ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

সেনা সমর্থন পেয়েও যে কারণে ইমরানের চেয়ে পিছিয়ে নওয়াজ

প্রকাশ: ০৯:৪৬ এএম, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪


Thumbnail

গত বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) নানান ঘটন-অঘটনের মধ্যে দিয়ে পাকিস্তানের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এরপর শুক্রবার রাতে লাহোরে দলের সদর দপ্তরের বারান্দায় এলেন নওয়াজ শরিফ। পাকিস্তানের তিনবারের এই প্রধানমন্ত্রী বারান্দায় পা ফেলার সঙ্গে সঙ্গে আতশবাজি ফোটানো শুরু হলো। তাকে স্বাগত জানাতে সেখানে সেদিন সমবেত হয়েছিলেন প্রায় দেড় হাজার মানুষ।

নওয়াজ কথা শুরু করেন সাম্প্রতিক সময়ে জনসমাবেশে তার বক্তৃতার পরিচিত ধরনে। শুরুতেই পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) সমর্থকদের উদ্দেশে দলটির সুপ্রিমো বলেন, ‘তোমরা কি আমাকে ভালোবাসো?’ তখন সমস্বরে জবাব এল, ‘আমরা আপনাকে ভালোবাসি।’

গত বৃহস্পতিবার জাতীয় নির্বাচন হয়েছে পাকিস্তানে। নওয়াজের প্রতি তার সমর্থকদের এমন অকুণ্ঠ সমর্থনের সঙ্গে ২৪ কোটি মানুষের দেশ পাকিস্তান যে একাত্ম বোধ করে, নির্বাচনে তার প্রমাণ মিলেছে সামান্যই। ভোটারদের ভোট দেওয়ার ধরন নির্বাচনী বিশ্লেষকদেরও অবাক করেছে।

জাতীয় নির্বাচনের এক মাস আগেও বিশেষজ্ঞরা বলছিলেন, নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়েই পিএমএল-এন ক্ষমতায় আসছে। এতে চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ পাবেন ৭৪ বছর বয়সী বর্ষীয়ান রাজনীতিক নওয়াজ। এর বড় কারণ, একসময় পাকিস্তানে ক্ষমতাধর সেনাবাহিনীর চক্ষুশূলে পরিণত হওয়া নওয়াজ এবারের নির্বাচনে ছিলেন জেনারেলদের ‘আশীর্বাদপুষ্ট’।

নওয়াজ ও তার দলও জয়ের ব্যাপারে এতটাই আত্মবিশ্বাসী ছিল যে ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গত বৃহস্পতিবার রাতে আগে থেকে প্রস্তুত করে রাখা ‘বিজয় ভাষণ’ দিয়ে দেন তিনি। এরপর ভোটের ফল আসতে থাকলে ‘পাশার দান’ উল্টে যেতে থাকে।

নির্বাচনবিশেষজ্ঞ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাজিদ নিজামি বলছেন, ‘ভোটের ফলাফলে দলগুলোর অবস্থান স্পষ্ট হতে থাকলে তা পিএমএল-এনকে বিস্মিত ও হতভম্ব করে। পিএমএল-এন যে ফল প্রত্যাশা করেছিল, তা পায়নি।’

নওয়াজের পিএমএল-এনের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত প্রায় অর্ধেক আসনে জয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা, যারা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) সমর্থন নিয়ে নির্বাচনে লড়েছেন। জাতীয় পরিষদে ৭৫ আসন পাওয়া পিএমএল-এন পিটিআইয়ের স্বতন্ত্রদের চেয়ে ২০ আসন পিছিয়ে আছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাম্প্রতিক কয়েক মাসে পিটিআইকে ব্যাপক রাজনৈতিক ও আইনি হেনস্তার মুখে পড়তে হয়। জ্যেষ্ঠ নেতারা গ্রেপ্তার হন। অনেকে দৃশ্যত দল ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। এমনকি দলীয় প্রতীক ‘ক্রিকেট ব্যাট’ও ব্যবহার করতে পারেনি পিটিআই। প্রার্থীরা লড়েছেন স্বতন্ত্র হয়ে।

তবে পিটিআই একমাত্র দল নয়, যারা এমন দমন–পীড়নের মুখোমুখি হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক সালমান গনি বলেন, এই দমন–পীড়নের পেছনে সামরিক বাহিনী ও পিএমএল-এন ছিল বলে মনে করেন সাধারণ পাকিস্তানিরা। এই দুই পক্ষই ইমরান খানের জনপ্রিয়তাকে খাটো করে দেখে ভুল করেছিল।

সালমান গনি বলেন, ‘যখন একজন ব্যক্তি নিপীড়িত হন, তখন তার জনপ্রিয়তা ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। আমরা নওয়াজের ক্ষেত্রেও বিষয়টি দেখেছি। যখন কারও দেয়ালে পিঠ ঠেকে যায়, তখন সে পাল্টা জবাব দিতে মরিয়া চেষ্টা চালায়। পিএমএল-এন তা বুঝতে পারেনি।’

এ বিষয়ে একমত রাজনৈতিক বিশ্লেষক বদর আলমও। তিনি বলেন, ‘এমনকি একবারের জন্যও পিটিআইয়ের ওপর সহিংসতা ও নিপীড়নের নিন্দা করেনি পিএমএল-এন। প্রকৃতপক্ষে পিটিআইকে সম্পূর্ণভাবে বশে আনার ভূমিকা নিয়েছিল তারা। এটি পিএমএল-এনকে নিপীড়কের কাতারে দাঁড় করিয়েছে। এতে তাদের প্রতি জনগণ ক্ষুব্ধ হয়েছিল।’


ইমরান খান   নওয়াজ শরীফ   নির্বাচন   ভোট  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

চতুর্থবারের মতো নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি

প্রকাশ: ০৯:৪৯ এএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

মাওবাদী নেতা পুষ্পকমল দাহাল ওরফে প্রচণ্ড আস্থাভোটে হেরে যাওয়ার পর নেপালে নতুন সরকার গঠন করা হয়েছে। এ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন দেশটির তিনবারের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি। সোমবার নতুন মন্ত্রিসভার সঙ্গে শপথ নেবেন কে পি শর্মা।

রবিবার এক প্রতিবেদনে কাঠমান্ডু মোস্ট জানায়, নেপালের প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাউডেল কে পি শর্মাকে চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।

কে পি শর্মা‘চীনপন্থী’হিসেবে পরিচিত। তিনি কমিউনিস্ট পার্টি অব নেপাল (ইউনিফায়েড মার্কসিস্ট লেনিনিস্ট)-এর প্রধান। শের বাহাদুর দেউবার নেতৃত্বাধীন নেপালী কংগ্রেসের সমর্থন নিয়ে তিনি ফের কাঠমান্ডুর ক্ষমতায় ফিরলেন।

৭২ বছর বয়সী কে পি শর্মা এর আগে ২০১৫ সালের ১১ অক্টোবর থেকে ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট পর্যন্ত, ২০১৮ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২১ সালের মে মাস ও ২০২১ সালের মে মাস থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত নেপালের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

গত শুক্রবার হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে আস্থা ভোটে হেরে যান পুষ্প কমল দাহাল। এরপরই দেশটির সংবিধানের ৭৬ (২) অনুচ্ছেদ অনুসারে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

নেপালী কংগ্রেসের ৮৮ জন, ইউএমএল-এর ৭৮ জনসহ ১৬৬ জন আইন প্রণেতার সমর্থনের পর প্রেসিডেন্ট পাউডেল কেপি শর্মাকে সংবিধানের ৭৬(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে নিয়োগ দেন।


নেপাল   প্রধানমন্ত্রী   কেপি শর্মা অলি  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ট্রাম্পের ওপর হামলা, ঐক্যের ডাক বাইডেনের

প্রকাশ: ০৮:৩৮ এএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর বন্দুক হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে ঐক্যের ডাক দিয়েছেন দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। 

রোববার (১৪ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ওয়াশিংটনের ওভাল অফিস থেকে জাতির উদ্দেশে দেন বাইডেন। সেখানে তিনি বলেন, আমেরিকায় রাজনৈতিক সহিংসতার পথ নেয়া কখনই উচিত হবে না। 

তিনি বলেন, মনে রাখবেন, আমরা একে ওপরের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করতে পারি কিন্তু আমরা একে অপরের শত্রু না। আমরা প্রতিবেশী, বন্ধু, সহকর্মী এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, আমরা সবাই আমেরিকান। 

তিনি বলেন, ‘আমেরিকায় আমরা ব্যালট বাক্স দিয়ে পার্থক্য গড়ি। বুলেট দিয়ে নয়। আমাদের দেশের পরিবর্তন করার ক্ষমতা সর্বদা জনগণের হাতে থাকা উচিত। হত্যাকারীদের হাতে নয়।’ 

এ সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট আমেরিকানদের শান্ত হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা এই সহিংসতাকে স্বাভাবিক ভাবতে পারি না। এ দেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতি খুব উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এখন শান্ত হওয়ার সময় এসেছে।’

এদিকে হত্যা চেষ্টা থেকে বেঁচে ফিরেই রিপাবলিকান দলের জাতীয় সম্মেলনে যোগ দিতে রোববার উইসকনসিনের শহর মিলওয়াকিতে  মিলওয়াকিতে পৌঁছেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ধারণা করা হচ্ছে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী হিসেবে এই সম্মেলনেই আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে মনোনীত করা হবে।

এরইমধ্যে সম্মেলনস্থলজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা নেয়া হয়েছে। অতিরিক্ত কয়েকহাজার সদস্য মোতায়েন থাকবে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। পেনসিলভানিয়ার মতো অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা ঘটবে না বলেই আশাবাদী তারা। 

অন্যদিকে, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্টের ওপর গুলি চালানো তরুণের নাম পরিচয় ও ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিনিয়িত নতুন তথ্য প্রকাশ করছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই। হামলাকারী থমাস ম্যাথিউয়ের গাড়িতে বিস্ফোরক দ্রব্য পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।


সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট   ডোনাল্ড ট্রাম্প   বন্দুক হামলা   জো বাইডেন  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

গুলির ঘটনার পর কি বেড়ে গেল ট্রাম্পের জয়ের সম্ভাবনা!

প্রকাশ: ০৮:২২ এএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

পেনসিলভানিয়ার এক নির্বাচনী জনসভায় সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর গুলি চালানো হয়। এই ঘটনা তার হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার সম্ভাবনাকে আরও উজ্জ্বল করেছে বিনিয়োগকারীরা। তারা ধারণা করছেন, আসন্ন নির্বাচনে ট্রাম্পের জয়ের বিষয়ে মানুষের আগ্রহ আরও বাড়বে। 

শনিবারের এই হামলায় ট্রাম্পের কানে গুলি লাগে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই হামলা হত্যার উদ্দেশ্যে চালানো হয়েছিল। রক্তাক্ত ট্রাম্প তখনও শূন্যে হাত উঁচু করেন এবং তার প্রচারণা শিবির জানায়, সাবেক প্রেসিডেন্ট সুস্থ আছেন।

এই ঘটনার পরপরই ডলারের মূল্য বেড়েছে এবং বাজার আরও চাঙা হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ইস্টস্প্রিং ইনভেস্টমেন্টসের পোর্টফোলিও ম্যানেজার রং রেন গোহ মনে করেন, বাজারে এই বৃদ্ধির ধারা আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে।

১৯৮১ সালে রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগানের ওপর গুলি চালানোর পর এবার ট্রাম্পের ওপর হামলা হলো। এই হামলার কারণে আসন্ন নির্বাচনে ট্রাম্প বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের তুলনায় অনেকটাই এগিয়ে যেতে পারেন। ভেন্টেজ পয়েন্ট অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের প্রধান বিনিয়োগ কর্মকর্তা নিক ফেরেস বলেন, ‘তাকে হত্যার চেষ্টার পর জরিপে ট্রাম্প ২২ পয়েন্ট এগিয়ে গিয়েছেন। এই নির্বাচনে ভূমিধস জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।’

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতা ও যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিবিদরা ট্রাম্পের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। টেসলার প্রধান ইলন মাস্কের মতো ব্যবসায়ী নেতারাও ট্রাম্পের প্রতি তাদের সমর্থন প্রকাশ করেছেন।

অন্যদিকে, জো বাইডেনের প্রতি নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান আরও জোরালো হচ্ছে। দুই সপ্তাহ আগে এক নির্বাচনী বিতর্কে দুর্বল পারফরম্যান্সের পর বাইডেনের সমর্থকরা তার প্রতি আস্থা হারাচ্ছেন।

রয়টার্স ও ইপসসের জরিপে দেখা গেছে, এবারের নির্বাচনে অভিবাসন ও অর্থনীতি প্রধান ইস্যু। ভোটারদের একটি বড় অংশ মনে করছেন, অর্থনৈতিক ইস্যুতে ট্রাম্প তুলনামূলকভাবে ভালো প্রার্থী।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের অধীনে আরও কঠোর বাণিজ্য নীতি এবং শিথিল জলবায়ু পরিবর্তন নীতিমালা আশা করা যায়। বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন, করপোরেট ও ব্যক্তিগত কর কমানোর কারণে ট্রাম্পের অধীনে বাজেট ঘাটতি বাড়তে পারে।

ফেব্রুয়ারিতে ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলকে পুনরায় নিয়োগ দেবেন না। ট্রাম্পের নির্বাচনী সম্ভাবনার কারণে মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের সুদ বাড়ছে।

নিক ফেরেস বলেন, ‘ট্রাম্প সবসময়ই বাজারপন্থী। তবে রাজস্ব নীতি শিথিল হলে মূল্যস্ফীতি বাড়বে এবং সুদের হারও বাড়বে।’

শেয়ারের দামও বাড়ছে। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ এবং ডাউ জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ শেয়ার সূচক নতুন রেকর্ড করেছে। এসঅ্যান্ডপি ৫০০ চলতি বছরে ১৮ শতাংশ বেড়েছে।

গোল্ডম্যান স্যাকসের বিশ্লেষকরা লিখেছেন, গত ২০ বছরের পাঁচটি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সিইওদের আস্থা, ভোক্তা মনোভাব এবং ছোট ব্যবসার আশাবাদ রিপাবলিকান জয়ের দিকে বেশি ঝুঁকেছে। কিছু কোম্পানির আয়ের সম্ভাবনা বাড়তে পারে, যদি ট্রাম্প নির্বাচনে জেতেন।

গুলির ঘটনার পরপরই হেজফান্ড ব্যবস্থাপক বিল অ্যাকম্যান এবং ইলন মাস্ক প্রকাশ্যে ট্রাম্পের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। তারা ট্রাম্পকে ‘শক্ত’ নেতা হিসেবে বর্ণনা করেছেন।


পেনসিলভানিয়া   নির্বাচনী   জনসভায   সাবেক প্রেসিডেন্ট   ডোনাল্ড ট্রাম্প  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত আরও ১৪১ ফিলিস্তিনি

প্রকাশ: ০৮:১৪ এএম, ১৫ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

থেমে নেই ইসরাইলি গণহত্যা। গাজা উপত্যকা যেন মৃত্যুপুরী। দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর বর্বর এই হামলায় নিহত হয়েছেন আরও প্রায় দেড়শো ফিলিস্তিনি। এতে করে উপত্যকাটিতে নিহতের মোট সংখ্যা পৌঁছে গেছে প্রায় ৩৮ হাজার ৬০০ জনে।

এছাড়া গত বছরের অক্টোবর থেকে চলা এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৮৯ হাজার ফিলিস্তিনি। রোববার (১৪ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের চলমান হামলায় আরও ১৪১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে করে গত বছরের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮ হাজার ৫৮৪ জনে পৌঁছেছে বলে রোববার অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিরলস এই হামলায় আরও অন্তত ৮৮ হাজার ৮৮১ জন ব্যক্তিও আহত হয়েছেন।

মন্ত্রণালয় বলেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর করা তিনটি ‘গণহত্যায়’ ১৪১ জন নিহত এবং আরও ৪০০ জন আহত হয়েছেন। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে আছেন কারণ উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।

মূলত গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব সত্ত্বেও ইসরায়েল অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডে তার নৃশংস আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

এছাড়া ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে প্রায় ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

মূলত ইসরায়েলি আক্রমণ গাজাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে। জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলের বর্বর আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আর খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে গাজার সকলেই এখন খাদ্য নিরাপত্তাহীন অবস্থার মধ্যে রয়েছেন।

এছাড়া অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। ইসরায়েল ইতোমধ্যেই আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে।


গাজা   ফিলিস্তিনি   ইসরায়েল   নিহত   আহত   হামলা  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

নির্বাচনী প্রচারে গুগল বিজ্ঞাপনে ১৬২ কোটি টাকা ব্যয় বিজেপির

প্রকাশ: ০৮:১৮ পিএম, ১৪ জুলাই, ২০২৪


Thumbnail

ভারতের সর্বশেষ লোকসভা নির্বাচনে সবগুলো দলই ব্যাপক প্রচার কার্যক্রম চালিয়েছিল। তবে ক্ষমতাসীন বিজেপি ছিল প্রচারে সবচেয়ে এগিয়ে। গুগল বিজ্ঞাপনেই তারা খরচ করেছে ১১৬ কোটি রুপি, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১৬২ কোটি টাকারও বেশি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়ার এর এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে বিজেপি গুগলে ভিডিও এবং ইমেজ ফরম্যাটে ১ লাখ ৮৪ হাজার ২৪৭টি বিজ্ঞাপন দিয়েছে। এর মধ্যে বেশি জোর দেওয়া হয় ভিডিও বিজ্ঞাপনগুলিতে। এজন্য ৮৮ কোটি রুপি খরচ করে বিজেপি। সেই তুলনায় ইমেজ ফরম্যাটে কম টাকার বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। এজন্য খরচ হয়েছে ২৮ কোটি রুপি।

তবে ডিজিটাল মাধ্যমে এত বিপুল প্রচারেও সাড়া পায়নি বিজেপি। এবারে তাদের প্রচারে মূল স্লোগান ছিল ‘ইস বার চারস পার’ অর্থাৎ এবার ৪০০ আসনের বেশি অর্জন ছিল তাদের ঘোষণা। অথচ বিজেপি এবার ২৫০ আসনও নিশ্চিত করতে পারেনি।

অন্যদিকে ডিজিটাল মাধ্যমে বিজ্ঞাপনের জন্য ৩৯ কোটি রুপি খরচ করে কংগ্রেস। তাদের ৪০টি ভিডিও বিজ্ঞাপন ১ কোটি ভিউ হয়। মোট ৩ হাজার ৮১১টি বিজ্ঞাপন দেয় তারা। তবে বিজেপির ১৪০টি ভিডিও বিজ্ঞাপন ১ কোটি ভিউয়ের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। সেই তুলনায় কংগ্রেসের ভিডিওর ওয়াচ টাইম ছিল অনেক কম।

তবে মূল লড়াইয়ে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট ছিল লোকসভায় দারুণ সফল। নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপির একক ক্ষমতা ঠেকিয়ে দিয়েছে তারা।


নরেন্দ্র মোদী   গুগল বিজ্ঞাপন   কংগ্রেস   বিজেপি  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন