ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

আফ্রিকার ১৪ দেশের সঙ্গে ফ্লাইট স্থগিত করল সৌদি

প্রকাশ: ০৩:৩৮ পিএম, ২৯ নভেম্বর, ২০২১


Thumbnail আফ্রিকার ১৪ দেশের সঙ্গে ফ্লাইট স্থগিত করল সৌদি

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘ওমিক্রন’ প্রতিরোধে আফ্রিকার রবিবার নতুন করে আরও ৭টি দেশের সঙ্গে ফ্লাইট স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব। ফলে অনির্দিষ্টকালের জন্য এসব দেশ থেকে সৌদিতে প্রবেশ করা যাবে না।

নতুন করে যেসব দেশের সাথে ফ্লাইট স্থগিত করেছে সৌদি আরব সেগুলো হলো- মালাউই, জাম্বিয়া, মাদাগাসকার, অ্যাঙ্গোলা, কমোরোস, মৌরিতানিয়া ও সিচেলিস। এর আগে সৌদি সরকার আফ্রিকার আরও সাতটি দেশের সাথে ফ্লাইট স্থগিত করে। সেগুলো হলো- দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া, বতসোয়ানা, জিম্বাবুয়ে, মোজাম্বিক, লেসেথো ও এসওয়াতিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এই তথ্য প্রকাশ করেছে আরব নিউজ। খবরে বলা হয়েছে, করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘ওমিক্রন’-এর সংক্রমণ প্রতিরোধে সৌদি সরকার ইতোমধ্যে আফ্রিকার ১৪ দেশের সঙ্গে ফ্লাইট স্থগিত করেছে। তালিকাভুক্ত এসব দেশগুলোর কোনো নাগরিক অন্য একটি দেশে ১৪ দিন না থেকে সৌদিতে প্রবেশ করতে পারবে না।  

এছাড়াও অন্যান্য দেশ থেকে যারা সৌদিতে যেতে চাইবেন তাদের টিকা নেওয়া থাকতে হবে এবং ৫ ‍দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। এদিকে গত ১ নভেম্বরের পর যারা আফ্রিকার দেশগুলো থেকে সৌদিতে প্রবেশ করেছে তাদের পিসিআর টেস্ট করার নির্দেশ দিয়েছে সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। 

গতকাল রবিবার সৌদির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ পর্যন্ত দেশটিতে ওমিক্রন সংক্রমিত রোগী পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, ইসরায়েল, যুক্তরাজ্য, আমেরিকা ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ আফ্রিকার দেশগুলোর সঙ্গে ফ্লাইট স্থগিত ঘোষণা করেছে। তবে দেশগুলোর এমন সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট। তিনি এই পদক্ষেপকে শাস্তি হিসেবে উল্লেখ করে অবিলম্বে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন।



মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

দল না সুশীলদের সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র?

প্রকাশ: ০৫:০২ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail দল না সুশীলদের সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র?

বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস অত্যন্ত ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। ঢাকায় দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে তিনি দম ফেলার সময় পাচ্ছেন না। কখনো যাচ্ছে নির্বাচন কমিশনে, কখনো বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করছেন, কখনো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সঙ্গে মিলিত হচ্ছেন মধ্যহ্নভোজ কিংবা নৈশভোজে। আর এ সমস্ত আলাপ আলোচনায় তিনি বারবার বাংলাদেশে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কথা বলছেন। গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে আমেরিকান চেম্বার অফ কমার্স বাংলাদেশ আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে পিটার ডি হাস বলেন, বাংলাদেশে কোন বিশেষ রাজনৈতিক দলকে তিনি সমর্থন করেন না। তিনি চান বাংলাদেশে আগামী নির্বাচন শান্তিপূর্ণ অবাধ সুষ্ঠু হোক। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে আসার পর থেকেই আগামী নির্বাচন নিয়ে এ ধরনের বিভিন্ন রকম কথাবার্তা বলছেন। নির্বাচন হতে এখনো দেড় বছর বাকি। এত আগে থেকে রাষ্ট্রদূত কেন নির্বাচন চিন্তিত সেই প্রশ্ন অনেকের মধ্যেই দানা বেঁধে উঠছে। গতকাল তিনি সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন কোন রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করেন না। তাহলে তিনি কি করেন? বাংলাদেশের নির্বাচন করবে রাজনৈতিক দলগুলো, অন্য কেউ নয়। অবশ্য সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে সুশীল সমাজের মধ্যে এক ধরনের আহাজারি এবং আর্তনাদ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সুশীল সমাজ আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না, ইভিএম ব্যবহার করলে নির্বাচনে কারচুপি হবে ইত্যাদি নানা ইস্যুকে সামনে নিয়ে আসছে। আর এই প্রেক্ষিতে কোনো কোনো মহল মনে করছে ২০০৭ সালের মতো একটি নীলনকশা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশের সুশীল সমাজ কাজ করছে। আর এখন পিটার ডি হাসের বক্তব্যের পর অনেকে মনে করছে যে, সেই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র যুক্ত কিনা?

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশ সেনাসমর্থিত একটি অনির্বাচিত সরকার ক্ষমতা দখল করেছিল। তখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করা হয়েছিল ড. ফখরুদ্দিন আহমেদকে। সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন প্রক্রিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বড় ভূমিকা ছিল। বিরাজনীতিকরণকে বাস্তবায়ন করার জন্য এবং দুই নেত্রীকে মাইনাস করার জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়েছিল। পরবর্তীতে তা স্পষ্ট হয়েছে। আর সে কারণেই বিভিন্ন মহল থেকে বলা হচ্ছে আবার সেই রকম একটি পরিস্থিতি তৈরি করতে চাচ্ছে। বিএনপিকে রাজপথে নামিয়ে এবং আওয়ামী লীগের একটি মহলকে উস্কানি দিয়ে দেশে একটি সহিংস এবং উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি নীরব চেষ্টা চলছে কিনা তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে বেশ আলোচনা হচ্ছে। আর সেই আলোচনার থেকেই অনেকে মনে করছেন যে, বাংলাদেশে আবার একটি বিরাজনীতিকরণ প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের নীরব খেলা চলছে। সেই খেলায় যুক্তরাষ্ট্র কোন অংশ কিনা সেটিও ভেবে দেখার বিষয়।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত সাম্প্রতিক সময়ে যে বিভিন্ন আলাপ-আলোচনাগুলো করছেন তার একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে। আর সুশীল সমাজের শিরোমণি ড. ইউনূসের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের কথা সর্বজনবিদিত। মার্কিন রাষ্ট্রদূত কয়েকদিন আগে দুর্নীতি দমন কমিশনের ছুটে গিয়েছিল। দুর্নীতি দমন কমিশন এখন ড. ইউনূস নিয়ন্ত্রিত গ্রামীণ টেলিকমের ৩ হাজার কোটি টাকা অর্থ পাচারের বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে। নির্বাচন শেষ পর্যন্ত যদি অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন হয় এবং রাজনৈতিক দলগুলোর যদি ক্ষমতায় আসে তাহলে বাংলাদেশে সুশীল কর্তৃত্ব তো আরও কোণঠাসা হয়ে করবে এবং সুশীল সমাজের ভূমিকাও একটা ক্ষীণ হয়ে যাবে। সেই বাস্তবতায় সুশীল সমাজকে পাদপ্রদীপে আনার জন্য আর আরেকটি অরাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় আনার যে প্রক্রিয়া সেই প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র অংশীজন কিনা সেটি এখন বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন? কারণ যে কোন বিচারেই সুশীলদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ভালো এবং বাংলাদেশের সুশীল সমাজের একটি বড় অংশও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ওপর নানাভাবে নির্ভরশীল। এই কারণেই প্রশ্ন উঠেছে যে, শেষপর্যন্ত কি তাহলে সুশীলদের রাজত্ব কায়েম করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র?

সুশীল   যুক্তরাষ্ট্র  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

ভারত-পাকিস্তান সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে ভ্রমণে কানাডার সতর্কতা

প্রকাশ: ০৩:১২ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail ভারত-পাকিস্তান সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে ভ্রমণে কানাডার সতর্কতা

ভারতে ভ্রমণে যাওয়া কানাডীয় নাগরিকদের উদ্দেশে সতর্কবার্তা জারি করেছে কানাডার জাস্টিন ট্রুডোর সরকার। সতর্কবার্তায় গুজরাট, পাঞ্জাব এবং রাজস্থানের মতো পাকিস্তান সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে ভ্রমণ করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে কানাডার নাগরিকদের।

আজ বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআই। মূলত পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী এসব রাজ্যগুলোতে ‘ল্যান্ডমাইনের সম্ভাব্য উপস্থিতি এবং অপ্রত্যাশিত নিরাপত্তা পরিস্থিতি’র কথা উল্লেখ করে এই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

পর্যটকদের উদ্দেশে কানাডার সরকারের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ‘অনাকাঙ্ক্ষিত নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং ল্যান্ডমাইনের উপস্থিতির কারণে নিম্নলিখিত রাজ্যগুলোতে পাকিস্তানের সীমান্তের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা কোনো এলাকায় সকল ভ্রমণ এড়িয়ে চলুন: গুজরাট, পাঞ্জাব, রাজস্থান।’

এদিকে গত ২৭ সেপ্টেম্বর সর্বশেষ হালনাগাদ করা ওই বার্তায় কানাডা আরও বলেছে, ‘ভারতের সর্বত্রই সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কা রয়েছে। তাই ভারতের যেখানেই যাবেন সেখানে উচ্চ-মাত্রায় সতর্ক ও সাবধানে থাকবেন।’

কানাডার ভ্রমণ সতর্কতার এই তালিকায় ভারতের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাদাখের নাম নেই। তবে উত্তর-পূর্ব ভারতের আসাম এবং মণিপুরে ভ্রমণের ক্ষেত্রেও নাগরিকদের সতর্ক করেছে কানাডা সরকার। সন্ত্রাস ও বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপের কারণে এই দুই রাজ্য থেকে পর্যটকদের দূরে থাকতে বলা হয়েছে।

এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর কানাডায় থাকা ভারতীয়দের উদ্দেশে ‘সতর্কবার্তা’ জারি করেছিল ভারত। ‘ভারত-বিরোধী কার্যকলাপ’ বৃদ্ধির জেরেই এই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছিল। সেসময় কানাডার সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার উদাহরণ তুলে ধরে নয়াদিল্লির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। কানাডা সরকারকে সেসব ঘটনার তদন্ত করার আবেদনও জানায় ভারত।

এছাড়া কানাডায় পড়াশোনা করা ভারতীয় নাগরিক এবং শিক্ষার্থীদের অটোয়াতে ভারতীয় হাইকমিশন অথবা টরন্টো এবং ভ্যাঙ্কুভারের ভারতীয় কনস্যুলেট জেনারেল বা এমএডিএডি পোর্টালে নিজেদের নাম নিবন্ধন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।


বিশ্ব   ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত   কানাডা   ভ্রমণ সতর্কতা   সীমান্তবর্তী রাজ্য   পাঞ্জাব   গুজরাট  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

যানজট এড়াতে যে শহরে চালু হচ্ছে হেলিকপ্টার সেবা

প্রকাশ: ০২:৫৭ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail যানজট এড়াতে যে শহরে চালু হচ্ছে হেলিকপ্টার সেবা

যানজট এড়াতে এবার ভারতের বেঙ্গালুরু শহরে চালু হচ্ছে হেলিকপ্টার সেবা। স্থানীয় আরবান এয়ার মোবিলিটি সংস্থা ‘ব্লেড ইন্ডিয়া’, বেঙ্গালুরু বিমানবন্দর এবং হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (এইচএএল) বিমানবন্দরের মধ্যে হেলিকপ্টার পরিসেবা চালু করতে চলেছে। আগামী ১০ অক্টোবর থেকে এই পরিসেবা চালু হবে।

এইচ১২৫ ডিভিজি এয়ারবাস হেলিকপ্টারে পাঁচজন যাত্রী একসঙ্গে যাত্রা করতে পারেন। গাড়িতে চড়ে যে পথ অতিক্রম করতে ২ ঘণ্টারও বেশি সময় লেগে যেত, হেলিকপ্টার পরিসেবা চালু হওয়ার পর সেই পথ যেতেই যাত্রীদের সময় লাগবে মাত্র ১২ মিনিট। টিকিটের মূল্য বাবদ যাত্রীদের দিতে হবে ৩,২৫০ রুপি, তার উপর কিছু করও ধার্য করা হয়েছে। সপ্তাহে পাঁচবার এই হেলিকপ্টারটি এই পথে চালানো হবে।

যেহেতু এইচএএল বিমানবন্দরটি কোরামঙ্গলা, ইন্দিরানগরের মতো জনপ্রিয় স্থান এবং আইটি পার্কের কাছাকাছি, তাই এই হেলিকপ্টার পরিসেবা বিশেষ করে করপোরেট যাত্রীদের জন্য বেশ সুবিধাজনক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপাতত এই রুটে দুটি কপ্টার চালানো হবে। স্থানীয় সকাল ৯টায় ছাড়বে বেঙ্গালুরু থেকে এইচএএল বিমানবন্দরে যাওয়ার হেলিকপ্টার এবং বিকালে ৪ টা ১৫ মিনিট নাগাদ সেই কপ্টারটি ফেরত যাবে।

বেঙ্গালুরুর দৈনন্দিন যানজটের চিত্র গোটা ভারতজুড়েই দুর্নাম কুড়িয়েছে। বিশ্বের বড় শহরগুলোর রেকর্ড অনুসারে ভারতের বেঙ্গালুরু শহরের রাস্তার যানজটের চাপ ছাপিয়ে গিয়েছে ভিড়ে ঠাসা মুম্বাই শহরকেও। ‘গ্লোবাল লোকেশন’ বিশেষজ্ঞদের মতে, গোটা একটি বছরে অর্থাৎ ৩৬৫ দিনে, বেঙ্গালুরুর একজন সাধারণ যাত্রী রাস্তায় যানজটে সময় ব্যয় করেন প্রায় ১০ দিন ৩ ঘণ্টা। যানজট এড়াতে এই নতুন হেলিকপ্টার পরিসেবা কতটা সফল হবে, তা সময়ই বলবে। 


বিশ্ব   এশিয়া   ভারত   যানজট   হেলিকপ্টার সেবা   বেঙ্গালুরু  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

তালেবানকে একঘরে করলে পরনিতি ভয়াবহ হবে!

প্রকাশ: ০১:৪১ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail তালেবানকে একঘরে করলে পরনিতি ভয়াবহ হবে!

তালেবান সরকারের সঙ্গে বোঝাপড়া করার জন্য আন্তর্জাতিক সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিলাওয়াল ভুট্টো আফগানিস্তানের। একইসঙ্গ, তালেবান শাসকরা যদি আবার একঘরে হয়ে পড়ে তাহলে তার পরিণতি হবে বিপজ্জনক বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

ওয়াশিংটন সফররত বিলাওয়াল বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ সতর্কবানী উচ্চারণ করেন।

তিনি বলেন, তালেবান সরকারকে উপেক্ষা করলে আফগানিস্তানে বহুবিধ সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে যার পরিণতি থেকে বিশ্বের কেউ রক্ষা পাবে না। পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আফগানিস্তানের অর্থনীতির পতন হলে দেশটি থেকে প্রতিবেশী দেশগুলোতে শরণার্থীদের ঢল নামবে এবং আইএসের মতো উগ্র জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো আফগানিস্তানে পাকাপোক্তভাবে ঘাঁটি গেড়ে বসবে।

বিলাওয়াল ভুট্টো বলেন, অতীত অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, আমরা যখন তালেবান শাসকদের উপেক্ষা করেছি তখনই অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটনা ঘটেছে যার পরিণতি আমাদেরকেই ভোগ করতে হয়েছে।

আফগানিস্তানে ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিল তালেবান। এরপর টানা দুই দশক দেশটিতে মার্কিন নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা সেনা মোতায়েন থাকার পর ২০২১ সালের আগস্ট মাসে আবার ক্ষমতায় আসে তালেবান। ১৯৯০ এর দশকের তালেবান সরকারকে পাকিস্তানসহ বিশ্বের তিনটি দেশ স্বীকৃতি দিলেও এবারের তালেবান সরকারকে বিশ্বের কোনো দেশ স্বীকৃতি দেয়নি।


বিশ্ব   এশিয়া   তালেবান   আফগানিস্তান   পাকিস্তান   তালেবান সরকার   আলোচনা  


মন্তব্য করুন


ওয়ার্ল্ড ইনসাইড

সু চি’র আরও ৩ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশ: ১২:৫৬ পিএম, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২


Thumbnail সু চি’র আরও ৩ বছরের কারাদণ্ড

সামরিক অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে গৃহবন্দি থাকা মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চিকে আরও ৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সামরিক শাসিত মিয়ানমারের একটি আদালত সু চিকে এই কারাদণ্ড দেয়।

সু চির পাশাপাশি তার সাবেক অর্থনৈতিক উপদেষ্টা অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক শন টার্নেলকেও তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

গণতন্ত্রপন্থি এই নেত্রীর কারাদণ্ডের রায়ের ব্যাপারে জানেন এমন একটি সূত্রের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অং সান সু চি ও তার সাবেক অর্থনৈতিক উপদেষ্টা শন টার্নেলের বিরুদ্ধে সরকারি গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়। এই অভিযোগ প্রমাণিত হলে মিয়ানমারে সর্বোচ্চ ১৪ ​​বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার বিধান রয়েছে। তবে অভিযুক্ত উভয়কেই ৩ বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। অবশ্য উভয় ব্যক্তিই নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছিলেন।

কারাদণ্ডের বিষয় সম্পর্কে রয়টার্সকে তথ্য দেওয়া ওই সূত্রটি জানিয়েছে, অং সান সু চি ও তার সাবেক অর্থনৈতিক উপদেষ্টা শন টার্নেল; দু’জনকেই তিন বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সাজা ভোগের সময় কোনো কঠোর পরিশ্রম করতে হবে না।

বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর হওয়ায় ওই সূত্রটি তার পরিচয় প্রকাশ করতে অস্বীকার করেছেন।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন গণতান্ত্রিক সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করে দেশটির সামরিক বাহিনী। বন্দি করা হয় গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চি ও তার দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্র্যাসির (এনএলডি) বিভিন্ন স্তরের কয়েক হাজার নেতাকর্মীকে।

সংবাদমাধ্যম বলছে, বিভিন্ন অভিযোগে দায়ের হওয়া সবগুলো মামলায় যদি সু চি দোষী সাব্যস্ত হন, সেক্ষেত্রে সবমিলিয়ে তার বিরুদ্ধে প্রায় ১৯০ বছরের কারাদণ্ডাদেশ হতে পারে। রাজধানী নেইপিদোর রুদ্ধদ্বার আদালতে সু চির বিরুদ্ধে বিচারকাজ চলছে।

রয়টার্স বলছে, এখন পর্যন্ত রায় ঘোষণা হওয়া বিভিন্ন মামলায় অং সান সু চিকে ১৭ বছরেরও বেশি করাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। সু চি অবশ্য বরাবরই তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ অস্বীকার করে মিথ্যা বলে দাবি করে এসেছেন।

শন টার্নেল অস্ট্রেলিয়ার ম্যাকুয়ারি ইউনিভার্সিটির অর্থনীতির অধ্যাপক। সামরিক অভ্যুত্থানের কয়েকদিন পর সু চির পর তিনিও আটক হন।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং এর আগে বলেছিলেন, টার্নেলকে বিচারের বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছে ক্যানবেরা।

রয়টার্স বলছে, বৃহস্পতিবার রাজধানী নেইপিদোর একটি রুদ্ধদ্বার আদালতে সু চিকে এই সাজা দেওয়া হয়। আসামিরা ঠিক কিভাবে সরকারি গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘন করেছেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। যদিও একটি সূত্র আগে বলেছিল যে, টার্নেলের অপরাধ ‘অভিযোগের সাথে সম্পর্কিত কারণ তার কাছে সরকারি নথি ছিল’।

বৃহস্পতিবারের এই রায় নিয়ে অবশ্য এখনও কোনো মন্তব্য করেনি মিয়ানমারের জান্তা সরকার। তবে জান্তা জোর দিয়ে বলেছে, মিয়ানমারের আদালত স্বাধীন এবং যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা যথাযথ প্রক্রিয়া অনুযায়ী সুবিধা পাচ্ছে।


বিশ্ব   মিয়ানমার   অং সান সু চি   জেল   রোহিঙ্গা সংকট   সামরিক জান্তা   রাখাইন  


মন্তব্য করুন


বিজ্ঞাপন