প্রেস ইনসাইড

সরকার কোনো বিদেশি চ্যানেল বন্ধ করেনি: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৪:৪১ পিএম, ০২ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

আইন মানা বিদেশি চ্যানেলগুলোর যেমন দায়িত্ব, তেমনি যারা বিদেশি চ্যানেল সম্প্রচার করে তাদেরও আইন মানা দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

শনিবার (২ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রামের শিল্পকলা একাডেমীতে শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে প্রবাসী কমিউনিটি সংযুক্ত আরব আমিরাত শাখা আয়োজিত আলোচনা সভায় যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

সাংবাদিকদের তথ্য মন্ত্রী বলেন, সরকার কোনো বিদেশি চ্যানেল বন্ধ করেনি। বিদেশি চ্যানেলগুলোর যারা বাংলাদেশি এজেন্ট বা অপারেটর তারাই বন্ধ করে রেখেছে। যেহেতু তাদেরকে বিজ্ঞাপন ছাড়া ফিড দিচ্ছে না, সেজন্য তারা সম্প্রচার বন্ধ রেখেছে। 

হাছান মাহমুদ বলেন, আমরা আশা করব বিদেশি চ্যানেলগুলো খুব সহসা বিজ্ঞাপন ছাড়া বাংলাদেশে ফিড পাঠাবে। তাহলে তো এখানে সম্প্রচারের ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। বিজ্ঞাপনবিহীন যেসব চ্যানেল আছে সেগুলো সম্প্রচারের ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। এজেন্ট ও ক্যাবল অপারেটরদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তারা বলছে তাদের কিছু কারিগরি ত্রুটি আছে। সেজন্য সম্প্রচার করতে পারছে না। এটা সহসাই নিরসন হয়ে যাবে বলে তারা তথ্য মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিদেশি চ্যানেলের মধ্যে যেগুলো বিজ্ঞাপনমুক্তভাবে দেশে সম্প্রচার হয় সেগুলো কেউ কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে বন্ধ করে থাকতে পারে। জনগণকে বিক্ষুব্ধ করার জন্য সেসব বিদেশি চ্যানেল বন্ধ করে রাখতে পারে ইচ্ছাকৃতভাবে। যেসব চ্যানেল বিজ্ঞাপনমুক্তভাবে দেশে আসে সেগুলো চলতে তো বাধা নেই। আমাদের আইন তো তাদের জন্য কোনো বাধা তৈরি করেনি। এগুলো পরিচালনার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। সেসব চ্যানেল অনেক ক্ষেত্রে চলছে আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে সমস্যা আছে। সে সমস্যা কেটে যাবে বলে আশা করি।

বাংলাদেশের আকাশ উন্মুক্ত উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, এখানে যেকোনো বিদেশি চ্যানেল সম্প্রচার করতে পারে। তবে সেটি অবশ্যই বাংলাদেশের আইন মেনে করতে হবে। আইন অনুযায়ী বিদেশি চ্যানেলগুলো বাংলাদেশে কোনোরকম বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করতে পারে না। একই আইন অন্যান্য দেশে আছে। এই আইন ইউরোপ-আমেরিকায় আছে। সেই আইন মেনেই সেখানে ভিনদেশি চ্যানেলগুলোকে সম্প্রচার করতে হয়। ভারতেও সে আইন মেনে বিজ্ঞাপনবিহীন সম্প্রচার করতে হয়, সব বিদেশি চ্যানেলকে।

হাছান মাহমুদ বলেন, আমাদের দেশে বছরের পর বছর ধরে আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে বিদেশি চ্যানেলগুলো সম্প্রচার করছিল। আমরা বহুবার তাগাদা দিয়েছি। শেষ পর্যন্ত বিদেশি চ্যানেলের যারা দেশীয় প্রতিনিধি তাদের সঙ্গে, ক্যাবল অপারেটরদের সঙ্গে ও টেলিভিশন মালিকদের সঙ্গে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম ১ অক্টোবর থেকে আমরা আইন কার্যক্রম চালু করব। সেই অনুযায়ী গতকাল থেকে আমরা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছি।

তিনি বলেন, যেসব বিদেশি চ্যানেল বিজ্ঞাপন ছাড়া চালাচ্ছে সেগুলো কিন্তু চলছে। তাদের চলতে কোনো বাধা নেই। বিবিসি, সিএনএন, ডিসকভারিসহ বহু চ্যানেল আছে যেগুলো বিজ্ঞাপনবিহীনভাবে বাংলাদেশ প্রদর্শন করা হচ্ছে, সেগুলোতে কোনো বাধা নেই। আর অন্য চ্যানেলগুলোও আমাদের আইন মেনে বিজ্ঞাপনবিহীনভাবে চলতে কোনো বাধা নেই। এই বিজ্ঞাপনসহ চালানোর পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকার মতো ইনভেস্ট প্রতিবছর বাংলাদেশে হয় না। সেটি থেকে দেশ বঞ্চিত হয়, মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রি বঞ্চিত হয়। আর এজন্য গতকাল যে পদক্ষেপ নিয়েছি এটিকে টেলিভিশন মালিকদের সংগঠন অভিনন্দন জানিয়েছে।

হাছান মাহমুদ বলেন, ওটিটি প্লাটফর্মের জন্য আমরা নীতিমালা করছি। নীতিমালা খুব সহসা চূড়ান্ত হবে। সেই নীতিমালা যখন জারি হবে, নীতিমালার যারা ব্যত্যয় ঘটাবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি তো সব দলের ঐক্য করে আন্দোলন করে সরকারের পতন ঘটানোর কথা বলছে। কিন্তু বিএনপি তো নিজেদের ঐক্য ধরে রাখতে পারছে না। খেলাফত মজলিস তাদের থেকে ঘোষণা দিয়ে চলে গেছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাফরুল্লাহ কিংবা অন্য কেউ যা বলুক না কেন, এগুলো হচ্ছে ফাঁকা কলসি বেশি বাজার মতো অবস্থা। এর থেকে বেশি কিছু নয়।



মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

ডিআরইউ নির্বাচন: সভাপতি নোমানী, সম্পাদক সোহেল

প্রকাশ: ০৭:২২ পিএম, ৩০ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি পদে মোরসালিন নোমানী ও সাধারণ সম্পাদক পদে মাইনুল হাসান সোহেল নির্বাচিত হয়েছেন।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার মনজুরুল আহসান বুলবুল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন।

ফলাফল অনুযায়ী ডিআরইউর সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন জিটিভির সিনিয়র রিপোর্টার সাইফুল ইসলাম।

এছাড়া অন্যান্য পদে নির্বাচিতরা হলেন, সহ-সভাপতি দিপু সারোয়ার, যুগ্ম সম্পাদক মঈনুল হাসান, অর্থ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, দপ্তর সম্পাদক কাউসার আজম, নারী সম্পাদক মরিয়ম মনি, প্রচার সম্পাদক কামাল উদ্দিন সুমন, তথ্য প্রযুক্তি তোফাজ্জল হোসেন রুবেল, ক্রিড়া মাহবুবুল আলম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক  মিজান চৌধুরী, কল্যাণ সম্পাদক তানভীর আহমেদ।

সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন- মনির মিল্লাত, ইসমাইল হোসেন, মহসিন চৌধুরী, মোজাম্মেল হক তুহিন, কিরন শেখ, আলী ইব্রাহিম। 

উল্লেখ্য, বুধবার (৩০ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে রাজধানীর সেগুনবাগিচার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়, যা চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। 

এবারের নির্বাচনে ২০টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মোট ৪৩ জন। নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মনজুরুল আহসান বুলবুলসহ আরও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক দায়িত্ব পালন করেন।

ডিআরইউ নির্বাচন  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

ডিআরইউ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলছে

প্রকাশ: ১১:০০ এএম, ৩০ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

সাংবাদিকদের ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। বুধবার (৩০ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে রাজধানীর সেগুনবাগিচার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে এ ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

সকাল থেকেই ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের সরব উপস্থিতি দেখা গেছে। 

এবারের নির্বাচনে ২০টি পদের বিপরীতে প্রার্থী হয়েছেন মোট ৪৩ জন। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রার্থীরা শেষ মুহূর্তের প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মনজুরুল আহসান বুলবুলসহ আরও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক দায়িত্ব পালন করছেন।



মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

এবার ব্যাংকিং খাতে সংকট সৃষ্টির মিশনে ‘প্রথম আলো’

প্রকাশ: ০৬:০০ পিএম, ২৬ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

বাংলাদেশ গত কিছুদিন ধরে ব্যাংকে তারল্য সংকট নিয়ে গুজব এবং অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এই ব্যাপারটি শুরু হয়েছিল দুই সপ্তাহ আগে থেকে। সেদিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএনপির কয়েকজন নেতা এবং কিছু ব্যক্তি ব্যাংকে গিয়ে টাকা পাননি বলে মর্মে অভিযোগ করেছেন। এ অভিযোগে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে। তিনি তার ফেসবুক পেইজে একটি ব্যাংকে গিয়ে দুই লাখ টাকা পাননি বলে অভিযোগ করেছেন, যেখানে তার ব্যাংকের একাউন্টে টাকা ছিল মাত্র ৫ হাজার। কিন্তু বিএনপির অন্য দুই জন নেতার ব্যাপারে কোনো আলাপ-আলোচনাই হচ্ছেনা। বাংলাদেশে এখন গুজব ছড়ানো এবং সরকারকে চাপে ফেলার কৌশল হিসেবে প্রথমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করা হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটা অপপ্রচার ছড়িয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়। এরপর ওই বিষয়টি নিয়ে সুশীল সমাজের লোকজন কথাবার্তা বলেন এবং তারপর সুশীল সমাজ নিয়ন্ত্রিত দুটি মূলধারার গণমাধ্যম প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টার এ নিয়ে লাগাতার প্রতিবেদন প্রকাশ করে জনগণকে বিশ্বাস করতে বাধ্য করায় যে, একটি সংকট রয়েছে। পরবর্তীতে এটিকে একটি জাতীয় ইস্যু করা হয় এবং জোর করে একটি সংকট সৃষ্টির চেষ্টা লক্ষ্য করা যায়। যেমন- সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকে তারল্য সংকট নিয়ে। প্রথমে এটি নিয়ে গুজব ছড়ানো হলো। এরপর বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এবং বেসরকারি ব্যাংকগুলোর পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেওয়া হলো যে, ব্যাংকে কোনো তারল্য সংকট নেই। কিন্তু তারপরও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের গুজবকে এখন প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হচ্ছে এবং এই রূপ দেয়ার ক্ষেত্রে নেতৃত্ব নিয়েছে বাংলাদেশের সুশীল সমাজ নিয়ন্ত্রিত মাইনাস ফর্মুলার প্রবর্তক পত্রিকা প্রথম আলো।

প্রথম আলো গত ২২ নভেম্বর ‘খেলাপি ঋণ কমাতে হবে’ শিরোনামে লিড নিউজ প্রকাশিত হয়েছে। সেই সংবাদে বলা হয়েছে, ছয় সরকারি ব্যাংকে খেলাপি ঋণ ২৮ দশমিক ৬ শতাংশ, সেটিকে আইএমএফ শর্ত দিয়েছে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার। রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের আকার ছোট করতে বলা হয়েছেসহ বিভিন্ন আইএমএফের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। কিন্তু এই রিপোর্টের সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো যে, আইএমএফ যে শর্তগুলো দিয়েছে সেটি নিয়েই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু প্রতিবেদনে ঋণ খেলাপির বিষয়টিকে সামনে নিয়ে আসা হয়েছে যেন ব্যাংকিং খাতের প্রতি মানুষের অনাস্থা তৈরি হয়। পরেরদিন অর্থাৎ ২৩ নভেম্বর প্রথম আলো আরেকটি লিড নিউজ করেছে। সেটি হলো টাকাও এখন দামি হয়ে উঠছে, ব্যাংকে তারল্য পরিস্থিতি। এই শিরোনামের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে যে, মার্কিন ডলারের মতো টাকার দামও ধীরে ধীরে বাড়ছে। ব্যাংকগুলো আগের চেয়ে বেশি সুদে অন্য ব্যাংক থেকে টাকা ধার করছে। আবার কোনো কোনো ব্যাংক আমানতের সুদও বাড়াচ্ছে। এমন পরিস্থিতি হয়েছে মূলত ডলার বৃদ্ধি এবং সংকটের জন্য। কারণ, ডলার বিক্রি করে ব্যাংকগুলো থেকে প্রায় এক লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক তুলে নিয়েছে। অর্থাৎ এই প্রতিবেদনটি যদি কেউ ভালো মতো পড়ে তাহলে বুঝতে পারবে যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে গুজব ছড়ানো হচ্ছে তাকে পরিশীলিত ভাবে সত্য হিসেবে প্রমাণের চেষ্টা করা হয়েছে। পরোক্ষ ভাবে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে যে, ব্যাংকে তারল্য সংকট নেই বলে বাংলাদেশ ব্যাংক যেটি বলছে সেটি আসলে সঠিক নয়। ব্যাংকের তারল্য সংকট আস্তে আস্তে দৃশ্যমান হচ্ছে।

আর ২৪ নভেম্বর তৃতীয় রিপোর্টে ইসলামী ব্যাংকে ‘ভয়ংকর নভেম্বর’ হিসেবে একটি আলোচিত প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে ইসলামী ব্যাংক থেকে নভেম্বরে তুলে নেওয়া হয়েছে ২ হাজার ৪৬০ কোটি টাকা। সবমিলিয়ে তিন ব্যাংকের সন্দেহজনক লেনদেন নয় হাজার পাঁচশ কোটি টাকা। ইসলামী ব্যাংক আজ একটি বিবৃতিতে বলেছে যে, ইসলামী ব্যাংক লি: ৪০ বছর ধরে সুনামের সাথে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে এবং কোনো ঋণই ভৌতিক ঋণ দেওয়া হয়নি এবং ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকের ব্যবসায়িক স্থাপনা, চলতি মূলধনের প্রয়োজনীয়তা, ব্যবসায়িক দক্ষতা-অভিজ্ঞতা ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনাসহ ব্যাংকের বিনিয়োগ নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা অনুসরণ করেই বিনিয়োগ প্রদান করছে, এটি কোনো অস্বাভাবিক বা ভৌতিক ঋণ নয় বলে তারা জানিয়েছে। কিন্তু প্রথম আলো টানা তিনদিন তিনটি প্রতিবেদনের মধ্য দিয়ে কি প্রমাণ করতে চেয়েছে? তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে পরিকল্পিত গুজব ছড়ানো হচ্ছিলো যে ব্যাংকিং তারল্য সংকট সেটিকে একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার চেষ্টা করছে। মানুষ যেন ব্যাংকে টাকা না রাখে এবং ব্যাংকগুলো যেন গ্রাহকদের টাকা তোলার চাপে বিপর্যস্ত হয় সেই মিশনেই কি প্রথম আলো অংশীদার? অতীতের মতো আবার কি প্রথম আলো সেই বিরাজনীতিকরণ প্রক্রিয়াকে উস্কে দেওয়ার জন্য একের পর এক ব্যাংকিং খাতের সর্বনাশ ডেকে আনার চেষ্টা করছে?


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

অনলাইন মূল ধারার গণমাধ্যম কিনা সময়ই বলে দেবে: ফারুক আহমেদ

প্রকাশ: ০৬:২১ পিএম, ২৪ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

অনলাইন গণমাধ্যম মূল ধারার গণমাধ্যম কিনা তা সময়ই বলে দিবে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও প্রকল্প পরিচালক মো. ফারুক আহমেদ। তিনি বলেন, কথায় আছে ‘বৃক্ষ তোমার নাম কি ফলে পরিচয়।’ ঠিক তেমনি অনলাইন গণমাধ্যম মূল ধারার গণমাধ্যম কিনা তা সময়ই কথা বলবে। 

বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) জাতীয় গণমাধ্যম ইনিস্টিউটে আয়োজিত শিশু, কিশোর-কিশোরী ও নারী উন্নয়নে সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম প্রকল্পের আওতায় ‘কোভিড-১৯-এর প্রেক্ষাপটে শিশু অধিকার বিষয়ক অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ এবং সামাজিক ও আচরণ পরিবর্তনের গুরুত্ব কমিউনিকেশন প্রোগ্রামিং’-এর সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

জাতীয় গণমাধ্যম ইনিস্টিউট ও ইউনিসেফের যৌথ উদোগ্যে তিন দিনব্যাপী এই কর্মশালা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।



সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারের আহ্বান জানিয়ে মো. ফারুক আহমেদ বলেন, ‘আপনাদের তথ্যই সবার কাছে পৌঁছায়। তাই আপনারা নির্ভরযোগ্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে জনসাধারণের বিশ্বাসের জায়গায় পৌঁছে যাবেন।’ এ সময় তিনি ৫-১১ বছর বয়সী শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় করোনার টিকা দেওয়া প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের অতিরিক্ত মহাপরিচালক শাহিন ইসলাম বলেন, ‘গণমাধ্যম কর্মীদের দেশ ও জাতির প্রতি অনেক দায় রয়েছে। তাই উপস্থিত অনলাইন গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান, আপনারা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে দেশ ও জাতির কল্যাণে পাশে থাকবেন।’

অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন– জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের পরিচালক (প্রশিক্ষণ প্রকৌশল) ও সহকারী প্রকল্প পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম, কর্মশালা পরিচালক মো. আবুজার গাফফারী, কর্মশালা সমন্বয়ক মো. ফাইম সিদ্দিকী প্রমুখ।

অনলাইন গণমাধ্যম   মূল ধারা গণমাধ্যম   ফারুক আহমেদ   কর্মশালা   জাতীয় গণমাধ্যম ইনিস্টিউট  


মন্তব্য করুন


প্রেস ইনসাইড

কালের কণ্ঠের প্রধান সম্পাদক হলেন ইমদাদুল হক মিলন

প্রকাশ: ০৭:৩৫ পিএম, ২৩ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রধান সম্পাদক হলেন বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন। বুধবার (২৩ নভেম্বর) ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের উপদেষ্টা (প্রেস ও মিডিয়া) আবু তৈয়ব স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে প্রায় ১০ বছর ধরে ইমদাদুল হক মিলন কালের কণ্ঠের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। গত বছরের ৩ অক্টোবর তিনি ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের (ইডাব্লিউএমজিএল) পরিচালক নির্বাচিত হন। সে সময় থেকে তিনি ইডাব্লিউএমজিএলের ‘ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর’ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি কালের কণ্ঠের প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন।

নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পর ইমদাদুল হক মিলন বলেন, ‘দেশের অন্যতম শক্তিশালী গণমাধ্যম কালের কণ্ঠকে আরও এগিয়ে নিতে সকল কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে নতুন উদ্যমে কাজ করবো।’

ইমদাদুল হক মিলন ২০১১ সালের ৪ জুলাই কালের কণ্ঠের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হন। ২০১২ সালের ১০ জানুয়ারি পূর্ণাঙ্গ সম্পাদক পদে আসীন হন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর কালের কণ্ঠের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা ইমদাদুল হক মিলনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপ-সম্পাদক হায়দার আলী, ভিজুয়াল এডিটর মাহবুবুল হক, সহকারী সম্পাদক আলী হাবিব, বিজনেস এডিটর মাসুদ রুমী, অনলাইন ইনচার্জ গাউস রহমান পিয়াস, রেফারেন্স এডিটর জাহাঙ্গীর আলম সজীব, জ্যেষ্ঠ সহ-সম্পাদক মাহতাব হোসেন।

কালের কণ্ঠ   প্রধান সম্পাদক   ইমদাদুল হক মিলন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন