ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ত্রিপুরায় নিরঙ্কুশ জয় পেলো বিজেপি

প্রকাশ: ১১:৫২ এএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail ত্রিপুরায় নিরঙ্কুশ জয় পেলো বিজেপি

ভোটের আগে যা ভাবা, যা গণনা, ফলাফলও ঠিক তাই। ত্রিপুরার পুরভোটে নিরঙ্কুশ ক্ষমতা দখল করল বিজেপি। তবে তার মধ্যেও আগরতলা শহরে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসে তৃণমূল কংগ্রেস দাবি করল, বিজেপির ‘শেষের শুরু হল এই ফল থেকেই। আর ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের দাবি, রাজ্যকে ‘বদনাম করার চেষ্টার জবাব দিয়েছেন মানুষ।

ত্রিপুরার পুর নিগম, পুর পরিষদ ও নগর পঞ্চায়েত মিলে মোট ৩৩৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৩২৯টিই রাজ্যের শাসক দলের দখলে। তার মধ্যে ১১২টি তারা আগেই জিতে নিয়েছিল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। ওয়ার্ডের নিরিখে বিরোধীদের ঝুলিতে গিয়েছে নামমাত্র আসন। কিন্তু এই ‘গেরুয়া ঝড়ের আবহেও ভোটপ্রাপ্তির বিচারে আগরতলায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে তৃণমূল কংগ্রেস। গোটা রাজ্যের পুর এলাকার ভোটের ফলের নিরিখে অবশ্য দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বামেরা।

পুরভোটে এ বার শাসক দলের বাহিনীর বিরুদ্ধে সন্ত্রাস, গা-জোয়ারি ও ছাপ্পার অভিযোগ উঠেছিল ভূরি ভূরি। এমন নির্বাচনকে ‘প্রহসন আখ্যা দিয়ে পুরভোট বাতিলের দাবি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থে হয়েছে দুই বিরোধী দল সিপিএম ও তৃণমূল। রাজ্য নির্বাচন কমিশন কোথাও কোনও পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ না দেওয়ার প্রতিবাদে রবিবার গণনা প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণও করেনি বামেরা। ভোটবাক্স খোলার পরে এ দিন দেখা গিয়েছে, আগরতলা পুর নিগমের ৫১টি ওয়ার্ডের ৫১টিতেই জয়ী বিজেপি। শহরের ২৬টি ওয়ার্ডে তৃণমূল রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে, বামেরা দ্বিতীয় ২৫টিতে। পুরভোটে ত্রিপুরায় খাতাও খুলেছে তৃণমূল। আমবাসা পুর পরিষদের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল প্রার্থী সুমন পাল তাঁর জয়কে ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয় বলেই বর্ণনা করেছেন। প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের পুরভোটে আগরতলা পুরসভা জিতেছিল বামফ্রন্ট।

ত্রিপুরার যে ১৩টি পুর এলাকায় ভোট ছিল, তার সবকটিই এ বার জিতেছে বিজেপি। যে ২২২টি আসনে ভোট হয়েছে, তার মধ্যে বিজেপির দখলে ২১৭টি। সিপিএম পেয়েছে ৩টি আসন। তৃণমূল এবং তিপ্রা মথা ১টি করে ওয়ার্ড জিতেছে। তিপ্রা মথার প্রদ্যোত কিশোর মাণিক্যের দাবি, কোনও জনজাতি সংগঠনের শহুরে এলাকায় জয় এই প্রথম। গোটা রাজ্যে পুর এলাকা ধরে হিসেব করলে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বামেরাই। তাদের প্রাপ্ত ভোট ১৯.৬৫%। তৃণমূল পেয়েছে ১৬.৩৯%। আর বিজেপির ভোট ৫৯.০১%। শুধু আগরতলা পুর এলাকা ধরলে আবার তৃণমূল থাকছে দ্বিতীয় স্থানে। প্রথম বার লড়তে নেমে আগরতলায় তৃণমূল পেয়েছে ২০.১৩%। বামেদের ভোট সেখানে ১৭.৯%। কংগ্রেস পেয়েছে ১.৮%। আর জয়ী বিজেপির প্রাপ্তি ৫৭.৪% ভোট। এই চিত্র সামনে রেখে তৃণমূলের এক শীর্ষ নেতার মন্তব্য, ‘‘এই ফলে হতাশার তো কিছু নেই-ই, বরং উৎসাহিত হওয়ার কারণ আছে। বিজেপির শেষের শুরু হল। গণতন্ত্রের হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য ত্রিপুরার মানুষ আমাদের ভরসা দিয়েছেন।’’

তাৎপর্যপূর্ণ তথ্য, আগরতলা-সহ বেশ কিছু এলাকার ওয়ার্ডে বাম ও তৃণমূল মিলে যা ভোট পেয়েছে, তা বিজেপির চেয়ে বেশি।

তৃণমূল নেতৃত্বের যুক্তি, মাত্র তিন মাসের রাজনৈতিক প্রস্তুতি নিয়ে তাঁরা ত্রিপুরায় পুরভোটের ময়দানে নেমেছিলেন। গোটা প্রচার-পর্ব এবং নির্বাচনে হামলা ও মামলার সঙ্গে লড়তে হয়েছে। ভোটে বিস্তর ‘জালিয়াতি সত্ত্বেও এই সামান্য সময়ে যে সমর্থন তাঁরা পেয়েছেন, সেই ভিতের উপরে দাঁড়িয়ে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করা যাবে। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য, ‘‘সবে তো শুরু। এ বার আসল খেলা হবে!’’ টুইট করে এ দিন তিনি বলেছেন, ‘নামমাত্র উপস্থিতি নিয়ে শুরু করে পুরভোটে ২০%-এর বেশি ভোট পেয়ে প্রধান বিরোধী হিসেবে উঠে আসা যে কোনও দলের পক্ষেই ব্যতিক্রমী। আমরা তিন মাস আগে কাজকর্ম শুরু করেছিলাম এবং অন্য দিকে, ত্রিপুরায় গণতন্ত্রকে জবাই করতে বিজেপি কোনও চেষ্টাই বাদ রাখেনি। এই পরিস্থিতি মাথায় রেখে ত্রিপুরায় তৃণমূলের সব কর্মীকে তাঁদের দৃষ্টান্তমূলক সাহসের জন্য অভিনন্দন!

ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব অবশ্য পুরভোটে তাঁর দলের জয়ের পরে বলেছেন, ‘‘ত্রিপুরেশ্বরী মায়ের পুণ্যভূমির যারা ক্ষতি করতে চেয়েছিলেন, তাঁদের যোগ্য জবাব দিয়েছেন ত্রিপুরাবাসী। ফলাফলে প্রতিফলিত হয়েছে, মানুষ উন্নয়নের পক্ষে। তাই বিজেপিকে ৯৮.৫০% আসনে জয়যুক্ত করে ত্রিপুরাবাসী উপহার দিয়েছেন।’’ তৃণমূলের প্রতি ইঙ্গিত করে তাঁর কটাক্ষ, ‘‘ত্রিপুরাকে বদনাম করার চেষ্টায় যারা ছিলেন, তাঁরা দেখুন কৈলাসহর অথবা সোনামুড়ায় সংখ্যালঘু এলাকাতেও মানুষ উন্নয়নের পক্ষে আস্থা প্রদর্শন করেছেন। কিছু দিন ধরে ত্রিপুরাকে বদনাম করার চেষ্টা হয়েছে।’’ পুর নির্বাচনে সাফল্যের জন্য অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্য বিজেপিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

আগরতলা পৌঁছে এ দিন তৃণমূল নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বিপ্লবের সরকারকে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তাঁর কথায়, ‘‘গত পুর নির্বাচনে বিজেপি ১৪.১% ভোট পেয়ে ২০১৮ সালে ত্রিপুরায় ক্ষমতা দখল করেছিল। তৃণমূল ২০২৩ সালের বিধানসভা ভোটে একই ভাবে পরিবর্তন আনবে। অনেক জায়গায় রিগিং-ছাপ্পা করে, কোথাও কোথাও গণনায় কারচুপি করেও তারা তৃণমূলের উত্থান আটকাতে পারেনি।’’ গণনা-পর্ব সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করায় রাজ্য তৃণমূলের আহ্বায়ক সুবল ভৌমিক প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

সিপিএম অবশ্য এই পুরভোটের হিসেব-নিকেশ থেকে বড় কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে নারাজ। দলের রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরীর কথায়, ‘‘যে নির্বাচনকে বাতিল করার দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে যেতে হয়েছে, সেখান থেকে কে দ্বিতীয় বা তৃতীয়, সেই বিচার অর্থহীন! বিজেপির শাসনে গণতন্ত্র, নির্বাচন ও জনগণের ভোটের অধিকারের উপরে যে আক্রমণ চলছে, তা থেকে ত্রিপুরাকে বার করে আনতে সংগ্রামের ময়দানে আরও সক্রিয় হতে হবে।’’ ত্রিপুরা রাজ্য বামফ্রন্টের বিবৃতিতেও বলা হয়েছে, ‘অভূতপূর্ব সন্ত্রাস, নির্বাচন কমিশন এবং পুলিশের সচেতন ব্যর্থতার পাশাপাশি প্রশাসনিক সুযোগের ব্যবহার করে শাসক বিজেপি নগর সংস্থার নির্বাচনকে পুরোপুরিই প্রহসনে পরিণত করেছে।

তবে বাম নেতৃত্ব মনে করিয়ে দিয়েছেন, ২০টি পুর এলাকার মধ্যে ১৩টিতে (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ফয়সালা হয়েছে ৭টির) লড়াই করেছে বামফ্রন্ট। তিনটিতে লড়াই করেছে তৃণমূল। তাই সার্বিক ভাবে তৃণমূলের ‘প্রধান বিরোধী শক্তি হয়ে ওঠার দাবি ঠিক নয় বলে বামেদের পাল্টা দাবি। তাঁরা আরও মনে করিয়ে দিচ্ছেন, আগরতলায় বিজেপির দুজন ‘বিক্ষুব্ধ বিধায়ক পিছন থেকে তৃণমূলকে মদত করেছেন। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ও বিজেপি নেত্রী প্রতিমা ভৌমিকও মন্তব্য করেছেন, পুরভোটে তাঁদের ‘সাফল্য এসেছে বামেদের হারিয়েই। সূত্র: আনন্দবাজার



মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

পুতিনের –বাইডেনের বৈঠক বাতিল

প্রকাশ: ০২:৫০ পিএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ইউক্রেনে রুশ বাহিনীর সামরিক অভিযান বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সম্প্রতি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন; কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্টের দপ্তর হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আপাতত সেই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে।

হোয়াইট হাউসের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন কিরবি শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘এই মুহূর্তে ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সংলাপে বসার কোনো অভিপ্রায় বা পরিকল্পনা আমাদের প্রেসিডেন্টের নেই এবং তার প্রধান কারণ পুতিন।’

‘পুতিন (বাইডেনের সঙ্গে) কোনো প্রকার সংলাপে যেতেই আগ্রহী নন; বরং প্রকৃতপক্ষে তিনি এর উল্টোটাই চান। আমাদের প্রেসিডেন্টও এ ব্যাপারটি লক্ষ্য করেছেন।’

বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেন জো বাইডেন। সেখানে তিনি বলেন, ভ্লাদিমির পুতিন যদি সত্যিই ইউক্রেনে যুদ্ধ বন্ধ করতে আগ্রহী হন, সেক্ষেত্রে তিনি পুতিনের সঙ্গে সংলাপে বসতে প্রস্তুত আছেন।

মার্কিন ও ইউরোপীয় রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এই প্রথম রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের প্রতি এতটা অকপট ও খোলা মনের পরিচয় দিয়েছেন বাইডেন।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ক্রেমলিন অবশ্য বাইডেনের এই প্রস্তাবে তেমন ইতিবাচক সাড়া দেয়নি। শুক্রবার মস্কোতে এক সংবাদ সম্মেলনে ক্রেমলিনের প্রেস সেক্রেটারি ও মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ‘বাইডেন এখনও ঝাপোরিজ্জিয়া, খেরসন, দোনেৎস্ক ও লুহানস্ককে রাশিয়ার অংশ বলে স্বীকৃতি দেননি, এবং তিনি মূলত চান— পুতিন যেন ইউক্রেন ত্যাগ করেন। নিশ্চিতভাবেই এই শর্ত মস্কোর পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়।’

হোয়াইট হাউসে সংবাদ সম্মেলনে জন কিরবিকে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন— যদি বাইডেনের সঙ্গে পুতিনের সংলাপ না হয়, সেক্ষেত্রে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সংলাপের কোনো সম্ভাবনা রয়েছে কিনা।

উত্তরে কিরবি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে রাশিয়ার সঙ্গে বৈঠকের জন্যে আমাদের তরফ থেকে কোনো চাপ দেওয়া হবে না, রাশিয়ার সঙ্গে সংলাপে বসার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন কেবল তিনিই।’

‘তবে পুতিন যদি সঠিক সিদ্ধান্ত নেন এবং ইউক্রেন থেকে সরে যান, সেক্ষেত্রে যুদ্ধ এখনই বন্ধ হতে পারে। ইউক্রেনে রুশ বাহিনীর উপস্থিতি থাকা উচিত নয়।’


ইউক্রেন যুদ্ধ   পুতিন-বাইডেন বৈঠক   রাশিয়া   ওয়াশিংটন  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ইউরোপ শক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন ফিনল্যান্ড প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১১:৩৮ এএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য ইউরোপ ‌‘যথেষ্ট শক্তিশালী নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী সানা মারিন। এ ক্ষেত্রে ইউরোপকে মার্কিন সমর্থনের উপর নির্ভর করতে হয়েছে।

সানা বলেন, ‘কঠিন হলেও সত্যটাই স্বীকার করতেই হবে যে ইউরোপ এখনও যথেষ্ট শক্তিশালী নয়, যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া আমরা সমস্যায় পড়ব।‘

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে একটি থিংক ট্যাংকে বক্তৃতা প্রদানের সময় ফিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইউরোপের প্রতিরক্ষা জোরদার করতে হবে। এ বিষয়ে আরও বেশি পদক্ষেপ নিতে হবে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে ‌‘বিশেষ সামরিক অভিযান’ শুরু করে রাশিয়া। হামলার নিন্দা জানানোর পাশাপাশি অর্থ, প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র সরবরাহ করে ইউক্রেনকে সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। গত মাসের যুক্তরাজ্যের হাউস অফ কমন্সের একটি গবেষণা ব্রিফিংয়ের তথ্যানুয়ায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে ১৮.৬ বিলিয়ন ডলারের সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

কিয়েল ইনস্টিটিউটের তথ্যানুয়ায়ী ইউক্রেনকে সহায়তার দিক দিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, এরপর যুক্তরাজ্যের অবস্থান।

শুক্রবার সিডনিতে বক্তৃতাকালে সানা মারিন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে প্রচুর অস্ত্র, আর্থিক সহায়তা, মানবিক সহায়তা দিয়েছে। এমন সমস্যা মোকাবেলায় ইউরোপ এখনও যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। ইউরোপকে অবশ্যই প্রতিরক্ষা, প্রতিরক্ষা শিল্পের ক্ষেত্রে এই সক্ষমতা তৈরি করতে হবে যাতে বিভিন্ন ধরণের পরিস্থিতি মোকাবেলা করা সম্ভব হয়।


ইউক্রেন যুদ্ধ   ইউরোপ   ফিনল্যান্ড  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

বাস চালাতে চালাতেই চালকের হার্ট অ্যাটাক

প্রকাশ: ১১:২৩ এএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

বাস চালাতে চালাতেই অসউস্থ হয়য়ে স্টিয়ারিংয়ের উপর ঢলে পড়েন চালক। নিয়ন্ত্রণহীন বাস এরপর সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকা একের পর এক গাড়িতে ধাক্কা মারে। এতে মৃত্যু হয় এক পথচারীর। আহত হন একাধিক ব্যক্তি। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পরে ওই বাস থেকে উদ্ধার করা হয় চালকের মরদেহ।

ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মধ্যপ্রদেশের জবলপুরে। বাসটির চালকের নাম হরদেব পাল (৬০)। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, হার্ট অ্যাটাকেই হয়েছে

জবলপুর শহরের একটি ট্র্যাফিক সিগন্যালের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে দেখা গেছে, সিগন্যালে দাঁড়িয়ে আছে একাধিক মোটরসাইকেল এবং অটোরিকশা। আচমকা পিছন থেকে একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেগুলোকে ধাক্কা মারে। 

পুলিশ জানিয়েছে, ওই বাসটি চালাচ্ছিলেন হরদেব নামের এক চালক। তিনি গত দশ বছর ধরেই শহরে ‘মেট্রো বাস’ চালান। আচমকাই বাস চালাতে চালাতে তার হার্ট অ্যাটাক হয়। সঙ্গে সঙ্গেই তিনি ঢলে পড়েন স্টিয়ারিংয়ের উপর।

আরও জানা গেছে, ওই বাসের যাত্রী এবং দুই শিশু-সহ মোট ছ’জন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি এক বৃদ্ধকেও ধাক্কা মারে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। পরে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। তবে বাসের গতি কম থাকায় বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি পুলিশের।



মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ব্রাজিলে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে নিখোঁজ অর্ধশতাধিক

প্রকাশ: ১০:৫৫ এএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

ব্রাজিলের দক্ষিণাঞ্চলীয় সান্তা ক্যাতারিনা প্রদেশ ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের কবলে পড়েছে। এতে এখন পর্যন্ত দুইজনের প্রাণহানি এবং অর্ধশতাধিক নিখোঁজ হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির জরুরি বিভাগ।

জানা গেছে, টানা বৃষ্টিতে বন্যা ও ভূমিধস হয়েছে সান্তা ক্যাতারিনায়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ শতাধিক ঘরবাড়ি এবং স্থাপনা। ধ্বংস হয়ে গেছে বহু সড়ক। বাস্তুচ্যুত অন্তত ৭’শ বাসিন্দা। দুর্দশাগ্রস্ত এসব বাসিন্দাদের সরিয়ে নেয়া হয়েছে আশ্রয়কন্দ্রে। 

দুর্যোগ কবলিত এলাকায় যৌথ উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং সিভিল ডিফেন্স টিম। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে চালানো হচ্ছে উদ্ধারকাজ। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে অভিযান। 

প্রতি বছরই এই সময়টাতে বন্যা কবলিত হয় ব্রাজিলের দক্ষিণাঞ্চলীয় সান্তা ক্যাতারিনা প্রদেশের এই অঞ্চলটি। স্থানীয়দের দাবি, পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকতেও ঝুঁকি এড়াতে কর্তৃপক্ষের যথাযথ পদক্ষেপের অভাব রয়েছে।

 


ব্রাজিল   বন্যা   ভুমিধস  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

১০০ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্সের রেকর্ড গড়ার পথে ভারত

প্রকাশ: ১০:৩৭ এএম, ০৩ ডিসেম্বর, ২০২২


Thumbnail

প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সের নতুন রেকর্ড গড়ার পথে ভারত। বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে চলতি বছরের ১০০ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স অর্জন করতে চলেছে ভারত।

যুক্তরাষ্ট্র ও উন্নত দেশগুলোতে শ্রমিকের বেতন বৃদ্ধি ও চাহিদা বাড়ায় ভারত এই মাইলফলক ছুঁতে চলেছে। এ বছর বিশ্বে রেমিট্যান্স পাঠানোর হার ৫ শতাংশ বেড়েছে।

রেমিট্যান্স অর্জনের সেরা দেশের তালিকায় আছে মেক্সিকো, চীন, মিশর ও ফিলিপাইন।

সাম্প্রতিক সময়ে ভারতীয়রা যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও সিঙ্গাপুরের মতো দেশে মোটা অঙ্কের বেতনে চাকরি করছেন। প্রবাসীদের এই আয় ভারতের জিডিপির ৩ শতাংশের মতো।

ভারত ও নেপালের রেমিট্যান্স বাড়ার সময়ে এশিয়ার অনান্য দেশের প্রবাসী আয় ১০ শতাংশের বেশি কমেছে।



মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন