ঢাকা, সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ
Bangla Insider

নিক্সন চৌধুরীর ঐক্যের ডাক

জুয়েল খান
প্রকাশিত: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ মঙ্গলবার, ১১:৩০ এএম
নিক্সন চৌধুরীর ঐক্যের ডাক

মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন। ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য। এমপি হিসেবে তিনি যতটা পরিচিত ঠিক তেমনি আলোচিত দুর্নীতি বিরোধী সমালোচনামূলক বক্তব্যের জন্য। শুরুতে ফরিদপুরের দুর্নীতি ও আওয়ামী লীগ নেতা কাজী জাফরউল্লাহকে নিয়ে সমালোচনা করে আলোচনায় এসেছিলেন। এরপর যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য হয়ে জাতীয় রাজনীতিতে এক আলোচিত ব্যক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। 

যুবলীগের রাজনীতির শুরুতে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুর ও ভাস্কর্য বিরোধীদের কঠোর সমালোচনা করে দেশব্যাপী আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হন। এবার তিনি আলোচনায় এসেছেন এক ভিন্ন কারণে। এবার তির্যক বক্তব্য কিংবা তীব্র সমালোচনা করে নয়, আলোচনায় এসেছেন রাজনীতিতে ‘ঐক্যের ডাক’ দিয়ে। এতোদিনের প্রতিপক্ষ কাজী জাফরউল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে ফরিদপুরের উন্নয়ন করার কথা বলেছেন এই সংসদ সদস্য। সম্প্রতি বাংলা ইনসাইডারের সঙ্গে একান্ত আলপচারিতায় এসব কথা বলেছেন তিনি। 

মজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন বলেন, আমি এতোদিন স্বতন্ত্র হিসেবে রাজনীতি করেছি এবং ফরিদপুরে যে অনিয়ম, দুর্নীতি হয়েছে সেসব বিষয়ে কথা বলেছি। ব্যক্তি জাফরউল্লাহকে নিয়ে কথা বলেছি কিন্তু কখনও আওয়ামী লীগ নিয়ে কথা বলিনি। আমি এখন যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আর কাজী জাফরউল্লাহ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজেই আমরা একই আদর্শের রাজনীতি করি। সুতরাং কাদা ছোড়াছুড়ির রাজনীতি নয় বরং কাজী জাফরউল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে ফরিদপুরের উন্নয়ন করতে চাই। 

কাজী জাফরউল্লাহকে জনগণ প্রত্যাখ্যান করলেও তিনি আমার সিনিয়র নেতা কাজেই নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে আমি তাকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। কাজী জাফরউল্লাহ আমাকে সহযোগীতা করলে আমার তিন থানার রাজনীতিতে আর খোঁচাখুঁচি থাকবে না। ইতিমধ্যে জাফরউল্লাহর পক্ষের মেয়র, থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সম্পাদক আমার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন এই পরিস্থিতিতে তিনি একা মানুষ বাইরে থেকে কি করবেন?। তিনি সিনিয়র নেতা হিসেবে আমাদের বুদ্ধি-পরামর্শ দেবেন, আমরা তাকে সম্মান দেবো। 

আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা যখন আমাকে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য করেন তখনই মানুষ বুঝেছেন যে নেত্রী আমাকে দিয়ে সংগঠন করাবেন। কাজেই আমি ফরিদপুরের রজনীতিতে কোনো বিভাজন চাই না। সবাই মিলেমিশে ফরিদপুরের উন্নয়ন করতে চাই। যখন স্বতন্ত্র হিসেবে রাজনীতি করেছি তখন ফরিদপুরের দুর্নীতি ও নেতাদের অপকর্ম নিয়ে সোচ্চার ছিলাম। এখন যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হয়েও দুর্নীতির সঙ্গে আপোস করবো না। যারা দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে কলুষিত করতে চাইবে আমি তাদের বিরুদ্ধে স্বোচ্চার ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকবো।