ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

বালিশ যুদ্ধও এখন দেখানো হবে টেলিভিশনে

প্রকাশ: ০৯:০৩ এএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail বালিশ যুদ্ধও এখন দেখানো হবে টেলিভিশনে

শৈশব-কৈশোরের আমাদের সকলের প্রিয় বালিশ খেলা এখন বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশীপের মঞ্চে আবির্ভূত। সাধারণ বালিশ খেলা থেকে এখন তা বালিশ যুদ্ধে রুপ নিয়েছে। আর এই খেলা এখন দেখা যাবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের টেলিভিশনের পর্দায়।

২০২২ সালের ২৯ জানুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বিশ্বের প্রথম বালিশ যুদ্ধের চ্যাম্পিয়নশিপ। শুধু তাই নয়, পিএফসি বা পিল ফাইট চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচগুলো দেখা যাবে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন টেলিভিশনেও।

বালিশ খেলাকে পেশাদার খেলার মর্যাদা দেবার স্বপ্ন দেখেছিলেন স্টিভ উইলিয়ামস। উইলিয়ামসের ভাবনায় চালু হতে চলা এই চ্যাম্পিয়নশিপে বালিশ যুদ্ধের কেরামতির সাথে মেশানো হবে বিভিন্ন মার্শাল আর্টসের কায়দা।

পিএফসি'র প্রধান উইলিয়ামস বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘‘এই প্রতিযোগিতা কিন্তু তেমন নয় যে আপনি হাসতে হাসতে বালিশের লড়াইয়ে নামবেন আর চারদিকে পাখির পালক উড়বে। এটা খুবই সিরিয়াস একটা খেলা। বিশেষ কায়দায় তৈরি করা বালিশ নিয়ে লড়ার বিশেষ কৌশলের লড়াই।’’

জানুয়ারি মাসের আসন্ন প্রতিযোগিতায় নাম লিখিয়েছেন যেসব নারী ও পুরুষ, তারা সকলেই অ্যামেরিকার বক্সিং ও মার্শাল আর্টসের জগতের পোড় খাওয়া খেলোয়াড়। কিন্তু এই খেলায় কারো আঘাত পাওয়ার সুযোগ নেই, নিশ্চিত করেন স্টিভ উইলিয়ামস।

তিনি আরও যোগ করেন, ‘‘খেলোয়াড়রা কেউ চোট পেতে চায় না কিন্তু দর্শকরা চায় জোরদার লড়াই হোক, প্রয়োজনে রক্তপাতও। মূলত দর্শকরা একটা ভালো লড়াই দেখতে চায়। শুধু মারামারি কারো ভালো লাগে না।’’

খেলা আরও বেশি করে জনগণকে আকর্ষণ করবে কারণ সবাই এই খেলা শৈশবে নিজেদের ভাইবোন অথবা বন্ধুদের সাথে খেলেছে, জানান উইলিয়ামস। তিনি বলেন, ‘‘ধরে নিন এটা মূলধারার খেলাধুলার চেয়ে একটু বাইরে। কিন্তু তাতে মূলধারার দর্শককেও টানা যাবে। ঠিক যেভাবে দেশের লোকগানের সাথে আজকাল অন্যান্য র‍্যাপ গান মিশিয়ে গাইলেও জনগণের তা ভালো লাগে। ঠিক সেরকমই।’’

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে খেলার জন্য পরিচিত বিশেষ টেলিভিশন চ্যানেল এফআইটিই-তে দেখা যাবে এই বালিশ যুদ্ধের চ্যাম্পিয়নশিপ। সূত্র: ডয়চে ভেলে



মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

কলম্বিয়ার কারাগারে দাঙ্গায় নিহত ৪৯, আহত ৩০

প্রকাশ: ০৯:৪৫ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail কলম্বিয়ার কারাগারে দাঙ্গায় নিহত ৪৯, আহত ৩০

কলম্বিয়ার একটি কারাগারে আগ্নিকাণ্ডের জেরে সৃষ্ট দাঙ্গায় মারা গেছে ৪৯ কয়েদি। এ ঘটনা আহত আরও ৩০ জন। 

মঙ্গলবার (২৮ জুন) রাতে দেশটির দক্ষিনপশ্চিমাঞ্চলীয় শহর তুলুয়ার আইএনপিইসি কারাগারে এই ঘটনা ঘটে।

কারাগারের প্রধান জেনারেল টিটো ক্যাস্টিল্যানোস দেশটির সংবাদমাধ্যম কারাকোল রেডিওকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দাঙ্গা ও হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এই ঘটনাকে ‘দুঃখজনক’ ও ‘বিপর্যয়কর’ উল্লেখ করে ক্যাস্টিল্যানোস বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি, কয়েকজন কয়েদি তাদের বিছানার তোশকে আগুন দিয়েছিল। তারপর গুজব ছড়িয়ে দেওয়া হয়— কারাগারে আগুন লেগেছে।’

‘এতে স্বাভাবিকভাবেই অন্য কয়েদিরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং কারাগার থেকে বের হতে কারারক্ষীদের সঙ্গে সংঘাত শুরু করেন। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বাধ্য হয়ে গুলি ছোড়া শুরু করে রক্ষীরা। এ কারণেই ঘটেছে হতাহতের ঘটনা।’

আইএনপিইসি কারাগারে মোট কয়েদির সংখ্যা ১ হাজার ২৬৭ জন। কারাগারের যে ব্লকে আগুন ধরানো হয়েছিল, সেখানে ওই সময় ছিলেন ১৮০ জন কয়েদি।

লাতিন আমেরিকার অন্যান্য দেশের মতো কলম্বিয়ার বিভিন্ন কারগারেও ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েদির সংখ্যা অনেক বেশি। সরকারি হিসেব অনুযায়ী, কলম্বিয়ার সব কারাগারের মোট কয়েদি ধারণ ক্ষমতা ৮১ হাজার, কিন্তু বর্তমানে দেশটির বিভিন্ন কারাগারে বন্দি কয়েদির সংখ্যা প্রায় ৯৭ হাজার।

এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট ইভান ডিউক। এক টুইটবার্তায় প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘তুলুয়া শহরের আইএনপিইসি কারাগারে হতাহতের ঘটনায় গভীরভাবে শোকাহত। আমি কারাপ্রধান টিটো ক্যাস্টিল্যানোসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি এবং এই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি।’

এর আগে ২০২০ সালে করোনা মহামারির সময় এই রোগ থেকে সুরক্ষার দাবিতে বিক্ষোভ হয়েছিল কলম্বিয়ার বিভিন্ন কারাগারে। সে সময় কারারক্ষীদের সঙ্গে সংঘাতে নিহত হয়েছিলেন প্রায় ২৪ জন কয়েদি। সেই বিক্ষোভের পর লঘু অপরাধে কারাদণ্ডপ্রাপ্ত কিছুসংখ্যক কয়েদিকে মুক্তি দিয়েছিল কলম্বিয়ার সরকার।

কলম্বিয়া   কারাগার   অগ্নিকাণ্ড   দাঙ্গা  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ন্যাটোর ক্রিমিয়ায় প্রবেশে যুদ্ধের ইঙ্গিত রাশিয়ার

প্রকাশ: ০৯:২০ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail ন্যাটোর ক্রিমিয়ায় প্রবেশে যুদ্ধের ইঙ্গিত রাশিয়ার

ন্যাটো জোট সদস্যের ক্রিমিয়ায় অনধিকার প্রবেশ হবে রাশিয়ার সাথে যুদ্ধের শামিল এমন মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ। 

সাবেক এই রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, ক্রিমিয়া রাশিয়ার অংশ এবং এটা সব সময়ের জন্য প্রযোজ্য। আর এই উপদ্বীপে কোনো ন্যাটো সদস্যের অনুপ্রবেশ রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ ঘোষণার শামিল। আর এটার অর্থ— সমগ্র জোটের সাথে যুদ্ধ যা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ। 

রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট মেদভেদেভ এখন রাশিয়ার সিকিউরিটি কাউন্সিলের ডেপুটি চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন। সম্প্রতি ইউরোপের আরো দুটি দেশ ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের ন্যাটোর সদস্য পদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ক্ষুব্ধ সাবেক এই রুশ প্রেসিডেন্ট। 

দেশ দুটির এই পদক্ষেপের প্রসঙ্গে মেদভেদেভ বলেন, তারা এটা করলে রাশিয়া সীমান্তে শক্তি বাড়াবে এবং প্রতিশোধের জন্য প্রস্তুত হবে।

ন্যাটো   ক্রিমিয়া   বিশ্বযুদ্ধ  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ইউক্রেনের শপিংমলে ক্ষেপনাস্ত্র হামলায় নিহত ১৮

প্রকাশ: ০৮:৪৯ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail ইউক্রেনের শপিংমলে ক্ষেপনাস্ত্র হামলায় নিহত ১৮

ইউক্রেনের শপিংমলে রাশিয়ার ক্ষেপনাস্ত্র হামলায় নিহত হয়েছে ১৮ জন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এদিকে এই হামলার ঘটনাকে 'ন্যক্কারজনক' বলে অভিহিত করেছেন বিশ্বনেতারা। সূত্র: রয়টার্স 

দেশটির মধ্যাঞ্চলের শহর ক্রেমেনচাকে শপিংমলে রুশ ক্ষেপনাস্ত্র হামলাকে ‘সম্পূর্ণ অসুস্থ’ আক্রমণ বলে উল্লেখ করেছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত লিন্ডা টমাস গ্রিনফিল্ড। 

এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাউন্সিল মঙ্গলবার ইউক্রেনের বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে রাশিয়ার নৃশংসতা নিয়ে আলোচনা করবে। তিনি বলেন, রাশিয়াকে অবশ্যই জবাদিহিতার আওতায় আনতে হবে। 

রয়টার্স সূত্রে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকে এই অপরাধের জন্য রাশিয়াকে বিচারের মুখোমুখি করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

এদিকে জার্মানিতে সম্মেলনে অংশ নেওয়া শিল্পোন্নত সাতটি দেশের জোট জি-৭-এর নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, ‘নিরপরাধ বেসামরিক মানুষের ওপর এভাবে নির্বিচার হামলা যুদ্ধাপরাধের শামিল। 

ইউক্রেন   শপিংমল   রাশিয়া   ক্ষেপণাস্ত্র  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ঋণ খেলাপির দাবি প্রত্যাখান রাশিয়ার

প্রকাশ: ০৭:৫৪ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail ঋণ খেলাপির দাবি প্রত্যাখান রাশিয়ার

১০০ বছরের বেশি সময় পর ঋণের কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় ঋণ খেলাপি হয়েছে রাশিয়া। তবে সোমবার রাশিয়ার অর্থমন্ত্রী এই পরিস্থিতিকে ‘একটি প্রহসন’ হিসাবে উল্লেখ করে বিষয়টি প্রত্যাখান করেছেন। অন্যদিকে এই ঘটনায় স্বস্তি পেয়েছে পশ্চিমা বিশ্ব।

ক্রেমলিন জানিয়েছে, রাশিয়ার কাছে সুদের অর্থ প্রদানের পর্যাপ্ত অর্থ রয়েছে, তা দিতেও ইচ্ছুক তারা। তবে, নিষেধাজ্ঞার কারণে আন্তর্জাতিকভাবে লেনদেন জটিল হয়ে পড়েছে দেশটির জন্য।

ক্রেমলিন ঋণ খেলাপি এড়াতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকলেও তা ঠেকাতে পারেনি। এটি রাশিয়ার মর্যাদার ওপর একটি বড় আঘাত বলে মনে করা হচ্ছে।

হোয়াইট হাউস সোমবার বলেছে, বিশ শতকের শুরুর দিকে বলশেভিক বিপ্লবের পর থেকে রাশিয়া প্রথমবারের মতো তার আন্তর্জাতিক বন্ডে খেলাপি হয়েছে।

দেশটি বিনিয়োগকারীদের নগদ অর্থের জন্য পশ্চিমা আর্থিক এজেন্টদের কাছে যেতে বলছে। মস্কোর দাবি, ওই এজেন্টদের নগদ অর্থ দেওয়া হলেও বন্ডহোল্ডাররা তা পায়নি।

গত ২৭ মে, ১০ কোটি ডলার সুদের অর্থ প্রদানের কথা ছিল রাশিয়ার। তারা বলছে, এসব অর্থ ইউরোতে পাঠানো হয়েছিল ইউরোক্লিয়ারের একটি ব্যাংকে। তবে সেটি সেখানে আটকে গেছে।

রাশিয়া বিনিয়োগকারীদের নগদ অর্থের জন্য পশ্চিমা আর্থিক এজেন্টদের কাছে যেতে বলছে। মস্কোর দাবি, ওই এজেন্টদের নগদ অর্থ দেওয়া হলেও বন্ডহোল্ডাররা তা পায়নি।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ সোমবার সাংবাদিকদের বলেন, খেলাপি হওয়ার কথাটি একেবারেই অযৌক্তিক।

তিনি বলেন, বলেন, ইউরোক্লিয়ার এই অর্থ আটকে রেখেছে বলে তা প্রাপকদের কাছে যায়নি। এটা আমাদের সমস্যা নয়। এই ধরনের পরিস্থিতিকে খেলাপি হওয়া বলার কোন ভিত্তি নেই।

গত সপ্তাহ পর্যন্ত রাশিয়া তার ইউরোবন্ডে বৈদেশিক মুদ্রায় অর্থ প্রদান করে আসছে। তবে মে মাসের ডলার এবং ইউরো কুপনের চালান বিনিয়োগকারীদের কাছে পৌঁছায়নি।


রাশিয়া   পুতিন   ঋণ খেলাপি   অর্থনীতি   ইউরোপ   আমেরিকা  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ইউক্রেনের আত্মসমর্পণের শর্তে যুদ্ধ বন্ধ করবে রাশিয়া: পেসকভ

প্রকাশ: ০৭:৪৪ পিএম, ২৮ Jun, ২০২২


Thumbnail ইউক্রেনের আত্মসমর্পণের শর্তে যুদ্ধ বন্ধ করবে রাশিয়া: পেসকভ

ইউক্রেন আত্মসমর্পণ করলেই রাশিয়া সেনা অভিযান বন্ধ করবে বলে জানিয়েছেন ক্রেমলিন মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ। 

মঙ্গলবার (২৮ জুন) পেসকভ বলেন, ‘ইউক্রেন যত দ্রুত আত্মসমর্পণ করবে, রাশিয়া ততো দ্রুত সেনা অভিযান বন্ধ করবে।’

তিনি বলেন, ‘ইউক্রেন দিক থেকে সবকিছু বন্ধ করতে হবে এবং তাদের সেনাবাহিনীকে অস্ত্রসমর্পণ করার আদেশ দিতে হবে।’ তিনি ইউক্রেনের কর্তৃপক্ষকে তাদের সেনাদের অস্ত্রসর্ম্পণ করার নির্দেশ দিতেও আহ্বান জানিয়েছেন। 

যদিও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বারবার বলছে, কখনোই তার দেশ রাশিয়ার কাছে আত্মসমর্পণ করবে না।

চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে বিশেষ সেনা অভিযান শুরু করে রাশিয়া। চার মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত রাশিয়া-ইউক্রেন দুই দেশই সংঘর্ষ চালিয়ে যাচ্ছে।

ইউক্রেন   আত্মসমর্পণ   রাশিয়া  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন