টেক ইনসাইড

পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র: কতটা নিরাপদ হবে বাংলাদেশের প্রথম নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট?

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০৯:৫৮ পিএম, ০৯ অক্টোবর, ২০২১


Thumbnail

বাংলাদেশে পাবনার রূপপুরে নির্মাণাধীন পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম রিয়্যাক্টর প্রেসার ভেসেল বা চুল্লি উদ্বোধন হচ্ছে রোববার। পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালুর বা কমিশনিং প্রক্রিয়ায় এই চুল্লী স্থাপন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। পরমাণু বিজ্ঞানীরা রিএ্যাক্টর প্রেসার ভেসেলকে পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের `হার্ট বা হৃৎপিণ্ড` বলে থাকেন।

রূপপুরের এই পারমাণবিক চুল্লি নির্মিত হয়েছে রাশিয়ায়। ভিভিআর-১২০০ মডেলের এই রিয়্যাক্টরে পরমাণু জ্বালানি পুড়িয়ে মূল শক্তি উৎপাদন হবে এবং ১২শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে। রূপপুরের প্রথম ইউনিট ২০২৩ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করতে পারবে বলে ধারণা দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

পরমানু বিজ্ঞানী এবং আন্তর্জাতিক আনবিক শক্তি সংস্থার সাবেক বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শহীদ হোসেন বলেন, "এই রিয়্যাক্টর স্থাপনের মধ্যে দিয়ে বলা যায় কমিশনিং প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেল।"

রূপপুর কেন্দ্রে দুটি ইউনিটে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে প্রাথমিকভাবে ১ লক্ষ ১৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি খরচ ধরা হয়েছে। বাংলাদেশে একক প্রকল্প হিসেবে এটি সবচেয়ে বড় কোনো অবকাঠামো প্রকল্প। মহামারির মধ্যেও এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ২৫ হাজার শ্রমিক দিনরাত সেখানে কাজ করছেন।

কী নিয়ে এতো ভীতি ও উদ্বেগ?

জলবায়ু পরিবর্তনের কথা চিন্তা করে বর্তমানে বিশ্বে নবায়নযোগ্য শক্তির ওপরে যে জোর দেয়া হচ্ছে পারমাণবিক শক্তি তার অন্যতম একটি উৎস। তবে এইসব পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চুল্লীর নিরাপত্তা নিয়ে সবসময় কিছুটা উদ্বেগ থেকেই যায়।

কারণ পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুর্ঘটনার ব্যাপারে একটা ভীতি সবসময় কাজ করে অনেকের মধ্যেই। বিশেষজ্ঞরা বলেন, এ ভয়ের প্রবণতা আছে বিশ্বব্যাপী।

আন্তর্জাতিক আনবিক সংস্থার সাবেক একজন বিজ্ঞানী ড. শহীদ হোসেন বিবিসিকে বলেন, "ভয়টা কমেনি। ভয়টা অনেক সময় না জানার কারণেও হয়।"

"যারা এসব কেন্দ্রের কাছে থাকে, তাদের মধ্যে ভয় কম কিন্তু দূরে যারা থাকে - দেখা যায় তাদের ভয় বেশি। আর যেহেতু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কয়েক স্তরে নিরাপত্তা বলয় সৃষ্টি করা হয়, এ কারণেও অনেকে চিন্তা করেন নিরাপদ যদি হবে, তাহলে এত নিরাপত্তা বলয় কীসের জন্য।"

মি. হোসেন জানান, "এছাড়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে অনেক মতবাদ আছে যেমন রিয়্যাক্টরকে কখনোই বিশ্বাস করা যাবে না। এসব কারণেও ভীতি কমেনি।"

নিরাপত্তার জন্য কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে?

সবশেষ ফুকুশিমা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দুর্ঘটনাসহ বিশ্বে এ পর্যন্ত পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে তিনটি বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। পারমাণবিক কেন্দ্রে দুর্ঘটনায় তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়লে দীর্ঘমেয়াদে এর প্রভাব থাকে বলেই বিশ্বব্যাপী পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে ভয় এবং আতঙ্ক।

তবে ফুকুশিমায় দুর্ঘটনার পর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দুর্ঘটনা ঝুকি কমাতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে। রাশিয়ার ভিভিআর ১২০০ মডেলের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে দুর্ঘটনা রোধে ৫টি স্তরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা রয়েছে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান বলেন, সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোন ছাড় দিচ্ছে না বাংলাদেশ।

"প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্পষ্ট অবস্থান হলো অতিরিক্ত অর্থ খরচ করে হলেও নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো ছাড় দেয়া যাবে না। যে কারণে নিরাপত্তাকেই আমার সবচেয়ে গুরত্ব দিয়েছি।"

মি. ওসমান বলেন, "আমরা এখানে কো-ক্যাচার নামে একটি বাড়তি জিনিস লাগিয়েছি যেটা ফুকুশিমার ঘটনার পর আবিস্কৃত হয়ে অলরেডি চালু হয়ে গেছে। নতুন যে প্ল্যান্ট হয়েছে দুটোতে এই ব্যবস্থা লাগানো হয়েছে আমাদেরটি তৃতীয়।"

কো-ক্যাচার ব্যবস্থা সম্পর্কে মি. ওসমান ব্যাখ্যা করে বলেন, "কো-ক্যাচার বসানো হয়েছে খোদা না চায় যদি ওরকম কোন ঘটনা ঘটেও তাহলে পুরো দূষিত জিনিসটা গলে নিচে পড়ে যাবে। "

"একটা কুয়ার মতো যেটার মধ্যে পড়ে ওটা সিল হয়ে যাবে। অর্থাৎ তেজস্ক্রিয়তা ছড়াবে না। এবং এটার স্লোগানই হলো মেইক মোর সেইফ, মোর সেইফ অ্যান্ড মোর সেইফ। এবং আমরাতো একেবারে লেটেস্টটাই নিচ্ছি।"

প্রতিটি পর্যায়ে দরকার তদারকি ও মান যাচাই - বিশেষজ্ঞ

বর্তমান প্রযুক্তির পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিজ্ঞানীদের অনেকেই আশ্বস্ত। তবে নির্মাণের প্রতিটি পর্যায়ে মান যাচাই এবং তদারকি প্রয়োজন রয়েছে।

ভিয়েনায় অবস্থানরত পরমাণু বিজ্ঞানী ড. শহীদ হোসেন বলেন, "মেইন ইস্যুগুলো যেমন এই প্রেসার ভেসেল একটা মেইন ইস্যু, তারপরে পাম্প আছে অনেক, পাম্পের অনেক ভালভ আছে, সেসব জিনিসগুলো আমাদের দেখতে হবে তৈরির সময় ঠিকমতো তৈরি হচ্ছে কিনা। তাতে কোন ফল্ট আছে কিনা।"

"সেগুলোর জন্য আমাদের লোকতো এত পারদর্শী নয়, তাই আমাদের আবার সাহায্য নিতে হচ্ছে রাশিয়ার কাছ থেকেই। "

তবু যে চ্যালেঞ্জগুলো থেকেই যায়

এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম এ বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে ভবিষ্যতের কিছু চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে বলেন, এগুলো গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

"পাওয়ার প্ল্যান্ট রেডি করে রাখলাম, কিন্তু গ্রিডের ফ্রিকোয়েন্সির হেভি ফ্লাকচুয়েশনের কারণে যদি আমরা বিদ্যুৎ কেন্দ্র না চালাতে পারি, সেটাও চ্যালেঞ্জ হতে পারে।"

তিনি বলেন, "তাহলে গ্রিড সেভাবে নির্মিত হচ্ছে কি হচ্ছে না? অপারেটর তৈরি করা একটা চ্যালেঞ্জ, ফুয়েল হ্যান্ডলিং, ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট একটা চ্যালেঞ্জ। এছাড়া ইমারজেন্সি রেসপন্স - এগুলোর জন্য রেগুলেটর বডিতে যারা আছেন, তাদেরকে আরো দক্ষ হতে হবে, অভীজ্ঞ হতে হবে।"

এদিকে নিরাপত্তা নিশ্চিত হলে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকে পরিবেশ বান্ধব হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

বর্তমান বিশ্বে একদিকে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে সরে আসার প্রবণতা যেমন আছে, আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ঠেকাতে পরমাণুকে তেল কয়লার মতো ফসিল ফুয়েলের বিকল্প জ্বালানি হিসেবেও দেখছে অনেক দেশ।

রূপপুরের পর দেশের দক্ষিণাঞ্চলে আরো একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা আছে বাংলাদেশের। সূত্র: বিবিসি বাংলা



মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

টিকটকের নতুন ক্যাম্পেইন ‘সাবধানে অনলাইনে’

প্রকাশ: ১০:৫০ এএম, ০১ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

শীর্ষস্থানীয় শর্ট ভিডিও প্ল্যাটফর্ম টিকটক বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে অনলাইনে নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে জাগো ফাউন্ডেশনের সঙ্গে ‘সাবধানে অনলাইনে’ নামে নতুন ক্যাম্পেইন চালু করেছে। ছয় মাসব্যাপী এই ক্যাম্পেইনের লক্ষ্য দেশের তরুণদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা এবং প্ল্যাটফর্মটির দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হয়রানি, কেলেঙ্কারি, জালিয়াতিসহ সাইবার অপরাধের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং অনলাইন নিরাপত্তা সম্পর্কে তরুণদের আরও বেশি জানাতে, টিকটক ও জাগো ফাউন্ডেশন রাজশাজী ও রংপুর বিভাগের ১৬ জেলায় স্থানীয় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ও তরুণদের নিয়ে দিনব্যাপী কর্মশালা আয়োজন করবে।

কর্মশালার পাশাপাশি অনলাইন নিরাপত্তা সেশনের মাধ্যমে স্থানীয় যুব সম্প্রদায়কে তথ্যও দেওয়া হবে। এই ইন্টারেক্টিভ সেশনে ইন্টারনেটের নিরাপদ ব্যবহার, সোশ্যাল মিডিয়ার নানামুখী ব্যবহার, সাইবার বুলিং থেকে কীভাবে নিরাপদ থাকা যায় এবং যুব উন্নয়নে ইতিবাচক কনটেন্ট তৈরির গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হবে। সেসব জেলায় অনলাইন নিরাপত্তা সেশনের অংশ হিসেবে, অংশগ্রহণকারীদের তাদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল থেকে ভিডিও কনটেন্ট তৈরি এবং শেয়ার করার দায়িত্ব দেওয়া হবে। মূলত এর মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়ার ইতিবাচক নিরাপদ ব্যবহারের প্রতি উৎসাহিত করা হবে।

এই কর্মশালায় অংশ নিতে নিবন্ধন করতে ভিজিট করুন https://www.jaago.com.bd/shabdhane-online এই ওয়েবসাইটে। ক্যাম্পেইনটি ১৬ জেলা থেকে কয়েক’শ তরুণ সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার এবং কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ক্ষমতায়ন করবে; সেই সঙ্গে প্রকল্পটির মাধ্যমে তাদের বৃহৎ পরিসরে সেগুলো প্রচার করবে।


টিকটক   ক্যাম্পেইন   অনলাইন নিরাপত্তা  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

তথ্য চুরি করছে ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপ

প্রকাশ: ০৮:৫১ এএম, ৩০ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

কাওকে মেসেজ করা কিংবা কল করার জন্য অত্যান্ত জনপ্রিয় অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ। কিন্তু কিছু প্রতিষ্ঠান ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপ তৈরি করে সাধারণ মানুষের তথ্য চুরি করছে। এ ব্যাপারে ইতিমধ্যে সবাইকে সতর্ক করেছে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ।

তৃতীয় পক্ষের তৈরি এই ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপগুলো দেখতে আসল হোয়াটসঅ্যাপের মত হওয়ায় অনেকেই সেগুলো নামিয়ে ব্যবহার করেন। ফলে তাদের ইন্টারনেট পাসওয়ার্ড, ব্যাংক একাউন্ট নম্বরসহ বিভিন্ন তথ্য চুরি হয় যা চলে যায় সাইবার অপরাধীদের হাতে। অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলা মুঠোফোনের পাশাপাশি আইফোনের তথ্যও চুরি করতে পারে ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপগুলো।

হোয়াটসঅ্যাপ জানিয়েছে, ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপগুলো ব্যবহারকারীদের অতিরিক্ত সুবিধা ব্যবহারের প্রলোভন দেখায়। ফলে অনেকেই নতুন সংস্করণ ভেবে অ্যাপগুলো নামিয়ে ব্যবহার করেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তৈরি অ্যাপগুলো হোয়াটসঅ্যাপের নীতিমালা বা নিরাপত্তাব্যবস্থা সমর্থন করে না। ফলে এগুলো ব্যবহার করলে তথ্যের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তাব্যবস্থা ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।

ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপ থেকে রক্ষা পেতে শুধু হোয়াটসঅ্যাপের অফিশিয়াল সংস্করণগুলো ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ। ব্যবহারকারীদের মুঠোফোন থেকে ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপগুলো দ্রুত মুছে ফেলারও অনুরোধ করেছে তারা।


ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপ   তথ্য চুরি  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করছে ক্রিপ্টো ঋণদাতা ব্লকফাই

প্রকাশ: ১২:৩৪ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতিষ্ঠান এফটিএক্স-এর পর এবার নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণার জন্য আদালতে আবেদন করল আরেক ক্রিপ্টো ঋণদাতা সংস্থা ব্লকফাই।

আটটি সহযোগী সংস্থাকে সঙ্গে নিয়ে সোমবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির একটি আদালতে এই আবেদন করে ব্লকফাই।

ব্লকফাই এমন একটি কোম্পানি যা প্রচলিত ব্যাংকের অনুরূপ পদ্ধতিতেই কাজ করে, সঞ্চয়ের সুদ পরিশোধ করে এবং গ্রাহকের আমানত ব্যবহার করে ঋণের তহবিল দেয়।

সংস্থাটি দেউলিয়াত্বের আবেদনে জানিয়েছে, বর্তমানে তাদের হাতে ২৫৬.৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার নগদ রয়েছে। আদালতের নথি অনুসারে, এর পাওনাদারদের মধ্যে এফটিএক্সও রয়েছে। এর কাছে ২৭৫ মিলিয়ন ডলার পাওনা রয়েছে। এছাড়া ইউএস সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কাছে পাওনা রয়েছে ৩০ মিলিয়ন ডলার।



মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

ডিলিট করা ম্যাসেজ পড়া যাবে আইফোনে

প্রকাশ: ০৮:৫৪ এএম, ২৮ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ভুলে ডিলিট করে ফেলা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাসেজ আবারও পড়া যাবে আইফোনে। সর্বোচ্চ ৩০ দিন আগে মুছে ফেলা বার্তাগুলো উদ্ধার করে পড়া যাবে আইওএস ১৬ অপারেটিং সিস্টেমে চলা যেকোনো আইফোনে। চাইলে এসব বার্তা মেসেজ অপশনে সংরক্ষণও করা যাবে।

ডিলিট করে ফেলা ম্যাসেজ পুনরুদ্ধার করতে আইফোনের সেটিংসের জেনারেল অপশন থেকে সফটওয়্যার আপডেট নির্বাচন করতে হবে। এবার ওপরের বাঁ পাশে থাকা এডিট অপশন ট্যাপ করলেই শো রিসেন্টলি ডিলিটেড – অপশনটি দেখা যাবে। আইফোনের মডেলভেদে এ সুবিধা ফিল্টার সেকশনেও থাকতে পারে।

রিসেন্টলি ডিলিটেড অপশনে ক্লিক করলে গত ৩০ দিনের মধ্যে মুছে ফেলা সব বার্তা দেখা যাবে। বার্তাগুলো থেকে একা বা একাধিক বার্তা নির্বাচন করলেই সেগুলো আইফোনের মেসেজ অপশনে জমা হবে। মুছে ফেলার সময় দেখার সুযোগ থাকায় ব্যবহারকারীরা সহজেই প্রয়োজনীয় বার্তা খুঁজে নিতে পারবেন।


আইফোন   ডিলিট করা ম্যাসেজপুনরুদ্ধার  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

হোয়াটসঅ্যাপ: ৪৯ কোটি ব্যবহারকারীর তথ্য চুরি, রয়েছে বাংলাদেশও

প্রকাশ: ০৯:২৬ পিএম, ২৭ নভেম্বর, ২০২২


Thumbnail

সম্প্রতি ৪৮ কোটি ৭০ লাখেরও বেশি হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর ফোন নম্বর চুরি হয়ে গেছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের ৩৮ লাখ হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর তথ্যও রয়েছে বলে জানিয়েছে, গবেষণা-ভিত্তিক অনলাইন প্রকাশনা সাইবারনিউজ।

সাইবারনিউজ লিথুনিয়াভিত্তিক একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, যারা সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করে থাকে। প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যুক্ত হয়ে গবেষণায় কাজ করেন।

সাইবারনিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ১৬ নভেম্বর হ্যাকিং কমিউনিটি ফোরামে একটি বিজ্ঞাপন পোস্ট করা হয়েছে। বিজ্ঞাপনে বলা হয়, তাদের কাছে ৪৮৭ মিলিয়ন হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর মোবাইল নম্বরের তথ্য রয়েছে। এগুলো বিশ্বের ৮৪টি দেশের হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর বলে বিজ্ঞাপনে দাবি করা হয়।

বর্তমানে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারী ২০০ কোটি। এর মধ্যে এক চতুর্থাংশ ব্যবহারকারীর হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর সাইবার অপরাধীরা চুরি করেছে বলে সাইবারনিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে, যেসব হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর ফোন নম্বর অপরাধীদের হাতে গেছে, তারা ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁসের ঝুঁকিতে রয়েছেন।

এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ৩২ মিলিয়ন, যুক্তরাজ্যের ১১ মিলিয়ন, রাশিয়ার ১০ মিলিয়ন, ইতালির ৩৫ মিলিয়ন, সৌদি আরবের ২৯ মিলিয়ন, মিশরের ৪৫ মিলিয়ন, ফ্রান্স ও তুরস্কের ২০ মিলিয়ন করে, মালয়েশিয়ার ১১ মিলিয়ন, ভারতের ৬ মিলিয়ন এবং বাংলাদেশের ৩.৮ বিলিয়ন ব্যবহারকারী রয়েছেন।

বিশ্বের এই বিপুল সংখ্যক সক্রিয় হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর ফোন নম্বর কীভাবে ফাঁস হয়েছে, তা সাইবার নিউজের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়নি। তবে রিপোর্টে বলা হয়েছে, সাইবার অপরাধীরা স্ক্র্যাপিং নামক একটি প্রক্রিয়ার সাহায্য নিয়ে পুরো ডেটাবেজ প্রকাশ্যে এনেছেন। এই পদ্ধতিতে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে ডেটা সংগ্রহ করা হয়।

ফাঁস হওয়া ফোন নম্বর কাজে লাগিয়ে স্প্যাম মেইল পাঠানোর পাশাপাশি ফিশিং আক্রমণ চালাতে পারে হ্যাকাররা। শুধু তাই নয়, এর মাধ্যমে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণও নিতে পারে। এর পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের কার্যক্রমের ওপর নজরদারি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

হোয়াটসঅ্যাপ  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন