ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

বালিশ যুদ্ধও এখন দেখানো হবে টেলিভিশনে

প্রকাশ: ০৯:০৩ এএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail বালিশ যুদ্ধও এখন দেখানো হবে টেলিভিশনে

শৈশব-কৈশোরের আমাদের সকলের প্রিয় বালিশ খেলা এখন বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশীপের মঞ্চে আবির্ভূত। সাধারণ বালিশ খেলা থেকে এখন তা বালিশ যুদ্ধে রুপ নিয়েছে। আর এই খেলা এখন দেখা যাবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের টেলিভিশনের পর্দায়।

২০২২ সালের ২৯ জানুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বিশ্বের প্রথম বালিশ যুদ্ধের চ্যাম্পিয়নশিপ। শুধু তাই নয়, পিএফসি বা পিল ফাইট চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচগুলো দেখা যাবে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন টেলিভিশনেও।

বালিশ খেলাকে পেশাদার খেলার মর্যাদা দেবার স্বপ্ন দেখেছিলেন স্টিভ উইলিয়ামস। উইলিয়ামসের ভাবনায় চালু হতে চলা এই চ্যাম্পিয়নশিপে বালিশ যুদ্ধের কেরামতির সাথে মেশানো হবে বিভিন্ন মার্শাল আর্টসের কায়দা।

পিএফসি'র প্রধান উইলিয়ামস বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘‘এই প্রতিযোগিতা কিন্তু তেমন নয় যে আপনি হাসতে হাসতে বালিশের লড়াইয়ে নামবেন আর চারদিকে পাখির পালক উড়বে। এটা খুবই সিরিয়াস একটা খেলা। বিশেষ কায়দায় তৈরি করা বালিশ নিয়ে লড়ার বিশেষ কৌশলের লড়াই।’’

জানুয়ারি মাসের আসন্ন প্রতিযোগিতায় নাম লিখিয়েছেন যেসব নারী ও পুরুষ, তারা সকলেই অ্যামেরিকার বক্সিং ও মার্শাল আর্টসের জগতের পোড় খাওয়া খেলোয়াড়। কিন্তু এই খেলায় কারো আঘাত পাওয়ার সুযোগ নেই, নিশ্চিত করেন স্টিভ উইলিয়ামস।

তিনি আরও যোগ করেন, ‘‘খেলোয়াড়রা কেউ চোট পেতে চায় না কিন্তু দর্শকরা চায় জোরদার লড়াই হোক, প্রয়োজনে রক্তপাতও। মূলত দর্শকরা একটা ভালো লড়াই দেখতে চায়। শুধু মারামারি কারো ভালো লাগে না।’’

খেলা আরও বেশি করে জনগণকে আকর্ষণ করবে কারণ সবাই এই খেলা শৈশবে নিজেদের ভাইবোন অথবা বন্ধুদের সাথে খেলেছে, জানান উইলিয়ামস। তিনি বলেন, ‘‘ধরে নিন এটা মূলধারার খেলাধুলার চেয়ে একটু বাইরে। কিন্তু তাতে মূলধারার দর্শককেও টানা যাবে। ঠিক যেভাবে দেশের লোকগানের সাথে আজকাল অন্যান্য র‍্যাপ গান মিশিয়ে গাইলেও জনগণের তা ভালো লাগে। ঠিক সেরকমই।’’

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে খেলার জন্য পরিচিত বিশেষ টেলিভিশন চ্যানেল এফআইটিই-তে দেখা যাবে এই বালিশ যুদ্ধের চ্যাম্পিয়নশিপ। সূত্র: ডয়চে ভেলে



মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করল যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশ: ০৫:৩০ পিএম, ১২ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

ইসরায়েলের ওপর ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলার আশঙ্কায় দেশটি কর্মরত মার্কিন নাগরিকদের জন্য ভ্রমণ সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন দূতাবাস দেশটিতে কর্মরত নাগরিকদের জেরুজালেমের বাইরে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে। তবে তেলআবিব ও বির শেভা এলাকা এ সতর্কতার আওতামুক্ত থাকবে।

গত ১ এপ্রিল সিরিয়ার ইরানি কনস্যুলেটে বোমা হামলায় ১৩ জন নিহত হয়। হামলাটি যে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) চালিয়েছিল— বিভিন্ন সাক্ষ্য ও আলামতে তার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েল ওই হামলার দায় স্বীকার করেনি।

ইরান এই হামলার যথাযথ প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এর জেরেই ইসরায়েলের মার্কিন দূতাবাস অতিসাম্প্রতিক এই ভ্রমণ বিষয়ক বিধিনিষেধ জারি করেছে।

হামলার পর যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসেন আমির আবদুল্লাহিয়ানকে ফোন করে সহিংসতার জের আর না বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন, তবে ইরান সেই আহ্বানে সাড়া দেবে— এমন সম্ভাবনা খুবই কম বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ, নিহত ১৩ জনের মধ্যে ইরানের সামরিক বাহিনীর এলিট শাখা কুদস ফোর্সের সিরিয়া ও লেবানন শাখার কমান্ডারসহ কয়েকজন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা ছিলেন।

ভ্রমণ সতর্কতা   যুক্তরাষ্ট্র   ইসরায়েল  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ইসরায়েলে হামলা চালাতে পারে ইরান

প্রকাশ: ০২:১০ পিএম, ১২ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলের মাটিতে ইরান সরাসরি হামলা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মার্কিন এক কর্মকর্তা।

গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে মার্কিন ওই কর্মকর্তা এ আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলের মাটিতে সরাসরি হামলা করতে পারে ইরান।

গত ১ এপ্রিল ইসরায়েল ইরানের কনস্যুলেট ভবনে হামলা চালিয়ে দেশটির দুই জেনারেলসহ অন্তত সাতজনকে হত্যা করে। এরপরই মূলত ইসরায়েলে হামলার চূড়ান্ত অঙ্গীকার করে ইরান। দেশটির শীর্ষ নেতারা ধারাবাহিকভাবে প্রতিশোধের হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন।

ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল জানায়, দক্ষিণ অথবা উত্তর ইসরায়েলে ইরানের সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে তেল আবিব। তবে তেহরান এখনও এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।

এর আগে পশ্চিমা গণমাধ্যমের প্রতিবেদনগুলোতে দাবি করা হয়, সরাসরি ইসরায়েল অথবা ইসরায়েলের স্বার্থ রয়েছে এমন স্থাপনায় ইরানের হামলা আসন্ন।

ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র তাদের কর্মকর্তাদের সেন্ট্রাল ইসরায়েলের বাইরে ভ্রমণের ব্যাপারে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।

এদিকে ইসরায়েল সব ফ্রন্টে হামলার জন্য প্রস্তুত বলেও মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

আনাদোলু বলছে, ইসরায়েলের দূরপাল্লার হামলায় প্রাথমিক অস্ত্র হচ্ছে এফ-১৫ যুদ্ধবিমান। নেতানিয়াহু তার বক্তৃতার জন্য এই ঘাঁটিকে বেছে নেওয়ায় এটিকে ইরানকে লক্ষ্য করার হুমকির একটি ইচ্ছাকৃত ইঙ্গিত বলে মনে করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে নেতানিয়াহু বলেন, ‘ইসরায়েলি সেনাবাহিনী অন্যান্য ফ্রন্ট থেকে চ্যালেঞ্জের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমাদের সাধারণ একটি নীতি আছে: যারা আমাদের আঘাত করবে, আমরা তাদের আঘাত করব।’


ইসরায়েল   হামলা   ইরান  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

দালালদের খপ্পরে পড়ে ইউক্রেন যুদ্ধে, ভয়াবহ অভিজ্ঞতা শোনালেন দুই ভারতীয়

প্রকাশ: ০১:০৯ পিএম, ১২ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

দালালদের খপ্পরে পড়ে রুশ বাহিনীর হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে লড়াই করতে হচ্ছে অনেক ভারতীয়দের। এদের মধ্যে আবার অনেকে হতাহতের শিকার হয়েছেন। তবে কৌশলে দেশে ফিরে আসা দু'জন শোনালেন ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা।

গত বছরের অক্টোবর মাসে ফেসবুকে রাশিয়ায় নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগের একটি বিজ্ঞপ্তি  চোখে পড়ে ভারতের কেরালা রাজ্যের বাসিন্দা ডেভিড মুথাপ্পানার। বেতন মাসে ২ লাখ ৪ হাজার রুবল।

এমন সুযোগ আসায় চাকরিতে রাজি হয়ে যান মুথাপ্পান। কয়েক সপ্তাহ বাদেই ২৩ বছর বয়সী মুথাপ্পানের জায়গা হয় ইউক্রেনের দোনেৎস্ক অঞ্চলের যুদ্ধক্ষেত্রে। সে সময় দিনগুলোর কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘সব জায়গায় ছিল মৃত্যু আর ধ্বংসের ছায়া।’

দিন কয়েক আগে মুথাপ্পান ও কেরালার আরেকজন ভারতে ফিরতে পেরেছেন। দেশে ফিরলেও যুদ্ধের ময়দানে থাকার দিনগুলোর কথা ভুলতে পারছেন না মুথাপ্পান।

তিনি বলেন, মানুষের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে ছিল। এটা দেখে তিনি বমি করতে করতে প্রায় অচেতন হয়ে পড়েছিলেন। পরে তাদের নেতৃত্বে থাকা রুশ কমান্ডার তাকে চৌকিতে ফিরে যেতে বলেন।

গত মার্চ মাসে এক দল ভারতীয় মুথাপ্পানকে মস্কোয় ভারতের দূতাবাসে যেতে সহায়তা করেন। পরে দূতাবাসের সহায়তায় ভারতে ফেরেন তিনি।

একইভাবে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ভারতে ফিরতে পেরেছেন প্রিন্স সেবাস্তিয়ান। স্থানীয় এক দালালের খপ্পরে পড়ে সেবাস্তিয়ানকে যেতে হয়েছিল পূর্ব ইউক্রেনে মস্কো নিয়ন্ত্রিত লিসিচানস্ক শহরে। মাত্র তিন সপ্তাহের প্রশিক্ষণের পর তাকে যুদ্ধে পাঠানো হয়েছিল।

যুদ্ধের সম্মুখসারিতে পৌঁছানোর পর কাছ থেকে ছোড়া একটি গুলি এসে সেবাস্তিয়ানের বাঁ কানের নিচে লাগে। তিনি পড়ে যান। পরে বুঝতে পারেন, শরীরের নিচে রয়েছে এক রুশ সেনার মরদেহ।

সেবাস্তিয়ান বলেন, ‘আমি বড় ধাক্কা খেয়েছিলাম। নড়াচড়া করতে পারছিলাম না। এক ঘণ্টা পর রাত নামলে আরেকটি বোমার বিস্ফোরণ হলো। এতে আমার বাঁ পায়ে বেশ আঘাত পেলাম।’

সেই রাতটা একটি পরিখায় কাটান সেবাস্তিয়ান। পরদিন সকালে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান। এরপর বেশ কয়েক সপ্তাহ ভর্তি থাকতে হয় হাসপাতালে। বিশ্রামের জন্য ছুটি পান এক মাস। এই সময়টাতে ভারতীয় দূতাবাসের সহায়তায় দেশে ফেরেন তিনি।

সেবাস্তিয়ান জানান, তার সঙ্গে রাশিয়ায় গিয়েছিলেন আরও দুই বন্ধু। তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কয়েক সপ্তাহ ধরে তাদের খোঁজখবর পাচ্ছে না তাদের পরিবারও।

দালালের খপ্পরে পড়ার গল্প জানান সেবাস্তিয়ান। ইউরোপে চাকরির খোঁজে তিনি ও তার বন্ধুরা স্থানীয় এক দালালের কাছে গিয়েছিলেন। ওই দালাল বলেছিলেন, রাশিয়ায় নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কাজ করাটা তাদের জন্য একটি ‘সুবর্ণ সুযোগ’ হবে। বেতন পাওয়া যাবে মাসে ২ লাখ রুপি। দালালের কথায় সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে যান তারা। এ বছরের ৪ জানুয়ারি তারা মস্কো পৌঁছান। নিজেকে অ্যালেক্স পরিচয় দেওয়া একজন ভারতীয় দালাল সেখানে তাদের স্বাগত জানিয়েছিলেন।

সে রাতটা একটি বাসায় কাটিয়েছিলেন সেবাস্তিয়ান ও তার বন্ধুরা। পরদিন এক ব্যক্তি তাদের রাশিয়ার কস্ত্রোমা শহরে একজন সেনা কর্মকর্তার কাছে নিয়ে যান। সেখানে তিন বন্ধুর সঙ্গে যোগ দেন শ্রীলঙ্কার তিন নাগরিক। তারপর ছয়জনকে নিয়ে যাওয়া হয় ইউক্রেন সীমান্তের রোস্তভ অঞ্চলের একটি সামরিক ক্যাম্পে। নিয়ে নেওয়া হয় পাসপোর্ট ও মুঠোফোন। ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু হয় তাদের প্রশিক্ষণ। কয়েক দিনের মধ্যে তারা শিখে যান, কীভাবে ট্যাংকবিধ্বংসী গ্রেনেড ব্যবহার করতে হয়। আর আহত হলে কী করতে হবে, তা-ও শেখানো হয়।

এরপর ছয়জনকে অ্যালাবিনো পলিগন নামের আরেকটি ঘাঁটিতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাদের টানা ১০ দিন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। সেবাস্তিয়ান বলেন, ‘সেখানে আমাদের জন্য সব ধরনের অস্ত্র ছিল। সেগুলো নিয়ে খেলনার মতো মজা করা শুরু করলাম।’ তবে সে আনন্দ বেশিক্ষণ থাকেনি। যুদ্ধক্ষেত্রে তাদের জন্য অপেক্ষা করছিল নিষ্ঠুর এক বাস্তবতা।


ইউক্রেন যুদ্ধে   ভারতীয়  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

পাকিস্তানের পরিস্থিতি আরেকটি ‘ঢাকা ট্র্যাজেডি’ ঘটাতে পারে, হুঁশিয়ারি ইমরানের

প্রকাশ: ১১:২৬ এএম, ১২ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআইয়ের চেয়ারম্যান ইমরান খান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, পাকিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি আরেকটি ‘ঢাকা ট্র্যাজেডি’র জন্ম দিতে পারে। একইসঙ্গে ইমরান খান দেশটির চলমান অর্থনৈতিক সংকটের কথা উল্লেখ করে বলেন, স্থিতিশীল অর্থনীতি ছাড়া কোনো দেশ টিকে থাকতে পারে না।

ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটে ভুগছে পাকিস্তান। একইসঙ্গে চলছে রাজনৈতিক সংকট। গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও সংকটের কোনো সমাধান হয়নি। নির্বাচনে এককভাবে সবচেয়ে বেশি আসনে জয়লাভ করেও সরকার গঠন করতে পারেনি পিটিআই।

কারাগারে ইমরান খানের সঙ্গে দেখা করে আসা পিটিআই নেতাদের বক্তব্যের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন।

ইমরান খানের বক্তব্য উদ্ধৃত করে পিটিআই নেতা সালমান আকরাম রাজা বলেন, ‘আপনি যখন জনগণকে তাদের অধিকার দেবেন না, তখন আপনি বলতে পারবেন না অর্থনীতি এগিয়ে যাবে। ১৯৭০ সালে সেনাপ্রধান ইয়াহিয়া খান ঝুলন্ত সংসদ চেয়েছিলেন কিন্তু শেখ মুজিবুর রহমানের দল যখন স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেল, তখন সেনাবাহিনী জালিয়াতি করে উপনির্বাচন করে, যাতে ইয়াহিয়া খান প্রেসিডেন্ট হতে চেয়েছিলেন। আর এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগের ৮০টি আসন ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল।’

ইমরান খানকে উদ্ধৃত করে ব্যারিস্টার রাজা আরও বলেন, ‘আমি হামুদুর রহমান কমিশনের রিপোর্টের কথা মনে করিয়ে দিতে চাই, আমরা অতীতে যে ভুলগুলো করেছিলাম, এখনো সেই একই ভুলের পুনরাবৃত্তি করতে যাচ্ছি। ১৯৭০ সালেও লন্ডন পরিকল্পনা ছিল এবং আজ আবারও লন্ডন পরিকল্পনার মাধ্যমে (জনগণের ওপর) সরকার চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

তবে তিনি বলেছেন, ইমরান খান বারবার ইঙ্গিত দিয়েছেন- তিনি সামরিক বাহিনীর সঙ্গে কথা বলতে প্রস্তুত। তার (ইমরানের) দাবি, এটিই দেশের স্বার্থে সবচেয়ে ভালো পদক্ষেপ হবে।

পিটিআই নেতা ইন্তাজার পাঞ্জুথা বলেন, ইমরান খান পাকিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতিকে ১৯৭১ সালের সঙ্গে তুলনা করেছেন। খান সতর্ক করে বলেছেন, পাকিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনৈতিক পতন ঘটবে এবং যখন অর্থনীতি ভেঙে পড়বে তখন দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোও টিকে থাকবে না।


পাকিস্তান   ঢাকা ট্র্যাজেডি   ইমরান খান  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

গাজায় নিহতের সংখ্যা সাড়ে ৩৩ হাজার ছাড়াল

প্রকাশ: ১১:০০ এএম, ১২ এপ্রিল, ২০২৪


Thumbnail

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় হঠাৎ করেই হামলার তীব্রতা ব্যাপক হারে বাড়িয়েছে ইসরাইল। এতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আহত হয়েছেন আরো ৪৫ জন। এ নিয়ে গাজায় নিহত বেড়ে সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার ৫৪৫ জনে। এছাড়া আহত হয়েছেন আরো ৭৬ হাজার ৯৪ জন।

বৃহস্পতিবার উপত্যকাজুড়ে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করে ইসরাইলি সেনারা।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের বর্বরতা রুখতে যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যখন জোর তৎপরতা চালাচ্ছে, এমন সময়ই সংঘাত উসকে দিচ্ছে ইসরাইল। হামাসের শীর্ষ নেতা ইসমাইল হানিয়ার পরিবারের সদস্যদের টার্গেট করার পর এবার হঠাৎ করে উপত্যকাজুড়ে আগ্রাসনের মাত্রা বাড়িয়েছে নেতানিয়াহু প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার গাজা সিটি মার্কেটে বোমাবর্ষণ করে ইসরাইলি সেনারা। এতে হামাস নেতাসহ বেশ কয়েকজন হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

এছাড়া হামাস সদস্যদের হত্যার অজুহাতে মধ্যাঞ্চলের বুরেইজ শরণার্থী শিবির এবং উত্তরাঞ্চলের জাবালিয়া ক্যাম্পে তাণ্ডব চালাচ্ছে দখলদাররা। ভয়াবহ হামলায় এলাকাগুলোতে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। আরো অসংখ্য বেসামরিকের প্রাণহানির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় গাজায় আরো ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া একই সময়ের মধ্যে আহত হয়েছেন আরো ৪৫ জন। এ নিয়ে গাজায় মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার ৫৪৫ জনে। অপরদিকে আহত হয়েছেন আরো ৭৬ হাজার ৯৪ জন।

এদিকে হামলার পাশাপাশি ত্রাণ সহায়তা বাধাগ্রস্ত করতেও সবরকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল। বিভিন্ন সংস্থাকে টার্গেট করে হামলা অব্যাহত রেখেছে তারা।

খাবারের অভাবে উত্তরাঞ্চলে এরই মধ্যে দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউএসএইডের পরিচালক সামান্তা পাওয়ার। উত্তরাঞ্চলে পর্যাপ্ত খাবার এবং সুপেয় পানি সরবরাহ হচ্ছে না বলেও জানান তিনি। এই প্রথম মার্কিন কোনো কর্মকর্তা অঞ্চলটিতে দুর্ভিক্ষের বিষয়টি স্বীকার করলো।

এমন পরিস্থিতিতে খাবারের অভাবে সামনের দিনগুলোতে বিপুল প্রাণহানি এড়াতে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি কার্যকরের আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।


গাজা   নিহত   সাড়ে ৩৩ হাজার  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন