সোশ্যাল থট

পরীমণি ইস্যু নিয়ে যা বললেন মাসরুর আরেফিন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০২:৫৩ পিএম, ১৪ অগাস্ট, ২০২১


Thumbnail

পরীমনিকে নিয়ে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টায় সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন দীর্ঘ ফেসবুক স্ট্যাটাস দেন।

সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন দীর্ঘ ফেসবুক স্ট্যাটাসটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো:

অনেকেই আমাকে ফোন করে বলছেন, আমি যেহেতু ঝামেলায় আছি, আমার কোনো সাহায্য লাগলে আমি তার বা তাদের সাহায্য নিতে পারি। মানুষের এই মহানুভবতায় আমি মুগ্ধ। কিন্তু ধন্যবাদ—আমি কোনো ঝামেলায় নেই। আমাকে ইনবক্সে ম্যাসেজ পাঠানো, ফোনে সহায়তার হাত বাড়ানো—হ্যাঁ, আমি আপনার মানবিক বোধটুকুর প্রশংসা করি; কিন্তু না, আপনি ভুল বুঝছেন যে আমি ঝামেলায় আছি। 
এটাকে অ্যারোগেন্স হিসেবে নেবেন না। এটাই বাস্তব। যে-জিনিসের সঙ্গে আমার সামান্যতম যোগাযোগ নেই, সেই জিনিস নিয়ে আমার নামে খবর বের হওয়া আমার কাছে একটা শূন্য, একটা লাড্ডু, একটা ফক্কা, একটা বিগ জিরো, একটা বিগ নাথিং।

অতএব আমি মন দিয়ে অফিস করছি, প্লেনে পড়তে পড়তে আসা এডওয়ার্ড সাঈদের ‘হিউম্যানিজম অ্যান্ড ডেমোক্রেটিক ক্রিটিসিজম’ বইটা শেষ করছি, জেট ল্যাগে কিছুটা ভুগছি, উপন্যাস ‘আড়িয়াল খাঁ’ নিয়ে বসব বসব করছি, আর বন্ধু কথাসাহিত্যিক মশিউল আলমের জন্য ফিওদর দস্তয়েভস্কিকে নিয়ে লেখাটার প্রথমদিকের পাতাগুলি লিখেও ছিঁড়ছি আর ছিঁড়ছি।

এরই মধ্যে আমার শেষ পোস্টটা নিয়ে বেশ কিছু জিনিস পড়লাম ফেসবুকে (এখন ওসব পড়া পুরো বন্ধ করেছি যদিও)। জিনিসগুলো ভাবালো। যেমন:

১. আমি কী করে পরীমনিকে চিনি না, বা ‘বোট ক্লাব’ কাণ্ডের আগে কী করে আমি তার নামও শুনিনি?—শুনুন, আমি ঢঙ করে কথা বা ন্যাকামি ভরা ভালো-ভালো-লক্ষ্মী-লক্ষ্মী কথা বলার ধারে কাছের কোনো ক্যারেক্টার না। আমি তার নাম শুনিনি, তো আমি তার নাম শুনিনি। ব্যস। আমরা শাবানা-ববিতা-কবরী ছাড়িয়ে শেষমেশ শমী কায়সার-বিপাশা হায়াত পর্যন্ত ফলো করে হাঁপিয়ে যাওয়া জেনারেশন। এভাবে বাংলা রূপালী পর্দার সঙ্গে আমরা বহুদিন মোটামুটি সংযোগবিহীন। মাঝে নন-কমার্শিয়াল ভাল বাংলা ছবি যে কটা হয়েছে, তার সবই দেখেছি। কিন্তু সেসবের মধ্যে পরীমনি অভিনীত কোনো ছবি পাইনি, তাই দেখিনি। আপনারা দেখেছেন, আপনাদের সে প্রিয় নায়িকা, আপনারা তাকে চেনেন—ভাল কথা। আমি দেখিনি, আমার চেনার সময় হয়নি, আমার চেনার মতো কোনো চলচ্চিত্রে তিনি আসেননি, তাই আমি চিনি না। কথা শেষ।

২. সোশ্যাল মিডিয়ার প্রশ্ন এটাও যে, পরীমনির মতো বড় নায়িকাকে যিনি চেনেন না, তিনি আবার কী করে ‘সাহিত্যিক‘ হন? মানে, তাহলে সমাজের পালসটা তিনি কী করে ধরতে পারেন?—দেখুন, সমাজ একটা বিরাট কড়াই। তাতে থানকুনি পাতা দিয়ে খলসে মাছের ঝোলের সঙ্গে ভ্রাতৃত্ব ও বন্ধুত্ব সম্পর্কিত আপনার বিশ্বাস, মসজিদ ও মন্দির সংক্রান্ত আপনার ভাবনা, বেগুনের কাঁটার পাশ দিয়ে বেরিয়ে যাওয়া রিকশার স্পোক আর এই মুহূর্তে ডেন্টাল সার্জনের হাতে উঠে আসা আপনার দাঁত আর সেই হঠাৎ নেই-হয়ে-যাওয়া দাঁতের হু-হু করে ওঠা কান্না, সবটা, সবটা—মুদ্রাস্ফীতি-জিডিপি-মানইজ্জত-বার্থ কন্ট্রোল পিল-আর্মির ট্রাক-কোকিলের কুউউউইসহ সবটা—সেই কড়াইতে একসাথে রান্না হচ্ছে।

ওই বিশাল রান্নার কড়াইয়ে ফুটতে থাকা অতগুলো জিনিসের মধ্যে একটা মাত্র জিনিসের নাম ‘পরীমনি’। যাকে আপনি এ মুহূর্তে ‘দি পরীমনি ফেনোমেনন’-ও বলতে পারেন। মানে যার মধ্যে এই এখন আছে এক ব্যক্তি পরীমনির ওপর দিয়ে চলা সিস্টেমের গ্রাইন্ডিং মেশিনের গড়গড়গড়, যা এই এখন তাকে নিষ্ঠুরভাবে গুড়িয়ে-মাড়িয়ে-কেটে-চিড়ে-ছিঁড়ে দিচ্ছে। (এটাই হয়তো আপনার নৈতিকতার বিচারে ‘পরীমনি’ নামের এক চক্র বা বলয়ের লোভ ও লালসার যৌক্তিক পরিণতি।)

আবার ওই একই ‘পরীমনি’ ফেনোমেননের অন্যদিকে? অন্যদিকে আছে একগাদা জিভ-বের-করা, লোল-ফেলা, চকচকে বড় গাল ফুলিয়ে হাসতে থাকা কিছু লোক, যারা পরীমনিদের কাছে বেড়াতে গিয়ে কল রেকর্ডে ধরা, ভিডিওতে ধরা, এতে ধরা, তাতে ধরা।

তো, লেখক হিসেবে ওই কড়াইয়ের ‘পরীমনি’ নামের তরকারিটুকু চিনতে আমার এই নির্দিষ্ট ‘পরীমনি‘-কেই চেনা বাধ্যতামূলক না। ওই তরকারি মানবসভ্যতার প্রথম থেকেই কড়াইতে টগবগিয়ে ফুটতে থাকা এক তরকারি, স্বাদে যা চকলেটের খসখসে খোসার মতো, আবার ডালিম-ডালিমও (‘গিলগামেশ’-এ এক রাজা ডালিম খেতে খেতে একজন পা-খোঁড়া প্রজাকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘প্রজা, তোমার পায়ের অবস্থা কী?’ প্রজার উত্তর, ‘ডালিম-ডালিম।’—মানে রাজা মশাই, আমার পা-টা ভুজভুজ করছে, মানে বোমার মতো আপনার মুখ-গাল-ঘাড়-বুকজুড়ে ওটা ফেটেফুটে পড়বে।)

সমাজের কড়াইয়ের নির্দিষ্ট ‘পরীমনি’ নামের ওই ডালিম-ডালিম স্বাদের তরকারি নিয়ে আমার কোনো আগ্রহ নেই। সেটা এই অর্থে যে, ওই ডালিমের স্বাদ নেওয়াটা যার যার ব্যক্তিগত বিষয়, আমি তা সম্মান করি। আমি নৈতিকতার পণ্ডিত না, সুবিধাবাদী মানুষের সুবিধামতো বানানো ভাল-মন্দের কোনো পতাকাবাহকও আমি না।

এ ক্ষেত্রে কেবল এক জায়গায়ই সমস্যা আছে আমার, মানে যদি কথা ‘সত্যি’ হয়। সমস্যা এই যে, যারা ওই চক্রের হাতে পড়ে পরে ব্ল্যাকমেইলড্ হন, তারা যদি আবার রাষ্ট্রীয় কাজকর্ম বা রাষ্ট্রীয় ব্যবসায়ের সিদ্ধান্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মানুষজন হয়ে থাকেন, তাহলে সমূহ বিপদ। তাহলে বঞ্চিতের আরও বঞ্চিত হবার সম্ভাবনা। এর বাইরে আর কোনো বিপদ দেখি না—এর বাইরে ব্যক্তিস্বাধীনতার ওই ডালিমের সবটাই লাল, ওই তরকারির সবটাই তাজা স্বাদের।

৩. আমার নিজের গাড়ি নেই? এটা কেমন কথা? এ কেমন ন্যাকামি? সিটি ব্যাংক এমডির গাড়ি নেই?—ভাই ও বোনেরা, আমি মাইক্রোফোনে মুখ রেখে বলছি যে, আমার নিজের কোনো গাড়ি নেই। কথাটা আমাদের অনেক ব্যাংক এমডির জন্যই সত্য। ‘ব্যাংক এমডি’ শব্দ দুটো এদেশে হয়ে গেছে একটা গালি। এখন কোনো ব্যাংক এমডি যে আর্থিকভাবে সৎ মানুষ হতে পারেন, তা অবিশ্বাসযোগ্য এক বিষয়। কথা অবশ্য সেটা না। কথা হচ্ছে, ব্যাংকগুলো সাধারণত: একটা লেভেলের পর থেকে ফুলটাইম গাড়ি দেয় ড্রাইভার-তেল ইত্যাদিসহ। তাই গাড়ি কেনার আমার প্রয়োজন হয়নি। সে কারণেই বললাম, বেশ কজন এমডিরই নিজের গাড়ি নেই। নির্দিষ্ট করে সিটি ব্যাংক ডিএমডি হবার পর থেকে আপনাকে দেয় দুটো করে গাড়ি—একটা ডিএমডির নিজের চলার জন্য, একটা তার পরিবারের জন্য। এমডিরও তাই। অতএব আমার নিজের গাড়ি নেই। আর ভুলে যাবেন না আমি কথাটা কেন লিখেছিলাম? লিখেছিলাম এটাই বলতে যে, নিজের জন্য আজও একটা টয়োটা বা মারুতি কিনলাম না, আর আমি কিনা অন্য একজনকে পকেটের টাকা দিয়ে একবারে ৩ কোটি টাকার ‘মাসেরাতি’ কিনে দিলাম?

৪. এটা ওনার কোন্ ধরনের ন্যাকামি যে উনি বলছেন চাকরি জীবনের শেষে ব্যাংক থেকে ‘কার লোন’ নিয়ে উনি গাড়ি কিনবেন?—আপনি আমার এ কথায় বিশ্বাস করলেন কি করলেন না, তাতে আমার কিছুই যায় আসে না। আমার অর্থনৈতিক অবস্থা আমার অবস্থা, আপনার না। মোটামুটি ভাল একটা গাড়ির দাম আমার জানা আছে। আমি নিজেই ব্যাংকার হিসেবে ‘কার লোন‘-এর ব্যবসা করি। অতএব যা বলেছি, জেনেই বলেছি। আমার বেতন ‘বড়’ হতে পারে, বাংলাদেশের বিচারে তা ‘বড়’-ও বটে। আবার খরচও তেমনই বড়, ইনকাম ট্যাক্সও তেমনই বড়, জীবনে নেওয়া লোনগুলির কিস্তি তেমনই বড়, সাধারণ ঘর থেকে উঠে আসার কারণে দায়িত্ববোধের অন্য জায়গার অন্য খরচও তেমনই বড়। ‘ব্যাংক এমডিরা সব চোর’—ঢালাওভাবে এ কথা যেমন আপনার কথা, আপনার মনের অসুখ; তেমন ‘ব্যাংক এমডিরা সব বড়লোক’—ঢালাওভাবে এ কথাও আপনার এক হিংসাশ্রয়ী দগদগে কল্পনা, এক রগরগে শ্রেণীঘৃণা (যা নিয়ে আমার কোনোই আপত্তি নেই, যেহেতু ওটা ন্যায্য ঘৃণা)।

৫. সবচেয়ে বেশি বিচারের শিকার আমি হলাম এর আগের এক ‘নারী কেলেঙ্কারী’-তে আমার নাম থাকার কারণে। অনেকেই ভাবলেন, বাহ্, এই লোকের নাম তো আগেও এক নারী সম্বন্ধে বাজারে এসেছিল, অতএব পরীমনিকে গাড়ি কিনে দেওয়ার বিষয়টা এই লোকের বেলায় সত্য। 
আপনারা যারা আগের খবর ফলো করেছিলেন (প্রায় তিন বছর আগের কথা), তাদের জন্য আমি কিছুই বললাম না, শুধু এই লেখার নিচে কমেন্ট বক্সে আমার পুরোনো এক লেখার লিঙ্ক দিয়ে দিলাম। পড়ে নেবেন।

সিটি ব্যাংকে চাকরি করে কেউ দেশের জাতীয় সংসদের মিথ্যা বিজনেস কার্ড নিয়ে ঘুরবে, ব্যাংকের পাশাপাশি নিজের নামে ট্রেড লাইসেন্স করে ৪-৫টা ব্যবসা চালাবে (যার একটা আবার স্পষ্ট ‘চাকরি বাণিজ্য’— যেখানে পোস্টারের নিচে ব্যাংকিং কোচিং সেন্টারের যোগাযোগের ঠিকানায় থাকবে আপনার নিজের ইমেইল ঠিকানা) ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি, আর আমি ব্যাংক এমডি হয়ে কোনো ব্যবস্থা নেব না? আমি ব্যবস্থা নিতে একটুও দেরি করিনি। আর সেই প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া মাত্র আমি হয়ে গেছি ‘যৌন নির্যাতনকারী’। বাহ্। আমার সঙ্গে ‘ঘটা’ পরীমনি কাণ্ডের মতোই সেটা আরেক মহাকাণ্ড—এক সুতো প্রমাণ কিংবা একটা কারো কোনো সামান্যতম সাক্ষ্য বা সামান্যতম সারকামস্টেনশিয়াল এভিডেন্স ইত্যাদি কিছুর টুকরোটাও সেখানে নেই। অতএব রাষ্ট্রের আদালতে মামলাটা আমরা তিনজন ভিকটিম সেবার জিতেছিলাম।

এখন আপনারা বলছেন, এই লোকটার সাথেই এটা হয় কেন?

কী হয় কেন? আপনি কী করে জানেন যে ওই ঘটনাটা আমাকে নিয়ে হয়েছিল বলেই একদল লোক এবার ঠিক করেনি যে, এই ব্যাটার মাথাটাই পরীমনির গাড়ির মধ্যে ঠেসে ঢুকিয়ে দে, তাহলে লোকে খাবে?

বুঝছেন হয় কেন? মানুষ এইসব ‘রিপিট’ ফর্মুলায় বিশ্বাস করে বলেই হয়। এটাই হিউম্যান সোসাইটি, এটাই দ্য গ্রেট-গ্র্যান্ড-টগবগিং অ্যাট দ্যা বয়েলিং অ্যান্ড বার্স্টিং পয়েন্ট—দি বিউটিফুল হিউম্যান কড়াই।

আর কথা না বাড়াই। যারা আমার গত পোস্টে সাহিত্যিকের অহংকার দেখেছেন, তাদেরকে বলি যে, আমি আমার বইটাকে ‘সেরা’ বলিনি, বলেছিলাম ‘অন্যতম সেরা’ বা ‘অন্যতম প্রধান’। কিন্তু সাহিত্যিকের অহংকার আমার আসলেই আছে। সমাজের কড়াইতে ধাই-ধাই করে আগুন লেগে যাওয়ার আশঙ্কায় আমি ওই অহংকার একটু কম দেখাই।

আর যারা গত পোস্টে ‘আগস্ট আবছায়া’ উপন্যাস প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড বিষয়টা নিয়ে আসার মধ্যে আমার চালাকি দেখেছেন, তাদেরকে বলি—আপনি বাসায় ঘুমিয়ে আছেন, হঠাৎ টের পেলেন কিছু দুর্বৃত্ত আপনার বাথরুমের পাইপ বেয়ে একটা মাসেরাতি গাড়ি দড়িতে বেঁধে টেনে তুলছে, এবার আপনার ওই ঘুম-ঘুম অবস্থায়ই তারা আপনাকে হাত-পা বেঁধে সেই মাসেরাতিতে ঢোকাচ্ছে ঠেলে-ঠুলে-ধাক্কা মেরে-গুঁতিয়ে; আহ্, এরকম একটা দিন হঠাৎ আসুক আপনার জীবনে, তখন আপনি অনেক কিছু বলবেন—হয় ভয় থেকে, না হয় আবেগ থেকে।

‘আগস্ট আবছায়া’ ও ‘আন্ডারগ্রাউন্ড’ উপন্যাসের প্রধান কথা এই যে, নির্বিচার নৃশংসতা কারও ওপরেই না চলুক—দেশ নির্মাতার ওপরেও না, কোনো কবি ও কার্টুনিস্টের ওপরেও না। পরীমনিকে নিয়ে যা চলছে তা একটা রীতিমত সার্কাস, যা কিনা এভাবে চলতে থাকলে আমরা শিগগির ভাল্লুকের ডাক শিখে ফেলতে যাচ্ছি নিশ্চিত। ওই ডাকেরই ভদ্রস্থ নাম—সহিংসতা। সহিংস হয়েন না। মায়া রাখুন মানুষের প্রতি। এক নিৎশের ‘ডাক’ শুনে হিটলার হিটলার হয়েছিলেন। পরীমনি কাণ্ডে যা দেখছি তাতে মনে হচ্ছে সবার হাতে একটা করে জীবনানন্দ দাশের ‘রূপসী বাংলা’ তুলে দিই, যাতে করে নিস্তব্ধ দুপুরে চালতে গাছের ছায়ায় দাঁড়িয়ে চিলের ‘ডাক’ শোনার কল্পনা করে আপনি মাথা ঠাণ্ডা রাখতে পারেন।

ভালবাসা সবার জন্য, ব্যক্তিমানুষ পরীমনিসহ। ন্যায়বিচারই প্রাপ্য তার, আর প্রাপ্য—বিচারের আগেই ছিন্নভিন্ন না হয়ে যাওয়া। আইনের বিচারের আগেই কেউ যেন সমাজের বিচারের হাতে টুকরো না হয়ে যায়। কারণ এইটা ট্রাইবাল-নৃশংস-খুনি এক হায়েনা-গোত্রের, দাঁত ও জিভ বের করে বিকৃত নৃশংসতার প্রেমে পড়ে থাকা, ‘গ্রাম্য’ সমাজ।

পুনশ্চ: কাল সন্ধ্যায় সিটি ব্যাংক গুলশান থানায় জিডি করেছে, এখন বাকি আইনী কাজ চলছে। মিথ্যা দিয়ে এত লক্ষ মানুষের ভালবাসার প্রতিষ্ঠানকে আঘাত করে সেই আঘাতকে আবার প্রতিষ্ঠা করে রাখা যায় না। মিথ্যা মিথ্যাই।



মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

'দেয়ালে পিঠ ঠেকলে মানুষ এভাবেই সামনে এগিয়ে যায়'

প্রকাশ: ১২:০৮ পিএম, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail 'দেয়ালে পিঠ ঠেকলে মানুষ এভাবেই সামনে এগিয়ে যায়'

ইরানে হিজাব বিরোধী আন্দোলনে শোরগোল দুনিয়া জুড়ে। আর এই বিষয়টি নিয়ে শনিবার ( ২৪ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন।

তসলিমা নাসরিন এর ফেসবুক স্ট্যাটাসটি পাঠকদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরা হলো-

হিজাব বিরোধী আন্দোলনের ৫০ জনকে  এই দু'দিনেই  মেরে ফেলেছে ইরানের সিকিউরিটি ফোর্স। বাধ্যতামূলক হিজাবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে ইরানের মেয়েরা, নিজেদের হিজাব পোড়াচ্ছে, নিজেদের চুল কাটছে, নিজেদের মত নিজেদের মতো করে প্রকাশ করছে, এতে কার কী জ্বলে পুড়ে নষ্ট হয়ে গেল? জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মেয়েরা  আজ রাস্তায় ।

দেয়ালে পিঠ ঠেকলে, পেছনে যাওয়ার আর পথ না থাকলে,  মানুষ এভাবেই  সামনে এগিয়ে যায়। হারাবার কিছু আর অবশিষ্ট না থাকলে মানুষ এভাবেই ঝাঁপিয়ে পড়ে  কিছু অন্তত পাওয়ার জন্য। তারা ধন সম্পদ চাইছে না। শুধু মান ইজ্জত চাইছে।  নিজেদের প্রাপ্য অধিকারটুকু শুধু চাইছে। মানুষের মতো বাঁচার অধিকার। মাথা উচুঁ করে চলার অধিকার। নিতান্তই  যৌনবস্তু হিসেবে চিহ্নিত না হওয়ার অধিকার, নিজের  শরীর নিয়ে অস্বস্তিতে না পড়ার অধিকার, নিজের চুল, নিজের মুখ, নিজের হাত পা  লুকিয়ে না রাখার অধিকার। 

ইরানী মেয়েদের নিরলস সংগ্রাম  দেখে উপমহাদেশের হিজাবি নিকাবী বোরখাওয়ালী মেয়েদের লজ্জায় মাটির সঙ্গে মিশে যাওয়া উচিত। ঠিক ওদের মতো করে পুড়িয়ে দেওয়া উচিত তাদের হিজাব, নিকাব, বোরখা। আজ যদি ছুঁড়ে না ফেলে, একদিন আসবেই, যেদিন তারা ইরানের মেয়েদের মতোই  ছুঁড়ে  ফেলে দেবে তাদের হিজাব।  স্বতঃস্ফূর্তভাবেই হিজাব পোড়াবে। কেউ কেউ অবশ্য পোড়ানোর সময়ও পাবেনা। তার আগেই ধর্মপুলিশের হাতে  জীবন হারাবে। মাসা আমিনীর জন্য যেমন মিছিল হচ্ছে, তাদের জন্যও হবে। এই উপমহাদেশেই হবে।

তসলিমা নাসরিন  


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

জাতিসংঘের গুমের তালিকা নিয়ে প্রশ্ন জয়ের

প্রকাশ: ০৯:৫৮ এএম, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail জাতিসংঘের গুমের তালিকা নিয়ে প্রশ্ন জয়ের

জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের গুম বিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপ বাংলাদেশে ‘গুমের শিকার’ যে ৭৬ জনের তালিকা করেছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়।

বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) এক ফেইসবুক পোস্টে তিনি বলেছেন, তালিকায় থাকা ৭৬ জনের মধ্যে অনেকে বাংলাদেশে বসবাস করছে যার প্রমাণ মিলেছে। সেখানে দু’জন ভারতীয় নাগরিকের নাম আছে। আবার অনেক তালিকাভুক্ত পলাতক আসামির নাম রয়েছে এখানে। যার কারণে যেই এনজিওগুলোর ওপর নির্ভর করে জাতিসংঘের প্রতিবেদন তৈরি হয়েছে, সেই এনজিওসহ প্রশ্ন উঠছে খোদ জাতিসংঘের তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি নিয়ে। 

তালিকায় ২ জন ভারতের মনিপুর রাজ্যের বিচ্ছিন্নতাবাদী, নিষিদ্ধ সংগঠন ইউনাইটেড ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট-ইউএনএলফ এর শীর্ষ নেতা। একজন সংগঠনটির চেয়ারম্যান, অপরজন মেজর পদমর্যাদার। তারা হলেন- সানায়াইমা রাজকুমার ওরফে মেঘান ও কেইথেল্লাকপাম নবচন্দ্র ওরফে শিলহেইবা। 

প্রশ্ন হলো- জাতিসংঘের একটি গ্রুপ কীভাবে এত বড় ভুল করতে পারে? উত্তরটি সহজ- তারা শুধুমাত্র স্থানীয় বাংলাদেশ-ভিত্তিক এনজিওদের দ্বারা সরবরাহকৃত গুমের ঘটনাবলীকে তথ্য যাচাই না করেই প্রকাশ করেছে।

জাতিসংঘ   গুম   সজীব ওয়াজেদ জয়  


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

‘পাকিস্তান আমল ভালো ছিল’ -এ কেমন মানসিক প্রতিবন্ধীতা?


Thumbnail ‘পাকিস্তান আমল ভালো ছিল’ -এ কেমন মানসিক প্রতিবন্ধীতা?

বাংলাদেশ সকল সমস্যার সমাধান করে ফেলেছে, এ কথা কেউ বলবে না। পাশ্চাত্যের উন্নত দেশগুলোও ‘সকল’ সমস্যার সমাধান করতে পারেনি। বাংলাদেশতো এখনো ‘উন্নত’ দেশের যায়গায়ই পৌঁছেনি। আমরা স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশ হয়েছি। নিম্নআয়ের দেশ থেকে নিম্ন-মধ্যআয়ের দেশ হয়েছি। বিদেশিদের ঋণের ও দানের টাকার পরিবর্তে পদ্মা সেতুর মত বড় প্রকল্প নিজস্ব অর্থায়নে করতে পারার যোগ্যতা ও সক্ষমতা অর্জন করেছি। কিন্তু এখনো অনেক দুরের পথ বাকি, সব ঠিকঠাক থাকলে ২০৪১ সালে হয়তো উন্নত দেশ হবো, কিন্তু তারপরেও সকল সমস্যার সমাধান হবে না, কারণ তা হয় না। তবে, ২০ বছর আগের থেকে যেমন তুলনামূলকভাবে আমরা ভালো আছি, তেমনি ২০৪১ সালে উন্নত দেশ হতে পারলে বর্তমানের থেকে আরও ভালো থাকবে দেশের মানুষ।

২০ বছর আগের বাংলাদেশে অনেক মানুষের নুন আনতে পান্তা ফুরাতো, আর এখন আমরা এই বিশ্ব মন্দার মধ্যেও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও পুষ্টিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারিনি। অনেক ক্ষেত্রেই এখনো ঘাটতি আছে।

কিছুদিন আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন বাংলাদেশে সবাই বেহেশতে আছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে তার এই বক্তব্যের সমালোচনা করেছি। কারণ কথাটি সর্বৈব মিথ্যা। বর্তমান বাস্তবতায় বিশ্বের কোনো দেশই বেহেশতে নেই। এমনকি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও একদিন পরেই সুস্পষ্টভাবে বলেছেন, জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ফলে নিত্যপণ্যের দামও বেড়েছে, মানুষের কষ্ট হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রেই চ্যালেঞ্জ আছে আবার উন্নয়নও হয়েছে এবং হচ্ছে।

দারিদ্র্য বিমোচন ও টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ অর্থনীতিবিদগণের একজন এবং বিশিষ্ট উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ জেফ্রি স্যাক্স, যিনি দুই দশক ধরে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন এবং বর্তমানে কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন, তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নে শেখ হাসিনার অর্জনের প্রশংসা করছেন! তিনি বলেন, “২০১৫ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অগ্রগতিতে বিশ্বে প্রথম হয়েছে।”

সংসদে আওয়ামী লীগের একজন মন্ত্রী বলেছিলেন, মোট জিডিপি’র আকারে আমরা সিঙ্গাপুরকে ছাড়িয়ে গেছি। কথা সত্য, কিন্তু মাথাপিছু আয়ে আমরা সিঙ্গাপুর থেকে অনেক পিছিয়ে এখনো। সিঙ্গাপুর উন্নত দেশ, আমরা সবেমাত্র উন্নয়নশীল হওয়ার পথে। যদিও অনেকেই না বুঝেই এ বিষয় নিয়ে ট্রল করে। করোনা মহামারি ও যুদ্ধের বাস্তবতায়, আজকে বিশ্ব মন্দার মধ্যে পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোও জ্বালানি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে হিমশিম খাচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশ চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করছে, গত ১৩/১৪ বছরে অর্থনীতি শক্ত ভিত্তির উপরে না দাঁড়ালে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা অসম্ভব হয়ে যেত।

যাই হোক, শত প্রতিকূলতার মধ্যে দেশের উন্নয়ন হচ্ছে কিন্তু কিছু মানুষের মানসিকতার উন্নয়ন হচ্ছে না! যদিও পাকিস্তানের থেকে সকল অর্থনৈতিক সূচকে বাংলাদেশ এগিয়ে তারপরও কিছু লোক মনে করে পাকিস্তানই নাকি ভালো ছিল। পাকিস্তানের শিক্ষিত শ্রেণী যদিও কিছুদিন আগেও আকুতি করেছে পাকিস্তানকে অন্তত বাংলাদেশের মত বানিয়ে দিতে। আর, আমাদের মানসিক প্রতিবন্ধী বাংলাদেশের কিছু লোক উল্টো কথা বলছে। দুঃখজনক!


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

মানুষের মধ্যে সংবেদনশীলতার খুব অভাব লক্ষ করছি

প্রকাশ: ১১:৩১ এএম, ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail মানুষের মধ্যে সংবেদনশীলতার খুব অভাব লক্ষ করছি

দেশের ছট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। গত বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) তার ফেইসবুক প্রোফাইলে এক স্ট্যাটাসে বলেছেন যে, 'তিনি মানুষের মানুষের মধ্যে সংবেদনশীলতার খুব অভাব লক্ষ করছেন'। 

অভিনেত্রী শবনম ফারিয়ার ফেসবুক স্ট্যাটাসটি পাঠকদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরা হলো-

মানুষের মধ্যে সংবেদনশীলতার খুব অভাব লক্ষ করছি বেশ কিছুদিন যাবত! অকারনে শুধু অন্যের দোষ খোজা , অন্যের সমস্যা বের করা! বিশ্বাস করেন, ইলজিক্যাল্লি অন্যদের দুর্বলতা লক্ষ্য করে খোঁচা মূলক কথা লিখে ফেললেই আপনি বড় হয়ে গেলেন তা কিন্তু একদমই না ! 
আপনার মতো দুই-চারজন মুর্খ হয়তো সেইটায় লাইক দিবে!
কিন্তু যারা বোধ সম্পন্ন তারা আপনাকে বোধহীনই ভাববে!
দেখুন, লজিকেল ক্রিটিসিজম সবাই পছন্দ করে ! 
যে যেই জায়গায়ই পৌছে গেছে , সে তার যোগ্যতায়ই পৌছেছে!
কিন্তু অহেতুক আপনি বোরড, আপনার জীবনে কোন লক্ষ নাই , কোন এ্যচিভমেন্ট নাই , কিন্তু অন্য কেউ কিছু করলে আপনার ভাল লাগে না ! আপনি খুঁজতে থাকেন তাকে কিভাবে টেনে নিচে নামানো যায়! 
আপনার যদি অন্যদের কিছু ভাল না লাগে তাহলে আপনি ভাল একটা ডাক্তার দেখান ! আপনার চিকিত্সা প্রয়োজন! 
তাছাড়া ভাল কিছু এনজিও আছে যারা বিনা মুল্যে কাউন্সেলিং করে , তাদের সাথে যোগাযোগ করেন !
ভবিষ্যতে আপনারই ভাল হবে ! 
ফেসবুকে লিখতে লিখতে কবে যেন দেখবেন বাস্তবেও মুখ থেকে বাজে কথা বের হয়ে গেছে ! তখনতো খাবেন ধোলাই!

শবনম ফারিয়া   অভিনেত্রী  


মন্তব্য করুন


সোশ্যাল থট

কৌশিক গাঙ্গুলির 'লক্ষ্মী ছেলে' দেখে মনে হচ্ছিল ছেলেটি আমি

প্রকাশ: ০৮:৩৬ এএম, ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail কৌশিক গাঙ্গুলির 'লক্ষ্মী ছেলে' দেখে মনে হচ্ছিল ছেলেটি আমি

ভারতীয় চলচ্চিত্রের পরিচালক, অভিনেতা ও চিত্রনাট্যকার কৌশিক গাঙ্গুলির সদ্য মুক্তি পাওয়া 'লক্ষ্মী ছেলে' ছবিটি দেখে পর্যালোচনা করে নিজের মনোভাব শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেইসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন।

তসলিমা নাসরিন এর ফেসবুক স্ট্যাটাসটি পাঠকদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরা হলো-

কৌশিক গাঙ্গুলির লক্ষ্মী ছেলে দেখে এলাম। দেখতে দেখতে  মনে  হচ্ছিল লক্ষ্মী ছেলেটি আমি, আমার সঙ্গে ছেলেটির অদ্ভুত মিল । আমি যেমন সারাজীবন যে কথাটি বলা উচিত সে কথাটি বলেছি, যে কাজটি করা উচিত সে কাজটি করেছি, লক্ষ্মী ছেলেটিও তাই করেছে। যেমন আমি  সাত পাঁচ ভাবিনি, কী হবে না হবে ভাবিনি,   লক্ষ্মী ছেলেটিও তাই। আমি মিশে যাচ্ছিলাম চরিত্রটির সঙ্গে। কী অসাধারণ টপিক! সবার অভিনয়ই কী অসাধারণ!  কৌশিকের নতুন  ছবি এলেই প্রশ্ন জাগে, এবারের  ছবিও কি  তাঁর আগের ছবির মতোই ভালো? আমি বুঝি না একজন পরিচালক পর পর এত ভালো ছবি করেন কী করে? জগতবিখ্যাত বার্গম্যান,   কুব্রিক, কুরোসাওয়া, স্করসেস, ফেলিনি, তারকোভস্কি,  হিচককেরও সব ছবি ভালো হয়নি। কৌশিকের  মনে হচ্ছে সব ছবিই  ভালো।

লক্ষ্মী ছেলে দেখতে দেখতে ভাবছিলাম, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ইহুদিরা তাঁদের  কুসংস্কার, ধর্মীয় উন্মাদনা আর ধর্ম ব্যবসা  নিয়ে অনেক কালজয়ী ছবিই তো করলেন, মুসলমানরা কবে তাঁদের  ওসব নিয়ে ছবি করবেন?

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

কৌশিক গাঙ্গুলি   'লক্ষ্মী ছেলে'   মনে হচ্ছিল   ছেলেটি   আমি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন