ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ইউক্রেন যুদ্ধ কয়েক দশক ধরে চলতে পারে!

প্রকাশ: ১১:৫২ এএম, ২৬ মে, ২০২৩


Thumbnail

রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধ কয়েক দশক ধরে চলতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ। সাবেক এই প্রেসিডেন্ট বর্তমান রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের শীর্ষস্থানীয় মিত্রদের একজন। শুক্রবার (২৬ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

রাশিয়ার বার্তাসংস্থা আরআইএ’র বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের শীর্ষ মিত্র দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেছেন, ইউক্রেনের যুদ্ধ কয়েক দশক ধরে চলতে পারে।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বপালনের পর দীর্ঘসময় রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্বপালন করেছেন দিমিত্রি মেদভেদেভ। বর্তমানে তিনি রাশিয়ার সিকিউরিটি কাউন্সিলের ডেপুটি চেয়ারম্যান। বর্তমান রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের শীর্ষস্থানীয় এই মিত্র ভিয়েতনাম সফরের সময় ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে সর্বশেষ ওই মন্তব্য করেন।

ভিয়েতনাম সফরের সময় দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেন, ‘এই সংঘাত খুব দীর্ঘ সময় ধরে চলবে, সম্ভবত কয়েক দশক।’

ইউক্রেন নাৎসি রাষ্ট্র বলে মস্কোর দাবির পুনরাবৃত্তি করে রাশিয়ার সাবেক এই প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘যতদিন দেশটিতে এই ধরনের (সরকার) ক্ষমতায় থাকবে, সেখানে দেখা যাবে তিন বছরের যুদ্ধবিরতির পর দুই বছর ধরে সংঘাত হচ্ছে এবং এগুলোর সবকিছুরই বার বার পুনরাবৃত্তি হবে।’

এর আগে গত জানুয়ারিতে মেদভেদেভ বলেন, ইউক্রেনে রাশিয়া পরাজিত হলে পারমাণবিক যুদ্ধ শুরু করতে পারে তার দেশ। ২০০৮ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করা মেদভেদেভ সেসময় বলেন, ‘পরমাণু শক্তিধর দেশগুলো বড় ধরনের সংঘাতে কখনই হারেনি। কারণ এর ওপর তাদের ভাগ্য নির্ভর করে।’



মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

তীব্র গরমে লাইভেই বেহুশ উপস্থাপিকা

প্রকাশ: ১০:১৮ পিএম, ২০ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে চলেছে বাংলাদেশসহ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ওপর দিয়ে। তাপমাত্রার পারদ সব সময় ৪০-এর ওপরে থাকছে। ভয়াবহ এই তীব্র তাপপ্রবাহের খবর যারা মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন রেহাই পাচ্ছেন না তারাও।

হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার (২১ এপ্রিল) তীব্র গরমের ফলে টেলিভিশনে লাইভ সংবাদ পড়ার মাঝেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছেন কলকাতা দূরদর্শন টিভির একজন সংবাদ পাঠিকা।

অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলা ওই সংবাদ পাঠিকার নাম লোপামুদ্রা সিনহা। নিজের ২১ বছরের ক্যারিয়ারে এমনটি আর কখনো ঘটেনি তার। তাই ভক্তদের বিষয়টি জানাতে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন বাংলা টেলিভিশনের অতি পরিচিত মুখ লোপা।

গত শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) সকালে নিউজ বুলেটিন পড়ার সময় এই ঘটনা ঘটেছে। লোপার শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি দক্ষিণবঙ্গের দাবদাহের সংবাদ পড়ছেন। তবে তিনি ঠিক মতো তা পড়তে পারছিলেন না। তার কথা লেগে লেগে আসছিল। একপর্যায়ে তিনি বেহুশ হয়ে পরেন। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়।

লোপা জানান, দূরদর্শনের নিউজ ফ্লোর সাধারণত শীততাপ নিয়ন্ত্রিত। তবে ওই দিন তা কাজ করছিল না। তাই ফ্লোর মারাত্মক গরম হয়ে পড়েছিল।


তীব্র গরম   উপস্থাপিকা   বেহুশ  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

নাগাল্যান্ডের ছয় জেলায় কি কারণে পড়ল শূন্য শতাংশ ভোট

প্রকাশ: ০৮:৩৪ পিএম, ২০ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

ভারতের নির্বাচনী ইতিহাসে এই প্রথম লোকসভার প্রথম ধাপের ভোটে পূর্ব নাগাল্যান্ডের ছয় জেলায় ৪ লাখ ৬৩২ ভোটারের মধ্যে কেউ ভোট দেননি। নির্বাচন কমিশনের এক কর্মকর্তা অবশ্য দাবি করেন, দু–একজন ভোট দিয়ে থাকতে পারেন, কিন্তু শতাংশের হিসাবে তা শূন্য। এক কথায় বলা যায়, ওই ছয় জেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে শূন্য শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছেন অথবা কেউই ভোট দেননি। এটা ভারতে অতীতে কবে ঘটেছে, তা করে বলা সম্ভব নয়।

এদিকে ভোট বর্জনের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ছয় জেলায় যে ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছিল, বর্জন সফল হওয়ার পরে আজ শনিবার সকালে তা তুলে নেওয়া হয়েছে। যে সংগঠনের ডাকে ভোট বর্জন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল এবং তা সফলভাবে গতকাল শুক্রবার ভোটের দিন পালন করা হয়েছে, সেই সংগঠনের নাম ইস্টার্ন নাগাল্যান্ড পিপলস অর্গানাইজেশন (ইএনপিও)। ইএনপিওর ডাকা কর্মসূচিকে সমর্থন জানিয়েছিল ছয় জেলার একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।

পূর্ব নাগাল্যান্ডের যে ছয় জেলায় ভোট বর্জনের এমন অভূতপূর্ব ঘটনা ঘটেছে সেগুলো হচ্ছে কিপিরে, লংলেং, মোন, নকলাক, শামাটোর ও টুয়েনসাঙ। নাগাল্যান্ডের মোট ১৩ লাখ ২৫ হাজার ভোটারের মধ্যে ৪ লাখ ৬৩২ অর্থাৎ ৩০ শতাংশ ভোটার এই ছয় জেলার বাসিন্দা।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ওই অঞ্চলে ভোট নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা ৯ ঘণ্টা বুথে অপেক্ষা করেন। কিন্তু কোনো স্থানীয় মানুষ ভোট দিতে আসেননি।

এই পরিস্থিতিকে সংকটজনক বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন। কারণ, এই ঘটনা স্মরণকালের মধ্যে ঘটেনি। নির্বাচন কমিশনের সূত্র বলছে, এমন পরিস্থিতির জন্য তারা প্রস্তুতও ছিল না।

নির্বাচন কমিশনের এক কর্মকর্তা স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এমন কিছু একটা ঘটতে পারে, এ ধরনের কোনো তথ্য প্রশাসনিক সূত্রে আমাদের আগে জানানো হয়নি। তারা জানালে আমরা বিষয়টি নিয়ে অন্যভাবে ভাবতাম, প্রচার–প্রচারণা চালাতাম বা ব্যবস্থা নিতাম।’

মাওবাদী–অধ্যুষিত মধ্য ভারতের বস্তার ডিভিশনেও গতকাল প্রথম ধাপের নির্বাচন ছিল। সেখানে ৬৪ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। নাগাল্যান্ডে ভোট পড়েছে ৫৬ শতাংশ।

নাগাল্যান্ডে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের মুখ্য কর্মকর্তা আর ভায়াসান গতকালই একটি শোকজ নোটিশ পাঠিয়ে ইএনপিওর কাছে জানতে চেয়েছেন, ভারতীয় দণ্ডবিধির নির্দিষ্ট ধারায় নির্বাচন ব্যাহত করার জন্য কেন ওই সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। এই নোটিশের উত্তরও ইএনপিও নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়েছে। একই সঙ্গে আজ শনিবার সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ এক বিবৃতিতে ইএনপিও জানিয়েছে, অনির্দিষ্টকালের জন্য যে ধর্মঘটের ডাক তারা দিয়েছিল, তা তুলে নেওয়া হলো।

যে কারণে ভোট দিলেন না চার লাখ ভোটার

নাগাল্যান্ডের বিধানসভায় যে সরকার রয়েছে, কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি সেই সরকারের প্রধান শরিক দল।

ইএনপিও এক দশকের বেশি সময় ধরে নাগাল্যান্ডের ছয় অনুন্নত পূর্বাঞ্চলীয় জেলা নিয়ে একটি ভিন্ন প্রশাসনিক অঞ্চল ‘ফ্রন্টিয়ার নাগাল্যান্ড টেরিটরি’ (এফএনটি) গঠনের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। কার্যত এর অর্থ একটি ভিন্ন রাজ্য। ইএনপিও ওই অঞ্চলের সাতটি আদিবাসী সংগঠনের প্রতিনিধি নিয়ে গঠিত একটি সার্বিক সংগঠন।

নাগাল্যান্ডের এই সাত আদিবাসী গোষ্ঠী হলো কনিয়াক, চাং, ইমখিয়াং, শ্যাংট্যম, ফোম, খিয়ামনিউনগান ও টিখির। এই ৬ জেলার সাত আদিবাসী গোষ্ঠী নাগাল্যান্ডের ৬০টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ২০টিকে প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখে।

ইএনপিও দীর্ঘ এক দশক ধরে অনুন্নত পূর্বাঞ্চলীয় জেলাগুলোর জন্য আলাদা প্রশাসন ও সম্ভবত রাজ্যের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। সম্প্রতি তাদের তৎপরতা আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। নাগাল্যান্ডের অন্য অঞ্চলের বিশেষত রাজধানী কোহিমাভিত্তিক বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন এবং ছাত্রসংগঠনের নেতারা এই শক্তিবৃদ্ধির একটি ব্যাখ্যা প্রথম আলোকে অতীতে দিয়েছেন। এই ছাত্রসংগঠনের কিছু কিছু নেতা বর্তমানে নাগাল্যান্ডের বাইরে রয়েছেন। কারণ, তাঁদের বিরুদ্ধে নানা মামলা রাজ্যে চলছে।

এসব ছাত্রসংগঠনের এক নেতা সম্প্রতি মুম্বাই থেকে টেলিফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করে দিয়েছিলেন, নাগাল্যান্ড সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে। কারণ, নাগাল্যান্ডের প্রধান বিচ্ছিন্নতাবাদী ও রাজনৈতিক শক্তি এনএসসিএনআইএম (ন্যাশনালিস্ট সোসালিস্ট কাউন্সিল অব নাগাল্যান্ড-আইজ্যাক মুইভা) ভারত সরকারের সঙ্গে ‘ফ্রেমওয়ার্ক অ্যাগ্রিমেন্ট’ সই করেছে। কিন্তু ২০২৪ সালে এসে ভারত সরকার দেখতে পাচ্ছে, সেই সমস্যার সমাধান হয়নি। কারণ, এনএসসিএনের প্রধান দাবি তাদের পৃথক সংবিধান, পৃথক পতাকা ইত্যাদি থেকে সরে আসেনি।

এনএসসিএনআইএম এসব সমস্যার সমাধান তো দূরের কথা, গত ১০ বছরে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এটা বুঝতে পেরে ঘুমিয়ে থাকা ইএনপিওকে জাগিয়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত সরকার। ইএনপিওকে চাঙা করে এটা বোঝানোর চেষ্টা করে, নাগারা বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে বিভাজিত এবং এনএসপিএন যে দাবি তুলেছে, গোটা নাগাল্যান্ড সেই দাবিতে মোটেই সংঘবদ্ধ নয়। ফলে নাগাল্যান্ডের পৃথক পতাকা বা সংবিধান দেওয়া যাবে না। এখন ইএনপিও বুঝতে পেরেছে, তারা যথেষ্ট শক্তিশালী এবং মাথা তুলেছে।

ইএনপিওর এই শক্তি বৃদ্ধির কারণেই গতকাল নাগাল্যান্ডের পূর্বাঞ্চলীয় ছয় জেলায় কেউই ভোট দিতে যাননি। বিপদ বুঝে ভারত সরকারেরই সংস্থা জাতীয় নির্বাচন কমিশন এখন ইএনপিওকে শোকজ নোটিশ পাঠিয়েছে।


ভারতের নির্বাচন  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ইসরায়েলের দুই সংস্থা ও চার ব্যক্তির ওপর ইইউর নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশ: ০৭:১৩ পিএম, ২০ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

গ্লোবাল হিউম্যান রাইটসের আওতায় ইসরায়েলের চার ব্যক্তি ও দুটি সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ইইউর তালিকাভুক্ত এসব ইসরায়েলি ব্যক্তি ও সংস্থা ফিলিস্তিনিদের ওপর নির্যাতন ও অমানবিক আচরণের মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ী।

ইউরোপীয় ইউনিয়েনের তালিকাভুক্ত সংস্থাগুলো হলো, উগ্র ডানপন্থি ইহুদি আধিপত্যবাদী গোষ্ঠী লেহাভা এবং পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সহিংস কর্মকাণ্ডের জন্য গঠিত উগ্র যুব দল হিলটপ ইয়ুথ। এমনকি হিলটপ ইয়ুথের দুই নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিত্ব মেইর এটিংগার এবং এলিশা ইয়ারেডও ইইউর নিষেধাজ্ঞায় আওতাভুক্ত ।

এ ছাড়া পশ্চিম তীরের ওয়াদি সিক এবং দেইর জারিরে ২০২১ সাল থেকে ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা করার অভিযোগে অভিযুক্ত নেরিয়া বেন পাজি এবং ফিলিস্তিনি গ্রামের বিরুদ্ধে একাধিক সহিংস কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণকারী ইয়িনন লেভিকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় এনেছে ইইউ।

এসব ব্যক্তিরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোনো সদস্য রাষ্ট্র ভ্রমণ এবং এসব অঞ্চলে কোনো প্রকার আর্থিক লেনদেন করতে পারবে না। এমনকি ইউরোপে থাকা তাদের সম্পদও জব্দ করা হতে পারে।

এ ছাড়া ইউরোপীয় কাউন্সিল ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে ইসরায়েলিদের দ্বারা জবরদখলের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা বলেছে, অপরাধীদের অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আসতে হবে।

নিষেধাজ্ঞার ওই বিবৃতিতেই বলা হয়, অধিকৃত পশ্চিম তীরে নতুন করে অবৈধ বসতি আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির সরকারের এমন সিদ্ধান্তের নিন্দা করছে কাউন্সিল এবং অবিলম্বে ইসরায়েলকে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার আহ্বান জানানো হয়।

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের হামলায় নিহত মানুষের সংখ্যা ৩৪ হাজার ছাড়িয়েছে। তাদের অধিকাংশ নারী ও শিশু। শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানিয়েছে আলজাজিরা।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ৩৪ হাজার ১২ জনে পৌঁছেছে। এ ছাড়া এ পর্যন্ত আহত হয়েছে ৭৬ হাজার ৮৩৩ জন।


ইসরায়েল   ইইউ   নিষেধাজ্ঞা  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

পূর্বনির্ধারিত ভারত সফর স্থগিত করলেন ইলন মাস্ক

প্রকাশ: ০৪:০১ পিএম, ২০ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

পূর্বনির্ধারিত ভারত সফর স্থগিত করেছেন বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার মালিক ইলন মাস্ক। টেসলার বিভিন্ন কাজ নিয়ে ব্যস্ততা থাকায় সফর স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে এক বার্তায় সফর স্থগিত করা কথা জানিয়েছেন মাস্ক।

জানা গেছে, ২১ ও ২২ এপ্রিল দু’দিনের ভারত সফরে আসার কথা ছিল মাস্কের। এই সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চেয়েছিলেন তিনি। ইলন মাস্ক নিজেই সে কথা জানিয়েছিলেন। এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে মাস্ক লিখেছিলেন, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করার জন্য মুখিয়ে রয়েছি।’ তারপর থেকেই মাস্কের সফর নিয়ে জল্পনা শুরু হয়।

এ সফরের একদিন আগে শনিবার (২০ এপ্রিল) ইলন মাস্ক জানালেন তিনি এই মুহূর্তে ভারত সফরে আসছেন না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে শীর্ষ এই ধবকুবের লিখেছেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত টেসলায় প্রচুর কাজ জমে থাকায় ভারত সফর  পিছিয়ে দিতে হচ্ছে। কিন্তু চলতি বছরের শেষেই ভারতে যাওয়ার ইচ্ছা আছে।’

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রধানত ভারতে নতুন একটি ফ্যাক্টরি চালু করার কথা ছিল টেসলার এবং তার জন্য নয়া দিল্লিতে মাস্কের ২ বিলিয়ন থেকে ৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দেওয়ার কথা ছিল। কোম্পানিগুলো স্থানীয় উৎপাদনে বিনিয়োগ করলে আমদানি করা গাড়ির ওপর উচ্চ শুল্ক কমানো হবে- ভারত সরকার এমন নীতির ঘোষণা দেয়ার পরেই এ বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল টেসলা।


ভারত   সফর   স্থগিত   ইলন মাস্ক  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ইরানের প্রেসিডেন্টকে বরণ করতে প্রস্তুত পাকিস্তান

প্রকাশ: ০৩:১৭ পিএম, ২০ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি তিন দিনের সরকারি সফরে ইসলামাবাদে যাচ্ছেন। দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইরানের প্রেসিডেন্ট এবং প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত পাকিস্তানের সরকার। 

পাল্টাপাল্টি হামলা ঘিরে মাত্র কয়েক মাস আগেও ইরান এবং পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছিল। তবে তখন সামরিক জবাব এড়িয়ে কূটনীতির মাধ্যমে সম্পর্ক জোড়া লাগায় মুসলিম বিশ্বের শক্তিধর এই দুই দেশ।

ইরানি প্রেসিডেন্টের সফর নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলন করেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার। তখন তিনি বলেন, তিনি (ইব্রাহিম রাইসি) আসছেন। আমরা তাকে স্বাগত জানাব। তিনি আগামী ২২-২৪ এপ্রিল পাকিস্তান সফর করবেন। এ সফর নিয়ে আমরা পূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ করছি।

ইব্রাহিম রাইসি এমন এক সময়ে পাকিস্তান সফর করবেন যখন পাল্টাপাল্টি হামলা ঘিরে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে বর্তমানে উত্তেজনা চরম পর্যায়ে রয়েছে। এমনকি ইসরায়েলের সঙ্গে উত্তেজনা ঘিরে রাইসির সফর স্থগিত করা হতে পারে, এমন কথাও গণমাধ্যমে চাউর হতে শুরু করেছিল। তবে এই ধরনের সম্ভাবনার কথা একেবারে উড়িয়ে দিয়েছেন পাকিস্তানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে এসব ঘটনার বহু আগে এই সফরের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

পাকিস্তান ও ইরানের মধ্যে ৯০০ কিলোমিটারের সীমান্ত রয়েছে। প্রায় সময় একে-অন্যের বিরুদ্ধে নিজ নিজ দেশের মাটিতে জঙ্গিদের আশ্রয় এবং আন্তঃসীমান্ত জঙ্গি হামলা ঠেকাতে পর্যাপ্ত সহায়তা না করার অভিযোগ তুলে দেশ দুটি।


ইরান   প্রেসিডেন্ট   পাকিস্তান  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন