টেক ইনসাইড

ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ-ইন্সটাগ্রামে আসলে কী ঘটেছিল?

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৪:৩৪ পিএম, ০৫ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

সোমবার রাতে থেকে ছয় ঘণ্টার জন্য বিশ্বের ব্যবহারকারীরা ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ বা ইন্সটাগ্রাম ব্যবহার করতে পারেননি।

ওয়েবসাইট বা স্মার্টফোন কোন ডিভাইস দিয়েই ফেসবুকের মালিকানাধীন এই মাধ্যমগুলোতে ঢোকা যাচ্ছিল না।

ডাউনডিটেক্টার নামে যে প্রযুক্তি দিয়ে এই মাধ্যমগুলোর ব্যবহার ট্র্যাক করা যায়, তারা জানিয়েছে, তাদের দেখা এটাই সবচেয়ে বড় বিভ্রাট।

কী কারণে এরকম ব্যাপক সমস্যার মুখে পড়েছে ফেসবুক?

একটি বিবৃতিতে ফেসবুক এই সমস্যার জন্য কারিগরি ত্রুটিকে দায়ী করেছে।

সংস্থাটি ওই বিবৃতিতে সমস্যার বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছে।

ফেসবুক বলছে, যে ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের সঙ্গে ফেসবুকের তথ্যভাণ্ডারের সংযোগ তৈরি হয়, সেই সিস্টেমের (ব্যাকবোন রাউটার) কনফিগারেশনে কিছু পরিবর্তন করার কারণে বিশ্বব্যাপী এই সমস্যার তৈরি হয়েছে।

নেটওয়ার্ক ট্রাফিকে সমস্যা তৈরি হওয়ার কারণে ফেসবুকের তথ্যভাণ্ডারের (ডাটা সেন্টার) সঙ্গে যোগাযোগে সমস্যা তৈরি করে। যে কারণে ফেসবুক সেবা বন্ধ হয়ে যায়।

কীভাবে সেটা ঘটেছে, তা পরিষ্কার করেনি ফেসবুক।

ফেসবুক জানিয়েছে, তাদের কার্যক্রম আবার শুরু হয়েছে। পুরো কার্যক্রম চালু করতে তাদের চেষ্টা চলছে।

ডাউনডিটেক্টার নামে যে প্রযুক্তি দিয়ে এই মাধ্যমগুলোর ব্যবহার ট্র্যাক করা যায়, সেটি হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারে প্রায় ৮০ হাজার সমস্যার রিপোর্ট পেয়েছে এবং ফেসবুকের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা ৫০ হাজারের বেশি।

যারা এই বিভ্রাটের কারণে সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন, একটি টুইট বার্তায় তাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছে ফেসবুক।

অজ্ঞাতনামা ফেসবুক সূত্রের বরাত দিয়ে রেডিট জানিয়েছে, নেটওয়ার্কে পরিবর্তনের কারণে ফেসবুকের প্রকৌশলীরা রিমোটলি সমস্যার সমাধান করতে পারছিলেন না। ফলে সমাধান হতে বেশি সময় লেগেছে।

বিবিসির উত্তর আমেরিকার প্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদদাতা জেমস ক্লিটন বলছেন, অনেক ক্ষেত্রেই এরকম সমস্যার দ্রুত সমাধান সম্ভব হয়। তবে ফেসবুকের এই সমস্যা সমাধানে যে সময় লেগেছে, তা খুবই বিরল।

``জানা যাচ্ছে, সমস্যা সমাধানে ফেসবুক সদর দপ্তরের প্রকৌশলীরা হিমশিম খাওয়ায় সেখানে হতাশা ছড়িয়ে পড়েছিল।``

``ফেসবুক যে বিবৃতি দিয়েছে, সেটাও খুব সতর্কভাবে লেখা হয়েছে। সেখানে অসৎ উদ্দেশ্যের বিষয়টিও ফেসবুক উড়িয়ে দেয়নি,`` তিনি বলছেন।

এ বছরের শুরুর দিকে ডিএনএস সমস্যার কারণে বেশ কয়েকটি বড় ওয়েবসাইট সমস্যায় পড়েছিল।

ফেসবুকের এই সমস্যা এমন সময় ঘটলো, যার একদিন আগে প্রতিষ্ঠানের সাবেক একজন কর্মী ফ্রান্সিস হোগেন সিবিএসকে দেয়া একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ফেসবুক `নিরাপত্তার চেয়ে ব্যবসার` প্রতি বেশি গুরুত্ব দেয়। তিনি ফেসবুকের অনেক গোপন নথিপত্রও ফাঁস করেছে।

দীর্ঘ সময় ধরে এ ধরণের ব্যাপক মাত্রার বিভ্রাট খুবই বিরল।

সর্বশেষ ২০১৯ সালে ফেসবুক এবং তাদের অন্যান্য অ্যাপে সমস্যা হওয়ার কারণে বিশ্বব্যাপী গ্রাহকরা ১৪ ঘণ্টার বেশি সময় ব্যবহার করতে পারেননি। সূত্র: বিবিসি

 



মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

বিশ্বব্যাপী হুমকির মুখে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা?

প্রকাশ: ১১:০০ এএম, ২৯ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

গতকাল বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে পালিত হয়েছে ‘ডাটা প্রাইভেসি ডে’ বা ‘আন্তর্জাতিক তথ্য সুরক্ষা দিবস’। দিবসটি উপলক্ষে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন সংগঠন ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে। জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা আঙ্কটাডের তথ্যমতে, বিশ্বের ১৯৪টি দেশের মধ্যে ১২৮টিতে তথ্য সুরক্ষা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার আইন রয়েছে। অন্যান্য দেশের মতো আমাদের সংবিধানের ৪৩ (খ) নম্বর অনুচ্ছেদেও প্রাইভেসি রাইটস বা ব্যক্তির তথ্য সুরক্ষা ও গোপনীয়তা মৌলিক মানবাধিকার হিসেবে স্বীকৃত। তবে সংবিধানে তথ্য সুরক্ষা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার রক্ষার কথা বলা থাকলেও প্রতিনিয়ত লঙ্ঘিত হচ্ছে ব্যক্তির গোপনীয়তা। ব্যক্তিগত রেষারেষিতে ফোনালাপ ফাঁস থেকে শুরু করে অডিও-ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং মুহূর্তেই তা পৌঁছে যাচ্ছে কোটি মানুষের হাতের নাগালে। রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিক, কারও ব্যক্তিগত গোপনীয়তাই আর নিরাপদ থাকছে না। বিশেষ করে দুনিয়া ডিজিটাল যুগে প্রবেশ করার পর ব্যক্তিগত সব তথ্য চলে যাচ্ছে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর কাছে। পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি খাতেও নানাভাবে মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। ব্যক্তি কোন তথ্যটি দেবেন, বা ব্যক্তির কাছে কতটা তথ্য চাওয়া যায়, সেই বোধ তৈরি না হওয়ার কারণে ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা অনেকটাই হুমকির মুখে রয়েছে বলে মনে করেন সামাজিক ও ডিজিটাল নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

কিছুদিন আগে সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের একটি টেলিফোন আলাপ ফাঁস নিয়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছিল । সেই ফোনালাপ ফাঁসের জেরে শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিত্বও খোয়াতে হয় তাকে। এর আগেও একাধিক রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের টেলিফোন আলাপ ফাঁস হওয়ার ঘটনা ঘটে। শুধু ফোনালাপ নয়, টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অনেকের একান্ত ব্যক্তিগত অডিও-ভিডিওসহ নানা তথ্য প্রকাশের ঘটনাও জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের দু’বছর আগের ফোনালাপ কে বা কারা ফাঁস করলো, এ নিয়ে এখনও তদন্ত করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সাম্প্রতিক সময়ে ফোনালাপ ফাঁসের এই প্রবণতা ব্যাপক হারে বেড়ে যাওয়ায় রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে সাধারণ পর্যায়ের অনেকেই জরুরি বা ব্যক্তিগত নানা আলাপের ক্ষেত্রে ফোনে কথা না বলে বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করছেন। পাশাপাশি এর সুরক্ষায় এবং নিরাপত্তার বিষয়ে আইন কি বলে, সে নিয়েও আলোচনা চলছে রাজনৈতিক অঙ্গনে। বাড়তে থাকা এ প্রবণতা সংবিধানে একজন নাগরিকের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করার নিশ্চয়তার লঙ্ঘন বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

যেভাবে লঙ্ঘিত হয় ব্যক্তিগত গোপনীয়তা

ব্যক্তি পর্যায় থেকে শুরু করে নানাভাবে লঙ্ঘিত হয় ব্যক্তিগত গোপনীয়তা। প্রথমত, বিশ্বব্যাপী ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা বা তার সম্ভাব্য অপব্যবহার নিয়ে সাধারণ নাগরিকের ধারণার ঘাটতি রয়েছে। আমরা আপন ভেবে অনেককেই অনেক কিছু বলি, সরল বিশ্বাসে অনেক কিছু করি। গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সবচেয়ে বেশি লঙ্ঘিত হয় কাছের মানুষ দ্বারা। কোনো কিছুতে বনিবনা না হলেই দেখা যায় গোপন বিষয়গুলো বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয় অথবা ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। স্বামী-স্ত্রী, প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে বিচ্ছেদ হলে একে অপরকে হেয় করার জন্য নিজেদের ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও অনলাইনে ছেড়ে দেওয়ার মতো ঘটনাও অহরহ ঘটে থাকে। এর পাশাপাশি ব্যক্তিগত বিষয়গুলোকে জিম্মি করে মানসিকভাবে নির্যাতনও করার উদাহরণও শত শত। কিছু ক্ষেত্রে নিজের অজান্তে হ্যাকারদের মাধ্যমেও গোপনীয় যেকোনো কিছুই অনলাইনে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ফেসবুকে এবং অন্যান্য যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের অনেক ব্যক্তিগত তথ্য আমরা প্রকাশ করে থাকি। এ থেকেও লঙ্ঘিত হতে পারে নিজেদের গোপনীয়তা। আবার নিজেদের ফোন নম্বর, ই-মেইল, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর এসবও নানাভাবে বিভিন্ন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কাছে চলে যায় ব্যক্তিগত তথ্য। আমাদের আত্মরতি আর লোভকে পুঁজি করে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যক্তির তথ্যকে বাণিজ্যিক বা ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করে। আমরা নিজেরাই স্বপ্রণোদিত হয়ে প্রায় সব তথ্য দিয়ে থাকি। সেগুলোর বিশ্লেষণে ওই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আমাদের মনস্তত্ত্ব নিজেদের থেকেও ভালো জানে।

ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিয়ে বাংলাদেশের আইন কি বলছে?

কোনো ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া তার ব্যক্তিগত ফোনালাপের রেকর্ড করা ও তা ইন্টারনেটসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া বাংলাদেশের সংবিধান ও প্রচলিত আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ। সংবিধানের ৪৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রত্যেক নাগরিকের ‘চিঠিপত্রের ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার’ রয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইনের ৭১ ধারায় টেলিফোনে আড়িপাতাকে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ৭১ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি যদি অপর দুই জন ব্যক্তির টেলিফোন আলাপে ইচ্ছাকৃতভাবে আড়ি পাতেন, তা হলে প্রথমোক্ত ব্যক্তির, এই কাজ হবে একটি অপরাধ এবং তার জন্য তিনি অনধিক ২ (দুই) বৎসর কারাদণ্ডে বা অনধিক ৫ (পাঁচ) কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। 

তবে এসব আইন অবশ্য শর্ত প্রযোজ্য। ধারা ৯৭-ক এর অধীন সরকার হতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত গোয়েন্দা সংস্থা, জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা, তদন্তকারী সংস্থা বা আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে নিয়োজিত সংস্থার কোন কর্মকর্তার ক্ষেত্রে এই ধারার বিধানাবলি প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ আইনের ৯৭-ক ধারায় রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার জন্য এ কাজের বৈধতা দেওয়া হয়েছে। তবে আইন অনুসারে এসব কাজের জন্য সংস্থাগুলো কর্তৃপক্ষ হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অথবা প্রতিমন্ত্রীর অনুমতি নিতে হবে। যদিও এ আইনে কাদের ফোনে আড়ি পাতা যাবে, কত দিন পর্যন্ত তা করা যাবে, এসবের কোনো উল্লেখ নেই। 

সামাজিক ও ডিজিটাল নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাষ্ট্র নিরাপত্তার জন্য চাইলে আড়ি পাততে পারে। পৃথিবীর সব দেশেই এ সংক্রান্ত আইন আছে। বিশেষ করে নাইন-ইলেভেনের পর পৃথিবীর সব রাষ্ট্রই সনাতনী ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে ব্যক্তি পর্যায়ে আড়ি পাতার বিধিবিধান করেছে। কিন্তু এগুলো প্রচার করার অধিকার কারোর-ই নেই। কিন্তু দেশে হরহামেশাই ব্যক্তিগত ফোনালাপের রেকর্ড ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। প্রভাবশালী রাজনীতিক, বিশিষ্ট ব্যক্তি, সরকারি আমলা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত বা গোপনীয় ফোনালাপও রেকর্ড এবং ফাঁস হচ্ছে। বিশেষ করে রাজনীতিবিদদের একাধিক ফোনালাপ ফাঁস হয়েছে। সবশেষ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর দুই বছর আগের ব্যাক্তিগত ফোনালাপ ফাঁস হয়ে গেল। এর আগে রাজনীতিবিদ মেয়র জাহাঙ্গীরের ফোনালাপ ফাঁস হয়েছিল। এর আগে নিক্সন চৌধুরীর ফোনালাপ ফাঁস হয়েছিল। তারও আগে মামুনুল হক। সমাজেও এর চাহিদা আছে। বিশেষ করে বেআইনী, অশালীন, অনাকাঙ্খিত ঘটনাগুলো মানুষের মধ্যে কৌতুহল সৃষ্টি করে। মানুষকে সুড়সুড়ি দেয়। এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। বেআইনী বিষয়গুলো থেকে আমাদের মধ্যে কিছু মানুষ বিনোদন পায়। এগুলো কোনোভাবেই উৎসাহ দেওয়া উচিত নয় এবং এগুলো বন্ধ করা উচিত বলেও মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

ব্যক্তিগত গোপনীয়তা   আন্তর্জাতিক তথ্য সুরক্ষা দিবস   মানবাধিকার  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

উড়ার অনুমোদন পেলো ‘এয়ারকার’

প্রকাশ: ০২:৩৯ পিএম, ২৭ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

স্বপ্ন হলো বাস্তব। রাস্তায় চলতে চলতে এখন আকাশে উড়ে যেতে পারবে চার চাকার গাড়ি। রাস্তার জ্যামে বসে আর বিরক্ত বা সময় নষ্ট হবে না। আপনি চাইলেই গাড়ি নিয়ে উড়ে যেতে পারবেন আকাশে এবং জ্যাম ছাড়া অনায়াসে পৌছে যেতে পারবেন আপনার গন্তব্যে। হ্যা এটাই সত্যি, গাড়ির দুনিয়াতে হলো আরও একটি মাইলফলক। সম্প্রতি স্লোভাকিয়ার দ্য স্লোভ্যাক ট্রান্সপোর্ট অথোরিটি একটি উড়ুক্কু গাড়িকে সার্টিফিকেট দিয়েছে। জানা গেছে, হাইব্রিড এই গাড়িটি বিএমডব্লিউর ইঞ্জিনে তৈরি এবং সাধারণ পেট্রল পাম্পের পেট্রোলে চলে বা উড়ে! এটা ২ মিনিট ১৫ সেকেন্ড সময় নেয় গাড়ি থেকে উড়ুক্কু গাড়ি বা এয়ারকারে পরিণত হতে।

পরীক্ষামূলক উড্ডয়নের সব ক’টি ধাপ সফলভাবে শেষ করায় এই অনুমতি দেওয়া হয় বলে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল বুধবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে। বলা হয়েছে, ‘এয়ারকার' নামের হাইব্রিড বাহনটি রাস্তাও চলতে পারে। তিন মিনিটেরও কম সময়ে এটা গাড়ি থেকে আকাশে ওড়ার বাহনে পরিণত হতে পারে। শুধুমাত্র একটি বোতামে চাপ দিয়ে রূপান্তরের কাজটি শুরু করা যায় বলে জানা গেছে।

আকাশে উড়ার অনুমতি পেতে এয়ারকারকে পরীক্ষামূলকভাবে প্রায় ৭০ ঘণ্টা উড়তে হয়েছে। এই সময় ২০০ বারের বেশি টেকঅফ ও ল্যান্ডিং করেছে সেটি।আকাশে ওড়ার জন্য এয়ারকারের মাত্র ৩০০ মিটার রানওয়ে প্রয়োজন। ঘণ্টায় ১৭০ কিলোমিটার বেগে চলতে পারে এয়ারকার। যেতে পারে প্রায় এক হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত।

স্লোভাকিয়ার দ্য স্লোভ্যাক ট্রান্সপোর্ট  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

গুগুলের ছবি সার্চে আসছে পরিবর্তন

প্রকাশ: ০৮:১২ পিএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বিশ্বের জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল। আপনার যখন যা ইচ্ছা সাথে সাথে জানতে পারছেন এক ক্লিকের মাধ্যমেই। পুরো বিশ্বের সব তথ্যই এখন আপনার স্মার্টফোনে পেয়ে যাবেন। তবে এখন শুধু তথ্যই নয় ছবিও খোঁজা যায় গুগলে। 

এবার সেই ছবি খোঁজা ব্যবহারকারীদের জন্য আরও বেশি সহজ করছে সার্চ ইঞ্জিন গুগল। পরিবর্তন আসতে চলেছে গুগল সার্চ রেজাল্টে। মোবাইল অ্যাপ ও ডেস্কটপ ভার্সন উভয় ক্ষেত্রেই পরিবর্তন আনা হচ্ছে। মোবাইল থেকে কেউ ব্রাউজারের মাধ্যমে ইমেজ সার্চ করেন তাহলেও যে রেজাল্ট আসবে সেখানেও বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা যাবে।

এরইমধ্যে অ্যান্ড্রয়েডের কয়েকজন গুগল ব্যবহারকারীর কাছে নতুন এই পরিষেবা পাঠানো হয়েছে। যেখানে ইমেজ সার্চ ডিজাইনের উপর বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা গেছে। নতুন সার্চ রেজাল্ট যখন শো করবে তখন একটি থিম দেখা যাবে। এবিষয়ে একটি মোবাইল স্ক্রিনশট শেয়ার করেছে ৯টু৫গুগল।

তাতে দেখা গেছে স্ক্রিনের অর্ধেকটা জুড়ে থাকবে ইমেজ সার্চ রেজাল্ট প্রিভিউ। তবে X বাটনটি যেখানে থাকে সেখান থেকে সরিয়ে অন্য জায়গায় করা হয়েছে। এরসঙ্গে নতুন একটি আইকন যোগ করা হয়েছে। কোনো ওয়েবসাইট থেকে ইমেজটি নেওয়া হয়েছে সেই ওয়েবসাইটের নামও দেখাবে।

এ ছাড়াও রিলেটেড ইমেজ সেকশনেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। রিলেটেড ইমেজ সেকশনটি ব্যবহারকারী চাইলেই এক্সপ্যান্ড করতে পারবেন। অন্যদিকে স্ক্রিনের উপরে অংশে প্রিভিউ রেজাল্ট দেখালেও নিচের অংশে থাকবে রিলেটেড ইমেজ। ওই অংশটির জন্য একটি বিশেষ থিম রাখা হয়েছে। এছাড়াও ভিজিট বাটনটি একদম নীচের ডানদিকে রাখা হতে পারে।

সূত্র: ৯টু৫গুগল


গুগল   সার্চ ইঞ্জিন  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

সুবর্ণজয়ন্তীর অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

প্রকাশ: ০৭:২২ পিএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে সুবর্ণজয়ন্তী অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়েছে। একইসঙ্গে উদ্বোধন করা হয়েছে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর ওয়েবসাইটও। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটি এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে।

মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের আইসিটি টাওয়ারের বিসিসি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সুবর্ণজয়ন্তী ওয়েবসাইট ও সুবর্ণজয়ন্তী অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতার  উদ্বোধন করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। এসময় উপস্থিত ছিলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক।

আয়োজকরা জানান, সুবর্ণজয়ন্তী অনলাইন কুইজের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আরও সহজভাবে ও দ্রুত তুলে ধরতেই এই আয়োজন করা হয়েছে। এর আগেও আইসিটি বিভাগ থেকে সফলভাবে অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়, যেগুলো তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সেই ধারাবাহিকতায় এবং মুক্তিযুদ্ধের সঠিক গৌরব, ঐতিহ্য ও বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক আদর্শ ও দর্শন সম্পর্কে তরুণ প্রজন্মের মাঝে তুলে ধরতেই এই আয়োজন।

অনুষ্ঠানে এই আয়োজনের বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। প্রতিযোগিতায় ভাষা আন্দোলন, ছয় দফা, আগরতলা ষড়যন্ত্র, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, মহান মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীন বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনাদর্শ, বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন, দীর্ঘ মুক্তিসংগ্রাম ও স্বাধীনতার পথে অভিযাত্রা, বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধ, বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার, বাংলাদেশ বিনির্মাণ, ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প, ডিজিটাল বাংলাদেশের অর্জন, রূপকল্প ২০৪১, স্বাধীনতার শতবর্ষ ২০৭১, ডেল্টা প্ল্যান ২১০০, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী, বাংলাদেশের অর্জন এবং সব ধরনের ই-সেবা এসব বিষয়ে নানা প্রশ্ন থাকবে।

২৫ জানুয়ারি থেকে ২৫ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত সুবর্ণজয়ন্তী অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতার জন্য নিবন্ধন করা যাবে। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া যাবে। প্রতিযোগীর জন্যে সময় থাকবে যেকোনো ২৬ মিনিট।

মোট তিন ক্যাটাগরিতে এই কুইজ প্রতিযোগিতা হবে। https://bangladesh50.gov.bd সাইটে গিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। একজন প্রতিযোগী একবারই অংশগ্রহণ করতে পারবেন। অনুষ্ঠানে এই ওয়েবসাইটেরও উদ্বোধন করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, করোনার কারণে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধুকে যেভাবে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার কথা ছিল, আমরা সেভাবে তুলে ধরতে পারিনি। বঙ্গবন্ধুর চিন্তা-চেতনা কেবল বর্তমান ঘিরে ছিল না। তিনি ভবিষ্যৎ নিয়েও চিন্তা করতেন। তার কন্যাও ১০০ বছরের ডেল্টা প্ল্যান করেছেন। মানুষ করে ৫ বছরের পরিকল্পনা, বঙ্গবন্ধু ও তার কন্যা করেন ১০০ বছরের।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা বিভিন্ন দাবি করি। কিন্তু কোনো কিছুর সমাধান দেই না। বঙ্গবন্ধু তার ভাষণে সবকিছুর সমাধান দিতেন। একইভাবে বঙ্গবন্ধুকন্যাও কোনো সমস্যা বা দাবি থাকলে তার সমাধান বাতলে দেন।

অনুষ্ঠানে আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সুবর্ণজয়ন্তী   অনলাইন কুইজ   উদ্বোধন  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

আগামী মাসেই আসছে স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি এস২২ সিরিজ

প্রকাশ: ০৫:১৮ পিএম, ২৫ জানুয়ারী, ২০২২


Thumbnail

স্যামসাং কোম্পানি গ্যালাক্সি সিরিজের নতুন ফোন উন্মোচন করতে যাচ্ছে আগামী মাসে। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি স্যামসাংয়ের আনপ্যাকড ইভেন্টে গ্যালাক্সি এস২২ সিরিজের ফোন আসছে তিনটি অপশনে—গ্যালাক্সি এস২২, এস২২ প্লাস ও এস২২ আল্ট্রা। সর্বনিম্ন ৮৪৯ ইউরো থেকে ১ হাজার ৪৪৯ ইউরোয় পাওয়া যাবে গ্যালাক্সি সিরিজের ফোনগুলো। ১০৮ মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি ক্যামেরা থাকছে গ্যালাক্সি এস২২তে।   

স্যামসাং কোম্পানির তরফে একটি ভিডিও টিজারও লঞ্চ করা হয়েছে। সেই ভিডিও টিজারে দেখা যাচ্ছে আপকামিং গ্যালাক্সি আনপ্যাকড ইভেন্ট সম্পর্কে। সেই ভিডিওতে বেশি কিছু না জানানো হলেও বলা হয়েছে, পরের মাসেই অর্থাৎ ফেব্রুয়ারিতেই সেই গ্যালাক্সি আনপ্যাকড ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে এবং সেই অনুষ্ঠানেই লঞ্চ করা হতে পারে নতুন ফোন। স্যামসাং সংস্থার গ্যালাক্সি আনপ্যাকড ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হতে পারে ৮ ফেব্রুয়ারি নাগাদ। সূত্র মারফত পাওয়া খবর অনুযায়ী, ৮ ফেব্রুয়ারি স্যামসাং কোম্পানির গ্যালাক্সি আনপ্যাকড ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার পরে ৯ ফেব্রুয়ারি চীনে লঞ্চ করা হতে পারে স্যামসাং গ্যালাক্সির নতুন এস সিরিজের ফোন।

স্যামসাং কোম্পানির নতুন এস সিরিজের ফোনে রয়েছে উন্নত ফিচার। পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, ওশেনিয়া এবং উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার জন্য স্যামসাং কোম্পানির নতুন এস সিরিজের ফোনে ব্যবহার করা হতে পারে স্ন্যাপড্রাগন ৮ জেন ১ চিপসেট ও এক্সিনোস ২২০০ চিপসেট। এছাড়া ইউরোপ, পশ্চিম এশিয়া, আফ্রিকা, মিডল-ইস্ট এশিয়ার জন্য স্যামসাং কোম্পানির নতুন এস সিরিজের ফোনে ব্যবহার করা হতে পারে এক্সিনোস ২২০০ চিপসেট। এ কোম্পানির নতুন এস সিরিজের ফোনে রয়েছে আধুনিক ও উন্নত ফিচার। এর মধ্যে রয়েছে শক্তিশালী ক্যামেরা, উন্নত চিপসেট ও আধুনিক ব্যাটারি।

স্যামসাংয়ের আগামী গ্যালাক্সি আনপ্যাকড ইভেন্টেই ঘোষণা করা হতে পারে স্যামসাং গ্যালাক্সির নতুন এস সিরিজের কী কী ফোন লঞ্চ করা হবে। যদিও সূত্র মারফত পাওয়া খবর অনুযায়ী জানা যাচ্ছে যে স্যামসাং লঞ্চ করতে চলেছে তাদের নতুন স্মার্টফোন স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২২, গ্যালাক্সি এস২২প্লাস ও গ্যালাক্সি এস২২ আল্ট্রা।

গ্যালাক্সি এস২২ পাওয়া যাচ্ছে দুটি অপশনে; ৮/১২৮জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম পড়বে ৮৪৯ ইউরো এবং ৮/২৫৬জিবি ভ্যারিয়েন্টের ৮৯৯ ইউরো। এস২২ প্লাসের ৮/১২৮ জিবি ও ৮/২৫৬ জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম পড়ছে যথাক্রমে ১০৪৯ ও ১০৯৯ ইউরো। এস২২ আল্ট্রা পাওয়া যাচ্ছে তিনটি ভ্যারিয়েন্টে; ৮/১২৮ জিবি, ১২/২৫৬ জিবি ও ১২/৫১২জিবি ভ্যারিয়েন্টের দাম পড়ছে যথাক্রমে ১২৪৯, ১৩৪৯ ও ১৪৪৯ ইউরো।


স্যামসাং   নতুন সিরিজ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন