টেক ইনসাইড

জিমেইলের যেসব অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলার সিদ্ধান্ত

প্রকাশ: ১২:১৮ পিএম, ২২ মে, ২০২৩


Thumbnail

চলতি মে মাসে সতর্কতা জারি করে কিছু অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জিমেইল কর্তৃপক্ষ। যে নিয়ম বহাল ছিল, তার সময়সীমা ২০২৩ সালে থেকে পরিবর্তন হয়েছে। 

এতে বলা হয়, কোনও ব্যক্তির যদি জিমেইল অ্যাকাউন্ট থেকে থাকে, সে ব্যক্তি যদি দুই বছরের বেশি সময় ধরে অ্যাকাউন্টটি ব্যবহার না করে, তাহলে গুগল  কর্তৃপক্ষ সেই অ্যাকাউন্টগুলো মুছে দেবে। নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্টগুলোর জন্য উপলব্ধ থাকা নীতিতে একটি সংশোধনী ঘোষণা করেছে এই সংস্থা। 

ব্যবহারকারীদের জিমেইল অ্যাকাউন্ট প্রত্যেক ২৪ মাস অন্তর অন্তত একবার করে লগ ইন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সকলের পুরানো গুগল  অ্যাকাউন্টগুলো পরীক্ষা করার পরামর্শও দিয়েছে গুগল। গুগলের একটি নিয়ম আগে থেকেই প্রযোজ্য ছিল যে, অ্যাকাউন্টগুলোর ডেটা, যা দুই বছর ধরে ব্যবহার করা হয়নি, তা সম্পূর্ণরূপে মুছে ফেলা হতে পারে, কিন্তু সেই নিয়মে এখন পরিবর্তন আনা হয়েছে।

গুগলের পক্ষ থেকে দেওয়া সম্প্রতি একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ডেটার ঝুঁকি কমানোর জন্য আমরা আমাদের সমস্ত প্রোডাক্টের ক্ষেত্রে গুগল অ্যাকাউন্টের নিষ্ক্রিয়তার মেয়াদ দুই বছর বাড়িয়ে দিচ্ছি। এই বছরের (২০২৩ সালে) শেষের দিকে, গুগল একটি অ্যাকাউন্ট এবং তার সমস্ত ডেটা মুছে ফেলতে পারে, যার মধ্যে গুগল ওয়ার্কসেপস (জিমেইল, ডক্স, ড্রাইভ, মিট, ক্যালেন্ডার), ইউটিউব এবং গুগল ফটো সবই অন্তর্ভুক্ত থাকছে। যদি সেগুলো কমপক্ষে দুই বছর ধরে ব্যবহার না করা বা সাইন ইন না করা হয়ে থাকে, তাহলে সেগুলো পুরোপুরি মুছে দেওয়া হবে।”

গুগল বিভিন্ন ধরনের আচরণের উপর ভিত্তি করে অ্যাকাউন্টের কার্যকলাপ ট্র্যাক করে, যার মধ্যে গুগল ড্রাইভ ব্যবহার করা, ইউটিউব ভিডিও দেখা, গুগল প্লে স্টোর  থেকে অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করা, অনুসন্ধান করা বা যেকোনও অ্যাপ বা পরিষেবাগুলোর জন্য গুগল-এর সাথে সাইন ইন করা। সেগুলোর সমস্ত কাজ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

এই নতুন নীতি চালু হওয়ার পরে গুগল  এমন অ্যাকাউন্টগুলোতে ফোকাস করা শুরু করবে, যেগুলো খোলা হয়েছিল, কিন্তু আর কখনও ব্যবহার করা হয়নি। নিষ্ক্রিয় গুগল  অ্যাকাউন্টগুলোর একেবারে বাতিল হয়ে যাওয়া এড়াতে, ব্যবহারকারীদের অবশ্যই গুগলের পরিবর্তিত নীতিগুলো সম্পর্কে আপডেট রাখতে হবে ।



মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

মাইক্রোসফটকে টপকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোম্পানি এনভিডিয়া

প্রকাশ: ০৫:২৬ পিএম, ১৯ জুন, ২০২৪


Thumbnail

বর্তমানে বিশ্ব প্রযুক্তিনির্ভর। প্রযুক্তি ছাড়া একটা দিনও যেন কল্পনা করা যায় এ যুগে। আর এই প্রযুক্তিসম্পন্ন দুনিয়ায় বর্তমানে সবচেয়ে বেশি চাহিদাও বেড়েছে টেক পণ্যের। আর সেই চাহিদা অনুযায়ী বিশ্ব বাজারে প্রতিযোগিতা চলছে টেক কোম্পানিগুলোর মধ্যে।

দীর্ঘদিন যাবত টেক দুনিয়ার রাজা হিসেবে পরিচিত মাইক্রোসফট ছিল বিশ্বের সবচেয়ে দামি কোম্পানি। তবে কিছুদিন পূর্বে তাদের ছাড়িয়ে গিয়েছিল অ্যাপল। কিন্তু মাইক্রোসফটের সাথে প্রতিযোগিতায় বেশিদিন টিকতে পেরেছিল না তারা। কিছুদিন পরই আবারও নিজেদের শীর্ষস্থান দখলে নিয়েছিল মাইক্রোসফট।

কিন্তু সম্প্রতি মাইক্রোসফটকে টপকে গেছে এআই চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়া। বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে দামি কোম্পানি এখন এটি। যার বাজারমূল্য প্রায় ৩.৩৩৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার।

জানা গেছে, গতকাল (মঙ্গলবার) চিপমেকার প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার ৩.৫ শতাংশ বেড়ে ১৩৫.৫৮ ডলারে পৌঁছায়। চলতি বছরেই এনভিডিয়ার শেয়ারের মূল্য বেড়েছে ১৮২ ভাগ। আর গত বছর কোম্পানিটির শেয়ারের মূল্য বেড়েছিল তিনগুণ।

এদিকে মাইক্রোসফট ও অ্যাপলের শেয়ারের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। এদের শেয়ারের মূল্য যথাক্রমে ০.৪৫ শতাংশ এবং ১.১ শতাংশ কমেছে।

এনভিডিয়া ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটির মতো এআই মডেলগুলি চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় ডেটা সেন্টারে ব্যবহৃত এআই চিপের প্রায় ৮০ শতাংশ সরবরাহ করে। ১৯৯৯ সালে স্টক মার্কেটে আত্মপ্রকাশের পর থেকে কোম্পানিটির শেয়ার ৫৯১,০৭৮ শতাংশ বেড়েছে।

অর্থাৎ একজন বিনিয়োগকারী যিনি ১৯৯৯ সালে কোম্পানিটিতে ১০ হাজার ডলার বিনিয়োগ করেছেন আজ তার মূল্য হবে ৫৯,১০৭,৮০০ ডলার।

এনভিডিয়া প্রথম কয়েক দশক কাটিয়েছে মূলত কম্পিউটার গেমের জন্য চিপ তৈরিতে ফোকাস করে। কিন্তু ২০০০-এর দশকে প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াং কোম্পানির গেমিং ছাড়াও অ্যাপ্লিকেশনগুলিতে ব্যবহারের জন্য জিপিইউ'র বিকাশে ব্যাপকভাবে বিনিয়োগ করার নির্দেশ দেন। এটি এআইয়ের উত্থানে বেশ কার্যকরী হিসেবে কাজ করে।

কোম্পানিটির উত্থানে বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছে হুয়াং। ফোর্বসের মতে, তার মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১১৭ বিলিয়নেরও বেশি।


এনভিডিয়া   মাইক্রোসফট   প্রযুক্তি  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

লোকেশন হিস্ট্রি মুছে ফেলবে গুগল

প্রকাশ: ১২:৩১ পিএম, ০৯ জুন, ২০২৪


Thumbnail

বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে অজানতেই অনেকের ব্যক্তিগত তথ্য জমা হয়ে যাচ্ছে গুগলে। যার মধ্যে রয়েছে গুগল লোকেশনও। যদিও সার্চ ইঞ্জিন সংস্থাটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য যতটা সম্ভব মুছে ফেলা হবে। সেই কথা রাখতে চলেছে সুন্দর পিচাইয়ের তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা। এবার ব্যবহারকারীদের লোকেশন হিস্ট্রি স্থায়ীভাবে ডিলিট করবে গুগল।

গুগল জানিয়েছে, গত ডিসেম্বর পর্যন্ত সমস্ত পুরনো লোকেশন হিস্ট্রি তারা রেখে দেবে। কিন্তু এর পরই সব মুছে দেয়া হবে চিরতরে। তার আগে ব্যবহারকারীরা চাইলে অবশ্যই সেই সব তথ্যের ব্যাক আপ রাখতে পারবেন।

যে কারণে গুগলের এমন সিদ্ধান্ত

সার্চ ইঞ্জিন সংস্থাটির পক্ষ থেকে কোনো নির্দিষ্ট কারণ জানানো না হলেও বলা হয়েছে, ব্যবহারকারীদের লোকেশন সংক্রান্ত তথ্য তাদের ব্যক্তিগত। তা সুরক্ষিত গোপনীয় ব্যবহারকারীদের নিয়ন্ত্রণাধীন রাখতেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ গুগল। সেই সঙ্গে দাবি করা হয়, ‘মনে রাখবেন, গুগল ম্যাপ আপনাদের তথ্য কাউকে কখনওই বিক্রি করেনি। এমনকী বিজ্ঞাপনদাতাদেরও নয়।


লোকেশন   গুগল  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

বৈতনিক ছুটির দাবিতে ধর্মঘটে গেলেন স্যামসাং কর্মীরা

প্রকাশ: ০৭:৩৬ পিএম, ০৭ জুন, ২০২৪


Thumbnail

বৈতনিক ছুটির দাবিতে ধর্মঘটে গিয়েছেন স্মার্টফোন ইলেকট্রনিক্স পণ্যের আন্তর্জাতিক জায়ান্ট স্যামসাংয়ের কর্মীরা। দক্ষিণ কোরিয়াভিত্তিক এই কোম্পানিটির ইতিহাসে এই প্রথম কর্মী ধর্মঘটের ঘটনা ঘটল।

শুক্রবার (৬ জুন) থেকে ধর্মঘট শুরু করেছেন স্যামসাংয়ের কর্মীরা। কোম্পানির শ্রমিক ইউনিয়ন ন্যাশনাল স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট সোন -মোক এএফপিকে বলেন, ‘বৈতনিক ছুটির দাবিতে আমরা ধর্মঘট শুরু করেছি এবং কোম্পানি কর্তৃপক্ষ আমাদের দাবি মেনে নেওয়ার আগ পর্যন্ত এই ধর্মঘট চলবে।কোম্পানির অনেক কর্মী ধর্মঘটে যোগ দিয়েছেন বলেও দাবি করেছেন সোন- মোক।

এদিকে এএফপি জানিয়েছে, শুক্রবার সকালে স্যামসাং ইলেক্ট্রনিক্সের কার্যালয়ে ধর্মঘটের সমর্থনে মিছিল করেছেন মাত্র  ১০ জন কর্মী। শ্রমিক ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট সোন -মোক জানিয়েছেন, আপাতত এক দিনের ধর্মঘট পালন করছেন তারা। কোম্পানি যদি দাবি না মানে, সেক্ষেত্রে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবে ইউনিয়ন।

স্যামসাং কর্তৃপক্ষের একটি সূত্র  এএফপিকে প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমরা ইউনিয়ন নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করছি। কর্মীদের দাবি অবশ্যই কোম্পানি পর্যালোচনা করবে। তবে এই ধর্মঘটে কিন্তু খুব বেশিসংখ্যক কর্মী নেই।


স্যামসাং   কর্মী  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

হোয়াটসঅ্যাপের ৭১ লাখ অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার কারণ কি?

প্রকাশ: ০১:৫৪ পিএম, ০৫ জুন, ২০২৪


Thumbnail

বর্তমানে দ্রুত যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে সারাবিশ্বেই ক্রমাগত বাড়ছে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা। আর তাই মেটার মালিকানাধীন এই প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহারের অভিজ্ঞতা ভালো করতে একের পর এক ফিচার নিয়ে আসছে। তবে সেই সাথে নিয়ম ভঙ্গ করলে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতেও সময় নেয় না প্ল্যাটফর্মটি। 

ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তার জন্যই এমন ব্যবস্থা হোয়াটসঅ্যাপের। এবার ভারতে ৭১ লাখ অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিল হোয়াটসঅ্যাপ।

হোয়াটসঅ্যাপ জানায়, ১ এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে ৭১ লাখ ৮২ হাজার অ্যাকাউন্টের উপর  তারা  নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। যার মধ্যে ১৩ লাখ ২ হাজার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়েছে ব্যবহারকারীদের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ আসার আগেই। আপত্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে এই আশঙ্কায় আগেভাগেই এই অ্যাকাউন্ট গুলো বন্ধ করা হয়েছে। 

প্রতিষ্ঠানটির দাবি, তথ্যপ্রযুক্তি আইন মেনে এই প্ল্যাটফর্মের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড এবং ইউজারদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি আরো জানায়, এপ্রিল মাস জুড়ে বিভিন্ন ইস্যুতে সাড়ে ১০ হাজারেরও বেশি অভিযোগ পেয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ। 

উল্লেখ্য, ভারতে এখন হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫০০ মিলিয়নের বেশি। তাই এই অ্যাপ ব্যবহার করে প্রতারণার জালও বিস্তৃত হচ্ছে। এর ফলে প্রতি মাসে দফায় দফায় অ্যাকাউন্ট বন্ধ করছে হোয়াটসঅ্যাপ।


হোয়াটসঅ্যাপ  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল জোড়া লাগছে ৭ জুন

প্রকাশ: ১২:৫৯ পিএম, ০৩ জুন, ২০২৪


Thumbnail

আগামী জুন চূড়ান্তভাবে জোড়া লাগবে কুয়াকাটায় অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল সিমিইউ- এর সিঙ্গাপুর প্রান্তের ব্যান্ডউইথ। এরপর থেকে আবারো সিমিইউ- থেকে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা সরবরাহ শুরু হবে।

সোমবার ( জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যান্ডউইডথ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মির্জা কামাল আহমেদ।

তিনি বলেন, সবশেষ আপডেট অনুযায়ী আগামী জুন (শুক্রবার) সিমিইউ- এর সিঙ্গাপুর প্রান্তের ছিঁড়ে যাওয়া ব্যান্ডউইথ জোড়া লাগবে। সাবমেরিন ক্যাবল কর্তৃপক্ষ এমন তথ্যই আমাদের জানিয়েছে। এটি জোড়া লাগলে এরপর থেকে আবারও নিরবচ্ছিন্ন ব্যান্ডউইডথ সেবা সরবরাহ শুরু হবে। একইসাথে ইন্টারনেটের যে সামান্য ধীরগতি রয়েছে সেটিও কেটে যাবে। তবে এখন তেমন সমস্যা নেই। কারণ কক্সবাজারে অবস্থিত ল্যান্ডিং স্টেশন থেকে সাবমেরিন ক্যাবল সিমিউই- এর মাধ্যমে ব্যান্ডউইডথ সেবা চলমান রয়েছে।

মূলত, চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল (শুক্রবার) দিবাগত রাত ১২টায় বিএসসিপিএলসির আওতাধীন দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল সিমিইউ- সিঙ্গাপুর থেকে পশ্চিম প্রান্তে ইন্দোনেশিয়ার জলসীমায় আকস্মিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে সিমিইউ- কনসোর্টিয়াম ইন্দোনেশিয়ায় সমুদ্রের তলদেশে ক্যাবল মেরামতের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়। কনসোর্টিয়ামের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী আগামী জুন ক্যাবলটির পুনঃসংযোগ কাজ সম্পন্ন হবে।


সাবমেরিন ক্যাবল  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন