ আফ্রিকান ধরনটির বিস্তার ঠেকানোর অংশ হিসেবে সীমান্ত এলাকার বন্দরগুলোতে সতর্কতা ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

এর আগে গত রবিবার কভিড-১৯-সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি বৈঠক করেছে। কমিটির সদস্যরা চারটি সুপারিশ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে, যেসব দেশে ওমিক্রন সংক্রমণ ছড়িয়েছে সেখান থেকে যাত্রী আসা বন্ধ করতে হবে। কোনো ব্যক্তির এসব দেশে ভ্রমণের সাম্প্রতিক (শেষ ১৪ দিন) ইতিহাস থাকলে তাকে বাংলাদেশে ১৪ দিন ইনস্টিটিউশনাল কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। করোনা শনাক্ত হলে আইসোলেশনে যেতে হবে। প্রতিটি বন্দর ও সীমান্তে স্ক্রিনিং পরীক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা সংক্রান্ত ব্যবস্থা আরও কঠোরভাবে পালন করা (স্কুল, কলেজসহ), চিকিৎসাব্যবস্থা শক্তিশালী করা, বিভিন্ন (রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয়) সমাবেশে জনসমাগম সীমিত করা এবং মানুষকে উৎসাহিত করতে করোনা পরীক্ষা বিনা মূল্যে করার সুপারিশ করা হয়।

অন্যদিকে, এই সংক্রমণ প্রতিরোধে ১৫ দফা পদক্ষেপ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।


লকডাউন   করোনা   বিধিনিষেধ  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ঘূর্ণিঝড় 'রেমাল': জলোচ্ছ্বাসে তলিয়ে গেলো সুন্দরবন

প্রকাশ: ০৫:১৩ পিএম, ২৬ মে, ২০২৪


Thumbnail

প্রবল ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে জলোচ্ছ্বাসে তলিয়ে গেছে পুরো সুন্দরবন। এদিকে, সুন্দরবন উপকূলসহ মোংলায় ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত বহাল রয়েছে। এরই মধ্যে বৃষ্টিসহ দমকা বাতাস বইতে শুরু করেছে।

রবিবার (২৬ মে) দুপুরে পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের করমজল বন্য প্রাণী প্রজনন কেন্দ্র ও পর্যটন স্পটের ওসি আজাদ কবির ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে স্বাভাবিকের চেয়ে চার ফুট পানি বেড়ে সুন্দরবন তলিয়ে গেছে। পানির চাপ আরো বাড়বে। তবে বন্য প্রাণীর কোনো ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা নাই বলে উল্লেখ করেন তিনি। 

তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় রিমালের কারণে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে পুরো সুন্দরবন বিভাগের কর্মকর্তা ও বনরক্ষকীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। বন বিভাগের ঝুঁকিপূর্ণ ক্যাম্পগুলোতে থাকা বনরক্ষীদের এরই মধ্যে নিরাপদে সরিয়ে আনা হয়েছে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে এরই মধ্যে মোংলা নদীতে যাত্রীবাহী ট্রলার চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানান পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আব্দুর রহমান। 

তিনি বলেন, ঝুঁকি এড়াতে যাত্রীবাহী নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে জরুরি কাজ ও রোগীদের কথা চিন্তা করে মোংলা নদীতে ফেরি চালু রাখা হয়েছে। পৌর শহরের আশ্রয়কেন্দ্রে লোকজনকে আনার জন্য ব্যাপক তৎপরতা চালানো হচ্ছে। 

মোংলা আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ হারুন অর রশিদ জানান, এই রিমাল মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছে। এটি আজ সন্ধ্যা নাগাদ সুন্দরবন ও মোংলা উপকূল অতিক্রম করে পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায় আছড়ে পড়তে পারে।


ঘূর্ণিঝড়   রেমাল   জলোচ্ছ্বাস   সুন্দরবন  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

কুয়াকাটা সৈকত থেকে হোটেলে ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে পর্যটকদের


Thumbnail

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় রোববার (২৬ মে) সন্ধ্যায় অথবা রাতের দিকে উপকূল অতিক্রম করতে পারে ঘূর্ণিঝড় রেমাল। ইতোমধ্যে উপকূলে শনিবার (২৫ মে) থেকে বইতে শুরু করেছে দমকা হাওয়া। সেই সঙ্গে থেমে থেমে হচ্ছে বৃষ্টি। কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পাড়ে আছড়ে পড়ছে বড় বড় ঢেউ। কারণে সকাল থেকেই কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে আসা পর্যটকদের হোটেলে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছেন প্রশাসন। 

ঢাকা থেকে আসা পর্যটক নাঈম-রাইসা দম্পতি বলেন, ‘গতকাল শনিবার রাতে কুয়াকাটায় এসেছি। ঘূর্ণিঝড়ের সময় কুয়াকাটা সৈকতে ছোট বড় ঢেউ আছড়ে পড়ে সেই দৃশ্য উপভোগের জন্যই আমরা এসেছি। সকাল ১০টার পরে এখানকার পুলিশ আমাদেরকে হোটেলে পাঠিয়ে দিয়েছে।’ 

বরিশাল থেকে আসার পর্যটক ইয়াসিন মিয়া বলেন, ‘আমরা প্রায় - জন বন্ধু আজ সকালে কুয়াকাটায এসেছি। সকালে সৈকতের নামার চেষ্টা করছিলাম। পুলিশ আমাদেরকে নামতে দেয়নি। সমুদ্রের আজকের যে ঢেউ এটা আসলে আমার জীবনে আর কখনো দেখেনি।‘

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, ‘সমুদ্রের বুকে বড় বড় ঢেউ আছড়ে পড়ছে। তাই পর্যটকদের আমরা নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছি। যে সব পর্যটক কুযাকাটা এসেছেন তাদের নিরাপদ ভ্রমণের জন্যই আমরা তাদের হোটেলে ফিরে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছি।‘


কুয়াকাটা সৈকত   পর্যটক   ঘূর্ণিঝড়  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ঘূর্ণিঝড় 'রেমাল': স্কুল বন্ধ থাকা নিয়ে যা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশ: ০৪:৪৮ পিএম, ২৬ মে, ২০২৪


Thumbnail

শিক্ষামন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেছেন, দুর্যোগকালীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা বা বন্ধ রাখার বিষয়ে স্ব স্ব জেলাগুলো নিজেরাই সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন ।

রোববার (২৬ মে) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ২০২৩-২৪ অর্থ-বছরের সংশোধিত এডিপি বাস্তবায়ন এবং চলমান উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি ও মূল্যায়ন বিষয়ক কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এসডিজি-৪ এর লক্ষ্য শতভাগ শিক্ষার্থীকে মাধ্যমিক পর্যায়ে নিয়ে আসা। ভবনের নির্মাণ, ক্লাসরুমের ডিজাইন, ফার্নিচারের ডিজাইনে পরিবর্তন আনাও একই সঙ্গে প্রাসঙ্গিক।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যেও চিন্তার পরিবর্তন করতে হবে। তাদের মাঠে নিয়ে আসতে হবে। প্রকৌশলীরা তাদের মনোজাগতিক পরিবর্তন আনতে পারে। প্রতিটি সাইটই শিক্ষার সাইট। মাদ্রাসা, অধিদপ্তর কিংবা বিদ্যালয়ের বিল্ডিং হোক সবখানেই প্রকৌশলীরা আছেন। আমরা দাপ্তরিক কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে যাচ্ছি। আমাদের দেশে ইনোভেশন হচ্ছে না, কারণ প্রকৌশলীরাও অফিসে বসে কাজ করছে। 

তিনি আরও বলেন, শিক্ষা প্রকৌশলের ইঞ্জিনিয়াররাই পরিমিত ব্যয়ের মাধ্যমে ভবন নির্মাণ করে গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়তা করতে পারেন।


স্কুল   বন্ধ   শিক্ষামন্ত্রী  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে সাতক্ষীরায় বৃষ্টি, ১০ নম্বর বিপদ সংকেত


Thumbnail

ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে রোববার (২৬ মে) সকাল থেকে সুন্দরবন সংলগ্ন নদ-নদীতে স্বাভাবিকের চেয়ে তিন থেকে চার ফুট পানি বৃদ্ধি পাওয়াসহ সাতক্ষীরায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়েছে।  


শ্যামনগর আশাশুনি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষদের সরিয়ে নিতে ১৮৭টি সাইক্লেন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে শতাধিক স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা।  এছাড়া সাতক্ষীরা জেলাকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেওয়া হয়েছে।

সাতক্ষীরা আশাশুনির মাছ ব্যবসায়ী মফিজুল ইসলাম বলেন, ভোর থেকে আবহাওয়ায় বেশ পরিবর্তন এসেছে। সকাল থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হয়েছে। তাই আমাদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। কখন কি হয় কিছু বুঝতে পারছিনা।

সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী রিপন জানান, ঘুর্ণিঝড় 'রেমাল' কারণে সাতক্ষীরা জেলাকে ১০নং বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। সকাল থেকে টানা বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে দুপুরের পরে সাতক্ষীরার উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানতে পারে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাতক্ষীরা ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী এম সালাউদ্দীন বলেন, ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে সুন্দরবন সংলগ্ন নদ-নদীতে স্বাভাবিকের চেয়ে তিন থেকে চার ফুট পানি বেড়েছে। শ্যামনগরকে ঘিরে থাকা উপকূল রক্ষা বাঁধের প্রায় ১২৯ কিলোমিটারের মধ্যে সাত থেকে আটটি পয়েন্টের প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ। মাটি ফেলে উচ্চতা বৃদ্ধিসহ জিও ব্যাগ ডাম্পিং করে বাঁধের ভাঙন ধস ঠেকানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির জানান, শ্যামনগর আশাশুনি এই দুটি উপজেলা সুন্দরবন উপকূলবর্তী। জেলায় মোট ১৮৭টি সাইক্লোন শেল্টার শতাধিক স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জরুরি ত্রাণ, নগদ টাকা, সুপেয় পানি মজুত রাখা হয়েছে। ঝুকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ মেরামতের জন্য কয়েক দিন ধরে কাজ করছে স্থানীয় প্রশাসন। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।


ঘূর্ণিঝড়   রেমাল   ১০ নম্বর মহা বিপদ সংকেত   বৃষ্টি  


মন্তব্য করুন


ইনসাইড বাংলাদেশ

ঘূর্ণিঝড় রেমাল: আশ্রয়কেন্দ্রে যাচ্ছে না উপকূলবাসী

প্রকাশ: ০৪:১৫ পিএম, ২৬ মে, ২০২৪


Thumbnail

উপকূলের কাছাকাছি চলে এসেছে ঘূর্ণিঝড়রেমাল ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এমন সংকেত পেয়েও আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে যাচ্ছেন না উপকূলীবাসী।

রোববার (২৬ মে) দুপুর ১টার দিকে বলেশ্বর নদীর রায়েন্দা বেড়িবাঁধ এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, মাইকিং করে উপকূলবাসীকে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার অনুরোধ করছেন স্বেচ্ছাসেবকরা। তবে দুপুর গড়ালেও বাড়ি ছেড়ে আশ্রয় কেন্দ্রে যাচ্ছেন না স্থানীয় বাসিন্দারা।

বেড়িবাঁধ এলাকার বাসিন্দা সেতারা বেগম বলেন, ধরনের বিপদ সংকেত মাঝেমধ্যেই আসে, তাই এখন আর তেমন ভয় লাগে না। সবকিছু গুছিয়ে রেখেছি, যদি ঝড় আসে তখন আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাব।

শরণখোলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রায়হান উদ্দিন শান্ত বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালে যাতে ক্ষয়ক্ষতি কম হয় সে লক্ষ্যে আমরা প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। উপজেলায় মোট ৯০টি আশ্রয়কেন্দ্র পরিষ্কার করা হয়েছে। সকলে যাতে আশ্রয়কেন্দ্রে আসে সেজন্য মাইকিং করা হচ্ছে। শুকনো খাবার, ওষুধ খাবার পানি মজুদ রাখা হয়েছে। আশা করি বিকেলের মধ্যে সবাইকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিতে পারব।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. খালিদ হোসেন বলেন, ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় জেলায় মোট ৩৫৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। সবাই যেন আশ্রয়কেন্দ্রে যায় সেজন্য মাইকিং করা হচ্ছে।


ঘূর্ণিঝড়   রেমাল   আশ্রয়কেন্দ্র   উপকূলবাসী  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন