টেক ইনসাইড

টুইটারের নতুন সিইও ভারতীয় পরাগ আগরওয়াল

প্রকাশ: ১০:১৮ এএম, ৩০ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail টুইটারের নতুন সিইও ভারতীয় পরাগ আগরওয়াল

মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারের প্রধান নির্বাহীর (সিইও) পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির সহ-প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক ডরসি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিনিয়োগকারী এবং মার্কিন আইনপ্রণেতা, বিশেষ করে রিপাবলিকানদের তোপের মুখে পড়েন ডরসি। আর এই কারণে নিজ পদ থেকে সরে দাড়াতে পারেন তিনি।

গতকাল সোমবার (২৯ নভেম্বর) ডরসির পদত্যাগের ঘোষণা আসে। তবে গত রোববার কোনো কিছুর উল্লেখ না করেই ডরসি টুইটারে লেখেন, ‘আমি টুইটার ভালোবাসি।’

ডরসির ঘোষণার আগেই মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি জানায়, তিনি পদত্যাগ করতে পারেন। ওই খবরে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর খানিকটা বেড়েছিল।

ডরসির স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন পরাগ আগরওয়াল। তিনি এতদিন টুইটারের প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা (সিটিও) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আগরওয়াল টুইটারে যোগ দেন ২০১১ সালে। ২০১৭ সালে তাঁকে সিটিওর দায়িত্ব দেওয়া হয়।

অন্যাদের সঙ্গে ২০০৬ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মটি গড়ে তোলেন এবং বিভিন্ন মেয়াদে সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করে দুঃসময়ে টুইটারকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। এর আগেও টুইটার-প্রধানের পদ থেকে জ্যাক ডরসিকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ২০০৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের পর তাঁকে সিইওর পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়, তবে ২০১৫ সালে ফিরে আসেন তিনি। সেই থেকে টুইটারের পাশাপাশি ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা স্কয়ারের সিইও হিসেবেও কাজ করছেন।

আর সে কারণেই ডরসির নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন টুইটারের কর্মী ও বিনিয়োগকারীরা। তাঁরা মনে করেন টুইটারের চেয়ে স্কয়ার কিংবা অন্যান্য ব্যক্তিগত প্রকল্পে বেশি সময় দেন ডরসি। মনোযোগের এই ঘাটতির কারণেই টুইটারের শেয়ারদরে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি কিংবা প্ল্যাটফর্মটিতে উদ্ভাবনী সুবিধা যুক্ত হচ্ছে না বলে তাঁদের বিশ্বাস। বছর দেড়েক আগেও ডরসিকে টুইটার থেকে সরানোর চেষ্টা করেছিলেন বিনিয়োগকারীরা।

সিএনবিসির খবরে বলা হয়েছে, ২০১৫ সালের ৫ অক্টোবর টুইটারের সিইও হিসেবে ডরসির দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারদর বেড়েছে ৮৫ শতাংশ। অন্যদিকে ২০১৫ সালের ১৯ নভেম্বর স্কয়ারের আইপিওর পর থেকে এখন পর্যন্ত সেটির শেয়ারদর বেড়েছে ১ হাজার ৫৬৬ শতাংশ।

টুইটার থেকে পদত্যাগের খবর জানিয়ে এক বিবৃতিতে ডরসি বলেন, ‘অবশেষে আমার চলে যাওয়ার সময় এল।’ সঙ্গে যোগ করেন, প্রতিষ্ঠানটির এখন এগিয়ে যাওয়ার সময়। পরাগ আগরওয়ালের নেতৃত্বে অগাধ বিশ্বাস আছেন বলেও জানান তিনি। বলেন, ‘আমি তাঁর দক্ষতা, হৃদয় এবং আত্মার জন্য গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। এবার তাঁর নেতৃত্ব দেওয়ার সময়।’

পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে কর্মীদের কাছে পাঠানো ই-মেইলে ডরসি লেখেন, টুইটারকে তিনি প্রতিষ্ঠাতা-নেতৃত্বাধীন প্রতিষ্ঠান করতে চান না যা সময়ের সঙ্গে অন্যতম দুর্বলতায় পরিণত হতে পারে।

টুইটারের পরিচালনা পর্ষদেও পরিবর্তন আসছে। বর্তমান চেয়ারম্যান প্যাট্রিক পিশেটের জায়গায় আসবেন সেলসফোর্সের প্রেসিডেন্ট ব্রেট টেইলর। প্যাট্রিক অবশ্য অডিট কমিটির প্রধান হিসেবে পর্ষদে থাকছেন। সদস্য হিসেবে ডরসিও থাকবেন, তবে ২০২২ সালে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত।


টুইটার  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

তরুণ-তরুণী-শিক্ষার্থীদের জন্য ৩০০ রোবোটিকস ক্লাব তৈরি করছি: পলক

প্রকাশ: ০৯:৩৪ পিএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail ডিসি সম্মেলনে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের এক প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবকে সামনে রেখে আমাদের তরুণ-তরুণী ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে রোবটিকস ক্লাব তৈরি করার লক্ষ্যে আমরা ৩০০টি সংসদীয় আসনভিত্তিক ৩০০টি স্কুলে রোবোটিকস ফেব্রিকেশন ল্যাব ও ক্লাব গঠন করছি।

বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের যে ১৩ হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব আছে সেখানেও আমরা রোবোটিকস ক্লাব তৈরি করব। 

তিনি বলেন, আমাদের মাঠ প্রশাসন সরকারের কার্যক্রম বাস্তবায়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে, তার জন্য আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে কিছু নির্দেশনা দিয়েছি এবং জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকেও আমরা কিছু প্রশ্ন পেয়েছি। 

প্রধানমন্ত্রীর ২০৪১ সালের ভিশনে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে যে ৪টি স্তম্ভ আছে সেই লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকদের কাজ করায় উৎসাহিত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের সাফল্যের ওপর ভিত্তি করে স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট সরকার ও স্মার্ট সোসাইটি গড়ে তোলার জন্য আমরা জেলা প্রশাসকদের কিছু মৌলিক নির্দেশনা দিয়েছি। পেপারলেস অফিস ওয়ার্ককে উৎসাহিত করা। ক্যাশলেস সোসাইটি তৈরি করার পাশাপাশি স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে তাদের একযোগে কাজ করতে হবে। 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ বছর আইসিটি ডিভিশন থেকে আমরা স্মার্ট জেলা ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করেছি; যাতে একটি জেলার জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে সর্বোচ্চ এক কোটি টাকার একটি পুরস্কার ঘোষণা করেছি। যাতে একটি প্রতিযোগিতা বিরাজ করে। কিভাবে তারা উদ্ভাবনী স্মার্ট জেলা, পেপারলেস অফিস ওয়ার্ক ও ক্যাশলেস জেলা তারা তৈরি করতে পারে।

প্রতিমন্ত্রী দুইটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করে বলেন, আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যবহারকারী প্রায় ৫ থেকে ৬ কোটি এবং ১৩ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সাইবার জগৎটাকে নিরাপদ রাখার জন্য ডিজিটাল লিটারেসির গুরুত্ব অনেক। এজন্য ছাত্র, শিক্ষক, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, পুলিশ সবাইকে নিয়ে প্রতি মাসে আইসিটির যে কমিটি আছে তাদের নিয়ে জেলা ও উপজেলায় বৈঠক করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রত্যেকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডিজিটাল লিটারেসি, সাইবার সিকিউরিটি ও সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে তারা যেন যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করে সেদিকেও নজর দিতে হবে।


ডিসি সম্মেলন   তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী   জুনাইদ আহমেদ পলক   রোবোটিকস ক্লাব  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

স্বামী-স্ত্রীকে একসাথে ছাঁটাই করল গুগল

প্রকাশ: ০২:১৬ পিএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

কোন ধরনের পুর্ব নোটিশ ছাড়াই স্বামী-স্ত্রীকে একসাথে ইমেল পাঠিয়ে ছাঁটাই করেছে বহুজাতিক মার্কিন তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা গুগল। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দম্পতিকে একই সঙ্গে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার ইমেল পাঠানো হয়েছিল। সদ্য মা হওয়া ওই নারী ছ’বছর ধরে গুগলে কাজ করছিলেন এবং তার স্বামীও দু’বছর হল সংস্থাটিতে যোগ দিয়েছিলেন। 

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গত বছরের শেষের দিকে দম্পতির সন্তান হয়। ওই নারী ছাঁটাইয়ের আগে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে ছিলেন। ছুটি নেওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন স্বামীও। কিন্তু তার আগেই দম্পতিকে একসঙ্গে ছাঁটাই করল গুগল।

এই অবস্থায় ওই দম্পতিকে এক সঙ্গে চাকরি থেকে ছাঁটাই করাকে টেক জায়ান্ট গুগলের ‘অমানবিক আচরণ’ হিসেবে দেখছেন অনেকেই।

সম্প্রতি ছাঁটাই অভিযানে নেমেছে গুগল, মাইক্রোসফট-সহ বিভিন্ন বহুজাতিক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা। ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চাকরি করা কর্মীদেরও বাদ দিচ্ছে না গুগল। গত ১৮ জানুয়ারি একসঙ্গে ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে মাইক্রোসফট। সম্প্রতি গুগলও প্রায় ১২ হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে।

গুগলের সিইও সুন্দর পিচাইয়ের দাবি, এত সংখ্যক কর্মী ছাঁটাইয়ের কারণ হল অতিরিক্ত কর্মী নিয়োগ।

তিনি জানিয়েছেন, বিগত দু’বছরে প্রচুর কর্মী নিয়োগ করেছে সংস্থাটি। অর্থনৈতিক মন্দার সময় এই ছাঁটাই প্রক্রিয়া সংস্থার বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করবে বলেও তার দাবি। বরখাস্ত কর্মীদের চার মাসের বেতন-সহ বেশ কিছু সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে বলেও গুগল জানিয়েছে।


গুগল   কর্মী ছাঁটাই  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

টুইটারে ইলন মাস্কের নতুন নাম ‘মিস্টার টুইট’

প্রকাশ: ০১:৪৫ পিএম, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

নিজের জন্য উপযুক্ত নাম খুঁজে পেয়েছেন টুইটারের সিইও ইলন মাস্ক। নাম পরিবর্তন করে ইলন মাস্ক এখন ‘মিস্টার টুইট’। সম্প্রতি আদালতের একটি লড়াইয়ের সময় একজন আইনজীবী ইলন মাস্ককে এই নামটি দিয়েছিলেন।

বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) মাস্ক একটি হাসির ইমোজি দিয়ে টুইট করে জানিয়েছেন, তিনি তার টুইটার অ্যাকাউন্টের নাম পরিবর্তন করে ‘মিস্টার টুইট’ করেছেন। এখন মাইক্রোব্লগিং সাইটটি তাকে তার আসল নামে ফিরে যেতে দিচ্ছে না।

একজন ব্যবহারকারী রসিকতা করেছেন, সম্ভবত মি. টুইট এখানে একটি কমেডি চ্যানেল তৈরি করতে পারেন। কারণ কমেডিয়ানরা আর মজার নয়। তিনি অনেক মজার।

আরেকজন মন্তব্য করেছেন, তাহলে এখন আমি কি আমার নাম পরিবর্তন করে ইলন মাস্ক রাখতে পারি?

ফ্রান্সিসকোভিত্তিক প্রযুক্তি সাংবাদিক প্যাট্রিক ম্যাকগি শেয়ার করেছেন যে, সোমবার আদালতে একজন আইনজীবী ঘটনাক্রমে তাকে ‘মিস্টার টুইট’ বলে উল্লেখ করেছেন।

এরই মধ্যে ২৬ মিলিয়ন ব্যবহারকারী টুইটটি দেখেছেন। ৩৬ হাজার ব্যবহারকারী রিটুইট করেছেন এবং ৩৭ হাজার ব্যবহারকারী মজার মজার মন্তব্য করেছেন।

এর আগে টিকা নিয়ে টুইটার সিইও ইলন মাস্কের একটি মন্তব্যে বিশ্বব্যাপী বিতর্ক আরও বেড়ে যায়।

সে সময় ইলন মাস্ক এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, করোনার টিকা বুস্টারের দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার পর তার শরীরে বেশ কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। আরও বলেন, দ্বিতীয় বুস্টার ডোজ নেওয়ার পর বেশ কয়েকদিন ধরেই মনে হচ্ছিল আমি মরে যাব।

এক টুইট বার্তায় মাস্ক লিখেছিলেন, দ্বিতীয় বুস্টার ডোজ নেওয়ার পর মরে যাওয়ার মতো অনুভূতি হচ্ছিল। তবে আমি আশা করি, টিকার কোনো দীর্ঘ স্থায়ী ক্ষতি নেই।


টুইটার   ইলন মাস্ক   মিস্টার টুইট  


মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

অ্যাপলের ২৫ শতাংশ উৎপাদন হবে ভারতে

প্রকাশ: ০৪:০৯ পিএম, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

বর্তমানে টেক জায়ান্ট অ্যাপলের ৫-৭ শতাংশ পণ্য উৎপাদন হয় ভারতে। সম্প্রতি চীনে লকডাউন বিধিনিষেধ সংক্রান্ত জটিলতা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কে টানাপড়েনের ফলে দেশটিতে উৎপাদন কমিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এর ইতিবাচক ফল পাচ্ছে ভারত।

ফ্রি মালয়েশিয়া টুডের এক খবরে জানানো হয়েছে, শিগগিরই ভারতে অ্যাপলের পণ্য উৎপাদন বাড়িয়ে ৫ থেকে ২৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে।

আজ মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়ালের বরাতে তথ্য জানা গেছে। অ্যাপল তাদের সবেচেয়ে নতুন মডেলের পণ্যগুলোও ভারতে উৎপাদন করছে জানিয়ে তিনি বলেন, অ্যাপলের উৎপাদন বাড়ানোর বিষয়টি আমাদের বাণিজ্যিক অগ্রগতির চিহ্ন।

অবশ্য কবে থেকে বর্ধিত উৎপাদন শুরু করতে পারে সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি পীযূষ গয়াল। গণমাধ্যমের যোগাযোগ সাড়া দেয়নি অ্যাপলও।

এদিকে আজই ভারতের ইলেকট্রনিক্স তথ্য প্রযুক্তিমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এক টুইটে জানিয়েছেন, ভারত থেকে অ্যাপলের রফতানি গত ডিসেম্বরের শুরুতেই ১০০ কোটি ডলারে পৌঁছে গিয়েছে। 



মন্তব্য করুন


টেক ইনসাইড

১২ হাজার কর্মী ছাঁটাই করছে অ্যালফাবেট

প্রকাশ: ১১:২২ এএম, ২১ জানুয়ারী, ২০২৩


Thumbnail

গুগলের মূল প্রতিষ্ঠান অ্যালফাবেট ইনকরপোরেটেড একসঙ্গে প্রায় ১২ হাজার কর্মী ছাঁটাই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা তাদের মোট কর্মীর ছয় শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, কঠিন অর্থনৈতিক বাস্তবতার সম্মুখীন হওয়ায় এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে তারা।

শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে অ্যালফাবেট ইন্টারন্যাশনালের শীর্ষ নির্বাহী সুন্দর পিচাই এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের একটি কঠিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। তাই একপ্রকার বাধ্য হয়েই আমাদের কর্মী ছাঁটাইয়ের মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। আমি সিদ্ধান্তের পুরোটা দায় স্বীকার করে নিচ্ছি।

কিছুদিন আগে অ্যালফাবেটের প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানি মাইক্রোসফট করপোরেশন ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করে। তাছাড়া অ্যামজন, ফেসবুকের মূল কোম্পানি মেটা টুইটারসহ বড় বড় সব তথ্য-প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলো অর্থনৈতিক সংকটের মুখে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মী ছাঁটাই করে।

জানা যায়, গত এক বছরে অ্যালফাবেটের শেয়ারমূল্য ৩০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, যা প্রযুক্তিশিল্পে ২৪ শতাংশ মন্দার প্রতিনিধিত্ব করছে।

অ্যালফাবেট দীর্ঘকাল ধরে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার জগতে শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে, কিন্তু সম্প্রতি এটি মাইক্রোসফটের প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হচ্ছে। অন্যদিকে বিজ্ঞাপন পাওয়ার হার কমে যাওয়ায় ভোক্তারা খরচ কমিয়ে দেওয়ার কারণে প্রতিষ্ঠানটি বাজেট কমানোর চাপ অনুভব করছে।

এভারকোর আইএসআইএস বিশ্লেষক মার্ক মাহানি বলেন, অ্যালফাবেটের বিশাল কর্মীসংখ্যা ২০২৩ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটির জন্য বড় অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করেছে। অন্যদিকে, বার্নস্টেইনের বিশ্লেষক মার্ক শ্মুলিক বলেন, কর্মী ছাঁটাইয়ের মাধ্যমে অ্যালফাবেট ২৫০ কোটি ডলার থেকে ৩০০ কোটি ডলার খরচ কমাতে সাহায্য করবে।

গত কয়েক মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ৭টি বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান তাদের মোট ৫৯ হাজার কর্মী ছাঁটাই করেছে। এগুলো মধ্যে অ্যামাজন ছাঁটাই করছে ১৮ হাজার, মেটা ১১ হাজার, মাইক্রোসফট ১০ হাজার, সেলসফোর্স হাজার, এইচপি হাজার, টুইটার ৩৭০০ সিগেট হাজার কর্মী ছাঁটাই করে।



মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন