ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ট্রাম্পের প্রতিদ্বন্দ্বী কে এই রন ডিস্যান্টিস?

প্রকাশ: ০৮:০৯ পিএম, ২৬ মে, ২০২৩


Thumbnail

অবশেষে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে রিপাবলিকান পার্টি থেকে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হওয়ার জন্য মনোনয়ন চাইবেন বলে ঘোষণা করেছেন ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিস্যান্টিস। তিনিই এখন রিপাবলিকান প্রার্থী হওয়ার জন্য সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সবচেয়ে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হবেন বলে মনে করা হচ্ছে। খবর বিবিসি।

ডিস্যান্টিস নিজেকে একজন ট্রাম্প-ঘরানার রক্ষণশীল রাজনীতিক হিসেবেই তুলে ধরেন, তবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের যেসব বদনাম, সেগুলো থেকে নিজেকে আলাদা করে দেখান।

ডিস্যান্টিসকে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী বলে ভাবা হয়। রিপাবলিকান পার্টি থেকে এ পর্যন্ত যারা প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হওয়ার জন্য দৌড়ে নামার ঘোষণা দিয়েছেন, তাদের মধ্যে ট্রাম্পই এখনো পর্যন্ত জনমত জরিপে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন।

যুক্তরাষ্ট্রে সামনের বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জো বাইডেনের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রিপাবলিকান পার্টি তাদের প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করবে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে।

রন ডিস্যান্টিস নির্বাচনে দাঁড়ানোর জন্য রিপাবলিকান পার্টির মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে নামবেন কিনা, তা নিয়ে গত বেশ কিছুদিন ধরেই জল্পনা চলছিল।

রন ডিস্যান্টিস কে?

রন ডিস্যান্টিস হচ্ছেন ফ্লোরিডার গভর্নর। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছেন সাংস্কৃতিক রক্ষণশীলতার প্রশ্নে বেশ আক্রমণাত্মক অবস্থান নিয়ে। যুক্তরাষ্ট্রে রিপাবলিকান পার্টির কট্টর রক্ষণশীলদের মধ্যে তিনি বেশ জনপ্রিয়, অনেকে তাকে রীতিমত রক-তারকার মতো ভক্তি করেন। তবে বামপন্থীরা তাকে একজন দক্ষিণ-পন্থী চরমপন্থী হিসেবে বর্ণনা করে।

একসময় তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তার রাজনৈতিক গুরু মানতেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তাদের মধ্যে সম্পর্কের বেশ অবনতি ঘটে। এখন রিপাবলিকান পার্টির মনোনয়ন পাওয়ার জন্য এই সাবেক গুরু-শিষ্যের মধ্যে জোর লড়াই হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

রন ডিস্যান্টিস তার প্রতিদ্বন্দ্বীর তুলনায় একেবারেই তরুণ, বয়স মাত্র ৪৪। তিনি রাজনীতিতেও বলতে গেলে নবাগত। তিনি হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে প্রথম নির্বাচিত হয়েছিলেন ২০১২ সালে। মাত্র ছয় বছর পর ২০১৮ সালে তিনি ফ্লোরিডার গভর্নর নির্বাচিত হন।

ডিস্যান্টিসের জন্ম ১৯৭৮ সালে ফ্লোরিডার জ্যাকসনভিলে। তিনি ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস নিয়ে পড়াশোনা করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি বাস্কেটবল টিমের অধিনায়ক ছিলেন। পরে তিনি হার্ভার্ড ল স্কুলেও পড়েছেন। সেখানে দ্বিতীয় বর্ষে থাকার সময় তিনি মার্কিন নৌবাহিনীতে কমিশন্ড অফিসার হিসেবে যোগ দেন। সেখানে তিনি নৌবাহিনীর আইন শাখা জাজ এডভোকেট জেনারেল (জ্যাগ) বিভাগে কাজ করেন। এই বিভাগে থাকার সময় তাকে গুয়ানতানামো বন্দী শিবিরের বন্দীদের নিয়ে কাজ করতে হয়েছে। এছাড়া ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের যে নেভি সীলস টিম মোতায়েন করা হয়েছিল, তাদেরও আইন উপদেষ্টা ছিলেন তিনি।

ডিস্যান্টিসকে ২০১০ সালে মার্কিন নৌবাহিনী থেকে সসম্মানে বিদায় দেওয়া হয়। তবে এরপরও তিনি নৌবাহিনীর একজন রিজার্ভ সেনা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এরকম একটা সময়েই স্ত্রী কেসির সঙ্গে তার প্রথম সাক্ষাৎ হয়। কেসি তখন স্থানীয় একটি টেলিভিশন চ্যানেলের রিপোর্টার।

নৌবাহিনী থেকে অবসরে যাবার পর ডিস্যান্টিস একজন ফেডারেল কৌসুলি হিসেবে কাজ শুরু করেন। ২০১২ সালে তিনি ফ্লোরিডার একটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন। এটিকে ফ্লোরিডার সবচেয়ে বেশি রক্ষণশীল প্রভাবিত আসন বলে বিবেচনা করা হয়।

প্রথম যখন তিনি ফ্লোরিডার রাজনীতিতে নামেন, তখন তিনি ‘ছোট আকারের সরকার’ এবং কর কমানোর কথা বলে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। একই সঙ্গে তিনি ছিলেন ওবামা প্রশাসনের এক কঠোর সমালোচক।

সরকার যে তার ভাষায় ‘শিশুদের শারীরিক স্থূলতা থেকে শুরু করে বিশ্বের তাপমাত্রা- সমস্ত বিষয়ে নাক গলাতে চায়’, সেটার কড়া সমালোচক ছিলেন  ডিস্যান্টিস।

কংগ্রেসে পাঁচ বছর কাজ করার পর ২০১৮ সালে তিনি কট্টর রক্ষণশীল কংগ্রেস সদস্যদের নিয়ে ‘ফ্রিডম ককাস’ নামে একটি গ্রুপ গঠন করেন। এসময় তিনি ফ্লোরিডার গভর্নর পদে দাঁড়ানোর ইচ্ছাও প্রকাশ করেন। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাকে প্রার্থী হিসেবে সমর্থন দেন।

নির্বাচনে রন ডিস্যান্টিসের প্রচারণায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রভাব ছিল খুবই স্পষ্ট।

একটি নির্বাচনী বিজ্ঞাপনে ডিস্যান্টিসকে তার নিজের সন্তানের সঙ্গে বিল্ডিং ব্লক নিয়ে খেলার সময় বলতে দেখা যায়, ‘বিল্ড দ্য ওয়াল’, অর্থাৎ দেয়াল তৈরি করো। এটি ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণায় এক বড় শ্লোগান। নিজের আরেক ছেলের সঙ্গে বই পড়ার রন ডিস্যান্টিসকে দেখা যায় ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ সাইনের সঙ্গে। এটিও ছিল ট্রাম্পের নির্বাচনী শ্লোগান। ছেলেকে বই পড়িয়ে শোনার একটা পর্যায়ে তিনি বলেন, ‘তারপর ট্রাম্প বললেন, ইউ আর ফায়ারড- ঐ অংশটা আমার খুব মজা লেগেছে।’

ডিস্যান্টিস ফ্লোরিডার গভর্নর হিসেবে শপথ নেন ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে।

যেভাবে তিনি ফ্লোরিডায় কোভিড মহামারির মোকাবেলা করেন, সেজন্যে শুরুতেই তিনি জাতীয়ভাবে সবার নজর কাড়েন। মহামারির শুরুতেই তিনি পুরো রাজ্য জুড়ে লকডাউন জারি করেছিলেন, তবে শীঘ্রই আবার তিনি বিধি-নিষেধ তুলে নিতে থাকেন। ২০২০ সালের জুলাই মাসে যখন যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড সংক্রমণের হার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, তখন তিনি ফ্লোরিডায় স্কুল খুলে দেয়ার নির্দেশ দেন।

ফ্লোরিডায় তার পর থেকে তিনি আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অধিকার, মৃত্যুদণ্ডের সাজা প্রশ্ন আরও কঠোর দক্ষিণপন্থী অবস্থান নেন, এবং অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালান। তিনি ছয় সপ্তাহের বেশি গর্ভাবস্থায় গর্ভপাত নিষিদ্ধ করেন।

রন ডিস্যান্টিস ডিজনি কোম্পানির সঙ্গেও দীর্ঘ আইনি বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। এসবের ফলে তিনি সম্ভাব্য রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে বেশ আলোচিত হতে থাকেন।

তবে তার রাজনৈতিক পরিচিত এবং খ্যাতি যখন বাড়তে শুরু করে, তখন আবার সাবেক রাজনৈতিক গুরু ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তার সম্পর্কের অবনতি ঘটে। মি. ট্রাম্প বলতে শুরু করেন, ২০১৮ সালে রন ডিস্যান্টিস যে গভর্নর নির্বাচিত হয়েছেন, সেটা তার সমর্থনের কারণেই। ডোনাল্ড ট্রাম্প রন ডিস্যান্টিসকে নিয়ে নানা অপমানসূচক মন্তব্যও করেন। তার বিভিন্ন নীতির কড়া সমালোচনা করেন।

সাম্প্রতিক কিছু জরিপে দেখা যায়, মি. ডিস্যান্টিস এখনো রিপাবলিকানদের মধ্যে জনপ্রিয়তার পাল্লায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের তুলনায় পিছিয়ে আছেন। মি. ডিস্যান্টিস অবশ্য বলার চেষ্টা করছেন যে, রিপাবলিকানদের হোয়াইট হাউজে ফিরিয়ে নিতে তিনিই হচ্ছেন সবচেয়ে যোগ্য প্রার্থী।

ডোনাল্ড ট্রাম্প   রন ডিস্যান্টিস  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির দ্বারপ্রান্তে ইরান

প্রকাশ: ১০:১৬ পিএম, ২৮ মে, ২০২৪


Thumbnail

পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে ইরান। জাতিসংঘের পারমাণবিক শক্তি নজরদারি সংস্থা আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) প্রকাশিত দুটি পৃথক নথিতে এমন তথ্য উঠে এসেছে। খবর রয়টার্সের

আইএইএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের কাছে যে পরিমাণ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আছে, তা ২০১৫ সালে বেঁধে দেওয়া পরিমাণের চেয়ে অন্তত ৩০ গুণ বেশি। আইএইএর প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে ইরানি সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, ইরানের কাছে বর্তমানে ১৪২ দশমিক ১ কেজি ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম আছে, যা গত ফেব্রুয়ারিতে থাকা পরিমাণের চেয়ে ২০ কেজি বেশি। 

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক থিংকট্যাংক ফাউন্ডেশন ফর ডিফেন্সেস অব ডেমোক্রেসিসের নন-প্রলিফারেশন অ্যান্ড বায়োডিফেন্সের প্রোগ্রামের ডেপুটি ডিরেক্টর আন্দ্রেয়া স্ট্রাইকার ইরান ইন্টারন্যাশনালকে বলেন, ‘এটি খুবই ভয়াবহ চিত্র যে, ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি এগিয়ে নিচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইরান বিপজ্জনকভাবে পরমাণু অস্ত্র অর্জনের কাছাকাছি চলে যাচ্ছে।’ 

পাঁচ মাসে সম্ভব না হলে বড়জোর ছয় মাস সময় লাগবে বলে মনে করেন স্ট্রাইকার। তিনি বলেন, ‘এরপর (পুরোপুরি প্রয়োজনীয় মাত্রায় সমৃদ্ধ করার পর) তাদের অন্তত ছয় মাস লাগবে সেই জ্বালানিকে একটি পারমাণবিক বোমায় তৈরি করতে এবং তারপর আরও দীর্ঘ সময়—সম্ভবত এক বছরেরও বেশি সময় লাগবে এটিকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রে স্থাপনে সক্ষম হতে।’ 

এই গবেষকের মতে, মূলত একবার ইউরেনিয়াম পরিশোধনের ২০ শতাংশ স্তরে পৌঁছানো মানে প্রযুক্তিগত স্তরে বেশির ভাগ কাজ সম্পন্ন করে ফেলা এবং তারপর পরমাণু অস্ত্র তৈরি কেবল কয়েক দিনের ব্যাপার।

পারমাণবিক অস্ত্র   ইরান  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ফিলিস্তিনকে ইউরোপের তিন দেশের স্বীকৃতি

প্রকাশ: ০৬:১৫ পিএম, ২৮ মে, ২০২৪


Thumbnail

ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে স্পেন, নরওয়ে ও আয়ারল্যান্ড। মঙ্গলবার (২৮ মে) পূর্ব ঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফিলিস্তিনকে এই স্বীকৃতি দেয় ইউরোপের দেশ তিনটি। খবর আলজাজিরার।

মঙ্গলবার সবার আগে ফিলিস্তিনকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়ার ঘোষণা আসে স্পেন থেকে। দেশটির সরকারি এক মুখপাত্র বলেন, দেশের মন্ত্রিসভা কর্তৃক অনুমোদিত সিদ্ধান্ত মেনে ফিলিস্তিনকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে স্পেন।

পিলার আলেগ্রিয়া বলেন, আজকে আমাদের মন্ত্রিসভা ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। আমাদের এই সিদ্ধান্তের একটিই উদ্দেশ্য। আর সেটি হলো ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের শান্তি অর্জনে সহায়তা করা।

স্পেনের এই ঘোষণার কিছুক্ষণ পরই ফিলিস্তিনকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়ার কথা জানায় নরওয়ে। বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়, মঙ্গলবার নরওয়ের সরকারও আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে।

স্বীকৃতি দানের পর নরওয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসপেন বার্থ এইড বলেন, ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় পৃষ্ঠপোষকদের একটি হলো নরওয়ে।

স্পেন ও নরওয়ের ঘোষণার পরই ইউরোপের আরেক দেশ আয়ারল্যান্ড ফিলিস্তিনকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে আয়ারল্যান্ড সরকার জানায়, তাদের দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিয়েছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকালে মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে সরকার এই স্বীকৃতির অনুমোদন দিয়েছে।

আয়ারল্যান্ড বলেছে, ফিলিস্তিনকে একটি সার্বভৌম ও স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে সরকার। এখন ডাবলিন ও রামাল্লার মধ্যে পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করা হবে। এ ছাড়া রামাল্লায় আয়ারল্যান্ডের পূর্ণ দূতাবাস এবং একজন রাষ্ট্রদূত নিয়োগ করা হবে বলেও জানিয়েছে দেশটি।

এর আগে গত বুধবার ২৮ মে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দেয় স্পেন, নরওয়ে ও আয়ারল্যান্ড। দেশগুলোর নেতারা জানান, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য তাদের দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেবে।

ফিলিস্তিন   স্পেন   নরওয়ে   আয়ারল্যান্ড  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

পাকিস্তানে তাপমাত্রা ছাড়িয়েছে ৫২ ডিগ্রি

প্রকাশ: ১২:৩৫ পিএম, ২৮ মে, ২০২৪


Thumbnail

উপমহাদেশের একপ্রান্তে চলছে ঘূর্ণিঝড়-ভারী বর্ষণের তাণ্ডব আর অন্যপ্রান্তে ভয়াবহ তাপপ্রবাহ। গরমে গলে যাবার মত অবস্থা পাকিস্তানে। আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার পাকিস্তানের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ সিন্ধের ঐতিহাসিক শহর মোহেঞ্জোদারোর তাপমাত্রা ছিল ৫২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।  

সিন্ধু নদীর তীরবর্তী প্রাচীন সিন্ধু সভ্যতায় গড়ে উঠেছিল এই মোহেঞ্জোদারো শহর। শহরটি এই উপমহাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন জনপদগুলোর মধ্যে একটি।

বর্তমানে মোহেঞ্জোদারো সিন্ধ প্রদেশের একটি ছোট শহর আর এই শহরের আবহাওয়া প্যাটার্ন হলো- গ্রীষ্মকালে ব্যাপক গরম, শীতকালে মৃদু শীত এবং নিম্ন বৃষ্টিপাত, অর্থাৎ প্রায় মরু আবহাওয়া। তবে ছোটো শহর হলেও এখনও মার্কেট, বেকারি, চায়ের দোকান, মেশিন-ইলেকট্রনিক্স মেরামতসহ বিভিন্ন দোকানে রীতিমতো সরগরম থাকে মোহেঞ্জোদারো।

পাকিস্তানের আবহাওয়া দপ্তরের শীর্ষ নির্বাহী সরদার সরফরাজ রয়টার্সকে জানিয়েছেন,মোহেঞ্জোদারোতে যে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে, তা এখন পর্যন্ত এই মৌসুমের সর্বোচ্চ দৈনিক তাপমাত্রার রেকর্ড।  

দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের জলবায়ু বিষয়ক উপদেষ্টা রুবিনা খুরশীদ আলম রয়টার্সকে বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও উষ্ণতাবৃদ্ধির কারণে যেসব দেশ নিয়মিত বিভিন্ন আবহাওয়াগত দুর্যোগের শিকার হচ্ছে, সেসব দেশের তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে পাকিস্তান।


পাকিস্তান   তাপমাত্রা  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

পবিত্র হজে এবছর খুতবা পাঠ করবেন শায়খ মুআইকিলি

প্রকাশ: ১১:৫৬ এএম, ২৮ মে, ২০২৪


Thumbnail

২০২৪ সালের পবিত্র হজের খুতবা প্রদান করবেন মসজিদ আল হারামের ইমাম ও খতিব ড. শায়খ মাহের বিন হামাদ বিন মুহাম্মাদ বিন আল-মুআইকিলি।

সোমবার (২৭ মে) রাজকীয় অনুমোদনের পর ধর্ম বিষয়ক প্রেসিডেন্সি এই নিয়োগের ঘোষণা দেয়। আগামী ৯ জিলহজ হজের দিন তিনি মসজিদে নামিরায় এক আজান ও দুই ইকামতে জোহর ও আসর সালাতে ইমামতি করে হজের খুতবা পেশ করবেন।

ড. মাহের ১৯৬৯ সালে জানুয়ারি মাসে মদিনায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি উম্মুল কোরা ও কিং সাউদ বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চতর শিক্ষা অর্জন করেন। ড. মাহের মদিনার টিচার্স ট্রেনিং কলেজ থেকে গণিতে স্নাতক এবং মক্কা আল মোকাররমায় শিক্ষক হিসেবে কাজ করতে যান। এরপর তিনি মক্কার প্রিন্স আব্দুল মজিদ স্কুলে ছাত্র গাইড নিযুক্ত হন।

ড. মাহের ২০০৪ সালে উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বলের আইনশাস্ত্রে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন এবং ব্যাখ্যায় ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি উম্মুল আল-কুরা ইউনিভার্সিটির কলেজ অফ জুডিশিয়াল স্টাডিজ অ্যান্ড রেগুলেশনের জুডিশিয়াল স্টাডিজ বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কাজ করেন এবং গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজ এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ভাইস ডিনের পদে অধিষ্ঠিত।

ড. মাহের মক্কা আল-মুকাররমায় আল-আওয়ালি জেলার আল-সাদি মসজিদের খুতবার নেতৃত্ব দেন। তিনি ১৪২৬ হিজরি এবং ১৪২৭ হিজরিতে পবিত্র রমজান মাসে নবীর মসজিদে নামাজের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। ১৪২৮ হিজরিতে রমজান মাসে পবিত্র মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে তারাবিহ এবং তাহাজ্জুদের নামাজের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। সেই বছর থেকে এখন পর্যন্ত তিনি গ্র্যান্ড মসজিদের সরকারী ইমাম হিসাবে নিযুক্ত আছেন।


পবিত্র হজ   খুতবা পাঠ   শায়খ মুআইকিলি  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

মিসরীয় সেনাদের সঙ্গে ইসরায়েলি বাহিনীর গোলাগুলি

প্রকাশ: ১০:৫৭ এএম, ২৮ মে, ২০২৪


Thumbnail

ফিলিস্তিনের রাফা সীমান্তে মিসর ও ইসরায়েলের সেনাদের মধ্যে গোলাগুলি হয়েছে। এতে এক মিসরীয় সেনানিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। তবে এই ঘটনায় কোনো ইসরায়েলি সেনা হতাহত হয়নি। 

সোমবার(২৭ মে) দক্ষিণ গাজার রাফা সীমান্ত ক্রসিং এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি ইসরায়েলি সামরিক সূত্রের বরাতে সংবাদমাধ্যম ওয়াইনেট বলেছে, গাজা-মিসর সীমান্তে ভয়াবহ গোলাগুলির জন্য মিসরকে দায়ী করছে ইসরায়েল। ইসরায়লি গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, রাফা সীমান্ত ক্রসিংয়ে ইসরায়েলি সেনাদের দিকে লক্ষ্য প্রথমে গুলি করে মিসরীয় সেনারা। এরপর পাল্টা গুলি চালিয়ে জবাব দেয় ইসরায়েলি সেনারা। এতে একজন মিসরীয় সেনা নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। 

গাজা সীমান্তে গোলাগুলির বিষয়টি ইতিমধ্যে নিশ্চিত করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। তারা বলছে, এই ঘটনার পর তারা মিসরের সঙ্গে যোগাযোগ করছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বলেছে, কয়েক ঘণ্টা আগে মিসরীয় সীমান্তে একটি গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার ওপর তদন্ত চলছে। মিসরীয় পক্ষের সঙ্গে আলাপও অব্যাহত রয়েছে। এদিকে, ইসরায়েলের পর রাফা সীমান্তে গোলাগুলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মিসরও। এই ঘটনায় তাদের এক সেনা নিহত হয়েছে বলেও জানিয়েছে কায়রো।


মিসরীয় সেনা   ইসরায়েলি বাহিনী   গোলাগুলি   ফিলিস্তিন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন